উপস্থিত ঐতিহ্যবাহী বায়তুল মামুরজাত জামে মসজিদ আদাবর শ্যামলী ঢাকার সম্মানিত মুসল্লিবৃন্দ পর্দার অন্তরালে শ্রদ্ধা স্নেহাশীল মা ও বোনের আলোচনার শুরুতে সে মহান আল্লাহ তাআালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি যে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সুন্দর একটি পরিবেশে যথাসময়ের পূর্বে অত্র মসজিদে আপনাকে আমাকে হাজির হওয়ার সুতৌফিক দান করেছেন। সে আল্লাহ তাালার দরবারে সেজদায় শুকুর। সকলে বলি আলহামদুলিল্লাহ। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলের প্রতি। সকলে বলি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি। আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি। সম্মানিত উপস্থিতি আমি আপনাদের সম্মুখে সূরাতুল আল ইমরানের ১০২ নম্বর আয়াত এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জবানী হতে বুখারীর ৩৪৯০ নম্বর হাদিসটি বর্ণনা করে শুনিয়েছি। তেলাওয়াতকৃত আয়াত ও বর্ণিত হাদিসকে কেন্দ্র করে আমি আমার আলোচনার বিষয় নির্ধারণ করেছি।
সূরাতুল আযহাবের ৩৫ এবং ৩৬ নম্বর আয়াতের আলোকে একজন প্রকৃত আল্লাহকে ভয়কারীর গুণাবলী বা বৈশিষ্ট্য। বর্ণিত বিষয়ের প্রতি পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে আমারও ক্ষুদ্র বিদ্যায় এক জনকল্যাণকর সংক্ষিপ্ত আলোচনা রাখার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। সম্মানিত উপস্থিতি আপনারা আলোচনার বিষয়ে অবগত হয়েছেন। আলোচনার বিষয় হচ্ছে আমরা সবাই আল্লাহকে ভয় করি। এখন প্রকৃতভাবে সত্যকার অর্থে একজন আল্লাহকে ভয়কারীর মধ্যে যে গুণাবলী বৈশিষ্ট্য নিয়ম নীতি থাকা প্রয়োজন সেগুলো নিয়ে আমরা কথা বলব অনেকগুলো পয়েন্ট হয়তো আসতে পারে কিন্তু আমরা কথা বলব সূরা আযহাবের ৩৫ এবং ৩৬ নম্বর আয়াতের আলোকে আপনারা অবশ্যই জানেন এ আয়াতটি আপনাদের সামনে আগেই অনুবাদ করে শুনিয়ে নিই আল্লাহ তাআলা বলছেন সূরা আহাব ৩৫ এবং ৩৬ নম্বর আয়াত আল্লাহ বলছেন ইন্নাল মুসলিমিনাল মুসলিমাত তারাই হল প্রকৃত পক্ষে আমার ইবাদত গুজর বান্দা এবং বান্দ নারী পুরুষের মধ্যে তারাই হল প্রকৃত পক্ষে আমাকে ভয় করে তারাই প্রকৃত আমার দাসত্ব করে যারা ইন্নাল মুসলিমিনাল মুসলিমাত নিশ্চয় প্রতিজন আত্মসম সমর্পণকারী মুসলিম পুরুষ ল
মুসলিমাতি এবং প্রতিজন আত্মসমর্পণকারীনী মুসলিমা নারী মমিনাত প্রতিজন মুমিন পুরুষ প্রতিজন মুমিনা নারীতনাতি প্রতিজন আল্লাহর দিকে মনোযোগী পুরুষ এবং প্রতিজন আল্লাহর দিকে মনোযোগকারী নারী ও সদিকিনা ওদিকতি প্রতিজন সত্যবাদী পুরুষ প্রতিজন সত্যবাদী নারীনাত প্রতিজন ধৈর্যশীল পুরুষ প্রতিজন ধৈর্যশীলা নারীনাত প্রতিজন বিনয়ী নম্র ভদ্র আদর্শ গঠনের পুরুষ এবং প্রতিজন বিনয়ী নম্র ভদ্র এই আদর্শের অনুসারিণী নারী প্রতিজন আল্লাহর পথে অধিক ব্যয়কারী অধিক দানকারী আল্লাহর পথে অধিক ব্যয়কারী পুরুষ প্রতিজন আল্লাহর পথে অধিক ব্যয়কারীন নারী মাত প্রতিজন সিয়াম পালনকারী পুরুষ প্রতিজন সিয়াম পালনকারী নারী প্রতিজন লজ্জাস্থানের হেফাজতকারী পুরুষ প্রতিজন লজ্জা স্থানের হেফাজতকারী নারী প্রতিজন আল্লাহকে অধিক হারে স্মরণ স্মরণকারী পুরুষ প্রতিজন আল্লাহকে অধিকার হারে স্মরণকারী নারীমা এই সমস্ত এই গুণাবলী যাদের ভিতরে রয়েছে এই আদর্শ যাদের ভিতরে রয়েছে এই গুণাবলী সম্বলিত নারী এবং পুরুষের জন্য রয়েছে আল্লাহ আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা এবং মহা পুরস্কার সে পুরস্কার জান্নাত সুবহানাল্লাহ নারী পুরুষের এ বিষয়ে কোন অধিকার বা এখতিয়ার নেই যে আল্লাহ এবং রাসূল কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এই সিদ্ধান্তের অধ্যতা প্রকাশ করার মত অধিকার কোন নারী পুরুষকে দেওয়া হয়নি যে ব্যক্তি যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তার রাসূলের অবাধ্য করবে তার সিদ্ধান্তকে অবজ্ঞা করবে সে ব্যক্তি সুস্পষ্টতার মধ্যে নিমজ্জিত হবে।
এ কথা আল্লাহ তালা সূরা আযহাবের ৩৫ এবং ৩৬ নম্বর আয়াত দিয়ে আমাদেরকে জানিয়েছেন। আমরা যে বিষয়গুলো আলোচনা করব সে বিষয়গুলো আমরা জেনে গিয়েছি। এবার আমরা ছোট্ট ছোট্ট করে প্রত্যেকটা পয়েন্টে দুই একটি করে কথা বলে আমাদের আলোচনায় এবার শেষ করে দেব ইনশাআল্লাহ। তাহলে আমরা আমাদের একজন প্রকৃত আল্লাহকে ভয়কারী নারী পুরুষের একজন আদর্শ পুরুষ এবং আদর্শ নারীর কিছু গুণাবলী আমরা এখানে জানতে পারলাম এখন কথা হলো আমরা তো সবাই আল্লাহকে ভয় করি আসলেই কি সত্যিকার অর্থে আমরা আল্লাহকে ভয় করি গতদিন আমি একটা গল্প বলেছিলাম যে মরতে হবে এই কথাটা স্মরণ করলে সে পাপ ছেড়ে দিবে অন্যায় ছেড়ে দিবে মানুষ মুখে বলেছে মরতে হবে মরতে হবে সে রাজা বাপ ছেড়ে দেই নাই গল্প বলেছি এখন আমাদেরকে আল্লাহ বলেছেন বিভিন্ন জায়গাতে তাকওয়া নিয়ে আলোচনা আমি পূর্বে মনে হয় করেছি সেখানে আমি তাক বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছিলাম যেহেতু আজকে সেদিকে যাব নাতা আল্লাহ তালা আমাদেরকে যে তাকওয়াশীল করতে চেয়েছেন প্রতিটা ইবাদত বন্দেগী দিয়েই কিন্তু আল্লাহতালা আমাদেরকে তাকওয়াশীল করতে চেয়েছেন পৃথিবীতে যত ইবাদত যা কিছু করেন না কেন সবকিছুর মূলে আল্লাহ যেটা চেয়েছেন তাকওয়া আপনি এই ইবাদত দিয়ে তাকওয়া অর্জন করবেন।
আল্লাহ ভীতি অর্জন করবেন। তা আপনি আমি তো সেই তাকওয়া অর্জন করেছি বা আল্লাহর ভয় আপনার আমার হৃদয়ে আছে। তা সত্যিকার অর্থেই কি আপনি আমি আল্লাহ অর্জন করতে পেরেছি? তাহলে আল্লাহতালা সূরা আল ইমরানের ১০২ নম্বর আয়াতে এভাবে কেন আপনাকে আমাকে বললেন?"লা মুসলিম হে ঈমানদারগণ তোমরা যারা ঈমান এনেছো বিশ্বাস স্থাপন করেছ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এ পর্যন্ত বললে তো ঠিকই ছিল যে ঈমানদারগণ তোমরা সবাই আল্লাহকে ভয় কর এ পর্যন্ত বললেই তো আপনি আমি সকলেই আল্লাহকে ভয় করতাম কিন্তু আল্লাহ এর পরে দ্বিতীয় বাক্য বলেন সত্য সহকারে পরকৃতভাবে যেভাবে ভয় করলে হয় প্রকৃতভাবে তোমাদের জীবন প্রাণ উজার করে দিয়ে শুধু মৌখিকভাবে নয় একেবারে সত্যই যেন তোমার হৃদয়ের মাঝে আল্লাহর ভয় থাকে এটাই হল আল্লাহতালা বলেছেন শুধু ভয় করো না হাতকাতি প্রকৃতভাবে সত্য সহকারে তোমরা আল্লাহকে ভয় করো সত্য সহকারে ভয় তখনই হবে যখন আপনি প্রাণপন চেষ্টার মাধ্যমে আপনার কর্মকে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবেন।
ইবাদতকে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবেন। তখনই আপনি আমি প্রকৃত সত্যিকার অর্থে আল্লাহ ভীতি আনয়ন করতে পারব। পৃথিবীর আপনি আমি অনেক মাসলা মাসায়েল জিজ্ঞাসা করি। মাসলা মাসায়েল জিজ্ঞাসা করি। যে হুজুর এই মাসলা মাসায়েল কি হবে? এর উত্তর কি হবে? আমি আপনাকে দুইটা আয়াত বলে দিই। যে কাজ করবেন সেই দুইটা আয়াত মাথায় রেখে করবেন। কোন হুজুরের কাছে যাওয়া লাগবে না। এক নম্বর হল সূরা মায়েদার দুই নম্বর আয়াতের আংশিক তোমরা পরস্পর আল্লাহ এবং ভালো কাজে সাহায্য করো। অন্যায় আল্লাহ বিদ্রোহী খারাপ কাজ এ কাজে তোমরা সাহায্য করো না। যেখানে আল্লাহর নাফরমানি রয়েছে এ কাজে সাহায্য করো না। অতএব কোন কাজ করার পূর্বে কাউকে সাহায্য করার পূর্বে আপনি শুধু এটুকু ভেবে নিবেন এখানে এটা কি আল্লাহর ভয় আছে এখানে? এখানে কি আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে? এখানে কি কাজটি কি ভালো না খারাপ? খারাপ হলে বাদ।
আর যদি ভালো হয় আল্লাহ সন্তুষ্টি থাকে করে দিবেন একটা ফতোয়া দিয়ে দিলাম দ্বিতীয় একটা আয়াত মাথায় রাখবেন যে কোন কাজ করার পূর্বে সূরা তাগাবনের ১৬ নম্বর আয়াত আল্লাহ বলছেন তোমরা আল্লাহকে ভয় করো প্রাণপন চেষ্টার মাধ্যমে তোমাদের সাধ্য অনুযায়ী অতএব আপনার ভিতরে যতটুকু চেষ্টা রয়েছে ততটুকু চেষ্টা দিয়ে যখন আপনি আল্লাহকে ভয় করবেন তখন আপনার ওই কাজে আর জাতি থাকবে না ইনশাআল্লাহ। অতএব এই দুইটা জিনিস আপনি মাথায় রাখবেন যে আপনি ইবাদত বন্দেগী করার সময় আপনি আপনার প্রাণপন চেষ্টা করে সেটা করছেন কিনা। আর আপনি ভালো কাজে অংশগ্রহণ করছেন কিনা যে কাজটায় আল্লাহ খুশি হয় এমন কোন কাজে অংশগ্রহণ করছেন কিনা।
এ দুটো জিনিস মাথায় রেখে করবেন দেখবেন আপনার জীবনের ৯৫% যে ফতোয়া আপনি চাচ্ছেন তারসার পেয়ে যাবেন। তো যাই হোক আল্লাহ তালা আমাদেরকে আল্লাহকে ভয় করতে বলেছেন এবং সত্য সহকারে আল্লাহকে ভয় করতে বলেছেন। এবং এরপরে একটা কঠিন বাক্য আল্লাহ আমাদেরকে শুনিয়ে দিয়েছেন। মুসলিম তোমরা মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। আচ্ছা বলেন তো দেখি আপনি আমি এখানে যারা এসেছি তারা মুসলমান নয়। এখানে যারা এসেছি তারা তো সব আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান, আব্দুল সাত্তার, আব্দুল কারীম, আব্দুর রহিম, আব্দুল গফুর এই নাম নিয়েই তো এসেছি। আমার পিতা মুসলমান ছিল। আমার দাদা মুসলমান ছিল। আমি সেই ঘরে মুসলমান হয়েছি। আমি মাঝে সাজে এক সালাত পড়ি।
আজকে জুম্মার দিনে এসেছি। আমি তো মুসলমান। আমি গরু গোসত খাই। আরো ইত্যাদি ইত্যাদিসব পরিচয় বহন করা যায় সেগুলো আমি করি। কিন্তু আল্লাহ কেন বললেন? ঈমানদারদেরকে ডেকে বলছেন আরে ঈমান এনেই তো আমি আল্লাহর উপরে আত্মসমর্পণ করেছি। তো ঈমান আনার পরে কালেমা স্বীকার করলাম। কালেমা না স্বীকার করলে তো আমি ঈমান আনতে পারি না। আমি যখন কালেমা স্বীকার না করব। একজন মানুষের নাম বলেন তো কালেমা স্বীকার করি নিজে ঈমান এনেছে। আমাকে একজন লোক দেখান।
তাহলে যিনি ঈমানদার ঈমানের দাবি রাখেন তিনি নিশ্চিত কালেমা স্বীকার করেছেন যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আশহাদু আলা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আশহাদু আনা মুহাম্মাদান আবদুহু রাসুলুহ মুসলিম হওয়ার জন্য প্রাথমিক ধাপ তিনি পূরণ করেছেন কালেমা স্বীকার করেছেন তাহলে আল্লাহ তাআলা আবার কেন তিনি বললেন যে তোমরা মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না অতএব মুসলিমের যে গুণাবলী থাকা প্রয়োজন সেই গুণাবলী আপনার ভিতরে আছে কিনা এটা দেখতে হবে মুসলিমের যে গুণাবলী থাকা প্রয়োজন এই গুণাবলী আপনার ভিতরে আছে কিনা যদি থাকে আপনি মুসলিম না থাকলে ওই সু মুখে বলা এ মুসলিম আল্লাহ জান্নাত সম্মানিত উপস্থিতি অতএব সূরা আহাবের প্রথম নম্বর যে পয়েন্ট ছিল ইন্নাল মুসলিমিনা মুসলিমাত প্রতিজন আল্লাহর নিকটে আত্মসমর্পণকারী মুসলিম নারী এবং পুরুষ আপনি আমি মুসলিম কেমন মুসলিম রাসূ সাল্লাল্লাহু আলা একটা প্রকৃত মুসলিম একটা সংজ্ঞা দিয়েছেন দেখেন তো আপনি এই সংজ্ঞার ভিতরে আছেন কিনা আবদুল্লাহ ইবনে রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল মুসলিম বুখারী মুসলিম মিশকাতের নাম্বার হাদিসের নাম্বার
হাদিস রাস সাল্লাল্লাহুবলছেন প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি আল মুসলিম মুসলিম প্রকৃত মুসলমান সত্যিকারের মুসলমান সত্যকার মুসলমান হতে বলেছেন সত্য সহকারে আল্লাহকে ভয় করতে বলেছেন প্রকৃত মুসলমান সত্যকার মুসলমান ওই ব্যক্তি যার হাত এবং জবান থেকে আরেকজন মুসলমান নিরাপদ রয়েছে এখন এই প্রথম নম্বর সংজ্ঞায় আপনার নামটা আছে আজকে বালিশে মাথা রেখে দেখবেন যে হুজুর প্রথম নম্বর সংজ্ঞায় ভাই আমি প্রশ্ন করছি না। তবে আপনাকে প্রশ্ন রেখে যাচ্ছি। আপনি আজকে উপস্থিত যারা নারী-পুরুষ রয়েছেন মা বোন রয়েছেন এই প্রথম নাম্বার সংজ্ঞায় আপনার নামটা আছে কিনা? আপনার হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ কিনা? আপনার জবান থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ কিনা? আপনি এই প্রথম নাম্বার সংজ্ঞায় পড়েন কিনা? এটা আপনাকে প্রমাণ করতে হবে।
যদি আপনার হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে আপনার জবান থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে তাহলে আপনি প্রকৃত মুসলিম হওয়ার বৈশিষ্ট্য অর্জন করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপর এক হাদিসে আমাদেরকে জানিয়েছেন হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তালাহ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল মুসলিম মুসলিম একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের ভাই লালিম আল্লাহতালা রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়েছেন রাসল সুতরাং তোমরা যেহেতু একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের ভাই তোমরা তার উপরে জুলুম করো না তোমরা তাকে কি করো না লাঞ্ছিত করো না অপমানিত করো না তোমরা তাকে নিয়ে ঠাট্টা করিও না তোমরা তাকে নিয়ে কিউস করিও না। তোমরা তাকে বিদ্রুপ করিও না। তোমরা তাকে ছোট করিও না।
তিনটা কথা বলেছেন। এখন আপনি একজন মুসলিম আরেক মুসলমানের ভাই। রাস বলছেন যে আপনার যেন আপনার হাত থেকে যেন আরেক মুসলমান কি না হয়? জুলুমের শিকার না হয়। এখন আপনাকে বলি আপনি কি জুলুম থেকে মুক্ত। আপনি কি অন্যের উপরে জুলুম থেকে মুক্ত? আপনি কি নিরাপদ রাখতে পেরেছেন আপনার আরেক ভাইকে? আপনি কি অন্যের উপরে লাঞ্জনা, গঞ্জনা, জুলুম, নির্যাতন এগুলো করা থেকে বিরত রয়েছেন? আপনি কি অন্যকে খাটো তুচ্ছ অপমানিত করা থেকে বিরত রয়েছেন? নাই। তাহলে আপনি যে মুসলিম হিসেবে দাবি করছেন। আরে মুসলিম মুসলমানের ভাই এ কথা বাদ দেন। আপনার ভাই আপনি আপনার ভাই আর আপনি আপনাদের দুইজনের মাঝে ভালো সম্পর্ক আছে।
আপনার ভাইয়ের সাথে আপনার ভালো সম্পর্ক আছে? নাই। আপনার ভাই আপনার সাথে ভালো সম্পর্ক রাখেনি। আপনিও আপনার ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক রাখেন নাই। অথচ একই মায়ের পাটে আপনি জন্মগ্রহণ করেছেন। একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের ভাই। আরে নিজের ভাইয়ের মধ্যে এখন সম্পর্ক ভালো নাই। তো অন্যর ভাইকে নিজের ভাই মনে করব। নিজের ভাইকে তো সেভাবে দেখি। কতটা দূরে রয়েছেন এবারে দেখেন। নিজের ভাইকে দেখতে পারিনি এখনো। ভালোভাবে সুন্দরভাবে নিজের ভাইকে কিভাবে জেল জুলুম খাটাবেন, কিভাবে তাকে ফাঁকি দিবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। নিজের ভাইয়ের নামে নিজের ভাই কেস করছেন, বোনের নামে কেস করছেন ইত্যাদি ইত্যাদি।
আরো কত কি রয়েছে তার সম্পদ আত্মসাৎ করে খাচ্ছেন তাকে কিভাবে ডাবিয়ে দেওয়া যায় সে চিন্তাভাবনা রয়েছে অন্যের সঙ্গে পরিকল্পনা করছেন তা আপনি নিজের ভাইয়ের প্রতি এখনো সদায় হতে পারেননি তা আপনি অন্যকে নিজের ভাই মনে করে কি করবেন তাকে তো হচ্ছে খারাপ করবেন করলেন নিজের ভাইয়ের মত মনে করে ওইভাবে ব্যবহার করবেন অতএব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানিয়েছেন স্পষ্ট ভাষায় যে তোমরা একজন আরেকজনের ভাই তার মানে তোমরা তাদের উপর জুলুম করতে পারবা না। তাদেরকে অপমানিত, লাঞ্চিত, খাট, তুচ্ছ করতে পারবা না। জেনে রাখো যে আল্লাহর ভয়ের কথাটা বলা হচ্ছে।
এভাবে দেখিয়ে দিলেন তিনবার একবার বললে হতেন তিনবার তিনি বললেন শোন তাকওয়া এখানে থাকে যে আল্লাহর ভয় প্রকৃতভাবে আল্লাহর ভয় করতে হবে ওই আল্লাহর ভয়টা এখানে রয়েছে এখানে রয়েছে এখানে রয়েছে সদরের মাঝে চামড়া দিয়ে ঢাকা এখানেই রয়েছে তাক এই জায়গা আপনার ঠিক আছে মুসলিম মিশকাতের হাদিস দিয়ে আমাদেরকে জানিয়েছেন ইমদাদিয়া পুস্তকলয় নবমখন্ড হাদিস নম্বর ৪৭৪২ অতএব আপনি আমি প্রকৃত মুসলিম হিসেবে দাবি করছি অতএব প্রকৃত মুসলিমের যে সামান্যতম গুণাবলী সেটা আপনার আমার ভিতরে নাই অথচ দুনিয়াতে আপনি আমি নিজেকে কত বড় মুসলিম পাওয়ারফুল মুসলিম হিসেবে দাবি করছি আল্লাহ আমাদেরকে প্রকৃত মুসলিম প্রকৃত আল্লাহকে ভয়কারী হিসেবে কবুল করুন সকলে বলি আল্লাহুম্মা আমিন সম্মানিত উপস্থিতি একটু একটু করে আগাই।
দ্বিতীয় নাম্বার কথা হচ্ছে মুমিনিও মুমিনাত। প্রতিজন ঈমানদার নারী আর প্রতিজন ঈমানদার পুরুষ। যারা ঈমানদার নারী এবং পুরুষ যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এনেছে তারাই হল আল্লাহকে প্রকৃত ভয়কারী। আল্লাহর প্রকৃত বান্দা এবং বান্দি। এখন ঈমানদার তো সবাই। ঈমানদার তো সবাই। আমরা ঈমান এনেছি বলে তো মুসলিম প্রথম বলেছি। কিন্তু ঈমান আনার জন্য ঈমানদার হওয়ার জন্য যে গুণাবলী রয়েছে তার প্রাথমিক পর্যায়ে যে কথাগুলো রয়েছে এগুলোই তো প্রাথমিক সদস্য ফরমে পূরণ করি নাই।
অথচ আপনি আমি ঈমানদার হিসাবে নিজেকে বলে বেড়াচ্ছি কত ঈমানদার আপনি আমি অথচ আসলা তিনি বলেন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলা বলেছেন মুসলিম মিশকাতের সাত নাম্বার হাদিস উক্ত হাদিস আমাদের নবী বলছেন তোমাদের কেউ মমিন হতে পারবে না কেউ পারবে না তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না আমি তার নিকটে অধিক প্রয়তর হব ভালোবাসার পাত্র হব মিনদিহন তার পিতামাতার তার সন্তান সন্ততি এবং পৃথিবীতে যত মানুষ হয়েছে সকল মানুষের চাইতে আমি যতক্ষণ পর্যন্ত ওই ব্যক্তির নিকটে অধিক প্রিয়তর না হব ভালোবাসার পাত্র না হব আদর্শের প্রতীক না হব ততক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের একজনও প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না। এটা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা।
এখন দেখেন তো আপনি আমি প্রকৃত মুমিন হতে পেরেছি কিনা। আমার পিতা-মাতা আত্মীয়স্বজন অন্যান্য মানুষের চাইতে সন্তানাদির চাইতে আমি রাসূলকে বেশি ভালোবাসতে পারি কিনা। আমি তো বর্তমানে রাষ্ট্র নিয়ে কথা বলা ঠিক নয়। তারপরেও বলি এই দেশে রাসূলের নামে কটুক্তি করা যায় রাসূলকে গালমন্দ দেওয়া যায় রাসূলের নামে অশ্লীল ভাব ভাষা বলা যায় আস্তাগফিরুল্লাহ নাউজুবিল্লাহ আল্লাহ কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এখানে তেমন কোন দোষের হয় না কিন্তু আপনি যে নেতার অনুসারী ওই নেতা দিয়ে মুখে একটা কথা পর্যন্ত বলা যায় না বললেই আপনার চেতনায় আঘাত লেগে যায় আপনি যে চেতনারই হন না কেন আবার এক পক্ষে টেনে নিয়ে আপনি যে আদর্শের যে বিশ্বাসের হন না কেন আপনি যাকে নেতা বলে মানেন ওই নেতার বিরুদ্ধে একটি কথা বললে হাজার অন্যায় করলে কথা বললে আপনার চেতনায় লেগে যায় অথচ রাসূের নামে কথা বলা যায় আপনার আমার অনুসরণ অনুকরণের কথা ছিল রাসূকে আল্লাহতালা এ কথাই বলেছেন তোমাদের জন্য নিহিত রয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে উত্তম আদর্শ।
তোমরা কার আদর্শ অনুসরণ করবে? তোমরা কাকে মেনে চলবে? তুমি আর কার বিধি-বিধান? কার পদঙ্ক অনুসরণ করে এ দুনিয়ার জীবনে তোমাদের জীবনযাত্রা পরিচালনা করবে এর জন্য যে আদর্শ থাকা প্রয়োজন সেটা উত্তম আদর্শ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাঝে দিয়ে দিয়েছি। অথচ আপনি আমি কোন আদর্শের সৈনিক? আপনি কোন আদর্শের সৈনিক? আজকে। আপনি কি রাসূলের আদর্শের সৈনিক? আজকে বালিশি মাথায় রাখবেন। আপনার স্লোগানে কোন আদর্শের সৈনিক রয়েছে? আবার স্লোগান দিলেও যে আপনি আদর্শের সৈনিক হয়ে যাবেন এটাও বলা ভুল। আমি আমার জীবনে ১০ ২০ বছরের মধ্যে কোন মাযহাবী মসজিদে জুম্মার খুতবা শ্রবণ করার সুযোগ হয় নাই। পড়লে যে ক্ষতি ছিল তা না।
আমার ব্যস্ততার কারণে আমি করতে পারি নাই। কিন্তু এখান থেকে ৪০ দিন পূর্বে ১২ই রবিউল আউয়ালের পরের জুম্মা যেটা হবে এক আমি মাজহাবী ভাইদেরকে বিরোধচারণ করার জন্য বলছিলাম এক মসজিদে খুতবা শুনলাম উনি খুতবায় উঠে ১২ই রবিউল আউয়াল রাসূলের জন্ম নিয়ে কথা বলতে বলতে উনি এমন কথা বললেন যারা রাসূলের জন্মে আনন্দিত না হয় তারা কি মুমিন তারা কি আশেকে রাসূল না আশেকে দুশমন তারা আশেকের দুশমন তারা মানে আল্লাহ রাসূলের নয় তারা মুসলিম নয় তারা কাফের ইত্যাদি ইত্যাদি অতএব রাসূলের জন্মদিনে যারা অখুশি হয় ইত্যাদি বলতে গিয়ে আরো কত কথা বললেন সে অনেক ধরনের কথা বলতে বলতে আবু জেহেল ফেরাউন ইত্যাদি তাদের সঙ্গে তুলনা করলেন কারা সেই ব্যক্তি যারা রাসূলের জন্মতে খুশি হয়নি যারা নাকি মিলাদ করে না যারা রাসূলের দুরুদ পড়ার সময় দাঁড়িয়ে যায় না যারা ইত্যাদি ইত্যাদি ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করে না এরাই নাকি রাসূলের দুশমনেরা মুসলিম নয়।
সম্মানিত উপস্থিতি আপনি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত বলে দাবি করছেন। আপনি নিজেকে রাসূলের অনুসারী হিসেবে দাবি করছেন। অথচ আপনার প্রত্যেকটি কদমে কথায় কথায় এক জুম্মার দিনে যতগুলো বেদাত আপনি ওখানে থেকে করলেন রাসূলের আদর্শের অনুসরণ না করে বিরুদ্ধচ্চারণ করলেন এটা যদি পয়েন্ট আকারে তুলে দেওয়া হয় এখানে তো এক জুম্মা শেষ হয়ে যাবে। অথচ যারা রাসূলের আদর্শকে বাস্তবায়ন করার জন্য সংযম করে যাচ্ছে যারা আল্লাহর কথাকে মেনে নিয়েছে রাসূ তোমরা আল্লাহকে মান্য কর রাসূের আনুগত্য করো এই যে এই কথাটি যারা মেনে নিয়েছেন আপনি তাদেরকে আশেকে দুশমন বলে কাফের বলে ইত্যাদি ইত্যাদি বলে সরকারের কাছে দাবিও জানাচ্ছেন কাফের বলে ফতোয়া চাওয়ার জন্য কাদেরকে বুঝাচ্ছেন আবার কিছু ভাই ইদানিং নেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে দেখছি।
ফতোয়া দিতে দিতে জিজ্ঞেস করা হয়েছে হুজুর ওয়াহাবীদের মেয়ে। ওয়াহাবী বলতে এই যারা আপনারা সালাফি দাবি করেন বা আহলে হাদিস দাবি করেন তাদেরকে বোঝানো হয়েছে। যে ওয়াহাবীদের মেয়ে বিবাহ করা যাবে নাকি? বিবাহ করা যাবে না। তাই এরপরে প্রশ্ন ওয়াহাবীদের কাছ থেকে গরু ক্রয় করে সেই গরু জবাহ দিয়ে মেজবান করা যাবে নাকি? যাবে না। তা ফতোয়াটা আরো কঠিন। আরো জটিল। জটিল। কি? ওয়াহাবীরা যে গরু লালন পালন করেছে ওটা দিয়ে যদি আপনি জবাহ করে মেজবান দেন বিবাহ শাদীর আয়োজন করেন তাহলে ওটা হারাম হবে শুধু হারাম হবে না ওহাবীরা মারা গিয়েছে মানে আহলে হাদিস বলে যারা দাবি করেন আমরা যেহেতু ওয়াহাবী বলে দাবি করি না এটা আমাদের উপরে একটা অপবাদ তো ওহাবীরা মারা গিয়েছেন মানে আহলে হাদিসরা মারা গিয়েছেন সালাফীরা মারা গিয়েছেন মারা যাওয়ার পরে যেখানে মাটি দেওয়া হয়েছে মাটি দেওয়ার পরে ওই মাটির জায়গায় ঘাস জন্মিয়েছে ওই ঘাস যে গরু খেয়েছে ওই গরু যদি আপনি ক্রয় করে মেহমানদারী করেন তাহলে মেহমানদারী হবে না বাতিল হারাম হবে এটা হল ফতোয়া কথা ঘুরে গেলাম অন্যদিকে যাক আমরা মূল কথা বলতে চাচ্ছিলাম যে আসলে আপনি কার অনুসরণ করি কার অনুসারী নিজেকে সুন্নি আহলে সুন্নাত জামাত বলে দাবি করছি অথচ প্রত্যেকটি কর্মে প্রত্যেকটি পদক্ষেপে আপনি আমি রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করছি।
আপনার আমার ইবাদত বন্দেগী আপদমস্তক বেদাত দিয়ে ভরপুর হয়ে রয়েছে। অথচ আপনি আমি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত। আপনি আমি আশেকে রাসূল। যা করেননি বলেননি করতে বলেননি অনুমোদন দেননি সেগুলো আপনার আমার মানে ইবাদতে ভরপুর হয়ে রয়েছে। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব আমাদেরকে মুমিন হতে হলে রাসূলকে ভালোবাসতে হবে। অন্য অন্য সকল মানুষের চাইতে পৃথিবীতে যত ইমাম আজম ইত্যাদি যাই বলেন না কেন সকলের চাইতে আপনাকে আমাকে ভালোবাসতে হবে রাসূলকে আমরা যাকে ইমামে আজম বলি আবু হানিফা আলাইহি তিনিও প্রাধান্য দিয়ে গিয়েছেন রাসূকে হাদিস যখন তোমরা সহি হাদিস পেয়ে যাবে তখন তোমরা সেটাই মেনে নেবে ওটাই আমার চলার পথ ওটাই আমার অনুসরণের পথ আমি পবিত্র কোরআন এবং সহ সুন্নাহ অনুসরণ অথচ আপনি আমি এগুলোকে অবজ্ঞা করে আপনি আমি আশেকে রাসূল হয়ে রয়েছি।
সম্মানিত উপস্থিতি অতএব প্রকৃত মুমিন তখনই হব যখনই সকলের চাইতে সকলকে এর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে একমাত্র আল্লাহ এবং তার রাসূলের দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে তখনই আপনি আমি প্রকৃত মুমিন। আরেকটা দিক আপনার ভিতরে থাকা লাগবে যদি আপনি প্রকৃত মুমিন হতে চান। ওমামা বাহি রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বর্ণিত তিনি বলেন স রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা একজন ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহর রাসূ ঈমানের পরিচয় কি? রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ঈমানের পরিচয় হল এই যখন তোমার কোন ভালো কাজ ভালো কর্ম তোমার হৃদয়ের মাঝে আনন্দ দিবে আর তোমার খারাপ কর্ম খারাপ কাজ তোমাকে পড়া দিবে দুঃখ দিবে কষ্ট দিবে বেদনা দিবেন তখনই তুমি প্রকৃত মুমিন আহমদ হাদিস নাম্বার ২১৪৫ অতএব সুস্পষ্ট ক্লিয়ার বক্তব্য মুমিন হতে হলে রাসূলকে সকলের চাইতে বেশি ভালোবাসতে হবে মুমিন হতে হলে আপনি মুমিন কিনা কিভাবে বুঝবেন কোন ল্যাবে যাওয়া লাগবে না আপনার কাছেই আল্লাহ ল্যাব দিয়ে দিয়েছেন।
ওখানেই একটি রিপোর্ট বের করে নেন। রিপোর্ট বের করে দেখবেন আপনার হৃদয় ভালো কর্মে আনন্দ পায় কিনা। যদি আপনার হৃদয় আপনার মন ভালো কাজ করে আনন্দ পায় আপনি মুমিন। আপনি আরেকটা রিপোর্ট বের করেন। দেখেন আপনার মন যখনই কোন কারণবসত শয়তানের অসায় কোন এক কর্ম কথা ইত্যাদি খারাপও হয়ে যায়। এই খারাপ হওয়ার পরেই আপনার অনুশোচনা আছে কিনা? অনুতপ্ত হয় কিনা পীড়া দেয় কিনা কষ্ট পান কিনা আল্লাহর কাছে বলেন কিনা আল্লাহ ভুল করে ফেলেছি অন্যায় করেছি জুলুম করেছি নিজের নফসের উপরে এভাবে আপনার হৃদয় আত্মনাত করে কিনা আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে কিনা যদি এভাবে আপনার হৃদয় অন্যায় করে কান্নাকাটি করে তাহলে আপনি মুমিন।
আর যদি আপনার হৃদয় অন্যায় করার পরেও কিছু মনেই না করেছি তো করেছি। কি হয়েছে? করেছি তো করেছি। কি হয়েছে? যদি এমনটি হয় আপনার হৃদয় তাহলে ওই রিপোর্ট বের করে দেখবেন ও রিপোর্টে আপনার ভুল রয়েছে। আপনি মুমিন নয়। আপনার কল আক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। আল্লাহর ভয় ওখানে আর নাই। ওখানে রোগে আক্রান্ত ধরেছে। অতএব ডাক্তারি করার চেষ্টা করুন। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব প্রকৃত মুমিন হতে হলে রাসূলকে ভালোবাসুন। সকলের চাইতে ভালো কাজে আনন্দ অনুভূতি প্রকাশ করুন। এবং অন্যায় করলে সাথে সাথে নতি স্বীকার করুন। মানুষের কাছে হলে মানুষের কাছে নতি স্বীকার করুন। আল্লাহর কাছে হলে আল্লাহর কাছে নতি স্বীকার করুন। আর মানুষের কাছে হলেও মানুষের কাছে নতি স্বীকার করুন।
সাথে সাথে আল্লাহকে বলুন আল্লাহ ভুল করেছি ক্ষমা করে দাও আল্লাহ আমাদেরকে এই নীতি অনুসরণ করার তৌফিক দান করুন সকলে বলি আল্লাহুম্মা আমিন প্রতিজন আল্লাহর দিকে মনোযোগী পুরুষ ও নারী মনোযোগী মনোযোগটা হতে হবে আল্লাহর দিকে একেবারে একান্ত ঐকান্তিকভাবে আল্লাহকে স্মরণ করে আল্লাহর জন্যই আপনার আমার দুনিয়াবী জীবনের সকল কর্ম সকল ইবাদত বন্দেগী হতে হবে। যদি এটা হয় তাহলে তখন আপনি প্রকৃত আল্লাহর বান্দা এবং বান্দ। আল্লাহতালা সূরা বাকারার ২৩৮ নম্বর আয়াতে বলছেন তারা একনিষ্টভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একেবারে বিনয়ের সাথে একনিষ্টভাবে তারা আল্লাহর ইবাদতে সালাতে দন্ডায়মান হয়ে যায় অতএব যখন আপনি আমি আল্লাহকে স্মরণ করার জন্য আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য দন্ডায়মান হতে পারব তখনই আপনি মুমিন পূর্বে একটা হাদিস অনেক আগে বলেছিলাম যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আল মুসলিম একজন মুসলিম জান্না মুসলিম মিশকাতের ২৮৭ নম্বর হাদিস দিয়ে আমাদের নবী বলছেন যখন একজন মুসলমান সুন্দর করে অযু করে অতঃপর দাঁড়িয়ে যায় সেও অন্তর এবং মুখকে কি করে
নেয় আল্লাহর জন্য নির্ধারণ করে নেয় জান্না ওই ব্যক্তির জন্য আল্লাহর জান্নাত কি হয়ে যায় ওয়াজিব হয়ে যায় সুবহানাল্লাহ যখন আপনার আমার হৃদয় আপনার আমার মন একনিষঠ ভাবে আল্লাহর জন্য হয়ে যাবে তখন আপনি আমি প্রকৃত আল্লাহর বান্দা এবং বান্দিতে রূপান্তরিত হব তখন আপনার আমার ইবাদত আল্লাহ কবুল করবেন এবং যে সালাত আদায় করব এই সালাতের বিনিময়ে আল্লাহ কি করবেন জান্না জান্নাত ওয়াজিব করে দিবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামন আপনাকে আমাকে সকলকে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগী করার তৌফিক দান করুক সকলে আল্লাহুম্মা আমিন এরপর প্রতিজন সত্যবাদী পুরুষ প্রতিজন সত্যবাদী নারী সত্য কথা বলা সত্য কথা বলা আছে কিনা আমি তো জানিনা সত্য যে কি জিনিস এখন তো এটা আমাদেরকে খুঁজে দেখতে হবে অনুবেক্ষণ যন্ত্র দ্বারা অথচ আল্লাহ তালা সূরা আযহাবের ৭০ নম্বর আয়াতে বলছেন ঈমানদার আল্লাহকে সত্য স আল্লাহকে ভয় কর আল্লাহকে ভয় কর এবং সদা সর্বদা সত্য কথা বল আপনি আমি মিথ্যাবাদী মিথ্যা কথা বলি আপনার আমার চলেই জীবন মিথ্যার উপরে।
মিথ্যা ছাড়া দিন পার হয় কিনা এটা বলা মুশকিল। আপনি আমি বলছি আপনি আমি আল্লাহকে প্রকৃত ভয় করি। অথচ আল্লাহতালা বলছেন তোমরা আল্লাহকে ভয় করো সদা সর্বদা। আল্লাহকে ভয় করার সাথে সাথে সদা সর্বদা। সত্য কথা বলো। অতএব যিনি আল্লাহকে প্রকৃত ভয় করেন তিনি মিথ্যা কথা বলতে পারেন না আর যিনি মিথ্যা কথা বলেন তিনি আল্লাহকে প্রকৃত ভয় করেন না ক্লিয়ার হিসাব এটা মিলিয়ে নিয়ে একটা কথা সুস্পষ্ট মুমিন জিনা করতে পারেন হুজুর আবার কি বলেন কি ফতোয়া ফতোয়া এটা আমি জাস্ট উদাহরণ সহ বুঝাচ্ছি মুমিন জিনা করতে পারে মুমিন মিথ্যা কথা বলতে পারে না মুমিন জিনা করেছে কারণ অনেক মুমিন জিনা করেছে না সাহাবীদের সময়ে আপনারা শুনেননি হাদিসে তাদেরকে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম রজম করেছেন।
শুধু রজম করেননি তাদের রজমের পরে যে ফজিলত বর্ণনা করেছেন যে তারা এমনভাবে আল্লাহর নিকটে তওবা করেছে তাদের তওবা মদিনাবাসীর জন্য যথেষ্ট ছিল। এভাবে তাদের মর্যাদাও বর্ণনা করেছেন একজন মুমিন ভুলবসত শয়তানের অস আমি বলছি না জিনার দিকে ধাবিত হওয়ার যদি করে ফেলে তাহলে সে সত্য বলল যে আমি জিনা করেছি। তা জিনা করার অপরাধে তাকে কি হবে? রজন করা হবে মাটিতে পুড়তে। তাকে হত্যা করা হবে। তা হত্যা করলে এই যে অন্যায় করেছিল তার পাপটা ধুয়ে গেল। মুছে গেল। পাপ থাকলো না। কিন্তু মুমিন জিনা করলো। গোপন রাখলো। মিথ্যা বলল। না না আমি জিনা করি নাই। তাহলে পাপ একটা চাপা পড়লো।
আরেকদিন আরেকটা করলো। আরেকটা চাপা পড়লো। আরেকদিন আরো একটা পাপ করলো। সে পাপটা চাপা পড়ল দেখা যাচ্ছে পাপের পাহাড় হয়ে গিয়েছে পাপের পাহাড় হয়ে গিয়েছে অতএব বলতে চাচ্ছিলাম মুমিনকে সদা সর্বদা সত্যবাদী হতে হবে আল্লাহর একনিষঠ বান্দাবান্দকে সত্যবাদী হতে হবে রাস সাল্লাল্লাহু বলেছেন মুনাফিকের আলামত তিনটি সে যখন কথা বলে কথা বললেই মিথ্যা বলে মুনাফে কথা বললেই মিথ্যা বলে ঈমানের সাথে মুনাফিকি করেছে নিফা করেছে করলে ভঙ্গ করে তার নিকটে কোন কিছু আমানত রাখলে ও ভঙ্গ খেত করে হাদিসটি বুখারী হাদিসটি বুখারী হাদিস নাম্বার ৬৪৭৪ বুখারী ৬৪ ৪৭৪ নম্বর হাদিসে আপনার আমার মত মুখোশধারী ঈমানদার মুসলিমের পরিচয় তুলে ধরেছেন যে মুসলিম দাবি করে মুমিন দাবি করে ঈমানদার দাবি করে আল্লাহভীতি আছে বলে নিজেকে জাহির করে অথচ ওর প্রতকৃত পরিচয় জানতে গেলে তিনটা বিষয় খেয়াল করো ও যখন কথা বলবে দেখবা মিথ্যা বলবে ও যখন কোন ওয়াদা করবে দেখবা ওয়াদার কোন ঠিক ঠিকানা নাই ও ভঙ্গ করেছে ওর নিকটে কোন আমানত
যদি রাখছিত সেটা খয়নাত করেছে এটা দেখলেই বুঝে নিয়েন ও মুনাফিক ওর ঈমানে রয়েছে অতএব সম্মানিত উপস্থিতি একজন মুসলিমকে খালি ঈমানদারকে আল্লাহর বান্দা-বান্দিকে সত্যবাদী হতে হবে এখন আপনি মিলিয়ে দেখেন আপনার কথায় মিথ্যা আছে কিনা আপনি ওয়াদা ভঙ্গ করেন কিনা আপনি আমাতের খেয়ানত করেছেন কিনা যদি করে থাকেন তওবা করেন ফিরে আসেন তওবার দোয়ার উন্মুক্ত সকলের জন্য রয়ে গিয়েছে আর মিথ্যার আরেকটা বড় জিনিস হল মোবাইল এইযে আপনার আমার হাতে মোবাইল রয়েছে না এটা যে কি পরিমাণ মিথ্যা শিখায় আপনাকে আমাকে আপনার কাছে এখন একজন কেউ ফোন করবেন তা ওকে আপনি আপনাকে যেতে বলেছিল শ্যামলী শ্যামলী যেতে বলেছিল মনে করেন দুইটার সময় আড়াইটার সময় তো আড়াইটার সময় ফোন করছে ভাই কই আপনি তো বলছে আমি তো প্রায় সামনের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি অথচ আপনি এখনো আবার মসজিদে রয়েছেন আপনি এখনো আধবার মসজিদে রয়েছেন অথচ মোবাইলে কি বলছেন যে আমি পৌছে গিয়েছি ভাই একটু দাড়াও এক মিনিট দাড়াও আমি প্রায় পৌছে গিয়েছি
এইযে মিথ্যা কোন কারণে মমিন মিথ্যা বলতে পারে না কোন কারণেই বলতে পারে না এই হাদিস যে জফ জফ বলেন জাল জফ বলেন এগুলো কিসের কি সেই আবরার নামে একজন হানাফী মাযহাবের একজন বিদ্বাান রয়েছেন কি আবরার জন্য ভুলে গিয়েছি তো উনি একজন বলেছেন রাসূলের কথা আবার জয়ফ হয় নাই মানুষ জফ হতে পারে হাদিস জফ হবে কথাটা একদিক সত্য কারণ আপনি যে জফ হাদিস যেটা বলেন না ওটা সত্য হতে পারে ওটা সঠিক হাদিসও হতে পারে জফ কেন বলেছেন ওই যখন যারা হাদিস বিশারত রয়েছেন ইমাম বুখারী মুসলিম যারা হাদিস সংগ্রহ করেছেন হাদিস সংগ্রহ করতে গিয়ে এমন একজন ব্যক্তির কাছ থেকে হাদিসটা নিয়েছেন বা মধ্যে এমন একজন হাদিস বর্ণনা করেছেন মনে করেন দেলোয়ার ভাই থেকে আমি বর্ণনা করেছি আমি থেকে আপনি তার থেকে আপনি এর মধ্যে আমি এমন একজন মানুষ আমার জীবনে মাঝে মাঝে একটু মিথ্যা কথা বলতাম আমি মাঝে মাঝে একটু মিথ্যা কথা বলতাম এই হাদিসটাই হল জফ কারণ এখানে আমি ব্যক্তিটা দুর্বল ব্যক্তি কারণ আমার মিথ্যা বলার অভ্যাস রয়েছে এই হাদিসটা মিথ্যা বলিনি এর প্রমাণটা কি কথা বুঝতে পারছেন অতএব মমিন মিথ্যা মিথ্যা বলতে পারে না।
আপনি মিথ্যা বলেন কিসের জন্য? সঠিকটাই বলেন। এক মিনিটের জায়গায় পাঁচ মিনিট সময় নিয়ে নেন যে ভাই আমার পাঁচ মিনিট সময় দেন। আমি একটু সমস্যায় পড়ে গিয়েছি। আসতেছি ভাই তাকে অবজ্ঞা করে বসে রেখেছেন কেন? কত কষ্ট। সম্মানিত উপস্থিতিক কথা বাড়িয়ে যাচ্ছে। অনেক দিকে চলে যাচ্ছে কথা। একজন মুমিনকে কি হতে হবে? একজন প্রকৃত আল্লাহকে ভয়কারীকে কি হতে হবে? সদা সর্বদা সত্য কথা বলতে হবে। একজন প্রকৃত আল্লাহর বান্দাবান্দকে যিনি আল্লাহকে প্রকৃত ভয় করেন তাকে ধৈর্যশীল হতে হবে তাকে ধৈর্যশীল হতে হবে ধৈর্য আছে আপনার আমার ধৈর্য কোথায় রেখে এসেছি অধৈর্য মানুষ আমি একজন অধৈর্য মানুষ আপনার কথা কি বলব ধৈর্যই তো নাই আপনার আমার মাঝে অথচ আপনি একটা সূরা আপনি অনুবাদ করেন যেটা যেটা সূরাতুল আসর।
এখানে আল্লাহ তায়ালা কি বলছেন? ওয়ালা আসরি। সময়ের কসম। একটা কসম দিয়ে আল্লাহ বলছেন, আল্লাহ কসম করে বলছেন দেখেন। আমরা যেমন আপনার কথাটাকে দৃঢ়তা সত্য এবং এটা হবেই হবে। মানে খুব জোরালো প্রকাশ করার জন্য যেমন আমরা কসম দেই। যে আল্লাহর কসম ইত্যাদি আমরা কসম করে বলি। যে এটা হবেই হবে। এটা সত্য। আল্লাহ কসম দিয়েছেন এই কথাগুলো বলার জন্য। সময়ের কসম ইন্না ইনসলা নিশ্চ এক কসম দিয়েছেন এরপর ইন্না দিয়ে নিশ্চয় অবধারিত করছেন প্রত্যেকটি মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে প্রত্যেকটি মানুষ একজন মানুষ ক্ষতি থেকে প্রত্যেকটি মানুষ ক্ষতির মধ্যে এইবার প্রত্যেকটি মানুষ ক্ষতির মধ্যে থেকে আল্লাহ রাসকে আল্লাহ চারজন মানুষকে বের করে দিলেন যেন মানুষ কষতি থেকে আমি বের করে দিলাম ইল্লাল্লাহ কথা সাথে সাথে কি করেছে আম করেছে সৎকর্ম করেছে নেক আমল করেছে কথা বলেছি গছে নেক আমল করতে হবেক আমল করেছে আর যখন আপনি আমলে স করবেন আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবেন আনার পরে ভালো কর্ম করবেন এই সমাজে এই পৃথিবীতে তখন এই পৃথিবীর মানুষ আপনাকে এভাবে ফুল নিয়ে বরণ করবে না এভাবে ফুল নিয়ে বরণ করবে না আপনি অন্যায় দেখতে পাবেন অন্যায় দেখতে পেলে আপনাকে মানুষকে পরস্পর হকের উপদেশ হকের প্রতি আহবান দাওয়াত আপনাকে দিতে হবে আপনি ঈমান এনেছেন নিজে ভালো কাজ করা শুরু করেছেন।
আর আপনি মানুষকে ভালোর দিকে ওই ভালোর দিকে আহ্বান করছেন তখন আপনাকে ফুল দিবেন এটাই স্বাভাবিক। আপনার কথাই বলে আপনি একজন সরকারি কর্মকর্তা বা ইত্যাদি যে কোন ডিপার্ট বেসরকারি কর্মকর্তা আপনার ডিপার্টমেন্টে আপনি ভালো একজন মানুষ। আপনি সুদ খান না, ঘুষ খান না মানুষের কাজগুলো করে দিতে চান। যেকন ডিপার্টমেন্ট হতে পারেন। আপনার পিছনে যে কয়জন লেগে রয়েছে আপনি নিজেও জানেন না। আপনার পিছনে যে কয়জন লেগে রয়েছে তাদের কথা হলেই ভালো করিস কেন? ভালো করা যাবে না। খারাপ করতে হবে। তো যাই হোক যখন আপনি ভালো করেছেন শুধু ভালো করে খান্ত নন। আবার অন্যদেরকেও বলছেন যে তোমরা অন্যায় করো না।
ভালোর দিকে এসো। তখন তারা বসে থাকবে না। তারা বিভিন্নভাবে আপনার আমার উপরে নির্যাতন করবে, জুলুম করবে, অপমানিত করবে, লাঞ্চিত করার চেষ্টা করবে। তখন এই মুহূর্তে আপনাকে কি করতে হবে? না। এই সৎপথ ছেড়ে দিতে হবে। যখন আপনার আমার উপরে নির্যাতন পড়ে আসল, চাকরি চলে গেল, তখন আপনি কি করব? এই সৎপথ ছেড়ে দিব নাকি? তখন আপনাকে আমাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। এই চারটা পয়েন্টের উপরে যদি আপনি আমি থাকতে পারি আল্লাহ বলেছেন অবধারিত ওরা ক্ষতি থেকে বেঁচে যাবে। ওদের আর কোন ক্ষতি স্পষ্ট করতে পারবে না। দুনিয়াতেও পারবে না, পরকালেও পারবে না। যদি মানুষের এই চশমা দিয়ে দেখবে ও ক্ষতিগ্রস্ত।
কিন্তু আল্লাহর চশমায় আল্লাহর দেখায় ও ক্ষতি থেকে বেঁচে গিয়েছে। ও ক্ষতি থেকে মুক্ত হয়ে গিয়েছে। অতএব একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় কথা হলো বড় কাজ হলো আল্লাহর বান্দা-বান্দীর প্রকৃত কাজ হল যে তাকে ধৈর্যশীল হতে হবে। আর আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে। সাহায্য চাওয়ার পন্থাটাও ধৈর্য। সাহায্য চাওয়ার পন্থাটা ধৈর্য। আল্লাহ জানিয়ে দিয়েছেন সরা বাকার ১৫৩ আল্লাহ ঈমানদারগণ তোমরা আমার নিকটে কি কর সাহায্য প্রার্থনা কর সলা আদায়ের মাধ্যমে সলাতের জন্য এসেছি এই সলা আদায়ের মাধ্যমে তোমরা আমার নিকটে প্রার্থনা করো এবং ধৈর্য ধরণ করো জেনে রাখ ইন্নাল্লাহা নিশ্চয় আল্লাহ আছেন তাদের সাথে মা সবিন যারা ধৈর্য ধারণ করেছে যারা ধৈর্যশীল আল্লাহ তাদের সাথে রয়ে গিয়েছেন সুবহানাল্লাহ অতএব একজন প্রকৃত বান্দাবান্দীকে ধৈর্যের গুণাবলী ধৈর্যের এই গুণাবলী অর্জন করতে হবে ধৈর্যের গুণাবলী অর্জন করা অনেক কঠিন অনেক কঠিন এটা মনে রাখবেন এই ধৈর্য সবার ভিতরে নেই এটা যে অর্জন করা এই ধৈর্য কোনটা অর্জন করা কত বড় বড় কঠিন এটা আপনি
ধৈর্য ধরে দেখেন আপনি ধৈর্য ধরে দেখেন যে কত বড় কঠিন অনেক বড় একটা কঠিন কাজ এই ধৈর্য ধারণ করা কঠিন একটা ইবাদত অতএব এই কঠিন ইবাদতটা আপনার আমার জন্য সহজ করে নিতে হবে যে কোন মূল্য আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আমরা ধৈর্য ধারণ করতে প্রস্তুত ইনশাল্লাহ সম্মানিত উপস্থিতি প্রতিজন বিনয়ী নম্র ভদ্র প্রতিজন বিনয়ী নম্র ভদ্র স্বভাবের অধিকারী নারী ও পুরুষ বিনয়ী নম্রভদ্র আছে আপনার আমার ভিতরে বিনয়ী স্বভাব বিনয়ী স্বভাব তো নাই আপনি আমি উগ্র আপনি মানুষের প্রতি সবসময় উগ্র কখনো নমনীয়ভাবে কারো সঙ্গে কথা বলতে কথা বলা যায় কারো প্রতি দয়া করা যায় রহম করা যায় এটা তো ভুলে গিয়েছি অথচ জার রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বর্ণিত তিনি বলেন রাস বলেছেন আল্লাহ তার প্রতি দয়া অনুগ্রহ করেন না যে মানুষের প্রতি দয়া অনুগ্রহ করে না আপনি আমি আল্লাহর দয়া অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য কত কান্নাকাটি আল্লাহ তুমি আমার প্রতি দয়া করো আল্লাহ তুমি আমার প্রতি রহম কর আল্লাহ তুমি আমার
প্রতি মায়া কর আল্লাহর কাছ থেকে দয়া অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য কত কান্নাকাটি আপনি আমি হয়তোবা করছি করছি কিনা জানিনা তবে ধরে নিয়েছি করছি কিন্তু আপনি আল্লাহর দয়া পাওয়ার জন্য একটা শর্ত আল্লাহ দিয়েছেন আপনাকে আগে মানুষের প্রতি দয়াশীল হতে হবে আপনি নিজেই দয়াশীল নন অথচ আপনি দয়া পাওয়ার আখ প্রকাশ করছেন আমার কথা বুঝতে পেরেছেন কিনা জানিনা আপনি নিজেই দয়াশীল নন আপনি নিজেই বিনয়ী নন আপনার নিজে নিজের ভিতরে দয়ামায়া নাই অথচ আপনি আল্লাহর কাছে দয়া চান এটা আকাশ পরিকল্প কি হতে পারে আপনি জুলুমকারী আপনার জন্য তো আল্লাহ জাহান্নাম রেখেছেন হাদিস হাদিস৪ সাল্লাল্লাহু সলাম বলছেন আমি কি তোমাদের জান্নাতের অধিবাসীদের কথা বলে দেব না তারা হচ্ছে দারিদ্র গরীব মানুষ যারা দারিদ্র এবং গরীব মানুষ এবং যাদের উপরে জুলুম করা হয়েছে ওরাই হল জান্নাতের অধিবাসী অতএব যাদেরকে আপনি কম টাকা পয়সা মনে করছেন ওরা জান্নাতের অধিবাসী যাদের উপরে আপনি জুলুম করেন নির্যাতন করেন আপনার দয়ামায়া উঠিয়ে দিয়েছেন ও জান্নাতের অধিবাসীহ
আর জাহান্নামের অধিবাসী কদিন জতা প্রত্যেক শক্তিশালী ব্যক্তির কর্কশভাসী মুস্তাক অহংকারী অতএব প্রত্যেক শক্তিশালী ব্যক্তি কঠোর ব্যক্তি কর্কশভাসী ব্যক্তি অহংকারী ব্যক্তি এরা জাহান্নামে যাবে কথা আমাদের নবী মোহাম্মদ বলেছেন আপনার অনেক শক্তি আপনার শক্তি এত আপনার শক্তির কারণে আমি রাস্তা দিয়ে হাটতে পারি না আপনার পাওয়ার এত আপনার পাওয়ারের ক্ষমতায় আমি রাস্তা দিয়ে চলতে পারি না কখন যে আপনি আমার উপরে আপনার পাওয়ারটা দেখিয়ে দেন মনে রেখেন দুনিয়ার ক্ষণকের এই পৃথিবীতে আপনার শক্তি প্রয়োগ করলেও করতে পারেন আমার উপরে কিন্তু আপনার এই শক্তি আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে আপনার এই কঠোরতা আপনাকে আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। আপনার এই কর্কশতা আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।
আপনার যে দেমাগ আপনার যে অহংকার এই অহংকার আপনাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে। অতএব বিনয়ী হওয়ার চেষ্টা করুন। নমনীয় হন ভদ্র হন। মার্জিত ব্যবহার করার চর্চা করুন। ইচ্ছা পোষণ করুন। শত অবজ্ঞার মধ্য দিয়েও মানুষের সাথে নমনীয় কথা বলুন। রাসূলের অনুসরণ করুন। যদি আপনি রাসূলকে রাসূলকে অনুসরণ হিসেবে অনুসারী হিসেবে দেখেন তাহলে আপনি অবশ্যই মার্জিত হবেন ভদ্র হবেন কারণ তার লাইফস্টাইল ফলো করলে তো দেখবেন তিনি কাফেরের সাথে কিভাবে আলোচনা করেছেন কিভাবে যারা তার উপরে নির্যাতন করেছে তাদের সাথে কিভাবে ব্যবহার করেছেন আর আপনি রাসূলকে বাদ দিয়ে যাকে যার আদর্শের সৈনিক হিসেবে গ্রহণ করছেন ওকে যদি অনুসরণ করেন তাহলে লাঠিতে বাড়ি মারতে হবে কারণ আপনার নেতাও তো সেই অনুসারে চলে আপনার নেতাও অনুসারে চলে এখন ঠিক আছে কিন্তু যখন আপনি লাকদানালাকুম এটা নিবেন তখন আপনি বিনয়ী হবেন নম্র হবেন ভদ্র হবেন অতএব আল্লাহ আপনাকে আমাকে এই বিনয়ী নম্র স্বভাবটি আল্লাহ আপনাকে আমাকে দান করুন সকলে আল্লাহুম্মা আমিন প্রতিজন দানশীল নারী এবং
পুরুষ দানশীলতায় দানশীলতার কথা কি বলব সামনে দুইটা কথা বলি রাসলে সঙ্গী সাথী তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ যদি খেজুরের গায়ে একটা রয়েছে দান করে হলেও অতএব জাহান্নাম থেকে বাচার চূড়ান্ত উপায় হচ্ছে দান করা সেটা আপনি ভিক্ষুক হলে খেজুরের সমপরিমাণ দান করলে করতে হবে আরেকটা কথা তো বলাই রয়েছে রাস সাল্লাল্লাহু বলেছেন গোপনে দান আল্লাহ রাগকে মিটিয়ে দেয়। আল্লাহর ক্রোধকে মিটিয়ে দেয়। অতএব আপনি আমি বেশি বেশি করে আল্লাহর পথে দান করি। যদি কোন কারণবসত এই যে পূর্বে যে পয়েন্টগুলো আলোচনা করেছি এর কোন একটা পয়েন্ট একটু অবজ্ঞ করার কারণে কোন কারণে আল্লাহ আপনার উপরে রেগে রয়েছেন একটু ভুল হয়ে গিয়েছে।
আল্লাহ আপনার উপর রেগে রয়েছেন বিশ্বাস করুন। আপনি ওই কথাটাকে স্মরণ করেন যে আল্লাহ এ ভুলটা করেছি। সাথে সাথে আল্লাহ তোমাকে সন্তুষ্টির জন্য এই দানটাও করছি। আল্লাহ তুমি আমাকে ক্ষমা করো। তা আল্লাহ ওই সময়ে আপনার ওই রাগটা মিটে দিয়ে দিয়ে দিবে। আল্লাহর রাগ থাকবে না। যখনই আপনি আল্লাহকে স্মরণ করে বলছেন যে আল্লাহ আমি ভুল করেছি ক্ষমা করো। আর তোমাকে স্মরণ করে তোমাকে সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এ দানটা করছি। আমার যতটুকু সামর্থ্য ছিল সাথে সাথে আল্লাহর মিটে যাবে। এ কথা রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন অতএব বেশি বেশি দান করার চেষ্টা করুন। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন। আল্লাহুম্মা আমিন। আমাদেরকে বেশি বেশি সিয়াম পালন করতে হবে।
রমজান মাস আসলে সিয়ামের আলোচনা হবে। আমাদেরকে বেশি বেশি লজ্জা স্থানের হেফাজত করতে হবে। কারণ লজ্জা ইসলামের হেফাজত না করলে আমরা প্রকৃত আল্লাহর আনুগত্যশীল বান্দাবান্দর রূপান্তর হতে পারবো না। একটা হাদিস আপনি আমি মাথায় রাখি আ সাব সাদ রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু কলা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলা বলেছেন যদি মানুষ দুটি জিনিসের জিম্মেদারিত্ব দেয় আমি তাকে জান্নাতের জিম্মিদারিত্ব দেব গ্যারান্টি দেব সেটা হল কি যদি মানুষ দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী স্থান এটা অন্যায় মিথ্যা কথা খারাপ কথা এগুলো বলবে এটা জিম্মিদারিত্ব দেয়। আর দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী স্থান লজ্জা দুই রানের মধ্যবর্তী স্থান লজ্জা স্থান।
এই লজ্জা স্থানের জিম্মিদারিত্ব দেয় তাহলে আল্লাহ তালা রাসদেরকে জানিয়েছেন যে যদি মানুষ এই দুইটা জিনিসের জিম্মিদারিত্ব দেয়। এক লজ্জা স্থানের হেফাজত করবে অন্যায় কাজে ব্যবহার হবে না। দুই চলের মধ্যবর্তী স্থানের হেফাজত করবে। তাহলে আজহুল জান্না আমি ওই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের জিম্মিদারিত্ব জান্নাতের গ্যারান্টি দিয়ে দিলাম। সুবহানাল্লাহ। অতএব এই লজ্জাস্থানের হেফাজত আমাদেরকে করতে হবে। যদিও লজ্জা স্থানের হেফাজত আছে কিনা জানি। আজকে এখনই একটু আগে যখন ফোনটা খুলতেছিলাম দেখলাম কোন এক মানুষ ওই ময়মনসিংহের বাসা কোন এক বন্ধুর বাসায় প্রাইভেটের নাম করে ভার্সিটিতে যাওয়ার নাম করে বের হয়ে এসেছে বন্ধুর বাসায় গিয়েছে সেখানে ধর্ষণের শিকার হয়েছে তারপর অতিরিক্ত রক্ত মৃত্যুবরণ করেছে এটা আমরা শুনলাম আমাদের পরিস্থিতি জানিনা কতটুকু আমরা লজ্জা স্থানে হেফাজত করতে পারি আল্লাহ আমাদেরকে বেশি বেশি তৌফিক দান করুক সকলে আল্লাহুম্মা আমিন আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী নারী এবং পুরুষ তাদের জন্য আল্লাহ রেখেছেন ক্ষমা এবং মহাপুরস্কার জান্নাত অতএব আমরা যেন আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করতে পারি আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান করুক আল্লাহ বলেছেন সরাকার ১৫২ আয়াত তোমরা আমাকে স্মরণ কর আমরা তোমাকে স্মরণ আমি তোমাকে স্মরণ করব অতএব আমরা যদি আল্লাহকে স্মরণ করি আল্লাহ আমাদেরকে স্মরণ করবেন।
অতএব আল্লাহ স্মরণে থাকার জন্য আমাদের যেটা করতে হবে আমাদেরকে বেশি বেশি তাসবি তাহলিল করতে হবে। সঞ্চিত সম্পদ কোনটি রাস বললেন সচিত সম্পদ হল একজন নেককার স্ত্রী সচিত সম্পদ হল তার এই জিহবা যে জিহবা সদা সর্বদা সর্বদা উঠে বসতে আল্লাহকে ডাকে সস্তেগফার করে জিকির করে ইত্যাদি। এজন্য আমি আপনাকে বলি যে আপনি সদা সর্বদা কথাবার্তা বলতে একবার বলে উঠুন আল্লাহু আকবার। আপনি চলছেন বলে উঠুন আস্তাগফিরুল্লাহ। আপনি বলে উঠুন সুবহানাল্লাহ। আপনি বলে উঠুন আস্তাগফিরুল্লাহি লা ইলাহা ইল্লাহি বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছেন স্ত্রীর সঙ্গে গল্প করছেন মাঝে একবার বলে উঠুন আস্তাগফিরুল্লাহ এভাবে আপনি বলতে থাকুন। আরে রাতে ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছে।
আপনি তাহাজ্জ পড়তে পারেন না তাই না? তাহাজ্জ পড়া আপনার জন্য কষ্ট বা অলসতা। আপনার রাতে ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছে না? প্রসাব করতে উঠেছেন না আল্লাহ তাকে ডায়াবেটিস দিয়েছে আপনি প্রসাব করতে তো উঠছেন তখন একবার উঠে বলেন আস্তাগফিরুল্লাহি লাই ইলাহা ইল্লা তাহলে রাতে ইবাদত করার নেকি পেয়ে গেলেন তখন উঠে বললেন রাতে ইবাদত করার নেকি পেয়ে গেলেন বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ করবেন আল্লাহ তৌফিক দান করুন সময় বেশি হয়ে গিয়েছে অতএব যে আলোচনাগুলো নিয়ে আসলাম এই আলোচনাগুলো এই পয়েন্টগুলো খেয়াল রেখে আল্লাহ আমাদের জীবনকে পরিচালনা করার তৌফিক দান করুক আমরা প্রতিটি পদক্ষেপে রাসূলের অনুসরণ অনুকরণ করতে পারি রাসূের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারি।
আল্লাহ তৌফিক দান করুক। আমরা যেন প্রকৃতপক্ষে আল্লাহকে ভয় করতে পারি। সত্যকার মুসলিম হতে পারি এবং সত্য সহকারে আল্লাহকে ভয় করতে পারি। এই গুণাবলী যেন আমরা অর্জন করতে পারি। আল্লাহ তৌফিক দান করুক। এ দাবি এবং দোয়া আল্লাহর দরবারে রেখে আজকের দিনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা এখানে শেষ করছি।