উপস্থিত ঐতিহ্যবাহী বাইতুল মামুর জামে মসজিদ আদাবর শ্যামলী ঢাকার সম্মানিত মুসল্লিবৃন্দ পর্দার অন্তরালের মা ও ভগ্নিগণ আলোচনার শুরুতে সে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে লাখো কোটি সেজদায় শুকুর আদায় করছি যে মহান আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা এই প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্য হতে আপনাকে আমাকে আজকের আজকের এই পবিত্র জুম্মার দিনে যত সময়ের পূর্বে এ মসজিদে হাজির হওয়ার জন্য কবুল করেছেন এবং আমাদেরকে সে তৌফিক দিয়েছেন যে আল্লাহ তাআলার দয়া ও রহমতের বসবর্তী হয়ে আমরা আজকে এখানে উপস্থিত হতে পেরেছি সে আল্লাহ তাআালার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা স্বরূপ প্রশংসা আদায় করছি সকলে বলছি আলহামদুলিল্লাহ দরুদ ও সালাম রাসূের প্রতি সকলে বলি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি সম্মানিত উপস্থিতি আমি আপনাদের সম্মুখে সূরাতুল আযহাবের ৩৩ নম্বর আয়াতের আংশিক তেলাওয়াত করে শুনেছি এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জবানী হতে বুখারী মুসলিম মিশকাতের ৫২৩৪ নম্বর হাদিসটি বর্ণনা করে শুনিয়েছি তেলাওয়াতকৃত আয়াত ও বর্ণিত হাদিসকে কে কেন্দ্র করে আমি আমার আলোচনার বিষয় নির্ধারণ করেছি পর্দা বর্ণিত বিষয়ের প্রতি পবিত্র কোরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে আমার অতিও ক্ষুদ্র বিদ্যায় এক জনকল্যাণকর সংক্ষিপ্ত আলোচনা রাখার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
আসলে বিষয়টি নির্ধারণ করার মূলে গতদিনে যখন জুম্মার আলোচনা করে বসেছিলাম তখন একজন দ্বীনি ভাই আমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। এজন্য বিষয়টি আমার মাথায় ছিল। আরেকটি বিষয় ভাবতেছিলাম আলোচনা করব সেটা হলো স্বামী স্ত্রীর দায়িত্ব কর্তব্য। কারণ গত জুম্মাতে আলোচনার পরে স্বামী স্ত্রীর মাঝে একটা মনোমালিন্যর একটা অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম। অতএব দুইটি বিষয় মাথায় ছিল। দুইটি বিষয় থেকে পর্দার বিষয়টি আমি আপনাদের মাঝে সিলেক্ট করেছি। অতএব শুধুমাত্র আপনাদের মাঝে আজকে পর্দা নিয়ে কথা বলব। অতএব আমাদের পরিবারে পর্দা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের মা বোনদের মাঝে পর্দার প্রচলন ঘটাতে হবে। আমাদের মা বোনদেরকে পর্দায় রাখতে হবে। পরিবারে সর্ব জায়গাতেই আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
পর্দায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সালাত যেমন আপনার আমার উপরে ফরজ আপনি আমি সালাত আদায় করতে এসেছি হজ যেমন আপনার আমার উপরে ফরজ সমর্থবান ব্যক্তির উপরে ফরজ যাকাত যেমন সমর্থবান ব্যক্তির উপরে ফরজ অনুরূপভাবে সিয়াম যেমন সকলের উপরেই ফরজ ঠিক পর্দাও ঠিক আপনার আমার জন্য সকলের জন্য ফরজ পুরুষেরও পর্দা রয়েছে তবে বিশেষ করে নারীর পর্দাটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্মানিত উপস্থিতি আমরা আজকে নারীর পর্দা নিয়েই কথা বলব ইনশাআল্লাহ। প্রথমত আল্লাহ তালা আমাদের মা বোনদেরকে লক্ষ্য করে যা আহবান করেছেন সেটা হল সূরা আহাবের ৩৩ নম্বর আয়াত। আল্লাহ বলছেন আল্লাহ তালা আমাদের মা বোনদেরকে লক্ষ্য করে বলছেন তোমরা তোমাদের নিজ গৃহে অবস্থান করো।
জাহেলী বা প্রাচীন যুগের জাহেলিয়াতের যুগের নারীদের মত তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে প্রদর্শন করিও না। আল্লাহ তাআালার এটা নির্দেশ সূরা আযহাবের ৩৩ নম্বর আয়াত। অতএব আল্লাহতালা এ আয়াত দিয়ে আমাদের মা বোনদেরকে বলেছেন যে তোমরা তোমাদের যে নিজ গৃহ রয়েছে এই নিজ গৃহে সগৃহে অবস্থান করো। প্রাচীন যুগে, জাহেলিয়াতের যুগে, অজ্ঞতার যুগে, সে সমাজের বরবরতার যুগে সেই বরবর সমাজের নারীরা অজ্ঞ মূর্খ নারীরা যেমনভাবে নিজেদেরকে অন্যের সামনে প্রদর্শন করতো, তাদের রূপ লাবণ্যকে অন্যের সামনে মেলিয়ে ধরতো, ওইভাবে তোমরা রাস্তাঘাটে সর্ব জায়গাতে নিজেদেরকে প্রদর্শন করো না। একথা আল্লাহ তাআলা নির্দেশ করেছেন। তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ আয়াত দিয়ে আপনি আমি জানতে পারলাম যে আপনার আমার যারা মা-বোন রয়েছেন তাদেরকে নিজ গৃহে তাদের একটা পরিমন্ডল রয়েছে সেখানে তাদেরকে থাকতে হবে।
এবং তারা পর্দার ভিতরে থাকবে। নিজ গৃহ থেকে যখন বের হবে তখন পর্দা সহকারে যেভাবে ইসলাম নির্দেশ করেছেন সেভাবেই তারা সেখান থেকে বের হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পাই যে বর্তমান সময়ে নিজ গৃহও পর্দা নেই এবং যখন নিজ গৃহ থেকে বের হচ্ছে তখনও আমাদের মা বোনের মাঝে সেই সেফটি সেই পর্দা সেই আবরণ তাদের মাঝে নেই। এজন্য এই না থাকার কারণে এই পর্দাহীন নারীদের ব্যাপারে ইসলাম তথা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানিয়েছেন যে এই পর্দাহীন নারী তারা অধিকাংশ জাহান্নামী হওয়ার কারণ হবে এই পর্দা না করার কারণ কারণ আবু হরা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু তিনি বলেন রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আহ আমি মেরাজে গিয়েছিলাম আমি জান্নাতের দিকে দৃষ্টি দিলাম আমি জান্নাতের দিকে দৃষ্টি দিলাম জান্নাতের দিকে দৃষ্টি দিয়ে দেখলাম তার অধিকাংশ অধিবাসী অধিকাংশ অধিবাসী হল দারিদ্র গীব গরীব মানুষ যাদেরকে আমরা গরীব বলি দারিদ্র বলি অর্থসম্পদ কম এই দারিদ্র ফকির এই গরীব মানুষরাই অধিকাংশ সব জান্নাতি আমি জাহান্নামের দিকে দৃষ্টি দিলাম জাহান্নামের দিকে তাকালাম আমি দেখলাম জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী তারা সব নারী জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী নারী হাদিসটি বুখারী মুসলিম মিশকাতের ৫২৩৪ নম্বার হাদিস অতএব আমরা এই হাদিস থেকে কোট করে যেটা জানতে পারলাম সেটা হল এই জান্নাতের অধিকাংশ মানুষগুলোই হবে দারিদ্র মানুষ।
যারা ধনসম্পদে কম। কারণ তারা যত সম্ভব আল্লাহকে ভয় করে। মানুষের যখন ক্ষমতা অর্থবল এসে যায় তখন মানুষ আল্লাহকে ভুলে যায়। এটাই বাস্তবতা দেখবেন। যেটুকু মানুষ আল্লাহকে ডাকে ওই দারিদ্র সীমার নিচের মানুষগুলোই দেখবেন বেশিরভাগ ইবাদত পূজার। দারিদ্র সীমার উপরের মানুষগুলো যে ইবাদত পূজার নয় এমনটি নয়। কিন্তু বেশিরভাগটি সেরকমই। ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা, অর্থবিত্তবান ব্যক্তিরা তাদের অর্থের মোহে, ক্ষমতার মোহে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ পালন বা মান্য করতে তারা ভুলে যায়। দ্বিতীয়ত আরেকটি জানতে পারলাম যে অধিকাংশ নারীরাই হচ্ছে জাহান্নামী। কেননা জাহান্নামী? হওয়ার পিছনে অনেকগুলো কারণ।
কারণ আল্লাহ তাআলা আমাদের নারীদেরকে যে সগৃহে অবস্থান করতে বলেছেন তাদেরকে যে পর্দার সহকারে চলতে বলেছেন কিন্তু আমাদের নারীরা আমাদের মা বোনেরা সেই পর্দার বিধানটাকে আল্লাহ যে তাদের জন্য স্পেশাল একটি পর্দার বিধান রেখেছেন এই পর্দার বিধানটাকে তারা লংঘন করেছেন তারা ভুলে গিয়েছেন তারা অবজ্ঞা করেছেন আর যদিও তারা যে পোশাকগুলো পড়েন সেটা ইসলামী পোশাক নয় যেমন নবী সাল্লাল্লাহু বলেন রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ওই সমস্ত ব্যক্তিদের উপরে ওই সমস্ত পুরুষের উপরে অভিশাপ ও সমস্ত পুরুষের উপরে অভিশাপ লানত যে সমস্ত পুরুষরা নারীদের পোশাক পড় আবার ওই সমস্ত ওই সমস্ত নারীদের প্রতিও অভিষ যে সমস্ত নারীরা পুরুষের পোশাক পরিধান করে আজকে যদি আপনি আমি বাস্তবতার নিরখে তাকাই বা দেখি তাহলে দেখব যে আমাদের দেশে যারা পুরুষের পোশাক যেটা ছিল সেটা নারীদের দখলে চলে গিয়েছে আর নারীদের পোশাক যেটা ছিল সেটা পুরুষের কাছে চলে এসেছে আমাদের দেশের আমাদের দেশের নারীরা তারা কি করছে প্যান্ট পড়ছে শার্ট পড়ছে
গেঞ্জি গায়ে দিচ্ছে তারা পুরুষের মত করে চুলগুলো ছেটে রাখছে ছোট ছোট করে রাখছে তারা তাকনুর উপরে কাপড় পরিধান করে রেখেছে এইভাবে যতগুলো জিনিস দেখবেন ইসলাম যেটা নিষেধ করেছে সেই জিনিসগুলো আমাদের মা বোনদের নিকটে সেটা প্রিয় হয়ে উঠেছে এবং এটাই নাকি আধুনিক এটাই নাকি মডার্ন এটাই নাকি মানে শিক্ষিত জাতির পরিচয় যারা এভাবে চলাফেরা করে তারাই নাকি শিক্ষিত তারাই নাকি মডার্ন তারাই নাকি আধুনিক তারাই নাকি সভ্য সমাজের নাগরিক এটা আমরা মনে করি এবং আমাদেরকে বলা হয়ে থাকে অথচ ইসলাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সমস্ত নামধারী মডার্ন আধুনিক সভ্য সমাজের নারীদের এই পোশাককে লানাত করেছেন অভিশাপ করেছেন সম্মানিত উপস্থিতি শুধু তাই নয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো জানিয়েছেন হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন দুই শ্রেণীর মানুষ জাহান্নামে যাবে দুই শ্রেণীর মানুষ তারা জাহান্নামে যাবে যাদেরকে আমি দেখিনি তাদের এক শ্রেণীর মানুষ হল ওই কম ওই জাতি যাদের হাতে রাখালের চাবুক
থাকবে গরুর রাখাল যেমন হাতে একটা লাঠি রাখে চাবুক রাখে ওই গরুটাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ঠিক ওই জাতি ওই কওমের মানুষের নিকটে গরুর রাখালের মত চাবুক থাকবে লাঠি থাকবে তা দিয়ে তারাবিহ তা দিয়ে তারা মানুষদেরকে প্রহার করবে মানুষদেরকে পিটাবে এই এক শ্রেণীর মানুষ তারা জাহান্নামে যাবে এ কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানিয়েছেন। দ্বিতীয় যে শ্রেণীর কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সেটা হল এই নিসা মহিলা কাসিয়াতুন কাপড় পড়ে থাকবে একজন নারী সে কাপড় পড়ে থাকবে নবী বলছে না সে কাপড় পড়বে না নবী বলছেন নিসা মহিলা কাপড় পড়ে থাকবে কাসিয়াতুন আরিয়াতুন উলঙ্গ কাপড় পড়ে থাকবে মুমিলাতুন মাইলাতুন এই মহিলা উলঙ্গ কাপড় পড়ে রাস্তাঘাটে চলবে মুমিলাতুন মাইলাতুন সে অন্য পরপুরুষদেরকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করবে মাইলাতুন এবং নিজেও অন্য পরপুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হবে দেখেন আপনি এটা বাস্তবতা দেখেন আপনি আমি যখন রাস্তা দিয়ে চলব আপনার আমার মা আপনার আমার বোন আপনার আমার পরশী আপনার আমার প্রতিবেশী ওই মেয়েটা
যখন রাস্তা দিয়ে যাবে ও বাড়িতে শান্ত স্বভাবের ছিল ও যখন রাস্তায় বের হয়েছে তখন দেখবেন এখানে একটা করছে ওখানে একটা এ করছে যাতে করে অন্য পরপুরুষ অন্য যুবকের দৃষ্টি তার নিজের উপরে ফিরে আসে অন্যকে নিজের প্রতি আকর্ষণ করানোর জন্য ওর যা যা কিছু প্রয়োজন ওই এক চোখের মধ্যে লাগিয়েছে পাঁচ রকম আইলানা আসকারা মাসকারা আরজিয়া মারজিয়া এমন জাতীয় কত এতগুলো লাগানো কেন অন্যকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য এজন্য নবী বলছেন মহিলা কাপড় পড়ে থাকবে উলঙ্গ এবং এই কাপড় পরিহিত নারী সে অন্যকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করবে এবং নিজেও অন্যের প্রতি আকৃষ্ট হবে। শুধু নিজে অন্যকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করবে না।
নিজেও অন্যের প্রতি আকৃষ্ট হবে। তার মাথার চুলগুলো হবে বুকতে উটের হেলে পড়া কুজের নাই। অতএব বুকতে উটের হেলে পড়া কুদ যেমন এমন খুড়া থাকে দেখবেন আপনার আমার মা বোনেরা আপনার আমার বোন আপনার আমার স্ত্রী আপনার আমার মা তারা আস্তাঘাটে বের হয়েছে তাদের চুলগুলো এভাবে খুপিয়ে করে রেখেছে ওটা হেলিয়ে দুলিয়ে চলছে তাদের মাথার চুলগুলো বুদ্ধি উটের নায় হেলিয়ে দুয়ে চলবে নারীরা জান্নাতে যাবে না জান্নাতে তো যাবে না যাবে না জান্নাতের একটি সুগন্ধি রয়েছে এই জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না অথচ জান্নাতের সুগন্ধি পাওয়া যায় এত এত এত অনেক অনেক দূর থেকে জান্নাতের সুগন্ধি পাওয়া যায় সেই জান্নাতের সুগন্ধি পর্যন্ত পাবে না।
এ কথা আমাদের নবী বলেছেন মুসলিম মিশকাতের ৩৫২৪ নম্বর হাদিস দিয়ে। অতএব এই হাদিসটি আপনার সামনে পেশ করে বলতে চাচ্ছিলাম যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মা বোনদেরকে পর্দাতে থাকতে বলেছেন তাদেরকে সুন্দর পোশাক পড়ে বাড়ির বাইরে বের হতে বলেছেন কিন্তু আপনি আমি আপনার আমার মেয়েকে আপনার আমার স্ত্রীকে আমার রক্তকে পানি করে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে অর্থ উপার্জন করে একটা কাপড় কিনে দিয়েছি ওটা শাড়ি অথবা অন্য কিছু যেটা শাড়ি কিনে দিয়েছি ওটা শাড়ির নামে মশারি যা পড়লে একজন নারীর সর্ব অঙ্গ বোঝা যায় একজন মা এবং একজন বোন সে রাস্তাঘাটে বের হয়েছে পুরুষের মত একটি টাইট প্যান্ট শার্ট ইত্যাদি পড়ে এমনকি পুরুষরাও তো টাইট প্যান্ট শার্ট পড়তে পারে না তাদেরকেও ঢিলাঢালা পোশাক পড়তে হবে পুরুষদেরকে বলা হয়নি যে আপনি শার্ট পড়তে পারবেন না আপনি গেঞ্জি পড়তে পারবেন না আপনি প্যান্ট পড়তে পারবেন না আপনি পড়তে পারবেন, আপনি পড়বেন ওই পোশাক যেটা ঢিলা কালা।
আপনি টাইট কোন পোশাক পড়তে পারবেন না, কোন মা-বোন পারবে না, কোন পুরুষ পারবে না। টাইট কোন পোশাক যা শরীরের সঙ্গে লেগে থাকে যা শরীরের অঙ্গ প্রকাশ করে। পোশাক পরিহিত হওয়ার পরেও এমন ধরনের পোশাককে উলঙ্গ পোশাক বলা হয়েছে। অতএব আপনাকে আমাকে সাবধান থাকতে হবে। আপনি যেন আপনার আমার কষ্ট অর্জিত পোশাক দিয়ে আপনার আমার মেয়েকে আপনার আমার স্ত্রীকে আপনার আমার মাকে আমরা যেন এই পোশাকের নামে উলঙ্গ নেংটা পোশাক এটা যেন ক্রোই করে না দিই আবার অনেকেই আমরা দেখি আমরা বোরকা কিনে দিয়েছি যেহেতু আমরা মুসলিম আমাদের মা বোনদেরকে পর্দা করার জন্য আমরা বোরকা কিনে দিয়েছি বোরকার মধ্যে তারা পর্দা করবে আল্লাহু আকবার বোরকা এত স্কিন টাইট সাধারণত একটা মানুষ যদি সেলোয়ার কামিজ পড়তো তবুও তার একটা শালীনতা বজায় থাকতো।
কিন্তু বোরকাটা সে এমনভাবে পড়েছে যে এত দৃষ্টিকোটু এত খারাপ লাগছে যে তার একজন নারীত্ব সবকছু প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। আবার আরেকটি বোরকা উঠছে যে একটি বোরকার ভিতরে ধাপ দিলেই এক এক ধাপে এক রং এক ধাপে এক কালার ডিজাইন। আপনাকে আমি কি করে বলি? মানে আপনাকে পর্দা করতে হবে যাতে করে অন্য পুরুষ আপনার প্রতি আকৃষ্ট না হয়। মানে আপনি মুমিলাতুন মাইলাতুন হবেন না। মানে অন্যকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করবেন না। নিজেও অন্যের প্রতি আকৃষ্ট হবেন না। এজন্য আপনি একটা হিজাব একটা পর্দা আপনি পরিহিত করবেন। কিন্তু আপনি যে পর্দা পড়েছেন, যে হিজাব পড়েছেন, আরে আপনি যদি সাধারণ হেঁটে যেতেন, সাধারণ পোশাক পরতেন, একজন যুবক মনে হয় আপনার দিকে তাকাতো না।
কিন্তু আপনার পর্দার নামে যে বোরকা, আপনার হিজাবের নামে যে কাপড় আপনি পরিধান করেছেন আপনার দিকে না তাকালেও আপনার বোরকার যে ফ্যাশন এই ফ্যাশনে অন্য যুবকদের অন্য পুরুষদের পরপ পুরুষদের আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। অতএব আপনি আকর্ষণ না করলেও আপনার পোশাক আকর্ষণ করছে। তাহলে এই হিজাব পড়ে লাভটা কি হলো? এই হিজাব পড়ে লাভটা কি হল? এটাই তো পোশাক পড়ে উলঙ্গতা। এটাই তো পোশাক পড়েও নিজেকে নিজের প্রতি অন্যকে আকৃষ্ট করা। সম্মানিত উপস্থিতি এটাই যদি হয় তাহলে মনে রাখবেন এই সমস্ত মা বোনদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে। এরা জান্নাতে যাবে না। এমনকি জান্নাতের সুগন্ধি পর্যন্ত পাবে না। যে সুগন্ধি বহু বহু দূর থেকে পাওয়া যায়।
অতএব সতর্ক হন আপনার ছেলে আপনার মেয়ে আপনার পরিবার যেন মেয়েলি পোশাক না পড়ে আপনার ছেলে যেন মেয়েলি পোশাক না পড়ে আপনার মেয়ে যেন পুরুষের পোশাক না পড়ে আপনার অর্থ উপার্জন দিয়ে যেন এই পোশাক ক্রয় না করা হয় আপনি যেন পোশাকের নামে উলঙ্গ পোশাক ক্রয় করে দিয়েন না অতএব আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে সগৃহে রাখবেন আপনার মেয়েদেরকে সগৃহে রাখবেন কেননা যখন আপনার মেয়ে মেয়ে ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান তাকে নগ্নতার দিকে নিয়ে যায়। এ কথা বলেছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু কলা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু হতে বর্ণিত।
তিনি বলেন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আলমার। নারী হচ্ছে গোপন বস্তু। নারী হচ্ছে ঢেকে রাখা বস্তু লুকাইত বস্তু আলমারত আতুন নারী হচ্ছে লুকাত গোপন ঢেকে রাখা বস্তুত যখন এই নারী ঘর থেকে বের হয়ে যায় শয়তান তাকে নগ্নতার দিকে ধাবিত করে এথা রাস বলেছেন তিমিজ মিশকাতের ১০৯ নাম্বার হাদিস দিয়ে সম্মানিত উপস্থিতি অতএব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন নারী হচ্ছে গোপন বস্তু নারী হচ্ছে লুকায়িত বস্তু নারী হচ্ছে ঢেকে রাখা বস্তু অতএব তারা যখন এই ঢেকে রাখা বস্তুটি যখন রাস্তায় প্রকাশ পেয়ে যায় তখন শয়তান তাকে নগ্নতার দিকে ধাবিত করে তাই তো রাস্তায় এত মস্কারা এত আড্ডা এত ঠা এত রংবের এত কিছু ছড়িয়ে পড়েছে আপনার আমার সমাজে সম্মানিত উপস্থিতি তাহলে আমার মা-বোন বলবে আমার মা-বোনেরা বলবে না যারা এখানে এসেছেন ইসলাম যারা মান্য করেন তারা এ কথাগুলো কখনো প্রশ্ন করবে না কিন্তু ইসলাম বিদ্বেষী যারা রয়েছে আমাদের দেশের সুশীল সমাজ বা নারীবাদী বলে আমরা যারা মুক্তি নারী মুক্তিকামী মানুষ যারা রয়েছে তারা বলবে ইসলাম নারীর উপরে অবিচার করেছেন ইসলাম নারীকে গৃহবন্দী করেছেন ইসলাম নারীকে ঢেকে রেখেছেন আবদ্ধ করেছেন।
পুরুষরা ঘুরে ঘুরে বেড়াবে। আর ইসলাম নারীকে আবদ্ধ করেছেন নিজের ঘরের ভিতরে একটি কাপড়ের ভিতরে। এভাবে ইসলামের নিয়ে তারা কথা বলবে যে ইসলাম বিচারিতা করেছেন নারীর প্রতি জুলুম করেছেন অবিচার করেছেন নাউজুবিল্লাহি মিনজালিক। সম্মানিত উপস্থিতি, সম্মানিত মা ও বোন, আপনি এই প্রশ্ন করার আগে ভেবে দেখুন, ইসলাম আপনাকে মর্যাদা দিয়েছেন। ইসলাম আপনাকে সম্মান দিয়েছেন। ইসলাম আপনাকে পৃথিবীর দামি বস্তু দামি সম্পদে রূপান্তরিত করেছেন। ইসলাম পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানুষ উৎকৃষ্ট সৃষ্টি হিসেবে আপনাকে বলেছেন আপনি এটা ভুলে গিয়েছেন। পরে আপনার সামনে এ কথাটা বলছি। তবে শুধু এটুকুই বলে রাখি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি খারাপ। তাই আপনি নিজেকে মনে করেছেন ইসলাম আপনাকে বন্দি করেছেন।
দেখেন পৃথিবীর যত দামি জিনিস পৃথিবীর যত সম্মানিত জিনিস তারা নির্দিষ্ট একটি গন্ডির ভিতরে থাকে। আপনি এখানে ব্যাংকার রয়েছেন অনেকেই। আমি ব্যাংক সম্পর্কে ভালো বুঝি না। ব্যাংকের যিনি সর্ব উদ্ধতন কর্মকর্তা হন তিনি একটা কাচের ঘরের ভিতরে ছোট্ট একটা ঘর সেই ঘরের ভিতরে আবদ্ধ থাকেন। সেখানে না অন্য কোন লোক রয়েছে না সেখানে অন্য কোন লোক যাত করে সেখানে এসির লাগানো রয়েছে। ওই ছোট্ট একটা ঘরের ভিতরে ওই এমডি সাহেব বা উদ্ধতন কর্মকর্তা তিনি ওই ঘরের ভিতরে রয়েছেন। বিশেষ প্রয়োজনে তার সামনে দারোয়ান রয়েছে। তাদের অনুমতি সাপেক্ষে উনার সঙ্গে দেখা করতে হয়। উনি দুই একজনকে দুটো একটা পরামর্শ দেন। বিশেষ কোন কার্যক্রম সলভ করে থাকেন।
সাধারণত যেকোনো মানুষ ব্যাংকের অন্যান্য দায়িত্বশীলদের সাথে যেমন সজনেই দেখা সাক্ষাৎ করতে পারে, কথা বলতে পারে, হাত মিলাতে পারে। উনার সঙ্গে যখন তখন দেখা করা যায় না। হাত মিলানো যায় না। কথা বলা যায় না। কথা বলার জন্য অনুমতি নিতে হয়। সিকিউরিটির কাছে যেতে হয়। তারপর সেখানে যেতে হয়। দূর থেকে তার কথা শুনতে হয়। তিনি দূর থেকে পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ নিয়ে চলে আসতে হয়। এখন এই ব্যাংকের উদ্যোতন কর্মকর্তা যদি বলেন ব্যাংক আমার উপরে অবিচার করেছেন আমাকে একটি ছোট কাছের ঘরের ভিতরে বন্দি করে রেখেছেন তাহলে কেমন হতে পারে? তিনি কখনো বলেন না তিনি মনে করেন ব্যাঙ আমাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন।
আমাকে সর্বোচ্চ আসনে বসিয়েছেন আমি ছোট্ট একটা ঘরে বসে থাকি। আমার পাহারাদার থাকে। আমাকে কাছে কথা বলতে গেলে অনুমতি নিতে হয়। এভাবে তিনি নিজেকে গর্ভবোধ মনে করেন। ঠিক আপনাকে উদাহরণ দিয়ে কথা বুঝাচ্ছি। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট তিনি যখন তখন আপনার আমার মত যেখানে সেখানে বের হতে পারেন না। আমি তো এই মনে চাইলে এখান থেকে বের হয়ে গেলাম। শিশুমেলায় গেলাম, শ্যামলেটে গেলাম ইত্যাদি জায়গায় গেলাম। মন চাইল আরেক জায়গায় ঘুরে আসলাম। যাহা ইচ্ছা তাই করলাম। মন চাইলে ওখান থেকে কিছু কিনে খাইলাম।
মন চাইলো এই বাসে উঠে পড়লাম এর রিক্সাতে উঠে পড়লাম কিন্তু আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট তারা ওই ঘর থেকে বের হতে পারেন না তাদের বের হওয়ার আগে আগে থেকে জানাতে হয় আমি এখান থেকে ওখানে যাব তাদের জন্য বুটপ্রুফ যে গাড়ি রয়েছে সেটা নির্ধারণ করা হয় তাদের জন্য এসএসএফ যেটা রয়েছে সেটাকে পাহারায় নিযুক্ত করা হয় রাস্তা ক্লিয়ার করা হয় অতঃপর সেই গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে তারা একটা বক্তব্য দেন অথবা অথবা কথা বলেন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন আবার প্রোটোকল নিয়ে তিনি ঘরে ফিরেন ঠিক প্রেসিডেন্টও তাই তিনি নিজের ইচ্ছে খেতে পর্যন্ত পারেন না একটা জিনিস খাইতে গেলেও তার যারা দেহরোগী রয়েছে তাদের দ্বারা টেস্ট বা অনুমোতি বা অনুমোদন নিয়ে খেতে হয় এখন এই প্রধানমন্ত্রী যদি নিজেকে মনে করে যে আমাকে গৃহবন্দী করা হয়েছে এই প্রেসিডেন্ট যদি মনে করে আমাকে গৃহবন্দী করা হয়েছে আমি নিজের ইচ্ছায় কিছু করতে পারি না নিজের ইচ্ছায় চলতে পারি না নিজের ইচ্ছায় ঘর থেকে বের হতে পারি না।
মানুষ যেমন সকলেই বসে রয়েছে ওই কাজের ভিতরে ভিড়ের ভিতরে আমি থাকতে পারি না। আমাকে প্রোটোকলের ভিতরে থাকতে হয়। তাহলে কেমনটি হয়? তিনি কখনো মনে করেন না। তিনি মনে করেন রাষ্ট্র আমাকে সম্মান দিয়েছে। সম্মানিত উপস্থিতি শুধু আমরা নারীর ক্ষেত্রে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা পাল্টিয়েছি। ইসলাম নারীকে সম্মান দিয়েছেন। তারা যখন বাইরে বের হবে প্রটোকল নিয়ে বের হবে। বডিগার্ড নিয়ে বের হবে। তার মানে তার মারহাম নিয়ে মাহরাম নিয়ে বের হবে। যখন তারা বাইরে বের হবে তখন তারা মাহরাাম নিয়ে বের হবে। প্রটোকল নিয়ে বের হবে। আমরা এটাকে মনে করেছি গৃহবন্দী। সম্মানিত উপস্থিতি অথচ ইসলাম আমাদেরকে ইজ্জত দিয়েছেন মর্যাদা দিয়েছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদেরকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করেছেন এই কারণে।
কারণ তারা দামি সম্পদ। শয়তান এই দামি সম্পদকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য যেমন দামি সম্পদের পিছনে চোর ডাকাত ইত্যাদি সন্ত্রাস লুটরাজ রয়েছে ঠিক এই দামি সম্পদ যখন প্রোটোকল ছাড়া বের হয়ে যায় তখন এই লুটতরাজ এই ডাকাত এই চোর এই সন্ত্রাস এই মানুষগুলো এই দামি সম্পদের উপরে আক্রমণ করে এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিরমিজী মিশকাতের ৩১৮ নম্বর হাদিস আমাদের নবী বলছেন যখন কোন নারী এবং কোন পুরুষ যখন কোন নারী এবং পুরুষ নির্জনে একত্রিত হয় যখন কোন পুরুষ এবং নারী নির্জনে এক জায়গায় একত্রিত হয় ইল্লা তখন শয়তান হয় তাদের তৃতীয়জন তখন শয়তান হয় তাদের তৃতীয়জন এখন বলেন আপনার ছেলে আপনার মেয়ে ও নির্জনে বের হয়ে গিয়েছে তাদের তৃতীয়জন এখন কে তাদের তৃতীয়জন এখন শয়তান এখন শয়তান যাদের তৃতীয়জন তাদেরকে দিয়ে ভালো কি করে আশা করতে পারেন ভালো কি করে হবে? শয়তান তাদের তৃতীয়জন।
আর আপনার ছেলে আপনার মেয়ে রাত ১০:০০ টা ১২ টা পর্যন্ত এখানে ওখানে রয়ে গিয়েছে। তৃতীয়জন হলো শয়তান কিভাবে এদের দ্বারা ভালো আশা করতে পারে। কিছুদিন আগে একটা নিউজ দেখেছিলাম। একজন মেয়ে সাত দিনের পরিচয় তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে বের হয়ে গিয়েছে। আপনারাও দেখেছেন। তারপরে রাত ১২ টা থেকে রাত তিনটা পর্যন্ত এমন কোন এক ঘটনা তিন ঘন্টা ধরে অন্য বন্ধু মিলে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ইজ্জত হানি করা হয়েছে। এটা আমরা দেখেছি। এটা আমরা শুনেছি। আমরা সবাই বিচার চেয়েছি। আমরাও বিচার চাই। আর আমার একটা কথা রয়েছে। জিনা ধর্ষণের বিচার চেতে হবে না। জিনা ধর্ষণের বিচার করতে হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সড়শ বছর আগে ফয়সালা দিয়ে গিয়েছেন।
এর বিচার চাওয়া লাগে না। এর বিচার করতে হয়। অতএব এ বিচার করবে রাষ্ট্রের সরকার। যাদের হাতে ক্ষমতা রয়েছে না করলে তারা গুনাগার হবে। এখন আমার কথা হলো মেয়েটা বের হয়ে গেল সাত দিনের পরিচয় বয়ফ্রেন্ডের সাথে। আপনি চলাচলের সময় পশ্চিমা স্টাইলে বের হয়ে গেলেন। আর যখন আপনি ধর্ষিতা হলেন আপনার উপরে অত্যাচার করা হলো তখন সৌদি আরবের স্টাইলে বললেন ধর্ষকের ফাঁসি চাই শাস্তি চাই। এটা কি করে হতে পারে? আপনি বের হলেন পশ্চিমা ইস্টাইলে। আর আপনার উপরে যখন জুলুম হল তখন আপনি এসে সৌদি আরবের স্টাইলে বলছেন ফাঁসি চাই। ধর্ষণের ফাঁসি চাই। সর্ববস্তু শাস্তি আপনাকে নিযুক্ত করতে হবে। কিন্তু আপনাকে বের হওয়ার আগে যে আপনার মা হারাম লাগে, আপনার বডিগার্ড লাগে, আপনি যে নিজে নিজে বের হতে পারেন না, এই দায়িত্ব যে আপনি অবজ্ঞা করলেন, পরিবার যে এই দায়িত্ব পালন করলো না, এদের বিচার কে করবে? এদের বিচার কে করবে? ইসলাম বলেছে, নারী-পুরুষ এক জায়গাতেই হলে তৃতীয়জন শয়তান হবে।
আপনার মেয়েকে যে আপনি রাত ১২ টা পর্যন্ত অন্য যুবক ছেলের সঙ্গে লিলিয়ে দিলেন বা বের করে দিলেন এখানে তৃতীয়জন শয়তান এ দায়িত্ব আপনি পালন করলেন না এটা কি করে হবে আপনি হয়তো বলবেন আমার মেয়ে অনেক ধার্মিক আমার ছেলে অনেক ধার্মিক আমার ছেলে এত পরহেজগার তাদের দিয়ে খারাপ আশা করা যায় না আমি আপনার কথা বিশ্বাস করি না আমি আপনার কথা বিশ্বাস করি না এই আগুন আর এই কাঠ এই দুটাকে এক জায়গায় রেখে বলছি এই কাঠ ১০ বার হজ করেছে। এই আগুনও ১০ বার হজ করেছে। পাঁচবার উমরা করেছে। এরা খুব ধার্মিক। এদেরকে এক জায়গাতে রেখে দিলাম। এরা একজন আরেকজনকে ধরবে না।
আপনার কথা বিশ্বাস করি না। এই আগুন কাঠকে ধরবেই ধরবে। ঠিক। আপনার মেয়ে যত ধার্মিক হোক আপনার ছেলে যত ধার্মিক হোক আপনি বলছেন খুব ভালো। আগুন কাঠ এক জায়গাতে রাখলেই যেমন ধরবেই ধরবে। ছেলেমেয়ে এক জায়গাতে হলেই ধরবেই ধরবে ইসলাম বলেছেন ধরবে সূরা নিসার ৩৪ নম্বর আয়াতে আলা বললেন এখানে একটি কথা আপনি বুঝে নেন আল্লাহ বলছেন আমি সাজিয়েছি সুসজ্জিত করেছি মানুষদের জন্য ভালোবাসাময় করেছি আকর্ষণীয় করেছি কয়টা বাক্য বললাম না সুসজ্জিত করেছি লিন্নাসি মানুষের জন্য হুব্বু ভালোবাসাময় করেছি আকর্ষণীয় করেছি তিনটা বাক্য সাজিয়েছি সুসজ্জিত করেছি ভালোবাসাময় করেছি আকর্ষণীয় করেছি পুরুষদের জন্য মিনানিসা নারীদেরকে অতএব আল্লাহ তাআলা নারীদেরকে পুরুষদের জন্য সাজিয়েছেন ভালোবাসাময় করিয়েছেন আকর্ষণীয় করেছেন।
আর আপনি এই সুসজ্জিত জিনিসটি আপনি এই ভালোবাসাময় জিনিসটি আপনি এই আকর্ষণীয় জিনিসটি নির্জনে বের করে দিচ্ছেন। আর বলছেন আমার মেয়ে খুব ভালো আমার ছেলে খুব ভালো। ওরা ধরবে না একথা বিশ্বাসই করি না। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব সতর্কতা অবলম্বন করুন। আগে নিজে পরিবর্তন হন। আগে আপনি সৌদি আরব স্টাইলে নিজের জীবনযাত্রাকে মেনে নিন। তারপরে সৌদি আরব স্টাইলে বিচার চাইবেন। আপনি মধুর পাত্র আলগা রেখে মাছির পিছনে দৌড়াবেন। এটা তো হতে পারে না। আপনি মধুর পাত্রটাকে আগে বন্ধ করুন। তারপরে মাছির শাস্তির ব্যবস্থা করুন। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব এর জন্য আপনি পরিবার দায়ী। আপনার শাসনদায়ী আপনার কার্যক্রম দায়ী আপনি অযোগ্য পিতা-মাতা এজন্য আপনার ছেলে আপনার মেয়ে বয়ফ্রেন্ডের নামে গার্লফ্রেন্ডের নামে রাত ১২টা পর্যন্ত এখানে ওখানে ঘুরছে আপনার ছেলে আপনার মেয়ে আপনার ছেলে একটা মেয়েকে বয়ফ্রেন্ডে বা গার্লফ্রেন্ড নামে আপনার বাড়িতে নিয়ে এসেছে আপনি গার্লফ্রেন্ড নামে সাদরে গ্রহণ করেছেন।
আপনার মেয়েও একটা ছেলেকে বয়ফ্রেন্ড নামে আপনার বাড়িতে নিয়ে এসেছে। আপনি এটা গ্রহণ করেছেন আতিদা দাউস। সম্মানিত উপস্থিতি আপনাকে মনে রাখতে হবে নারী এবং পুরুষ থেকে আপনাকে আমাকে সাবধান থাকতে হবে। পুরুষরা যেমন নারী থেকে সাবধান থাকবে নারীরাও তেমন পুরুষ থেকে সাবধান থাকবে। এটাই স্বাভাবিক। আর পুরুষের জন্য নারী তো একটা ফেতনা। পুরুষের জন্য নারী একটা কঠিন ফেতনা। কঠিন পরীক্ষা। এজন্য পুরুষ জাতিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীর ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করিয়েছেন।
ওসসামা ইবনে জায়েদ রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু কল রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুখারী মুসলিমের ৩০৮৫ নম্বর হাদিসে আমাদেরকে জানিয়েছেন আমি আমার পরে মাতারা ফিতনা আমি আমার পরে এমন কোন সমস্যা ত্যাগ করে যাচ্ছি না এমন কোন সমস্যা ছেড়ে যাচ্ছি না আমার পুরুষ উম্মতের জন্য আজ আমার পুরুষ উম্মতের জন্য অধিক ক্ষতিকর হতে পারে মিনানি নারীরা ছাড়া আমি আমার পরে এমন কোন সমস্যা ত্যাগ করে যাচ্ছিলাম আমার পুরুষ উম্মতের জন্য যা আমার পুরুষ উম্মতের জন্য অধিক ক্ষতিকার হতে পারে। একমাত্র নারীরা ছাড়া আর কোন সমস্যা আমি ত্যাগ করে যাচ্ছি না। এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপর এক হাদিসে আমাদেরকে বলছেন খুদী রাদিয়াল্লাহু তালাহ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামদুনিয়া তোমরা দুনিয়া থেকে বাঁচো।
তোমরা নারী থেকে বাঁচো। তোমরা দুনিয়া থেকে সাবধান থাকো। ও দুনিয়ার মানুষ ও পুরুষ জাতি তোমরা দুনিয়ার ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করো। কারণ এই দুনিয়া তোমাকে পরকাল বিমুখ করতে পারে। তোমরা নারীর ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন কর। কেননা বনি ইসরাইলের সর্বপ্রথম ফেতনা এই নারীদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল। বনী ইসরাইলের সর্বপ্রথম ফেতনা এই নারীর মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল। মুসলিম মেশকাতের ৩০৮৬ নম্বর হাদিস দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানিয়েছেন দুটি হাদিস আপনার সামনে পেশ করে বলতে চাচ্ছিলাম আপনার আমার জন্য নারী ফেতনার চাইতে ভয়ঙ্কর কোন ফেতনা রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম ত্যাগ করে যাননি। এজন্য নারীর ব্যাপারে আপনাকে আমাকে পুরুষকে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
সম্মানিত উপস্থিতি কেননা মানুষ যখন সব কৌশলে হার মেনে যায় তখন যে কৌশলটি অবলম্বন করে সেটা হল নারী কৌশল। দেখেন একজন মানুষকে মানহানি করার জন্য একজন মানুষকে লাঞ্ছিত করার জন্য একজন মানুষকে ক্ষমতাচূত করার জন্য একজন মানুষের ইজ্জত হানি করার জন্য যখন সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে যায় তখন যে ষড়যন্ত্র সফল করে সেটা হলো নারী ষড়যন্ত্র। এজন্য আমাদের দেশে একটা কি যেন কথা আছে হানিফ। এই ফাদে ফেলিয়ে মানুষকে পুরুষ জাতিকে তার নিজের দায়িত্ব এবং কর্তব্য থেকে বিমুখ রাখা হয় তাহলে নারীর ষড়যন্ত্র কতটা খারাপ আপনি বুঝে নিন।
সম্মানিত উপস্থিতি আপনাকে আমি কি করে বুঝাই নারীর ষড়যন্ত্র কেন এত উৎকৃষ্ট এত বৃহৎ এত মানে এত সফল কেন নারী ষড়যন্ত্র দ্বারা পুরুষ জাতি নির্যাতি নির্যাতিত হয় কেন নারী ষড়যন্ত্রের কাছে পুরুষ জাতি পরাজয় বরণ করেছে কেননা আপনি একটা কোরআনের আয়াত একটু বোঝেন সূরা নিসার ৭৬ নম্বর আয়াত এখানে আল্লাহ বলছেন ইন্না কাদাশাইতনি কানা জফান নিশ্চয়ই শয়তানের একটা ষড়যন্ত্র রয়েছে ইন্না কাদাশাইতনি কানাফান নিশ্চয় শয়তানের একটা ষড়যন্ত্র রয়েছে যা অধিক দুর্বল কানা জফ অধিক দুর্বল শয়তানের ষড়যন্ত্রকে আল্লাহ কি বলেছেন অধিক দুর্বল বলেছেন। এবার চলে যান সূরা ইউসুফের ২৮ নম্বর আয়াত। আল্লাহ বলছেন ইন্নাম নিশ্চয় নারীদের ষড়যন্ত্র নারীদের চক্রান্ত আজিমন অধিক শক্তিশালী নিশ্চয়ই নারীদের চক্রান্ত নারীদের ষড়যন্ত্র অধিক শক্তিশালী অতএব শয়তানের ষড়যন্ত্র শয়তানের ফাদ্য যেটা হারমানায় সেটা হল নারীর ষড়যন্ত্র নারীর চক্রান্ত এজন্য নারীর চক্রান্ত নারী ষড়যন্ত্র যন্ত্র থেকে পুরুষ জাতিকে সাবধানতা থাকতে বলেছেন।
এজন্য ইবনে আমির রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু তিনি বলেন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন দুনিয়ার মানুষ তোমরা নারীদের কাছে যাওয়া থেকে সাবধান থাকো। তোমরা নারীদের কাছে যাওয়া থেকে সাবধান থাকো। তখন তখন একজন সাহাবী দাঁড়িয়ে বললেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আপনি দেবর সম্পর্কে কিছু বলুন তখন নবী সাল্লাল্লাহু বললেন আলহাম দেবর হল ভাবীর জন্য মৃত্যু সমতুল্য এইযে দেখেন আপনি ভাবী আপনাকে বলছি আপনাকে বলছে আপনি ভাবী দেখে সাবধান থাকবেন কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন হামল মাউত দেবর হল ভাবীর জন্য মৃত্যু সমতুল্য। মানুষ যেমন মৃত্যুকে ভয় পায়, মৃত্যু থেকে বাঁচতে চায়। ভাবী আপনাকেও দেবর থেকে বাঁচতে যেতে হবে।
ভাবী আপনাকেও দেবরকে ভয় পেতে হবে। দেবর থেকে বাঁচার জন্য আপনাকে চেষ্টা করতে হবে। অথচ আপনি ভাবি আপনার দ্বীনই চলে না। আপনার আসর জমে না। দেবর ছাড়া। আপনার রয়েছে চাচা তো দেবর ফুবা তো দেবর মামাতো দেবর খাওলা তো দেবর পাড়া তো দেবর আরো কত দেবর দেবরই ছাড়া আপনার দ্বীন চলে না অথচ নবী বলেছেন আল হামল মাউদ দেবর হল ভাবীর জন্য মৃত্যু সমতুল্য মৃত্যুকে যেমন মানুষ তোমরা ভয় পাও মৃত্যু থেকে যেমন তোমরা নিজেকে বাঁচাতে চাও ভাব দেবর তোমাকে মৃত্যু সমতুল্য সে তোমাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে তা থেকে বাঁচার জন্য তুমি চেষ্টা করো। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব পুরুষকে যেমন নারী থেকে সাবধান থাকতে হবে নারীকে তেমন পুরুষ থেকে সাবধান থাকতে হবে।
ও আপনার জন্য মউত ও আপনার জন্য মৃত্যু। ও আপনাকে মরণ ফাঁদে ফেলাবে। এজন্য প্রত্যেকটি নারীকে পুরুষ থেকে সাবধান থাকতে হবে। প্রত্যেকটি নারীকে পুরুষকে নারী থেকে সাবধান থাকতে হবে। সম্মানিত উপস্থিতি আমার মা বোনেরা রয়েছেন বলবেন হুজুর আপনি নারী বিদ্বেষী নাকি আপনি নারী বিদ্বেষী নাকি নারীদের ভিতরে এত কিছু বলছেন যে শয়তানের ষড়যন্ত্র হার মানায় নারীর ষড়যন্ত্র আরো তো অনেক কথা রয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলছেন নারী আছে শয়তানের রূপ ধরে নারী যায় শয়তানের রূপ ধরে অতএব তোমরা সাবধান থেকো অতএব আপনি এতগুলো কথা বলছেন ইসলাম কি নারী বিদ্বেষী হুজুর হুজুর আপনি কি নারী বিদ্বেষী? আস্তাগফিরুল্লাহ। ইসলাম নারী বিদ্বেষী নয়।
ইসলাম নারীকে মর্যাদা দিয়েছেন। ইসলাম নারীকে সম্মান দিয়েছেন। এই নারী সেই নারী যে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে। কিন্তু এই নারী সেই নারী নয় যে নারীকে ইসলাম সম্মান দিয়েছেন। আপনাকে আরেকটা হাদিস শোনাই। রাস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন মুসলিম হাদিস নম্বর ৩০৮৩ উক্ত হাদিসে আমাদের নবী বলছেন আদুনিয়া এই দুনিয়াটা হচ্ছে কুল্মা এই দুনিয়াটা হচ্ছে সম্পদে ভরপুর এই দুনিয়াটা কি সম্পদে ভরপুর কত সম্পদ যে রয়েছে এখানে হীরা রয়েছে মুক্তা রয়েছে স্বর্ণ রয়েছে রুপ রয়েছে ডায়মন্ড রয়েছে আরো কত কি এই দুনিয়ার সম্পদ আর সম্পদ সম্পদ দিয়ে এই দুনি দুনিয়া ছেয়ে রয়েছে মাটির নিচে সম্পদ রয়েছে পানির নিচে সম্পদ রয়েছে পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে সম্পদ সাগরের তলে রয়েছে সম্পদ সম্পদ সম্পদ আদুনিয়ামা এই দুনিয়ার এত সম্পদের মধ্যে দুনিয়া দুনিয়ার সবচেয়ে দামি সম্পদ দুনিয়ার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সম্পদ দুনিয়ার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ একজন নেককার স্ত্রী সুবহানাল্লাহ অতএব পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ দায় হল একজন নেককার স্ত্রী।
পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ হীরার টুকরা হচ্ছে একজন নেককার স্ত্রী। যার ঘরে একজন নেককার স্ত্রী রয়েছে ওর ঘরে টাকা নেই। ওর ঘরে চাউল নেই। ওর ঘরে ডাউনল নেই। ওর ঘরে কসিন নেই। ওর ঘরে সরিষার তেল নেই। ইত্যাদি। কিচছু নেই ওর ঘরে। ওর ঘরে রয়েছে একজন নেককার স্ত্রী। ও পৃথিবীর সবচাইতে দামি সম্পদটি তার ঘরে লুকিয়ে রেখেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে দামি সম্পদ পৃথিবীর সবচেয়ে ডায়মন্ড সবচেয়ে দাড়ি হীরা তার ঘরে রয়েছে। আপনি নিজেকে হীরা মনে করেন। আপনি নিজেকে ডায়মন্ড মনে করেন। সম্মানিত মা বোন, যখন আপনি নেককার একজন স্ত্রী হবেন, নেককার একজন মেয়ে হবেন, নেককার একজন মা হবেন, নেককার একজন বোন হবেন, তখন আপনি পৃথিবীর সবচাইতে শিরা সম্পদে রূপান্তরিত হবেন।
আপনার সম্মান ইসলাম দেইনি মনে, আপনার যে সম্মান ইসলাম দিয়েছেন, পৃথিবীতে কোন সৃষ্টিকূলকে আল্লাহ সেই সম্মান দেননি। আপনাকে বলি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হীরা পর্বতে ধ্যান করতেন আমাদের মা খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে খাদ্য নিয়ে যেতেন আল্লাহ তাআলা বললেন জিব্রাইল ওই খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা তুমি বল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে আল্লাহ খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহাকে সালাম দিয়েছেন তখন যখন খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা হাসলজি জিব্রাইল আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহাকে সালাম দিয়েছেন। আমি জিব্রাইল আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহাকে সালাম প্রদান করলাম। আপনি খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহকে জানিয়ে দেন।
অতএব আপনি সেই নারী আপনি খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহার উত্তরসূরী যাকে সালাম আল্লাহ দেয়, যাকে সালাম জিব্রাইল আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেয়। আর কোন পুরুষকে সালাম দিয়েছেন আপনার জানা থাকলে বলেন সম্মানিত মা বোন আপনাকে বলছি আপনি সেই নারী পৃথিবীতে সকল মানুষ আদম এবং হাওয়া আলাইহিস সালাম ব্যতীত পৃথিবীর সকল মানুষ নারী এবং পুরুষ তারা দুনিয়াতে এসেছে একজন পুরুষ এবং একজন নারীর মাধ্যমে আদম এবং হাওয়া আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যতীত পৃথিবীর সকল মানুষ এ দুনিয়াতে এসেছে একজন পুরুষ এবং একজন নারীর মাধ্যমে মাধ্যমে কিন্তু ব্যতিক্রম এক জায়গায় রয়েছে ঈসা আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈসা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছেন সেখানে কোন পুরুষ ছিল না কিন্তু মা ছিল অতএব ঈসা আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পুরুষ ছাড়া আল্লাহ দুনিয়াতে নিয়ে এসেছেন।
এদিও আল্লাহ নারীর মর্যাদা দিয়েছেন। বুঝাতে চেয়েছেন শোন দুনিয়ার মানুষ আমি দুনিয়াতে পুরুষ ছাড়া মানুষ সৃষ্টি করেছি। কিন্তু আমি দুনিয়াতে মাতা ছাড়া কাউকে সৃষ্টি করিনি। এখানে নারীর মর্যাদা রয়েছে। এজন্যই তো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে যখন সম্মান দেওয়ার কথা জিজ্ঞেস করা হলেন তিনি তিনবার বললেন কলা উম্মুকালা উম্মুকালা উম্মুকা চতুর্থবার বললেন কলা আবুকা তারপরে বললেন আদনাকা ইত্যাদি সম্মানিত উপস্থিতি অতএব যখন সম্মানের কথা বললেন আমি সম্মান কার দেব তো বলছে তোমার কাছে সম্মান আছে প্রথমে যদি এই সম্মানটা কাকে দিতে চাও তোমার মাকে দাও ঠিক আছে মাকে দিয়েছি প্রথম সম্মান দ্বিতীয় সম্মানটা কাকে দেব আরে মানে আপনাকে টাকাই বুঝায় টাকাই বুঝায় আপনি বুঝবেন না আপনার কাছে চার টাকা রয়েছে চার টাকাচ টাকা রয়েছে বলছে যদি এক টাকা থাকে ও এক টাকা তুমি কাকে দিবা তোমার মাকে দাওদু টাকা আছে তাহলে কাকে দিবা তোমার মাকে দাওত তি টাকা আছে কাকে দিবা তোমার মাকে দাও তিন টাকার পরে যদি চার টাকা থাকে তাহলে কাকে দিবা এই তিন টাকার পরে যদি চার টাকা থাকে তাহলে তোমার বাপকে দাও আর এইচ টাকার পরে যদি কোন টাকা থাকে আদনাকা আদনাকা অন্য অন্য সকল মানুষকে তুমি দিতে পারো।
অতএব আপনাকে টাকা দিয়ে বোঝালাম কেন? আপনার কাছে একটুখানি সম্মান রয়েছে। ওটা যদি দিতে হয় আপনার মাকে দেন। আরেকটু রয়েছে ওটাও যদি দিতে হয় আপনার মাকে দেন। আরেকটু রয়েছে ওটাও যদি দিতে হয় আপনার মাকে দেন। তিন তিনবার সম্মান আপনার মাকে। চতুর্থবার যদি কোন সম্মান থাকে আপনার বাবাকে। অতএব ইসলাম এখানে নারীর মর্যাদা দিয়েছেন। মায়ের মর্যাদা দিয়েছেন। তিন তিনবার দিয়েছেন। মায়ের অবাধ্য ইসলাম হারাম করেছেন। সম্মানিত উপস্থিতি শুধু তাই নয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যখন একজন মানুষের কোথাও দুই কোথাও তিন এভাবে বলা হয়েছে। আমি তিনজনই ধরে নিলাম যে তিনজন কন্যা সন্তান হয় তাকে সুন্দরভাবে লালন পালন করে সুশিক্ষা দেয়।
অতঃপর সুন্দর আদর্শবান ছেলেদেরকে বিবাহ দেয়। এভাবে যখন করে তখন আমাদের নবী বলছেন ওই তিনটা নারী ওই পিতা-মাতাকে জান্নাতে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। ওই তিনটা মেয়ে সন্তান লালন পালন করা পিতা-মাতাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এই আদর্শবান তিনটি নারী। সুবহানাল্লাহ। তিনটি কন্যা সন্তান আপনার আছে মানে। আপনি আদর্শবান শিক্ষা দিয়েছেন মানে তিনটি কন্যা সন্তানের পাওয়ার এবং ক্ষমতা এত আপনাকে তারা জান্নাতে নিয়ে যাবে। এবার আপনাকে বলি আপনি আমাকে শোনান। ১০ জন পুরুষ ছেলে ৫০ জন পুরুষ ছেলে ১০০ জন পুরুষ ছেলে হলে এই ১০০ জন পুরুষ ছেলে আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এমন কোন হাদিস আপনি জানেন? আপনার জানা আছে আমার জানা নেই।
থাকলে আপনি আমাকে জানিয়েন আমার জানা নেই তাই বললাম যে নবী সাল্লাম বলেছেন ১০০ জন পুরুষ ছেলে থাকলে ১০০ জন পুরুষ ছেলে তাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে কিন্তু তিনজন দুইজন কন্যা সন্তানের কথা নবী বলেছেন অতএব ইসলাম আপনাকে কত মর্যাদা দিয়েছে কত সম্মান দিয়েছেন এ কথা তো আমি এই ভাবভাষা দিয়ে বোঝাতে পারবো না অতএব বলতে চাচ্ছিলাম আপনি সেই নারী হন যে নারীকে সালাম দেয় আল্লাহ অতএব মা খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহার উত্তরসরী সম্মানিত উপস্থিতি আর এই মা খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহার উত্তরসরী করার জন্য আপনি পুরুষ আপনাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে আপনি পুরুষ আপনাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে কেননা আপনি হল নারী জাতির পরিচালক আরজা আর পুরুষরা নারীদের পরিচালক সম্মান নারীদের অনেক বেশি কিন্তু পরিচালনার দায়িত্ব পুরুষদেরকে দিয়েছেন আল্লাহ তালা।
তাদের রক্ষণাবেক্ষণ করা, তাদের দেখভাল করা, তাদের তদারুকী করা, তাদের হেফাজত করা, তাদের বডিগার্ড হিসেবে থাকা, তাদের এসএসএফ নিযুক্ত করার দায়িত্ব সবকিছু পুরুষের উপরে আল্লাহ দিয়েছেন কেননা আপনি পুরুষ। এজন্য তাদের বডিগার্ড হিসাবে আপনি দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের নিরাপত্তা আপনি প্রদান করবেন। তাদের সেজন হিসেবে আপনি থাকবেন। এই দায়িত্ব আপনি পালন না করলে আপনি ব্যর্থ এবং কিয়ামতের মাঠে আপনাকে জবাবদিহী করতে হবে। আল্লাহতালা সূরা আজহাবের ৫৯ নম্বর আয়াতে বলছেন আল্লাহ তালা বলছেন হে নবীহ আল্লাহতালা বলছেন হে নবী আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে আপনার কন্যাদেরকে আপনার মুমিন নারীদেরকে এ কথা বলে দিন বলে দিন তারা যেন তাদের একটি কাপড়ের অংশ তাদের গায়ের উপর দিয়ে ফেলে দেয়।
একটি আবরণ মাথার উপর থেকে তাদের গায়ের উপরে ফেলে দেয়। এতে করে তাদের চিনতে সহজ হবে। আর উত্তক্তকারীরা তাদেরকে উত্তক্ত করবে না। দেখেন সূরা আজহাবের ৫৯ নম্বর আয়াত। আয়াত দিয়ে আপনি কি বুঝলেন? আল্লাহ বলেছেন নবীকে আপনার স্ত্রীদেরকে বলুন আপনার সন্তান মেয়েদেরকে বলুন মুমিন যারা নারী বিশ্বাসী নারী রয়েছে অবিশ্বাসীদেরকে নয় বিশ্বাসী নারীদেরকে বলুন তারা যেন তাদের কাপড়ের একটি অংশ তাদের মাথার উপর দিয়ে তাদের শরীরের উপরে ফেলে দেয় তাতে করে তাদের চিনতে সহজ হবে কেন এরা সম্ভ্রান্ত এরা স্বাধীন এরা মুক্তিকামী এদের সম্মান রয়েছে এদের মর্যাদা রয়েছে এবং উত্তক্তকারীরা মানে কি ইফটিজিং আপনি আমি ইফটিজিং বুঝি না যে ইফটিজিং হয় ইফটিজিংকারীরা তাদেরকে ইফটিজিং করবে না আপনি আমি বলি ইফটিজিং এর বিচার করতে হবে ইফটিজিং বন্ধ করতে হবে আরে ইফটিজিং এর দরজাটা খোলা রেখে আপনি ইফটিজিং বিচার কিভাবে করবেন আল্লাহ বলেছেন তুমি তোমার গায়ের উপর দিয়ে চাদর দিয়ে দাও ইফটিজিংকারীরা উত্তক্তকারীরা তোমাকে উত্তক্ত করবে না।
উদাহরণ দিয়ে একটু বোঝানোর চেষ্টা করি। সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। মনে করুন বাংলাদেশের সবচেয়ে কম দামি রেল স্টেশন। যেখানে লোকাল যে ট্রেনগুলো রয়েছে সেগুলো থামে না ঠিকঠাক মত। কিন্তু ওই লোকাল স্টেশনে একটা বাতি জ্বলে রয়েছে লাল বাতি। লাল বাতি জ্বালিয়ে রেখেছে স্টেশন মাস্টার। আর বাংলাদেশের সবচাইতে ভিআইপি ট্রেন যেখানে দামি দামি মানুষগুলো চলে ওই ট্রেনটা ওখানে যাচ্ছে প্লটফর্মে প্রবেশের আগেই লালবাতি জ্বলে রয়েছে নরমাল স্টেশন কম দাম স্টেশন আর দামি রেলগাড়ি কিন্তু বাতি জ্বলে রয়েছে লালবাতি ওই ট্রেন ওই প্লটফর্মে প্রবেশ করবে না আবার বাংলাদেশের সবচাইতে নিম্নমানের ট্রেন তার চাইতে লোকাল নিম্নমানের ট্রেন নাই আর দামি স্টেশন মনে কমলাপুর স্টেশন কিন্তু স্টেশন মাস্টার একটা সবুজ বাতি জ্বালিয়ে রেখেছে তখন ওই লোকাল ট্রেনটি ওই সবুজবাতি দেখে কোন চিন্তাভাবনা ছাড়াই প্লটফর্মে প্রবেশ করবে সম্মানিত উপস্থিতি বোঝাতে চাচ্ছিলাম আপনি একজন নিম্নমানের পরিবারের মেয়ে আপনি নিম্নমানের পরিবারের একজন বোন আপনার শরীরের উপরে পর্দা নামক লালবাতি জল আর পৃথিবীর বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সম্ভ্রান্ত পরিবারের
পুরুষ যখন আপনার ওই পর্দা নামক লাল বাতি জলা দেখবে ওর হৃদপিন্ড কেপে যাবে ও আপনাকে দেখে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে আর যদি এমন হয় আপনি বাংলাদেশের সবচাইতে সম্ভ্রান্ত পরিবারের নারী কিন্তু আপনি পর্দাহীন আপনার শরীরে সবুজবাতি জ্বালিয়ে রেখেছেন আপনার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ডাকছে নিম্নমানের পুরুষ মানে ওই মজনু নামে একটা পাগলের কথা শুনেছিলাম মধ্যে একসময় এই মজনু নামক পাগল আপনার উপর আক্রমণ করবে এর নাম হল পর্দা সম্মানিত উপস্থিতি অতএব পর্দা করুন আল্লাহ বলেছেন উত্তক্তকারীরা উত্তক্ত করবে না এটা আল্লাহ বলেছেন। আর এই দায়িত্ব পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনি পুরুষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। যদি না করেন আপনি দায়ী হবেন। এক মিনিট কথা বলব।
আম্মার ইবনে আসার রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু তিনি বলছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তিন শ্রেণীর মানুষ জান্নাতে যাবে না আবাদান কখনোই যাবে না একদাউ যিনি দাউস তিনি জান্নাতে যাবে না পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী জান্নাতে যাবে না এবং সর্বদা নিশাদার দ্রব্য পানকারী জান্নাতে যাবে না তিন শ্রেণীর মানুষ জান্নাতে যাবে কখনোই যাবে না। একটা দুই পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী আর সর্বদা নিশাদার দ্রব্য সেবনকারী। অপর এক হাদিস রাদিয়াল্লাহু তালা তিনি বলছেন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সালাহ জান্না তিন শ্রেণীর ব্যক্তির জন্য আল্লাহর জান্নাতকে হারাম করা হয়েছে। এক তিনি হচ্ছেন মুদমিনুল খমর সর্বদা নিশাদার দ্রব্য সেবনকারী। দুই আ পিতামাতার অবাধ্য আদাউস দাউস দাউস থেকে আল্লাহ যে পুরুষ তার পরিবারের নির্লজ্যতা বেহায়াপনার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে ওদাউ ও জান্নাতে যাবে না ওর জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে ও জান্নাতে যাবে না কখনোই যাবে না অতএব বক্তব্য শেষ করলাম আপনাকে বললাম আপনি যদি আপনার পরিবারে বেহায়াপনা নির্লজ্যতা সুযোগ সুযোগ তৈরি করে দেন।
আপনি হলো দাউস। আপনার জন্য ইসলাম বলেছেন আপনি জান্নাতে যাবেন না। কখনোই যাবেন না। আপনার জন্য জান্নাত হারাম। সম্মানিত উপস্থিতি আলোচনা শেষ করলাম। অতএব আজকের দিনের যে আলোচনা ছিল সেটা হলো পর্দা। আসুন ইসলাম আপনাকে আমাকে যেভাবে পর্দা করতে বলেছেন। আপনার আমার সম্মান ইসলাম যেভাবে দিয়েছেন সেভাবেই চলি। পুরুষ আর নারী দুই সাইডে দুইটা জিনিস রাস্তায় যখন গাড়িতে চলি গাড়িতে দুই সাইডে দুইটা চাকা থাকে। এখন এক চাকা যদি বলে আমি ওই সাইডে চলে যাব আর এক জায়গায় হয়ে যাব তাহলে ও গাড়ি এক্সিডেন্ট করবে দুই চাকা দুই সাইডেই থেকেই যখন চলবে তখন সেই গাড়িটা সোজা ভাবে চলে যাবে এটাই স্বাভাবিক নারী এবং পুরুষ এই জগৎ সংসারের দুই সাইডে দুইটা চাকা তাদেরকে এই দুই সাইডে থেকেই ইসলাম যেভাবে চলতে বলেছেন যখনই চলবে তখন এই জগত এই সংসার এই পৃথিবী সুন্দরভাবে চলবে আমরা দুনিয়াতে নিরাপদে থাকব এবং পরকালীন জীবনে আমরা মুক্তি পাব আল্লাহ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে আমাকে সকলকে পরিবারে পর্দা প্রতিষ্ঠা করার তৌফিক দান করুক।
একজন পুরুষ হিসাবে আপনি আমি যেন এই দায়িত্ব পালন করতে পারি। আমার মা বোনেরা যারা রয়েছেন পরলৌকিক জীবনে মুক্তি পাওয়ার আশায় জান্নাত পাওয়ার আশায় যথাসম্ভব আল্লাহ যেভাবে বলেছেন তুমি তোমার সাধ্য অনুযায়ী আল্লাহকে ভয় করো। অতএব যথাসাধ্য আল্লাহ নিয়ে আপনি আপনার নিজের সংবরণ ইজ্জতকে হেফাজত করুন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে আমাকে কবুল করে নিন। এ দাবি এবং দোয়া আল্লাহর দরবারে পেশ করে আজকের দিনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা এখানে শেষ করছি। আকলি হাজ আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়ালাকুম। আসসালামু আলাইকুম ওয়াাররাহমাতুল্লাহ।