লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: বর্তমান যুগের ফিতনা থেকে ঈমান রক্ষার উপায়

বর্তমান যুগের ফিতনা থেকে ঈমান রক্ষার উপায়



আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের জন্য যাবতীয় হাম সালা যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে আজকের এই পবিত্র জুমার দিনে সালাতুল জুমা আদায় করার জন্য ঐতিহ্যবাহী মসজিদ বাইতুল মামুর জামে মসজিদে সময়ত হওয়ার আসার তৌফিক দিয়েছেন। যে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত আমাদেরকে সুস্থ রেখেছেন। যে আল্লাহ সুবহানাও তাআলা এই ফেতনায় পরিপূর্ণ জমানার মধ্যে আমাদেরকে বহু ফেতনা থেকে হেফাজতে রেখেছেন সে মহিয়ান গরিয়ান রব্বুল ইজ্জাতের শুকরিয়া আদায় করছি আলহামদুলিল্লাহ দরুদ ও শান্তি দ্বারা বর্ষিত হোক প্রিয় নবী শেষ নবী সাইয়েদুল মুরসালীন খাতামুন নবীন মুহাম্মাদুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি সম্মানিত হাজিরিন গত মাসে আমার জুমার খুতবার বিষয় ছিল ফেতনা তারই কিছু অংশবিশেষ আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ ফিকলাবিল্লাহ সম্মানিত হাজেরিন ফিতনা একটি ব্যাপক অর্থবোধক বিষয় অর্থবোধক জিনিস যেটা আমরা খুব সহজ ভাষায় বুঝি ফেতনা মানে পরীক্ষা ফেতনা মানে বিভিন্ন গোলযোগ দাঙ্গা এবং আরো কিছু এর অর্থ পাওয়া যায় আকর্ষণ প্রলোভন বিভ্রান্তি ইত্যাদি তো আমরা এমন একটি জমানা এমন একটি যুগের মধ্যে বসবাস করছি চারিদিকে আপনার আমাদেরকে ফিতনা যেন ঘিরে ধরে রেখেছি।

                                                           

দুনিয়াবী ফিতনা, দ্বীনি ফিতনা, সামাজিক ফিতনা, অর্থনৈতিক ফিতনা সবকিছু আমাদেরকে এমনভাবে ঘিরে রেখেছে আমরা মনে হয় কেউ ফেতনা থেকে বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পাচ্ছি না। বর্তমান সিচুয়েশনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমি মনে করি আমাদের এ বিষয়টা ব্যাপক আলোচনা হওয়া উচিত এবং এ বিষয়ে আমাদের প্রত্যেকেরই জ্ঞান থাকা উচিত। কারণ জ্ঞান যদি না থাকে ফিতনা কি এবং কি কি কারণে আমরা ফিতনা নিমজ্জিত হচ্ছি তাহলে আমরা সহজেই ফেতনার মধ্যে নিমজ্জিত হব। ফেতনা আক্রান্ত হব এবং দ্বীনের সঠিক বুঝ বুঝতে অক্ষম হব। নিজের ঈমান, নিজের ইসলামকে রক্ষা করতে পারবো না। এজন্য এ বিষয়টি অত্যন্ত জরুরী বলে আমি মনে করছি। তাছাড়া বিষয়টি এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জাত অনেকগুলো আয়াতে ফিতনা শব্দটিকে উল্লেখ করেছেন।

                                                           

প্রায় ২০ এর অধিক আয়াতের মধ্যে ফিতনা নামক বা এই ফিতনার কথাটা আল্লাহ তালা উল্লেখ করেছেন। বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অর্থে বিভিন্ন পরিভাষায় বিভিন্ন বিষয়কে বুঝানোর জন্য আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত ফিতনার জিনিসটাকে বা ফেতনা শব্দটাকে ইউজ করেছেন। তেমনিভাবে নবী মুহাম্মাদুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসংখ্য অগণিত হাদিসের মধ্যে ফেতনার কথাটা উল্লেখ করেছেন। এজন্য দেখবেন হাদিস গ্রন্থের প্রায় সবগুলো হাদিস গ্রন্থের একটা করে অধ্যায় আছে কিতাবুল ফিতান বা ফিতনা কিংবা শেষ শেষ জমানায় মানুষের পরিবর্তন কোন কোন হাদিস গ্রন্থে বাবুতা নাস মানুষের বিভিন্ন পরিবর্তন এই নামে নামকরণ করেছেন মুহাদ্দিসিনে কেরাম। সুতরাং আমরা কোরআন এবং হাদিসের আলোকে বুঝতে পারছি যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমাদের মুসলিম জীবনে।

                                                           

বিষয়টি এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে বর্তমানে বর্তমান জমানার বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে আমি মনে করছি আরো বেশি। কারণ আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এক মুসলিম আরেক মুসলিমের বিরুদ্ধে লেগে আছে হয়তো রাজনীতির দিক দিয়ে না হয় অর্থনীতির দিক দিয়ে না হয় সামরিক দিক দিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে এখন পরিস্থিতিটা এমন হয়েছে যে আমরা কার পক্ষ নিব মানে ফিতনা এটা কিন্তু একটা ফিতনা মুসলিমদের যত সমস্যা এগুলো কিন্তু ফিতনা কিন্তু ওযে ফিতনার অর্থ যেমন আমরা বললাম প্রথমে যেমনটি বলেছি যে বিভ্রান্তি ওই বিভ্রান্তির মধ্যে কিন্তু আমরা নিমজ্জিত আর ফিতনাটা এত বেশি জটিল জিনিস যে নবী মুহাম্মদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মানুষ ফিতনার মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে পরিস্থিতিটা এমন হবে যে সকালে মুমিন সন্ধ্যা হতে হতে কাফের সকালে মুমিন সন্ধ্যা হতে হতে কাফের সন্ধ্যায় মুমিন সকাল হতে হতে কাফের হয়ে যাবে পরিস্থিতিটা এমন হবে মানুষ কোনটা হক কোনটা বাতিল এটা নির্ণয় করতে পারবে না মানুষ এতটা বেশি বিভ্রান্তির মধ্যে সমস্যার মধ্যে নিমজ্জিত হবে এবং বর্তমান অবস্থাটা এমন হয়েছে যে আমরা কার পক্ষে যাব।

                                                           

শিয়া হুসিরা একদিকে হামলা করছে। আর তাদের বিরুদ্ধে ইয়ামেনের শাসক গোষ্ঠী সাথে সৌদি সরকার হামলা করছে। আমাদেরকে একটা গোলক ধাধার মধ্যে কিন্তু ফেলে রেখেছে। আমরা অধিকাংশ মুসলিম আজকে এমন একটা পক্ষের অবস্থানে নিয়েছি। পক্ষের এমন একটা পক্ষের পক্ষে আমরা গেছি বা মত দিচ্ছি লিখতেছি বলতেছি মন্তব্য করছি হয়তো কোরআন এবং হাদিসের আলোকে এমন হচ্ছে যে আমার হয়তো ঈমান চলে আসছে কারণ হয়তো আমি ঈমান শূন্য হয়ে যাচ্ছি কিন্তু আমি গুনাহ করে ভাবছি না যে আমি যে পক্ষবণ করছি যার সেটা কে তারা কি তারা আদম মুসলিম তারা কোরআন এবং হাদিসের আলোকে মুসলিম কিনা তারা ঈমানদার কিনা তারা কাফের না মুসলিম এটা আমরা নির্ণয় করতে পারছি না কিন্তু ইসলামের একটা তো বিষয় আছে নাফিদুল ঈমান বা ঈমান ভঙ্গের একটা পয়েন্ট হল কি আপনি যদি একজন কাফেরকে জানলেন যে কাফের কিন্তু আপনি তার পক্ষে তাকে কাফের মনে করছেন না বা কাফের বলতে আপনার দ্বিধা হয় সংশয় হয় দ্বিধাবদের মধ্যে ভুগতেছেন তাহলে মনে রাখবেন যে আপনার ঈমান ভেঙ্গে গেছে ঈমান নাই এজন্য নিজের ঈমানের দাবি হল যে যে কাফের তাকে কাফেরই বলতে হবে যে ব্যক্তি কাফের তাকে কাফেরই বলতে হবে তাকে মুসলিম বলার কোন সুযোগ নাই কোন মুসলিম বা মুমিন ওই ব্যক্তি পক্ষ অবলম্বন করতেই পারে না।

                                                           

ইসলামের বিরাট একটা অংশ জুড়ে রয়েছে মুনাফিকদের বিষয়টা। যেটা আল্লাহর নবী মুহাম্মাদুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ থেকেই আসছিল। তারা বাহ্যিকভাবে মুসলিম ছিল। যেমন আব্দুল্লাহ ইবনে উবা ইবনে সুল এবং তার সঙ্গী সাথীরা মদিনায় বসে আল্লাহর নবী মুহাম্মাদুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুদের বিরুদ্ধে তারা বিষদ কর তারা শত্রু মনে করত বরং মুসলমানদের আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের এবং সাহাবীদের ক্ষতি করতে পারাটাকে তারা নিজেদের অনেক বড় সাফল্যের বিষয় মনে করত মুনাফিকরা কিন্তু আল্লাহর নবীর যুগে যখন কোরআন থেকে আসমান থেকে ওহী নাযিল হচ্ছে কোরআনে আয়াত নাজিল হচ্ছে ওই সময় বসে যার উপর নাজিল হচ্ছে তার কাছে বসবাস করে তার পিছনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেও নবী মুহাম্মাদুর রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের উপর বিরোধ তার বিরোধিতা করছে সাহাবীদের বিরোধিতা করছে তাহলে আপনি কিভাবে নির্ণয় করবেন মুমিন আর মুনাফিককে আপনি বাচাই করবেন করে অনেক বড় কঠিন বিষয় কিন্তু অথচ আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত তাদের ব্যাপারে আয়াত

                                                           

নাযিল করেছেন গোটা একটা সূরাকে নাযিল করেছেন আল্লাহ সুবহাতালা সূরা বাকারার প্রথমে আপনি দেখবেন মুমিনদের পরে কাদের আলোচনা করছেন কাফেরদের তারপরে মুনাফেকদের এই বিষয়টা আমরা বুঝতেই চাই না যে একটা লোক দাড়ি আছে, টুপি আছে, জুব্বা আছে, নামাজ পড়ে কিংবা নামাজ পড়ার দাবি করে, ভান করে ও কেমন করে মুনাফেক বা কাফের হতে পারে? আর বিষয়টা আমরা ভালো করে জানি যে মুনাফেকরা কি? কাফের মুশরিকদের চাইতেও খারাপ। কাফের মুশরিকদের চাইতেও ডেঞ্জারাস। মুসলমানদের জন্য ক্ষতিকারক হল সবচাইতে বেশি মুনাফিকরা। কিন্তু মুনাফেক আবার ইহুদি না। মুনাফেক কিন্তু খ্রিস্টান না। আমরা এই জায়গায় ভুল করি। আর এই কারণে আজকে মুসলমানদের ভিতরে ফেতনা তৈরিকারী মুসলমানদেরকে নিধন যারা সবসময় কামনা করে মুসলমানদের সাথে শত্রুতা যারা সবসময় আশা করে মুসলমানদের পতনকে যারা সবসময় আশা করে বা মুসলমানদের পতন ঘটানোর জন্য যারা সার্বক্ষণিক চেষ্টা করছে তারা কারা? তারা হল শিয়ারা।

                                                           

ওই মুনাফেক মুনাফেকের যদি আপনি বলেন আপডেট ভার্সন হল সেটা হল শিয়ারা কথাটা বুঝেছেন পরিষ্কার বিষয় এটা কিন্তু আমাদের বিষয়টা হয়েছে কি আমরা এই ফেতনা থেকে বের হতে পারি না কারণ আমাদের এ বিষয়ে নলেজ নাই জ্ঞান নাই যে মুমিনকে আর কাফেরকে মুনাফেকে এই বিষয়টা সম্পর্কে আমাদের নলেজ না থাকার কারণ না থাকার কারণে আমরা নির্ণয় করতে পারি। আর এই কারণে আমরা কি করছি? হাজার হাজার মাইল দূর থেকেও নিজের ঈমানটাকে নষ্ট করে দিচ্ছি। নিজের ঈমানকে ধ্বংস করে দিচ্ছি। প্রিয় দনি ভাইয়েরা তো এটা একটা বড় ফেতনার মধ্যে আমরা রয়েছি। বড় ফেতনার মধ্যে মানে বিভ্রান্তির মধ্যে। আর এই জিনিসটাকে বর্তমানের আধুনিক যুগের আপডেট ভার্সনের শিয়ারা কাজে লাগাচ্ছে আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি আমাদের আবেগ জ্ঞানবিহীন এলেম বিহীন আবেগকে তারা কাজে লাগিয়ে আজকে আমাদের ঈমানকে লুটে নিচ্ছে আমরা বুঝতে পারি নাই খুব দুঃখ লাগে আপনি যদি ইন্টারনেটে ঢুকেন দেখবেন যে এই মুনাফিকদের সাপোর্ট করছে আর মুমিনদেরকে গালাগালি করছে।

                                                           

অথচ মুনাফিকরা কত ডেঞ্জারাস কত খারাপ যে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত কি বলেছে মনাফ মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করবে। এর মানে কি? কাফের মুশরিক ইহুদি নাসারা তাদের জাহান্নামে থাকার কোয়ালিটিটা মুনাফিকদের চাইতে উন্নত হবে আর সবচাইতে জঘন্য কোয়ালিটির জাহান্নামী হল মুনাফিকরা ওরা কিন্তু ইহুদি না ওরা কিন্তু নাসারা না ওরা কিন্তু মুসলিম ছদ্দবেশী ছদ্দবেশী মুসলিম মুখোশধারী মুসলিম যার যদি আপনি চিনতে চান সেটা হল ইরানের শিয়া ইস আশারিয়া এবং খুব আফসোস লাগে মুসলিম আমি জ্ঞান রাখি না এলেম রাখি না এখান থেকে আমি বলছি যে না ওরা ঠিক আছে সৌদি ধ্বংস হয়ে যাক হয়ে যাক সৌদি রাজবংশ ধ্বংস হয়ে যাক এখান থেকে আমরা বদ্ধ করছি কার পক্ষে অবলম্বন করব এটাই আমি জানি খুব আফসোস লাগে খুব দুঃখ লাগে আপনি দেখেন ইতিহাস দেখেন শিয়ারা কি করেছে শিয়ারা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদেরকে হত্যা করার মাধ্যমে কিন্তু এ দুনিয়াতে তাদের আবিষ্কার হয়েছে।

                                                           

তিনি উসমান বিন আফফান রাদিয়াল্লাহু মুসলমানদের তৃতীয় খলিফা কারা হত্যা করেছিল বলেন তো শিয়াদেরই পূর্বপুরুষ আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা আইহু আমি আজকে আল বেদা ইতিহাস পড়তে যে আরেকটা তথ্য পেলাম যে ৩১৭ হিজরীর দিকে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের মৃত্যুর প্রায় ৩০০ বছর পরের ঘটনা আবু তাহের কাররামিয়া নামক শিয়া মক্কায় হাজীদের উপর হজ করা অবস্থায় হামলা করেছিল এবং হামলা করে প্রায় ৩ হাজার হাজীকে তারা হত্যা করেছিল হাজার হাজার হাজীকে হত্যা করে জমজম কুপে নিক্ষেপ করেছিল রক্তাক্ত করেছিল এ কাবাকে বাইতুল্লাহকে আবু তাহের কেরামে কি ছিল শিয়া ছিল এবং এই ছিল হিজর নামক অঞ্চলের অর্থাৎ বাহরাইন এবং তার তৎসংলগ্ন এলাকার শাসক ছিল এবং তার সম্পর্ক ছিল এমন একজন লোকের সাথে তার নাম হল আমির আব্দুল্লাহ ইবনে মাইমুন কাদা আল ইহুদি এই ছিল ইহুদি একবারে স্পষ্টভাবে তার বিষয়ে বর্ণনা এসেছে আলবিদাহার মধ্যে এ কি করেছিল এ ছিল মিশর এবং আশপাশের এলাকা ইহুদি থেকে মুসলিম নামধন ইসলাম কবুল করে আর ওযে মুনাফিকের

                                                           

মত আব্দুল্লাহ ইবনে ইবনে তারপরে সে কি তার পূর্বপুরুষ সম্পর্কে যেহেতু জানে মানুষ এখানে সুবিধা করতে পারেনি তখন সে এ মিশর অঞ্চল এলাকা ছেড়ে দিয়ে চলে যায় কোথায় আফ্রিকা অঞ্চলে আফ্রিকা অঞ্চলে যে সে রাজত্ব কায়েম করে এবং তার শিষ্য ছিল আবু তাহের কারাম এই শিয়া আপনি যদি ইতিহাসের কথা বলেন বর্তমানে আবে প্রজন্মের কাছে আপনাকে কি বলবে জানেন আমরা এগ শুনতে চাই ইতিহাস দরকার নাই আমরা এখন দেখতে চাই যে ইসরাইলের বিরুদ্ধে কে কথা বলছে কিন্তু আপনি জানেন এ মুনাফিক শিয়ারা কি করেছে গাজার জন্য কোন কিছু করেছে কিছু করে নাই কোন অর্থনৈতিক সাপোর্ট দিয়েছে না মৌখিক শুধু সাপোর্ট এবং তারা এটা বিশ্বাস করে যে বাইতুল মাকদিস যেটা ওমর বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু যুগে বিজয়ী হয়েছিল মুসলমানদের আন্ডারে এসেছিল তারা বাইতুল মাকদিসকে একটা ভাগার মনে করে বুঝতে পেরেছেন আবর্জনার জায়গা মনে করে ডাস্টবিন মনে করে এবং তার প্রকাশ্যভাবে বলছে ওদের বক্তব্য আছে ইন্টারনেটে আপনি দেখেন প্রকাশ্যভাবে বলছে যে এটার

                                                           

সাথে আমাদের কি সম্পর্ক সেটা তো একটা ডাস্ট নাউজুবিল্লাহ আপনি চিন্তা করতে পারেন তাহলে ফিলিস্তিনের পক্ষে তারা কেন দাঁড়াবে হুজুরকে বাঙালির আবেগকে তারা কাজে লাগিয়ে কাজ করেছে কয়েক বছর আগে আপনারা দেখেছেন যে এ হামাসের প্রতিষ্ঠাতা ইসমাইল হানিয়াকে ইরানের তেহরানে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করেছে একজন একজন রাষ্ট্রীয় অতিথিকে ইহুদিরা ইসরাইল হত্যা করেছে এটা প্রচার হয়েছে কিন্তু আপনি বলেন আপনার বাড়িতে এসে যদি একজন মেহমান নিহত হয় হত্যার শিকার হয় দায় কাকে নিতে হবে আপনার বাড়িওয়ালাকে নাইর কাজটা করেছে এবং পুরাপুরি হামাসকে ধ্বংস করে দিয়েছে এখন ধ্বংস ওরা কদিন আগে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে ওদের তো ওরা কখনো মুসলমানের বন্ধু নয় প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা ওদের হাত রঞ্জিত মুসলমানদের রক্তে কখনো তারা ইহুদি নাসারাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি বরং তারা ইহুদি নাসারাদের যোগ সাজসে মুসলমানকে নিধন করেছে ২০১১ সালে ২০০৩ সালে আমেরিকার সাথে হাত মিলিয়ে শিয়ারা সুন্নি রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচুত করে কুরবানির দিন মুসলমানদের কুরবানির দিন তাকে ফাঁসিতে ঝুলিছে এইদিয়া যান লাখ

                                                           

লাখ মুসলমানকে তারা হত্যা করেছে লাখ লাখ সুন্নি মুসলমান নারীদেরকে তারা ধর্ষণ করেছে এগুলা আমরা ইতিহাস জানিনা একজন ব্লগার কে দেখবেন সম্ভবত মাসুদ নাম ও কিন্তু সিরিয়া ভ্রমণ করেছে এবং শিয়া ইরানের একবারে স্পষ্ট মতদে সোলাইমান আল কাসম সোলাইমান কাসিমের নেতৃত্বে ইরাকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কে হত্যার যোগ্যটা চালাইছে আপনি কল্পনা করতে পারবেন না এবং এত বেশি সিরিয়া এবং ইরাকে এত বেশি মুসলমান হত্যা করেছে যা এখন পর্যন্ত ইসরাইলের ইহুদের কিন্তু ওই পর্যন্ত অতগুলো মানুষ হত্যা করেনি প্রায় ৪০ থেকে ৪৬ লক্ষ ৪০ থেকে ৪৬ লক্ষ মুসলমানকে হত্যা করেছে শিয়ারা আপনি চিন্তা করতে পারেন অথচ আমি আপনি এখান থেকে তাদের সাপোর্ট করছি ওদের পক্ষে কথা বলছি ইতিহাসও জানতে চাই না এ বিষয়ে কথাও বলা পছন্দ করি না কেউ বললে এটাকে সহ্য আমরা করি কেমন কথা ভাই তাহলে এই যে ইসলামের মধ্যে মুনাফেকদের কেন আবির্ভাব হল কেন সূরা আল মুনাফেকুন নাযিল হল একটু চিন্তা করেন না পৃথিবীর সেরা মানুষ সেরা ব্যক্তিত্ব মুহাম্মাদুর

                                                           

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করতে বাদ দেয়নি আল্লাহ নবীকে হত্যার তারা ষড়যন্ত্র করেছিল মুনাফিকরা শিয়াদের পুরোপুরুষরা সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কষ্ট দেওয়া তারা নেকির কাজ মনে করত আজব বর্তমানের শিয়ারা এই আকিদা পোষণ করে যে কোন মুসলমানকে যদি হত্যা করতে পারি তাহলে একজন ইহুদি নাসারাকে হত্যা করার চাইতে দ্বিগুন নেকি পাওয়া যাবে নাউজুবিল্লাহ এটা বানিয়ে বলছি না এটা তাদের মুখের ভাষা আবু বকর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একজন শিয়া আলেম বলতেছে যেবার মানে কি মানে ইহুবাদ ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আবু বকরের চাইতে হলে শ্রেষ্ঠ একবার এই ভাষা ব্যবহার করছে আবু বকর ওমর রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুকে তারা কাফের মনে করে অথচ আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত তাদের পক্ষে সাহাবা রাদিয়াল্লাহু পক্ষে কোরআনুল কারীমে ভুরি ভুরি আয়াত নাজিল করেছেন রাদিয়াল্লাহু আল্লাহতালা ঘোষণা করেছেন সাহাবাদের ব্যাপারে যে আমি আল্লাহ তাদের উপর সন্তুষ্ট হয়ে গেছি এবং তারাও আমি আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট হয়ে গেছে এটা হচ্ছে মর্যাদা প্রতিদান ওই ব্যক্তিদের জন্য যারা তাদের রবকে ভয় করে।

                                                           

আর এই শিয়ারা বলতেছে এরা হল খারাপ, এরা হল কাফের, এরা হল মুরতাদ। শুধু আলী রাদিয়াল্লাহু ভালো। বাদবাকি সব কাফের। আশ্চর্য। তারপরেও আমরা বলছি যে এরা মুসলমান। আল্লাহ বলছেন যে এরা শ্রেষ্ঠ। এদের উপর আমি রাজি খুশি হয়ে গেছি। আর এই উম্মার মুনাফিকরা আব্দুল্লাহ ইবনে উবা ইবনে সলের উত্তরসরী বলার হল নিকৃষ্ট হুশিদের এটাই আকিদা খুশিদের আকিদা পড়েছেন জানেন ধর্ম বিশ্বাস আকিদা অনেকের আবার এলার্জি আছে ধর্মীয় বিশ্বাস ধর্মীয় বিশ্বাস হল এগুলো যে তারা আবু বকর ওমর ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু আজমাইনকে তারা কাফের মনে করে তারা মা আয়েশাকে মুমিনদের মা আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী তাকে কাফের মনে করে তাকে ব্যভিচারী বলে নাউজুবিল্লাহ জালিক তাদের টার্গেট হল যে কোন মূল্যে মক্কা মদিনার দখল করে বাকি গোরস্থান থেকে মা আয়েশার কবর থেকে তার লাশকে উত্তরণ করে তারা রজম কায়েম করবে নাউজুবিল্লাহ আপনি চিন্তা করতে পারেন এরা হল শিয়া কিন্তু আমরা যে ফেতনায় পড়ে আছি ফেতনার মধ্যে নিমজ্জিত আছি কেমন করে

                                                           

আমরা এদেরকে বলব কাফের কেমন করে এদেরকে বলব যে এরা খারাপ আমি বলি আপনাদের আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সুহের পাগড়ি ছিল অনেক বড় জুব্বাটা ছিল খুব সুন্দর এই খমিনীর চাইতেও বেশি সুন্দর তার বেশভূষা তার মুখের ভাষা ছিল কত সুন্দর আল্লাহ রাব্বুল ইজ সূরা আল মুনাফিকুনের মধ্যে বিস্তারিত বলে দিয়েছে হ্যা তাদের কথা ছিল এতটা আকর্ষণীয় এতটা মার্জিত ভালোবাসায় পরিপূর্ণ যে আল্লাহ নবী বিভ্রান্তিতে পড়ে যেতে মনাফদের আজকে আমরা ৯০ মুনাফেক শিয়াদের ব্যাপারে এরকম বিভ্রান্তির মধ্যে আছি প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা বড় ফেতনা কিন্তু বড় ফেতনা এ শিয়ারা আব্রাহার পরে আব্রাহা কে ছিল? খ্রিস্টান ছিল। বাইতুল্লাহ হামলা করেছিল। সে খ্রিস্টান ছিল।

                                                           

কিন্তু আবু তাহের কাররামে শিয়া উকে ছিল। ও নাম এই যে নাম সর্বোচ্চ মুনাফেক ছিল। মুসলিম নামধারী। শিয়া। সেই বাইতুল্লাহ এটা তো একটু আগেই বললাম। আল বিদায় নেহা দেখবেন ৩১৭ হিজরীর কাহিনী সে হামলা করে হাজার হাজার হাজী সাহেবদেরকে হত্যা করেছিল বায়তুল্লাহ রক্ত প্রবাহিত করেছিল শত শত হাজীকে জমজম কুপে হত্যা করে ফেলেছিল এবং শুধু তাই নয় বায়তুল্লাহকে ভাঙচুর করে হাজরে আসওয়াদকে সে ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেছিল ২২ বছর হাজী সাহেবরা বায়তুল্লাহ হজ করেছে হাজরে আসওয়াদ ছাড়া ইতিহাস দেখেন সারা দুনিয়ার গৃহীত এবং বিশ্বস্ত ইতিহাস গ্রন্থ আল বিদায়া নেহায়াতে দেখবেন এটা তো ফেলে দেওয়ার বিষয় নাকি এটা কি বাংলাদেশি সুন্নি মুসলমানদের তৈরি করা সৌদি আরবে মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় পড়া শায়েখদের শায়েখদের সহ্য করা বেদাতিরা মুনাফিকরা কি একটা অবস্থা আপনি চিন্তা করতে পারবেন না।

                                                           

তারপরে ১৯৮৭ সালের দিকে এ শিয়ারায় কিন্তু হামলা করেছিল। প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ ব্যক্তি সেদিন শহীদ হয়। বাইতুল্লাহ এটা চরিত্র স্বভাব হুজিরা যে এখন বাইতুল্লাহ হামলা করছে সৌদি আরব বিবৃতি দিচ্ছে যে আমরা এটাকে ঠেকিয়ে দিয়েছি এবং মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ যে সরবরাহ করে ট্রান্সমিটারে বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে হামলা করে অলরেডি সেটাকে ধ্বংস করেছে এশিয়া খুশিরা এটা তো জানি নাকি আমরা অনেকে মিজল হামলা করেছিল ওটা প্রতিহত করেছে কারণ সৌদি সরকারের কাছে নিজের রাজধানীর চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল মসজিদুল হারাম এবং মসজিদে নবী এবং এই কারণে উনি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তারা কায়েম করে রেখেছে আর ওটার মাধ্যমে প্রতিহত করেছে বাংলাদেশের মিডিয়া কি বলছে জানেন যে সৌদি সরকার এটা দাবি করেছে হুজিরা এটাকে প্রত্যাখ্যান করেছে হুজরা বলছে হামলা করি আমাদের দুঃখজনক হলো কি জানেন আমাদের দেশের মিডিয়া ইসলাম বিদ্বেষী প্রথম কথা হলো কি ইসলাম বিদ্বেষী এটাতে একমত হবেন না ইসলাম বিদ্বেষী মুসলমান বিদ্বেষী তো স্বাভাবিকভাবে সৌদি আরবের বিদ্বেষী এরা হবে না তো কার বিদ্বেষী হবে বলেন এরা হল মুশরিকদের পাঁচ আটা বাংলাদেশের মিডিয়া তারপরে পাঁচ আটা হলো মুনাফিকদের এশিয়া মুনাফিকদের এজন্য দেখবেন আমাদের মিডিয়াতে দেখবেন যে সৌদি আরব একবারে ধ্বংস হয়ে গেছে।

                                                           

হুসিরা দখলে নিয়ে নিয়েছে প্রায়। আমাদের বাংলাদেশী মিডিয়া গুলো এভাবে প্রচার করছে। যে সৌদি আরব হুসিরা প্রায় দখল করে নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা কি? হুশিরা এখন ধ্বংসের মুখোমুখী। হুসি শিয়ারা হল খারেজি। বুঝতে পেরেছেন? প্রথম কথা হল যে এরা শিয়া মুনাফেক। দ্বিতীয় কথা হলো যে এরা সুন্নি শাসক আব্দুল আল সলেহকে হটিয়ে সরিয়ে তারা ইয়ামানের রাজধানী সানা দখল করেছে এরাই যদি মনে করেন এই কোয়ালিটির মানুষ বাংলাদেশের ঢাকা রাজধানী দখল করত তখন কি বলতো জঙ্গি বুঝতে পেরেছেন এ মিডিয়া কিন্তু বল আর এখন মুসলিম প্রধান দেশ এমনকে দখল করে নিয়েছে রাজধানীকে দখল নিয়ে এদেরকে বীরের মর্যাদা দিছে চিন্তা করেছেন এ হল আমাদের দ্বিমুখী আমাদের মিডিয়া দ্বিমুখীতা তো এরা হল সন্ত্রাসী জঙ্গী এ পরিচয় আপনি বলেন রাজধানী দখল করে নিয়েছে এটাকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য যদি এমান সরকার বৈধ এমন সরকার যদি সৌদি আরবের সাহায্য নেয় এটা কি অন্যায় কেমন এটা অন্যায় হয় ভাই তো দুঃখজনক জানেন আমাদের দেশের মিডিয়া এতটা নিকৃষ্ট পাশাপাশি

                                                           

আমাদের অধিকাংশ জনগণ যুবকরা এতটাই আবেগ প্রমণ এবং নিকৃষ্ট যে তারা নিজেদের ভালোটাই জানে না সৌদি আরবে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ বাংলাদেশী চাকরি করে বাংলাদেশে রেমিটেন্স পাঠায় যদি সৌদির কিছু হয় তাহলে এ লোক গুলো কি হবে যারা মোটামুটি বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পর্কে জানেন তারা অবশ্যই জানেন যে দুইটা খাত রয়েল। আমাদের দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি হল দুইটা। একটা হল প্রবাসীদের রেমিটেন্স আরেকটা হল গার্মেন্ট শিল্প। প্রবাসীদের যদি রেমিটেন্স যদি বন্ধ হয়ে যায় ধ্বংস হয়ে যায় তখন কি হবে বলেন? আসলে দুঃখজনক হল কি? আমরা জাতেই হলাম নিমক হারাম জাতি।

                                                           

এটা খুবই দুঃখজনক জানেন? আমরা জাতিগতভাবেই হলাম নিমক হারাম খুব দুঃখ লাগে কিন্তু এটা কিভাবে আপনি বুঝাবেন একটুকু চিন্তা করেন একটুকু এটা ভাবে না যে আমাদের এই দেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড যদি সৌদির কিছু হয় ধ্বংস হয়ে যাবে একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবে এবং এই দেশের ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ নাকি ৭৪ তো দুর্ভিক্ষ যেমন ছিল ওই দুর্ভিক্ষ নেমে আসবে এরা ভাবেই না এ নিমক হারাম অজ্ঞ জাহেল সম্প্রদায়কে বুঝাবে কি যে দুর্ভিক্ষ নেমে আসবে যদি এরকমটা হয় প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তাছাড়া সৌদি আরব হল মসজিদুল হারাম মসজিদে নবাবীর জায়গা হারাম যেখানে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত এমনভাবে ফেরেশতাদেরকে সেট করে রেখেছেন যে সেখানে দাজ্জালও প্রবেশ করতে পারবে না দাজ্জাল এই পৃথিবীর সবচাইতে বড় ফেতনার কারণ ওই দাজ্জাল সারা দুনিয়ায় ঘুরে বিভ্রান্ত করবে মানুষকে পথভ্রষ্ট করবে কিন্তু মক্কা মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না এ মক্কা মদিনার ধারকবাহক খাদেম সেবক হল সৌদি আরবের সরকার তাদের ভুল ত্রুটি আছে এটা আমরা স্বীকার করি বলি কিন্তু আপনি বলেন

                                                           

তাদের মত ইসলামের সেবক পৃথিবীর আর কোন মুসলিম দেশ আপনি বলেন দেখান সেই দেশে রাষ্ট্রীয় আইন আছে একটাই সেটা হল কি কোরআন আর তো কোন আইন নাই নাকি না ব্রিটিশদের আইন আছে নাই গত দুইদিন আগে বাংলাদেশী দুইজন ব্যভিচারী নারী পুরুষের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে কারণ তারা মক্কার মধ্যে মসজিদের ভিতরে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছিল বাংলাদেশী দুইটা যুবক-যুবতী পরে তাদেরকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে এবং কার্যকর করা হয়েছে। মিডিয়া দেখবেন বাংলাদেশে যে এত ধর্ষণ এত অনৈতিক এত খারাপই ঘটছে এগুলোর কিছু বিষয়ই নাই। এ ধর্ষণের মূল কারণ কি? বিচার নাই। ব্যভিচার বেড়ে যাওয়ার কারণ কি? ব্যভিচারের বিচার নাই।

                                                           

কিন্তু সৌদি আরব আজও এমন পৃথিবীতে রাষ্ট্র একমাত্র এবং শুধুমাত্র রাষ্ট্র যাদের আইন ব্যবস্থাই হল কোরআন আর কিছু কোরআন এবং হাদিস তারা এটা কার্যকর করছে হিউম্যান রাইটস অনেকে প্রতিবাদ করছে বলছে কিন্তু সৌদি আরব এখানে অটল সৌদি বাদশাদেরকে দোষারোপ করা আপনি বলেন আজ পর্যন্ত কি বাদশা সালমানের স্ত্রীর ছবি দেখেছেন বাদশা সালমানের মেয়ের ছবি দেখা যায় মোহাম্মদ বিন সালমানের স্ত্রীর ছবি দেখা যায়? দেখা যায় কোথায় জানেন? এ আই এ কিন্তু বাস্তবে নাই। অথচ দেখেন দুবাইয়ের বউ বাচ্চা সবাই ছবি দেখা যায়। একবারে উলঙ্গ দুবাইয়ের শাসক। কিন্তু তারপরেও এদেরকে বলা হয় না ইহুদিদের দালাল। সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের এমন একটি রাষ্ট্র যেই রাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ইসরাইলের সাথে কোন সম্পর্ক করেনি।

                                                           

অথচ দেখেন দুবাই অর্থাৎ আরব আমিরাত বাহরাইন, মরক্কো, আলজেরিয়া এই রাষ্ট্রগুলো সম্পর্ক রেখেছে। কাতার রেখেছে গোপনে। সৌদি আরব প্রকাশ্যভাবে ঘোষণা করেছে যতদিন পর্যন্ত স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত না হবে ততদিন পর্যন্ত ইহুদিবাদী ইসরাইলের সাথে কোন সম্পর্ক স্বাভাবিক করব না বলে দিয়েছে এটা বারবার বলছে জাতিসংঘে বলছে সংবাদ মাধ্যমে বলছে কিন্তু আমাদের ওই যে মুশরিকদের পা চাটা মিডিয়া এটাকে প্রচার না করে উল্টা করে যে ওই একটা মিথ্যা খবর ছড়ায় গুজব ওটাকে ওরা হাইলাইট করে ভাইরাল করে ওই সংবাদটা সৌদি আরবের মানে মিডিয়া বা আমাদের যুবক শ্রেণী যারা যে আবেগের পিছে ঘুরে বেড়ায় এদেরকে দেখে মনে হয় যেন পৃথিবীর নিকৃষ্ট রাষ্ট্র হল সৌদি আরব একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব বলতেছে যে আমি চাই যে এই সৌদি আরবের পতন হোক নাউজুবিল্লাহ বাংলাদেশে এবং একজন দুইজন না বহু মানুষ এরকম রয়েছে যারা তারা এটা চায়।

                                                           

এজন্য দেখবেন যে হুসিদেরকে মানে হুশি শিয়াদেরকে বীর হিসেবে উপস্থাপন করছে। অথচ হুশি শিয়ারা ২০১১ সাল পরবর্তীতে যখন সানা দখল করে নেয় সমতে সানাকে যখন দখল করে নেয় ইয়ামানের রাজধানী তখন ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায় এবং মুসলমানদের মসজিদ মাদ্রাসাকে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়। এই হুসিরা এগুলো তো আমরা জানিনা হাজার হাজার সুন্নি মুসলমানকে তারা হত্যা করে সুন্নি নারীদেরকে তারা ধর্ষণ করে এই হুসিরা যাদের জন্য আমরা আজকে পাগল হয়ে থাকি কিন্তু এগুলো আমরা বলি না আমরা এগুলো ওদের দোষের কথা বলি না যত দোষ সব সৌদি আরবের প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা ওই যে আমরা আবেগে ছুটা মানুষ এবং সেটাকে আমরা পুঁজি আপনি দেখবেন মধ্যপ্রাচ্যে যতগুলো অশান্তি সব পিছনে ইরান শিয়া দায়ী সিরিয়াকে হাফিজ আল আসাদ শিয়া দখল করেছিল বাশার আল আসাদের বাবা সেনাপুক ইয়ামানও ঠিক তেমনি ঘটনা ঘটেছিল ৬০ দশকের দিকে বাহরাইনে কয়েকবার তারা বাহরাইন রাষ্ট্রটিকে দখল করতে চেয়েছিল পারেনি সৌদির কারণ তারা এমনকে কে কোনভাবে তো দখল করিয়ে আছে।

                                                           

লেবাননকে দখল করে আছে। সেখানে হিজবুল্লাহ সক্রিয়। তো এরা এককটা হল মধ্যপ্রাচ্যের বিস্ফোরণ। এরা অশান্তির মূল কারণ। মধ্যপ্রাচ্যে মুসলিমরা হল এদের মূল টার্গেট। আমি আরেকটু স্পষ্ট করে দি। মিডিয়ার মাধ্যমে আপনারা জেনেছেন গত মাসের হুশিদের বিরুদ্ধে যখন সৌদি হামলা চালালো তখন হুসিরা ঘোষণা করল বাবা আলমানদের বিমান এই বন্দর দিয়ে সৌদি ছাড়া ইসরাইল আমেরিকা সহ যত জাহাজ আছে সবাই যেতে পারবে আসতে পারে সমস্যা নাই শুধু সৌদি পারবে না আরে ভাই ওরা ওরা কি তোমার দুশমন না আবার অনেকে বলে যে হুজরাতো যখন গাজার উপর হামলা করেছে ত মিসাইল ছুড়েছে মিসাইল মিসাইল ছুড়েছে আচ্ছা মিজাইল যদি ফুটতেই পারে তাদের ক্ষতি করতে পারে বন্ধ করল কেন গাজার মুসলিমদের মুক্ত করল না কেন মাটির সাথে একটা জনগোষ্ঠীকে একটা জনবহুল এলাকাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হল সবাই তোরা মুসলমান ছিল ইরানের শক্তি আছে হসদের যদি এত শক্তি থাকে তাহলে কেন হলো না আসলে আমরা আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো বুঝি এর আগে যতগুলো যুদ্ধ হয়েছে ইসরাইলের

                                                           

সাথে প্রায় তিনটা যুদ্ধে সৌদি আরব নেতৃত্ব দিয়েছে বাদশাহ সালমান সৈনিকদের অর্থাৎ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে তিনটা যুদ্ধ হয়েছিল ঐতিহাসিক যুদ্ধ এই যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল সৌদি আরব আরবদের সাথে যখন যুদ্ধ হয় সৌদি আরব সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে বাদশা সালমান তখন যুবক সে ছিল একেবারে সবার সমন্বয় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে এই যুদ্ধে বর্তমানে বাদশা ইরান কয়টা যুদ্ধা করেছে আপনি অবাক হবেন যে ওই তিনটা যুদ্ধে মুসলিমরা মূলত পরাজিত হয়েছে ইরানের সহযোগিতার কারণে ইরান পুরাপুরিভাবে ইসরাইলকে তখন গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে আরবদেরকে ধ্বংসের ব্যাপারে সব ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করেছে এটা আপনারা জানেন ইরাকের সাদ্দাম হোসেনের পারমাণবিক প্লান্টকে ধ্বংস করেছে কারা? এই ইরান এই ইরান সে ধ্বংস করেছে।

                                                           

ইসরাইল প্রথমে বম্বিং করেছিল পারেনি। পরে নিখুত তথ্য দেয় যে অমুক জায়গায় এটা আছে। এটা আমরা জানি। ছবি সরবরাহ করে নিখুত আক্রমণ করে সাদ্দাম হোসেনের পারমাণবিক প্লান্টকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ কাজ কি করে? মুসলমানরা করে নাকি? মুসলিম মুসলিমকে সহযোগিতা করবে। এটাতো কিন্তু এরা কেমন মুসলিম যারা সারা জীবন ইহুদি খ্রিস্টানদের সহযোগিতা করেছে সিরিয়াকে ধ্বংস করেছে রাশিয়ার সহযোগিতায় আমরা তখন বলি না যে ইরান বা বাশার আল আসাদ শিয়া হল কি বলে রাশিয়ার দালাল বলেছি আমরা আমাদের মিডিয়া বলে ২০০৩ সালে যখন সাদ্দাম হোসেনকে হটালো আমেরিকার মাধ্যমে এই ইরানি শিয়ারা আমরা কি বলেছি বা আমাদের মিডিয়া কি বলেছে যে আমেরিকার দালাল হলো ইরান শিয়া ওলেন বুঝতে পেরেছেন কারণ হল কি জানেন ঐতিহাসিকভাবে শিয়া মুনাফিকরা ইহুদি নাসারাদের সহযোগী ঐতিহাসিকভাবে এদের কোন ইসলামের পক্ষে কোন অবদান নাই এরা এদের কাজই হলো সারাজীবন মুসলমানদেরকে পিছন থেকে ছুরি মারা আর সামনে থেকে বলে যে হ্যাঁ হ্যাঁ ভাই ঠিক আছে উড়িয়ে দিব ইসরাইলকে উড়িয়ে দিব

                                                           

কিন্তু এরা তো উড়ায় না প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা আমরা মুনাফিকদের চরিত্র জানি না যদি আমরা সূরা আল মুনাফিকুনের ভালো করে শিক্ষাটা যদি নেই তার তাফসীর তার ব্যাখ্যা তার সেখান থেকে বুঝ যদি আমরা নিতে পারি তাহলে মুনাফিকদের চিনতে পারবো প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো এই শিয়ারা সবসময় মুসলমানদের দুশমনি করেছে কোনদিন এরা সহযোগিতা করেনি। আমি এর আগেও এক বক্তব্যতে মনে হয় বলেছিলাম খুতবাতে যে উসমানী খেলাফত তাদের ত্রুটি বিচ্যুতি আছে ঠিকই কিন্তু সারা দুনিয়ার মুসলমানের একটা সুপার পাওয়ার ছিল তারা। কিন্তু আপনি জানেন কি ইতিহাস কি বলে? এ পারসকরা এ মাজুসি শিয়া মুনাফিকরা সারাজীবন উসমানি খেলাফতের বিরোধিতা করেছে। আপনি ইতিহাস পড়ে দেখেন।

                                                           

সোলাইমান আল কানুনী একটা নাটক প্রচারিত হয়েছে মনে হয় বাংলাদেশের টেলিভিশনে। এজন্য দেখবেন অনেকে জানে বাদশাহ সোলাইমান উনি কিন্তু পারস্বিকদের বিরুদ্ধে এশিয়াদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু তাদেরকে মূলত উৎপাতন উনি করতে পারতেন। কিন্তু উনি করেননি। কেন? নবী মুহাম্মাদুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কিন্তু করেননি। ইচ্ছা করলে মুনাফেক আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সলুল তার সঙ্গী সাথীদেরকে আল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু সলাম একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারতেন না পারতেন কিনা যেখানে আবু জাহাল সাহবা ধ্বংস করে দিয়েছিলেন বদরের যুদ্ধে ওহুদের যুদ্ধে ওদেরকে ধ্বংস করতে পেরেছিলেন আল্লাহ আবদুল্লাহ ইবনে কেন করেনি জানেন এর কারণ হল সে সব বেশি মুসলিম ছিল সে মসজিদে নবাবীতে নামাজ পড়তবা বাহ্যিকভাবে ঈমানকে প্রকাশ করত।

                                                           

ঠিক বর্তমানের শিয়া আয়াতুল্লাহ খুমিন সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। খুশি শিয়ারা এদের মতই ছিল সে। আব্দুল্লাহ ইবনে উবাসা সোলাইমান বাদশা সোলাইমান উনি ইচ্ছা করলে এদেরকে মূলত পাঠন করিতে পারতেন কারণ ওই সময় গোটা ইউরোপকে উনি দখলে নিয়েছিলেন। কিন্তু ঠিক তার পাশে থেকে যাওয়া বিস্ফর পারস্য রাষ্ট্র ইরানকে তিনি দখলে নেননি। কিছু ক্ষেত্রে তাকে শায়েস্তা করেছিলেন জাস্ট এতটুকু। কারণ ওই যে আমি আপনি যেমন আজকে বলতেছি সৌদি আরব হামলা করছে সৌদি আরবকে দোষারোপ করতেছে এতগুলো বিমান হামলা করে এতগুলো মানুষ হত্যা করছে এরা তো শিয়া এরা তো মুনাফিক এরা হত্যা যোগ্য কিন্তু এদেরকে সমলে নির্মল করা যায় না কারণ ঐতিহাসিকভাবে এরা এভাবেই মুসলমানদের ক্ষতি করে কিন্তু এদেরকে নির্মূল করতে গেলে ওদের সাপোর্টার যারা রয়েছে ওরা বলবে যে কি মুসলমানদের হত্যা করছে কথাটা পেয়েছেন ঠিক আল্লাহর নবী সাল্লাম যেমনটা করেছিলেন ওমর রাদিয়াল্লাহ একদিন তো বলে ফেলেন যে আল্লাহ রাসূ আমাকে আদেশ দিন এই মুনাফিকের গর্দান আমি উড়িয়ে দেব আল্লাহ বলছেন না এটা করা

                                                           

যাবে না কারণ অন্যরা বলবে যে দেখ মোহাম্মদ তার নিজের সাহাবী বা নিজের সাথীদেরকে হত্যা করছে কথাটা এ কারণে মুনাফিকরা বেঁচে আছে প্রিয় দনি ভাইয়েরা কোরআনে একটি আয়াত সূরা আল ইমরানের এ আয়াতটি আপনাদেরকে বলি আল্লাহতালা কি বলছেন যাদের অন্তরে রয়েছে বক্রতা টড়ামি বুঝতে পেরেছেন এরা কি করে তারা অনুসরণ করে কোন জিনিসের সংশয়পূর্ণ বিষয় সংশয়পূর্ণ বিষয় সেটা কোরআনের মুসাবা আয়াত হোক কিংবা মুসলমানদের সংশয়পূর্ণ কোন সমস্যা হোক সেটা তারা অনুসরণ করে সেটাকে তারা অগ্রাধিকার দেয় আল্লাহ তালা বলছেন ফিতনা এরা মূলত এটা করে ফেতনার আশায় মানুষকে পরীক্ষার মধ্যে ফেলার জন্য বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলার জন্য মূলত তারা কি সাদৃশ্যপূর্ণ তাসাব সংশয়পূর্ণ বিষয়গুলো তারা অনুসরণ করে থাকে তারপরে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত বলছেন আমি তোমাদেরকে ভালো মন্দের মাধ্যমে পরীক্ষা নিবজ এবং আমার কাছে তোমাদেরকে ফিরে আসতে হবে।

                                                           

প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা আমরা আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আ সাল্লামের সাহাবী হুজাইফাত ইবনে নেমান রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বিখ্যাত সাহাবী আল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু সাললামের গোয়েন্দা ছিলেন উনি আল্লাহ নবী সলাকে সবসময় এই উম্মার জন্য কি ক্ষতিকারক অনিষ্ট হবে এ জিনিসগুলো তিনি জিজ্ঞাসা করতেন আর হাদিসের মধ্যে দেখবেন হুজাইফা রাদি এই জিনিসগুলো তুলে ধরেছেন যে মুসলমানদের কি হবে তারা কোন অবস্থা থাকবে মুসলমানদের ক্ষতি কি হবে কোন কোন জিনিস ক্ষতি করবে এগুলো তিনি বর্ণনা করেছেন বিভিন্ন হাদিসের মধ্যে যাতে করে মুসলিম উম্মাহ ক্ষতিকারক জিনিস থেকে বেঁচে থাকতে পারে ক্ষতিকারক ফেতনা যেগুলো সেগুলো থেকে যেন বেঁচে থাকতে পারে প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা আমি কিছু ফেতনার কথা বলেছিলাম আমার আগের জুম্মার খুতবায় আজকে কিছু ফিতনা বলব দুই একটি খুব সংক্ষিপ্ত আকারে তার মধ্যে একটা বিষয় তো আলোচনা ইতিমধ্যে করলাম যে বর্তমান সিচুয়েশনের ফেতনা কিছু আধুনিক ফেতনার মধ্যে রয়েছে যেমন ইন্টারনেট ইন্টারনেট বা মোবাইল আজকে আমাদের বড় ফেতনার কারণে হয়েছে কারণে পরিণত হয়েছে আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেমন

                                                           

বিশ্বের সবকিছু সহজ হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে বলেন জ্ঞান বিজ্ঞানের বিষয়ে বলেন যেকোন বিষয়ে সহজ করে দিয়েছে কিন্তু এর পাশাপাশি অনেক ক্ষতি করে দিয়েছে সেটা হলো সময়কে নষ্ট করে দিচ্ছি স্বাস্থ্যকে নষ্ট করে দিচ্ছি এই দুইটা জিনিস যদি আমি করি তাহলে আপনি খেয়াল করবেন যে আজকে সময়কে কিভাবে নষ্ট করছে এক শ্রেণীর যুবকদেরকে দেখবেন এক শ্রেণী কেন বেশিরভাগ যুবকরা আজকে ইন্টারনেট এতটা বেশি আসক্ত যে তার সময় কোন দিক দিয়ে যায় সে খেয়ালই করে না। গেমস, চ্যাটিং, ফেসবুকিং, মেসেজিং, হ্যাপ, ইমো এত বেশি ব্যস্ত এরা থাকে যে এরা দুনিয়ার সাথে কোন সম্পর্ক রাখে না। খেয়ালই রাখে না। গেমসে এতটা বেশি আসক্ত এক যুবককে আমি দেখছি দুই হাতে রাবার পড়ে আছে।

                                                           

কারণ মোবাইল টিপার জন্য দেখেছেন তো? খেয়াল করেন। নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক এবং প্রত্যেকটা গেমস জুয়া বেশিরভাগই জুয়া এখান থেকে কিন্তু জুয়ার আসক্ত হচ্ছে আজকে যুব সমাজ টিকটক এ আসক্ত ব্লগে আসক্ত টিকটক এতটা বেশি আসক্ত যে এখন বাড়ি বাড়িতে টিকটক করতেছে স্বামী স্ত্রীতে টিকটক করছে মা ছেলে টিকটক করছে মা ছেলে বাপ মেয়ে সবাই মিলে টিকটক করছে মা ছেলেকে বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করছে টিকটক এর মাধ্যমে ছেলে মাকে বান্ধবী উপস্থাপন করছে ভাই বোনকে স্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করছে স্ত্রী ভাইকে হাসবেন্ড হিসেবে উপস্থাপন করছে মানে এই ভাইরাসে ভরে গেছে এই ফেতনাতে এতটা বেশি আক্রান্ত হয়েছে যা ইন্টারনেটের কারণে মানুষের ব্যক্তিত্ব সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকের কথা বলছি না মানে পারস্পরিক যোগাযোগ আত্মীয়তার সাথে যোগাযোগ এগুলো এখন বিচ্ছিন্ন।

                                                           

মানুষ একজন আরেকজনের খোঁজখবর নেওয়ার সুযোগ পায় এতটা আসক্ত। সেই সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠে শুরু হয় রাত দুইটা তিনটা পর্যন্ত। এমনও আছে আমি কিছু ফ্যামিলির কথা জানি যারা সারারাত ধরে ইন্টারনেট চালায়। পরিস্থিতিটা এমন হয়েছে একই বাড়িতে থাকে কিন্তু একজন আরেকজন খবর রাখে না একই বাড়িতে ছেলে ওই ঘরে মেয়ে ও ঘরে বাপ আরেক ঘরে মেয়ে আরেক ঘরে কেউ কাউরে খোঁজ রাখে না এই ইন্টারনেট ফেতনায় এতটা বেশি আসক্ত হয়েছে মানুষের সময় নষ্ট হচ্ছে ইজ্জত নষ্ট হচ্ছে পারস্পরিক সহযোগিতা সহমর্মিতার যে বন্ধন এটা ধ্বংস হচ্ছে মানে এতটা ফেতনার মধ্যে নিমজ্জিত আজকে মুসলিম সমাজ। অমুসলিমদের কথা বাদ দিলাম। যুবক-যুবতীরা এমনভাবে ধ্বংসের পথে নিজেকে ঠেলে দিচ্ছে যা বলা ভালো।

                                                           

এখান থেকে বের হওয়ার কোন সুযোগই নাই। এতটাই বেশি আসক্ত হয়ে গেছে যে সুযোগই নাই। ঘন্টার পর ঘন্টা সে ফেসবুকে সময় দিচ্ছে। অথচ ১০ মিনিটের জন্য সালাতের জন্য তার টাইম বের হয় না। এই জাতির কি হবে? ইহুদি খ্রিস্টান আমাদেরকে এগুলো তারা তৈরি করে ধরিয়ে দিয়েছে। ওরা কিন্তু আমাদেরকে ধ্বংস করার জন্য গবেষণা করছে। প্রতিনিয়ত টেকনোলজি ডিজিটালাইজেশন প্রযুক্তি তারা কিভাবে ব্যবহার করে আমাদেরকে ধ্বংস করবে ওই প্লানে ওরা ব্যস্ত। ওগুলো কিন্তু আমাদেরকে দিয়ে দিছে। আর আমরা tিকটক ফেসবুক Instagram এ ব্যস্ত হয়ে গেছি। এজন্য দেখবেন আমাদের বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা দিন যত যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে হাটছে। আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গর্বের একসময় বলা হতো প্রাচ্যের অক্সফোর্ড।

                                                           

সেটা ধ্বংস হয়ে গেছে কিন্তু। বুয়েট নাই। পৃথিবীর ৫০০ শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটাও বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের নাই। আপনি চিন্তা করতে পারেন। কারণ এই প্রজন্ম তো হইতো। এতটা বেশি আসক্ত হয়ে গেছে ধরিয়ে দিয়েছে ফেসবুক আর এগুলা এগুলা নিয়ে ব্যস্ত থাকো তোমার টিকটক নিয়ে ব্যস্ত থাকো ভাইরাল হওয়ার ধান ব্যস্ত থাকো আর ওরা আমাদেরকে কচু কাটার ব্যবস্থা করছে প্রস্তুতি নিচ্ছে সব রকম হয়ে গেছে অলরেডি প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা আমরা এরকম ধাধার ফেতনার মধ্যে নিমজ্জিত রয়েছি কত ফেতনার কথা বলব আলোচনা করতে গেলে তো অনেক চলে আসে ফেতনাতুলতেলাফজ নারী পুরুষের অবাদ মিলমিশ এটা একটা বড় ফেতনা হয়েছে অবাদ মিলমিশটাকে আমাদের সমাজে এমনভাবে এটাকে রং চড়িয়েছে যে এটা এখন কোন বিষয় না অন্যায় না বেগানা নারী পুরুষের মিলমিষটা কোন বিষয় না ওপেনলি প্রিয় ভাইয়েরা তো এই ফেতনা আজকে আমাদের তো গোটা সমাজ পচে গেছে ধ্বংস হয়ে গেছে আরেকটা ফেতনা হলো কি সহশিক্ষা সহশিক্ষা বুঝেন তো ছেলে মেয়ে একই প্রতিষ্ঠানে পড়ছে একই সাথে ক্লাস করছে

                                                           

হাসি ঠাট্টা করছে একজন আরেকজনের সাথে রিলেশন গড়ে তুলছে অবৈধ রিলেশন আবার এটা কিন্তু এখন ছোটখাট বিষয় না জেনার রিলেশন যেটাকে ইবলিশ নাম দিয়েছে জাস্ট ফ্রেন্ড বেস্ট ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড নাম দিয়ে দিছে এখান থেকে কিন্তু এগুলোর উৎপন্ন এই জায়গা থেকে আপনি দেখবেন বাংলাদেশের শিক্ষিত বলে যারা যাদেরকে আমরা মনে করি এদের মধ্যে এই জেনার সম্পর্কগুলো বেশি অন্যদের মধ্যে নাই এটা বলছি না এটাই মানে এখান থেকে মূলত কালকে যাচ্ছি এক কাজে এসেছিলাম আপনাদের এদিকে মেট্রো রেলে যাচ্ছি যাওয়ার পথে দেখতে পাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়ে দুইজনে তো তাদেরকে দেখে কেউ মনে করবে না যে এরা কোন অপরিচিত বা বেগানা কেউ একজন আরেকজনকে টাচ করছে একেবারে মুখের সাথে মুখ লাগিয়ে বলা যায় কথা বলতেছে কোন কিছু মনে করে নেওয়ার অন্যায় কাজ অথচ এটা জেনার সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সিটির কাঠ ঝুলে আছে তো বলেন এরা হল শিক্ষিত শয়তান না এইভাবে কিন্তু সমাজটা পৌঁছে গেছে ভাই হায়া শরম উঠে গেছে।

                                                           

সহ শিক্ষার মাধ্যমে কি কি ক্ষতি হয়? খুব সংক্ষেপে বলি। লজ্জা শরম উঠে গেছে। আর মুমিনদের মেন জিনিসটা হল কি? লজ্জা। ঈমান হায়া যার শরম নাই তার ঈমান। তো সহজ শিক্ষার এক নাম্বার কুফল হলো লজ্জা স্বয়ং উঠিয়ে দেয়। দ্বিতীয় নম্বর কুফল হলো যে তাদেরকে জেনা ব্যভিচারের দিকে আমন্ত্রণ করে। তিন নম্বর উপকার অপকার হল কুফল হল যে তারা যতক্ষণ থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মুখের জেনায় চোখের জেনাই হাতের জেনায় তারা ব্যস্ত থাকে।

                                                           

আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন এইজন্য প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা আমরা তো মুমিন নাকি আল্লাহর কাছে আমরা নিজেদেরকে আত্মসমর্পণ করেছি নাকি ইসলাম তো আমরা মুসলিম তো মুসলিম মানে কি আল্লাহর ইচ্ছায় কাছে ইচ্ছার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা যায় যে ব্যক্তি সে মুসলিম আপনার ছেলেমেয়ে এমন কোন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়তে পারে না যেই প্রতিষ্ঠানে ছেলেমেয়ে একসাথে পড়ে হতেই পারে না এটা বিপর্যয়ের কারণ ডিপ্রেশনের কারণ মাদকাশক্তির কারণ এ সহশিক্ষা আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন এখান থেকে কিন্তু একজন আরেকজনের স্কুলের উর্তিবেশী ছেলেমেয়েরা অবাক মিলামিশা করছে ড্রাগ নিচ্ছে এবা সেবন করছে সিগারেট খাচ্ছে ওপেন আপনি কিছু বলল পরিস্থিতিটা এমন হয়েছে এই ফেতনা এখন আমার আমাদের মুসলিম সমাজের ঘরে ঘরে কিন্তু বাচার কি উপায় আরেকটা ফেতনা বলে শেষ করবো।

                                                           

প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা যেহেতু সময় শেষের দিন শেষ হয়েই গেছে। সেটা হলো সামনে দুর্গাপূজা। ইসলাম কি বলে? আমরা কিন্তু কাফেরদের সাথে মুনাফেকদের সাথে ম্যাচিং হয়ে গেছি। এই একটা বড় ফেতনার মধ্যে আমরা কিন্তু কাফেরদেরকে কাফের মনে করি না। মুনাফেকদেরকে মুনাফে মনে করি না। যেমন আগে বললাম শিয়া মুনাফেদের। এটা কিন্তু মারাত্মক বিষয়। অথচ আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু সলাম ১৪০০ বছর আগে ইবনে মাজার হাদিসে কি বলে গেছেন যে আমার উম্মতের কিছু লোক কি হবে তারা আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তি পূজা লিপ্ত হবে যদি মূর্তি পূজা নাও করে মুশরেকদের সাথে তারা মিলে যাবে মিশে যাবে এর মানে কি মুশরিকদের মন্দ তারা ভাববে না খারাপ কিছু মনে করবে না তারা যে আল্লাহর দুশমন এটা মুমিনদের অন্তর থেকে উঠে যাবে তাদের সাথে লেনদেন তাদের সাথে উঠবে তাদের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু করবে।

                                                           

সুশীলতা দেখিয়ে বলবে যে ওরা তো মানুষ। কিন্তু ওরা যে আপনাকে কি পরিমান ক্ষতি করতে পারে বর্তমানে ভারতের দিকে দেখেন। বর্তমানে ভারতের দিকে দেখেন। বাংলাদেশে বইসা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে তারা বাংলাদেশীদের হুমকি দেয়। জানেন আপনি? ইন্টারনেটে ঢুকে দেখেন। বাংলাদেশে বসে আমাকে আপনাকে হুমকি দেয়। যে অতি শীঘ্রই খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা বা ভবিষ্যতে আমরা অখন্ড ভারতের অন্তর্ভুক্ত হব তারপরে সবাকেই হত্যা করব হুমকি দিচ্ছে গতকালকে পরশুদিন একটা নিউজ দেখলাম যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জমা করেছে ছাত্ররা এটা কি তারা মেনে নেয় এবং এটাকে দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দিয়ে গরু সহ যাবতীয় জিনিস জবে করাকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আপনি চিন্তা করতে পারেন মুসলিম দেশে এটা কেন এরা সাহস পেয়েছে জানেন এই ৯২% মুসলিম দেশে এই সুশীলতার কারণে এই ফেতনায় নিমজ্জিত হওয়ার কারণে নালে ৯২স মুসলিম দেশে হিন্দুত্ববাদীরা কিভাবে সুযোগ পায় কিভাবে সুযোগ পায় কথা বলার আপনার আমার বিরুদ্ধে আমার আদর্শের বিরুদ্ধে আমি কি খাবো না খাব এটার বিরুদ্ধে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই ফেতনায় কিন্তু আমরা নিমজ্জিত।

                                                           

আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত আমাদেরকে যেন এই যে প্রচলিত যে ফেতনার বিষয়গুলো আলোচনা করলাম এগুলো জেনে বুঝে এগুলো থেকে যেন আমরা দূরে থাকতে পারি এবং নিজেদের জীবনে চিন্তায় চেতনায় কোরআন এবং সহীহ সুন্নাহকে যেন আমরা ধারণ করতে পারি। আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত আমাদের সে তৌফিক দান করুন। আমিন।