সমস্ত প্রশংসা হামদে সানা নিবেদন করছি আল্লাহ সুবহানাহুও তাআলার জন্য যে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত আমাদেরকে কোরআন এবং সহীহ হাদিস বোঝার তৌফিক দিয়েছেন যে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদেরকে তার দ্বীনের পথে চলার তৌফিক দিয়েছেন।
যে আল্লাহ সুবহানাতালা আজকের পবিত্র জুমার দিনে সালাতুল জুমা আদায়ের লক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী জুমা মসজিদ বায়তুল মামুর চাঁদ জামে মসজিদে সমবেত হওয়ার উপস্থিত হওয়ার তৌফিক দিয়েছেন সে মহান মনিব রব্বুল ইজ্জতের শুকরিয়া আদায় করছি আলহামদুলিল্লাহ >> দুরুদ ও শান্তি ধারা বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী শেষ নবী সৈদ মুরসালিন খাতামুন নবীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহ সম্মানিত মুসাল্লিনে কেরাম আজকে একটি কোরআনের কারীমের আয়াত সমূহের মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়াত তেলাওয়াত করেছি এবং সেই সাথে আরো একটি আয়াত এবং নবী মুহাম্মাদুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস সমূহ থেকে একটি হাদিস অর্থাৎ দুটি হাদিসের অংশবিশেষ আপনাদের সামনে পাঠ করেছি।
এর আলোকে ইনশাআল্লাহ আজকে আমার সংক্ষিপ্ত খুতবা তুলে ধরার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ তৌফিক ইল্লাবিল্লাহ সম্মানিত হাজেরিন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন একটি মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আর সে উদ্দেশ্যটি হচ্ছে তার আনুগত্য করা তার এবাদত করা সুতরাং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেননি। তার এবাদতের জন্য তার দাসত্বের জন্য তার গোলামীর জন্য আমাদেরকে সৃষ্টি করেছে তার তওহীদকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কিন্তু সৃষ্টি করেছে পৃথিবীর হয়তো মুসলিম ছাড়া অন্য ব্যক্তি যারা রয়েছে অন্য মানুষ যারা রয়েছে তাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হয়তো ভিন্ন হতে পারে নানাবিদ হতে পারে কিন্তু একজন মুমিন মুসলিম হিসেবে একটি স্থির লক্ষ্য উদ্দেশ্য আছে। আর সেটি হলো আল্লাহ সুবহানাু তাআলাকে সন্তুষ্ট করা, তার এবাদত করা, তার তৌহীদকে প্রতিষ্ঠিত করা।
এবং তার রেজামন্দি হাসিলের মাধ্যমে জান্নাত পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া। এই উদ্দেশ্যে কিন্তু আল্লাহ তালা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ সুবহানাতালা অনেক আয়াতে বলছেন আামা তোমরা কি মনে করছো যে তোমাদেরকে আমি অনর্থক সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ আল্লাহ বুঝাতে চাচ্ছেন অনর্থক অকারণে না একটা কারণ আছে অর্থ আছে আল্লাহ তালা আরো অন্য আয়াতে বলেছেন আল্লাহ বলছেন যে আকাশ জমিন এবং আকাশ জমিনের মাঝে যে যা কিছু রয়েছে এগুলো আমি খেলা চলে বা অহেতুক খেল তামাশার জন্য কিন্তু সৃষ্টি করেনি। তাহলে ওখানে আল্লাহ বলছেন অনর্থক সৃষ্টি করেনি। অর্থাৎ তোমাদের সৃষ্টির পিছনে একটা কারণ আছে। আর এই যে আসমান আর জমিন। প্রথমত আল্লাহ বলছেন যে এটা তোমাদের জন্য আমি সৃষ্টি করেছি।
এবং এর মাঝে যা কিছু রয়েছে সবকিছুকে আমি একটা কারণে উল্লেখ করেছি। একটা অর্থের জন্য উল্লেখ করেছি। একটা উদ্দেশ্য উদ্দেশ্যের জন্য আমি সৃষ্টি করেছি। খেলাধোলা খেল তামাশার জন্য নয়। খেল তামাশার উদ্দেশ্য নয়। এবং আমরা যদি আরো স্পষ্ট দেখতে চাই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সূরা জারিয়াতের মধ্যে কি বলছেন? যেটা আমরা প্রায় সবাই জানিনা ইনসা ইল্লা এই জায়গায় আল্লাহ রাব্বুল আলামন একেবারে স্পষ্ট করে দিছে য আমি জীন জাতি আর মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছি কিু আমার এবাদতের জন্য আমার গোলামের জন্য আমার দাসত্বের জন্য তাহলে এই জমিন আসমান পাহাড় পর্বত তৃণ লতা এ সমুদ্র এক কথায় পৃথিবীতে যা কিছু রয়েছে সবকিছু আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এমনি এমনি সৃষ্টি করেন এটা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অন্য আয়াতে বলছেন যে আমি মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছি আসমান জমিন আল্লাহ গোটা মানবজাতিকে কে বলছেন যে আমি এই জমিনের বুকে যা কিছু রয়েছে আমি তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছি সবকিছু আর আমাদেরকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন তার এবাদতের জন্য এখানে কোন ঝামেলা
আছে কথা স্পষ্ট আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষের জন্য সবকিছু সৃষ্টি করেছেন আমাদের দৃষ্টিগোচর যা হয় আর যা হয় না সবকিছু আর আমাদেরকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন তার এবাদতের জন্য তার ওয়াহদানিয়াতের জন্য তার গোলামর জন্য তার দাসত্বের জন্য সুতরাং যেই ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে গোলামীর উদ্দেশ্যে দাসত্বের উদ্দেশ্যে নিজের জীবনকে পরিচালনা করে সেই ব্যক্তি হলো সফল এবং সফলতার তার আরেকটা কথা তো আল্লাহ অন্য আয়াতে বলেই দিয়েছেন। আমরা পৃথিবীতে সবাই সাকসেসফুল হতে চাই না। সবাই তো চাই। আমরা কেউ কিন্তু ব্যর্থ হতে চাই না। কেউ না। আমরা প্রত্যেকে চাই যে আমি সফল হবই হব। সাকসেসফুল হব। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুমিন ব্যক্তির জন্য সফলতার একটা মাপকাঠি নির্ধারণ করছেন।
আল্লাহ তালা বলছেন যেই ব্যক্তি যেই ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করা হয়েছে বাঁচিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে ওই ব্যক্তি হল সফল কাম আর কেউ কিন্তু সফল কাম না পৃথিবীতে কেউ সফল কাম না একজন ব্যক্তি মিলিনিয়ার হতে পারে এলেন মাস্কের মত ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক হতে পারে বিল গেটসের মত বহু অর্থের মালিক হতে পারে বহু তাবত তাবত কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত করে বিশ্বের সেরা সাকসেসফুল ব্যক্তি হতে পারে। কিন্তু সে জান্নাত লাভ করতে ভালো না। সে সাকসেসফুল নয়। সে ব্যর্থ। আল্লাহ রাব্বুল আলামন সাকসেসফুল কামিয়াবী সফল ওই ব্যক্তিকে বলেছেন যাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানো হলো এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো।
সেই ব্যক্তি সফল সেই ব্যক্তি সাস প্রিয় দনি ভাইয়েরা তো আমাদের মুমিনদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত কি আমাদের মুসলিম ব্যক্তির সে যুবক হোক প্র হোক বৃদ্ধ হোক তার লক্ষ্য উদ্দেশ্য একটাই হওয়া উচিত সেটা কি জান্নাত পাওয়া দুর্ভাগ্যের বিষয় আমরা দুনিয়ার মোহে পড়ে এমন ব্যস্ততার মধ্যে আছি যে আমাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্যে আমরা বিচ্যুত হয়ে গেছে। লক্ষ্য উদ্দেশ্য থেকে অনেক দূর সরে গেছে। হ্যাঁ। বৃদ্ধরা কিছু যারা আমরা মুরুব্বী আমাদের মাঝে মুরুব্বীরা রয়েছেন তারা একটু চেষ্টা করছেন যে কিভাবে আমি আমার লাইফটাকে দুনিয়া থেকে একটু ডাইভার্ট করে আখেরাতের দিকে নিয়ে যাই। সাকসেসফুল হওয়ার জন্য। এটা আমরা চেষ্টা করি। কিন্তু যারা যুবসমাজ এরা এদের লাইফটাকে পুরা দুনিয়ামুখী করে গেছে।
যুব সমাজ মানেই হলো দুনিয়াবী উন্মাদনা। দুনিয়াবী খেল তামাশা ভোগবিলাস ইত্যাদি। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তা আমাদের প্রত্যেকের এমনটাই হওয়া উচিত। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা হয়তো আমরা অনেকে চেষ্টা করি। কিন্তু আমাদের সবচাইতে বড় শত্রু ইবলিশ আমাদের বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কোরআনুল কারীমের বহু আয়াতের মধ্যে বারবার ইবলিশ থেকে শয়তান থেকে আমাদেরকে সতর্ক করেছেন। তেমনি একটি আয়াত আপনাদের সামনে প্রথমে তেলাওয়াত করছি। সূরা ফাতের ছয় নম্বর আয়াতে আল্লাহ কি বলছেন? নিশ্চয় ইবলিশ শয়তান তোমাদের শত্রু তাকে শত্রু হিসেবে তোমরা গ্রহণ করো ইবলিশকে বন্ধু নয় তাকে শত্রু তাকে একজন শত্রু হিসেবে তোমরা গ্রহণ করো সে তার দলবলকে আহবান করে জাহান্নামী হওয়ার জ্বলন্ত উত্তপ্ত জাহান্নামের বাসিন্দা হওয়ার জন্য সে দাওয়াত দেয়।
তাইলে ইবলিশও দাওয়াত দেয় আলেম সমাজও দাওয়াত দেয়। যারা আমরা মুসলিম দাওয়াত যে যেখান থেকে আছি চেষ্টা করি। কিন্তু ইবলিশের দাওয়াত খুব পাওয়ারফুল। ইবলিশের দাওয়াতটা এত বেশি পাওয়ারফুল যে আমি আপনি যত দাওয়াত দিই ইবলিশের দাওয়াত যদি পৌঁছে যায় এবং কোন সমাজ কোন রাষ্ট্র কোন ব্যক্তি যদি এটাকে গ্রহণ করে ওখান থেকে বের হওয়া খুবই মুশকিল। ওর দাওয়াতকে প্রত্যাখ্যান করা খুবই মুশকিল। আমি ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই। একটা সময় ছিল যে আমাদের মা বোনেরা যখন তার সালোয়ার কামিজ পড়ত সালোয়ারটাকে অর্থাৎ পায়জামাটাকে টাকন ঢেকে পড়ত। কিন্তু আপনি অবাক হবেন যে যারা সালোয়ার কামিজ পড়ে বা ফ্রি ড্রেস পড়ে ঘুরে বেড়ায় দেখবেন এরা এত যত্ন করে টা উপরে পড়ে যা বলা ভালো।
আমি মাঝে মধ্যে যেহেতু চলতে হয় দুনিয়ার পথে বিভিন্ন জায়গায় সামনে দেখে একজন মেয়ে ও এত বেশি যত্ন করে তার পায়জামাটাকে পড়ে রেখেছে যা আপনি কল্পনা করতে পারবেন না আমি অবাক হই যে ইবলিশের দাওয়াতটা কত পাওয়ারফুল এর উপর এফেক্ট করেছে কাজ করেছে যে সে তার কষ্ট হল পায়েজামাটাকে ডাকন উপরে পড়তেছে একজন মেয়ে যার ঢেকে রাখার উচিত ছিল পক্ষান্তরে একজন যুবক সে টাখনুকে একেবারে ঢেকে মাটির সাথে ছেচড়ে সে পায়জামা প্যান্ট করতেছে ইবলিশের দাওয়াতটা কত পাওয়ারফুল অথচ আলেম ওলামা দাওয়াত দিছেন না টাখন নিচে যে পুরুষ কাপড় পড়বে তার নিশ্চিত জাহান্নামী সে হবেই হবে তার জন্য জাহান্নাম অপরিহার্য সে যাবে যাবে জাহান্নামে যেটা নিচে কাপড় পবে যে পুরুষ পক্ষান্তরে যে নারী উপরে কাপড় পড়বে সে হবে জাহান্নাম উলটা হয়ে গেছে এখানে কি করেছে ইবলিশের দাওয়াত বেশি কাজ করেছে প্রিয় ভাইয়েরা আমাদের রন্ধ্র রন্ধ্রে ইবলিশ ঢুকে আছে আল্লাহ নিশ্চয় শয়তান মানুষের শিরা উপসিরা চলাচল করে তার রক্তে রক্তে সে চলে
বেড়ায় তার নার্ভের মধ্যে সে ঢুকে সে বিচরণ করে এজন্য তাকে সবসময় আচ্ছাদন করে রাখে ঘিরে রাখে ইবলিশ হচ্ছে আমাদের প্রকাশ্য শত্রু কিন্তু আমরা তাকে অনুসরণ করি তাকে আমরা গ্রহণ করি তার কথা অনুযায়ী আমরা চলি তার কথা অনুযায়ী আমাদের লাইফস্টাইলকে সাজাই পরিচালনা করি প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা আল্লাহ তালা আরেক আয়াতে বলছেন কাফেরদের বিষয়ে কারণ ইবলিশের জ্বলন্ত প্রতিচ্ছবি হচ্ছে একজন কাফের স্পষ্ট বা অবয় যদি আমরা ইবলিশকে দেখতে চাই তাহলে একজন কাফের মুশল্লাহতালা কাফের কাফের কাফেররা হচ্ছে তোমাদের স্পষ্ট প্রকাশ্য শত্রু ওখানে আল্লাহ ইবলিশের কথা বলেন এখানে বলছেন কাফের সারা দুনিয়ার কাফের হল মুসলমান জাতির জন্য শত্রু সেই কাফের মূর্তি পূজারী হতে পারে।
সে কাফের ইহুদি হতে পারে। সে কাফের নাসারা হতে পারে। সে কাফের বৌদ্ধ হতে পারে। সারা দুনিয়ার কাফের গোষ্ঠী হল মুসলমানদের দুশমন। এটা আল্লাহ সুবহানাতালার কথা। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো যা হোক আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দাওয়াতকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করে ইবলিশের পথেই বেশি পা বাবা। আমাদেরকে বিভ্রান্ত করে গোমরাহের পথে নিয়ে যায় জাহান্নামের পথে পরিচালিত করে আল্লাহ রাব্বুল আলামন সূরা মায়েদার ৯০ ৯১ নম্বর আয়াতে বলছেন ইয়া আইুহাল্লা ঈমানদারগণ নিশ্চয় মাদকতা মাইসের জুয়া আনসা মূর্তি বা মূর্তি পূজা বা মূর্তির বেদী ও আজলাম লটারি এগ নাপাক ইবলিশের কর্ম এগুলো সবই হচ্ছে ইবলিশের কর্ম একটা হল মাদকদ্রব্য জুয়া মূর্তি লটারি এগুলা এক নাম্বার কথা আল্লাহ বলছেন যে এগুলো হল নাপাক অপবিত্র নোংরা তারপরে বলছেন শয়তানের কর্ম আল্লাহ তারপরে বলছেন তোমরা এগুলো থেকে বেঁচে থাকো এগুলোকে বর্জন করলা আশা করা যায় তোমরা সফল হবে তাহলে এগুলোকে বর্জন করলে একজন মমিন ব্যক্তি সফল হতে পারে এবং কিভাবে বর্জন করে আমাদের
সালফে সালেহীন আমাদের সাহাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু দেখিয়ে দিয়েছেন জাহেলিয়াতের যুগের মানুষরা মাদকাশক্তি নিমজ্জিত একটা জাতি ছিল আল্লাহ রাব্বুল আলামন এজন্য একবারে মদকে হারাম করেন না ধীরে ধীরে কিন্তু ফাইনালি যখন আল্লাহ রাব্বুল আলামন টোটালি হারাম করে দিলেন তখন মদিনার আনসার মহাজির সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু আজমাইন তারা কি করলেন মদগুলো সব ফেলে দিলেন কলসের মধ্যে রাখা মদ প্রস্তুত করে রাখা ছিল আল্লাহর আদেশ হয়েছে শুনে মাত্র শোনার সাথে সাথে সবগুলো ঢেলে দিয়েছে নষ্ট করে দিয়েছে এবং এমনভাবে ঢেলে দিয়েছে হাদিসের মধ্যে আছে যে মদিনার অলিগলি একেবারে পর্দমাক্ত হয়ে গেছে। তো একটা এত জঘন্য একটা বিষয়ের সাথে একটিভ থাকে একটা জাতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিধান পেয়েছে সাথে সাথে বর্জন করেছে।
কিন্তু আমরা কি করি? এটা যত শুনি কোন কাজ হয় না। আমরা এটা বর্জন করি না। আমরা মনে করি যে কিছু যুবক তো আমরা মনে করি যে এগুলা হচ্ছে আলেমদের কাজ। উনারা বলবেন আমরা শুনব। ব্যাস আর কোন আমলের দরকার নাই। কিন্তু মুমিনের ব্যক্তি কি? মুমিন ব্যক্তি কি করবে? আল্লাহর কাছে সমর্পণ করবে। কোরআনের আয়াত যখন পেয়ে যাবে। নবীর হাদিস যখন পেয়ে যাবে সাথে সাথে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহ এবং রাসূলের ইচ্ছার কাছে সমর্পণ করবে সাথে সাথে মেনে নিবে কোন আর কথা থাকবে না না একটু চিন্তা করে দেখি একটু ভাবি ছাড়ব সময় হলে ছাড়ব এখন তো বয়স আছে এখন কিছু আমদ ফুর্তি করে নি তারপরে এরকম না মুমিনের কাজ হল কি শুনব আর মানব প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো এই যে মদ জুয়া মূর্তি আরেকটা কি মাইসির যেটা মাইসির মানে জুয়া জুয়া মানে কি জুয়া হচ্ছে মানুষের মানুষকে ধোকায় ফেলার জিনিস মানুষকে অল্প সময়ে বহু কিছু এনে দিবে এরকম ধোকায় ফেলে এটাই হল জুয়া জোয়া অফলাইন অনলাইনে আজকে আমাদের যুব সমাজ আসক্ত গোটা আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্রিকেট এই খেলাধুলা হল সব হল জুয়া জুয়া ছাড়া নাই আজকে যুবসমাজ মোবাইলের জুয়ার সাথে আসক্ত এবং সর্বশান্ত হচ্ছে অর্থ টাকা পয়সা সবকিছু হারিয়ে কিন্তু তারপরে এটার সাথে এডিক্টেড।
এটার সাথে মিলে আছে। এটার সাথে সম্পর্ক রাখছে। আর ইন্টারনেট যারা ব্যবহার করে তারা দেখতে পাবেন যে মিনিটে মিনিটে সেকেন্ডে সেকেন্ডে জোয়ার বিজ্ঞাপন আসতেছে। এগুলোকে পরিচালনা করছে দেশেরই কর্তারা। আর এর খপে পড়ে হাজারো লক্ষ যুবক সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছে। এবং বর্তমানে তো বিরাট জোয়ার আসর ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপে আসক্ত আজকে আমরা কি যুবক কি বৃদ্ধ এই খেলার জন্য এই জোয়ার খেলা না দেখে আমাদের ঘুম আসে না সারারাত ঘুমকে মিস দিয়ে হলো এটা আমরা ই করি ফজরের সময় উঠতে না পারলেও এই খেলাকে আমরা দেখি তারপর অন্য কিছু করি তো গোটা জাতি আজকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বললেন এগুলো হল নাপাক নোংরা আর আমরা এটাকে মনে করছি ভালো এটা আমাদের মনের আনন্দ এটা আমাকে বিনোদন দেয় আমরা এটা মনে করছি কিন্তু এটা নাপাক এবং ইবলিশের কর্ম আল্লাহ রাব্বুল আলামন এখান থেকে আমাদের পরহেজ করতে বলেছেন বেঁচে থাকতে বলেছেন বর্জন করতে বলেছেন এগুলো কিন্তু আমরা এগুলো বর্জন না করে এগুলো হাবুডুবু খাচ্ছি প্রিয় দীনি ভাইয়েরা তারপর হচ্ছে ও আনসাব।
আনসাব মানে কি? মূর্তি। এখন তো মূর্তি নিয়ে সারা বাংলাদেশ কেন ভারতবর্ষ টালমাটাল অবস্থিত। বাংলাদেশের পলাশবাড়ি গাইবান্ধায় বিশাল আকারে রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে বিশাল সরগল চলছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ হচ্ছে একটি মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে এতদিন মন্দিরে মন্দিরে মূর্তি ছিল। এখন প্রকাশ্যে খোলামেলা জায়গায় সেখানে রামের দক্ষিণ এশিয়া বলা হচ্ছে সবচাইতে বড় মূর্তি নির্মাণ করা হচ্ছে। আশ্চর্যজনক বিষয় হল যে সেখানে আমাদের মুসলিম এমপিরা পর্যন্ত জড়িত। যেটা খবর আসতেছে ছবি সহ হরিদাস নামের একজন মুরতাদ সে কিন্তু মুরতাদ হত্যাযোগ্য অপরাধী কারণ ও ধর্ম চেঞ্জ করে মুসলমান হয়ে একটা মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করেছে করে আবার সে কি হয়েছে কনভার্ট হয়ে গেছে আওয়ামী লীগ আমলে সে প্রতারণার দায়ে ধরা পড়েছে জেল খেটেছে বের হয়ে এখন বিরাট বড় হিতাকাঙ্ক্ষী হয়ে গেছে হিন্দুদের তো যা হোক এই মূর্তি ভারতে আপনি দেখবেন যেখানে সেখানে আছে মোড়ে মোড়ে আছে মূর্তি এটা তাদের দেশ হিন্দুস্তান তাদের ওখানে হতে পারে কিন্তু বাংলার মাটিতে একজন মুসলমানের কেমনে মেনে নেয় তার চেয়ে
বড় কথা হল যারা হর্তা কথা তারা কেমন করে এটা নিয়ে নীরব থাকে চুপ থাকে আমার বুঝে আসেনি অথচ একই টাইমে ভারতে আল্লাহ রাব্বুল আলামনের বাইতুল্লাহকে ঘরকে ভেঙ্গে চুরমার রাম মন্দির নির্মাণ হচ্ছে হচ্ছে না এটা তো আমরা দেখতে পাচ্ছি এটা তো আড়ালের বিষয় না গোপনের কোন বিষয় না ওপেনলি এটা তারাই মসজিদ ভাঙ্গার ছবিগুলো ভিডিওগুলো করছে এবং অনলাইনে ছাড়ছে এবং শুধু একটা দুইটা না শত শত মসজিদ মাদ্রাসা ভাঙ্গা হচ্ছে আর এর চাইতে আর বড় কি প্রমাণ আছে যে বাবরী মসজিদ ঐতিহাসিক একটি মসজিদ সেটিকে ভেঙ্গে সেখানে এই মোদি সরকার ওই দেশের আদালতকে ব্যবহার করে ৯২ তে ভেঙ্গেছে কিন্তু মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণ করতে পারে নাই।
কিন্তু এই মোদি সরকার এটা করে দেখিয়ে দিছে কতটা গোড়া কতটা উগ্র কতটা জঘন্য মানসিকতার একজন প্রধানমন্ত্রী হতে পারে রাষ্ট্রপ্রধান হতে পারে এর জ্বলন্ত প্রমাণ হল ভারতের নরেন্দ্র মোদি প্রিয় দনি ভাইয়েরা এইটা এটাকে আমাদের সাধ্য অনুযায়ী এটার বিরোধিতা করতে হবে করা উচিত মানুক বা না মানুক এটাকে ঘৃণা করতে হবে। এক নাম্বারে দ্বিতীয় হল সামর্থ্য অনুযায়ী এটার বিরোধিতা করতে হবে। কারণ এখানে বিরাট আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র জড়িত। এ রামের মন্দির বা রামের বিগ্রহ বিরাট আকারে তৈরি। এটা কিন্তু চারটিখানি ছোটখাট বিষয় না। আমরা তো মুসলমানরা আসলে ঘুমিয়ে থাকা জাতি। যেটা সত্য কথা। আমরা ঘুমিয়ে থাকি। ঘুমিয়ে থাকা একটা জাতিতে পরিণত হয়েছি।
কি হচ্ছে এগুলো দেখার বিষয় সব জ্ঞান রাখতে হবে কোরআনে আয়াতে আল্লাহ কেন বলছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামন সূরা আতামের মধ্যে বলছেন কি বলছেন যে নবী জাহিদি কাফেরদের বিরুদ্ধে আপনি যুদ্ধ করেন জিহাদ করেন জিহাদ জিহাদের কথা বলাটা তো এখন অন্যায় কুফার মনাফ এবং মনাফদের বিরুদ্ধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করো নবী এটা হল আল্লাহর কথা কিন্তু আমাদের অবস্থাটা হয়েছে যে আমরা নরমালাইজ করতে করতে এখন মনে করি না ওদের ধর্ম ওরা করছে আমরা আমাদের ধর্ম করছে কিন্তু ওরা ওদের ধর্ম কিভাবে ভাবে করবে মুসলমানের মসজিদ ভেঙ্গে মুসলমানদের হত্যা করে এটা তো হতে পারে না এটা মেনে নেওয়া যায় না কিন্তু আপনি আশ্চর্য হবেন যে সারা দুনিয়ার মুসলিম দেশগুলো মুসলিম শাসক গোষ্ঠীরা এটাকে মেনে নিয়েছে এক প্রকার চুপচাপ নাই কোন প্রতিবাদ নাই কোন প্রতিকারের কোন ভাষা নাই কোন বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে এক আশ্চর্য প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো আনসব এগল নাপাক জিনিস মূর্তি হচ্ছে কি একটা নাপাক ইবলিশের কর্মের একটা অংশ আজলাম
আল্লাহ রাব্বুল আলামন আরেকটা কথা বলেছেন নাপাক সেটা হল লটারি আমরা যে বিভিন্ন লটারিতে অংশগ্রহণ করি ১০ টাকা কিনলে ১০ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে এইযে লটারির অংশগ্রহণ এটা দুবাই সৌদি আরব হোক বাংলাদেশে হোক যেখানেই হোক না কেন এই লটারিতে অংশগ্রহণ করা একজন মুসলিম হিসেবে একজন মুসলিম ব্যক্তির জন্য হারাম কোনভাবে এটা সম্ভব নয় সে অংশগ্রহণ করতে পারে এখানে চারটি নোংরা বিষয়ের কথা আল্লাহ রাব্বুল আলামন উল্লেখ করেছেন এবং আল্লাহতালা বলছেন তোমরা এগুলোকে বর্জন করলা তাহলে তোমরা সফল কাম হতে পারবে তাহলে তাহলে এগুলো বর্জন করার মধ্যে এগুলোকে এড়িয়ে চলার মধ্যে মুসলমানদের জন্য মুমিন ব্যক্তির জন্য সফলতা নিহিত হয়েছে। কিন্তু এর সাথে জড়িয়ে যে কোন মুসলিম কখনো সফল হতে পারে না।
কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় আজকে আমাদের মুসলমানরা জড়িয়ে গেছে। এই জুয়ার সাথে জড়িয়ে গেছে। তা না হলে আজকে মুসলমানের দেশে একটা কাফেরের পতাকা কেমন করে ঝুলে? যুবকরা মন খারাপ করবে না। একজন যুবক তো গত জুমায় বলছে যে ওস্তাদজি আপনি তো একবারে সবই করে দিলেন। যা আশা ছিল যা চিন্তা পরিকল্পনা ছিল সব তোই করে। না আপনাকে ভালোবাসি। এই জন্য দ্বীনের কথাগুলো আমরা বলার চেষ্টা করি। এ খেল তামাশার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামন আমাকে আপনাকে পাঠায় একজন মুমিন ব্যক্তির জীবনের প্রত্যেকটা সেকেন্ড প্রত্যেকটা মিনিট হল এবাদতের জন্য আপনি নামাজ পড়ছেন এটা একটা এবাদত আপনি বাইরে গেছেন ব্যবসা বাণিজ্য করছেন হালাল পন্থায় হালাল ভাবে এটা একটা এবাদত কিন্তু আল্লাহ এজন্য বলছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন নামাজ শেষ জমিনের বুকে ছড়িয়ে পড়লা আল্লাহর রিজিক অনুসন্ধান কর আল্লাহ রিজিক টাকা পয়সা হালাল পন্থায় আপনাকে আল্লাহ রাব্বুল আলামন আদেশ করেছেন এজন্য কোন ব্যক্তির মুমিন কোন ব্যক্তির সময় অপচয় করার সুযোগ নাই যে আমি এই করব
সেই করব আর ওর মধ্যে আমি সময়কে অব্যয় করব বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজকে যে জিনিসটা ঘিরে রাখে সেটা হল কি বেকারত্ব আমি লেখাপড়া করেছি আমাকে বড় চাকরি পেতে হবে এজন্য চাকরির পিছনে সে ছুটতেছে ছুটতেছে তো ছুটতেছে চাকরিও পায় না তার মনের মধ্যে স্থিরতাও নাই সে এবাদত বন্দেগী তো স্থির হচ্ছে না সে সালাত থাকি ধুম পায় কিন্তু মুমিন ব্যক্তি বেকার থাকার কোন সুযোগ নাই। আপনি পড়ালেখা করেছেন। আপনার নিজের লাইফটাকে ডেভেলপ করেছেন আপনি। এটা খুব ভালো। চাকরি নাই তো কি হয়েছে? আপনি ব্যবসা করবেন। আপনার যে টাকা আছে ওটা দিয়ে আপনি ব্যবসা করবেন। অল্প পুঁজি আছে ছোট ব্যবসা করবেন।
এটা ধীরে ধীরে আল্লাহ রাব্বুল আলামন বারাকা দান করবেন। কিন্তু বেকার থাকার কোন সুযোগ নাই। আজকে আমাদের যুব সমাজকে এই জিনিসটা খুব ঘিরে রাখে। খুব অবসাদের মধ্যে ভোকায় যে আমার চাকরি নাই এই নাই সেই নাই। না আপনি ছোট দিয়ে শুরু করে দেন। চাকরিরও ট্রাই করতে থাকেন চাকরির জন্য। পাশাপাশি আপনি ইনকামেরই করবেন। এজন্য একজন মুমিন ব্যক্তির সালাত আদায় করে পাঁচ ওয়াক্ত এবং আল্লাহ রিজিক অনুসন্ধানের জন্য হালাল উপায়গুলো আছে এগুলোকে সে কাজে লাগবে। সে বেরিয়ে পড়বে। এটা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশ। যদি হালাল পন্থায় হয় তাহলে তার ওটাও একটা এবাদতের অংশ। তার গোটা লাইনটাই হল এবাদত। সে ঘুমাতে যাচ্ছে সেটাও তার এবাদত।
আল্লাহ দোয়া পড়ে ঘুমাচ্ছে। ঘুম থেকে উঠতেছে। সে দোয়া পড়ে উঠতেছে। টয়লেটে যাচ্ছে দোয়া পড়ে যাচ্ছে। বের হচ্ছে দোয়া পড়ছে বাড়ি থেকে বের হচ্ছে দোয়া করছে মসজিদে যাচ্ছে দোয়া করছে মসজিদ থেকে বের হচ্ছে দোয়া করছে গোটা লাইফটা হল তার এবাদত কিন্তু আমরা এগুলা বুঝি না আমরা বুঝি শুধু মসজিদে বসে তসবি টিবার নামই হল এবাদত না এবাদত মানেই হল আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সন্তুষ্ট হন এরকম কাজ করা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন খুশি হন এরকম কাজ করা এটাকে বলা হয় এবাদত কিন্তু আমরা এগুলো বুঝি না প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো যা হোক যদি আমরা বুঝি তাহলে এটা আমাদের পুরাটাই হয়ে যাবে।
তারপরে হচ্ছে আমাদের যুবক সমাজ আমরা খেলাধুলার নামে টাইম পাস করাকে বুঝায়। এটা আমাদের যুবকদের সবচাইতে বড় একটা ভুলের। যে এখন অবসর আছি আমি এখন খেলা দেখবো বা নিজে খেলবো। খেলে আমি সময় পার করব। খেলাধুলাটা হচ্ছে নিজের বডি ফিটনেসটাকে ঠিক রাখার জন্য। নিজের দেহটাকে ঠিক রাখার জন্য, সুস্থ রাখার জন্য। এরকম খেলাধুলা করতে হবে যেটাতে আপনার গোটা বডি যেন এক্সারসাইজ হয়। সেটা ফুটবল হতে পারে। দৌড়ানি হতে পারে। বা এমন খেলা যেটাতে দৌড় রয়েছে। আপনার শরীর ঝাঁকি দিবে। আপনার প্রত্যেকটা নার্ভ আপনাকে তার ব্লাড সার্কুলেশন করবে। এরকম খেলা আপনি খেলবেন। সমস্যা নাই। ইসলামে খেলাধুলা যে একেবারে টোটালি হারাম এরকম না।
তবে তার জন্য নিয়ম আছে। তো যাই হোক ওই খেলাধুলাই জায়েজ। যে খেলাধুলায় কি রয়েছে? বডির এক্সারসাইজ রয়েছে। দেহের ব্যায়াম আছে। এরকম আমাদের খেলাধুলা করতে হবে। তবে ওই খেলাধুলা ঠিক নয়। যেটা আমরা বাড়িতে বসে বসে খেলি। লুডু খেলি ক্রামবোড খেলি। তারপরে বিভিন্ন যে খেলাগুলো এগুলো আসলে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু নিষেধ করেছেন বিশেষ করে লুডু এবং দাবা যে খেলাটা এটাতে কোন পরিশ্রম আছে? বলেন দেহের কোন উপকার হয়? এজন্য আল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলছেন যে ব্যক্তি এই খেলাধুলা করল সেই যেন শুকরের রক্তে নিজের হাতকে ডুবা নিজের হাতকে শুকরের রক্তে রঞ্জিত করল। কিন্তু আমরা টাইম পাসের জন্য বাড়িতে এগুলো খেলি।
ছেলে মেয়ে সবাই মিলে খেলি। না এর এই খেলা যাবে না। আর কেরামবোর্ড তো আজকাল হয়ে গেছে আমাদের অনেকটা জুয়ার মত। জুয়া ছাড়া তো আমরা মনোনবেশ করি না। কাম নাই, কাজ নাই। ঘন্টার পর ঘন্টা কেরাম বোর্ড খুলতেছে। জুয়া জুয়া মুক্ত খেলা হতো। এইযে আন্তর্জাতিক খেলা এগুলাতে যে আমরা বোধ হয়ে পড়ে আছি। আমাদের যুব সমাজ ফুটবল আশ্চর্য হয় যে আমি মুসলিম আসার সময় দেখলাম যে এক যুবক সাথে তার দুইটা বাচ্চা রয়েছে তো এমন ম্যাচিং করে তার রাস্তায় হাঁটতেছে মনে হয় যেন কোন আর্জেন্টিনার সবচাইতে বড় ভক্তা এরা পুরা পরিবারে আর্জেন্টিনার মধ্যে আর্জেন্টিনার জার্সি নিজে কিনেছে বড় ছেলেকে কিনে দেছে ছোট মেয়েটাকে কিনে দিয়েছে দেখছি সবগুলো একসাথে হেটে আসতেছে ছবিটা তুলতে চেয়েছিলাম যাক তোলা হয়নি এটাতো এখন আর্জেন্টিনাকে জানেন কাফের যে আমাকে আপনাকে হত্যা করার জন্য ইসরাইলকে অর্থ দেয় গবেষণা করে প্লাান করে অস্ত্র তৈরি করে ইসরাইলকে পরিপূর্ণ সাপোর্ট দেয় পৃথিবীর মাঝে নিকৃষ্ট যে কয়টি ওপেনলি ওপেন সিক্রেট ইসরাইল ইহুদিবাদী ইসরাইলকে আমার আপনার মুসলিম ভাইকে হত্যার জন্য যারা সরাসরি আন্তর্জাতিক সাপোর্ট ফিনান্সিয়াল সাপোর্ট এবং সরাসরি গলায় গলায় মিলিয়ে সাপোর্ট সে দেশটি হচ্ছে আর্জেন্টিনা অর্থাৎ আপনার আইডল মেসির দেশ মেসি নিজেও একজন ইহুদি সে একটা রিপোর্টে দেখলাম সে কয়েক মিলিয়ন ডলার আমার আপনার মুসলিম ভাই ফিলিস্তিনিকে হত্যার জন্য অর্থ দিয়েছে।
কয়েক মিলিয়ন ডলার দু চার টাকা না কয়েক মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। কয়েকদিন আগে দেখলাম আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট এই খুনি ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোলাকুলি করতেছে। আর ব্রাজিল ব্রাজিল খুব ভালো নাকি? একই সেম। তবে আন্তর্জাতিকভাবে তারা মৌখিকভাবে এটার বিরোধিতা করে ইসরাইলের। কিন্তু যে কয়টি দেশ আমার আপনার মুসলিম ভাইকে হত্যার জন্য সামরিক অস্ত্র দিয়েছে তার মধ্যে ব্রাজিল একটা। আর্জেন্টিনা তো আছে। আর গোটা ইউরোপের কান্ট্রিগুলো তো আছে। আমেরিকা তো আছে সে তো এক নাম্বার। তা আপনি আপনি কয়দিন আগেই তো আপনি সৌদি আরবে গালাগালি করলেন ইহুদিদের দালাল কয়দিন আগে আপনি বললেন না ইহুদিদের দালাল অথচ আপনি যে নিজে ইহুদি হয়ে বসে আছেন এটার খবর রাখেন এটা তো খবর রাখেন না আপনি যে ইহুদিদের বড় চামচার দালালে পরিণত হয়ে আছেন এটা আপনার কে খবর নিবে কে আপনাকে বলবে আমরা আজিব মুসলমান বুঝতে পারছেন ওই যে আমরা ব্রিটিশদের ২০০ বছরে গোলামী করে অভ্যস্ত।
তারপরে ৭১ থেকে এ পর্যন্ত আরেকটা দেশের মুশরিক দেশের গোলামীতে অভ্যস্ত হয়ে আছি না? আমাদের গোলামী করতে করতে আমাদের আত্মমর্যাদা নাই। হারিয়ে গেছে। নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা এখন দেউলিয়া একটা জাতি। দেউলিয়া যদি না হয় তাহলে আমাদের মুসলিম মুসলমানের ঘরে ঘরে এই ইহুদি নাসারাদের পতাকা কেন ঝুলে? কেন ঝুলে? লক্ষ লক্ষ টাকার পতাকা বিক্রি হয় কেন? এই গরীব দুঃখী মুসলমানের দেশে আমি অবাক হলাম যে একজন সম্ভবত নরসিং দিতে প্রায় ১২০০ ফিটের ব্রাজিলের পতাকা করায় কিনা তারা একবারে রাজপথে মিছিল করতেছে কি আশ্চর্য আমরা কেমন একটা জাতি যাদের আমাদের আত্মমর্যাদা বলতে কিচ্ছু না আর্জেন্টিনার ব্রাজিলের খেলার দিন দেখলাম ঢাকা ইউনিভার্সিটি নাউজুবিল্লাহ টিএসসিতে বিশাল স্ক্রিনে মনে হল যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত ছাত্র ওখানে যায় খেলা দেখতেছে ফজরের সময় একজনও হয়তো নামাজ পড়ে নামাজ বাদ দিয়ে তাকে খেলা দেখতে হবে এটাই হল কথা আর এই নেশা যেকন গাঞ্জার চাইতে এবার চাইতে যেকন নেশাদ দ্রব্য চাইতে জঘন্য নেশা খেলা সে সারারাত জেগে যে ছেলেটা কোনদিন ফজরের সময় জাগ্রত হইতে পারে না।
উঠা অসম্ভব সে জেগে আছে। খেলা দেখতেছে। আশ্চর্য আমরা এক জাতি। মানে ওরাও হাসে। কিন্তু ইহুদিরাও হাসে যেক এরকম বেকুব জাতির দুনিয়াতে মনে হয় আর কেউ নাই। এজন্য আমি কয়েক বছর আগে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম যে ব্রিটেন ইংল্যান্ডের একজন গবেষক উনি বলছেন যে ব্রিটেন এমন একটি রাষ্ট্র যে দেশে সব দেশের নাগরিকরা থাকে। কিন্তু সবচাইতে দ্রুত যে জাতিটা আমাদের ব্রিটিশ কালচারের সাথে দ্রুত মিশে যায় গ্রহণ করে নেয় সেটা হল মুসলমান জাতি। নাউজুবিল্লাহ। আর সবচাইতে বেশি প্রত্যাখ্যান করে ব্রিটিশ কালচারকে সেটা হল ইহুদি জাতি। চিন্তা করেছেন আমরা কোন পর্যায়ে? তো আমরা মনস্তাত্বিকভাবে এবং সর্বদিক দিয়ে এখন দেউলিয়া একটা জাতিতে পরিণত হয়েছি।
কাকে অনুসরণ করব আর কাকে বাদ দেব এগুলা নিয়ে আমাদের প্রতিযোগিতা। গত বছর শুনছিলাম সম্ভবত গত বিশ্বকাপে যে একজন গ্রামের কৃষক লোক তার সম্ভবত তিন বিঘা জমি বিক্রি করে জার্মানির পতাকা বানিয়েছিল। >> জি। এবারও বানিয়েছে। এবারও বানিয়েছে আসমাতাল পাগল এক জাতি যারা যাদের না আছে মর্যাদা আর না আছে কোন কিছু আত্মমর্যাদা ভুলা জাতি আমরা অথচ এই জাতিকে আল্লাহতালা কোরনে কি বলছেন তোমরাই হলে শ্রেষ্ঠ জাতি সারা দুনিয়ার মানুষের জন্য তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে তোমাদেরকে আবির্ভূত করা হয়েছে আর ওই জাতি হলাম আমরা নিকৃষ্ট আল্লাহ বলছেন বলছেন তোমরা উত্তম জাতি। আর আমরা কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছি। আমরা ওদের গোলামীতে নিজেদেরকে আবদ্ধ করে দিয়েছি।
তাদের গোলামীর জিঞ্জিরকে আমরা এমনভাবে হৃদয় ধারণ করেছি, গলায় পড়ে নিয়েছি যে এখান থেকে আমরা আর বের হতে চাই না। অথচ এই জাতি হলো শ্রেষ্ঠ জাতি। এটা ভাবা যায়। তারপরে আপনি দেখবেন এ বিশ্বকাপ কেন্দ্রিক প্রায় ২২০ বিলিয়ন ডলারের একটা বাণিজ্য হয়ে থাকে ২২০ বিলিয়ন ডলার আমরা যারা মোটামুটি সংখ্যা বুঝি অর্থের এটা তো আমরা বুঝি এটা কি পরিমাণ হিউজ পরিমাণ টাকা আপনি অবাক হবেন মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার দিয়ে সারা দুনিয়াতে যে ক্ষুধার্থ লোকগুলো আছে যারা খেতে পায় না না খেয়ে ঘুমায় না খেয়ে মরে এ সারা দুনিয়ার ক্ষুধার্থ মানুষগুলোকে খাওয়ানো সম্ভব মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার দিয়ে আর এই খেল তামাশায় খরচ হচ্ছে কত ২২০ বিলিয়ন ডলার আপনি চিন্তা করতে পারেন কত পরিমাণ টাকা প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো এই খেলার সাথে এই জুয়ার সাথে ওরা এটাকে বাণিজ্যিক পর্যায়ে নিয়ে যায় তারা লাভবান হয় কিন্তু আমরা কি লাভ করি আমাদের কি লাভ? যুবক তোমার কি লাভ? তুমি বল আর্জেন্টিনা ব্রাজিলকে সাপোর্ট করে তোমার কি লাভ হয় বলতো? তোমার কোন লাভ হয় না ক্ষতি ছাড়া।
এক নাম্বার যেটা ক্ষতি হয় তোমার ঈমান নষ্ট হয়ে যায়। ধ্বংস হয়ে যায়। আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন মানুষের মধ্যে অনেকে আছেল্লাহ যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে আল্লাহর মত করে গ্রহণ করে তাদেরকে মহাব্বত করেবিল্লাহ আল্লাহকে মহব্বত করার মত কিন্তু যারা মমিন ব্যক্তি তারা আল্লাহকে সবচাইতে বেশি মহব্বত। এজন্য তো যার মধ্যে ঈমান দেখবেন এখানে যাবে না। আমিতো একজন যুবক মানুষ আমাকে জীবনে আপনি পাবেন না। ওই খেলার প্রতি আমার কোন আগ্রহই নাই। কারণ এটা হারামি। হারামি চিন্তা হারামি দর্শনে হারামি সবকিছু দ্বারা পরিচালিত এই খেলা। কেন আমাকে টানবে? আমি তো আল্লাহকে ভালোবাসি। আমি তো রাসূলকে ভালোবাসি। এবং পৃথিবীর যেকোন ব্যক্তি যেকোন মতাদর্শের চাইতে সবচাইতে বেশি ভালোবাসে আল্লাহ এবং রাসূলের।
প্রত্যেকটা মুমিন ব্যক্তি যে নিজেকে মুসলিম দাবি করে তার তো এমনটাই হওয়া উচিত নাকি? অথচ এখানে দেন আমরা কাকে প্রাধান্য দিচ্ছি। আমরা আল্লাহর চাইতে বেশি প্রাধান্য দিয়েছি না এখানে? আপনি বলবেন কেমন করে? আপনাকে বুঝায়। আপনি ফজরের সময় সালাত আদায় করতে পারেন না। কিন্তু ওটাই দেখছেন তো। অর্থাৎ আপনি আল্লাহকে ইনর করলেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামনকে অগ্রাহ্য করলেন। আল্লাহকে ভালোবাসা থেকে উগড়ে দিলেন। আপনি প্রাধান্য দিচ্ছেন আপনার পছন্দের প্লেয়ারকে পছন্দের দেশকে। কিভাবে? এই মুমিন এটা কখনো হতেই পারে না। মুমিনের চরিত্র এমন হওয়া সম্ভব নয়। প্রিয় দীনি ভাইয়েরা তারপরে আপনি রাত জাগলেন। আপনি যদি রাত ১২ টার সময় ঘুমেন বা একটার সময় বর্তমানে তো রাত ছোট আপনি বলবেন কেমনে আমি উঠবো? ফজরের সময় তো আমি উঠতে পারি নাই।
আমি তো নামাজ পড়তে পারি নাই। তাহলে আপনি ওই ক্লিয়ারের ওই দেশকে আপনি আল্লাহর চাইতে বেশি ভালোবাসলেন না। তা আপনার মধ্যে ঈমান আছে নাকি? আল্লাহ রাব্বুল আলামন তো আপনাকে বলছেন তুমি হল মুশরিক। শিরিক অনেকগুলো আছে। বড় বড় শিরিক। তার মধ্যে একটা হলো যে আল্লাহর মত করে কোন ব্যক্তিকে বা কোন দর্শনকে ভালোবাসা। সেটা হলো এক প্রকার জঘন্য শিরক। ওই শিরকে আপনি জড়িয়ে আছেন। এখন আপনি বলবেন না আমি ফজরের নামাজ পড়ি কিন্তু খেলাটা দেখি। কেমনে খেলা হবে? ওটা জুয়ার খেলা না। এখানে জুয়া জড়িত না। আপনার জন্য কেমন হালাল হেল। আপনি টুপি মাথায় দিয়ে অযু করে নামাজ পড়লেন আর টেবিলের সামনে।
যে মনে করছে না আমি তো একদম পাক্কা বেনা। আমার সমস্যা নাই। আমার ঈমানে কোন সমস্যা নাই। আপনি তো ঈমানটাই বুঝেননি ভাই। তা না হলে তো এটা করতেন না। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা ফুটবল খেলা জায়েজ। আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি। ফুটবল খেলা জায়েজ। এক্সারসাইজের জন্য। ট্রফির জন্য নয়। আপনি খেলবেন শুধুমাত্র এক্সারসাইজের জন্য। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা এখানে যে অপচয় হয় এই অর্থের অপচয় কেই করবে? এইযে আপনি অপচয় করলেন প্রথমত অর্থের অপচয় করে আপনি জার্সি কিনেছেন। অর্থের অপচয় করে একজন মুশরেক দেশের একজন ইহুদি দেশের পতাকা আপনি কিনেছেন। এটা একটা অপচয়। আপনি টাইম নষ্ট করে সময়কে নষ্ট করে আপনি খেলা দেখছেন এটা একটা অপচয়।
আল্লাহ রাব্বুল আলামন সূরা আসরে কি বলেছেন আসর মানে কি আসর মানে সময় আল্লাহ রাব্বুল আলামন সময়ের কসম খেয়েছেন সময় কত গুরুত্বপূর্ণ আর আপনার কাছে পানির মত এটা কোন ব্যাপারই না সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ এজন্য ইমাম শাফি রহমাতুল্লাহ বলছেন আলফ টাইমটা হল তলোয়ারের মত এই টাইমটাকে তুমি কাজে লাগাও তুমি যদি ছাত্র হয়ে থাকো পড়াশোনা কাজে লাগাও। তুমি ব্যবসায়ী হতে হলে ব্যবসায় কাজে লাগাও। তুমি যদি দুনিয়ার দন এবং দুনিয়াকে সমন্বয় করতে চাও ওখানে কাজে লাগাও। এটার নাম হল তাকে তুমি কেটে ফেল। তাকে কেটে ফেল। মানে টাইমটা কাজে লাগাও। তোমাকে ওই টাইমটা হত্যা করে ফেলবে। টুকরো টুকরো করে ফেলবে।
যারা সময়ের মূল্য জানে না এদেরকে কেউ দাম দেয় না। এতে কোন দাম নাই। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা আমাদের অবস্থাটা হয়েছে কি আমরা অনুভূতিহীন এক জাতিতে পরিণত হইছি। টিএসসিতে যখন হাজার হাজার মুসলিম ছাত্র বাংলাদেশের দক্ষিণ এশিয়ার অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা ইউনিভার্সিটির টিএসসিতে হাজার হাজার ছাত্র খেলা দেখতে মক্ত। ঠিক ওই সময় জগন্নাথ হলে জগন্নাথ হলে পলাশবাড়িতে রাম মন্দির কেন নির্মাণ বন্ধ করা হল স্থগিত করা হল এটার জন্য তারা রাজু ভাস্কর্যে কি দিচ্ছে স্লোগান দিচ্ছে রামের স্লোগান দিচ্ছে আর ওই সময় আমার মুসলমান ভাইয়েরা মুসলমান যুবক ভাইয়েরা ছাত্ররা টিএসসিতে একেবারে পিন পতন নীরবতা অবলম্বন করে খেলা দেখতেছে কেমন করে সম্ভব এজন্য জন্য আমার কাছে খুব খারাপ লাগে যখন এগুলো ভাবে যে আমরা কেমন এক জাতি যেই জাতিকে কখনো কষ্ট দেয় না মুসলমানের দুঃখ কষ্টে মুসলমানের দুঃখ কষ্ট মুসলমানদের অধঃপতন মুসলমানদের পরাজয় এগুলো তাকে কষ্ট দেয় না দুঃখ দেয় না কিন্তু আর্জেন্টিনার পরাজয় তাকে খুবই কষ্ট দেয় তার ব্রাজিলের পরাজয়কে খুব কষ্ট
দেয় সে সারাদিন আর ঘুমাইতে পারে না উমাদের মত কাজ আমরা এমন মুসলমান জাতি এজন্য আমি খুব অবাক হয়ে খুব ভাবি খুব চিন্তা করি যে আমরা একটা জড়পদার্থহীন একটা জাতিতে পরিণত হয়েছি যাদের অনুভূতি নাই যাদের ইসলামিক চেতনা নাই যাদের ইসলামিক আদর্শ নাই এই জাতিতে আমরা পরিণত হয়েছি কিন্তু আপনি দেখেন পাশে থাকা হিন্দু তার কত নিজের ধর্মের প্রতি টান তার কত অনুভূতি তার কত চেতনা তার ধর্মীয় আদর্শ কোন লেভেলে আপনি চিন্তা করতে পারেন একই জায়গায় একই ঢাকা ইউনিভার্সিটির জগন্নাথ একটা হল একটা জিয়া হল রকিয়া হল নানান হল আছে যাক কিন্তু দেখেন ওখানে মুসলিমরা মুসলিম যুবকরা ব্যস্ত খেলা নিয়ে আর ঠিক ওখানেই নিজের ধর্ম নিয়ে তারা স্লোগানে ব্যস্ত এই জাতি দিয়ে কি হবে বলেন এজন্য আমার একটা কথা আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমার নিজের কথা না আল্লাহর নবীর একটা হাদিসে আছে আল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম একদিন বক্তব্য দিচ্ছেন যে এমন একটা সময় আসবে সাহাবীদেরকে বলছেন এমন একটা সময় আসবে যে তোমাদেরকে সারা দুনিয়ার কুফফার জাতিরা ঐক্যবদ্ধ হবে তোমাকে হত্যা করার জন্য তোমাকে পরাজিত করার জন্য তোমার উপর হামলা করবে এমন ক্ষিপ্রতার সহিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে যেমনভাবে ব্যক্তিরা একটা এক পিয়ালা খাবার পেলে হামড়ে পড়ে।
তো সাহাবীরা আশ্চর্য হয়েছিলেন। কারণ ওই সময় তো মুসলমানদের বিজয় আর বিজয়। তৎকালীন পরাশক্তিরা ভয় তরথর করে কাপত। সাহাবীরা বললেন আল্লাহ নবী আচ্ছা আমরা যে এখন এক লক্ষ দেড় লক্ষ আছি। ওই সময় কি আমাদের মুসলমানদের সংখ্যাটা কি কম হবে নাকি? এই উম্মার সংখ্যা কি আরো কমে যাবে নাকি? আল্লাহ নবী বললেন না। তোমাদের সংখ্যা হবে অনেক অনেক। আতুম তোমরা অনেক সংখ্যার হবে কিন্তু তোমরা খরস্রত পানিতে যেরকম খরকুটা কচুরি পানা নির্বিঘ্নে একেবারে ভাসিয়ে নিয়ে যাই শক্তিহীন একেবারে কোন ধরনের শক্তি থাকবে না এরকম তোমরা একটা খরকুটার মত কচুরি পানার মত জাতিতে পরিণত হবে আবু দাউদের হাদিস আমাদের অবস্থা এরকম হ খুব দুঃখ লাগে এগুলো এগুলো ভাবলে অনেক কষ্ট লাগে তো আমরা এমন একটা মুসলিম জাতি যে যাদের এরকম কোন কিচছু নাই অথচ প্রিয় দনি ভাইয়েরা প্রিয় যুবক ভাইয়েরা যেই যুবকদেরকে উন্মাদনাকে কাদিয়ে লাগিয়ে মুশরিকরা কাফেররা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিজনেস করছে এই মুসলিম যুবকদের জন্য বলব তুমি তো হলা ওই জাতি ওই জাতির উত্তরসরী যিনি মাত্র ১৭ বছর মোহাম্মদ বিন কাসেম ভারতে সিন্ধু বিজয় করেছিল।
তুমি তাহলে ওই জাতি মুসাব ইবনে রাদিয়াল্লাহু আনহু যাকে আল্লাহ রাসূ সলা সবচাইতে মক্কার ধনী পরিবারের যুবক ছিল যিনি সকালে একটা পোশাক পড়লে বিকেলে আর পড়তেন না। যিনি এত দামি সুগন্ধি সেন্ট ব্যবহার করতেন ও রাস্তা দিয়ে গেলেই বুঝতে পারতো যে এটা মুসা যাচ্ছে। এরকম একজন ধনী পরিবারের সন্তান ইসলাম কবুল করল মা বাধা দিল সবকিছু প্রত্যাখ্যান করে আল্লাহর নবীর কাছে চলে গেল আল্লাহর নবী মুসা ইবনে ওমরকে পাঠিয়ে দিলেন মদিনায় যাও এক বছরের মধ্যে গোটা মদিনার পরিবেশকে ইসলাম পরিবেশে ওই জাতির আমরা উত্তরসরী কোথায় আমরা আমাদের কেন আমরা যুবকরা এত অনুভূতিহীন হয়ে গেলাম চেতনাহীন হয়ে গেলাম কেন আমরা আদর্শহীন হয়ে গেলাম আল্লাহ নবী এজন্য বলছেন যুবকরা মনে রাখবে কাল কেয়ামতের মাঠে আল্লাহর সামনে থেকে মানুষের দুই পা নড়তে পারবে না নড়াচড়ার সুযোগ পারবে না যতক্ষণ পাঁচটি উত্তর দিবে তার মধ্যে একটি কি যুবক তুমি তোমার যৌবনকালকে কোন পথে ব্যয় করেছ এটা আমাকে উত্তর দিয়ে তারপরে যাবে ওটার জন্য আমরা
কি প্রস্তুত যুবক ভাইয়েরা বলছি প্রস্তুত যুবক তোমার এবাদতের আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আনুগত্যের প্রত্যেকটা মুহূর্ত আল্লাহ রাব্বুল আলামনের কাছে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তির নফল যত এবাদত রয়েছে তোমার ফরজ তার চাইতে কয়েক কয়েক গুণ বেশি মূল্যবান কয়েক গুণ বেশি দামি কিন্তু আজকে তুমি সবকিছু হারিয়ে ফেল তুমি আধুনিকতার সময় বর্তমানের সাথে গা ভাসিয়ে সবকছু বিলিয়ে দিচ্ তোমার ঈমান তোমার আদর্শ তোমার চেতনা অতএব যুব সমাজ সহ সকল মুসলিম ভাইদের প্রতি আহ্বান রাখবো আসুন আমরা দ্বীনের পথে আসি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে ভালোবাসি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে ভালোবেসে আমরা আখেরাতের জীবনে পাশাপাশি দুনিয়ার জীবনে কিভাবে সফল হয় সেই চিন্তা করি সে আদর্শ সে চেতনাকে আমরা লালন করি হৃদয়ে ধারণ করি এবং সে অনুযায়ী নিজেদের লাইফস্টাইলটাকে সাজাই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের যুবক সহ প্রত্যেককে এই তৌফিক দান করুন।