আজকে আমাদের খুতবার বিষয় হবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টির বিষয় নিয়ে। কিছু কাজ আছে যে কাজগুলো করলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন এবং যারা করে তাদের উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন। এবং এমন কিছু কাজ আছে এবং ব্যক্তি আছে যাদের উপর আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। কেন হন সেই সম্পর্কে আমাদেরকে তালকিন করা হয়েছে। এটাই হবে আজকের খুতবার মূল বিষয়। গত পর্বে আমরা গত খুতবায় এই বিষয় নিয়ে একটা খুতবা হয়ে গেছে। তাতে আমরা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির গুরুত্ব এবং এর হাকিকত উল্লেখ করেছিলাম। তাতে যে কথাগুলো ছিল তার মধ্যে একটা ছিল যদি কেউ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালাকে সন্তুষ্ট করার জন্য কর্ম না করে তাহলে সে যত ভালো কাজই করুক সেগুলো বাতিল বলে গণ্য হবে।
এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি উদ্দেশ্য ছাড়া যে কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কোন ব্যক্তি যদি কোন কাজ করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। সে খুবই মন্দ। আর যারা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টির জন্য কাজ করে তারাই হবে সফলকাম। তারাই হচ্ছে মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ। এ কথাগুলো গত পর্বে আলোচনা হয়ে গেছে। এই মর্মে বেশ কিছু আয়াত এবং হাদিস ছিল। যেমন যাদের উদ্দেশ্য কেবল আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টি তাদের মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা কোরআনে বেশ কিছু আয়াত উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে একটা হলো আল্লাহ বলেছেন কিতাব মবিনল্লাহ সালাম মুস্তাকিম সূরা মায়েদা পাঁচ নাম্বার সূরার ১৫ এবং ১৬ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা ওই ব্যক্তিদের মর্যাদা তুলে ধরেছেন যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রাখে।
এর বিনিময়ে আল্লাহ বলেছেন যাদের অন্তরটা এমন যে সবকিছুকে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার চিন্তায় সে বজায় রাখে এবং সে উদ্দেশ্যে কাজ করে এমন ব্যক্তিরাই মূলত হেদায়েত প্রাপ্ত হবে। আল্লাহ বলেছেন আমি তাদেরকে হেদায়েত দান করব এবং তাদেরকে আমি জান্নাতের পথ সুগম কর হচ্ছে মূল উদ্দেশ্য যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলে এই কোরআন দিয়ে আল্লাহর জ্ঞান ওহী দিয়ে আল্লাহ তাকে এমন একটা রাস্তা দেখাবে সেটা কি সুবস সালাম শান্তির রাস্তা তার মানে এখানে জান্নাত হচ্ছে মূল আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার সন্তুষ্টির জন্য যারা কাজ করে তাদের সবচাইতে বড় গ্রেট হলো তাদের জন্য জান্নাতের রাস্তাকে সহজ করে দেওয়া হবে। অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ একটি আয়াত।
অতএব আমাদেরকে সর্বদা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে পথ চলা উচিত। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার সন্তুষ্টি মানে কি? আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টি হলো রহমত পাওয়ার সব। মানে যার উপরে আল্লাহর সন্তুষ্ট রয়েছে সেই ব্যক্তি আল্লাহর রহমত পাবে। আর যেই কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট তার মানে হলো ওই যতগুলো কাজ আপনার কাছে পরিচিত পাবে প্রকাশ পাবে প্রমাণ হবে যে এই কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট তখন আপনাকে জানতে হবে এই পৃথিবীতে ওই কাজগুলোই সবচাইতে ভালো কাজ যে কাজে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন সেটা কোনদিন কোন ভালো কাজ হতে পারে না আর যাদের উপরে আল্লাহ সন্তুষ্ট তার মানে কি যে কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট সে কাজ যেমন ভালো যাদের উপরে আল্লাহ সন্তুষ্ট তার মানে হলো এই পৃথিবীতে তারাই হচ্ছে মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ।
কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা কোন অধম অযোগ্যর উপরে সন্তুষ্ট হন না। আল্লাহ কোন ব্যক্তির চেহারা, তার টাকা পয়সা, তার বংশ, তার রক্ত, তার ন্যাশনালিটির উপরে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার সন্তুষ্ট অসন্তুষ্টি লিখে রাখে নাই। বরং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্ট তার অন্তর এবং তার কর্মের উপরে। যদি চেহারার উপরে সন্তুষ্ট হতে হতো তাহলে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বেলাল রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর উপরে সন্তুষ্ট না হয়ে আবু লাহাবের উপরও হইতো। কারণ আবু লাহাব সবচাইতে সুন্দর ছিল। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বেলাল রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন। কারণ আল্লাহ চেহারা দেখে সন্তুষ্ট হন না বরং অন্তর এবং কর্ম দেখে সন্তুষ্ট হন। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা যদি শুধু আরব দেশের উপর সন্তুষ্ট হতো তাহলে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা কোরআনে বলেই দিতেন।
কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলে দিয়েছেন আমি তোমাদেরকে ভাগ করে দিয়েছি শুধু পরিচিতির জন্য। ইন্দল্লাহ বরং আল্লাহর কাছে সম্মানিত হচ্ছে সেই ব্যক্তি যার মধ্যে তাকওয়া যত বেশি আছে এজন্য বাংলাদেশী হয়েও যদি কেউ আল্লাহকে ভয় করে চলে তাহলে সেন্ বরং আল্লাহর কাছে সম্মানিত হচ্ছে সেই ব্যক্তি যার মধ্যে তাকওয়া যত বেশি আছে এজন্য বাংলাদেশী হয়েও যদি কেউ আল্লাহকে ভয় করে চলে তাহলে সে ওই আরব থেকে শ্রেষ্ঠ হবে যে আরব আল্লাহকে ভয় করে চলে নাব বিষয়টা স্পষ্টভাবে আপনি বুঝতে পারলে কথার আগে মানে এই বিষয় নিয়ে আর কথা বলার প্রয়োজন হবে না। অল্প কথাতে আপনাকে বিষয়টা অনুধাবন করতে হবে যে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলা এটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
এ সম্পর্কে অনেক লম্বা কথা গত সপ্তাহ হয়ে গেছে। অপর আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা তাদের সম্পর্কে বলেছেন যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলে। আল্লাহ বলেছেন ল্লাহ যেই ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলে এই ব্যক্তি কি কোনদিন ওই ব্যক্তির মত হবে যারা আল্লাহর অসন্তুষ্টির পথে হাটে আর তাদের ঠিকানা হচ্ছে জাহান্নাম কত মন্দ সেই স্থান যারা জাহান্নামে যাবে এই আয়াতে আল্লাহ ইঙ্গিত করিয়ে দিয়েছেন যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রাখে তারা শ্রেষ্ঠ তাদের মর্যাদা স্থানটাই ভিন্ন। আর যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি খেলাফ অসন্তুষ্টির কাজে লিপ্ত তাদের রেজাল্ট হচ্ছে জাহান্নাম। সেখানে তারা চিরস্থায়ী থাকবে। আল্লাহ বলেছেন যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলে ইন্দল্লাহ তাদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি।
ল্লাহুবা আর কে কি করে তাদের সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা খুব সজাগ। মানে আল্লাহ তা দেখছেন। সূরা আল ইমরান ১৬২ এবং ১৬৩ তে আয়াতগুলো আপনি পাবেন। তো কথা হচ্ছে যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার সন্তুষ্টি যারা লক্ষ্য করে চলে তারাই হচ্ছে সম্মানিত এবং মর্যাদাবান। সবথেকে বড় ফজিলত আরেকটা কথা বলে দেই। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলে বলেছিলাম যে তাদের পথকে সুগম করা হবে। সহজ করা হবে। তাদের হিসাব নিকাশ সহজ হবে। তার একটা নুক্তা আপনাকে বলে দেই।
আল্লাহ সুবহানাহুতালা তাদের মর্যাদা সম্পর্কে সূরা নাজুম ৫৩ নম্বর সূরার ২৬ নাম্বার আয়াতে বলেছেন আল্লাহ বলেছেন আকাশে কত শত কোটি ফেরেশতাকে সৃষ্টি করা হয়েছে তারা আল্লাহর কাছে সুপারিশ করে এবং করবে কিন্তু আল্লাহ বলেছেন তাদের এই সুপারিশ কোন কাজে আসবে না যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ যার জন্য অনুমতি দেবেন ফেরেশতারা সুপারিশ করার জন্য টিম প্রস্তুত কিন্তু আল্লাহর অর্ডারের অপেক্ষায় থাকবে যে এই সামনের ব্যক্তি সম্পর্কে কি আমরা সুপারিশ করার অধিকার রাখি কি রাখি না এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে বলা হবে আল্লাহ বলবেন হ্যা এর জন্য তোমরা সুপারিশ করতে পারো তাহলে একটা অনুমতি লাগবে দ্বিতীয়ত লাগবে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন আর আল্লাহ যার উপরে সন্তুষ্ট এর জন্য সুপারিশ কাজে আসবে।
তার মানে আমরা যখন বলি যে রাসূল আমাদের জন্য সুপারিশ করবেন কথা তো সত্য। তারপরে ফেরেশতারা আমাদের জন্য সুপারিশ করবেন কথা সত্য। মুমিন ব্যক্তিরা আমাদের জন্য সুপারিশ করবেন। কথা সত্য। তবে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলে দিয়েছেন কে আছে? আমার অনুমতি ছাড়া কে আছে পৃথিবীতে? এমন ক্ষমতা রাখে আকবারি এসে সুপারিশ করার ক্ষমতা রাখে। আল্লাহ বলেছেন না আমার ইচ্ছা ছাড়া কোন ব্যক্তি সেদিন সামনে আসতে পারবে না কথা বলার জন্য। কারণ সেইদিন একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো জবান দিয়ে কোন কথা চলবে না। আল্লাহ যাকে অনুমতি দিবেন শুধু সে কথা বলার অনুমতি পাবে। এমনকি রাসূল পর্যন্ত। তখন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বলে দিয়েছেন আমার সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে যারা দুনিয়াতে চলে এই ফেরেশতাদের সুপারিশ কেবল তাদের জন্য কাজে আসবে এবং আমি আল্লাহ যার উপরে সন্তুষ্ট তার জন্য সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হয়ে যাবে।
তার মানে বুঝেন কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ যার উপরে সন্তুষ্ট না তাহলে তার জন্য সুপারিশও কোন কাজে আসবে না। যেমন আমাদের ব্যক্তিগত জীবন এমনটা ঘটে। আপনার কাছে যদি কেউ এসে সুপারিশ করে অনেক সময় যদি সেই ব্যক্তিটা পছন্দনীয় ব্যক্তি হয় তার খাতিরে আপনি অনেক কিছু মেনে নেন। আর এমন ব্যক্তি যদি এসে সুপারিশ করে যাকে আপনি পছন্দ করেন না তার কথাই আপনি শুনতে চান না। তাকে আপনি রদ করে দেন। এজন্য দেখবেন যে যারা নেতাদের ধরনা ধরে বা সরকারি যে সমস্ত কাজগুলো আছে তার কাজটা সহজ হয়ে যায়। যার সাথে তার লোবিং আছে। সম্পর্ক আছে, পরিচিতি আছে। সুপারিশ করলে কাজ হয়ে যায়।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বলেছেন তাহলে আমার সাথে যাদের সম্পর্ক যারা আমার সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলে তাদের সাথে আমার সম্পর্ক তাদের উপর আমি সন্তুষ্ট এমন কেউ এমন কোন ব্যক্তির জন্য যদি সুপারিশ করে তখন আল্লাহ বলেছেন সেটা গ্রহণযোগ্য হয়ে যাবে এজন্য আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এটা আমাদেরকে মাথায় রাখতে হবে এবার আসুন আমরা আগে বাড়ি এটা হলো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার সন্তুষ্টি হাসিল করার ফায়দা এখন আমাদেরকে জানতে হবে কোন কাজে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা সন্তুষ্ট হন কাদের উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আজকে অধিকাংশ মুসলিম এটা জানেন না বিধায় আপনি আর পরবাহ করেন না প্রথম পরবা করেন না আপনি ভুলে গেছেন যে পরকাল বিচার খুব কঠিন হবে সেই দিনটা আল্লাহ সুবহানাহুতালা কি বলেছেন এভাবে আল্লাহ বলেছেন যেটা কাফেরদের জন্য সহজ হবে না সেটা অত্যন্ত কঠিন দিন হবে মানুষ ভুলে গেছে সেইদিন আল্লাহর কাছে বিচারটা মানে এত জোরালো হবে এবং এত শক্তভাবে ধরা হবে যার ফলে আজকে অধিকাংশ মানুষ হচ্ছে উদাসীন।
আর সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে একটা ছোট্ট কাজ হতে পারে রাস্তা থেকে একটা কষ্টদায়ক বস্তু তুলে ফেলে দেওয়া। এটার অনেক মর্যাদা। যদি সেই কাজটা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য হয়। আর এই কাজটাই অনেকে করে। চায়না জাপান অনেক যারা ব্লগার আছে যারা ইউটিউবার যারা নেটিজেন যাদেরকে বলে তারা ভিডিও করে দেখবেন যে তারা নিজেরাই রাস্তার উপর একটা খড়ি রাখে এটা অনেক প্রমাণ প্রকাশ পেয়েছে ইচ্ছা করে নিজেই সে গর্ত খুরেছে তারপরে ক্যামেরা রেডি করেছে তারপরে নিজেই আবার সেটাকে মেরামত করেছে এবং সেটা প্রচার করেছে দেখানোর জন্য যে আমি এই কল্যাণকর কাজগুলো করি উদ্দেশ্য কি ফলোয়ার বাড়ানো উদ্দেশ্য হচ্ছে তারপরে স্ক্রিনে একটা নাম্বার দিয়ে দিয়ে দেয়া হয়।
এই ধরনের কল্যাণকর কাজে আমরা নিয়োজিত। আপনারা হেল্প করেন, সাহায্য করেন। তার মানে টাকা ইনকাম করার একটা সোর্স। এটা যদি কোন মুসলিম করে তাহলে অত্যন্ত নিন্দনীয় একটা ব্যাপার। কারণ জনকল্যাণমূলক যে কোন কাজ যেহেতু আমাদের ধর্ম আমাদের আল্লাহ আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন যে রাস্তা থেকে একটা কষ্টদায়ক বস্তু তুলে ফেলে দেওয়া এটা কি? সাদাকা। এবং ঈমানের যে শাখাপশাখা আছে এটা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যে একটা ব্যক্তির মধ্যে নূন্যতম ঈমান থাকলে সে কোনদিন একটা পিন রাস্তায় পড়ে থাকতে এটাকে ইগনোর করতে পারে না। একটা কলার ছিল একটা ময়লা পড়ে আছে। একটা মুসলিম এটাকে নিম্নতম তার অন্তরে ঈমান থাকলে সেটাকে উপেক্ষা করে যেতে পারে না।
এই কি আপনাদের সামনে তিনটা বাচ্চা এরম করতেছে কেন? তিনজনকে তিন দিকে উঠান। এটা তো খুতবা চলতেছে। উঠান। তিনজনকে এখান থেকে উঠান। উঠান। তো আমাদের মুসলিমদেরকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে ছোট থেকে কল্যাণকর কাজগুলো কেন আল্লাহ সুবহানাতালা ভালো করেই জানেন তিনি তো মানুষকে সৃষ্টি করেছেন মানুষের অন্তর কোন দিকে যেতে পারে কি চায় মানুষ এটা আল্লাহ ভালো করেই জানেন কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দিয়ে আল্লাহ মুসলিমদেরকে একটু ব্যতিক্রম একটা চরিত্র দিতে চেয়েছিলেন যে মুসলিমরা কোনদিন কোন লোক দেখানোর কাজে নিয়োজিত হবে না। দুনিয়াকে পাওয়ার জন্য সে ভালো কাজ করবে না। বরং একটা মুসলিমের প্রত্যেকটা ভালো কাজ হবে আল্লাহকে পাওয়ার জন্য।
আল্লাহকে সন্তুষ্টি হাসিল করার জন্য। এটা আমাদেরকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেখেন অবস্থাটা আমাদের শিক্ষা শিক্ষার জায়গায় রয়ে গেছে কিতাবের মধ্যে ইহুদি নাসারাদের মত। কিন্তু আমাদের গতিপথ ভিন্ন। আমাদের উদ্দেশ্যই ভিন্ন। এটা মোটেও কাম্য নয়। এইজন্য যেখানে ফায়দা নাই সেখানে আমরা মুসলিমরা নাই। অন্তত দুনিয়াবী একটা ফয়দা থাকতে হবে। ওটার মধ্যে টাকা পয়সা ইনকামের একটা রাস্তা থাকতে হবে। তাহলে আমরা সে কাজটা করি। না হলে আমরা সে কাজটা করি না। তাহলে আমাদের দ্বীনের দাওয়াত প্রচার প্রসার বা ধর্মের যে মূল যে সৌন্দর্যতাটা আছে সেটা এখন পয়সার কাছে আটকে গেছে। এজন্য যেখানে কোন ফায়দা নাই মুসলিমরা সেখানে ওই কাজের মধ্যে নাই।
বরং যেখানে ফায়দা বা যেখানে পয়সা আছে মুসলিমদের অধিকাংশগুলা ওইদিকে ঝুকে গেছে। সেটা হালাল না হারাম সেটা মুসলিমেরা দেখে না। বরং এটা হয়েছে শুধু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টিটাকে খেয়াল না রাখার কারণে। কারণ আমরা দুনিয়া পেয়ে সন্তুষ্ট হতে চাচ্ছি। অথচ আল্লাহ আমাদেরকে পরকাল নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে বলেছেন। তো এজন্য আজকের খুতবার বিষয়টা মূলত এটাই। যদি সংক্ষিপ্তভাবে এ কথাগুলোকে আপনি অন্তরে ধারণ করতে পারেন আমি মনে করি আমাদের কাজ সুন্দর হয়ে যাবে। তো এবার আসুন যেই কাজে আল্লাহকে সবথেকে বেশি সন্তুষ্ট করতে পারবে মানুষ তার প্রথম পর্যায় হলো ঈমান। ঈমান এবং সৎ কাজ এটা লাগবেই। এটা বিহীন। আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা কোন ব্যক্তির উপর সন্তুষ্ট হবেন না।
কখনই হবেন না। এটা আল্লাহ সুবহানাহুতালা কোরআনে একাধিকবার ঘোষণা করে দিয়েছেন। আল্লাহ কোনদিন কোন কুফরের প্রতি সন্তুষ্ট হবেন না। ইন্নাল্লাহ। ইন্নাল্লাহ আল্লাহ কখনোই কোন বান্দার কুফরের উপরে সন্তুষ্ট হবেন না। মূলত এখানে কুফরি করাও না। এখানে নাশুকরি। আল্লাহর নাশুকরি যে ব্যক্তি করবে সেই ব্যক্তি কোনদিন আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে পারবে না। আর কুফরি তো অনেক দূরের কথা। তাহলে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য সর্বপ্রথম মানুষের যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে ঈমান। ঈমান এবং সৎ কাজ। এই মর্মে লম্বা আলোচনা হয়ে গেছে। যেমন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বলে দিয়েছেন যারা ঈমানদার এবং সৎ কাজ করে তাদের উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট এবং তারা হল সবথেকে শ্রেষ্ঠ বরং সবথেকে কি পুরো সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যদিও ছোট্ট একটা সূরার মধ্যে আমপারার মধ্যে রয়েছে আপনি হয়তো গুরুত্ব দেন না সেই ভাষাগুলা কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন ইন্নাল্লাজনা নিঃসন্দেহে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎ কাজ করে তারা হল সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ।
যত কিছু সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হচ্ছে ওই ঈমানদার ব্যক্তি যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং সৎ কাজ করে যাচ্ছে আল্লাহ তাদেরকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ বলেছেন। এটা অনেক বড় একটা কথা। তাদের জাজ কি? তাদের মর্যাদাকে আল্লাহ বলেছেন তাদের জন্য আল্লাহ জান্নাতুল আদনকে প্রস্তুত করে রেখেছেন আনহার আনহার যেখানে তলদেশে ঝরণা প্রবাহিত থাকবে এবং সেখানে তারা চিরস্থায়ী বসবাস করবে আর তাদের এই মর্যাদার কারণে আল্লাহ বলেছেন রাদিয়াল্লাহু আনহু তারা যেমন আল্লাহর উপরে সন্তুষ্ট হয়ে যাবে আল্লাহও তাদের উপরে সন্তুষ্ট ঘোষণা করে দিলেন রাদিয়াল্লাহু আনহুমানাবা এটা এজন্য হয়েছে যাতে করে তারা আল্লাহকে ভয় করে চলে। এজন্য এর জাযা স্বরূপ আল্লাহ তাদের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে গেছে।
এটা সূরা আল বাইয়েনাত ৯৮ নাম্বার সূরার আট নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন। তার মানে এই আয়াত স্পষ্ট প্রমাণ করে যারা ঈমানদার এবং সৎ কাজ করবে তাদের উপর আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা সন্তুষ্ট হবেন। ঈমান এবং সৎ আমল সৎ কাজ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ মর্মে বেশ কিছু হাদিস রয়েছে। তার মধ্যে একটা হাদিসের মধ্যে আল্লাহ নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ইন্নাল্লাহালায় ইন্নাল্লাহালা তিনটা কাজের উপরে তিনটা কন্ডিশন শর্তের উপরে আল্লাহ তোমাদের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন। যেই ব্যক্তি তিনটা জিনিসকে পুরা করবে আল্লাহ তার উপরে সন্তুষ্ট হবে। তিনটা বিষয়ের উপর সেটা কি? প্রথম বিষয় হচ্ছে ইয়ারদালাকুম যদি তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো তাহলে আল্লাহ তোমাদের উপরে সন্তুষ্ট হবেন।
এটা হচ্ছে প্রথম কন্ডিশন। একজন ঈমানদার ব্যক্তি যদি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে চায় তার ইবাদত লাগবে। তার ইবাদত করতে হবে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে এবং আল্লাহর সাথে কখনো কারো সাথে শরিক স্থাপন করা যাবে না। মানে শিরিক থেকে বাঁচতে হবে। এই দ্বিতীয় পয়েন্টটায় অনেকেই গর্ব করে যারা আহলে হাদিসের সন্তান তারা অনেক সময় গর্ব করে বলে আমরা শিরিক করি না। কিন্তু বেনামাজি ও হালাল খায় না। ও বেপর্দা টাটার নিচে প্যান্ট। মুখের মধ্যে হারাম জিনিসের গন্ধ। দন ইসলামের আর কোন ধার ধারে না। তার মানে ওর দ্বিতীয়টা ও নিয়ে বড়াই করতেছে। কিন্তু ওর প্রথমটা মিসিং আছে। প্রথমটা কি? প্রথমটা হল আল্লাহর ইবাদত করতে হবে।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নাই। তো তার মানে তার দ্বীনদারিত্ব নাই। সোজা কথা। এজন্য আগে ইবাদত করতে হবে। সেই ইবাদত গুলোকে রক্ষা করতে হলে শিরিক থেকে বাঁচতে হবে। এটা দ্বিতীয় কন্ডিশন। কিন্তু আমরা দ্বিতীয়টা নিয়ে পড়ে আছি। অথচ আপনার আমার ইবাদত নাই। কোন ইবাদতটা সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা একটু পরেই আসবে। তাহলে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার সন্তুষ্টি রয়েছে তিনটা জিনিসের উপরে। তার প্রথমটাই হল আল্লাহর ইবাদত। এজন্য যারা নামাজ ছেড়ে দিয়েছেন, আল্লাহর বন্দেগী করা ছেড়ে দিয়েছেন তার মানে আপনি জেনে নেন আল্লাহ কখনোই আপনার উপরে সন্তুষ্ট হবেন না। দ্বিতীয়ত হচ্ছে শিরিক থেকে বাঁচতে হবে। তহলে আল্লাহ আপনার উপরে সন্তুষ্ট হবেন। তৃতীয় হচ্ছে বিহালিল্লাহি জামিলা তোমরা আল্লাহর রশি মানে আল্লাহর কোরআনটাকে শক্ত করে ধারণ করবে সবাই।
মানে জামাতবদ্ধ জীবন কোরআন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। কোরআন এবং সুন্নাহর যে পথ প্রদর্শন রয়েছে সাহাবায়ে কেরাম তাবেঈন তাবা তাবেঈন যারা যে পথে চলে গেছে আমাদের সবাইকে ডাকা হয়েছে এই পথে যারা আসবে তারা যেমন কোরআনকে আঁকড়ে ধরেছে আমরাও যদি এই কোরআনকে আঁকড়ে ধরে থাকি তাহলে আল্লাহ তাদের উপরে সন্তুষ্ট হবেন। আর যারা কোরআন সুন্নাহ থেকে সরে যাচ্ছে একেকটা মত গ্রহণ করে নিচ্ছে তারা কোনদিন আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে পারবে না।
কারণ আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য এই পৃথিবীতে বহু মানুষ বহু রাস্তা গ্রহণ করেছিল আর আল্লাহ সেগুলো এ একটা করে নাকচ করে দিয়েছে যেটা ভুল পন্থা আরে পৃথিবীতে এমনও মানুষ আছে যারা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য সংসার ছেড়ে দিয়েছিল সূরা আল গাশিয়ার তাফসীর পড়ে দেখবেন কোন এক খ্রিস্টান সে সংসার ছেড়ে দিয়ে জঙ্গলে চলে গেছে এবং সেখানে গাছের পাতা খেয়ে বেঁচে থাকতো তার চামড়া তার হাড্ডির সাথে লেগে গিয়েছিল চামড়া আর হাড্ডির মাঝখানে কোন গোশত জন্মায়নি কারণ সে পরিমাণ খাদ্যই গ্রহণ করত না। ওমর রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু দেখে কেঁদে দিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন আমি নাসিবা তাসলা হামি অথচ এই ব্যক্তি পরিশ্রম করেও জাহান্নামে যাবে।
কেন? কারণ তার পরিশ্রমটা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যই ছিল। কিন্তু ভুল পন্থায় ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নাযিল করে দিয়ে আল্লাহ বলে দিয়েছেন পথ একটাই হবে। সেটা হচ্ছে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পথ। একমাত্র পথ এটা যেটা আল্লাহ নাযিল করেছেন কোরআনের পথ এটাকে যারা আকড়ে ধরবে আল্লাহ তাদের উপরে সন্তুষ্ট হবেন নিজের খেয়াল খুশিকে ছাড়তে হবে আমাকে আপনার আমার ইচ্ছাটাকে কোরআন হাদিসের মধ্যে বেঁধে দিতে হবে এটাকে আকিদা বলা হয় গিরা লাগিয়ে দিতে হবে কোরআন হাদিসের সাথে এর খেলাফ যাওয়া যাবে না এই কাজগুলো যারা করবে তাদের উপর আল্লাহ রাজি এবং খুশি হবেন সন্তুষ্ট হবেন এই হাদিসের মধ্যে আল্লাহ তিনটা অসন্তুষ্টির কথাও জানিয়েছেন যে আল্লাহ যে মানুষের উপর অসন্তুষ্ট হন কোন কোন বিষয়ের উপরে তার তিনটা এখানে আছেলাকুম সালা তিনটা বিষয় আল্লাহ তোমাদেরকে অপছন্দ করেন বা অসন্তুষ্ট হন তার একটা হচ্ছে সতল মাল রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম বলেছেন আলফাল কথা বলা অপ্রসঙ্গিক কথা এটাকে বলা হয় অপ্রসঙ্গিক কথা বসে আছেন বিনা
কোন প্রসঙ্গ ছাড়াই আপনার অধিকাংশ মানুষগুলা যে কথাগুলা বলেন আপনি দেখেন তো এটা আপনার সাথে যায় কিনা কেমন কথা রাষ্ট্রপ্রধানকে নিয়ে বলতেছেন সে চায়নায় গিয়ে কি বলে আসলো আমেরিকান গিয়ে কি ছিড়লো এটা হইলো সেটা হইল ইসরাইলে ইরানে বুম ফেলছে কি ফেলে নাই মিজাইলটা কত বড় ছিল হাহা দিচ্ছেন বাহাবা দিচ্ছেন একজন বলতেছে দিছে সৌদি আরবকে একজন বলছে এইটা সেটা এই যে আপনি যে বসে এগুললা বলতেছেন আপনার সাথে কি সম্পর্ক চায়নাতে গিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান কি করল এটা আপনি তো কোন দায়িত্ব প্রাপ্ত না এটা নিয়ে আপনি চায়ের দোকানে বসে আপনার কি ফায়দা হইতেছে রাষ্ট্রেরবা কি ফায়দা হচ্ছে এগুলো তো অনেক বড় ইস্যু যারা এই ধরনের কিছু না ধরেন এটা হয়তো অনেক সময় দরদ থেকে দর থেকে সে বলে যেহেতু তারা ভুল করতেছে চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে এজন্য কষ্টে খুবে হয়তো কথাগুলো বলে এটা না মেনে নিলাম কিন্তু আপনি বসে আছেন এমন মানে বিষয় নিয়ে কথা বলতেছেন যেটার কোন ভিত্তি পর্যন্ত
নাই নায়ক নায়িকাদেরকে নিয়ে গায়ক গায়িকাদেরকে নিয়ে খেলোয়াড়দেরকে নিয়ে কোন একটা মানে বসে বসে যে মাছ ধরাকে নিয়ে আলোচনা করতেছেন কেডায় কত বড় মাছ ধরছিল ছুইটা গেল না কি করল এগুলো নিয়ে এই ধরনের কথা কিলোকম মানে খামাখা কথা যেই কথাতে কোন আল্লাহর নাম নাই আমি তো মাঝে মাঝে ওযে বিজনেস পারপাস দুনিয়াবী কিছু লোকদের সাথে গিয়ে মাঝে মাঝে বসে এত মানে ব্যথা লাগে আমি তাদের টেবিলে বসলে মানে আমাদের লাইফে কোনদিন বসা হয় নাই ইদানিং দুই একটা বৈঠকে গেলাম সুবহানাল্লাহ তাদের জীবন দেখলে আশ্চর্য লাগে এজন্য পয়সাওয়ালাদের বৈঠকে গিয়ে না বসাটাই উচিত তারা দেখবেন আল্লাহকে নিয়ে পরকাল নিয়ে কোন কথা নাই না তারা শুধু বিজনেস নিয়ে যে কথা বলবে তাও না।
তাদের কথা হলো রিসোর্ট হোটেল অমুক তমুক নায়িকাদের জীবন নায়কদের জীবন নেতাদের জীবন কে কি করলো কে হইলো কি হবে এগুলো নিয়ে সেখানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার নাম ভুলক্রমেও একবারও আসে না তাহলে এই যে মানুষগুলার কি হবে কাল কেয়ামতের মাঠে কি নিয়ে তারা দাঁড়াবে এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাায়ালার সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির কোন খেয়াল রাখে না বরং জেনে নেন এই ধরনের বৈঠকে এই ধরনের কথাবার্তায় আল্লাহর সন্তুষ্টির জায়গায় অসন্তুষ্টিমূলক কথা সবথেকে বেশি বেশ হয়। অনেক বেশি হয়। যেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কাউকে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করা হলো। আর সে একটা কথা বলে দিল না জেনে। লেগে গেল উত্তর সঠিক। কিন্তু রাসূল বলেছেন তারপরে সে ভুল করল।
কারণ সে না জেনে কথাটা বলেছে। যদিও সঠিক হয়ে গেছে। কিন্তু না জেনে বলার কারণে সে গুনাগার হবে। এটা হচ্ছে অন্ধকারে ঢিল মারার মত। এটাতে যদি এতটা কঠোরতা করা হয়েছে আর আপনি ডাইরেক্ট ভুল বলবেন তাহলে আপনার রেজাল্টটা কি হবে? একটু পরেই সে কথাটা আসবে যে মুখের কথার মানে কতটা মারাত্মক হতে পারে। তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন আল্লাহ অপছন্দ করেন কিলোকাল যে কথাতে কোন নেকি নাই। মাত্র অতিরিক্ত প্রশ্ন করা। সেটা যে কোন বিষয় হোক আর ধর্মীয় বিষয়তো এটা একবারে নিন্দনীয়। কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা বনী ইসরাইলদেরকে অপছন্দ করতেন শুধুমাত্র অধিক মাত্রায় প্রশ্ন করার কারণে। আলফাল প্রশ্ন করত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ঠেকানোর জন্য প্রশ্ন করা হয়েছে।
জিজ্ঞেস করে বলেন তো রুহটা কি যেটার সাথে তার আমলের কোন সম্পর্ক নাই তার জবাবটা আল্লাহ ঠিক ওইভাবে দিয়েছে বন ইসরাইলদেরকে বলা হয়েছিল তোমরা একটা গরু জবা করো তারা বলেছিল আল্লাহ তোমাদেরকেটা গরু জবা করতে বলেছে তারা বলতেছে আল্লাহর কাছে জিজ্ঞেস করেন গরুর রং কি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে ধরণ কি? অথচ আল্লাহ কিন্তু প্রথমে এটা বলে নাই। আল্লাহ বলছে একটা গরু জবা করে যেকোন একটা গরু জবা করে দিলেই হয়ে যাইত। কিন্তু তাদের কথার কারণে আল্লাহ একেবারে পিতবর্ণের মানে গোল্ডেন কালারের একটা গরুর কথা বলে দিয়েছেন। যেই গরু একবারে আদর যত্ন লিতলিত হয়েছে। এবার খুঁজে বের আল্লাহ এটাকে অপছন্দ করেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছে। তাকেও যখন সাহাবায়ে কেরামরা বিনা কোন প্রশ্ন করতেন যেটা রাসূল বলতে চাচ্ছেন না। এই ধরনের প্রশ্নকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম অপছন্দ হিসেবে দেখতেন। একজন সাহাবী জিজ্ঞাসা করেছেন ইয়া রাসূল্লাহ হজ কি প্রত্যেক বছর ফরজ রাসূল চুপ ছিলেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন আবার জিজ্ঞাসা করেছেন আফি কুল্লি আমিন ইয়া রাসূল্লাহ তারপর রাস জবাব দিলেন তিনবার যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তখন রাসূল বলেছেন যদি আমি বলে দেই নাম হ্যাঁ তাহলে তোমাদের প্রত্যেকের উপরে প্রত্যেক বছর হজ ফরজ হয়ে যেত এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন ওই ব্যক্তি হচ্ছে সবথেকে বেশি মানে আল্লাহর উপরে রাগান্বিত রাগান্বিত আল্লাহ ওই ব্যক্তির উপরে যেই ব্যক্তির কথার কারণে শরীয়তের তারা হালাল হারাম করা হয়েছে।
তার মানে যেটা হালাল ছিল এই ব্যক্তির বাড়াবাড়ি করার কারণে আল্লাহ হারাম করে দিয়েছেন। তা এই ব্যক্তির উপর আল্লাহ হচ্ছে সবথেকে বেশি নারাজ রাগান্বিত। এজন্য মুখের এই জবানটাকে আপনি সীমাত রাখেন। অতিরিক্ত প্রশ্ন করতে যেয়েন না। অতিরিক্ত প্রশ্ন যদি নিজের মধ্যে জাগে আজকে আমাদের কাছে যুবক-যুবতীরা যারা আমাদেরকে জানতে চান মহিলারা পুরুষরা যে ওয়াসওয়াসার রোগী আল্লাহ সম্পর্কে ওয়াসওয়াসা। ধর্মের যে কোন একটা বিষয় সম্পর্কে ওয়াসওয়াসা। তাকে বলা হয়েছে যে রমজান মাসে কবরের আজাব বন্ধ থাকে। সে বলতেছে তাহলে এই দিনে যদি কোন কাফের মারা যায় সে কি জান্নাতে যাবে? আমাদের অন্তরে এরকম কোনদিন প্রশ্ন জাগে নাই। তাহলে আপনার অন্তরে কেন যাবে? তার মানে শয়তান তাকে নিয়ে খেলা করে।
আর সে সেটাকে মুখে প্রকাশ করে। এটা জাস্ট একটা এক্সাম্পল দিলাম। তার মানে একটা মুসলিম কোনদিন এমন হইতে পারে না। কারণ আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবায়ে কেরামদের জীবনীটাকে গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। আবু বকর ওমর, ওসমান, আলী তাদের অবস্থাটা কেমন ছিল? বুঝুক আর না বুঝুক। রাসূ যেটা বলেছে হ্যা এটাই। এটাই মেনে নিয়েছে। বলা হয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলতেছেন একটা ঘটনা যে একদিন একটা রাখাল একটা বাঘের মুখ থেকে তার বকরিটাকে ছিনিয়ে নেয়।
বাঘের জবান খুলে গিয়েছিল এবং বলেছিল সেইদিন রাখাল তুমি কি করবা যেইদিন রক্ষা করার মতন কেউ থাকবে না তখন আশ্চর্য হয়ে গেছে সাহাবায়ে কেরামরা যারা উপস্থিত ছিলেন বলতেছে ইয়া রাসূল্লাহ ভাগ কথা বলেছে বা বলবে বলতেছে আমি আবু বকর এবং ওমর তা বিশ্বাস করি অথচ সেখানে আবু বকর ওমর ছিল না কিন্তু রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকর এবং ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুমাকে এমনভাবে জাতির কাছে পেশ করেছেন যে আমি মোহাম্মদ মুখ থেকে যা বলব পৃথিবীর কেউ মানুক আর না মানুক এই দুইজন অবশ্যই মানবে ঈমান হইতে হবে এমন আমরা কেন কোরআন এবং সুন্নাহর প্রতি এত বিদ্বেষ পোষণ করি যখন জেনে গেছেন হাদিস সহ সহ না হলে সেটা ভিন্ন কথা জেনে গেছেন সহ তারপর আপনি টালবাহানা কেন তার মানে আপনার অন্তরের মধ্যে রোগ আছে আপনি শুধর আল্লাহর কাছে আশ্রয় চান আল্লাহ আমি আমার অন্তরের খারাবি থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এটা করতে হবে তো রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন সাওয়াল অতিমাত্রায় প্রশ্ন করা এটা ইসলাম পছন্দ করে না মানে আল্লাহ সুবহানাহুতালা এটাকে পছন্দ করেন না।
মাল আর সম্পদকে নষ্ট করা আল্লাহ পছন্দ করেন না। আমরা কিভাবে সম্পদ নষ্ট করি? এটা যার যার খবর সে ভালো জানে। আমাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে যত টাকা দুর্নীতি করে মানে খাচ্ছে একটা কোন কিছু পাশ করে দিয়ে এগুলো সব হচ্ছে বাতিলভাবে টাকা খাওয়া। তারপরে আমরা ব্যক্তিগতভাবে যারা নেশাখোর তারা সব হচ্ছে বাতিলভাবে টাকা নষ্ট করে। যারা অযথায় ঘোরাফেরায় লিপ্ত তারা অযথায় আপনার টাকাকে নষ্ট করার মধ্যে শামিল। এইভাবে জীবনের যে কোোন এঙ্গেলে আপনি এটাকে ফিট করতে পারবেন। এটা হচ্ছে টাকাকে অপচয় করা নষ্ট করার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে। যদি আপনার মনে হয় এটা অপচয় তাহলে আপনি সেটা থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করেন। কারণ আল্লাহ এটা পছন্দ করেন না।
ইমাম মুসলিম এ হাদিসটাকে কোট করেছেন যেটা আপনি ৪৩৭৩ এ পেয়ে যাবেন। তাহলে আমরা মূল বক্তব্যের দিকে ফিরে আসি যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা মানুষের উপরে সন্তুষ্ট হন তিনটা কন্ডিশনে। তার একটা হলো তার ইবাদত করতে হবে। শিরিক করা যাবে না এবং কোরআন সুন্নাহকে মানে দ্বীনকে আঁকড়ে ধরতে হবে। তার মানে আজকে আমরা আমাদের দ্বীন ধর্মটাকে যে এঙ্গেল থেকে যতটা ছেড়ে দিয়েছি আপনি জেনে নেন আমি আর আপনি ততটা আল্লাহর অসন্তুষ্টির দিকে হাঁটতেছি। আর যে যত বেশি দ্বীনকে আঁকড়ে ধরেছেন সে তত বেশি আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে আছেন। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার কাছে এর জন্য আপনার শুকরিয়া প্রশংসা করা উচিত। এবার আসুন আমি আপনাকে দেখাই যে সৎ কাজের মধ্যে কোন কাজগুলো আল্লাহকে সবচাইতে বেশি সন্তুষ্ট করে দেয়।
কোনটাকে আপনি বেশি প্রাধান্য দিবেন আপনার ব্যক্তিগত জীবনে একটা হাদিস স্পষ্ট ইমাম বুখারী সে হাদিসটা কোট করেছেন সেটা বহুবার আপনারা শুনেছেন কিতাবরিকাকে আছে ৬৫০২ নাম্বার হাদিস যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন হাদিস আল্লাহ সুবহানাহু বলেন আল্লাহ বলেছেন আমার অলির সাথে যেই ব্যক্তি গাদ্দারি করবে ধোকামি করবে মানে তাদের সাথে শত্রুতা রাখবে আমি আল্লাহ তার সাথে জিহাদের ঘোষণা করতেছি আর আল্লাহর ওলি কারা? ওই বর্ণনাতে পুরাটা আছে যে আল্লাহর ওলি তো তারা যারা আল্লাহর সন্তুষ্ট মোতাবেক কাজ করে। আর আল্লাহ এখানে বলে দিয়েছেন আমার কোন বান্দা ওর ব্যক্তি জীবনেও যা কিছু করে আমাকে সন্তুষ্ট যদি করতে হয় তাহলে বান্দার উচিত প্রথমে ওই কাজগুলোকে প্রাধান্য দেক যা আমি আল্লাহ ওর উপরে ফরজ করে দিয়েছি।
আল্লাহ বলেছেন আমি ফরজ কাজের উপরে সন্তুষ্ট হই। নফলের চাইতে আল্লাহর কাছে ফরজের মূল্য বেশি। এখন আপনাকে আমাকে দেখতে হবে আমি আর আপনি কি এ ফরজ কাজের উপরে গুরুত্বপূর্ণ? গুরুত্ব গুরুত্ব রাখি নাকি এটাকে আমরা গুরুত্বহীন মনে করি। সবচাইতে জীবনের সবচাইতে বড় ফরজ আমি মনে করি একজন মুসলিমের প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাত। আপনি কি এটাকে গুরুত্ব দেন? বরং আপনার চরিত্র হল সব কাজ আগে। নামাজ পড়মুনে একদিন। অথচ এটা ছিল আপনাকে প্রথম ফরজ। ওয়াক্ত হলেই আপনাকে সালাত আদায় করতে হইতো। এটা ফরজ। আপনার পিতা-মাতা আছে। আপনি তাদের উপরে ভ্রক্ষেপ করেন না। আপনি সমাজসেবা নিয়ে ব্যস্ত। আপনার সমাজসেবা যেটা এটা বেশি ফরজ ছিল নাকি আপনার পিতা-মাতার গুরুত্বটা বেশি ফরজ ছিল? আপনার সংসার আছে।
সেটার প্রতি আপনি খেয়াল নাই। আপনি খেলতামশা, জুয়া, তামসা নিয়ে ব্যস্ত। রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত। ফিল্ডে আপনি দৌড়ান। সংসার চলায় এনজিওর টাকা নিয়ে। এটা আপনার ফরজ কোনটা? হালাল খাওয়াটা ফরজ ছিল নাকি আপনার যে কোন বড় ইনকাম করাটা ফরজ ছিল ব্যাংকের এনজিওদের যে কোন জায়গাগুলোতে যেখানে সুদের লেনদেন হয় প্রকাশ্য হারাম যারা নেশা বিক্রি করেন এই নেশা নিয়ে এত কিছু হয়ে যাচ্ছে বাংলার জমিনে তাহলে এই যে টাকা এটা ইনকাম করাটা হালালভাবে এটা কি আপনার উপর ফরজ ছিল না তাহলে আপনি কি গুরুত্ব দিচ্ছেন না এজন্য জেনে নেন যে কোন ফরজ কাজ এটাকে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার মত কাজ আর যারা ফরজ কাজ ছেড়ে দিয়েছেন তার মানে আপনি আল্লাহর অসন্তুষ্টির পথে আছেন।
এজন্য এই একটা হাদিস আমি মনে করি যথেষ্ট যে ইবাদতের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে ফরজ কাজগুলোকে। আর ফরজ কাজের মধ্যে সর্বপ্রথম যে কাজটা আমাদের উপর ফরজ সেটা কি? এইমাত্র বলেছি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। এই মর্মে স্পষ্ট হাদিস আছে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আল্লাহকে যতটা সন্তুষ্ট করে দেয় পৃথিবীর কোন ইবাদত অতটা আল্লাহকে সন্তুষ্ট আপনি করতে পারবেন না যার সালাত নাই তার যদি জিহাদও থাকে তারপর সে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে পারবে সালাতের স্থান হচ্ছে সর্বপ্রথম বাপ মার খাদেম বহুত আছে যারা বেনামাজি কিন্তু জেনে নেন আপনার বাপ মার খাদেম হয়েও আপনি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে পারবেন না যদি আপনার সালাত মিসিং থাকে জিহাদ করলেও কাজ হবে না আবদুল ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু তিনি বলেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে সবথেকে পছন্দনীয় ইবাদত সম্পর্কে যখন জিজ্ঞাসা করলাম তখন রাসূল প্রথমে বলেছিলেন আসালাহ আালা আলাহ ওয়াক্ত মোতাবেক সালাত আদায় করা এটাই হচ্ছে আল্লাহকে সবথেকে বেশি সন্তুষ্ট করে দেয় মানে এটা হচ্ছে আল্লাহর পছন্দনীয় ইবাদত আরেক বর্ণনা আসছে আপনি যদি এই কাজটাকে আরো গুরুত্বের সাথে নিতে চান আল্লাহকে একবারে সন্তুষ্ট করে দিবে বা সবচাইতে উত্তমভাবে করতে চান তাহলে ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে আপনাকে সালাত আদায় করতে হবে।
এখানে দুইটা বিষয় এক হল ওয়াক্তের মাঝখানে আদায় করা। আরেকটা হল ওয়াক্তের শুরুতে আদায় করা। এখানে দুইটা বিষয়। হয়তো বাংলার জমিনের অনেকেই সালাত পড়ে। যেমন হানাফী সমাজরা পড়তেছে ওয়াক্তের একবারে শেষ মুহূর্তে। পড়তেছে না? তবে এই সালাতটাকেই যদি সে একবারে প্রথম ওয়াক্তে নিয়ে আসে তাহলে এটা হবে আর উত্তম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে আফ কোন ইবাদত সবচাইতে উত্তম বলা হয়েছে আসলাহা নামাজকে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করে নেওয়াটাই হচ্ছে সবচাইতে উত্তম ইবাদত এটি ইমাম তিরমিজী এবং আবু দাউদ কোড করেছেন যেটা আপনি আবু দাউদে ৪২৬ এবং তিরমিজিতে ১৭০ নাম্বার হাদিসে পেয়ে যাবেন তাহলে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে দেওয়ার মত একজন ব্যক্তির ফরজ ইবাদত গুলোর মধ্যে সবথেকে শ্রেষ্ঠ ফরজ ইবাদত হলো পাচ ওয়াক্ত সালা এটাকে এখান থেকে নিয়ে যান।
তাহলে যদি আপনি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে চান এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরপরে যে কাজগুলো আসবে ও হাদিসে আরো দুই তিনটা কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে বলা হয়েছেন। নামাজীদের জন্য তার পরের ধাপটাই হল আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে দেওয়ার মত আমল। সেটা হচ্ছে পিতামাতার হকের প্রতি খেয়াল রাখা। পিতামাতার হক সবথেকে বেশি। যেখানে আল্লাহ তার নিজের হকের পরে পিতামাতার হকের কথা আলোচনা করেছেন। একটু পরেই সে হাদিসটা আসবে। এখানে আরেকটা আমলের কথা বলে দিই। বলা হয়েছে সবিল্লাহ। তারপরেই হল আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে দেওয়ার মত আমল হচ্ছে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। এটা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে দেওয়ার মত আমল। বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আল্লাহ তাদের উপরে এত বেশি সন্তুষ্ট হয়ে যান যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে শহীদ হয়ে যাবে।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তাদেরকে এতটা দেবেন পৃথিবীর কোন মানুষকে সেই অপশন দেওয়া হবে না যে পৃথিবীতে সে আবার ফিরে আসতে চায় কিনা কেউ সে অপশন গ্রহণ করবে না একমাত্র শহীদরা সে অপশন গ্রহণ করবে যে আল্লাহ তুমি আমাকে ১০০ বার পৃথিবীতে পাঠাও ১০০ বার আমি শহীদ হয়ে তোমার রাস্তায় তোমার কাছে ফিরে আসব এতটা তাদেরকে দেওয়া হবে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিসটাকে কোট করা হয়েছে কোরআনে এই মর্মে আল্লাহ সুবহানাহুতালা যা বলেছেন সেটা আপনি সূরা তাওবার মধ্যে পেয়ে যাবেন আল্লাহ বলেছেন যারা আল্লাহর পথে ঈমান আনার পর আল্লাহর জন্য হিজরত করে আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে জীবন এবং মাল দিয়েন্দল্লাহ এদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে সবথেকে বেশি মহা পুরস্কার তারা পাবেলা আর এরাই হল সফলকাম এদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন তাদের রব তাদেরকে সুসংবাদ দিচ্ তার পক্ষ থেকে রহমতের ওরদয়ানি আল্লাহর সন্তুষ্টি হওয়ার আল্লাহ ঘোষণা করে দিয়েছেন।
তার মানে যারা আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম করে জান এবং মাল দিয়ে আল্লাহ তাদের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে যাওয়ার ঘোষণা করে দিয়েছেন। যেটা আপনি সূরা তওবার ২২ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন। তো এগুলো হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালাকে সন্তুষ্ট করে দেওয়ার মতন আমল। এখন আমাদের নেটে যারা বেশি ব্যস্ত থাকে তাদের কাছে একটা প্রশ্ন জোরে দিয়ে যাই। এখন যুদ্ধ মানে লাগার পথে অনেক জায়গায় যুদ্ধ হচ্ছে। একদিকে ইরান, একদিকে আমেরিকা, একদিকে সৌদি আরব। আপনি যদি আপনার নূন্যতম জ্ঞান থেকে থাকে একজন হল মুসলিম পাপী। ধরেন মুসলিম অযোগ্য পাপী। একটা হল রাফেজা, শিয়া ধরেন কাদিয়ানী আরেকটা হল ইহুদি। এ যদি ভালো কাজও করে আপনি কি মনে করেন? আল্লাহ কি এদের উপর সন্তুষ্ট হবে? না।
নাকি একজন পাপী মুসলিম যদি হয় যদি পাপী হয় তার উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হবে? কারণ সে পাপী হইতে পারে। তার শাস্তি আছে কিন্তু তার জাযাও আছে। কিন্তু এই ব্যক্তি এ রাফেদা, এ কাদিয়ানী, এই ইহুদি এর কোন ভালো কাজ আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন? কশ্চিন কালেও না। কারণ তারাতো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালাকেই গ্রহণ করে নাই। বরং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালায়াকে ওইভাবে মানে যেভাবে তাদের মন চায়। শিয়ারা কি কোরআন এবং সুন্নাহকে মানে তাহলে আপনি জেনে নেন আমার কেন যেন এই ধরনের কথা শুনলে ওই সূরা মুলকের শেষ দিকের একটা আয়াত মনে পড়ে যায় আল্লাহ সুবহানাতালা আপনি বলে দেন আল্লাহ যদি আমাদেরকে আমাদের পাপের কারণে শাস্তি দেয় কাফেরদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে কে বাঁচাবে সৌদি আরব হচ্ছে সুন্নি জামাত তাই কোরন এবং সুন্নাহত চলেবা আহলে সুন্নাওয়াল জামাতের অন্তর্ভুক্ত সুন্নি জামাত যদি পাপীও হয় আল্লাহর কাছ থেকে যদি শাস্তি প্রাপ্ত হয় তাহলে ইরানকে কে বাঁচাবে আল্লাহর কাছ থেকে ইরান কি মানে ভদ্র এরা হচ্ছে মুসলিমদের চরম শত্রু এজন্য নির্বোধ মুসলিমরা এর আকল নষ্ট মানে দ্বীন ধর্মের কোন জ্ঞান তো নাই মানে আকলও নষ্ট সে হচ্ছে এমন বিষয় মানে নিজের ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করে নিজের বাপের মাথায় বাড়িতে আমাদের কাছে এই চরিত্রের লোক বেশি।
ঝগড়া লাগছে নিজের ভাইয়ের সাথে। বাড়ি দিছে কাকে? নিজের পিতাকে। তার মানে যদি আপনি ইরানপন্থী হন আপনি মক্কা মদিনাকে ভুলে গেলেন কেন? মক্কা মদিনার চাইতেও কি পবিত্র ভূমি ইরান? না। তাহলে আপনার সেটা কোন মানে আমরা অনেক সময় সৌদির বিদ্বেষী হইতে পারি। ঠিক আছে। সৌদি আরবের পাপের কারণে আমরা লানতান করতে পারি। তাই বলে কি আমরা মক্কা মদিনার খেলাফ যেতে পারি? না। তাহলে মুসলিমরা কি মানে নির্বোধের মত? নিজের বাপকে ছেড়ে দিতে চাই। এ মক্কা মদিনা হচ্ছে আমাদের আসল। আর ইরানরা তো নিজেরাই মক্কা বানিয়ে নিয়েছে ওদের এলাকায়। কি মনে করেন আপনি? যেই নির্বোধরা পৃথিবীর মাটিটাকে অপবিত্র মনে করে কারবালার মাটি ছাড়া।
যে ব্যক্তি মক্কার মত জায়গাতে এসে যেই জায়গাটাকে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম হারাম করেছেন মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম হারাম করেছেন যেই মাটিকে আল্লাহ পবিত্র বলেছেন সেই মাটিতে তারা কপাল ঠেকায় না। তারা সাথে করে কারবালার মাটি নিয়ে ঘরে। তাহলে সে কি করে আপনার কাছে হক হয়ে যেতে পারে? আল্লাহ এদেরকে হেদায়েত দান করুন। তো কথা হচ্ছে যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার রাস্তায় আমাদেরকে জিহাদ করতে হবে। যারা জিহাদ করতেছে যারা কোরআন এবং সুন্নাহর পক্ষে আমাদেরকে তাদের সাপোর্টে থাকতে হবে এবং আমাদেরকেও প্রস্তুতি নিতে হবে। এ রং ঢং এ তামসা থামিয়ে আপনি কিছু হলেও আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়ার চেষ্টা করেন। কিছু রিজার্ভ করেন। যদি কোনদিন হকের পক্ষে পক্ষে দান করতে হয় আমাদেরকে সেখানে দান করতে হবে।
এতটা আমরা দূর থেকে করতে পারি। আর যেদিন সশস্ত্রে গিয়ে অংশ নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ নিয়ত রাখেন যে আল্লাহ আমাদেরকে অংশ নেওয়ার তৌফিক দান করেন। আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালাকে সন্তুষ্ট করার মত একটা আমল হচ্ছে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। তৃতীয় যে বিষয়গুলো আসবে খুব দ্রুত বলে দেই। আল্লাহ সুবহানাহুও তায়ালাকে যদি আপনি সন্তুষ্ট করতে চান এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটাতে সবার অংশ রয়েছে। সেটা হচ্ছে আল্লাহ কর্তৃক আপনার আমার তকদীরে যে ফায়সালা আল্লাহ করে রেখেছেন, যে অবস্থানে আল্লাহ আপনাকে আমাকে রেখেছেন এই অবস্থার উপরে থেকে আল্লাহর উপরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আজকে আমরা অনেকে আছে অভাবী অসুস্থ। অনেক বিপদগ্রস্ত। আপনি অনেকটা অনেকেরটা মেরে খান না।
সৎ লোক। কিন্তু দেখেন বিপদ আপনাকে ছাড়তেছে না। আপনি আল্লাহর উপর অসন্তুষ্ট হয়েন না। কারণ আপনি মুসলিম হয়ে থাকলে আপনি জেনে নেন আপনার যে কোন বিপদ আপদ এটার একটা মুখ্য উদ্দেশ্য তো আল্লাহর আছে। সেটা কি? আল্লাহ চায় আপনাকে পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করানো। এটা আল্লাহ চায়। আল্লাহ চায় এই ব্যক্তি জাহান্নামে না যাক। এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুতালা মুসলিমদেরকে বিপদ আপদ দিয়ে থাকে। এজন্য আল্লাহ কর্তৃক ফায়সালার উপরে ধৈর্য ধারণ করা, আল্লাহর উপরে সন্তুষ্ট থাকা এটা একটা মুসলিমের অনেক বড় কাজ। আর যারা এটা করতে পারবে আল্লাহ তাদের উপরে সন্তুষ্ট হওয়ার ফয়সালা করে দিয়েছেন। কোরআন এবং হাদিসে এই মর্মে যথেষ্ট কথা আছে।
রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটা হাদিস নিয়ে নেন। আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন নিঃসন্দেহে যার বালা মুসিবত যেমন তার জাটাও তেমন তার মানে আল্লাহ আপনি দেখতে পাচ্ছেন আপনাকে যে বিপদ আপদ দিয়ে পরীক্ষা করা হয় অন্যরা এই বিপদ থেকে মুক্ত। তাহলে আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন আপনাকে সুসংবাদ দেওয়া হচ্ছে যে তোমার বিপদের মাত্রা দুঃখ কষ্টের মাত্রা যত বেশি তুমি জেনে নাও তোমার মর্যাদাও আল্লাহর কাছে তত বেশি। নিঃসন্দেহে বালা মুসিবতের ওয়েট বালা মুসিবতের ধরণ অনুযায়ী তার জাযাও তার জন্য অপেক্ষা করতেছে। তারপরের কথাটা হচ্ছে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ।
রাসূল বলেছেন ইন্নাল্লাহা আল্লাহ যদি কোন ব্যক্তি কোন শহর কোন জাতির উপরে সন্তুষ্ট হয়ে যান বা পছন্দ করেন তখন কি করেন আল্লাহ বিভিন্নভাবে তাদেরকে বালা মুসিবত দিয়ে পরীক্ষা করেন দুঃখ কষ্ট আজকে পুরো মুসলিম জাতি কাফেরদের তুলনায় অনেক বিপদ আপদে আছে তার মানে আল্লাহ মুসলিমদের উপর সন্তুষ্ট এজন্য মুসলিমদের বালা মুসিবত বেশি দুঃখ কষ্ট অভাব বেশি কেন আল্লাহ কাফেরদের মত মুসলিমদেরকে করেন নাই আল্লাহ স্পষ্ট বলতে চাচ্ছে আমি মুসলিমদেরকে ভালোবাসি। এজন্য মুসলিমদের বিপদ আপদ লেগেই থাকে। তারপরের জুমলাটা হচ্ছে আজকে এখান থেকে নেওয়ার মত। রাসূল বলেছেন এখন এই অবস্থায় থেকে যারা আল্লাহর উপরে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে দেবে আল্লাহ তাদের উপরে সন্তুষ্ট।
আর ওমান সাতালা আর যেই ব্যক্তি আল্লাহর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে তাহলে সে জেনে নেক আল্লাহও তার উপরেই তার উপর অসন্তুষ্ট হয়ে যাবেন এটা ইমাম তিরমিজী এবং ইবনে মাজা এ হাদিসটা কোট করেছেন। তিরমিজীতে হাদিসটা ২৩৯৬ তে রয়েছে এবং ইবনে মাজাতে হাদিসটি ৪০৩১ এ রয়েছে। তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার কৃত ফায়সালার উপরে ধৈর্য ধারণ করে থাকাটা একটু কঠিন বটে। কিন্তু অসম্ভব বলে কিছু না। আল্লাহ সূরা বাকারার শেষ আয়াতে বলে দিয়েছেন আর এই আয়াতটা রাসূুল্লাহ সলা প্রত্যেক রাতে পাঠ করতে বলেছেন বলেন নাই। তার মানে প্রত্যেক রাতে এটা একটা অজিফা। কিন্তু বাক্যগুলোকে তো আপনাকে ব্রেনে নিয়ে আসতে হবে যে কথাগুলো কি বলছেন? তা আল্লাহ যেহেতু নিজেই বলেছেন আমি কোন ব্যক্তির উপরে এমন কোন বোঝা চাপাই দেই না যেটা আমার বান্দা বহন করতে পারবে না।
তার মানে আজকে আমরা যে যে দায়িত্বে আছি যে কঠিন পরিস্থিতি আছি সংসার চালাতে গিয়ে রাষ্ট্র চালাতে গিয়ে ব্যক্তি কোন একটা কাজে বা জীবন চলতে গিয়ে তার মানে আল্লাহ বলে দিয়েছেন আমি এতটা শুইতে পারব বিধায় আল্লাহ আমাকে এতটা বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে তাহলে আপনি ধৈর্য ধারণ করেন তার মানে আল্লাহ আপনাকে এতগুলা সন্তান দিয়েছেন কিন্তু ইনকাম নাই তার মানে আল্লাহ আপনাকে এতগুলা সন্তান দিয়েছেন কেন আপনি এদেরকে নিয়ে টিকে থাকতে পারবেন এই ক্ষমতা আপনার মধ্যে আছে বিধ আল্লাহ এতগুলা আপনাকে মেয়ে দিয়েছেন সন্তান দিয়েছে আবার অপরদিকে যারা সন্তান পাননি আপনি এভাবে ধৈর্য ধারণ করেন যে নিঃসন্দেহে যেহেতু আল্লাহ বলেছেন যে আল্লাহ তাকে এতটা বোঝা দেয় না যতটা সে নিতে পারে না তাহলে ওই সমস্ত ব্যক্তিরা যারা সন্তান পেলে এর বোঝা সে নিতে পারতো না তার সন্তান বুধ খারাপ হয়ে যেত তার মেয়েকে সে কন্ট্রোল করতে পারবে না তার উপরে চড়াও হয়ে যাবে এজন্য আল্লাহ হয়তো তাকে সন্তান দেন না আর
আল্লাহ সুবহানাতালা মুসা এবং খাজির আলাইহি সালামের ঘটনায় কি এ কথা উল্লেখ করে নাই ওযে একটা যুবক ছেলেকে বাবা বা কিশোর ছেলেকে যখন যখন খাজর আলাইহি সালাম হত্যা করে দিলেন তখন জবাবে কি বলা হয়েছিল যে আমি আশা করি আল্লাহ এদের পিতামাতাকে এর চাইতে উত্তম সন্তান দেবে আমার ভয় হয়েছিল যে এই ছেলে বড় হলে এমন নাস্তিক হবে যার বাপ মাকে পর্যন্ত কষ্ট দেবে তার বাপ মা সৎ হওয়ার কারণে আল্লাহ একে হত্যা করার অর্ডার করে দিয়েছে তো তার মানে ওই একই কথা যার সন্তান মরে যায় কেউ মেরে দেয় বাপ মাকে উচিত এটাকে সন্তুষ্টির সাথে নেওয়া বা ধৈর্য ধারণ করে নেওয়া নিশ্চয় এর পেছনে বড় হিকমা আছে না হলে আল্লাহ সুবহানাহুতালা মনটা ঘটাতেন না।
তাহলে আপনার মন শান্ত হবে। তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার যে কোন ফায়সালার উপরে যদি একটা মুসলিম ধৈর্য ধারণ করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করতে পারে তাহলে এটা তার জন্য অনেকটা বড় সুসংবাদ যে আল্লাহ তার উপরে সন্তুষ্ট হবেন। কিন্তু এখন ওই পুরুষ নেশাখোর যে সুদে টাকা আনছে মানুষের ধারধারে গিয়ে ওই মানে ধার নিয়ে ঋণের কর্যা বাড়ায় ফেলছে। জুয়া খেলে টাকা হারিয়ে ফেলেছে। এখন এই যেই বিপদ নিয়ে আসছে এই বিপদ কি আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা নিজের হাতের কামাই। আল্লাহ এরকম বলে নাই কোরআনে যে কিছু বিপদ আছে যেটা তোমাদের হাতের কামাই। চুরি করতে গিয়ে হাত কাটা পড়ে গেছে। এটা ওর হাতের কামাই।
তাহলে এই ব্যক্তির জন্য কি হবে এখন? আপনি এখন আল্লাহকে দোষারোপ করতে পারবেন না যে আল্লাহ আমার তকদীরের উপর এটা চাপিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ আপনার তকদীর উপরে চাপিয়ে দেয়নি। যেই ব্যক্তি নেশা করে ক্যান্সার বানিয়ে ফেলবেন এটা আল্লাহ আপনার উপরে চাপিয়ে দেয়নি। বরং আপনি নিজে নিজের ক্ষতির দিকে ঠেলে দিয়েছেন। এজন্য আমরা বলব ওই ধরনের ব্যক্তিদেরকে যারা মূলত সৎ যারা মূলত বিপদ আপদে জড়াইতে চান না। কিন্তু বিপদ আপদ আপনার উপরে চেপে গেছে। তার মানে আপনি জেনে নেন আপনি ধৈর্য ধারণ করলে এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে সন্তুষ্টির একটা সবাব। আল্লাহ যেন আমাদেরকে বোঝার এবং সে অনুযায় আমল করার তৌফিক দান করেন।
রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ কথাটা আমি কেন বলেছি? একটু আগেই বলেছিলাম না যে মুখের জবান এটা খুব সেনসিটিভ। অন্তর অনেক সময় সহ্য করে না। কিছু বিপদ আপদ আছে, বালা মুসিবত আছে যেটা অন্তর মেনে নিতে চায় না। অনেক সময় মুখ ফুসকে সেটা বেরিয়ে যায়। কিন্তু আপনার মুখটাকে লাগাম পড়াতে হবে। আজকে বেশ কিছু মুসলিম ঘরের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ সম্পর্কে দ্বীন সম্পর্কে এমন বাজে মন্তব্য আমরা করতে শুনেছি। আপনি জানেন এর রেজাল্টটা কি হবে? এর দুনিয়াও ধ্বংস হলে পরকালও ধ্বংস।
দুনিয়া তো ধ্বংস হয়েছে সে বিপদ আপদে আছে কিন্তু তার মুখের জবানটাকে যদি কন্ট্রোল করতো তার পরকালটা ঠিক হয়ে যেত কিন্তু তার মুখ খোলার কারণে তার পরকালটাকে ধ্বংস করেছে ইবলিশ কিন্তু তার মুখ দিয়ে একটা কথা বলার কারণে কিন্তু ধ্বংস হয়েছে ইবলিশ কি বলেছিল আপনি এমন কাউকে সেজদা করতে বলতেছেন যাকে আপনি মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন আমি আমি তার থেকে উত্তম এ মুখ খোলার কারণে অহংকার প্রদর্শন করে দিয়েছিল। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তাকে অহংকারী এবং কাফের বলে গণ্য করেছেন। আজকে মুসলিম ঘরের সন্তান হয়েও আপনি মুখের লাগাম পড়ান না। এটা মোটেও মেনে নেওয়ার মতো না। আপনি কি জানেন জবান থেকে একটা বাক্য উচ্চারণ হলে আল্লাহ আপনার উপরে সন্তুষ্ট হয়ে যান।
আবার মুখ এমন একটা জিনিস এখান থেকে এমন একটা বাক্য উচ্চারণ হলে আল্লাহ আপনার উপরে এমনও সন্তুষ্ট হবেন বরং হাদিসের ভাষাটা এতটা কঠিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কি বলেছেন শুনেন। ইমাম তিরমিজী বাক্যটা ব্যবহার করেছেন। ইন্না আহাদালাবিলিমা তোমাদের মধ্যে দেখা যায় কোন কোন ব্যক্তি এমনও আছে তার মুখ থেকে এমন এমন বাক্য বের করে আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে দেওয়ার মত কিন্তু তার অবস্থাটা কি তার মুখের কথা কোন পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে সেটা কোন ভক্ষেপ করে না আল্লাহ সুবহানাতালা কি বধির নাউজুবিল্লাহ আল্লাহ কি শোনে না আল্লাহ যদি শব্দটা মানে ভুল মানে আল্লাহ কি শোনে না শোনে তার মানে আল্লাহ সুবহানাতালা বধির না আল্লাহ বলেছেন রাসূল বলেছেন যে তোমাদের রব বধির না বরং তিনি এতটা উঁচু আছেন তারপরেও তোমার একেবারে ঘাড়ের রগের কাছে আছে যেখানে মানুষ অল্প করে শব্দ করলে আমি যদি মাইক ছাড়া কথা বলি পেছনের লোক শুনবে না কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আপনি মনে মনে একটা কিছু ভাবতেছেন সেটা আল্লাহর
পর্যন্ত পৌঁছে যায় আল্লাহ এতটা নিকটে সে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা সম্পর্কে আপনি এমন একটা কথা বলে দিলেন আপনি ভাবতেও পারেন না এ কথাটা কোন পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে যেখানে আল্লাহ আপনার উপর অসন্তুষ্ট হয়ে যান রাসূল বলেছেন সেই কথাটার ধার সে কথাটার ধার এত মারাত্মক আল্লাহ তার ক্ষেত্রে লিখে দেন কি লিখে দেন আল্লাহ লিখে দেয় এর আমার সাথে সাক্ষাত করা পর্যন্ত আমি আল্লাহ ওর উপরে কোনদিন সন্তুষ্ট হব না তার মানে এই পৃথিবীতে আপনি বেঁচে আছেন আল্লাহর অসন্তুষ্টির উপরে। আপনার মৃত্যুটা হবে অসন্তুষ্টির উপরে। হাশর হবে অসন্তুষ্টির উপরে। যেদিন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াইতে হবে তখন সেইদিন আপনি এমন এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ অপছন্দ করে।
যাকে আল্লাহর যার উপরে আল্লাহ অসন্তুষ্ট। আপনি বলেন তো যার উপরে আল্লাহ অসন্তুষ্ট আল্লাহকে ক্ষমা কিভাবে করবে? ক্ষমার কি রাস্তা? এজন্য মুখের জবানটাকে লাগাম দেন। অপরদিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম বলেছেন আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার মত একটা মুখের বাক্য যথেষ্ট। একটা ছোট ছোট বাক্য আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়ে যেমন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ইন্নাল্লাহ আল্লাহ ওই ব্যক্তির উপরে সন্তুষ্ট হয়ে যান। আকলাতান সে এক লোকমা খাদ্য খেল আশবাার অথবা এক ঢুক পানি খেল এই যতটুকু সে তকদীরে পেল সে খাবার খাওয়ার পরে যতটুকু সে খেল পানি যতটুকু পান করার পরে পান করল সে যদি বলে আলহামদুলিল্লাহ এই একবারে আলহামদুলিল্লাহ বলার কারণে আল্লাহ এই ব্যক্তির উপরে সন্তুষ্ট হয়ে যান এটা ইমাম মুসলিম কোট করেছেন ৬৮২৬ নাম্বার আপনি হাদিসটা পেয়ে যাবেন আমি শুধু এই হাদিসটা আজকে শুধু খাদ্যর পানির আলহামদুলিল্লাহর ব্যাপারে বলতেছি না।
এটা আলহামদুলিল্লাহ অনেকেই বলেন। তবে এটা জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে। কারণ আপনি জানেন না যে আপনার এই জবানটা আল্লাহ দিয়েছে এটার মূল্য কত। কারণ আপনি তো মুসলিম। আপনি তো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ উচ্চারণ করেছেন। এখন থেকে আপনার মুখ থেকে যা বেরবে এগুলো কিন্তু নোট করা হয়। আপনি জানেন না? কোরআনে বলা হয় নাই। আল্লাহ বলেছেন মানুষের জবান থেকে এমন কোন বাক্য বের হয় না যেটা আমাদের ফেরেশতারা নোট না করে তার মানে আমাদের মুখের সব কথা নোট হচ্ছে তা আপনি জবান থেকে এমন কথা কেন বলেন যেটা আল্লাহ সুবহানাহুতালাকে অসন্তুষ্ট করে দেয় বরং আপনাকে আমাকে সেই বাক্য ব্যবহার করতে হবে যেটা আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালাকে সন্তুষ্ট করে দেয় এভাবে বেশ কিছু আলোচনা ছিল আমরা আরেকটা পয়েন্ট শুধু উল্লেখ করব আক আস্তাগফিরুল্লাহ মুসলিমিন ইন্নাহু গাফুর রাহিম আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন আসসালাতু আসসালামু আলা আশরাফিল আম্বিয়াও মুরসালিন মুহাম্মাদিন ওয়ালা আলিহি ওয়া সাহবিহ আজবা আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালাকে সন্তুষ্ট করার মত আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হচ্ছে পিতামাতা যাদের পিতা-মাতা বেঁচে
আছে আপনি খুব গুরুত্বের সাথে নেন তাদেরকে খুব গুরুত্বের সাথে যাদের মরে গেছে আপনি আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার করেন তাদের জন্য দোয়া করেন এবং তাদের জন্য দান সাদকা করেন এটা আপনার জন্য উচিত আর যাদের বেঁচে আছে তারা আজকে গুরুত্বের সাথে টেনেন কারণ আপনি যদি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে চান তাহলে আপনার পিতামাতা হচ্ছে এমন একটা উপায় এমন একটা মাধ্যম তারা যদি সন্তুষ্ট হয়ে যায় আপনার প্রতি তাহলে আপনি জেনে নেন আল্লাহও আপনার উপর সন্তুষ্ট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মর্মে একটা হাদিস কোট করে দেই আবদুল ইবনে আমর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিতামাতার সন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি নিয়োজিত রয়েছে আর পিতামাতার অসন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি জড়িত রয়েছে এজন্য পিতামাতার সন্তুষ্টিটাকে খেয়াল রাখার চেষ্টা করে কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুতালা যেখানে বলেছেন যে তোমরা পর্যন্ত বলো না তোমাদের রহমতের ডানাগুলাকে তার সামনে বিছিয়ে দাও।
এর তাফসীরে যেটা বলা হয়েছে সুবহানাল্লাহ আশ্চর্যজনক। আপনার পিতামাতা এমন বয়সে পৌঁছে গেছে অনেক সময় অবান্তর কথা বলে। অবান্তর আবদার করে যে আবদার পুরা করার মত আপনার তো এবিলিটি নাই। মানে ক্ষমতা নাই। কিন্তু আবদার করে অনেক সময়। আনসিজ কোন কিছু খেতে চায়। আনসিজন। রাতের ১২ টা বাজে এমন কিছু বলবে যেটা আপনি এনে নিতে পারবেন না। এমন বয়সে নাই অনেকের পিতা-মাতা। তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে যদি আপনি তাদের উপরে এহসান করতে চান বা কোরআনের ওই আয়াতকে বাস্তবায়ন করতে চান তাহলে আপনার উচিত হবে তাদেরকে তো লানতান কোন বাজে কোন ভাষা ব্যবহার করতেই পারবেন না বরং যথাসাধ্য সে যে জিনিসটা আবদার করেছেন সেটা যদি জায়েজ হয় তাহলে যতটা সম্ভব আপনি এটাকে পুরা করেন সে যেটা চাচ্ছে সেটাকে পুরা করেন যদি আপনার সাধ্যে ঋণ করে তার করা যাবে না চুরি ডাকাতের উপর করা যাবে না।
মানে আমি বোঝাতে চাচ্ছি অনেক কিছু আছে শুধু টাকার উপরে নির্ভর করে না। এমনিতেই আপনার বাপ মা বলতেছে আমি একটু বাইরে যেতে চাই বা এটা লাগতো খাদ্যের ক্ষেত্রে আপনার মা একটা মাছের নাম নিয়েছে। আপনার সন্তান সেটা পছন্দ করে না। স্ত্রী সেটা পছন্দ করে না। তাহলে আপনার উচিত হবে আপনার মা যে মাছের নামটা উচ্চারণ করেছে আপনি সেটা নিয়ে আসেন। এটা উচিত। আমি শুধু ইঙ্গিতে বললাম। বাপ মা যাদের আছে আমি মনে করি আপনি এটাকে আজকে কদল করার সময় তাহলে আমাদের মত পরিস্থিতি একদিন আপনারও হবে একটা সময় ছিল আমাদের হয়তো অত আর্থিক দিক থেকে সচ্ছল ছিলাম না তখন মায়ের বউ কিছু পুরা করতে পারিনি আজকে আমার মতন ব্যক্তির হাত দিয়ে অনেক টাকা খরচ হয় কিন্তু যেগুলো থেকে আমার মা হারা সে কোনদিন আর কবর থেকে উঠে সেটা ভোগ করবে না আর আপনার অন্তর চাইলেও আপনি সেটা এখন তাকে খাওয়াইতে পারবেন না অতএব আজকে কষ্ট হবে আল্লাহ আপনার রিজিকের ধারকে খুলে দেন।
তবে আপনি আপনার বাপ মার প্রতি একটু সহায় হন। আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান করুন। আমিন। আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে দেওয়ার মত একটা আমল হচ্ছে এটা একটা ব্যতিক্রম আমল। সেটা হচ্ছে মেসওয়াক করা। এটা আজকের খুতবার সর্বশেষ হাদিস। মেসওয়াক করা এটা অত্যন্ত নগণ্য ছোট একটা কাজ। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আসারাতুন মুখের পবিত্রতার জন্য মেসওয়াক হচ্ছে উত্তম মেসওয়াক মুখের পবিত্রতা নিয়ে আসেন আর আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে দেয় এটা ইমাম বুখারী কোট করেছেন ১৯৩৩ আপনি হাদিসটা পেয়ে যাবেন এজন্য আমাদের উচিত আমাদের প্রত্যেকের এই মেসওয়াকের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা এবং আপনার ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া বেঁচে যাবে যদি আপনি এখন থেকে মেসওয়াকটাকে খুব গুরুত্ব দেন।
আর যাদের দাঁত নষ্ট হয়ে গেছে তখন তার কিছু করার নাই। কিন্তু মেসওয়াকটাকে আপনি গুরুত্ব দেন। মুখের দুর্গন্ধ অনেকের সাথে কথা বললে বোঝা যায় গন্ধ আসে। আপনি সেটাকে একটু খেয়াল রাখার চেষ্টা করেন। হয়তো আপনার স্ত্রীরা হয়তো আপনাদেরকে বলে না। কিন্তু বাহিরে অনেক অনেকের কষ্ট হয়। এজন্য অবশ্যই আপনি মেসওয়াক করার চেষ্টা করবেন। এটার গুরুত্ব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কিভাবে দেখিয়েছেন যে মরে যাবেন। কিছুক্ষণ পর তার প্রাণ বেরিয়ে যাবে। জীবনের শেষ মুহূর্তে যে আমলটা তিনি করেছিলেন সেটা কি ছিল? এ মেসওয়াক ছিল। তিনি মেসওয়াক করে তারপর আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেছেন। এজন্য আমাদেরকে এটা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। মেসওয়াক করলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন।
তাই যতগুলো আমলের কথা বলেছি আল্লাহ তুমি কবুল করো। আমাকে এবং আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে তা আমল করার তৌফিক দান করো। আল্লাহ আমাদের দ্বারা এমন কোন কাজ যেন না হয় যে কাজে আল্লাহ তোমাকে অসন্তুষ্ট করে দেয়। আল্লাহ তুমি আমাদেরকে হেফাজত করো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিশি রাতে তাহাজ্জুদের সালাতে সেজদাতে যে দোয়াটা করতেন সেটা আপনি রুকুতে এবং সেজদাতে এবং যে কোন নামাজের রুকুতে এবং সেজদাতে পড়তে পারবেন সেটা হচ্ছে তিনি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন আল্লাহুম্মা সাত আল্লাহ আমি তোমার সন্তুষ্টির দ্বারা তোমার অসন্তুষ্টি থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি আল্লাহুম্মা সাত আমি আল্লাহ তোমার ছাড় দেওয়াটার দ্বারা তোমার পাকড়াও থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।
তুমি ছেড়ে দাও এটা আমি আশা করি। আল্লাহ তুমি পাকড়াও করেটা আমি চাচ্ছি না। আল্লাহ আমি তোমার অসন্তুষ্টি থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। যেভাবে তোমার প্রশংসা করা উচিত ছিল আমি নগণ্য বান্দা। আল্লাহ সেভাবে আমি তোমার প্রশংসা করতে পারতেছি না। আতামালা আল্লাহ তুমি যেমন নিজের প্রশংসা করেছ তুমি তেমন আমরা ব্যর্থ। আমরা তোমাকে ওইভাবে প্রশংসা করতে পারতেছি না। এটা রুকুতে এবং সেজদাতে তিনি করতেন। এজন্য আমাদেরকেও করতে হবে এবং বাংলায় পড়বেন। না পারলে আপনি সবসময় বলবেন আল্লাহ আমি তোমার অসন্তুষ্টি থেকে তোমার আশ্রয় চাচ্ছি। আমি তোমার সন্তুষ্টি কামনা করতেছি। আর সবচাইতে বড় ব্যাপার হচ্ছে জীবনের যে কোন ভালো কাজগুলো অনেকে আছেন বন্ধু বান্ধবদেরকে খাওয়ান।