লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: রমজান এবং আমাদের অবস্থান

রমজান এবং আমাদের অবস্থান


কুরআনের দলিল
৩৪ : ২৮ আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।
২ : ১৮৫ রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা’আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।
২ : ১৮৬ আর আমার বান্দারা যখন তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে আমার ব্যাপারে বস্তুতঃ আমি রয়েছি সন্নিকটে। যারা প্রার্থনা করে, তাদের প্রার্থনা কবুল করে নেই, যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে। কাজেই আমার হুকুম মান্য করা এবং আমার প্রতি নিঃসংশয়ে বিশ্বাস করা তাদের একান্ত কর্তব্য। যাতে তারা সৎপথে আসতে পারে।
২ : ১৮৭ রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর এবং যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর। আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা। অতএব, এর কাছেও যেও না। এমনিভাবে বর্ণনা করেন আল্লাহ নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে।

৯ : ৩৬ নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন।
৩ : ১০৩ আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ। তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। অতঃপর তা থেকে তিনি তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনসমুহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হতে পার।
৮ : ৬৩ আর প্রীতি সঞ্চার করেছেন তাদের অন্তরে। যদি তুমি সেসব কিছু ব্যয় করে ফেলতে, যা কিছু যমীনের বুকে রয়েছে, তাদের মনে প্রীতি সঞ্চার করতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ তাদের মনে প্রীতি সঞ্চার করেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি পরাক্রমশালী, সুকৌশলী।
৪২ : ৫২ এমনিভাবে আমি আপনার কাছে এক ফেরেশতা প্রেরণ করেছি আমার আদেশক্রমে। আপনি জানতেন না, কিতাব কি এবং ঈমান কি? কিন্তু আমি একে করেছি নূর, যাদ্দ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করি। নিশ্চয় আপনি সরল পথ প্রদর্শন করেন-
২৮ : ৮৬ আপনি আশা করতেন না যে, আপনার প্রতি কিতাব অবর্তীর্ণ হবে। এটা কেবল আপনার পালনকর্তার রহমত। অতএব আপনি কাফেরদের সাহায্যকারী হবেন না।
৪ : ১৩ এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের আদেশমত চলে, তিনি তাকে জান্নাত সমূহে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এ হল বিরাট সাফল্য।
১০ : ৫৭ হে মানবকুল, তোমাদের কাছে উপদেশবানী এসেছে তোমাদের পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য।
১৯ : ৯৪ তাঁর কাছে তাদের পরিসংখ্যান রয়েছে এবং তিনি তাদেরকে গণনা করে রেখেছেন।
২৫ : ৩০ রসূল বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় এই কোরআনকে প্রলাপ সাব্যস্ত করেছে।
৬ : ১১১ আমি যদি তাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতারণ করতাম এবং তাদের সাথে মৃতরা কথাবার্তা বলত এবং আমি সব বস্তুকে তাদের সামনে জীবিত করে দিতাম, তথাপি তারা কখনও বিশ্বাস স্থাপনকারী নয়; কিন্তু যদি আল্লাহ চান। কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুর্খ।
৬ : ১১২ এমনিভাবে আমি প্রত্যেক নবীর জন্যে শত্রু করেছি শয়তান, মানব ও জিনকে। তারা ধোঁকা দেয়ার জন্যে একে অপরকে কারুকার্যখচিত কথাবার্তা শিক্ষা দেয়। যদি আপনার পালনকর্তা চাইতেন, তবে তারা এ কাজ করত না।
১৮ : ১৯ আমি এমনি ভাবে তাদেরকে জাগ্রত করলাম, যাতে তারা পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের একজন বললঃ তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ? তাদের কেউ বললঃ একদিন অথবা একদিনের কিছু অংশ অবস্থান করছি। কেউ কেউ বললঃ তোমাদের পালনকর্তাই ভাল জানেন তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ। এখন তোমাদের একজনকে তোমাদের এই মুদ্রাসহ শহরে প্রেরণ কর; সে যেন দেখে কোন খাদ্য পবিত্র। অতঃপর তা থেকে যেন কিছু খাদ্য নিয়ে আসে তোমাদের জন্য; সে যেন নম্রতা সহকারে যায় ও কিছুতেই যেন তোমাদের খবর কাউকে না জানায়।

সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহতালার যিনি বিশ্বজগতের একমাত্র মালিক, যিনি আমাদেরকে এমন কিছু মৌসুম , সময় দান
করেছে যে মৌসুমের ইবাদত আমাদেরকে বহু অগ্রে নিয়ে যাবে, আমাদেরকে এমন কিছু ওয়াক্ত দান করেছেন, এমন কিছ
স্থান দান করেছেন যে মুহূর্ত গুলোতে যদি আমরা ইবাদত করি আমাদেরকে এমন কিছু ইবাদত দান করেছে যার মাধ্যমে
আমরা অল্প কিছু সময় তো অল্প কিছু বয়সে আমরা অগ্রগামীদের অন্তর্ভু ক্ত হতে পারব আলহামদুলিল্লাহ ।
দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক মহানবী প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসুল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি যাকে
বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করা হয়েছিল আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাই আল্লাহুম্মা বারিক আলাই ।
আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আমি আপনাদের কাছে উপস্থিত হয়েছি, আর কয়েক ঘন্টা পরে আমাদের কাছে এমন একটি মাস
উপস্থিত হতে যাচ্ছে বা এমন একটি মাস আল্লাহ আমাদেরকে দান করছেন যা আর কয়েক ঘন্টা পর আমাদের কাছে সেটা
আসবে ইনশাআল্লাহুল আজিজ ।
আল্লাহ চাইলে আমাদেরকে সে মাস পর্যন্ত পৌঁছানো হবে, আর আল্লাহ যার জন্য চান না এই কিছু ক্ষণ সময়ের মধ্যেই সে
হয়তো এই দুনিয়া থেকে চলে যাবে । আমরা আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে দোয়া করি আল্লাহ এই শেষ প্রান্তে এসে
আমাদেরকে তু মি মাহরুম করে দিও না । আমাদেরকে রমজান মাস পর্যন্ত পৌঁছে দাও । আল্লাহুম্মা বাল্লিগনা রমাদান ।
যদিও বিষয়টি আমি রমজানের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণনা করব কিন্তু এটা তথাকথিত সেই বিষয় আপনি আপনার ব্রেনে
ধরেন তাহলে আপনার অনীহা চলে আসতে পারে কারণ সম্ভবত দীর্ঘ এক মাস এই বিষয়ে হয়তো আলোচনা শুনেছেন, যে
রমজান মাসের ফজিল্‌ রমজান মাসের বৈশিষ্ট্য, সিয়ামের গুরুত্ব, সিয়ামের ফজিলত শুধু এগুলোই হয়তো শুনেছেন আমি
আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে দোয়া করি তিনি যেন আমার মুখ থেকে এমন কিছু মূল্যবান কথা বের করেন যেটা আমার
এবং আমার জাতির জন্য উপকার বয়ে নিয়ে আসে ।
আমি এমন এঙ্গেলে কিছু কথা আপনাদের কাছে বলব যদিও বিষয়টি রমজান এর বৈশিষ্ট্য নিয়েই কিন্তু আশা করি হয়ত
কথাগুলো এইভাবে আপনাদের পৌঁছেনি । রমজানুল মোবারক এটি এমন একটি মাস যেটা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা
আমাদেরকে দিয়েছেন যারা পেয়ে যাবেন আপনি জেনে নিন আপনি কে আপনার পরিচয়টা একটু তু লে ধরার প্রয়োজন
রয়েছে আপনার জন্ম টি আপনার রুহুটা সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ওই রুহুটা ঐদিন সৃষ্টি করেছেন, যেদিন
মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রুহুটা সৃষ্টি করা হয়েছিল আদম আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রত্যেকটি সন্তান
তাদের রুহুগুলো যেদিন সৃষ্টি করা হয়েছিল সেই আলমে আরওয়াহ যেখানে রয়েছে আমি-আপনি মুহাম্মদ সাল্লাহু সাল্লাম
এবং সমস্ত নবীগন সেদিন ওখানে উপস্থিত ছিলাম আল্লাহ সুবাহানাতালা এই রুহু গুলোর মধ্যে যখন যাকে চেয়েছে তখন
পৃথিবীতে পাঠিয়েছে । আল্লাহ তায়ালা বলছেন “তোমরা হলে শ্রেষ্ঠ জাতি তোমাদেরকে বের করে নিয়ে আসা হয়েছে”
তারমানে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বোঝাতে চাচ্ছেন আমাদের জন্মটা আবু জাহেলের যুগেও হতে পারত । আমাদের জন্মটা
ইব্রাহিম (আঃ) এর যে আজর রয়েছে সে যুগেও হতে পারত কিন্তু কত সৌভাগ্যবান আমরা প্রত্যেকটা ব্যক্তি যে আমাদেরকে
মুহাম্মদ রাসুল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মত ব্যক্তি তার মতো একজন উত্তম আদর্শবান সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর যুগে
আমাদেরকে জন্ম দান করেছে । এটা আল্লাহ তাআলার বড় বৈশিষ্ট্য এটা আপনি কিভাবে বুঝবেন এর গুরুত্ব টা কত এটা
বুঝতে পারলে আপনি ধরতে পারবেন রমজান মাস কি মাস, সালাত কি জিনিস , সিয়াম কি জিনিস , আপনার সদকা
আপনার নিয়ত এগুলো কি জিনিস তখন বুঝতে পারবেন আপনাদেরকে একটা এক্সাম্পল দিয়েছে রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই উম্মতে যারা জন্মেছে যারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মত হয়ে জন্মলাভ
করতে পেরেছে যারা
ঈমান নিয়ে আসতে পেরেছে যারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি এর উম্মত সঠিক অর্থে তাকে মানতে পেরেছে তাদের যে কি
বৈশিষ্ট্য একটা হাদিস আমি আপনার কাছে পেশ করছি যেটা আপনি বুখারীতে ২১০৭/২১০৮ নাম্বারে পাবেন ।
আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে এই হাদীসটি সম্ভবত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে
বর্ণিত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলছে, রাসূল ল্ল
াহ (সাঃ) বুখারির এ হাদীসে বলছেন তোমাদের উদাহরণ
এবং তোমাদের পূর্বে যারা অতিবাহিত হয়ে গেছে মানে আমার পূর্বে আমরা হলাম রাসুল সালাম এর উম্মত এই উম্মত এবংআমাদের পূর্বে যারা অতিবাহিত হয়ে গেছে যাদেরকে নিয়ে যারা নিজেদেরকে খ্রিস্টান এবং ইহুদি বলে আল্লাহ বলছেন এই
ইহুদী-খ্রিস্টানদের থেকে তোমাদের তু লনা কি তোমরা জানো তোমাদের পার্থক্যটা কী বলছেন যে তোমাদের উদাহরণ হচ্ছে
তাদের সাথে একজন ব্যক্তির মত কোন এক ব্যক্তি এসে বলল সে আমেল (চাকর) খুজছে বা যারা তাঁর হয়ে কাজ করবে,
কে আছ এমন যে ফজর থেকে নিয়ে দ্বীনের অর্ধেক পর্যন্ত আমার হয়ে কাজ করে দিবে এক কেরাত এর বিনিময়ে । এক
কেরাত বিশাল একটা অংশ বা একটা পারিশ্রমিক সেটা যত টাকাই হোক কিছু একটা বেতনের মান এখানে উল্লেখ করা
হয়েছে । তার ডাকে ইহুদিরা সাড়া দিয়েছে তারা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাজ করেছে তাদেরকে এক কেরাত দিয়ে দেওয়া
হয়েছে, কাজ বাকি থেকে গেছে তখন সেই ব্যক্তি আবার এসে বলছে কে আছো আমার হয়ে কাজ করে দিবে দুপুর থেকে
নিয়ে আছর পর্যন্ত এক কেরাতের বিনিময় নাসারারা এসেছে দুনিয়াতে কাজ করেছে তাদেরকে এক নেকি দিয়ে দেওয়া
হয়েছে , কাজ আরও কিছু ক্ষণ বাকি থেকে গেছে তখন বলছেন সূর্য ডু বে যাওয়া পর্যন্ত আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত (সূর্য
ডু বে যাওয়া পর্যন্ত) কে আছো আমার হয়ে কাজ করে দিবে ২ কেরাত এর বিনিময় ।
রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যারা কাজ করতে এসেছে তোমরা হল তারা যাদের থেকে আল্লাহ আছর
থেকে মাগরিব পর্যন্ত কাজ করিয়ে নিবে কিন্তু ডাবল নেকি দিবে । মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে
এটি । আপনি হয়ত হাদীসটি বুঝতে পারেনি আমি আপনাকে ব্যাখ্যা করি, ফজর থেকে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কমসেকম
৭ ঘন্টা হয় কমসেকম ৭ ঘন্টা হবে ছয় ঘণ্টার হবে বেশি হবে আর দুপুর থেকে নিয়ে আছর পর্যন্ত সময় অনুযায়ী কখনো
কখনো সাড়ে তিন ঘন্টা হবে কখনও কখনও ৪ ঘন্টা হবে সেই সময়ের ভিত্তিতে আছর থেকে মাগরিব কখনো কখনো দুই
ঘন্টা, হবে আবার শীতকালে বা কখনো কখনো দেড় ঘন্টা হয় কখনো কখনো সোয়া ঘণ্টা হয় এবার আপনি বুঝেন
ইহুদী-নাসারাদের আমাদের পূর্বে যারা অতিবাহিত হয়ে গেছে এমনকি বনি ইসরাইলদের আগে পৃথিবীতে এসেছিল তাদেরকে
আল্লাহ সুবহানাহু কাউকে ৫০০ বছর ৭০০ বছর, নুহ (আঃ) কে ১০০০ বছর দান করেছিল তার মানে এই লোক গুলো এই
পৃথিবীতে হাজার বছর পর্যন্ত টিকে ছিল তাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা ৫০০ / ৬০০ বছর ইবাদত করে নিয়েছে
তার বিনিময় জান্নাত পেয়েছে তার বিনিময়ে তারা জান্নাত পেয়েছে । তার মানে একটা লোককে যদি কোন ফ্যাক্টরিতে
৫০০ বছর কাজ করতে হয় তারপরে যে ফলাফলটা তার আসবে যে যেই এটাকে কি বলে যেটা ফ্যাক্টরি থেকে সর্বশেষ পায়
ভাতা বা কি বলে এটাকে একটা এমাউন্ট ধরেন যেটা কোম্পানির পক্ষ থেকে আপনাকে দেবে ৫০০ বছর আপনি ফ্যাক্টরির
চাকরি করেছেন কর্মচারী ছিলেন তার পরে আপনাকে সেটা দেওয়া হয়েছে । আর একটা লোক সেই কোম্পানিতে জব
করছে মাত্র ৫০ বছর তাকে তার ডাবল দেওয়া হচ্ছে এবার বোঝেন আপনি বুঝতে পারছেন কিনা যে আপনার মর্যাদা টা
কি এটা শোনার পরে ইহুদী-নাছারারা ক্ষেপে গেল এবং অসন্তুষ্টি প্রকাশ করল কি হয়েছে আমাদের আমাদের বেশি কাজ
করানো হলো অথচ আমাদের অল্প মজুরি দেওয়া হল ,আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার পক্ষ থেকে জবাব আসছে তাদের
তোমাদের হক থেকে কি কোন কিছু কম দেওয়া হয়েছে অন্য বর্ণনায় রয়েছে হক যেটা প্রাপ্য ছিল এটা না দিয়ে কি আল্লাহ
তোমাদের উপর জুল ম
করেছে বলছেন আমাদের প্রতি জুল ম
করা হয়নি কারণ তাদের সাথে চু ক্তিবদ্ধ তাকে ডেকেছে কে
আছো সকাল থেকে নিয়ে জোহর পর্যন্ত কাজ করবে এক কেরাত বিনিময়ে তারা স্বেচ্ছায় এসেছে কাজ করতে তাদের এক
কেরাত নিয়ে চলে গেছে আসর থেকে নিয়ে ওই দলটা কেউ চু ক্তি হয়েছে সেই বেতন তারা নিয়ে চলে গেছে । তখন বলতেছে
তারা তোমাদের তোমাদের তো আমি জুল ম
করিনি তোমাদের ঘাটতি করিনি তাহলে কোথায় তোমাদের আপত্তি কোথায়
আর যাদেরকে আমি অল্প কাজ করিয়ে বেশি দেবো এটা হচ্ছে আমার অনুগ্রহ যাকে চাই তাকে দান করি ।
আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে সে মর্যাদা দান করেছে যে আমাদেরকে মাত্র রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছে পঞ্চাশ থেকে ষাট কি সত্তর বছর দান করেছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এর বেশি আমরা কেউ বাঁচবো না
কিছু আছে রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম বলেছেন কিছু আছে যারা .৭০ বছর ওভার করতে পারবে আপনি এভাবে
ভাবুন ঈমান নিয়ে আসার পরে আপনি মাত্র এজমিনের সত্তর বৎসর আপনি দশ বছর আগে পার করে ফেলেছেন বাকি
থেকে যায় ৬০ বছর এ ৬০ বছরে আপনি সালাত আদায় করে জান্নাতে যেতে পারছেন তাদের আগে রাসুল সালাম বলেছেন
আমি সর্বপ্রথম জান্নাতে যাব এবং সমস্ত নবীদের পরে উম্মতের যখন পালা আসবে আমার উম্মত সর্বপ্রথম জান্নাতে যাবে
এবং তোমরা হলে জান্নাতের তিনভাগের দুইভাগ আল্লাহু আকবার, আলহামদুলিল্লাহ । যে আল্লাহ তায়ালা বলছেন জান্নাত
কে তিন ভাগ করলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত কে ২ ভাগ দেওয়া হবে প্রথম তোমরা প্রথম জান্নাতে
যাবে প্রথম জান্নাতে অথচ আপনি কি করেছেন মাত্র 50 বছর সালাত আদায় করেছেন নুহ (আঃ) জাতির লোকেরা নুহ(আঃ) সাল্লাম দাওয়াত দিয়েছেন সকাল-সন্ধ্যায় কতদিন ১০০০ বছর , আল্লাহু বলেছেন তিনি ১০০০ বছর এ জমিন এ
দাওয়াতি কাজ করছেন ৫০ বছর কম তারমানে ৯৫০ বছর ।
আর মুহাম্মাদুর রাসুল্লাহ মাত্র 23 বছর দাওয়াতি কাজ করেছে জমিনে মাত্র 23 বছর যাকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা মাকামে
মাহমুদ পৌঁছে দিয়েছে আর আপনি আমাকে তার উম্মত করে পাঠিয়েছে তু মি আমাকে তার মত করে আল্লাহ সুবহানাহু
তাআলা পাঠিয়েছে এবার আপনি বোঝেন যে আল্লাহ আপনাকে এর মর্যাদা তাকে কিভাবে দিয়েছে এর রমজান মাসে
আমাদের কাছে আসছে রমজান পৃথিবীর ইতিহাস থেকে ছিল আদম আলাই সালাম এর যুগ থেকেই ছিল কিন্তু এই তো
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা মোহাম্মদ সালাহ সালামের আগে অন্য কোন নবীকে জানাননি রমজান মাসের ইবাদত
করলে জানা যাবে রমজান মাস সম্পর্কে যে কথাগুলো আমি আপনার কাছে বলবো তবে এত টু কু বলে দেই মুহাম্মদ সাল্লাহু
সালাম এর পূর্বে কোন রমজান মাসে দান করা হয়নি রমজান মাসে কি করলে তু মি নাটক পেয়ে যাবে এটা ছাড়া আর
কাউকে দেওয়া হয়নি সে মাস আপনার কাছে আসতে যাচ্ছে মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি আছে সেটা কি হতে পারে আল্লাহ
সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এরকম অনেক সময় আপনাকে দান করেছে এমন একটি সময়ে মাসে রয়েছে যদি কোন ব্যক্তি সে
মাসের সে রাত টিকে পেয়ে যায় আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কি বলেছেন “খাইরুম মিনান ফিশহার” আপনি কখনো
ক্যালকুলেশন করে দেখেছেন সে রাতের পরিমাণটা কত আল্লাহ বলছেন কেউ একটি রাত যদি ইবাদত করতে পারে যদি
জেগে থাকতে পারে ওই রাতে যদি ইবাদত করে আল্লাহকে ডাকে তাহলে সে যে নেকি কামাতে পারবে কোন ব্যক্তি যদি
৩০৪১৫ টি রাত ও পেয়ে যায় তার সমান হতে পারবে না আপনাকে যদি হিসাব করা হয় জানেন আপনার বয়স যদি ৭০
বছর ধরা হয় তার মধ্য থেকে প্রথম থেকে ১০ বছর যদি বাদ দেওয়া হয় তার মানে ৬০ বছর এ ৬০ বছরে আপনার
লাইফে আসবে মাত্র ৭২০ টি রাত যে তোকে আমি ক্যালকুলেশন অত বুঝি না আপনারা ক্যালকুলেশন করে দেখবেন যে
আমার টা ভু ল হচ্ছে কিনা আপনার জীবনে 60 বছর যদি ধরা হয় ৩৬৫ দিনে এক বছর তো তারমানে ৩৬৫ রাত
আপনার জীবনে আসে আপনার 60 বছর যদি ধরা হয় তাহলে এ জমিনে সময় পাচ্ছেন মাত্র ৭২০ টি রাত । কোন ব্যক্তি
যদি এক টি রাত আল্লাহ সুবহানাতায়ালার এই রমজান মাসের সেই রাতটি তার নসিবে হয়ে যায় তাহলে সে এক হাজার
মাস তার মানে ৩০৪১৫ রাতের নেকী অর্জ ন করতে পারছে ।
যদি এরকম আপনার লাইফে পাঁচটি রাত আসে তাহলে আপনি চিন্তা করে দেখুন আপনি 84 বছর তো ৮৩ বছর ৪ মাস বা
83 বছর সামথিং হয় এ ১০০০ মাসে । আপনি চিন্তা করে দেখুন আপনার লাইফে যদি দশটা রাতে রকম চলে আসে তাহলে
১০*৮৪ কত ৮৪০ বছরের ব্যক্তির সমান আপনি হয়ে যাচ্ছেন মাত্র দশ বছরে আল্লাহ সে মর্যাদা আপনাকে দান করেছেন
যে রমজান আমাদেরকে সে সুফল নিয়ে আসছে এ রমজানের বহু বৈশিষ্ট্য রয়েছে আমি এখানে দাড়িয়ে ইনশাল্লাহ উল
আজিজ আমি আপনার কাছে ত্রিশটি বৈশিষ্ট্য তু লে ধরতে পারি আমি সক্ষম ইনশাআল্লাহ উল আজিজ । ত্রিশটি বক্তব্য আমি
৩০ টি পয়েন্ট আপনার সামনে তু লে ধরতে পারি এবং দলিল ভিত্তিক একটাও দলিলের বাহিরে হবে না । যা অনেকে
আপনারা শুনেছেন কিন্তু আমি ঐদিকে যাবনা । যেমন বৈশিষ্ট্য কি রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার
উম্মতদের কে রমজান মাস সম্পর্কে সুসংবাদ দিতেন যতগুলো হাদিস আপনারা শুনেছেন যে রমজান মাসে জান্নাতের
দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়, এগুলোকে বৈশিষ্ট্য বলা হয় এরকম কতগুলো কথা আসুন
আমি আপনাদেরকে শোনাই এক এক করে।
আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তিনি বলছেন যতগুলো হাদিসের মধ্যে ভাষা গুলো এসেছে মূলত রাসূল ল্ল
াহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতকে সুসংবাদ দিয়ে এ কথাগুলো বলেছে যে তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো
তোমাদের কাছে এমন একটা মাস চলে এসেছে এ মাসের বৈশিষ্ট্য এই এই এই । আসুন সেইগুলা কি আমি দেখাই, আরে
কাজের জন্য রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাম কে প্রেরণ করা হয়েছিল আমাদেরকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য যারা আল্লাহর প্রতি এবং
রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি ঈমান আনতে পেরেছেন আপনাদেরকে সুসংবাদ দেয়ার জন্য কোরআন
এবং রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পাঠিয়েছেন । আপনাদেরকে শুধু আল্লাহ শাস্তি দিবেন এই ভয় দেখায়নি,
আপনাদের জন্য জান্নাত রয়েছে এই সুসংবাদ দেয়ার জন্য কোরআন এবং রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
প্রেরণ করেছেন । আমি সে আয়াত আপনাদেরকে শুনিয়েছি গত এক বক্তব্যে সূরা সাবা ৩৪ নম্বর সূরার ২৮ নম্বর আয়াতে
আল্লাহ সুবহানাতায়ালা একথা বলেছেনঃ তারা অধিকাংশ মানুষ এটা বোঝে না যে আমি আপনাকে সমস্ত মানুষের জন্য
সুসংবাদকারি এবং সতর্ক কারী হিসেবে প্রেরণ করেছি । রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এইসুসংবাদই আমাদের দিচ্ছেন যে সুসংবাদ তিনি গর্ভ করে জান্নাতের সুসংবাদ আমাদেরকে দিতেন । ক্ষমার দিকে
আমাদেরকে সুসংবাদ দিতেন । সে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এই রমজান মাসে সুসংবাদ আমাদের কে দিয়েছেন
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলছেন “ইউবাশশিরুহুম লি আসহাবিহি “ এই অংশটু কু পাবেন আপনি সউবাতু ল ঈমান ৩৩৮৪
নাম্বার হাদিসে । সউবাতু ল ঈমানএর এই অংশটু কু অন্য কোন কিতাবে বর্ণিত হয়নি দুর্লভ কিতাবে থাকতে পারে যে
রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে আমাকে সুসংবাদ দিয়েছ তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো রমজান মাস
এসেছে ।
কি ভাষা দিয়ে তিনি আমাদের সুসংবাদ দিতেন আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তিনি বলেছেন যখন রমজান
চলে আসত তিনি বলতেন তোমাদের কাছে রমজান মাস বরকত নিয়ে চলে এসেছে । পুরো মাসটাকে বরকত করা হয়েছে ।
রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন যখন রমজান চলে আসবে, যখন রমজান তোমাদের ডেকে নিবে, যখন
রমজান পৃথিবীতে প্রবেশ করবে, যেইদিন রমজানের প্রথম রাতটি হবে, কি হবে অনেক বড় একটা বিপর্যয় হবে পৃথিবীতে,
অনেক বড় একটা বিপ্লব আসবে, অনেক বড় একটা পরিবর্ত ন আসবে সেটা কি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলছেন আকাশের যতগুলো দরজা আছে সব খুলে দেওয়া হবে । এ হাদীসটি আপনি বুখারীতে পাবেন ১৭৬৫ নম্বর হাদিস ।
মুসলিমের ১৭৯৪ নাম্বার হাদীসে রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আল্লাহর যতগুলো রহমত আছে সমস্ত
দরজা গুলো খুলে যাবে । এটাই শেষ নয় বুখারীতে তারপরের হাদিসটি পড়ুন ১৭৬৬ তাতে রয়েছে রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু
আলাই সালাম বলেছেন জান্নাতের প্রত্যেকটি দরজা খুলে দেওয়া হবে । আপনি ভেবেন না আকাশের দরজা আর জান্নাতের
দরজা এক দরোজা । আকাশের দরজা খুলে যাবে আল্লাহর রহমতের দরজা খুলে যাবে জান্নাতের দরজা গুলো খুলে দেওয়া
হবে । তার একটি দরজা বন্ধ করা হবে না যতদিন এ পৃথিবীতে রমজান থাকবে, চতু র্থ বৈশিষ্ট্য যেটি বলা হয়েছে এই
হাদিস গুলোতেই পাবেন জাহান্নাম এবং আগুনের দরজা গুলো বন্ধ করে দেয়া হবে, তার একটি দরজা ও রমজান
থাকাকালীন আর খুলবে না । আমি যদি আপনাদেরকে প্রশ্ন করি এই বৈশিষ্ট্যগুলো শোনার পরে আপনার ব্রেইন এ কি কোন
কাজ করছে? আপনার কি ফায়দা, আপনার কি বেনিফি্‌ এ পৃথিবি বাসি কি ফায়দা পেল জান্নাতের দরজা খুলে গেছে
আপনার অন্তর একটু ও নড়েনি আপনারা কি পশম ও দাঁড়ায় নি তার মানে কি আপনি বুঝেন নি জান্নাতের দরজা খুলে
গেছে এর মানে কি জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আপনার কি বেনিফিট হল আপনি কি পেলেন কি বুঝবেন
যে আপনার কি ফায়দাটা হয়েছে । কারন আমরা মানুষ সবসময় ফয়দা দিকে ঘুরি না আমরা তো সবসময় ফায়দা চাই ।
তথ নগদ চাই অথবা কোনো না কোনোভাবে বিশ্বাস না হলেও ধরে নিয়েছি যে ফয়দা একটা হবে কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম
যে ভাবে দেখতো আমি বলি আপনাকে, আমি বলব আপনার কি ফায়দাটা রয়েছে ।
আরেকটা বৈশিষ্ট্য রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাম বলেছেন, একটি বর্ণনায় রয়েছে জিন দের বন্দী করে রাখা হয় আরেকটি বর্ণনায়
রয়েছে শয়তানদের দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয় আরেকটি বর্ণনায় রয়েছে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয় মানে লোহার শিকল
দিয়ে তাকে আটকানো হয় । এটা যদি আপনি সমন্বয় করেন জেনে নেন বড় শয়তানকে লোহার শিকল দিয়ে আটকে রাখে
আল্লাহ সুবহানুতায়ালা । আর বাকিগুলো কে যার জন্য যেমন প্রযোজ্যতা এরকম রশি দিয়ে প্রত্যেকটা কে বেঁধে ফেলা হয়
। আমি যদি এখন আপনাকে বলি শয়তানকে বেঁধে দিবে মানুষ আপনার জন্য আল্লাহ কত বড় এহসান করেছে এটা কি
আপনি বুঝতে পারেন শয়তানকে বেঁধে দিলে আপনার লাভ কী ক্ষতি হয়েছে এটা কি আপনি ফিল করেন কি বুঝতে
পারছেন আল্লাহ আপনার উপর কত বড় দয়া করছেন এটা এমন একটি পয়েন্ট এটা নিয়ে আমি আজকে আলোচনা করব
খুতবার দ্বিতীয় অংশ যদি আমার ব্রেন থেকে সরে যায় কেউ আমাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েন
তারপর রাসূল ল্ল
াহ (সাঃ) এ রমজান মাস সম্পর্কে বলছেন “ফিহে লাইলাতু ল খাইরুল মিনাল ফিসাহার” একথাগুলো
আপনারা শুনেছেন আমি ঐদিকে যাবনা রমজান মাস সম্পর্কে একটি হাদিস হয়তো কেউ আপনাকে শোনাইনি । এটা সহিব
বাযযার এ রয়েছে নাসিরুদ্দিন আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন সহি তারগীব এ রয়েছে প্রথম খন্ডে ৪৯১ নাম্বারে
রয়েছে , আপনি হাদিসটা পাবেন মুসনাদে আহমদের ৭১৩৮ নাম্বারে রয়েছে ।
সেই হাদিসে আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তিনি বলেছেন রমজানে এমন একটি মাস যে মানুষ সে রমজান
মাস পেয়ে যাবে হাদিসের ভাষায় তিনি বলছেন রমজান মাসের প্রত্যেকটি দিন ও রাত এমন যে আল্লাহ সুবহানাহুতা'আলার দিনে অনেক অনেক মানুষকে ক্ষমা করে দেয় জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দেয় রাতেও অনেক মানুষকে ক্ষমা করে
দেয় এবং জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দেয় । দিন এবং রাত সমানে এবং ৩০ দিন । আমরা যে শুনেছি শুধু দশ দিন রহমত
দাশ দিন মাগফেরাত ১০ দিন নাজাত মিথ্যা কথা হাদিস সহি নয় সহি হাদিস গুলো প্রমাণ করে ওই হাদিস মিথ্যা রাসূল ল্ল
াহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যখন রমজান মাসের চাঁদ উঠে যাবে সেই দিন থেকে আল্লাহ সুবাহানাতালা অসংখ্য
মানুষকে ক্ষমা করতে থাকবে দিনে এবং রাতে ।
আরেকটি পয়েন্ট ভু ইলেন না তার পরের অংশে রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন রমজান মাসের রাত
এবং দিন গুলো এমন একটা মুসলমানের সন্তানকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা মুস্তাবুজ্জাত দাওয়া ব্যবস্থা করে দেন ।
মুস্তাবুজ্জাত দাওয়া মানে অর্থ বোঝেন আপনারা শুনে একজন ব্যক্তির নাম ওয়েসকুরনি । শুনেছেন ওয়াজকরনীর নাম
তার সম্পর্কে রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাম কি বলেছেন ওমর (রাঃ) থেকে সহি হাদিসে বর্ণিত ওমর যদিও ওয়েসকুরনি এর সাথে
তোমার সাথে দেখা হয়ে যায় তাহলে তার কাছ থেকে দোয়া চেয়ে নিওকারণ সে হলো মুস্তাবুজ্জাত দাওয়া । সে যদি কোন
দোয়া করে তার দোয়া আল্লাহ ফেরায় না । আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছে রমজানে এমন একটি মাস প্রত্যেকটা মুসলিম
মুস্তাবুজ্জাত দাওয়া । কোন মুসলিম বান্দা যদি সকালে আমাকে ডাকে তার দুয়ার কোনো-না-কোনো দোয়া অবশ্যই কবুল
করা হবে । তারমানে রমজান মাসের চাঁদ উঠে গেলে যারা রমজান মাস পেয়ে যাবেন যারা মুসলিম তারা প্রত্যেকে পীর ।
পীর বোঝেন পীরের কাছে যে জন্য মানুষ মানুষ গিয়ে মুরিদ হয় আপনারা কেউ মুরিদ না রমজান মাস আসলে আমরা
কেউ মুরিদ না সবাই পীর কারণ আমরাতো মনে করি পীরের দোয়া কবুল হয়, পীরের সন্তান দিতে পারে পীরে বরকত
দিতে পারে, পীরে রিজিক বাড়াতে পারে আল্লাহ বলছেন রমজান আসলে তোমরা প্রত্যেকেই পীর চাও কি চাইবা চাও । ক্ষমা
চাই ক্ষমা করে দিব বাচ্চা চাও বাচ্চা দেওয়া হবে, রিজিক বৃদ্ধি চাও রিজিক বৃদ্ধি করে সকাল-সন্ধ্যা আপনাকে পীর
বানিয়ে দেওয়া হয়েছে । এখন আর পীরের ধন্যা ধরতে হবে না । যতদিন রমজান মাস আপনার পকেট এ আছে আপনি
ততদিন পর্যন্ত মুস্তাবুজ্জাত দাওয়া, আপনি আল্লাহকে ডাকেন আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করবেন আল্লাহ গ্যারান্টি দিচ্ছে ।
এর গ্যারান্টি কোরআনেও রয়েছে হাদীসটি যে কোরআন এর সমর্থনে দেখেন, রমজান মাসের আয়াত যেগুলো বর্ণনা করা
হয়েছে সূরা বাকারা তে ১৮৩ থেকে ১৮৭ ।
১৮৫ রমজানের বর্ণনা, রমজান মাসের সিয়াম এর বর্ণনা এসেছে ১৮৬ নাম্বার আল্লাহর রমজান সম্পর্কে কোন কথা
বলেনি ১৮৭ তে গিয়ে আবার বলেছে । ১৮৬ নাম্বার আয়াতে হচ্ছে দোয়ার আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন আমার কোন
বান্দা যদি আমাকে ডাকে যখন ডাকে তখন তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিব আল্লাহ সুবহানাতায়ালার আয়াত তা নিয়ে
এসেছে রমজান মাসের দুই আয়াতের মাঝখানে তার মানে এই আয়াত সবচেয়ে বেশি ফিট হবে রমজান মাসে আপনি
আল্লাহকে ডাকলে আল্লাহ শুনবে আপনি হচ্ছেন আল্লাহর অলি ।
এক মাস আপনি আল্লাহর অলি আপনার যে কোন খায়েশ আপনার যেকোন সমস্যা আছে আপনি আল্লাহর কাছ থেকে পুরা
করে নেওয়ার সময় আসতেছে আপনার কাছে । এইযে হাজারো বর্ণনা এরকম ৩০ টি বৈশিষ্ট্য আমি আপনার কাছে তু লে
ধরতে পারি কিন্তু এগুলো একটা নিও আমি আপনার সামনে আজকের আলোচনা করবো না কারণ আমাদের এর চেয়ে বড়
রোগ রয়ে গেছে সেটা আমাদের শুধরাতে হবে । এই বর্ণনাগুলো আমাদের কাছে কার মাধ্যমে এসেছে রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের মাধ্যমে এসেছে, সাহাবীদের এত জ্ঞান ছিল না যত জ্ঞান আপনাদেরকে দেওয়া
হচ্ছে, আমাদেরকে দেওয়া হচ্ছে । কেউ মনে করবেন যে বাড়াবাড়ি করছে কিনা হুজুর । আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি
কোন সাহাবিদের এত জ্ঞান ছিল নাযত জ্ঞান এই পৃথিবীবাসীকে আল্লাহসুবহানাতায়ালা এখন নেওয়া সুযোগ করে দিয়েছে
। বলেন কিভাবে সাহাবীদের কাছে যখন কোরআনের আয়াত
নাযিল হয়তো কোরআনের আয়াত গুলো নাযিল হয়েছে কত বছরে ২৩ বছরেএ মাসে কিছু নাযিল হয়েছে তার পরের মাসে
কিছু নাযিল হয়েছেএ বছরে হয়তো ১০০ আয়াত নাযিল হয়েছে তার পরের বছরে 500 আয়াত নাযিল হয়েছে তাহলে এ
বছরে যারা মরে গেছে তাদের তাদের কতটা আয়াতের জ্ঞান ছিল ?দূর দূর থেকে একেক সাহাবী আসত ইসলাম গ্রহণ করে
চলে যেত তাহলে আজকে যে আয়াতটি নাযিল হয়েছে কালকের তার কাছে সেটা আর পৌঁছায়নি । তাদের কাছে খুব অল্প
বিদ্যা ছিল দু - একটি হাদিসের তারা এলেন জানতো দলিল দেবো? আবু হুরাইরা (রাঃ) একদিন বলতেছে যে ব্যক্তি বলবে
“মান কানা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ দাখালাল জান্নাহ” উমর রাযিআল্লাহু তা'আলা আনহু তার বুকের মধ্যে ধাক্কা দিয়ে ফেলেদিয়েছে “কোথায় থেকে শুনেছ এই কথা প্রমাণ নিয়ে আসো না হইলে তোমাকে শাস্তি দেওয়া হবে” দুই জন সাহাবী আরো
সাক্ষী দিয়েছে “হ্যাঁ রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু ইসলাম মুখ থেকে এই কথা বলেছে” । আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
এর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ওমর (রাঃ) জানছে না যে এই হাদিস আবু হুরায়রা (রাঃ) এর কাছে মজুদ আছে ওমর (রাঃ) এর
কাছে নেই । আপনি চিন্তা করে দেখুন বুখারীতে যে হাদীসগুলো আছে আপনি বলতে পারেন কোন একজন সাহাবীর কাছে
সব হাদীস আছে? নাই তারমানে আপনাকে আল্লাহ এমন ব্যবস্থা করে দিয়েছে পুরো কোরআন আপনার পকেটেরাসুল ল্ল
াহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবনের যত হাদিস আছে যেগুলো সহি হতে পারে গ্রহণযোগ্য হতে পারে তার বিভিন্ন
কিতাবের মাধ্যমে আল্লাহ আপনার ঘরে ঢু কিয়ে দিয়েছে সমস্ত সাহাবীদের এলেম যা ছিল সব জমা করে আল্লাহ আপনার
ঘরে ঢু কিয়ে দিয়েছে আপনি চাইলে সমস্ত সাহাবীদের এলেম অর্জ ন করতে পারতেন রমজান মাসের যে বৈশিষ্ট্য আমি
বললাম ত্রিশটি আমি আমি জমা করেছি আমি দাবী করি ৩০ টি কোন সাহাবীর জ্ঞান ছিল না কারণ তাদের দরকার
পড়েনি তাদেরকে যদি একটা কথা বলা হয়েছে যে রমজান মাস তোমাকে নাজাত করে দিবে এটাই তার পু জি
হয়ে গেছে ।
তাদের আচরণ কি আজকে আপনাকে ৩০ টা কি এরকম একশোটা বক্তব্য ১০০ টি বৈশিষ্ট্য আপনার সামনে তু লে ধরা হয়
আপনার স্থান থেকে আপনি একটু ও নড়তে পারবেন না । একটু ও নড়ছেন না আপনি। আপনার জীবনের আপনার লাইফে
একটু ও পরিবর্ত ন আসছে না , কোন পরিবর্ত ন হচ্ছে না যেমন ছিলেন রমজানের আগের দিন রমজান আসলে তেমনি
রমজান চলে যাবে আপনি তেমনই থেকে যাবেন । আপনার হাজারো বৈশিষ্ট্য যদি বলি কোন কাজ হবে না । কিন্তু
সাহাবীদের চরিত্র কেমন ছিল জানেন তাদের অতো বিদ্যা ছিলনা একটি দুইটি রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর
মুখের কথা শুনতে পেরেছে জান্নাত জাহান্নাম যেন তারা নিজের চোখে দেখতে পেত । তাদের অবস্থা কি ছিল এই
কথাগুলোই তো ছিল মুল যে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হবে জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে একমাস সিয়াম
পালন করলে আল্লাহর নাজাত দিয়ে দিবে আল্লাহ তোমাদের দোয়া কবুল করবে এগুলোই তো জানানো হয়েছে তাদেরকে
তাদের অবস্থা কি ছিল জানেন তাদের ইতিহাস থেকে জানা যায় তারা রমজানকে তলফ করত আল্লাহ সুবহানু ওয়া
তায়ালার কাছে ছয় মাস আগে থেকে । আর আপনার জন্য মাত্র 6 ঘন্টা বাকি আছে রমজান এর চাঁদ উঠে যাবে মাত্র ৬
ঘন্টা তারা ৬ মাস আগে থেকে আল্লাহর কাছে রমজান সাহিত্য তারা প্রস্তুতি নিতে যে এবার রমজানে আমার জীবন আমি
পাল্টে দিব এবার রমজানে আমার জীবনের সকল গুনাহ খাতাকে আমি মিটিয়ে দিবো । আমি সৎ হয়ে যাব আল্লাহ
আমাকে এ রমজানের আগে তু মি মৃত্যু দান কোরো না যাতে আমি খালেস বান্দা হয়ে তোমার কাছে পৌঁছাতে পারি ছয় মাস
আগে থেকে । এটা ছিল তাদের চরিত্র , তাদের চরিত্রের মধ্যে কি বলা হয়েছে রমজান চলে যাওয়ার পর ছয় মাস তারা
আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করত, হায় আল্লাহ নাজাতের একটা মাস পেয়েছিলাম আমার নাজাত কি হইলো কিনা ।
আমাকে কি আল্লাহ মুক্ত করল কিনা, আমি জান্নাতি হইতে পারলাম কিনা কারা 6 মাস আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে
কান্নাকাটি করত । আর ঈদের দিন থেকে আপনার চরিত্র হয়ে যাবে যা ইচ্ছা তাই । তারমানে আপনাদেরকে হাজারো
বক্তব্য যদি শোনানো হয় কত বৈশিষ্ট্য শোনানো হবে আপনার অন্তর পর্যন্ত যাচ্ছে না । কিন্তু সাহাবীদেরকে এক একটি কথা
তাদের অন্তরে গেঁথে ফেলত তারা ফিল করতে পারত ধর্ম টা কি জিনিস । পার্থক্যটা কোথায়? ওই সাহাবীরা যাকে
জান্নাতের সার্টি ফিকেট দেওয়া হয়েছিল তার ওপরও পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ ছিল নাকি ছয় ওয়াক্ত ছিল? যে জান্নাতের
গ্যারান্টি তাকে দেয়া হচ্ছে তার জন্যও পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ ছিল । আপনারা এ কথা বুঝতে পারছেন ? এ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত
আপনার উপরে ফরজ । তারা রমজান মাসের ৩০ টা রোজাই রাখত নাকি তারা দুই মাস রোজা রাখত কিন্তু তার ঈমান
আপনার ঈমান আকাশ-পাতাল ডিফারেন্স । আল্লাহ বলছেন তাদের মত ঈমান হলে নাজাত পাবে। তাদের মত সিয়াম
আমরা পালন করতে পারছিনা, সালাত ও আদায় করতে পারছিনা যদিও সংখ্যা তাই । আপনি পারতেছেন না আপনার
রুহ যাচ্ছে আপনি নামাজে দাঁড়িয়ে যান এক রাকাত কমপ্লিট করতে পারেননি আপনার নাজাতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে ।
এক রাকাত যথেষ্ট হয়ে যাবে, একটা সেজদা যথেষ্ট হয়ে যেতে পারে, কিন্তু আল্লাহ আপনাকে সময় দিয়েছে সুস্থ আপনি
তাহলে পড়তে থাকেন যতটা আপনার মন চায়, আপনি কেন সীমাবদ্ধ করে নিয়েছেন, আপনাকে তো আল্লাহকে সন্তুষ্ট
করার জন্য ইবাদত করতে বলা হয়েছে । ইবাদতটি কি জন্য? আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য । আপনার কাছে যতক্ষণ না মনে
হবে যে আমি নামাজ পড়ে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে পারছিনা আপনি পড়তে থাকেন পড়তেই থাকতে হবে আপনাকে । যে
ভালো কেরাত করে যে লম্বা নামাজ পড়ে সুন্দর করে আপনার অন্তরে আয়াতকে ঢু কিয়ে দিতে পারে তার পিছনে সালাত
আদায় করেন। সে যদি ২০ পড়ে আপনি ২০ ই পড়েন । কিন্তু আপনি সংখ্যা ধরে বসে আছেন কেন । আপনাকে বলা হয়েছে
আল্লাহর বান্দা হতে, বন্দেগী করতে আপনাকে বলা হয়েছে । এ রমজান এমন একটি মাস ভূ মিকায় শুরু করিনি আপনাদের
.১ টা বেজে যাচ্ছে ।কি বক্তব্য দিব বলেন, এর বৈশিষ্ট্য এমন আমি সব বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করব না । সাহাবীদের
চরিত্র ছিল এটা যে রমজান তারা আল্লাহর কাছে তলব করত, আকাঙ্ক্ষা ছিল কিন্তু আমাদের অনেকের কাছে রমজানবোঝা হয়ে যায় । রমজান আসছে না তো যেন বোঝা আসছে । একটু আগে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দেখলাম সৌদি
আরবের কোন একটা হাইপার মার্কে টে একটা চাউলের ব্যাগ লেখা ছিল ৩৬ টাকা ডিসকাউন্ট করে দিয়েছে.১৭ টাকায়
বিক্রি হচ্ছে । অনেক ব্রাদাররা বলতেছে ওখান থেকে চাউলটা কিনো । মানে অনেকে একজন আরেকজনকে জানাই সহজ
এর জন্য । সবাই তো আমরা অভাবি, তো ওই মার্কে টে ১৭ রিয়াল এ দেওয়া হচ্ছে চাউল এটা হচ্ছে সৌদি আরবের দৃশ্য,
সৌদি আরবের দৃশ্য আপনি বুঝেন যে দেশে রমজানের চাঁদ আজকে উঠবে খবর হয়ে গেছে সেল লেগে গেছে প্রত্যেকটা
মার্কে টে । কে চায় কে নেকী অর্জ ন করবে তারা প্রতিযোগিতা করছে আর আপনার দেশে টমেটোর দাম বেড়ে গেছে, কালো
বেগুনের দাম বেড়ে গেছে, মরিচের দাম বেড়ে গেছে, চিনির দাম বেড়ে গেছে তাহলে ধর্ম বোঝেন না আপনি মুসলিম
আমরা ধর্মই বুঝিনা আপনারা ব্যবসা খুলে বসে আছেন ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করেন আপনারা প্রত্যেকে । কে পারেন কীভাবে
কার গলা দাবিয়ে আপনি সম্পদ কামাচ্ছেন দুনিয়া কামাচ্ছেন । এ দুনিয়া আপনাকে টিকিয়ে রাখতে পারবে না আলি (রাঃ)
একটি চমৎকার কথা বলেছেন আমি বলব সে কথাগুলো আপনাকে । আসুন আমরা আগে বাড়ি, রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সুসংবাদ দিতেন রমজান মাস যখন চাঁদ উঠে যাবে আপনার জীবনে বড় একটা বিপ্লব
নিয়ে আসতে হবে কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এখান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, অধিকাংশ মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে । আব্দুর
রহমান সুদাইস তার কোন এক বক্তব্যে মক্কার ইমাম আমি মুসলিম জাতিকে এবং আমার অন্তরকে আল্লাহর ভয় প্রদর্শন
করাচ্ছি নসিহত করছি, এ রমজান আপনি ভাইবেন্না এটা রমজান আপনি ধরে নেন এটা আপনার জীবনের প্রথম একটা
বছর । আপনার জীবন থেকে একটা বছর চলে গেল নতু ন বছর শুরু হতে যাচ্ছে আপনি নববর্ষ পালন করতে চান পালন
করেন রমজান মাসে যে আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা'আলা এই নববর্ষে আমি আমার জীবনটাকে সুধরে দিব মরার আগ পর্যন্ত
আল্লাহ ঈমান বিহীন তোমার সাথে সাক্ষাত করব না । শুরু হয়ে যান নববর্ষ পালন করুন আপনি ইবাদতের মাধ্যমে
সিয়াম এর মাধ্যমে কত ইবাদত আপনি করতে পারেন কাকে পিছনে চালাতে পারেন আপনি চেষ্টা করে দেখান । দেখান
আপনি কত জনকে ইফতার খাওয়াতে পারেন । কত ইলিশ মাছ খাওয়াতে পারেন খাওয়ান । রমজান মাস আপনার জন্য
বছরের প্রথম দিন শুরু হবে ইনশাআল্লাহ উল আজিজ । আপনার জীবনকে পাল্টে দেওয়ার একটা সময় আসছে । তিনি
বলছেন যে হে মুসলিম আপনি আপনার জীবনের নতু ন একটা নতু ন সূচনায় নিয়ে আসুন আপনি একটা দপ্তর খুল ন
মানে
আপনি একটা ডাইরি লিখুন । সেটা ডায়েরি টার মধ্যে কি লেখা থাকবে? সে কোন সাইট নিয়ে থাকবে যে সাইটে থাকবে
শুধু কল্যাণ আর কল্যাণ । যত নেকীর কাজ আছে আপনি সেই রাস্তায় হাঁটবেন । আল্লাহ ভীরুতার যেকোনো মজলিস,
যেকোনো সময়, যেকোনো ইবাদত, যে কোন মুহূর্তে আপনাকে সেখানে পাওয়া যাবে, আপনার ডিকশনারিতে যেটা এই
বছর থেকে লেখা থাকবে তাহলে সেটা হচ্ছে সৎকর্ম অসৎ কর্ম নয় । আপনি আল্লাহ ভীরুতা অর্জ ন করবেন এই রমজান
থেকে এই প্রতিজ্ঞা আপনি করেন এই দাওয়াত টি তিনি দিয়েছিল । যে মুসলিমদেরকে একটা সময় এসেছে তার জীবনটাকে
একটু ভালো দিকে পাল্টানোর, জনম ভরে ওয়াজ শুনলে কাম হবে না, এ রমজানে আপনি প্রতিজ্ঞা করে নেন আল্লাহ যারা
দাড়ি রাখে নি তারা এ রমজানে দাড়ি রাখবে, যারা কোন পীর বাবার ফকিরের দরবারে দৌড় পাড়ত বরকত নেয়ার
জন্য আল্লাহর কোরআনের দিকে ফিরে আসবে । যে ব্যক্তির সালাত আদায় করতো না সে প্রতিজ্ঞা করে নেন এ রমজানের
চাঁদ ওঠার আগে থেকে এখন থেকে আমার নামাজ ছু টবে না, ইনশাল্লাহ উল আজিজ আমি এই রমজানে নিজেকে জান্নাতি
করেই থামবো জান্নাতি করেই আমি ক্ষান্ত হব এই প্রতিজ্ঞা করার সময় আপনার এসেছে, এ রমজান আপনাকে সেই দাওয়াত
নিয়ে এসেছে ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদেরকে সে তৌফিক দান করে যাতে করে আমরা
রমজান মাসের সিয়াম এবং কিয়াম পালন করে আমাদের গুনাহ কে মাফ করাতে পারে আল্লাহ তু মি কবুল করো ।
রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন আমি সব বৈশিষ্ট্যের দিকে যাব না । আমি ফিরে
আসি কোরআনের দিকে রমজান মাসের বৈশিষ্ট্য তু লে ধরতে গিয়ে আল্লাহ আপনাকে রমজান মাসের পরিচয়টি তু লে ধরেছে
এটাএভাবে তু লে ধরেছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা সূরা তাওবার ৩৬ নম্বর আয়াতে বারোটি মাসকে উল্লেখ করেছেন
এবং বলছেন তার মধ্যে চারটা হারাম আমি সেদিকে যাব না সেটা মাসের নাম আল্লাহ কোরআনে নেয়নি একটা মাসের
নাম নিয়েছে আর আল্লাহ যদি কোন নেককার ব্যক্তির কোনো ভালো নাম নেই তার মর্যাদা অনেক বেশি আর যদি কোন
খারাপ ব্যক্তির নামে তার মানে তার মতন খারাপ আর কেউ নাই যেমন ফেরাউন এজন্য আল্লাহ বারবার কোরআনে ৭৪
বার ফেরাউনের নাম নিয়েছে একবার দুইবার নয় ৭৪ বার । মুসা নবীর নামো এতবার নেই নি আল্লাহ সুবহানু ওয়া
তায়ালার সম্ভবত । তাহলে এইজন্য যদি কোন নাম একবার উচ্চারণ করে থাকে তার মুখে তাহলে আল্লাহ সুবহানাতায়ালারকিতাবে আর মর্যাদা অটোমেটিক্যালি বেড়ে যাবে, কোন হাদিস ও সেই মর্যাদায় পৌঁছাতে পারবে না । আল্লাহ
সুবহানাতায়ালা বলছে “শাহরু রমাজান” বান্দা তোমার কাছে আমি একটি মাস পাঠালাম তু মি যেন রমজান মাস কি
আল্লাহ তার পরিচয় তু লে ধরতে গিয়ে শুধু মাত্র একটা একটা পয়েন্ট আপনার কাছে তু লে ধরেছে “শাহরু রমাদান আল্লাজি
উঞ্জিলা ফি হিল কোরআন” বাস এতোটু কুই বলেছে আল্লাহ কিছু বলেনি আপনাকে । আল্লাহ সুবহানাতায়ালার বড়ত্ব যেমন
তার মর্যাদা যেমন তিনি তার মর্যাদার শানে একটা কথাই বলেছে যে আমি রমজান মাসে কুরআন নাযিল করেছি এখন
তু মি দেখো এ রমজান তোমার জন্য কি নিয়ে এসেছিল । আজকে আমাদের মুসলিম জাতি কুরানকে এমন ভাবে ফেলে
দিয়েছে আরে যদি আল্লাহ বলতো রমজান মাস তোমাকে কোটিপতি বানিয়ে দিবে ও লাফাতো, আল্লাহ সুবহানাতায়ালা
কোটিপতির চেয়ে অনেক বড় সম্পদ আপনাকে দান করেছে কোরআন দিয়ে কিন্তু আপনি বুঝতে পারছেন না । রাসূল ল্ল
াহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনে এ কোরআন নাজিম করে আপনার জীবনে কি বিপ্লব আল্লাহ ঘটিয়েছে আমি বলব
তার আগে একটা প্রাইজ এর কথা আপনাকে বলি যদি আপনাকে কোটিপতি বানানো হয়ে যাবে এতে আপনার সন্তুষ্টি আর
আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আপনাকে দশটা পৃথিবীর মালিক বানাতে চান আর আপনি এক কোটি টাকা নিয়ে সন্তুষ্ট । বলেন
আপনার মত বোকা আর কেউ আছে নাকি । রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম কি বলেছে বুখারী শরীফ এর এক হাদীসে
রাসূল ল্ল
াহ (সাঃ) বলেছেন জান্নাতের একটা চাবুক রাখার জায়গা এই দুনিয়ায় এবং এই দুনিয়াতে যা কিছু আছে তা দিয়ে
সেই জায়গা কেউ খরিদ করার মত ক্ষমতা রাখেনা । সে জান্নাত আপনাকে দশটা দুনিয়ার সমান দেওয়া হবে আল্লাহ
সুবহানাতায়ালা আপনার সাথে ওয়াদা করেছেন । আর সেই জান্নাতের সার্টি ফিকেট টি আপনাকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা
দিয়ে দিয়েছে সেটা হলো কোরআন যে ব্যক্তি ধরে নিবে সে জান্নাতে চলে যাবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোরআনের পরিচয়
তু লে ধরার প্রয়োজন বোধ করেছে । তাই শুধু কোরআন বলে থেমে যাননি আল্লাহ বলছেন জানেন কুরআন টা কি আল্লাহ
বলছেন কোরআন টা হল হুদাল্লিন নাস, আল্লাহ বলছেন কোরআন টা হল হুদাল্লিন নাস । আল্লাহ তিনটি কথা বলেছেন
কোরআনের পরিচয় হুদাল্লিন নাস তার মানে কি? রাইট ওয়ে ।
রাইট ওয়ে (সঠিক পথ) যেটাকে বলা চলে এবং এর ডিকশনারিতে আরেকটি অর্থ করা হয়েছে True Religion একটা সত্য
ধর্ম কোরআন টা হলো একটা সত্য ধর্ম । আমি ধর্ম বোঝেন ধর্ম মানে কি? পানির একটা ধর্ম রয়েছে ইলেকট্রিসিটির একটা
ধর্ম রয়েছে পানির ধর্ম কি পানিকে আপনি বেশি হিট দেন বেশি গরম হলে উড়ে যাবে আর পানি যদি বেশি ঠান্ডা হয়ে যায়
বরফ হয়ে যাবে । আর স্বাভাবিক অবস্থায় স্বাভাবিক থেকে যাবে লিক পাবে বেরিয়ে যাবে । এটা হল পানির ধর্ম । কোন
পানি যদি আপনি গ্লাসে দেখতে পাচ্ছেন যে এটা পানির মত দেখা যায় কিন্তু বরফে দিয়েছি জমে না ফ্রিজে দিয়েছে জমে না
হিট দিতেছি উড়ে না তার মানে এটা পানি নয় দেখতে পানির মতো এর মধ্যে এমন কেমিক্যাল মেশানো আছে যেটা আপনি
চিনতে পারছেন না কিন্তু এটা পানি নয় কোন মুসলিম জাতিকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কে ধর্ম দান করেছে যদি
কোরআনের সাথে সেটা না মেলে তাহলে এটা কোন ধর্মই নয় ।
আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন হুদাল্লিন নাস মানুষের যদি কোনো হেদায়েতের রাস্তা থেকে থাকে সেটা হচ্ছে কোরআন ।
শর্ট লি যে কথাটা আমি আপনার কাছে বলব আপনি পড়ুন সূরা আলে ইমরান এর ১০৩ নাম্বার আয়াতআল্লাহ
সুবহানাতায়ালা বলছেন তু মি সরন করো সেই দিন এর কথা রাতে তোমরা শত্রু ছিলে একজন আরেকজনকে পেরে হত্যা
করে দিতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন কোরআন নাযিল হওয়ার দিন এমন কিছু ঘটেছে তার পরে আস্তে আস্তে তোমরা
ভাই ভাই হতে লাগলে । একজন যাকে দেখলে কল্ল্যা উড়িয়ে ফেলতে তাকে বুকে জড়িয়ে ধরেছ । এমন ভাই ভাই হয়েছে
মহাজিররা হিজরত করে মদিনা গেছে এক ভাই বলেছে আমার ২ জন স্ত্রি রয়েছে তু মি যাকে ইচ্ছা বিয়ে করে নাও আমি
তালাক দিয়ে দিচ্ছি । আমার সম্পত্তিকে দুই ভাগ করে দিচ্ছি তু মি আমার ভাই অর্ধেক নিয়ে নাও এমনভাবে আল্লাহ মিলিয়ে
দিয়েছে । আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন কোরআন নাজিল করে যদি আল্লাহ তাদের অন্তর গুলোকে এভাবে না মিলাতো
যেভাবে দেখেন আমি হানাফীর ঘরের সন্তান হয়ে আপনারা আমাকে ডেকেছেন কিসের ভিত্তিতে কোরআনের ভিত্তিতে তা
আপনাদের আকিদা আমাদের আকিদা মিলে সেই জন্য ডেকেছেন না হইলে ডেকেছেন না । কারণ হানাফী আর আহলে
হাদিসের এর যদি দ্বন্দ্ব হত তাহলে কোনদিন ডাকতেন না । কারণ আমি তো হানাফীর ঘরের সন্তান । আমার পুরো রক্ত
বলছে হানাফীর ঘরের সন্তান । আমার বাপ দাদা সব হানাফী চৌদ্দগুষ্টি হানাফী । তার মানে আমি কথা বললেই আমি কি
ভাবে আহলে হাদিস হইলাম, হইলাম না তো কিন্তু আপনারা কেন ডেকেছেন ? যে আপনারা দাবি করেন আমি কোরআনথেকে কিছু বলব আপনাদের কে । আল্লাহ বলছেন এই অন্তরের যে মিলটি আপনার ভাইয়ের সাথে মিল নেই । আপনার
ভাইকে মিম্বরে দাড় করারনি । রক্তের সাথে সম্পর্ক কিন্তু আমার সাথে আপনার সম্পর্ক হচ্ছে আপনার আত্মার । যেই
সম্পর্ক আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পৃথিবীর আগে এই পৃথিবী বাসির জন্য নাজিল করেছে । এক ভাই একটু আগে আমাকে
বলতে ছিল পৃথিবীতে কি কোনদিন আর মুসলিমরা এক হবে না পৃথিবীর মধ্যে আর হবে না । ততক্ষণ পর্যন্ত আর হবেনা
যতক্ষণ পর্যন্ত ঐরকম ব্যক্তি আল্লাহ নাযিল না করবে কারণ মানুষের অন্তর গুলো জুড়ে দেওয়ার মতো ক্ষমতা কোন বড়
আমি যত বড় ওলী হয়ে যাই না কেন পৃথিবীর যত বড় ওলী হয়ে যায় সে মানুষকে মানুষের সাথে মিলাতে পারবে না স্বয়ং
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ তায়ালা বলছেন আপনি পড়ুন সূরা আনফাল 8 নম্বর সূরার 63 নাম্বার
আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা রাসূল (সাঃ) কে বলছেন হে নবী মোহাম্মদ (সাঃ) আপনি জেনে নেন আপনি যদি পৃথিবীর
মালিক হয়ে যাইতেন তাহলে পুরো সম্পত্তি যদি তাদের পিছনে খরচ করতে থাকতেন তারপরও তাদের একজনকে
আরেকজনের অন্তরের সাথে মিলাতে পারবেন না । যা আজকে আমাদের দেশের রাজনীতির অবস্থা ।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী হয়তো তার অঢেল টাকা পয়সা তার কর্মীদেরকে দিয়ে বিলিয়ে দিচ্ছে তাকে ধরে রাখার জন্যে কিন্তু
একটু স্বার্থ ক্ষু ণ্ন হলেই সে বেঁকে যায় অন্য পথ ধরে নেয় । পার্টি নিজের দলের লোকের মধ্যে মারামারি লেগে যায় কিসের
কারণে? স্বার্থের কারণে অন্তরের মিল নেই । আল্লাহ বলছে পুরো পৃথিবী যদি কেউ দান করে দেয় একজন মানুষ আরেকজন
মানুষের অন্তরে মিল কোনদিন খাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ না চাইবে ।
আল্লাহ বলছে বড়ং আল্লাহ তাদের অন্তরটাকে মিলিয়ে দিয়েছে আপনি চিন্তা করতে পারেন আপনি চিন্তা করতে পারেন কত
মিল রয়েছে মুসলিমদের মুসলিমদের মাঝে ? কত মিল রয়েছে । এটা আসলে একটা নেয়ামত । আল্লাহ সুবহানাতায়ালা
বলছেন তোমরা জাহান্নামের একেবারে কিনারায় ছিলে আমি কোরআন নাজিল করে দিয়ে তোমাদের কে জাহান্নামের ধার
থেকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি । কত বড় এহসান করেছে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা । স্বয়ং রাসূল ল্ল
াহ (সাঃ) কি জিনিস
তাকে আল্লাহ কি বলেছেন দেখেন, আল্লাহ বলছেন কিভাবে আপনাকে জাহান্নামের আগুন থেকে উদ্ধার করেছে আল্লাহ
সুবাহানাতালা রাসূলের যে কথাটা বলেছে এটা আপনার জীবনে বাস্তবায়ন হয়ে যায় আপনি বুঝতে পারবেন রাসুল ল্ল
াহ সাঃ
কি বলেছেন ।
ইমান এমন একটা জিনিস আল্লাহ সুবহানাতায়ালা (সাঃ) কে সূরা আশ-শুরা ৪২ নম্বর সূরার ৫২ নাম্বার আয়াতে বলছেন
যার নাড়া লাগায় যে যাকে সৃষ্টি না করা হলে পৃথিবী সৃষ্টি হতো না । আল্লাহ তাকে বলছে মোহাম্মদ তু মি জানতেনা
কিতাব কি জিনিস বা ঈমানই কি জিনিস । যদি আমি আল্লাহ তোমাকে জানাতাম । নবীর তু মিতো ঐ গোমড়াদের মধ্যেই
থেকে গিয়েছিলে তু মি চিনতে পারছিলে না কোন পথে গেলে আল্লাহকে পাওয়া যাবে সে বুঝতে পারছিল এগুলো বাতিল কিন্তু
আল্লাহকে পাওয়া যাবে কোন পথে এটা রাসুল (সাঃ) জানতো না । বরং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছে আমি কোরআন
টাকে আলো করেছি, এই কোরআনের মাধ্যমে নবী তোমাকে মাকামে মাহমুদ এর মালিক বানিয়েছি । কোরআন নাজিল
হওয়ার পরে একজন মোহাম্মদ এতিম এক ছেলে মাকামে মাহমুদ এর মালিক হয়েছে । সেই কোরআন আপনার পকেটে
ঢু কিয়ে দিয়েছে আপনার তকদির খুলছে না কারণটা কি? আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছেন মোহাম্মদ সাঃ এর উপর কত
বড় এহসান করা হয়েছে এই কোরআন নাজিল করে দিয়ে । আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাকে তালকিন করে দিয়ে সূরা কাসাস
28 নাম্বার 86 নাম্বার আয়াত শেষ থেকে আল্লাহ বলতেছেন হে নবী তু মি তো এটাও ধারনা করো নি কোনদিন যে তু মিও
কিতাব প্রাপ্ত হবে , তোমাকে নবী করা হবে তু মিতো জানতে না, এটা তোমাকে কেন করা হয়েছে? তু মি নবী হইতে পারছো
কিভাবে? আল্লাহর দয়াতে আল্লাহ বলছেন এটা আল্লাহর দয়া ছাড়া কিছু ই ছিল না ।
যারা মনে করে চেয়ে আজকে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সৃষ্টি না করা হলে পৃথিবী হত না কত বড় ভন্ড,
কত বড় গোমড়া নাহলে এ কথা বলতে পারে । সে কুরআন মানে না, আল্লাহ বলছেন আল্লাহর দয়ায় তোমাকে নবী করা
হয়েছে মোহাম্মদ তু মি জানতে না যে তু মিও নবী হবে । আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সূরা নিসা এর ১৩ নাম্বার আয়াতে বলছেন
হে নবী তোমাকে আমি এমন কিছু শিক্ষা দিয়েছি তু মি জানতে না এই জ্ঞান দিয়ে আল্লাহ বলতেছে আমি তোমার ওপরে এত
বড় এহসান করেছি এটা অনেক বড় এহসান । আল্লাহ বলছেন নবী তোমার উপর আমি অনেক বড় এহসান করেছি এমন
কিছু তোমাকে শিক্ষা দিয়েছে যে তু মি জানতে না আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সে কথাগুলো আমাদের কে বলছে আপনি পড়ুন
সূরা ইউনুস ১০ নাম্বার সুরার ৫৭ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলছেন হে নবী আপনি বলে দিন এটা আল্লাহর অনুগ্রহ এবংআল্লাহর দয়াতে হয়েছে যে তোমাদের মত ব্যক্তিদেরকে আল্লাহ মুসলমান ঘরের সন্তান জন্ম দিয়েছে তোমাদেরকে
কোরআনের ধারক-বাহক বানিয়েছে । আল্লাহ বলছেন আমি তাদেরকে সিলেক্ট করেছি । আমি আল্লাহ তাদেরকে গুনে গুনে
বের করেছি । সূরা মরিয়মের ৯৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলছেন আমি প্রত্যেক জান্নাত এবং জাহান্নামীকে চিনি এবং
তাদেরকে আমি গুনে গুনে রেখেছি । প্রত্যেকে আমরা আল্লাহর গণনাতে রয়েছি, প্রত্যেক । আপনি শুকরিয়া আদায়
করবেন না যে আমার না আপনাকে মুসলমানের ঘরে জন্ম দিয়েছে । রমজান মাসের মতো মাস দিয়েছে কোরআনের মতো
কিতাব দিয়েছে । যে কোরআন কাল কিয়ামতের দিন আপনার পক্ষে সাক্ষী হয়ে দাঁড়াবে । আল্লাহ এ আমার তেলাওয়াত
করেছে আমাকে ফলো করেছে একে মাফ করে দেন ।
কিন্তু যদি আপনি কোরআন এক্সেপ্ট না করেন কোরআন সম্পর্কে বহু আয়াত ছিল নতু ন সময় আমাদের সংকীর্ণ সময় শেষ
হয়ে যাচ্ছে এতটা আমি আপনাকে বলে দেই এই কোরআন আপনার হেদায়েতের জন্য এসেছিল আপনার জান্নাতের
সার্টি ফিকেট নিয়ে এসেছিল যে কোরআন টাকে আপনি ছুঁ ড়ে ফেলে তাঁকে রেখে দিয়েছেন । এ কোরআন কালকে আপনার
বিরুদ্ধে সাক্ষীও দিবে । রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কোরআন যেমন তোমার পক্ষে সাক্ষী হতে পারে
এ কুরান তোমার বিপক্ষেও সাক্ষী দিতে পারে তু মি জেনে নাও ।
বরং আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সূরা ফু রকান 25 নম্বর সূরার 30 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবাহানাতালা বলতেছে কাল
বিচারের মাঠ টাকে তু মি স্মরণ করো যে নবীর দোহাই তু মি ধরো যার সাফাত না পেলে জান্নাতে যেতে পারবে না সেই
নবী কাল হাশরের মাঠে দাঁড়িয়ে বলবে হে আল্লাহ আমার এই জাতি কোরআন টাকে পরিত্যক্ত বস্তু হিসেবে গ্রহণ করেছে ।
তারা সেটাকে কাপড়ে পেঁচিয়ে তাঁকের উপরে রেখে দিয়েছে আল্লাহ কোন দিন পরেও দেখেনি তু মি কি নাযিল করেছ ।
আল্লাহ সুবাহানাতালা যেন আমাদের মুসলিম উম্মাহকে বোঝার তৌফিক দান করে ।
একটা পয়েন্ট থেকে গেছে আমি আপনাদের কাছে রিকোয়েষ্ট করবো যদি পাঁচটা মিনিট লেগে যায় একটা পয়েন্ট আমি
আপনাদের কাছে অবশ্যই বলব, কুরআন সম্পর্কে বহু কথা ছিল আপনি কোরআনকে মূল্যায়ন করতে পারেন এটা আপনার
ব্যর্থতা আফসোস এখন থেকে কোরআন পড়ায় লেগে যান যারা কুরআন পড়তে জানেন না তারা এই মসজিদগুলোকে দখল
করে নেন হুজুরদেরকে, কমিটির লোকদেরকে বাধ্য করেন আমাকে কোরআন শিখাইতে হবে । বাধ্য করেন তাদেরকে ।
যেকোনো মূল্যে এই মাসের মধ্যে শিখতেই হবে । আর যারা কোরআন চর্চ া করতে পারেন মুখস্ত করায় লেগে যান । আর
যারা মুখস্ত আছে পড়তে জানেন তারা বুঝার জন্য লেগে যান কোন অবস্থাতেই আপনাকে এই মাস মিস করা যাবে না ।
আল্লাহ আপনাদেরকে তৌফিক দান করুন ।
যে পয়েন্টি আমি আপনাদেরকে বলেছিলাম যে রমজান এমন একটি মাস রমজান মাস হচ্ছে নাজাতের মাস আমি একটি
পয়েন্ট বলবো বলছি কিন্তু মহিলারা ওখানে রয়েছে, আপনাদের ঘরেও মহিলা রেখে এসেছেন তাদের ফজিলত এর জন্য
আমি একটি কথা বলে দেই । আবু দাউদে, মুসনাদে আহমাদে একটি হাদিস রয়েছে রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন মহিলাদের কাজ খুব সিম্পল আর মহিলাদের সম্পর্কে খুব অল্পই কথা বলা হয় । কিন্তু তাদেরও হক
আছে ভালো কিছু শোনার । তাদের বৈশিষ্ট্য আছে তাদের কানে আজকে গিয়ে পৌঁছে দিবেন আর যে সকল মহিলারা এখানে
উপস্থিত আছেন তারা ভালো করে শুনেন তাদের জন্য একটা মেসেজ আমি নিয়ে এসেছি । রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলছেন মহিলাদের জান্নাতে যাওয়া অত্যন্ত সহজ । হাদীসটি মুসনাদে আহমাদে রয়েছে ১৫৭৩ নম্বরে ।
রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন যদি কোন মহিলা পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে, দ্বিতীয় হচ্ছে তার
লজ্জাস্থানের হেফাযত করে, তৃ তীয় হচ্ছে (অপশনাল) অনেকের স্বামী আছে অনেকের স্বামী নেই । যারা বিধবা হয়ে
গেছেন বা যেই মেয়েদের এখনো বিয়ে হয়নি তাদের স্বামীর খেদমতের কোন প্রশ্ন ওঠেনা । এটা মাপ পেয়ে গেলেন আর কি
আরেকটি অপশন বাকি আছে সেটা হল রমযান মাসের রোজা । এ রমজান মাস আপনার আর 6 ঘন্টা পর আপনার কাছে
চলে আসবে আল্লাহ যদি চায় । তো এই রমজান মাস আপনার কাছে একটি মেসেজ নিয়ে এসেছে কোন মহিলা যদি এই মাসে
রোজা রাখতে পারেন তাহলে এই ৩টি কাজে যদি আপনি করতে পারেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কাল হাশরের মাঠে
আপনাকে বলবে তু মি জান্নাতে যাও । জান্নাতের প্রত্যেকটি দরজা খুলে দিয়ে বলা হবে তু মি পছন্দ করো কোন দরজা দিয়ে
ঢু কতে পছন্দ করো তু মি ঢু কো তোমার জন্য অনুমতি দেওয়া হল। এ কথাটি আপনি শুনেছেন কিন্তু আপনার বিবেক কে
ধরে যে এটার মানেটা কি আমি আপনাকে বলছি শোনেন ।আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বসা তিনি বলছেন রাসুল ল্ল
াহ (সাঃ) বলছেন
আজকে কে সিয়াম পালন করেছে আবু বক্কর (রাঃ) হাত উঠিয়েছে আমি, কে আজকে সকালে কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে
গেছে আবু বক্কর (রাঃ) হাত উঠিয়েছে আমি, কে আজকে সদকার করেছে ফজরের সালাতের পর আবু বক্কর (রাঃ) হাত
উঠিয়েছে আমি, যা বলছে আবু বক্কর (রাঃ) উপস্থিত ।
এই আবু বক্কর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তিনি রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ইয়া রাসুল ল্ল
াহ
জান্নাতে যাওয়াটাই বড় কথা কোন দরজা দিয়ে যাওয়া হবে এটা জরুরী না এমন কি কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জন্য
জান্নাতের প্রত্যেকটি দরজা খুলে দেওয়া হবে এবং বলা হবে আসো তু মি আমার দরজা দিয়ে এরকম মর্যাদা কাউকে দেওয়া
হবে ? রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি মনে করি তু মি তাদের একজন । এমন ব্যক্তি আবু বক্কর
সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তিনি বলছেন আমি আশা করি যে আবুবকর তু মি তাদের একজন যাকে বলা হয়
সিদ্দিক । এই উম্মতের সিদ্দিক যিনি তাকে বলা হয়েছে ওই দরজা গুলো দিয়ে তাকে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হবে আমাদের মা
বোনকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এ রমজান মাস দিয়ে সে বৈশিষ্ট্য দান করেছে জান্নাতে যাওয়া টা বড় কথা নয় আপনাদের
জন্য প্রত্যেকটি দরজা খুলে দেয়া হবে এবং বলা হবে তু মি যে দরজা দিয়ে চাও প্রবেশ করো ।অতএব আপনাদেরকে এই মাস
কোন অবস্থাতেই ব্যর্থ করা চলবে না আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদেরকে তোওফিক দান করুন ।
রাসূল ল্ল
াহ (সাঃ) আমাদেরকে কি সংবাদ দিয়েছেন তা হল এ রমজান মাসে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে শয়তানদেরকে বন্দী
করে দেওয়া হবে । আপনি আপনি আল্লাহর দয়া টা কে চিনতে পারছেন কিনা দেখুন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রত্যেকটি
পাপী মুসলিম কে ভালোবাসেন । এদের কে শয়তান যে আটকে রাখে আল্লাহর এবাদত করতে দেয় না আল্লাহ বলছেন আমি
চাই আমার বান্দা গুলো নাজাত পেয়ে যাক, জান্নাতে পেয়ে যাক । এই রমজান মাসে তাই শয়তানকে বেঁধে দেওয়া হয় যাতে
আপনার ইবাদতের বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে । আল্লাহর কাছে আপনি তওবা করে ফিরে আসবেন, আল্লাহর কাছে তওবা
করে ফিরে আসতে আপনাকে কেউ যেন বাধা দিতে না পারে সেই জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা শয়তানকে বন্দি করে দেন
। আপনি বুঝতে পারছেন আল্লাহ আপনাকে কত ভালোবাসে । এজন্য যাদের এবাদত এ ঘাটতি রয়েছে নিজেদেরকে
তু চ্ছতাচ্ছিল্য মনে করেন না । প্রত্যেকটা মুসলমান সন্তান শ্রেষ্ঠ প্রত্যেকটা মুসলমান । আপনাকে আল্লাহ সম্পত্তি দেক বা না
দেক। আপনাকে কেউ চিনুক বা নাই চিনুক । আপনাকে এক গ্লাস পানি দেক বা না দেক আপনি আল্লাহর কাছে সম্মানিত
। আপনি আল্লাহর হক আদায় করার চেষ্টা করুন , আল্লাহর বান্দা হওয়ার চেষ্টা করুন । বলেছি এই পয়েন্ট দিয়ে আমি
আপনাকে একটা জিনিস দেখাতে চাই আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলছেন রমজান মাসে শয়তানকে বন্দি করে রাখা হয়
অনেক মুসলিম ভাইদের প্রশ্ন হয় যে রমজান মাসে শয়তানকে বন্দি করে রাখা হয় তাহলে পাপ কেন হয় ? এটা অনেকের
প্রশ্ন । আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সূরা আনআম 6 নম্বর সূরার 111 নম্বর আয়াত এ বলছেন শয়তানকে তো আমি বন্দি করে
রেখেছি তারপরও যারা পাপ করে এরা এমন ব্যক্তি আমি যদি স্বয়ং আকাশ থেকে ফেরেশতা নাদিম করে দিতাম যে
ফেরেশতা সরাসরি এসে তাকে বলতো বান্দা তু মি ক্ষান্ত হও আল্লাহর বন্দেগী করো, যদি মুর্দ াকে জিন্দা করে দিতাম , কবর
থেকে উঠে এসে তার বাপ দাদা এসে বলতো বাবা আমাকে কিন্তু অনেক পিটায়, অনেক শাস্তি দেয়, তু মি সতর্ক হও । বা
তার বাপ-দাদা উঠে বলতো দেখ জান্নাতের পোশাক নিয়ে এসেছি আল্লাহ আমাকে এত বড় মর্যাদা দান করেছে তু ই বাবা
সালাত আদায় করে নে । আল্লাহ বলছেন যদি এটাও নয় পুরো পৃথিবীর মধ্যে যতগুলো নিদর্শন গুলো যত নবীকে আমি
দিয়েছি তাও যদি তার সামনে জমা করে দিতাম আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া সে জীবন নিয়ে আসবে না । আল্লাহ বলছেন রমজান
মাসে তো আমি শয়তানকে বন্দি করে দিই ফেরেশতা নাজিল করে দিলেও সে সালাত আদায় করবে না, শেষ সিয়াম পালন
করবে না । সে সিগারেট ছাড়বে না, প্রকাশ্যে সে হোটেলে চালাবে, আল্লাহ বলছেন এটা তার তকদিরের মধ্যে বড় ধরনের
গিড়া লেগে গেছে । এজন্য যাদেরকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা রমজান এর ইবাদত করার তৌফিক দান করেছে আপনি
আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আপনাকে ক্ষমা করতে চায় । আর আপনার ঘরের সন্তান যে
ছেলেটা সিগারেট খায়, ইবাদত করছে না, আপনার মেয়ে পর্দ া করছে না, আপনার ওয়াইফ নামাজ পড়ছে না তাহলে
আল্লাহ বলছেন এ হল শয়তান কারণ শয়তানকে তো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে । এ নিজেই শয়তান যে আল্লাহর এবাদত
করে না । আল্লাহ সুবহানাতায়ালা একথা টি বলেছেন । এরপরে সূরা আন আমের 112 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ
সুবাহানাতালা বলছেন আমি প্রত্যেক নবীর জন্য শত্রু পয়দা করে রেখেছি এই পৃথিবীতে । সেই শত্রুরা হলো শয়তান, আর
সে শয়তান মানুষদের মধ্যেও হয়ে থাকেএবং জিনদের মধ্যেও হয়ে থাকে ।আল্লাহ সুবাহানাতালা বলছেন যারা রমজান মাস কে মূল্যায়ন করবে না তারা হলো শয়তান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলছে
সূরা মুজাদালা ১৮ নাম্বার সূরার ১৯ নাম্বার আয়াতে শয়তান এদের উপর এমন ভাবে প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে আল্লাহ
সুবহানাতায়ালা কে ভু লে গেছে । তার যে একজন মালিক রয়েছে । যার বন্দেগী করার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে
আল্লাহ বলছে সে ভু লে গেছে শয়তান তাকে ভু লিয়ে দিয়েছে । আল্লাহ বলছেন জেনে নাও বান্দা এই ব্যক্তি হচ্ছে শয়তানের
সঙ্গী । যেনে নাও প্রত্যেক শয়তানের দল বল অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হবে । অতএব শয়তানের এই ছু টকারা থেকে পাওয়ার জন্য
আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে ক্ষমা করে দাও ।
আল্লাহ তাদেরকে ধর্ম বোঝার তৌফিক দান করুন, ইবাদত করে আল্লাহ তোমার নাজাতের অন্তর্ভু ক্ত হওয়ার তৌফিক
দান করো । বহু কথা ছিল আমি আপনাদেরকে শেষ উক্তি রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাষা দিয়ে শেষ
করতে চাই যে হাদীসটি অনেকে বয়ান করে না সেটা বিন বায রাহিমাহুল্লাহ সহি ভাবে তার একটি রিসালাতে উল্লেখ
করেছেন তিনি বলছেন রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তোমার উপরে এত বড় এহসান করেছে এ বান্দা
তোমার অন্তরে যদি কল্যান কিছু থেকে থাকে তু মি এবার আল্লাহকে দেখিয়ে দাও যে আল্লাহ আমি তোমার বান্দা আমি
তোমার গোলাম তাই নামাজে উপস্থিত হয়েছি, তাই আমি সিয়াম পালন করেছি, আল্লাহ আমার দ্বারা পাপ হয়ে যায় আল্লাহ
তু মি আমাকে ক্ষমা করে দাও । রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কোন ব্যক্তি রমজান পেয়ে গেল কিন্তু
রমজানে তার গুনা খাতা ক্ষমা করাতে পারল না রাসূল ল্ল
াহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেনঃ এ ব্যক্তি অবশ্যই পতিত
হবে, এই ব্যক্তি অবশ্যই ধ্বংস হবে । আল্লাহ আমাদের কাউকে তু মি মাহরুম করে দিও না । আমাদের দোয়াকে তু মি
কবুল করো আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ।।