সব রকমের প্রশংসা শুধু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য। যিনি আমাদের জীবনে অসংখ্য নেয়ামত দান করেছেন। তিনি আমাদেরকে ছোটখাট কোন প্রাণী বা পোকামাকর না বানিয়ে এই পৃথিবীর সমাজ পরিচালনা করা যায় এরকম বুদ্ধি দিয়ে মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তিনি আমাদেরকে নমরুদ আর ফেরাউনের মত মানুষ বানান নাই। তিনি আমাদেরকে মুসলিম হবারও তৌফিক দান করেছেন। মুসলিম তো বানিয়েছেনই। এরপরে সমস্ত মুসলমানদের মধ্যে বাবা আদম থেকে শুরু করে শেষ জামানা পর্যন্ত যারা সেরা জাতি সেই উম্মতে মোহাম্মদীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। উম্মতে মোহাম্মদী হবার পরও আমরা গোমরাহ হওয়ার পথে যেতে পারতাম। এই সুযোগ ছিল। এখনো আছে। কিন্তু আল্লাহ দয়া করে আমাদেরকে সেই ভ্রান্ত পথ থেকে সরিয়ে এনেছেন।
আমাদেরকে আহলুল হাদিস মানহাজ বা সালাফী মানহাজের উপর পথ চলার তৌফিক দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ। এভাবে যদি গণনা করেন তাহলে আল্লাহর নেয়ামত গণনা করে তো কোনদিনই শেষ করা যাবে না যে তিনি আমাদের কতটা নেয়ামত দান করেছেন। পৃথিবীতে কত রকম দেশ আছে যেখানে আবহাওয়া চরম হয় খুব গরম নয় খুব শীত এর মধ্যে বাংলাদেশের মত একটা সুন্দর দেশে তিনি আমাদের বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছেন এজন্য তাকে শুকরিয়া জানাই আলহামদুলিল্লাহ সব প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য এইটা আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন বলতে প্রতিদিন প্রত্যেকটা নামাজে প্রত্যেকটা রাকাতে সূরা ফাতেহা পড়বার জন্য তার রাসূলের মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছেন এবং আমরা বলি আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন আলাম যত আলম আছে যত জাহান আছে উদ্ভিদ জগত হোক আর প্রাণীজগত হোক পৃথিবী হোক আর সাগর হোক আর মহাশূন্য হোক যত গ্যালাক্সি আছে আরো যত সর জগতের যিনি সৃষ্টিকর্তা দেখাশোনা করেন যিনি যার জন্য সব ব্যবস্থা করেছেন তিনি হলেন রব সেই রবের জন্য সব রকমের প্রশংসা সবসময় আমরা বলব আলহামদুলিল্লাহ হাসিও দিল না তো আল্লাহ রাব্বুল আলামন আমাদের দেহে গায়ের রং কালো হলেও আপনার দুঃখ করার কিছু নাই।
আল্লাহ আপনাকে বলেছেন যে তিনি আপনাকে সবার চাইতে সুন্দর করে বানিয়েছেন। এতে বিশ্বাস করেন। তো যত সৌন্দর্য যত কিছুই আছে না কেন আমরা মানুষকে প্রশংসা করি যে লোকটা খুব সুন্দর। তার কথাবার্তা খুব সুন্দর। তার আচরণ খুব সুন্দর। মানুষের প্রশংসা আমরা করেই যাই। কারো বাড়ি, কারো গাড়ি, কারো জামা দেখে আমরা বলি খুব সুন্দর। এই ভাষাটাকে আমরা বলি প্রশংসা করা। কিন্তু আল্লাহ আমাদের বলছেন আমরা যেন শুধু তার প্রশংসা করি। আর কারোর না। এই প্রশংসা আল্লাহর প্রশংসায় বানাইতে হবে। আপনি বলতে পারবেন যে আপনার জামা খুব সুন্দর। কিন্তু তার আগে একটু বলে নিতে হবে মাশা আল্লাহ। মাশাআল্লাহ বলে এরপরে বলেন যে আপনার জামা খুব সুন্দর।
তাহলে প্রশংসা শুরুতেই আল্লাহর হয়ে যাবে। জামার প্রশংসা যাই করেন না কেন। আল্লাহর প্রশংসা করার এই রীতিটা সেটা আগে হয়তো ওয়াজ শুনতাম জানতাম। কিন্তু সৌদি আরবে গিয়ে ওখানে আমি ২০১২ থেকে ২২ পর্যন্ত ছিলাম। আমি একটা রেস্টুরেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে আমি দেখলাম আমার এক ছাত্র ওখানে ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেছি। সে হিসেবে অনেক ছাত্র ছিল। সুন্দর একটা গাড়ি নিয়ে এসছে। একবারে নিউ। আমি তাকে বললাম বাহ তোমার গাড়িটা তো খুব সুন্দর। সে আমাকে বলল মাশাল্লাহ। আউয়াল। আগে আপনি বলেন মাশাল্লাহ। তারপরে বলেন সুন্দর। তো একজন ছাত্রের কাছ থেকেও শিখার আছে। কিন্তু আমাদের দেশে আমরা কিন্তু এগুললা আমল কম করি। তো আজকে থেকে অন্তত অভ্যাস করতে পারি যে কারো প্রশংসা করতে গিয়ে প্রথমে বলে নিব মাশাল্লাহ।
তাহলে আল্লাহর প্রশংসা হয়ে যাবে। এই প্রশংসা করলে অনেক লাভ আছে। এক হল হাশরের ময়দানে মিজানের পাল্লাটা। নেকির পাল্লা যেটা সেটা ভারী হবে। নেকির পাল্লা যদি হালকা হয় তাহলে কি আর জান্নাতে যাওয়া যাবে? আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করুন। আমাদের নেকির পাল্লা যেন সেদিন ভারী হয়। ঠিক তেমনি আসমান এবং জমিনের মাঝখানে যে খালি জায়গা এই আলহামদুলিল্লাহ সুবহানাল্লাহ পড়লে এই জায়গাটা নেকি দিয়ে আল্লাহ ভরে দেবেন। এই জায়গাটা কি ছোটখাট জায়গা? যে টেকনাপ থেকে তেতুলিয়া যতটুকু দূর এই এখান থেকে আসমান পর্যন্ত কি এতটুকু দূর অনেক জায়গা না এটাতো এই জায়গাটা যদি আল্লাহ সওয়াব দিয়ে ভরে দেন তাহলে এটা আমাদের জন্য অনেক ভালো খবর তাই না তো আমরা বলি সুবহানাল্লাহ সম্মানিত ভাইয়েরা এজন্য সুখে থাকি আর দুঃখে থাকি যখন মনটা খারাপ হবে তখন বেশি বেশি আলহামদুলিল্লাহ আমাদের পড়া দরকার।
কারণ আলহামদুলিল্লাহ ওই মন থেকে বের হয় যার মনের ভেতরে খুশি আছে। যার মনটা বেজার টেনশনে ভরপুর তার মুখ দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বের হওয়া সহজ না। যার মনটা পরিতুষ্ট স্যাটিসফাইড। তার মুখ দিয়ে বের হবে আলহামদুলিল্লাহ। এইজন্য যত মন খারাপ হোক বেশি বেশি পড়বেন আলহামদুলিল্লাহ। মনে হবে পৃথিবীর মধ্যে আপনি সবচেয়ে সুখী মানুষ। আর এটা বলতেই হবে না বলে উপায় নাই। কারণ আপনি এই যে রাস্তা যখন পার হন তখন দেখেন কত মানুষ কত বিপদে আছে। হাত নাই, পা নাই, চোখ নাই। ভিক্ষা চাচ্ছে আপনার কাছে। এই ওভার ব্রিজ যখন পার হন দেখা যায়। হসপিটালে গেলে কি মনে হয়? মনে হয় দুনিয়ায় আমার চাইতে সুখী মানুষ আর কেউ নাই।
পঙ্গু হাসপাতালে একটু বেরিয়ে আসেন বা আমাদের সাভারে সিআরপিতে একটু ঘুরে আসেন। কত রকম মানুষ যে সেখানে পাবেন। তখন মন থেকেই মনে হবে যে আল্লাহ পেটে ভাত থাকুক আর না থাকুক। তুমি যে আমাকে সুস্থ রেখেছো। আলহামদুলিল্লাহ। এজন্য মন যতই খারাপ হোক। এমন অসুস্থ যে আলহামদুলিল্লাহ মুখ থেকে বেরচ্ছে না। তারপরও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম শিখিয়েছেন। আমরা যেন বলি আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল। হাল মানে তো আপনারা জানেনই কোন হালতে আছো। কোন হালে আছো। মানে কি অবস্থায় আছো। এই দোয়ার অর্থ হল যে অবস্থায় থাকি না কেন সুখে অথবা দুঃখে। সুস্থ অথবা অসুস্থ।
সবসময় আল্লাহর প্রশংসা আলহামদুলিল্লাহ মুমিন কখনো অকৃতজ্ঞ থাকবে না মুমিন কখনো বেজার থাকবে না যতই কষ্ট হোক তসবি পড়তেই থাকেন আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আর আপনারা জানেন শুকর গুজার বান্দার জন্য আল্লাহ বললেন আল্লাহ কি বলেন আমি তোমাদেরকে আরো বেশি করে দিব আর যদি শুকর গুজার বান্দা না হই তাহলে তাহলে তো শাস্তি আছে কেন শাস্তি অকৃতজ্ঞ মানুষকে কে ভালোবাসে আমিও ভালোবাসবো না আপনিও ভালোবাসবেন আল্লাহ কেন ভালোবাসবে আপনার ভাইও যদি আপনারে ধন্যবাদ না দেয় তখন মনটা খারাপ হয় এত কিছু করে দিলাম একবার ধন্যবাদ দিল না যে আল্লাহ আপনি আমি না চাইতেই সবকিছু দেন আমাদের এলাকায় কোন রাস্তা ভাঙ্গা থাকলে অনেক সময় আপনারা মিছিল করেন সারেফলিপি দেন টিএনও সাহেবের কাছে এমপি সাহেবের কাছে তারপরে হয়তো রাস্তাটা [সশব্দ হাসি] অনেক বছর পরে ভালো হয়।
তা আমাদের যে দিনে কত ব্যারেল অক্সিজেন লাগে এইটার জন্য আল্লাহর কাছে কি একবারও আমরা দরখাস্ত লিখেছি। আল্লাহ নিজে থেকে দিয়েছেন না? না চাইতেই তো দিয়েছেন আপনার চেহারা সুন্দর। হাত পা সুস্থ আছে বা যাই আছে। এটা কি আল্লাহকে বলছিলেন নাকি? যে আল্লাহ আমার চেহারাটা সুন্দর দিও। নালে আমি পৃথিবীতে যাব না এরকম বলছি নাকি আমরা কোনদিন বলি না চাইতেই দিয়েছেন তাহলে তিনি কতটা ভালোবাসেন কতটা ভালোবাসেন আমি কিছুই চাইনি কিন্তু আমার যা যা যখন দরকার তিনি দিয়েই যাচ্ছেন সেই আল্লাহর জন্য বলি আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাদেরকে শোকর গুজার সন্তুষ্ট বান্দা থাকবার তৌফিক দান করুন আমিন দ্বিতীয়ত দরুদ এবং সালাম পেশ করছি আমাদের প্রিয়তম মানুষ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাই আল্লাহুম্মা বারিক কেন তাকে এত ভালোবাসব তার প্রতি একবার আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাই বললে আল্লাহ আমাকে আপনাকে ১০ বার ১০ গুণ রহমত দান করবেন এই কথাটা [গলা পরিষ্কার করা] যদি কোন মানুষ বুঝে তাহলে সে মানুষ তো
সারাদিন আর দোয়া না পড়লেও আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাই আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহুম্মা সাল্ আলা মুহাম্মদ এভাবে তো তার দিন কাটার কথা আপনি ব্যাংকে এক লাখ টাকা রাখলে সাথে সাথে যদি সেটা ১০ লাখ হয়ে যায় তাহলে কি করবেন বাড়িঘর বিক্রি করে টাকা ওখানে রেখে আসবেন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম জানিয়েছেন একবার দরুদ পড়লে আল্লাহ আমাকে ১০ গুণ বা ১০ বার রহমত দান করবেন। এটা অনেক লাভের ব্যবসা। আল্লাহ তৌফিক দান করেন। কেন? দেখেন তো পৃথিবীতে আমাকে আপনাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে জান্নাতে নিয়ে যাবার জন্য যত মানুষ যত কাজ করেছেন বা আমাকে আপনাকে সভ্য মানুষ বানাবার জন্য।
যত মানুষ যত কাজ করেছেন অমুসলিমরাও অনেকে আছে যে মানুষের সুখের জন্য ফ্যান আবিষ্কার করেছে বা বিদ্যুৎ আবিষ্কাশ করেছে বা আরো কিছু করেছে কিন্তু যে যতই করুক মানুষের বড় সাফল্য হলো সে যদি জান্নাতে যেতে পারে আল্লাহকে খুশি করে এটাই বড় সাফল্য দুনিয়ায় এত সুখে থাকলাম কিন্তু মারা যাবার পর চলে গেলাম জাহান্নামে কি হবে সুখ দিয়ে কি হবে কিচ্ছু হবে না তো এই জান্নাতে নিয়ে যাবার জন্য একজন মানুষ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেয়াল করুন তাকে মক্কার সরদার বানানোর অপ্রস্তাব দেওয়া হলো তার জন্য সুন্দরী নারী তার জন্য ধন সম্পদ সবই দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলো কাফেররা দিল কিন্তু তিনি রাজি হলেন না তিনি আল্লাহর কালাম মানুষের কাছে প্রচার করবেন কু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তুফলিহ তোমরা সবাই বলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তাহলে সফল মানুষ হতে পারবে আল্লাহর কাছে সাফল্য পাবে এই কষ্টর কাজটা তিনি করেছেন হাটে বাজারে পাহাড় পর্বতে এইযে তায়েফ এলাকাটা ছিল এরকম কত জায়গায় কত কষ্ট করেছেন কত
মার খেয়েছেন ফিজিক্যালি মার খেয়েছেন অপমান হয়েছে পাগল বলেছে রাস্তায় কাটাপুতি রেখেছে কি করে নাই যুদ্ধের ময়দানে সবচেয়ে ভালো মানুষটাকে আহত করেছে তাকে হত্যা করবার জন্য বাড়ির চারপাশে ঘাতকদের রেডি রেখেছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি আমার আপনার জন্য কাজ করেছে সুবহানাল্লাহ তিনি আমরা যাতে জান্নাতে যেতে পারি তিনি আমাদেরকে যতরকম ইবাদত করা দরকার শিখিয়েছেন। তিনি আমাদের দোয়া শিখিয়েছেন। জীবনযাপনের পদ্ধতি লাইফস্টাইল শিখিয়েছেন। সব উদাহরণ তিনি রেখে গিয়েছেন। তার পথে চললেই আমি আপনি জান্নাতে চলে যাব ইনশাআল্লাহ। সম্মানিত ভাইয়েরা তো সেই মানুষটাকে সবার চাইতে বেশি ভালোবাসতে হবে। আপনারা হাদিস পড়লে জানবেন আবু সায়েদ খদরী রাদিয়াল্লাহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আমরা একবার ছিলাম ও সময় ওমর রাদি ছিলেন ওমর রাদি হাত ধরে রেখেছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমরা যখন বন্ধুবান্ধবরা একত্রে থাকলে অনেক সময় একজনের হাত ধরে হাঁটি হাত ধরে রাখি না রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওমরের হাত ধরে ছিলেন।
তো ওমর রাদিয়াল্লাহু রাসূলকে খুবই ভালোবাসতেন। তিনি বললেন যে আল্লাহর রাসূল আমি আপনাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি। ইল্লা নাফসি। কিন্তু আমার নিজের থেকে বেশি ভালোবাসি না। আগে আমার জান আপনাকে সবার চাইতে ভালোবাসি। কিন্তু আমার জীবনটাকে একটু বেশি ভালোবাসি। রসূ সাল্লাম বললেন যে হবে না ওমর এই ভালোবাসায় হবে না এবার ওমর বললেন একটু পরে ওকে আমি এখন থেকে আমার জীবনের চাইতেও আপনাকে বেশি ভালোবাসিলেন এইবার ঠিক আছে তাতে কি বোঝা গেল যে রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে এখন সে ভালোবাসা কিভাবে দেখাব বসে দাঁড়াইয়া বলব ইয়া নবী সালাম আলাইকা এরকম বা ওই ট্রাকে চড়ে ফুলটুল দিয়ে এইযে মিছিল করব জশনে জুলুসে কি যেন একটা মিছিল করে না ১২ রবি আউয়াল এটা রসবলছেন তোমাদের কেউই মুমিন হতে পারে নাযত যতক্ষণ না আমি তার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসার মানুষ হব।
মিন ওয়ালেদিহি তার মা বাবার চাইতে মিন ওয়ালাদিহ তার ছেলেমেয়ের চাইতে আজ তার যত আত্মীয়স্বজন যত বন্ধু-বান্ধব যত মানুষ আছে সবাইকে যত ভালোবাসে তার চাইতে যদি বেশি আমাকে ভালো না বাসে তাহলে মুমিন হতে তোমরা পারবে না। তার মানে রাসূলকে ভালোবাসাটা সোজা কথা না। এটা গুরুত্বপূর্ণ কথা। তো তাকে ভালোবাসার জন্য আমরা জানি যে আমরা অনেক সময় হজে গেলে একজন আরেকজনকে বলে দেই যে আমার সালামটা নবীজির রওজায় পৌঁছায় দিয়ে। রওজা কাকে বলে? এরা বুঝায় রওজা মানে হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর। বিষয়টা ঠিক না। আপনারা জানেন রওজা হল রসূল সাল্লামের ঘর থেকে মিম্বার পর্যন্ত যে জায়গাটা আলাদা কার্পেট দেওয়া আছে তাই না? কার্পেটের কালারটা একটু আলাদা।
মসজিদের সব কার্পেট যে কালার এটা সেই কালার না। এখানে দুই রাকাত করে সালাত আদায়ের ব্যবস্থা আছে। পারমিশন নিয়ে আদায় করতে। এই জায়গার রওদা। রওদা মানে হল বাগান। রাসূ সাল্লাম বলেছেন এটা জান্নাত। জান্নাত মানে কি? বাগান বাড়ি। জান্নাতের একটা টুকরা। এই জায়গা টুকরা। এটা বলে রওজা। আর আমাদের দেশের রওজা বলতে অন্যরা কি বুঝে? কবর। বলে রওজা। মোবা রওজা মানে যে বাগান। এটা আরো বুঝবেন আরব দেশের কেজি স্কুলের দিকে তাকাইলে। কেজি স্কুলের দিকে তাকাইলে। কেজি স্কুল মানে যেন কি? কিন্ডার গার্ডেন শিশু কানন শিশুদের বাগান ওদের সব স্কুলের নাম রওদাতুল আতফাল শিশুদের বাগান কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ অনেকে এই রওদা মানে মনে করে কবর এটা একটা ভুল কথা সম্মানিত ভাইয়েরা সেই রাসূ স আমরা ভালোবাসা প্রদর্শন করতে চাই উপায় কি তিনি যা করতে বলেছেন আমাদের তাই করতে হবে প্রথমে ভালোবাসতে হবে কাকে? আল্লাহকে।
সবার চাইতে আপন হলো আল্লাহ। যে কথা কাউকে বলতে পারেন না সেই কথা বলতে হবে আল্লাহকে। বাংলায় বলেন, আরবিতে বলেন আর ইংরেজিতেই বলেন। বিপদে পড়ছেন বলবেন আল্লাহ বিপদে পড়েছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো। রাস্তাতে হাটার সময় বলেন, চা খাওয়ার সময় বলেন, নৌকায় চড়া অবস্থায়, বাসে চড়া অবস্থায় যে অবস্থায় থাকেন আল্লাহ বুত বিপদে পড়েছি। তুমি সাহায্য করো। আল্লাহ আমি গুনাহ করেছি তুমি মাফ করো। আমি ভুল করেছি তুমি শুদ্ধ করে দাও। একদম মনে মনে আল্লাহর সাথে কথা বলবে। আমি আরবদের একটা জিনিসে খুব প্রশংসা করি। ওরা এমনভাবে কথা বলে মনে হয় যেন আল্লাহ ওদের একবারে কাছে। কিন্তু আমাদের দেশে এটা আমরা মনে করতে কম পারি।
কারণ আমরা আরবি বুঝি কম। আল্লাহ আসলেই আপনার আমার কাছে। আমাদের রগের চাইতেও কাছে। তো কাছে যখন হয় তাহলে আমরা চুপি চুপি আল্লাহর সাথে কথা বলি না। কেন? আমাদের বলা উচিত না। যে আল্লাহ বিপদে পড়েছি। আজকে দোকানে ব্যবসা ভালো হয় নাই। আল্লাহ সাহায্য কর। আল্লাহ শরীরটা ভালো না তুমি সাহায্য করো এরকম করে আল্লাহর সাথে কথা বলে আর রাসূ বলছেনল্লাহ তোমরা য আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও বা আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চাও তাহলে কি করতে হবে আমার অনুসরণ করতে হবে আমি যা বলি তাই করতে তাহলে আমার অনুসরণ করলে রাসূকে ভালোবাসা হবে। আর রাসূলের প্রতি ভালোবাসা হলে আল্লাহকে ভালোবাসা হবে। এটা একটা লিংক।
এটা একটা শিকল। যে রাসূলকে ভালোবাসলে রাসূের কথা শুনলে মানলে আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যাবে। আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। তো এইজন্য এই যে আমরা দরুদ পড়ি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ। এই দরুদ পড়ার মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের কাছে আমরা সালাম প্রেরণ করি বা তাকে তার জন্য দোয়া করি। আর এর বিনিময়ে আমরা তার কাছ থেকে শাফায়াত পাবো। হাশরের ময়দানে আমরা তো এত আমলদার কেউই হবো না যে নিজের আমলের জোরে জান্নাতে চলে যাব। সেইদিনও আমাদের রসূল সাল্লাল্লাহু আ সাললামের দরকার পড়বে। সেদিন সূর্যটা যখন নিচে নেমে আসবে প্রচন্ড গরম। ঘামে একেবারে সাগর হয়ে যাবে। প্রচন্ড পিপাসা লাগবে। এক গ্লাস পানি দরকার।
কিন্তু কই পাবো সেই পানি? [গলা পরিষ্কার করা] হাউজে কাউসার। সেখানে যে হাউস থাকবে পানির কাউসার নাম। সেখানে ফেরেশতারা ডিউটিতে থাকবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে থাকবেন। আর যারা আর সবাই আমরা সেখানে যাব পানি খাওয়ার জন্য। কার মোটা এক গ্লাস খেলেই আর পিপাসা লাগবে না। আর ছটফট করবে না শরীর। এবং সেখানে কারা পানি পাবে? সবাই যাব ঠিকই কিন্তু সবাই পানি পাবে না। একদল লোক যাবে যারা গেলে ফেরেশতারা ওই পর্দা নামিয়ে দিবে। গেট বন্ধ করে দিবে। ঢুকতে দিবে না। কিন্তু তারাও উম্মতে মুহাম্মদী বোঝা যাবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলবেন ওদের তো দেখতে আমার লোকই মনে হয়।
আমাদের তো একটা চিহ্ন থাকবে হাশরের ময়দানে। আমাদের ওযুর চিহ্নগুলো যে ঝলকানি থাকবে এতো বোঝা যাবে। কিন্তু ফেরেশতারা বলবেন যে ঠিক আছে কিন্তু আপনি জানেন না আপনি মারা যাবার পর ওরা কি করেছে ওরা দিনটাকে কি করেছে চেঞ্জ করে ফেলেছে তখন রাসূুল্লাহ সলাম রেগে বলবেন দূর হয়ে যাও দূর হয়ে যাও যারা চেঞ্জ করে আমার দনকে আমি যেভাবে রেখে এসছি তা না করে অন্যভাবে করেছ তাদের আর পানি খাওয়া হবে না। রসূল সাল্লাল্লাহু সলাম যাদের প্রতি রাগ করবেন তাদের পানি খাওয়া তো হবেই না। তারা আবার জান্নাতে যাবে কেমন করে? আর রসূ শাফায়াত মানে সুপারিশ রস সেজদায় পড়ে আল্লাহর কাছে কাঁদবেন।
আল্লাহ আমার উম্মতদেরকে তুমি জান্নাতে নাও। তার যে কান্না তার রেকমেন্ডেশন তার সুপারিশটা সেদিন আমাদের কাজে লাগবে। তো যদি আমরা সে সুপারিশ পাই পেতে চাই তাহলে দুনিয়ায় থাকতে তার প্রতি বেশি বেশি দরুদ পড়া তিনি যেভাবে সালাত পড়েছেন সেভাবে সালাত আদায় করা তিনি গরীব দুঃখীদের প্রতি দরদী আচরণ করেছেন সেই দরদ আচরণ করা তিনি আত্মীয়স্বজনের প্রতি রহমদিল ছিলেন দয়ালু ছিলেন সেইরকম আচরণ করা তিনি ভালো কাজে অংশগ্রহণ করতেন এবং করতে বলতেন সেই কাজগুলো আমাদের সবাইকে করতে হবে তাহলে রসূলের প্রতি ভালোবাসাটা হবে। সম্মানিত ভাইয়েরা, আমরা মাঝে মাঝে কোন উন্নত জায়গায় যদি বেড়াতে যাই, যদি বাথরুম করতেও যান ওয়াশরুমের ওখানে একটা কাগজ লেখা থাকে।
কোন কোন জায়গায় আমি দেখেছি ইংরেজিতে কোন কোন জায়গায় আরবিতে সে কাগজের মধ্যে লেখা থাকে যেই ওয়াশরুমটা তুমি যেভাবে পেলে এর চাইতে বেটার অবস্থায় রেখে যাইও। মানে যে অবস্থায় পেয়েছো তার চেয়ে ভালো অবস্থায় রেখে যাবা। অনেক সময় বাথরুমে ঢুকে দেখি বাথরুমটা নোংরা হয়ে আছে। এখন আমি আসার সময় আমিও নোংরা করে রেখে আসব। তাই কি হবে? ওই স্পিকার বলছে যে আমি যেন এই কাজ আবার না করি। আমার আগের জন বাথরুমটা নষ্ট করে রেখে গেছে। কিন্তু আমি যখন ওখান থেকে বের হব আমি যেন সেটাকে ভালো অবস্থায় রেখে যাই। যাতে আমার পরে যে আসবে সে একটা ভালো পরিবেশ পায়।
আজকাল এগুলো স্টিকার দিয়ে মানুষকে স্মরণ করানো। আমরা যে দুনিয়ায় আসলাম আপনি যতটুকু শান্তিতে দুনিয়ায় থাকলেন এখন আপনার প্রতি আমার প্রশ্ন যে আপনি যতটুকু শান্তিতে থাকলেন তো আপনার ছেলেমেয়েরা আরো খারাপ অবস্থায় থাকুক। এইটা কি আমরা কেউই চাই? যে আমি যতটুক শান্তিতে থাকলাম আমার ছেলে মেয়ে যেন এই পরিবেশ না পায় জঘন্য পরিবেশের চাইতে যেন নরক পায় এইটা আমরা কেউই চাই আমি যে ভাঙ্গা ঘরে থেকেছি আমি চাই আমি একটা বিল্ডিং করে রেখে যাব যাতে আমার ছেলে মেয়েরা একটু আরামে থাকতে পারে আমার এক বিঘা জমির জায়গায় আমি পাঁচ বিঘা কিনব যাতে আমি যে কষ্ট করেছি আমার ছেলেমেয়েরা এমনটি না করে একজন ধ্যানওলা মাথার ঘা পায়ে ফেলে পরিশ্রম করে আর ছেলেকে স্কুলে বা মাদ্রাসায় পাঠায় যে আমার ছেলে মেয়ে যেন এরকম কষ্টটা না করে।
একজন সুইপার সেও এরকম স্বপ্ন দেখে কাজ করে। কিন্তু দুঃখের অবস্থা দেখেন তো কি যেন দুঃখজনক পরিস্থিতি যে আজকে আপনারা একটা খবর ফেসবুক বা পত্রপত্রিকায় পাচ্ছেন। যে মুসলিম মেয়ে পালিয়ে গেছে হিন্দু ছেলের সাথে। এই খবরটা কোন স্বাভাবিক খবর না। মুসলিমদেরকে বলা হয়েছে কোন মুশরিক বিয়ে করা যাবে না। আর বিয়ে করা যাবে না। বিয়ে করে তো তাকে মুসলমান বানানোর সুযোগ আছে একটা। সম্ভাবনা আছে। কিন্তু যে মেয়ে মুসলিম মেয়ে চলে যাচ্ছে হিন্দু ফ্যামিলিতে তার অবস্থা কি হবে বলেন এবার? কোন মুসলিম মেয়েকেও যদি আমরা বিধর্মীদের কাছে পাঠাবার ব্যবস্থা করি তাতে আমি কি মুসলমান থাকতে পারব? তো এই অবস্থা যে ঘটছে বাংলাদেশে আবার আমরা এতটাই উদার।
এই ধরনের আইনগুলোকে আমরা শক্তভাবে প্রয়োগ করতেছি না যে এটা যেন আর না ঘটে। এটা একটা ষড়যন্ত্রের অংশ। আমার আপনার ছেলেমেয়েরা তারা স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে যাচ্ছে যাদের জন্য আপনি এত কষ্ট করতেছেন মাথার ঘাম পায়ে ফেলছেন এবং নিজের আরামের দিকে তাকাচ্ছেন না আমি আপনি এমন পরিশ্রম করছি যে কখন শরীরে ডায়াবেটিস এসে বাসা বেঁধেছে কখন জন্ডিস এসে বাসা বেঁধেছে কখন ডেঙ্গু এসেছে কোন খেয়ালই করি না কারণ আমার গাড়ি সন্তান ছেলে মেয়ে বউ বেটি এরা কিভাবে সুখে থাকবে তার জন্য প্রচন্ড পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কিন্তু তার ঈমানের হালত কি অবস্থায় আছে সেই পরিশ্রমটা কে করবে? সেই পরিশ্রমটা কে করবে? তার জন্য আপনি আমি কি পরিশ্রম করেছি? তার দুনিয়াবী সুখের জন্য তো অন্য বস্ত্র বাসস্থান চিকিৎসা তার জন্য কাজ করছি।
ঠিক আছে। কিন্তু এগুলো দিয়ে কি হবে? এগুলো তো নমরুদ, ফেরাউনেরও ছিল। আপনাকে তো তাদের মত বানানো যাবে না। ছেলেমেয়েদের? বানাইতে হবে যাতে সাহাবীদের মত হয়। যাতে আমি আপনি যখন মারা যাব আমরা যেন ক্ষণ ক্ষণ খবর পাই। কোত্থেকে যেন সওয়াব এসে হাজির হচ্ছে। কোথায় থেকে যেন আমার আপনার সওয়াব এসে হাজির হচ্ছে। জান্নাতি একটা পরিবেশ পাচ্ছি কবরে। কারণ দুনিয়ায় থেকে বাচ্চারা বলছে রব্বিরহামহুমা কামা রব্বা ই সরা [গলা পরিষ্কার করা] আল্লাহ আমার মা বাবার প্রতি রহম করো রহম করো ছোটবেলায় তারা আমাকে যেভাবে আদর যত্নে লালন পালন করছে মশায় কামড় দিতে দেয় নাই তাই না একটু পেশাবে ভিজতে দেয় নাই একটু এ বলা কান্না করলেও দৌড়ে চলে এসছে কোনরকম কমতি করে নাই আল্লাহ আমার মা বাবার প্রতি তুমি তুমি রহম কর।
এইরকম বাচ্চাই তো আমরা চাই। যদি চাই তাহলে তাদের ঈমানি সুখের জন্যে আমার আপনার তো কিছু কাজ আছে। আমরা কি বাচ্চাদেরকে মাদ্রাসায় পড়াচ্ছি না পড়াচ্ছি না এটা একটা ভাবার বিষয়। কারণ এলেম হল আপনার বাচ্চার জন্য হাতিয়ার। আমি থাকবো না আপনি থাকবো না কিন্তু ওকে যদি এলেম দিয়ে যায় তাহলে সেই এলেম হবে ওর জন্য হাতিয়ার শয়তানের বিরুদ্ধে সে লড়াই করতে পারবে সে গুনাহ করার পরে আস্তাগফিরুল্লাহ পড়তে পারবে সে ভুল পথ কোনটা আর খারাপ শুদ্ধ পথ কোনটা এই দুইটার পার্থক্য করে পথ চলতে পারবে রাস্তায় একজন ভিক্ষুকে দেখবে পকেট থেকে টাকা বের করে বয়ে আর মনে মনে ভাববে যে আমার মা বাবা তো কবরে আছে আমার দাদা আমার পরদা তার দাদা তার দাদা আল্লাহ আমার যত এরকম আছে সবাইকে তুমি ক্ষমা করে দাও সেই রকম ছেলেমেয়ে আমাদের তৈরি করতে হবে তাহলেই আমাদের জীবনটা সুন্দর হবে সম্মানিত ভাইয়েরা আজকে আমি এই যে ফরাজিন্দা দক্ষিণপাড়ার এই মসজিদে যে এসেছি এই মসজিদে
জীবনে আমি এই নদীর এই ারে আসলাম জীবনে প্রথম এর আগে বাংলাদেশ জমিয়ত আহলে হাদিসের ছাত্র সংগঠন জমিয়ত সুব্বানী আহলে হাদিসের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় চাসারা পর্যন্তই আসছে কিন্তু এই নদী আর পার হয়নি তো এখানে এসে আপনাদের মসজিদ দেখে খুব ভালো লাগছে আপনাদের ব্যবস্থাপনা এবং দোয়া করি যারা এই মসজিদ তৈরি করেছেন অর্থ দিয়ে পরামর্শ দিয়ে কাজ করেছেন মুসল্লি হয়েও আবাদ করেছেন আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করুন তাদেরকে জান্নাতে যাবার জন্য তৌফিক দান করুন এখনো যারা দায়িত্ব পালন করছেন আল্লাহ তাদেরকে তৌফিক দান করুন ভবিষ্যতেও যাতে এরকম পরহেজগার মানুষরা এই মসজিদ আবাদ করে এই মসজিদ এবং মাদ্রাসা আরো উন্নত হয় আল্লাহ সেই তৌফিক দান করুন আমি বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের সেক্রেটারি জেনারেল হবার পরে মোটামুটি এই ১১ মাস চলছে আজকে আপনাদের কাছে এসেছি।
আজকে আসরের নামাজের পরে আপনাদের সাথে খোলামেলা কিছু কথা বলব। যারা সংগঠন পছন্দ করেন তারা তো আসবেনি। যারা সংগঠন অপছন্দ করেন তাদেরকেও দাওয়াত দিচ্ছি। আমরা খোলামেলা কথা বলব। পরামর্শ শুনবো। তার আগে তার আগে আজকে খুতবার যে পয়েন্টটা আমি আলোকপাত করতে চেয়েছি সেইটা বলছি। আমরা যে পৃথিবীতে থাকছি আমাদেরকে মুমিন হিসেবে রাখবার জন্য কি কি ব্যবস্থা আছে? মানুষ তো আমরা দেখি দুই রকম। এটা বুঝার উপায় কি? আপনি যখন কোন ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করেন বা জুমার খুতবায় মানুষ আসে এখানে দুই রকম মানুষ পাওয়া যায়। একরকম হল অটোমেটিক আসে। তাদেরকে আলাদা করে দাওয়াত দিতে হয় না। নিজের গরজে আসে। আরেক ধরনের মানুষকে বলে কয়ে আনতে হয়।
তাদেরকে বুঝিয়ে আনতে হয়। এর মধ্যে এক শ্রেণী আসেই না। তো অটোমেটিক যারা আসে তাদের সংখ্যাটা খুব বেশি না। এজন্য আমাদেরকে বলে কয়ে আনতে হয়। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এজন্য আমাদের এই যে নিরাপত্তা বলয় আমাদেরকে সিকিউরিটি দেওয়া সেটা কিন্তু সমাজে একটা ব্যবস্থা রেখেছেন। তার প্রথম ব্যবস্থা কি? প্রথম ব্যবস্থা হলো ফ্যামিলি। আমাদের যে মা-বাবা তারা হলেন আমাদের প্রথম ব্যবস্থাপনা। সেখান থেকে আমরা প্রথম সিকিউরিটিটা পাই। সন্তান ভালো সন্তান আমরা সবাই চাই এবং ভালো সন্তান পাবার জন্যে আমাদের কিছু কাজ আছে। [নাক ডাকা] তার প্রথম কাজ শুরু হয় কোথা থেকে? বিবাহ থেকে। বিয়ে করাতে যাবেন। বিয়ে করাতে গেলে আমরা প্রথমে দেখি ধনীবাড়ি কিনা, মেয়ের সম্পদ আছে কিনা, ব্যাংক ব্যালেন্স আছে কিনা, মেয়ের সুন্দরী কিনা।
মেয়ের বংশ মর্যাদা আছে কিনা এগুলাই খুঁজি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাললাম এ কথাটা বলেছেন। আরেকটা কোয়ালিটি থাকে সেটা হল পরহেজগারী। মেয়েটা পরহেজগার কিনা। ঠিক তেমনি মেয়ে বিয়ে দিতে গেলেও আপনি ছেলে খুঁজেন ওভাবেই। সে বিসিএস ক্যাডার কিনা? প্রতিষ্ঠিত কিনা? বংশমর্যাদা বা সুন্দর কিনা? এর মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিও সাল্লাম যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে কথাটা আমাদের বলেছেন রেখে গেছেন কথাটা সেটা হল এই প্রথম যে তিনটা গুণ এইটার চাইতে গুরুত্ব দিতে হবে পরহেজগার কিনা সম্পদ দেখলেন সুন্দর দেখলেন বংশ দেখলেন এগুলোই আপনার জন্য সিকিউরিটি না মূল সিকিউরিটি হল আপনার পরহেজগারী আপনার ছেলে পরহেজ আমার মেয়ে পরহেজগার দুইজনের বিয়ে দেবেন তাহলে জান্নাতি সন্তান তৈরি হবে ইনশাআল্লাহ।
এখন আমি নিজেই প্রথমে দেখলাম যে এর সম্পদ আছে। এজন্য এই বাড়িতে মেয়ে বিয়ে দরকার। আপনিও দেখলেন এই মেয়ের সম্পদ আছে। এই বাড়ির মেয়েটাকে নিয়ে নেওয়া দরকার। এই আমাদের নিয়তের মধ্যে তো গলত। যে কারণে জেনারেশন যে সন্তানরা দুনিয়ায় আসবে তারা জান্নাতি মানুষ কিভাবে? এজন্য যাদের ছেলেমেয়ে আছে তারা প্রথমেই ভাবুন যে আমরা আগে বিয়ে করানোর সময় থেকেই এই বীজটা বোপন করব যে জান্নাতি সন্তান যেন ভবিষ্যতে আসে। বিয়ে করালেন। বিয়ে করানোর আগে ছেলে মেয়েদেরকে বিয়ের যত হুকুম আহকাম সেগুলো আমরা কেউই পড়াই না। যুবক-যুবতীদের জন্য আলাদা কোন ওয়াজ মাহফিলের ব্যবস্থা নাই। আমরা গণভাবে ওয়াজ করি। কিন্তু মসজিদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা থাকা দরকার।
যাদেরকে বিয়ে পড়াবেন তাদের নিয়ে আলাদা একটা মিটিং করা। বিয়ের যে পদ্ধতি বিয়ের পরের যে জীবন শুরু হবে সেখানে কি কি মাসলা মাসায়েল আছে শুধু তাদেরকে বোঝানোর জন্য তাহলে তাদের জীবনটা হবে পবিত্র আর সন্তানও আসবে পবিত্র সন্তান ইনশাআল্লাহ এই কাজটা আমাদের সমাজে হচ্ছে না ডিটেল ইনফরমেশন আমরা পাচ্ছি না যারা কোরআন হাদিস নিজেরা পড়ছে শুধু তারা ছাড়া বাকিদের কোন উপায় থাকছে না আর তাদের সংখ্যাটা খুবই কম। এটা চেঞ্জ করতে হবে। তৃতীয়ত এই যে ছেলেমেয়ে যখন সন্তান হলো তাদের তখন আমাদের একটা রেওয়াজ আছে যে আমরা আকিকা দেই সুন্দর নাম রাখি। নামটা যেন আল্লাহর সাথে সম্পর্ক হয়। কিন্তু আমরা অনেকে আকিকা দিতে অবহেলা করি।
এই অবহেলাটা করা যাবে না। [গলা পরিষ্কার করা] এটা তার জীবনের একটা প্রভাব আছে। এটা এমন একটা সুন্নাত যার জীবনটা রহমতের ছেয়ে দেবে ইনশাআল্লাহ। চতুর্থ হল এই সন্তানকে ভালো করার জন্য আমাকে আপনাকে ভালো হইতে হবে। আমি সিনেমায় অভিনয় করব আর বলব আমার ছেলেমেয়ে জাকির নায়েক হোক। এই দোয়া আল্লাহ কবুল করলে হতে পারে। অসুবিধা নেই। হয়ও অনেক দুষ্ট লোকের দোয়ায়ও তার ছেলে মেয়ে ভালো হতে পারে। এটাও আল্লাহ দেয়। এটাও স্বীকার করি। তবে ন্যাচারাল সিস্টেম হলো ছেলেমেয়েকে ভালো করার জন্য আগে আমাকে আপনাকে নিজেকে আগে ভালো হইতে হবে। কি বাড়িতে নামাজি পরিবেশ রাখতে হবে। কোরআন তেলাওয়াতের পরিবেশ রাখতে হবে।
আগে ছোটবেলায় আমরা যখন বাড়ির পাশ দিয়ে যাইতাম সকালে [গলা পরিষ্কার করা] সকালবেলা দেখতাম মুরুব্বিরা এত জোরে বাড়িতে কোরআন তেলাওয়াত করতেন জানালা দিয়া শব্দটা রাস্তায় চলে আসতো কোথায় গেল সেই পরিবেশ সেই পরিবেশ ফিরে আনতে হবে আপনি কোরআন তেলাওয়াত করবেন আপনার স্ত্রী নিচে পড়বে কিন্তু আপনি জোরে পড়বেন এইটা দেখে দেখবেন আপনার ছোট্ট বাচ্চা সেও এভাবে কোরআন হাতাবে একটু নার্ভে আসবে তার মনে আগ্রহ ফরজ নামাজটা মসজিদে পড়বেন কিন্তু নফল সুন্নত নামাজটা বাড়িতে গিয়ে পড়বেন তখন দেখবেন আপনার ছেলে মেয়ে কেউ কাঁধে উঠতেছে কেউ আপনার সামনেই সেজদা দিচ্ছে আপনি সেজদা দেওয়ার জায়গাই পাচ্ছেন না আপনার জামা ধরে টানতেছে ভয় নাই আপনার নামাজ দেখে সে নামাজি হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ আমি বাড়িয়ে বলছি না আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি যে আপনি বাড়িতে এই পরিবেশ তৈরি করেন দেখবেন আপনার ছেলে মেয়ের কম হবে।
আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে রাগারাগি করবেন না। মা বাবার সাথে বেয়াদবি করবেন না। আত্মীয়স্বজনের সাথে ছেলে মেয়ের সামনে রাগারাগি করবেন না। আমি করবো না। আমরা কেউই করবো না। আমরা এগুলা করলে ছেলে মেয়েরা শিখে যায়। এবং তারা বলে তুমি তো বাড়িতে চিল্লাচিল্লি করো। তুমি আম্মুকে বকা দিয়েছো। তুমি কি অমুককে গালি দিয়েছো? তুমি রেগে গিয়েছো? ওরাও এটা শিখে ফেলে। এজন্য বাড়িতে আচরণটা ভালো করতে হবে। দুঃখজনক যে আমাদের অনেকেই বাড়িতে খুব রাগারাগি করি কিন্তু মানুষের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করি। বাড়িতে একরকম ব্যবহার আর বাইরে আরেকর রকম ব্যবহার। ঠিক নয়। আমাদের একটু মুশকিলের ব্যাপার হয়। বাইরে তো সালাম দেই। আসসালামু আলাইকুম।
কিন্তু বাড়িতে প্রবেশের সময় সালাম দেই না। তখন কেন্দ্র শরম শরম লাগে। বাবাকে সালাম দেই না, স্ত্রীকে সালাম দিই না। বাড়িতে ঢোকার সময় দিই না। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় দেই না। তাহলে ছেলে মেয়ে শিখবে কোত থেকে? ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় দোয়া পড়ি না। খাবারের সময় বিসমিল্লাহ পড়ি না। সুন্দর করে হাত ধুই না। ভালো করে বসি না। আমরা এগুলা যদি সুন্দরভাবে করি ছেলে মেয়েরা সব দেখবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছোট বাচ্চাদেরও খাবার আদব শিখাইছেন। সে খাচ্ছিল এদিক ওদিক থেকে। তাকে ধরে সামনে থেকে খেতে হয়। এটা শিখিয়েছেন। তো রাসূলকে ভালোবাসতে হবে। তার আদর্শ জীবনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলে দেখবে সমাজ অন্যরকম হয়ে গিয়েছে।
আমার আপনার ছেলেমেয়েরা যদি ভালো হয় আমাদের প্রতিবেশীদের ছেলেমেয়েরা যদি ভালো হয় তাহলে সমাজে কিশোর জ্ঞান তৈরি [গলা পরিষ্কার করা] হবে না। এখন যেমন কিশোর গ্যাং তৈরি হচ্ছে কোনায় কোনায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ছাত্রীরা যখন স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় যায় তারা ইফটিজিং করে মুরুব্বীরা বাধা দিলে তাদের অপমান করে এই যে অবস্থা চলছে এরা আমাদের ভবিষ্যৎ এই ভবিষ্যৎ যদি ভালো করে রেখে না যাই তাহলে [গলা পরিষ্কার করা] আগামী দিনের পৃথিবী হবে আরো জঘন্য তখন কবরে গিয়ে আমরা আর দোয়া পাবো না আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুন্দর করে বলেছেন মাত ইনসান মানুষ যখন মারা যায় কি জানি হয় ইন তার কেটে যায় সেপারেট হয়ে যায় তার আমল কোন সব আসে না কিন্তু তিনটা জিনিস তো থাকে এই তিনটা কাজে সব যেতে থাকে আপনি যত সদাকা জারিয়ার কাজ করবেন এইযে মসজিদ মাদ্রাসা ভালো কাজে দান খয়রাত করবেন এটা আপনি যদি এমন একটা দেন মানুষ যেলেম থেকে উপকার পাবে।
কোরআন শিখাইলেন, হাদিস শিখাইলেন, তারপরে কোন পেশা শিখাইলেন, হালাল রুজি কিভাবে উপার্জন করতে হবে, কোন ট্রেনিং দিলেন সবই এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। আপনার যারা স্টুডেন্ট হবে তারা ভালো পথে চলবে। আপনি সব পাবেন। তারা আপনার জন্য দোয়া করবে, সব পাবে। তারা আরো শিখাবে। সওয়াবের ধারা চলতেই থাকবে। আরেকটা হল যে ওলা যারা আপনার জন্য ইয়াদ দোয়া করবে। ছেলেমেয়েদেরকে যদি আমরা ঘুরে রেখে যাই দেখা যাবে আমাদের কোন সওয়াব আসার সম্ভাবনা নাই। কিন্তু ওরা সালাতের সময় বলতেছে দোয়ার সময় বলতেছে রব্বিরহাম ওরা কুরবানি দিচ্ছে আর বলছে যে মিন্নিবা আমার পক্ষ থেকে কুরবানি দিচ্ছে আমার ফ্যামিলির সবার পক্ষ থেকে দিচ্ছে জীবিত হোক আর মৃত আমি সব পেয়ে যাচ্ছি দান করছে বলছে আমার ফ্যামিলির সবার পক্ষ থেকে দান করছে দেখা আমি দান করছি না আমার ছেলে করছে কিন্তু সব আমি পেয়ে যাচ্ছি এরকম সন্তান দেখে যেতে হবে ফ্যামিলিতে এটা দিতে হবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্পষ্ট করে বলেছেন ইয়া আইুহাল্লাজনা আমানু যারা ঈমান এনেছ তারা শোন মুখস্ত আছে আপনাদের মানে বাচাও নিজেদের নফকে মানে তোমাদের নিজেদেরকে বাচাও তোমাদের ফ্যামিলি আত্মীয়স্বজন ছেলেমেয়ে এদেরকেও বাঁচাও।
তো বাঁচাবো কিভাবে? যদি দায়িত্ব পালন না করি। যে কথাগুলো এতক্ষণ আমরা আলাপ করলাম এই কাজগুলো যদি আমরা না করি তাহলে আমাকেও তো ধরা হবে। কারণ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা হাদিস বলেছেন তোমরা সবাই দায়িত্ব প্রাপ্ত। সবাইকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন, ইয়া আইুহাল্লাজিনা আমানু তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো। আল্লাহর কথা মেনে চল। রাসূলের কথা মেনে চল। আর তোমাদের যারা দায়িত্বশীল তাদের কথা মেনে চল। ছেলেমেয়েদেরকে এগ শিখাইতে হবে। উলিল আমর। আপনি আপনার বাড়ির উলিল আমর। তো আপনি যদি আমি যদি দায়িত্ব পালন না করি আমরা তাহলে আগামী দিনের ভালো মানুষ আমরা কই পাব? আর সে ভালো মানুষ না হলে সমাজ তো ভালো হবে না।
আমাদের ছেলেমেয়েরাই তো একদিন মন্ত্রী হবে একদিন সচিব হবে একদিন টিএন হবে। আমরা যদি তাদের ঘরে না যাই তাহলে তো ঘুষঘুর থেকেই যাবে। অফিস আদালতে দুর্নীতি থেকেই যাবে। আপনার এই কাজটা এটা হল সদাকায়ে জারিয়া আপনার জন্য দেশ এবং জাতির জন্য আপনি ভালো ছেলেমেয়ে গড়ে তুলে গেলে তাদের দ্বারা দেশ উপকৃত হবে জনগণ উপকৃত হবে তাহলে সওয়াবের পরিমাণ কি পরিমাণ বাড়বে সওয়াব আল্লাহর কাছে একটা বড় রকমের পুরস্কার আমরা ইনশল্লাহ পাব দ্বিতীয় সাইকেল দ্বিতীয় সাইকেল হলো যে ছেলেমেয়েরা তো সবসময় আমাদের পাশে থাকে না বাথ থাকে না। তাদের একটা পরিবেশ আছে। এইটাকে আমরা বলি সামাজিক পরিবেশ। সমাজে যাদের সাথে মিলবে তারা যদি ভালো মানুষ না হয় তাহলে সেখানেও কিছু ক্ষতি আসবে।
বাড়ি থেকে শিখানোর পরেও কিছু ক্ষতি আসবে। এইজন্য আমরা যে ইসলামী সংগঠন করি এমপি মন্ত্রী হওয়ার জন্য না। আমরা যে জমিয়ত করি শোখবান করি কি করি? সবাইকে নিয়ে মসজিদে মিটিং করি কোরআন হাদিস থেকে আলোচনা করি। কিছু ভালো বন্ধু তৈরি হয়। আর ভালো বন্ধু তো এটা নেয়ামত। এই ভালো বন্ধুর কারণে আমি নামাজে অলসতা করতে পারবো না। শয়তান অলস বানিয়ে দিবে। আর সে ডাক দিবে এই বের হও নামাজের সময় হয়েছে চল মসজিদে যাই। ভালো বন্ধু হল আমার জন্য একজন সহকারী। এইজন্য এই কাজগুলো করতে হয়। তৃতীয় হল সরকার।
সরকারি যদি ব্যবস্থাপনা থাকে যে আইনের শাসন সৎ কাজে সহযোগিতা অসৎ কাজে বাধা দেওয়া এইটা যদি হয় তাহলে পুরা সমস্ত একটা ইসলামী সমাজ হবে এখন আপনি আমি বলতে পারি যে সরকারি তরফ থেকে তো আমরা এতটা পাচ্ছি না পাওয়ার ব্যবস্থা তো আপনার কাছে আমি আপনি যদি সমাজের দাওয়াতি কাজ করি ভালো মানুষ তৈরি করি এরাই তো টিএন হবে এরাই সচিব হবে এরাই মন্ত্রী হবে তারা যখন ক্ষমতায় যাবে তখন পাবে চাবিটা ফ্যামিলির কাছে কাজেই আমরা সবাই মিলে যেন এই কাজগুলো করি আল্লাহ তৌফিক দান করুন আল্লাহ যেন দুনিয়া এবং আখেরাতের কল্যাণ দান করেন আল্লাহর কাছে আমরা এই দোয়া করি আল্লাহ আমাদেরকে ভালো মানুষ হিসেবে কবুল করুন