আলহামদুলিল্লাহ সব প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য যিনি আমাদের জীবনে অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন এবং সেই নেয়ামত উপভোগ করে আমরা এই পৃথিবীতে বসবাস করছি এবং জান্নাতে যাবার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছি সেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য আমরা আমাদের হৃদয়ের সবটুকু অনুভূতি দিয়ে অন্তরের অন্তস্থল থেকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের শুকরিয়া আদায় করছি সবাই বলি আলহামদুলিল্লাহ সেই সাথে দরুদ এবং সালাম পেশ করছি আমাদের প্রিয়তম মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ মানবতার শিক্ষক সাইয়েদুল মুরসালীন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ আল্লাহুম্মা বারিক আলা তার পরিবার পরিজন তার সঙ্গী সাথী এবং পৃথিবীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এবং আগামী দিনেও যারা আল্লাহর দ্বীনের পথে চলবেন।
আল্লাহ তাদেরকে কবুল করে নিন। তাদেরকে তার প্রিয় মানুষদের কাতারে শামিল করে নিন। আল্লাহুম্মা আমিন। সেই সাথে আমরা আজকে বাইতুল আবেদিন জামে মসজিদে যে হাজির হয়েছি বাইপাইলে বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের কেন্দ্রীয় শিক্ষানগরী বা ক্যাম্পাসে যারা এর ব্যবস্থাপনায় কষ্ট করেছেন সময় দিয়েছেন অর্থ দিয়েছেন এখনো যারা আছেন ভবিষ্যতেও যারা আসবেন আমরাও যারা মুসল্লি ছিলাম এখন আছি বা ভবিষ্যতেও আসব আল্লাহ আমাদেরকে তার প্রিয় মানুষ হিসেবে কবুল করে নিন। আমাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান করুন। প্রথমেই দোয়া করছি যে এই ক্যাম্পাস যখন কেনা হয় এই জমি তখন এখানে এটা যাতে সুন্দর দেখায়। জমিটা যাতে শুধু শুধু পড়ে না থাকে। এখানে কিছু গাছপালা রোপণ করা হয়েছে।
আপনারা দেখছেন। আরো গাছগাছালি ছিল এবং এই কাজটা যারা করেছিলেন আমাদের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ডক্টর আব্দুল বারী হাফেজ রাহিমাহুল্লাহ স্যার যিনি ২০০৩ সালে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়েছেন। তার ভাগ্নিরা তাদের নিজেদের টাকায় এই ক্যাম্পাসের এই সমস্ত গাছপালা লাগিয়ে দিয়েছিলেন। গাছ লাগানো নিশ্চয়ই একটা ভালো কাজ। একটা সওয়াবের কাজ। সে গাছ থেকে ফল যদি নাও পান। এই গাছগুলো হলো অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি। আমরা যত কার্বন ডাইঅক্সাইড বের করি। আমাদের নাক মুখ দিয়ে বা এটা তো শিল্পনগরী। ইডিপিজেড এবং এর বাইরেও প্রচুর কলকারখানা আছে। প্রচুর যানবাহন আছে। তারা প্রতিদিন ধোয়া নির্গত করছে। এই ধোয়ার কারণে বাতাসে কিন্তু কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বেড়ে যাচ্ছে।
এই গ্যাসটা এত মারাত্মক যেটার পরিমাণ বাড়বে আর পৃথিবী বাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। এবং যত প্রাকৃতিক অব্যবস্থাপনা বা দুর্যোগ তৈরি হয়। আল্লাহ এমন একটা সিস্টেম করেছেন পরিবেশে যে গ্যাসগুলোর যদি তারতম্য হয়ে যায় পরিবেশে যদি ইমব্যালস হয়ে যায় ভারসম্যহীন হয়ে যায় ধরেন গাছপালা খুব কমে গেল তাহলে পরিবেশ তখন উল্টাপাল্টা আচরণ করবে দেখা যাবে বৃষ্টি আসবে শীতকালে আবার গরমের সময় বৃষ্টি নাই তখন পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে আর কার্বন ডাইঅক্সাইড বেড়ে গেলে তখন তো পৃথিবীর আবহাওয়া গরম হতে থাকে বসবাস করা যায় না এই কয়েকদিন একটু গরম পড়েছে আমাদের অবস্থা যে কি হয়েছে আমরা টের পাচ্ছি। এই যে গাছপালা যারা লাগিয়েছেন তারা অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি বানিয়েছেন।
আল্লাহ কি সুন্দর সিস্টেম বানিয়ে দিয়েছেন যে আমাদের কার্বন ডাইঅক্সাইড গুলা গাছগুলা গ্রহণ করে খেয়ে নেয়। এগুলো দিয়ে গাছ তাদের খাবার তৈরি করে। আমরা যেটা ফেলে দেই যেটা দূষিত সেইটা দিয়ে তারা খাবার তৈরি করে। আবার তারা যেটা শ্বাস ছাড়ে অক্সিজেন সেইটা ছাড়া আমরা আবার বাঁচতে পারি না। তার মানে গাছপালা যত বাড়বে অক্সিজেন তত বাড়বে। তো স্যারের ভাগ্নিরা যে কাজটা করেছেন নিঃসন্দেহে অনেক সওয়াবের কাজ করেছেন। আজকে সেই ভাগ্নিদের একজন আমরা যাকে পারুলা আপা বলি। তার হাজবেন্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমরা দোয়া করি আল্লাহ সুস্থতা দান করেন যেন যারা এই এত বড় দান করেছেন আল্লাহ তাদের উত্তম পুরস্কার দান করুন এবং ফ্যামিলিতে যারাই অসুস্থ আছে তাদের সুস্থতা দান করুন।
আমরাও যারা অসুস্থ আছি আল্লাহ আমাদেরকে সুস্থতা দান করুন। সম্মানিত উপস্থিতি আমরা এর আগেও অনেকবার আলাপ আলোচনা করেছি যে মানুষের ইতিহাসটা মানুষের মনে রাখতে হবে। সেই প্রসঙ্গে আমরা আলাপ করেছি যে আমরা কিন্তু অটোমেটিক পৃথিবীতে আসি নাই। আল্লাহ একটা পরিকল্পনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। ফেরেশতাদের কাছে বলেছেন যে পৃথিবীতে আমি নতুন জনগোষ্ঠী পাঠাতে চাই। সেটা একটা সিদ্ধান্ত ছিল। এরপরে যা যা ঘটেছে বাবা আদম বা মা হাওয়া জান্নাতের ও ফলটা আল্লাহর হুকুম না মেনে খেয়েছেন এইটা একটা ঘটনা মাত্র। কিন্তু আমাদের যে পৃথিবীতে আল্লাহ পাঠিয়েছেন তা প্ল্যান করেই পাঠিয়েছেন। এজন্য আমি আপনি যতক্ষণ পৃথিবীতে থাকবো এটা মনে রাখবো যে আমরা কিন্তু পৃথিবীতে আল্লাহর পরিকল্পনা অনুসারে এসেছি।
এবং তিনি মনে করিয়েও দিয়েছেন জিন্নাসাল তোমাদেরকে আমার ইবাদত ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে তৈরি করি নাই তাহলে সারাদিন মনে রাখতে হবে আমরা যেন আল্লাহর ইবাদত বন্দেগী করি কোন কাজ করলে আল্লাহ খুশি হবেন সেই চেষ্টা করি এইটা করবার জন্যে এটা যাতে আমরা করতে পারি এইযে নবী রাসূল তারাও মানুষ ছিলেন তারাও কিন্তু রক্ত মাংসের মানুষ ছিলেন। কিন্তু চরিত্রে আচার আচরণে পরহেজগারীতে তারা ছিলেন মহামানব। আমাদের মত একেবারে সাধারণ মানুষ না। তাদের আচার ব্যবহার আমল আখলাক। তারা ছিলেন আমাদের রোল মডেল। যাদেরকে অনুসরণ করতে হয়।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেমন আমাদের প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্পর্কে বলেছেন হাসানা তোমাদের জন্য রাসূলের জিন্দেগীতে আছে উত্তম আদর্শ আদর্শ মানে মডেল এইযে ফ্যানটা বানানো হয়েছে একটা মডেল করে তো বানানো হয়েছে যে রোল বানাবো এরকম সব জিনিসের একটা মডেল আছে তো আমি আপনি কেমন করে মানুষ হব আল্লাহর প্রিয় মানুষ হব তার জন্য কোন সাচ কোন ডাইস অনুসরণ করব সেটা হল আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু সলামের জিন্দেগী ইট তো কাদা দিয়েই বানায় কাদা এক জায়গায় রেখে দিলে ইট হয়ে যাবে নাকি ইটের একটা ডাইস আছে একটাছা আছে ওইটার মধ্যে মাটিটা ফেললে ওই ইটের চেহারা পায় তো আমরা যারা ঈমানদার আমাদের কাজ কি যে আমাদের জীবনের সকল কাজ সকল আমল এগুলো যেন রসূল সাল্লাল্লাহু সাললামের জিন্দেগী যেরকম ওরকম হয় এইজন্যই আমাদেরকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে এবং সাথে রসূল নবী তাদেরকে পাঠানো হয়েছে এখন আমি আপনি যদি মনে করি আমি এমনি এমনি চলবো যখন ইচ্ছা তখন সালাত পড়বো বা একটু দোয়া কালাম পড়বো আর যখন ইচ্ছা আমার মত চলব তাহলে কিন্তু আমরা গেছি।
আমাদের জিন্দেগী একেবারে বরবাদ হয়ে যাবে। এই চিন্তাটা সারাক্ষণ মাথায় রাখবেন। আমরা সবাই মাথায় রাখব। রাস্তা দিয়ে যখন হাটবেন তখনও যেন আপনার মনের কানেকশনটা আল্লাহর সাথে থাকে। যে আল্লাহ তোমাকে স্মরণ রাখছি। আমি কি সত্যিই তোমাকে খুশি করতে পেরেছি? আমি যেভাবে আমার জীবন যাপন করছি। আমি কি পারছি? না পারছি না। তুমি আমাকে তৌফিক দাও। আমাদের দেশে দেখবেন অনেকে আল্লাহকে ভগবান বা গড যে নামে ডাকু সবাই খুঁজতে চায় লালন ফকিরও খুজতে চায় ওই পীর মুরিদরাও খুজতে চায় কিন্তু নানান রকম তরিকা অবলম্বন করে নানান রকম পোশাকের স্টাইল নানা রকম চুলের স্টাইল গলার মধ্যে কি যেন শিকল টিকল দিয়ে তালা তালা অনেকগুলা ঝুলায় রাখে অনেকভাবেই চলে অনেকে আবার বলে মাছ মাংস খাবো না মাছ মাংস খালে মনে হয় যে একটা প্রাণীকে হত্যা করলাম।
কি দরদী মানুষ যে মাছ মাংস খাবে না। অথচ এই নেয়ামতগুলো আল্লাহ আমাদের জন্য বানিয়েছেন যাতে আমাদের শরীর ঠিক থাকে। শরীর ঠিক না থাকলে আপনি আমি ইবাদত করব কিভাবে? অসুস্থ মানুষ কি ভালো মত ইবাদত করতে পারে? কখন ওযু থাকে, কখন ওযু থাকে না? তাইতো ঠিক থাকে না। এজন্য সুস্থ শরীর, সুস্থ মন, সচেতন হৃদয় এগুলো না থাকলে আল্লাহকে ঠিকমত ডাকা যায় না। এ খেয়াল রাখতেন। তো যে কথা বলার জন্য দাঁড়িয়েছি এই যে আমরা ঈদুল আযহা পালন করলাম। এবং এর ইতিহাস আপনারা হয়তো শুনেছেন তাই আমি বলবো না যে ইব্রাহিম আলাইহি সালাম একজন নবী তিনি হলেন তিনি নবী আমাদের রাসূল সলাম তার বংশের সর্বশেষ নবী তিনি হলেন আবুল আম্বিয়া তিনিও তো রক্ত মাংসের মানুষই ছিলেন।
তো তাকে আল্লাহ জীবনে এত পরীক্ষা করেছেন। এই পরীক্ষা করে করে করে তাকে সোনার মানুষ বানিয়ে দিয়েছে। আর আমাদের জন্যও উদাহরণ রেখে দিয়েছেন। যে তোমরা যারা আল্লাহর খলিল হতে চাও, বন্ধু হতে চাও, প্রিয় মানুষ হতে চাও, ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের মত পরীক্ষা দিয়ে দিয়ে ঈমানদার হতে হবে। কিন্তু আমাদের জীবনে যখন বিপদ আসে তখন আমরা কি করি? আমরা হতাশ হয়ে পড়ি। আশা ছেড়ে দেই। এমন মানুষ আছে যারা আবার আত্মহত্যা করে ফেলে। করে কিনা করে? করে। এর মানে কি? এই মানুষ ভুলেই গেছে যে ঈমানদার হতে গেলে একেবারে আরামদায়ক পথে ঈমানদার হওয়া কিন্তু যায় না। আপনি ঈমানদার হতে যাবেন দেখবেন হঠাৎ করে আল্লাহ না করুন।
আপনার স্ত্রী মারা গেছে। আপনার মনে হবে দুনিয়া অন্ধকার হয়ে গেল। জীবনে অর্ধেক শেষ। হঠাৎ করে মনে হবে যে আপনার একটা সন্তান চলে গেল। বাবা যাকে এত ভালোবাসেন চলে গেল। মা চলে গেল। এখন এই বিপদে আপনি ধৈর্য ধরতে পারবেন। আপনার দোকান পুড়ে গেল। এই কথাগুলো আমরা আগেও আলাপ করেছি। কিন্তু ইব্রাহিম আলাইহি সালামের রেখে যাওয়া সুন্নাহ এই কুরবানি তো আমরা পালন করলাম। এখন কুরবানি আসলে আমাদের মনে একটা আনন্দ হয়। বড় বড় কুরবানি করব। সুন্দর সুন্দর পশু এবং মজা করে গোস্ত খাবো। হই হুল্লুর করব। একটু তো আনন্দ করবই। কিন্তু সাথে সাথে এটাও তো মনে রাখতে হবে এই আনন্দটা আল্লাহকে খুশি করবার জন্যই করব।
সীমার বাইরে গিয়ে করবো না। গান বাজনা এমনভাবে করবো না যেটা হারাম পথে নিয়ে যায়। এমন কোন অনুষ্ঠান আয়োজন করবো না যেটা হারাম পথে নিয়ে যায়। আর এই যে টাকা পয়সা খরচ করলাম এগুলো করলাম শুধু আল্লাহকে খুশি করার জন্য। যদিও এই রক্ত এই মাংস কোনটাই আল্লাহর কাছে যাবে না। যাবে শুধু তাকওয়া। সম্মানিত ভাইয়েরা এতটুকু কথা আবারো মনে করিয়ে দিলাম এইজন্য যে আমরা মানুষ আমাদের গোটা জীবনটা চোখে রাখতে হবে।
যে আমরা ছিলাম কোথায়? দুনিয়াতে আসলামই বা কেন আবার চলে যাব এক কথায় তিন কথার মধ্যে আমাদের পরিচয় মিনহালা আল্লাহ মানুষকে বলছেন কি এই মাটি থেকেই তোমাকে বানিয়েছি তোমাকে মাটির ভেতরে আবার রিটারন করে দেব আবার মাটির ভেতরে প্রবেশ করিয়ে আবার বের করব দ্বিতীয়বার এই মাটি থেকেই এই মাটির সাথেই তোমার ইতিহাস কাজেই আল্লাহ কত মেহেরবান কত পাওয়ারফুল আবার আমরাও অহংকার করার কিচ্ছু নাই এই মাটির উপর হাটি আর এই মাটি হল আমাদের ইতিহাস এই কথাগুলো মনে রাখলে অহংকার আসবে কোন পথ দিয়ে? টাকা থাকলেই অহংকার আসবে, গাড়ি থাকলেই অহংকার আসবে, বাড়ি থাকলেই অহংকার আসবে। কেন আসবে? একজন আরেকজনকে ছোট মনে করবেন কেন? আমি ফর্সা আরেকজন কালো।
তাই অহংকার করতে হবে। উনি যদি আগে বেহেশতে চলে যায় তখন আপনার অবস্থা, আমার অবস্থা কি হবে? একজন সুন্দর করে হাসতেও পারে না। আপনি মনে করেন কেমন করে হাসে? এটা ভাববার কিছু নাই। আল্লাহর কাছে তার মর্যাদা কি সেটা পাবেন। তার এমন কোন গোপন আমল থাকতে পারে যেটা আমি আপনি জানি না। আমার চাইতে সে ভালো মানুষ হতে পারে না। আজকে আপনাদের সামনে একটা হাদিস বলার ইচ্ছা করছি। যে হাদিস আমাদের বলে দিচ্ছে যে আমাদের পরিচয় সেই সাথে আমাদের কিছু দায়িত্ব এবং কর্তব্য।
রাদিয়াল্লাহু আনহু ওমরের নাম শুনছেন আপনারা মুসলমানদের দ্বিতীয় খলিফা কিন্তু ওমর একটা নাম ওমর বিন খাত্তাব তিনি একজন সাহাবী সাহাবীদের নাম শুনলে বলতে হয় রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহ তাদের প্রতি খুশি হয়ে গেছে তাদের আর কোন চিন্তার কারণ নাই আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট তাদের কোন ঘটনা যদি আপনার কষ্ট কষ্ট দেয় যে উনি এমন কাজ কেন করলেন এটা ভাববার আপনার দরকার নাই আমার দরকার নাই কেন তাদের সকল দোষ ত্রুটি মাফি হয়ে গেছে আল্লাহ যদি রাজি হয় তাহলে তাদের কোন চিন্তা আছে আর কাজেই আমরা তাদের দোষ ত্রুটি নিয়ে কখনো কথা বলব না সাহাবীদের তাদের ভালো জিনিসগুলো নিয়ে কথা বলব কারণ আল্লাহ খুশি হয়ে গেছেন আমি তার গীবত করে কি লাভ হবে আর শুধু শুধু গুনাহ কামাবো এইটা এটা হল আমাদের একটা আকিদা তিনি বলছেন কলা বাইনামা নাহন জুলুস বাইনামা অর্থ পারেন আপনারা আমরা জুলুস মানে বসা ছিলাম এইযে আপনারা যেমন খুতবার শুনছেন বসে বসে রাসূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসূুল্লাহের কাছে
আমরা এরকম সবাই বসা ছিলাম কেন বসা ছিলাম কথা শুনছিলাম যাতা ইয়াওমিন একদিন অনেকদিনই তো থাকছেন একদিনের ঘটনা বলতেছেন কি ঘটনা রাজ উদয় হল সূর্য যেমন উদয় হয় না ভোরবেলা দেখেন কোন সূর্যূর্য নাই কিন্তু কো থেকে যেন সূর্য বের হয়ে আসে কোথা থেকে যে আসলো তো হঠাৎ একজন মানুষ রাজুল পুরুষ মানুষ আমাদের সামনে উদয় হল মানে হঠাৎ করেই চলে আসল আগে আমরা খেয়ালও করি নাই কোন দিক দিয়ে আসছে সাদিদ বায়াদিয়া তার সিয়াব কাপড় জামাটা সাদিদ মানে কঠিন কঠিন বায়াদ বায়াদ মানে সাদা জামাটা একবারে ধবধবে সাদা আমরা বাংলায় বলি না যে ধবধবে সাদা মানে কোন ময়লা এরকম পোশাক পড় হাজির হল সাদি সাওয়া সার মানে চুল সাওয়াদ মানে কালো চুলটাও একবারে কালো কুচকুচ একবারে সুন্দর লাগছে দেখতে সাদিরা আলাইহি সলা দেখা যাচ্ছে না আসর আসার মানে কোন প্রভাব কোন চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না তার মধ্যে সফর সে যে সফর করে আসছে দূরে থেকে আমাদের এই এলাকায় আসছে
এরকম কোন চিহ্ন তার চেহারায় দেখা যাচ্ছে না দূরে থেকে আসলে কি দেখা যায় চুলগুলো একটু উল্টাপাল্টা থাকে কপালে বা চেহারা একটু ঘামঘাম থাকে জামাটাও একটু ভাজভাজ থাকে কিচ্ছু এরকম নাই বিষয়টা অবাক হওয়ারইতো এত পরিষ্কার মানুষ কিভাবে আসল ওয়ালাইফুহু মিন্না আহাদ আহাদ মানে কেউ মিন্না মানে আমাদের মধ্যে আমরা যারা বসেছিলাম সাহাবীরা কেউ আবার তারে চিনিও না যে লোকটা দূরে থেকেও আসলো না আবার আমরাও তারে চিনি না দূরে থেকে না আসলে কি বুঝবো আমরা এই এলাকার মানুষ তাহলে এই এলাকার মানুষ হলে তো আমাদের চেনার কথা যদি মদিনার মানুষ হয় এখানে আপনারা যার বন্ধু বান্ধব হাজির হইছেন দেখলেন একটা লোক আসছে দূরে থেকেও আসে নাই আবার আমরাও চিনি না এটা কেমন কথা লোকটা আসল কো থেকে চিনিও না আবার দূর থেকেও আসে নাই এসে কি করল সেব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কাছে এসে বসল হাটুগুলো মানে আমরা যেমন নামাজে বসি না এরকম সুন্দর করে মিলায়া দিয়া বসল আসনা সংযোগ করে এবং উপরে আমরা হাত রাখি অনেক সময় তার হাত উরুর উপরে রাখল ভদ্রভাবে বসল সোজা কথা নামাজে আমরা যেভাবে বসি এরকম ভদ্রভাবে বসল সাধারণত শিক্ষকদের সামনে ছাত্ররা এভাবে একটু সাবধানে বসে।
এখান থেকে একটা আদব বোঝা যায় যে আমরা কারো সাথে বসতে গেলে বসার স্টাইলটা কেমন হওয়া উচিত। এবং কলা মানে বলল ইয়া মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আবিরনি আল ইসলাম আমাকে খবর দিন মানে আমাকে ইনফরমেশন দিন মানে আমাকে বলে দিন আল ইসলাম ইসলাম সম্পর্কে আমাকে কিছু জানান আমাকে কিছু বলেন আমি একটু শিখতে চাই রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরপরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আল ইসলামু ইসলাম হল আতাশহাদা আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তুমি মুখে সাক্ষ্য দিবে বলবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহ ছাড়া কোন ইলা নাই এটা তোমাকে বলতে হবে আর আমরা জানি সাক্ষ্যটা দেওয়ার আগে আরো দুইটা পর্যায় হয় একটা হল অন্তর এটা বিশ্বাস করার পরে না সাক্ষী দেওয়া যায় নাকি অন্তরে বিশ্বাস করি না মুখে খালি ভুলে গেলাম এটা তো হয় না দ্বিতীয় হল সাক্ষী দেওয়ার পরে আবার কি করা লাগবে সেইটা কাজে বাস্তবায়ন করতে হয় তো তুমি সাক্ষ্য দেবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আপনারা মনে করতে পারেন আমরা মনে করতে পারি
এতো একটা নরমাল বিষয় ৭১ সালে অনেক হিন্দু লোকও পাকিস্তানিদের আর্মিদের ভয়তে কতবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়ছে এটা বলতে আর কয় সেকেন্ড লাগে আর কষ্টই বাকি এটা কোন ব্যাপার নাকি কিন্তু না আরবদের কাছে এটা তো নরমাল বিষয় ছিল না তারা আমাদের মত এরকম দুর্বল ঈমানের লোক ছিলেন না যারা বলতেন সেটা বুঝে শুনেই বলতেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বাক্যটা শুনে মৃত্যুর কাছাকাছি এসে অনেকে তো বলতেই পারতো যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আমারে মাইরো না কিন্তু তারা কিন্তু বুঝতেন এই কালেমা পড়ার পরে জীবনটা উল্টাইয়া যাবে কিন্তু একদম পাল্টায়ে যাবে এই মূর্তি পূজা এই মাতব্বুরি এগুলা আর করতে পারব না কথার মত কাজ করতে পারব তো এই সাক্ষ্যটা ওই যুগে এত সহজ ছিল না কঠিন ছিল এটা বলা মানে চারদিক থেকে বিপদকে ডাইকা না কারণ একজন বলবে যে অমুকের ছেলে অমুক লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলছে ধর তাকে পিটা তাকে মার তাকে আপনারা বেলাল রাজ ঘটনা জানেন না আহাদ আহাদ এই কথাটুকু মানতে পারে নাই কাফেররা কি শাস্তি দিয়েছে কাজেই কথাটা কিন্তু একটু এত স্বাভাবিক এত সহজ কথা ছিল তো এইটা বলতে হবে দুই কি বলতে হবে মুহাম্মাদ রাসূুল্লাহ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আল্লাহর সিলেক্টেড আল্লাহর কাছ থেকে পাঠানো মানুষ আল্লাহ তো আমাদেরকেও পাঠাইছেন।
কিন্তু তাই বলে আমরা রাসূল পাঠানো মানেই রাসূল না। যাকে নবুয়তের দায়িত্ব দিয়ে রিসালাতের দায়িত্ব দিয়ে মানুষকে শেখানোর দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে তিনি হলেন রাসূল। আচ্ছা এইটা বলতে হবে। এইটা বললে মুসলমান ইসলামের একটা কাজ হইলো। দ্বিতীয় কাজমা সালাতা সালাত কায়েম করতে হবে। এখন আমরা অনেকে আছি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ জিকিরও করি মসজিদের ভেতরে জোরে জোরেও বলি। সন্ধ্যার পরে কোন কোন মসজিদ এরকম জিকির করে তাই না? একদম মসজিদ ফাটিয়ে ফেলতে চায়। কিন্তু এইটুকুই শেষ না। এরপরে সালাত কায়েম করতে হবে। একবারে নিয়ম মত সময় মত হুকুম আহকাম ঠিক রেখে একবারে জামাত পড়ে সুন্দর করে সালাতটা রেগুলারলি পড়তে হবে আজকে পড়লাম কালকে পড়লাম না শুধু শুক্রবার আর ঈদের দিন পড়লাম তা হবে না এ দুই তিন নাম্বার যাকাত যাকাত দিতে হবে যদি সম্পদ হয় সাড়ে ৫২ কোটি রুপার সমান যদি টাকা অন্তত তাকে টাকার ক্ষেত্রে বা সম্পদের ক্ষেত্রে তাকে আড়াই পারসেন্ট হারে দিতে হবে।
এবং এই টাকা দিতে গিয়ে যখন মনে করেন আপনি বিলিয়নার কোটিপতি তখন কিন্তু যাকাতের পরিমাণও বাড়ে। আর যারা মনটা ছোট তারা যাকাত আর দিতে চায় না। কিছু টাকা কোনরকম দিয়ে পার পাইতে চায়। আবার বলে কি আমি তো ব্যাংক থেকে লোন নিয়েছি। আমার কি যাকাত খরচ হয়েছে? এই চালাকি টালাকি চলবে না। যাকাত আদায় করতে হবে। যাকাতটা আপনার টাকা না আমার টাকা না। এই টাকাটা হল গরীব মানুষের টাকা। আপনি যে দান করছেন এখানে অহংকার করার কিছু নাই। এই টাকাই তো আপনার না। এই টাকা আপনার কাছে আমানত আছে। কিন্তু টাকাই আপনার না। এই টাকা হল গরীব মানুষের।
আপনি দিলে আপনি ঋণ মুক্ত হইলেন আরো ভার মুক্ত হইলেন আর না দিলে আপনি গরীবের হক মেরে খাইলেন কাজের পানিশমেন্টও আছে এগুলো যাকাত রমাদান রমাজান মাস আসবে আর বলবে না আমি অসুস্থ রোজা থাকবো না তা চলবে না রমাজান মাসের সাও পালন করতে হবে আল্লাহর কাছে তৌফিক কামনা করতে হবে আল্লাহর যে ঘর যেটাকে আমরা বলি মসজিদ আল্লাহর ঘর স্পেশালি সেন্টার হলো বাইতুল্লাহ মক্কায় সেই ঘরে যাইতে হবে হজ করার জন্য ইলাহ সাবিলা সাবিল মানে পথ যদি ওখানে যাওয়ার সামর্থ্য থাকে শারীরিক সামর্থ্য মানসিক সামর্থ্য আর্থিক সামর্থ্য যদি যাওয়ার সুযোগ থাকে যেতে হবে টাকা আছে সব সামর্থ্য আছে যাবেন না তাহলে চলবে না তাহলে ইসলামের এই পাচটা পিলার এই এই বিল্ডিং এ যেমন পিলার আছে কয়েকটা এই পিলারগুলো না থাকলে কি ছাদটা থাকতো ধুপ করে পড়ে যেত মাথার উপরে ইসলাম যদি আমি বলি যে আমি ইসলাম ধর্মের লোক তার মানে আমি মুসলিম তাহলে পা টাকা ছাড় দেওয়ার কোন সুযোগ নাই যার যে কয়টা সামর্থ্য হয় দিতে হবে আর যদি অস্বীকার করে তাহলে তো কাফেরই হয়ে যাবে যদি বলে আমি মানি ঘৃণা করি।
যেমন আজকাল একজন মহিলার ছবি আপনারা ফেসবুকে খুব মজা করে দেখতেছেন মনে হয় যে বলে যে শরীয়া আইনের উপরে আমি থু মারি। নাউজুবিল্লাহ। এই মহিলারে তো ফাসি দেওয়া উচিত ছিল। সরকার আপনারা ফাসি দিতে যাইয়েন না। সরকারি দায়িত্ব ছিল যে ফাসি দিয়ে। ইসলাম নিয়ে কটাক্ষ করবে। সে ইসলাম ধর্মে থেকে এটা সুযোগ নাই। এত দরদ হওয়ার দরকার নাই। কারণ ইসলামের চাইতে শ্রেষ্ঠ দ্বীন আর নাই। ইসলামের বিরোধিতা যারা করবে তারা মূলত ফাঁকিবাজ, দুর্নীতিবাজ। তারা সমাজকে কলুষিত করতে চায় সুবিধাবাদী। আর ইসলাম হল গণ মানুষের জন্য উপকারী ধর্ম। হিন্দুর জন্য উপকারী। খ্রিস্টানের জন্য উপকারী। সবার জন্যই উপকারী।
সম্মানিত ভাইয়েরা এই কথা রাসূুল্লাহ সাল্লাম যখন বললেন কলা ওই ব্যক্তি বললেন সাদা আপনি ঠিক জবাব দিয়েছেন আপনি সঠিক উত্তর দিয়েছেন খেয়াল করে দেখেন ছাত্র যদি এসে শিক্ষককে বলে স্যার আমাকে এটা বলে দেন আবার বলার পরে ছাত্র যদি বলে স্যার আপনার উত্তর সঠিক হয়েছে তাহলে ঘটনাটা কি দাড়াইলো? তহলে ছাত্র নিশ্চয়ই কম জানে না। এখন সাহাবীরা তো অবাক হচ্ছেন। আজব না আমরা আজব হলাম যে কেমন প্রশ্নকর্তা যে নিজেই জানার জন্য আসছে তিনি রাসূ সাল্লাল্লাহু সলামকে প্রশ্ন করছেন আবার প্রশ্ন যে সঠিক হয়েছে তা সত্যায়ন করছেন তহলে ছাত্র তো কম ছাত্র না। তারা কিন্তু অবাক হয়ে তাকাই আছে। এই হাদিস থেকে আমরা বুঝলাম ইসলামের পাঁচটা পিলার আছে।
এর কোনটাকে অসম্মান তো করা যাবেই না। এটাকে সাধ্যমত মানতে হবে। আরেকটি অংশ পড়ে আমি শেষ করতে চাচ্ছি। এরপরে দ্বিতীয় প্রশ্ন বলছে হে রাসূল সাল্লাল্লাহু সলাম এবার আমাকে খবর দেন আমাকে ইনফরমেশন দেন ঈমান সম্পর্কে ঈমান কি জিনিস রসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন বিল্লাহি তুমি ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি আল্লাহর বাণী এগুলা তুমি ঈমান আনবে ওরসুলিহ এই কিতাব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যে রাসূল আসছে শিক্ষক হিসেবে নবী রাসূল তাদের প্রতিও তুমি সত্য বলে ঈমান আনবে এবং আখেরাতের প্রতি তুমি ঈমান আনবেদ কদরের প্রতি তদরের প্রতি ভাগ্যের প্রতি ঈমান আনবে সে ভাগ্যটা খারাপ লাগুক আর ভালো লাগবে। যেমন ভাগ্যে আপনার বিপদ আছে।
বিপদ আসার পরে আপনি বলতেছেন ইশ এইটা যদি না করতাম তাইলে এটা হইতো না। এই যে যদি বললেন না যদি এই যদি টদি বলা যাবে না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আরেক হাদিসে বলেছেন যে এই যদি বললে শয়তানের কুমন্ত্রণা দেওয়ার রাস্তা খুলে যায়। আপনাকে খালি কুমন্ত্রণা দিয়ে থাকবে। এইটা যদি না করতা এটা হইতো না। কিন্তু খারাপও যে আসছে ভাগ্যে এটাও আল্লাহ শুকরিয়া আদায় করবে যে ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি। এই দোয়া করবে আল্লাহ আল্লাহ যে বিপদ আমার উপর দিয়ে গেল এর চেয়ে ভালো পুরস্কার তুমি আমাকে দিও। এর চেয়ে ভালো কিছু তুমি আমাকে দিও।
কিন্তু খারাপ হইছে বলে যদি বইলা এটা করবেন না খাইরি আর যদি ভালো কিছু হয় ভাগ্যে ভালো একটা চাকরি পেয়েছেন ব্যবসায় ভালো লাভ হয়েছে ভালো একটা খবর পেয়েছেন তাহলে আলহামদুলিল্লাহ পড়বেন শুকরিয়া সেজদা দিবেন যেভাবেই হোক তকদীরে আমাদের বিশ্বাস করতে হবে এই যে ছয়টা বিষয় এবারও এই ব্যক্তি বলতেছেন আপনি ঠিক বলেছেন আপনার উত্তর সঠিক হয়েছে চিন্তা করা যায়তো এইভাবে আমার সময় যেহেতু শেষ হয়ে গেছে আমি আরেকটু বলে শেষ করছি এরপরে আরেক প্রশ্ন করছে আমাকে ইহসান সম্পর্কে বললেন আমরা বলি না লোকটা খুব ইহসানের সাথে কাজ করছে তখন তিনি বলছেন তুমি এমনভাবে ভাবে আল্লাহ ইবাদত করবে যেন আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছ।
আল্লাহকে দেখতে পাওয়ার কল্পনা করলে ইবাদতটা আরো খাটি হবে। আরো মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। দুষ্টামি আসবে না। আসবে না আরো ভয় আসবে। আরো শ্রদ্ধা আসবে। এবার আরো বলছেন যেতাকুন তারাহু যদি তুমি তাকে দেখতে পাচ্ছ না এরকম মনে হয় বা দেখতে পারছো না এটুক মনে রাখো এতটুক মনে রাখো যে তিনি তোমাকে দেখতে পাচ্ছেন এটুক মনে রাখলেও ইবাদতটা সুন্দর হবে যে আমি নামাজ পড়ছি আল্লাহকে আমি দেখছি না হলে অন্তত তিনি আমাকে দেখতেছেন কাজে নামাজের মধ্যে কোন ফাকিবাজি কোন ঢিলেমি কোন অলসতা এগুলা করা যাবে না। এইভাবে প্রশ্নগুলা করছেন রাসূ সলাম করছেন আমি বাকি হাদিসটুকু এখন আর বলছি না। শুধু শেষে অংশে গিয়ে বলছি যে ওমর রাদি বললেন যে লোকটা চলে গেল।
আমি কিছুক্ষণ থাকলাম ওই সময় রস আমাকে বলেন ইয়া ওম ওমদ তুমি কি জানো যেযে প্রশ্নকারী লোকটা কে ছিল এতক্ষণ যে প্রশ্ন করল আল্লাহু রাসুল আলামত আল্লাহু রাসুল আলাম সাহাবীদের একটা আদব ভদ্রতা ছিল এইটা কি তারা বলতেন না আমি জানি তারা বলতেন কি আল্লাহ এবং তার রাসূই এটা ভালো জানেন তারা নিজেরা জবাব দিতেন না এটা ছিল রাসূলের প্রতি তাদের ভদ্রতা বা আদব তখন রাসূুল্লাহ সলালেন জিবল এই লোকটা আর কেউ ছিল না জিব্রল আলাইহি সালাম মানুষের রূপে আসছিলেন তোমাদের দনের ব্যাপারে জানতে প্রশ্ন করতে কিভাবে করতে হয় এগুলা কেমনে জিজ্ঞেস করতে হয় এগুলা উনি জিজ্ঞেস করে দেখা তাহলে এখান থেকে আমরা শিখতে পারি যে এই হাদিসগুলো পড়ে ঈমান কি ইসলাম কি এগুলো আমরা জানতে পারি দ্বিতীয়ত আমাদেরও উচিত যে জানে তার সামনে ভদ্রভাবে বসে দ্বীনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা এবং জেনে নেওয়া কারণ না জানলে সঠিকভাবে আমরা কি করে দ্বীনটা শিখব আল্লাহ আমাদেরকে দ্বীনের জ্ঞান ভালোভাবে জানার মানা জীবন গঠন করার তৌফিক দান করুন।