সম্মানিত মুসল্লিয়ান কেরাম মা ও বোনেরা শুকরিয়া আদায় করছি আমাদের স্রষ্টা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে যিনি আমাদের মত গুনাগার কয়েকজন বান্দাকে আজকের এই জুমার গুরুত্বপূর্ণ দিনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অতিব গুরুত্বপূর্ণ বিধান জুমার সালা আদায় করা খুতবা শোনা এই আমলটা সম্পন্ন করবার জন্য তৌফিক দিয়েছেন কবুল করেছেন এবং মসজিদে আসার সুযোগ করে দিয়েছেন। তাই বলছি আলহামদুলিল্লাহ। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর তার সকল সাহাবায়ে কেরাম পরিবার পরিজনের উপর আজকের খুতবার টপিক হচ্ছে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কাদেরকে এই কথা বলেছেন যে তোমাদের কোন ভয়ও নাই তোমাদের কোন চিন্তাও নাই যদি আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাই তাহলে তো বেশ আলহামদুলিল্লাহ বিষয়টা হচ্ছে হচ্ছে যে আমাদের বিশেষ করে দুইটা জায়গা বেশি ইম্পর্টেন্ট।
একটা হচ্ছে দুনিয়ার জীবন আরেকটা হচ্ছে আখেরাতের জীবন। দুনিয়ার জীবনটা হচ্ছে আমাদের কর্মক্ষেত্র। আখেরাতের জীবনটা হচ্ছে ফলাফল লাভের ক্ষেত্র। তো দুনিয়াতে আমাদের কিছু ভয় আছে। পরকালেও আমাদের কিছু ভয় আছে। দুনিয়াতে ভয় কি? আল্লাহ যে কয়দিন আছি সুস্থ থাকবো কিনা? শরীরের অঙ্গটা সার্ভিস দিবে কিনা? ব্যবসা-বাণিজ্যটা লাভের দিকে যাবে নাকি লসের দিকে যাবে? সংসারটা ভালোভাবে থাকবে তো? সন্তানরা দ্বীনের উপরে চলবে তো? লেখাপড়া শিখাতে পারব তো? বিভিন্ন ধরনের ধন সম্পদগুলা হেফাজতে থাকবে। তো এই ধরনের বিভিন্ন একটা দুশ্চিন্তা টেনশন আমাদের মধ্যে কাজ করে। এরপর যেটা সবচেয়ে বেশি মুমিনদেরকে ভাবায় সেটা হচ্ছে ঈমান নিয়ে মরতে পারব তো? কবরের আজাব থেকে বাঁচতে পারবো।
তো আমলনামা কি ডান হাতে আসবে? হাউজে কাউসারের পানি কি ভাগ্যে জুটবে? শেষ পর্যন্ত হিসাবে পাশ করে জান্নাত পর্যন্ত যাওয়া কি সম্ভব হবে? এই জিনিসগুলো একজন মুমিনকে সবসময় ভাবায়। এর বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ মুমিনের নাই। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে আমি এই আয়াতগুলো সবই জানতাম। কিন্তু এইভাবে একত্র করে আজকে সাজাইলাম। ১০ টা আয়াত এমন আছে এখানে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন শুরুর দিকে প্রত্যেকটা আয়াতের শুরুর দিকে বিভিন্ন কাজ গুণাবলী এবং কথা বলেছেন প্রত্যেকটা আয়াতের শেষের বাক্য একটা সুবহানাল্লাহ সেইটা কি যে তোমরা যারা এই এই গুণগুলি অর্জন করবে এই এই ক্যাটাগরির লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে এখানে বিভিন্ন কথা আছে শেষে গিয়ে একটা কথা সেটা হচ্ছে তোমাদের কোন ভয় থাকবে না।
তোমাদের কোন চিন্তা থাকবে না। আচ্ছা সাধারণ জ্ঞানে আমরা ধরেন বাংলাদেশে বাস করি। তো কোন একজন মানুষকে অনেক ভয়ে আছে। তার সম্পদ নিয়ে ভয়, পরিবার নিয়ে ভয়, দুশমনের ভয় বিভিন্ন ভয়ে আছে। তো ওই দেশের মনে করেন প্রধানমন্ত্রী যদি তাকে ফোন করে বলে, আরে কিসের ভয়ে? তোমার জন্য আমার সব সাপোর্ট থাকবে। তুমি কোন চিন্তা করো না। তো একজন দেশের প্রধানমন্ত্রী যদি এরকম একটা আশ্বাস কোন মানুষকে দেয় তাহলে মানুষের মন ভরে যায় এবং সে অনেক আশান্বিত হয়ে যায় যে না আশা করি আমার আর কোন সমস্যা হবে না।
তো যেখানে সমস্ত বিশ্বজগত শুধু বাংলাদেশ না পৃথিবী না আলামিন যত জগত আছে সবকিছুর যিনি মালিক সবকিছুর যিনি স্রষ্টা সকল বাদশারও যিনি বাদশা সকল ক্ষমতা যার হাতে যা ইচ্ছা তাই যিনি চাইলেই করতে পারেন এক মুহূর্ত দেরি হয় না তিনি যদি কোন বান্দা বান্দিকে এই কথা বলেন যে তোমার কোন ভয় নাই তোমার কোন চিন্তা নাই তাইলে আর হয় কিসের আর ভয় থাকার কথা আছে না। তো আসলে প্রায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপট আমাদেরকে ভাবায়। আমরা নিশ্চিন্তে থাকতে চাই, পেরেশানি মুক্ত থাকতে চাই। কিন্তু প্রেক্ষাপট এমন অনেক সময় চলে আসে যখন মানুষ স্বাভাবিক থাকতে পারে না। তখন উপায় খুঁজে। ও অজান্তে মনের মধ্যে টেনশন চলে আসে।
এটা আপনাদেরও হয় আমারও হয়। আমরা বাদ দিলাম। এমনকি নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লামেরও হয়েছে। আমি মূল কথায় যাওয়ার আগে একটু ওই ঘটনাটা আপনাদের মনে আছে। বানি মুস্তালিকের একটা যুদ্ধ হয়েছিল। ইতিহাসে আছে। এটা সূরা নূর পড়লে পাবেন। তো ওই যুদ্ধে যাওয়ার পরে তখন নবী সাল্লামের সঙ্গী ছিলেন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা। যুদ্ধে যাওয়ার ক্ষেত্রে নবীর একটা সুন্নাহ নিয়ম ছিল যে তিনি একজন স্ত্রী নিতেন। তো কাকে নিবেন? এজন্য তিনি লটারি করতেন। তো যার নাম অর্থ তাকে নিয়ে যেতেন। তো যুদ্ধে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা নির্বাচিত হন। তো আসার সময় এটা লম্বা ঘটনা। আমি একটু টাচ দিচ্ছি। আবার অনেকের জানাও আছে। সূরা নূর আমরা হয়তো পড়েছি বা ইতিহাস থেকে পড়েছি।
আয়েশা রাদিয়া ঘুময়ে গেলেন কাফেলা প্রস্থান করার সময় হল। সবাই যার যার মত চলে গেল। আর তিনি ঘুমানোর কারণে আর বুঝতে পারেননি যে সবাই চলে গেছে। অনেকদূর যাওয়ার পরে দেখা গেল যে আপনার উনি নাই। খুঁজতে খুঁজতে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন ফেরত দুইজনকে পাঠানো হয়েছিল যে দেখো গিয়া কোথায় আছে। পরে উনাকে পাওয়া গেল। এই ঘটনাটাকে সুযোগ নিয়ে কিছু মুনাফিক টাইপের লোক থাকে সবসময়। মানে তারা একটা এখান থেকে খুঁজে একটা কিছু রড তারা তাদের নিজের ফায়দা হাসিল করতে চায়। মানে দেখবেন আল্লাহু আকবার। এগুলো ভাবলে অবাক হওয়া যায়। আল্লাহর নবীর একজন স্ত্রী ঘটনাক্রমে তিনি পিছনে পড়ে গেছেন। পরে কেউ তাকে আনতে গেছে।
তিনি তাকে নিয়ে এসেছেন। এখানে কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি। খারাপ কিছুও ঘটেনি। মুমিনরা এটাকে খারাপভাবে নেওয়ার কোন সুযোগও ছিল না। তো মুনাফিকরা একটা সুযোগ পাইল যে এই সুযোগে তার উপরে অপবাদ দিয়ে দেই। কোন একটা তুহমত দিয়ে দেই। এটাই একবারে পুরা পীর তৈরি করে ফালাইছে। এই ঘটনাটা বর্তমান সময়েও দেখা যায় যে একজন একটা অপরাধ করেছে। সে অপরাধী বিশাল বড় অপরাধী। কিন্তু মিডিয়া তারে পছন্দ করে। তার অপরাধটা ফলাও হয় না। এটা মিডিয়া তেমন প্রচার করে না। কিন্তু তার এগেনস্টে যে লোকটা আছে সে হয়তো ধার্মিক একটা ভুল কইরা বানাইছে। মাশাল্লাহ সবাই এমনভাবে এটারে সাজায় না জানি কি হয়ে গেছে। এটা পরে চিন্তা করলাম যে ওই ঘটনাগুলির সূত্রপাত।
পরে কি হয়ে গেল? কোন কথা বলতেছিলাম যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহার এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে যখন সবাই জানাজানি হয়ে গেল তখন কি হয়েছিল জানেন? মুনাফিকরা এটা রটাইছে। আর মুমিনদের মধ্যে কেউ কেউ এইখান থেকে মানে একটু মজা নিতে শুরু করলেন যে মনে হয় কিছু একটা ঘটে গেছে। ইয়া আল্লাহ। তখন আল্লাহর এটা সহ্য হয়নি। আল্লাহতালা আয়াত নাযিল করলে বললেন কেন মুমিনরা এটা ধারণা করল না যে এটা স্বাভাবিক একটা ঘটনা। মমিন এরকম একটা মুমিনরা এটাকে খারাপভাবে কেন নিল? কিন্তু শেষে বিষয়টা নবীকে অনেক ভাবাইছি। নবীকে চিন্তান্বিত করে ফেলেছি। পরে তিনি মিম্বরে দাঁড়িয়ে এটা প্রকাশ করলেন যে আমি একটা বিষয় নিয়ে খুব পেরেশানিতে আছি।
টেনশনে আছি। এটা খোলাসা করলেন। তারপরে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা তিনি ক্ষমা চাননি কারো কাছে। তিনি এক পায়ে দাঁড়ানো ছিলেন যে আমি যদি সত্য হয়ে থাকি আমি যদি দোষী না হই অবশ্যই আমার রব আয়াত নাযিল করে আমাকে পবিত্র করবেন। এটা ছিল ঈমান। শেষে ঠিকই আয়াত নাযিল হয়ে গেল। যে তিনি কোন দোষী ছিলেন না। তো যেটা বলার জন্য ঘটনাটা বলা যে আমরা তো দূরের কথা আল্লাহর নবীও বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিক থাকেননি। অনেক সময় ভাবিয়ে তুলেছি। তখন তিনি একটা হাদিস এরকম আবু দাউদে আমরা পাই। যখন কোন বিষয় তাকে পেরেশানিতে তুলে দিত অস্থির করে ফেলত। তার মানে মাঝে মধ্যে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে হয়ে যেতেন।
তখন তিনি ফাজলা সালাত সালাত আদায় করে আল্লাহর সাথে কানেকশন তৈরি করে নিজেকে হালকা করতেন। সুবহানাল্লাহ। এবার যাই মূল কথায়। তাহলে আমরা এই দুনিয়ার জীবনে কয়েকদিনের মুসাফির। আমাদের আগে অনেক মানুষ চলে গেছে। আমরাও চলে যাব। আবার যারা আসবে তারাও চলে যাবে। কে কোনদিন চলে যাব জানিনা। কিন্তু এই কয়েকদিনের হায়াতে আমাদের যে মানে আপদ বিপদ দুশ্চিন্তা পেরেশানি এগুলো আমাদেরকে যে মানে খুরে পুড়ে খায় অনেক সময় আমাদের ক্ষতি করে অনেক সময় ঘুম আসতে দেয় না অনেক সময় খাবারের ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যায় এই জিনিসগুলো শুধু ডাক্তাররা বলবে বিষয় এমন না আল্লাহও আমাদের কিছু কথা বলেছেন যে তোমরা এই নীতিতে চলো তাইলে তোমরা দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকবা টেনশন পেরেশানি দুশ্চিন্তা না থাকলে রাত্রে ঘুমটা ভালো হবে ঘুমটা ভালো হবে খাবারের হজমটা ভালো হবে শরীরটাও ঠিক থাকবে মনটাও ভালো থাকবে এবাদত করতেও মজা লাগবে দুনিয়ার কাজ করতেও ভালো লাগবে সুবহানাল্লাহ এবার আমরা যাই এই ১০টা পয়েন্ট কি এবং এই ১০টা আয়াত আমাকে সংক্ষেপে বলা লাগবে কারণ সময় সীমাবদ্ধ তো এক খেয়ালে শুনতে হবে এখানে রেকর্ড হচ্ছে আপনারা পেয়ে যাবেন আমি মানে শিরোনামটা বলব পয়েন্ট যে এই কাজ যারা করবে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলবেন তোমার কোন ভয় হয় নাই।
তারপরে আমি আয়াত বলবো, আয়াতের তরজমা পেশ করব। আয়াতের রেফারেন্সটা বলব। তারপরে একটু যদি বোঝানো প্রয়োজন হয় তাহলে বুঝিয়ে দেব। সামারিকতাটা আগে বলে ফেললাম। কারণ দ্রুত সামনে এগুতে হবে। এক নাম্বার পয়েন্ট হচ্ছে ইত্তেবা হুদা। যে সকল মানুষ হেদায়েতকে অনুসরণ করে দুনিয়াতে জীবনযাপন করবে। তার মানে আল্লাহর তরফ থেকে যে হেদায়েত এসেছে তার মানে ওহীর জ্ঞান তার মানে কোরআন সুন্নাহ একদম এক কথায় বুঝায় দিলাম বুঝে আসছে আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়েত এটা হচ্ছে সকল নবীদের উপরে আল্লাহ হেদায়েত নাযিল করেছিলেন তো আমাদের পূর্বে যেহেতু অনেক নবী চলে গেছেন আমরা যার উম্মত তিনি কে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আর তার উপরে যে কিতাব নাযিল হয়েছে তার নাম কি কোরআন মাজিদ আর তার জীবনাদর্শন কি সুন্নাহ তো এক কথায় যে সকল মানুষ দুনিয়ার জীবনে আল্লাহর নাযিল করা ওহীর বিধান তথা কোরআন এবং সহীহ সুন্নাহকে ফলো করে চলবে আল্লাহ তাকে বলবেন বান্দা ও আমার বান্দি তুমি চিন্তা করো না তুমি ভয়
করো না প্রত্যেকে এই কথাটা পাইলাম সূরা আল বাকারা ৩৮ নম্বর আয়াত দুই নম্বর সূরা আল্লাহ বলছেনমা যদি ইতিয়ান্নাকুম তোমাদের কাছে আসে তোমরা মানে এখানে কিয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ আসবে সবাই নারীও পুরুষও ছোট বড় একেবারে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান যত মানুষ আছে সবাইকে আল্লাহ সম্বোধন করেছেন যে ওই কথাটা ছিল আদম আলাই সালামকে যখন দুনিয়াতে নামিয়ে দিবেন প্রথমে তাকে কোথায় রেখেছিলেন জান্নাতে তারপরে দুনিয়াতে নামিয়ে দিবেন ওই নামিয়ে দেওয়ার সময় কথাটা বলেছিলেন যে দুনিয়াতে সবাই দুনিয়াতে চলে যাও তবে আমি তোমাদেরকে নিরুপায় হয়ে ছেড়ে দিব না নিরুপায় করে যদি দুনিয়ায় তোমরা চলে যাওয়ার পরে আমার পক্ষ থেকে কোন হেদায়েতের বাণী আসে যদি দিয়ে আল্লাহ বলেছেন তার মানে হচ্ছে অবশ্যই আমি পাঠাব যদি এটা আসে তাহলে যে আমার এই হেদায়তের তাবিয়া মানে কি তাবিয়া মানে কি মাশাল্লাহ আপনারা অনেক কিছু শিখেছেন মজা লাগে আলহামদুলিল্লাহ খুশি হই সব আমি বলতে হবে কেন এই আয়াতগুলো শুধু আমার না আয়াতগুলো সবার সুতরাং যে ব্যক্তি
অনুসরণ করবে ফলোপ করবে কিসের আমার হেদায়তের এখানে মারাত্মক একটা ব্যাপার আছে আল্লাহর কথাটার ধরণ দেখেন আল্লাহ বলছেন যদি তোমাদের কাছে আমার পক্ষ থেকে হেদায়েতের বাণী আসে এবং যে মানুষ আমার হেদায়েতের অনুসরণ করবে আল্লাহর হেদায়েতের কার হেদায়েতের এটা আব্দুর রহমান বিন মোবারকের হেদায়েতের কথা বলেন নাই অমুক পীর সাব হুজুরের কথা বলেন নাই অমুক বড় হুজুরের কথা বলেন নাই অমুক দরবারের কথা বলেন নাই আমি আল্লাহর হেদায়েতের যে ব্যক্তি অনুসরণ করবে সে কি বলেন আলাইহি ওয়ালা কোন ভয় নাই আলাইহিম এই মানুষগুলার ওয়ালা এবং তারা কি হবে না চিন্তিত হবে না একটা পাইছেন নি বানা বলছি সূত্র আছে আপনি কোরআন নিবেন যাবেন কোন সূরার কত আয়াত বলেন তোার কত আমার আবার আয়াত একটু কম মুখস্ত থাকে কিন্তু বলার সময় তো লেখে বলে দেই এটা আবার আরেকটা প্র্যাকটিস তো আপনারাও মনে থাকবে এমনটা না কিন্তু এটা নোট করতে পারেন বা যে কোন সময় কাজে লাগলে আপনি এখান নিতে পারবেন।
এবার দুই নাম্বার বলছি না আমি যে সময় কম কারণ ১০ পর্যন্ত যেতে হবে নালে বিষয়টা পূর্ণ হবে না। আমি দুই নম্বর সামনে চলে যাচ্ছি। এক নাম্বার পয়েন্ট মনে রাখবেন। আপনি কনতো এক নাম্বার পয়েন্ট কি? এইযে ভাই এইযে আপনি কন তো এক নাম্বার পয়েন্ট কাদের ভয় নাই চিন্তা নাই। এক নাম্বারে কি শিখছেন? যারা আল্লাহর হেদায়েতের পথ অনুসরণ করে। আমার দিকে তাকায়া থাকবেন। ঝিমানো যাবে না। ঝিমানু মুসল্লি নিয়ে আমি খুতবা দেই না। আপনি রাগ করেন আর যাই করেন। কারণ এগুলা আমার কথা বলছি না। কার কথা বলছি না? আমি না রাজনৈতিক ভাষণ দিচ্ছি না। আমি আপনাদের মুরিদ বানাচ্ছি না।
আমি আপনাদের এক পয়সাও বলবো না যে আমি অনেক দূর থেকে কষ্ট করে আসছি। আমারে যাওয়ার সময় সবাই অন্তত ১০টা টাকা হাদিয়া দিয়েন। একবেলা খাওয়ায়েন। আমি কিচ্ছু বলছি না। এগুলা আল্লাহর বাণী। যিনি আমারও স্রষ্টা আপনারও স্রষ্টা। শুনতে বাধ্য শোনা জরুরি বা শোনা দরকার না এটা বাধ্য আমরা এটা জানতেই হবে ওহীর জ্ঞান আর নাইলে কবরে তাকে উঠাবেন আল্লাহ অন্ধ কইরা তখন বলব হালাদ কিছুই জানি না ওই লাদ্রির মধ্যে যাতে না পড়ে যায় দুই নাম্বার হচ্ছে আতাসলিমুলিল্লাহ যে মানুষ আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করে দেয় সুবহানাল্লাহ আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করার মানে হচ্ছে তার টোটাল জিন্দেগী সেটা এবাদত বন্দেগী হোক, ব্যবসা-বাণিজ্য হোক, রাজনীতি হোক, অর্থনীতি হোক, বিয়েশাদী হোক, ব্যবসার কারবার হোক যত জায়গায় সে নিজেকে ফেস করবে প্রত্যেকটা জায়গায় আল্লাহর বিধান আছে।
আল্লাহর বিধান কি আমাদের শুধু সালাতের আল্লাহর বিধান বিয়েতে নাই। বিয়ের কথা আল্লাহ বলেন নাই। আমি এই একটা কিতাব সাজাচ্ছি। তো এখানে গতকালকে আমি বিয়ের আপনার বিষয়টা সাজাইলাম। মনে হয় বিশাল বড় বড় পৃষ্ঠায় অন্তত ৩০ পৃষ্ঠা হইছে একটা পারিবারিক জীবন আর বিয়ে নিয়ে আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ রাসূল এত কথা বলেছেন আজকে তো আমাদের পরিবারগুলো ধ্বংস হওয়ার কারণে সব জায়গায় ফেতনা গেছে মূল দুর্গ ছিল আমাদের পরিবার পরিবার লোজ হয়ে গেছে এজন্য দেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছেতো আল্লাহ বলছেন যে ব্যক্তি সবসময় নিজেকে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করে দেয় তার মানে আমি একটা কাজ করতে যাচ্ছি এখানে দুনিয়ার নিয়ম এটা বলছে অমুক হুজুর এটা বলছে দেশের রসম রেওয়াজ এটা বলছে আর আমার আল্লাহ এটা বলছেন এখন আমি কি করব আমার আল্লাহটার কাছে আমি নিজেকে সমর্পণ করে দেব আমার বাবা যেটা বলছে এটা জরুরি না আমার মুরব্বি যেটা বলছে এটা জরুরি না অনেক মানুষ এটা বলছে এটাও জরুরি না অমুক মুফতি হুজুর সাব এটা বলছে এটাও জরুরি না জরুরি হচ্ছে আমার আল্লাহ বলছেন এইখানে তুমি চলে আসো আমি এইখানে নিজেকে সমর্পণ করি এই নীতিতে যে মানুষ চলে তাকে বলবেন ও তুমি তো কারো দারদারও নাই।
তুমি তো আমার কাছে নিজেকে সমর্পণ করছো। আবার তোমার ভয় থাকবে মানে আমি বেঁচে আছি না। আমি চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী। তোমার দুনিয়াতেও ভয় নাই আখেরাতেও ভয় নাই। এবার এটা তো বললাম আমার নিজের থেকে। এবার আল্লাহ থেকে শুনেন। সূরা আল বাকারাতেই আছে আয়াত। ১১২ নম্বর আয়াত। বালা আসলাহুলিল্লাহ। বালা মানে কি? হ্যা ইয়েস। এটা ইতিবাচক শব্দ হরফে ইজাব বলা হয় বালা মানসলামা যে ব্যক্তি সমর্পণ করে তার চেহারাকে এখানে চেহারা মানে তার সত্তাকে যেমন কোরআনে আছে স্বংস হয়ে যাবে আর আল্লাহর চেহারা বিদ্যমান থাকবে মানে তাইলে আল্লাহর অন্য কিছু থাকবে না নাকি না অনেক সময় চেহারা হল ফেসটা হচ্ছে মানুষের মানে সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট একটা জিনিস এটা দিয়ে জুস দিয়ে কুল মুরাদ হয়।
আল্লাহ যেমন নিজের সত্তাকে বুঝাইতে ব্যবহার করেছেন। আল্লাহ এখানে মানুষ বুঝাইতে তার চেহারা উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার নিজেকে সমর্পণ করে লিল্লাহি আল্লাহর জন্য শেষে আরেকটা কথা আছে সে নিজের সৎকর্ম করে দুনিয়াতে জীবন যাপন করে পাপাচারী হয়ে দুনিয়াতে চলে না। এরপরে কি? তার প্রতিদান থাকবে আল্লাহর কাছে। এরপরে ওই কথাটা কোন কথাটা? পয়েন্ট এক কার ভয় থাকবে না? যে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা হেদায়েতের অনুসরণ করবে। অন্যের হেদায়েত না। কার হেদায়েত? আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা হেদায়েত। পয়েন্ট দুই কার কোন ভয় থাকবে না? চিন্তা থাকবে না। যে সবকিছু বাদ দিয়ে সবাই বলে আমার কাছে আত্মসমর্পণ করো, আমার কাছে মুরিদ হও, আমার দলে যোগ দেও, আমার ইত্তেবা করো, আমার পথ অনুসরণ করো, আমার আদর্শ নেও।
না সে বলে না আমি আমার আল্লাহর সামনে নিজেকে সমর্পণ করে দিলাম। এই ব্যক্তিকে আল্লাহ কি বলবেন? তোমার কোন ভয় নাই। তোমার কোন চিন্তা নাই। এই কথাটা কোথায় আছে দেখি আপনি বলতে পারেন কিনা। কোন সূরার কত আয়াতে? ও মাশাল্লাহ। দেখি সজাগ তো মাশাল্লাহ। খুশি হইলাম। সূরা বাকারার ১১২ বেশি কথা শোনার তো দরকার নাই বেশি পুষ্টিকর খাইলে কম খাদ্যই শরীর চলে আর ভেজাল খাইলে আরো নষ্ট হয় শরীর তো এটা আমরা খুঁজ পাই ছোট বাচ্চা বাচ্চা মায়ের পেট থেকে যখন জন্মগ্রহণ করে মনে মাছ গোষ সব খাওয়ায় দেন না এক মাস গেলে মনে সব খাওয়ায় দেন না সব ফল মূল সবজি সবজি না ছয় সাত মাস বাচ্চাটা কিচ্ছু যদি না খায় তার কিছুই হয় না একটা জিনিস খায় সেটার নাম কি মায়ের দুধ মানে আল্লাহ আল্লাহ সুবহানাতালা তার পুষ্টির তার বৃদ্ধির তার নিজেকে ডেভেলপ করার সমস্ত উপাদান একট একটা জিনিসের মধ্যে দিয়ে দিয়েছেন আর এটাই তাকে সুস্থ রাখতে সক্ষম
কেন এটাতে মানুষের হাত নাই এটাতে মানুষের কোন হাত নাই এটা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের তরফ থেকে মায়ের বুকে আল্লাহ এটা তৈরি করে ফ্রেশ জিনিসটা তার ভিতরে ঢুকায়ে দেন ফ্রেশ একটা জিনিস একটা মানুষের জীবন রক্ষা করতে শুধু সক্ষম না তাকে বৃদ্ধি করতে পর্যন্ত সক্ষম সুবহানাল্লাহ এই হচ্ছে ভালোর মূল্যায়ন সঠিক জিনিসের মূল্যায়ন নাম্বার তিন এটা হচ্ছে আল ঈমান ওয়াল ইসলাহ একটা মানুষ ঈমানদার হয় পাশাপাশি প্রত্যেক মুমিনের স্তর এক না অনেক মুমিন নিজেকে মুমিন বলে কিন্তু বেনামাজি আছেনি মাঝে মাঝে রোজাও খাজা করে আছেনি মানুষকে ঠকায় আছেনি মিথ্যা বলে আছেনি গীবত করে আছেনি কিন্তু সে নিজে মুমিন হিসেবে নিজেরে দাবি করে।
তো আল্লাহ তালা বলছেন হ্যা আল্লাহও জানেন এটা যে একজন মানুষ ঈমান আনার পরেও সে মিথ্যা বলে ফেলে। সে চুরি করে ফেলে। সে খারাপ বেগানা নারীর দিকে তাকায়া ফেলে। ব্যবসায় অন্যায়ের পথে জড়াইয়া যায়। ভুলের মধ্যে সে জড়ায়া যায়। তো আল্লাহ বলছেন যারা ঈমান আনে এবং সবসময় ইসলাহের মধ্যে থাকে। সুবহানাল্লাহ। ইসলাহ মানে কি? আপনি বলেন তো? ইসলাহ শব্দের অর্থ কি ভাই? এটা জানেন না? শিখবেন না জানা দোষ না। দোষ হলো না শিখা। আমি আমার সব ছাত্রদেরকে এটা বলি যে তুমি পারো না এটা তোমার জন্য দোষ না। তোমার দোষ হল এটা যে তুমি শিখবার জন্য উদগ্রীব না। এটা হল দোষ।
তাইলে ঈমান মানে আমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখবো। পাশাপাশি কি করব? ঈমানের বিষয়গুলো মেনে নেব। পাশাপাশি ইসলা করব। ইসলাহ মানে সংশোধনী। অর্থাৎ আমার কালকের দিনের যে ভুলগুলো হইছে আজকে আর সেগুলি হবে না। একটু কষ্ট দিব। যাদের সামনে খালি জায়গা আছে একটু আগাইতে হবে। কারণ ভিতর ফিলাপ হয়ে গেছে মানুষ জায়গা পাবে না। অথচ এখানে আরো ৩০ ৪০ জন বসতে পারবে। একটু নড়েন। তাড়াতাড়ি তাড়াতাড়ি। সামনের জায়গাগুলো ফিলাপ করে দেন। মানুষ শোনেন একটা আয়াত যদি এখানে শুনে ফেস দেখে শোনা আর আড়াল থেকে শোনার মাঝে বেশম আছে। একটা আয়াত যদি শুনে একটা মানুষের জীবন পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। এটা আল্লাহর কালাম।
আরেকটু আগা আগায় বসেন। তাইলে তিন নাম্বার পয়েন্ট হল মনে রাখেন ঈমান এবং সংশোধনী। ঈমান এবং ইসলাম ঈমান আনবে এবং নিজেকে সংশোধনীর রাস্তায় সবসময় নিজেকে আপডেট করবে। সংশোধন করবে। ভালোর দিকে নিয়ে যাবে আল্লাহ তাকে কি বলবেন লাইহলা এটা আছে কোথায় সূরার নাম আল আনম আয়াত নম্বর ৪৮লা আল্লাহ বলছেন আমি সমস্ত নবী রাসূলদেরকে প্রেরণ করেছি তারা যারা পাপী তাদেরকে আজাবের দুঃসংবাদ শোনায় আর যারা ঈমান আমল করে ভালো কাজ করে তাদেরকে সুসংবাদ শোনায় এরপরে আল্লাহ বলছেন সুতরাং নবীদের দাওয়াত পাইয়া যারা আমনা আমনা মানে কি ঈমান আনবেলা মানে কি নিজেকে সংশোধন করতে থাকে ঈমান আনে এবং নিজেকে সংশোধন করতে থাকে তারপরে ওই কথাটা কোন কথা আজকে যদি আয়াত মুখস্ত টুকরা না হয় তাইলে আর কবেটা আমি বলব না ওই টুকরাটা আলাইহি ওয়ালা বলেন সবাই আলাইহি ওয়ালা তাদের কোন ভয়ও নাই কোন চিন্তাও নাই মুখস্ত হইছে আলাইহি আপন তো আপনি মনে শিখছেন আপনি কনতো আলাইহি আমার আবার একটা কমপ্লেন আছে
খুতবা দিতে অনেকে পিছনে বয় যে আপনি আবার না জানি কিছু বইলে অনেকে জিজ্ঞেস করলে ডরায় আপনারা সামনে ডরাইয়েন না সমস্যা নাই আল্লাহর আয়াত বলবেন অন্য কোন কথা না আমিদটা আয়াত বলব শেষে এই একটা কথা আল্লাহ বলেছেন সব আয়াতের শেষে একটা কথা আর প্রথম দিকে ভিন্ন কথা এবার নাম্বার ফোর চার নাম্বার পয়েন্ট তাকওয়াল্লাহ আল্লাহ ভীতি নিয়ে জীবনযাপন যারা করে আল্লাহ ভীতি মানে আল্লাহর আযাবের ভয় আছে তার ভিতরে একটা গুনাহর কাজ সামনে আসলে সে মনে করে আমি তো আল্লাহর কাছে ফেসে যাব না ওটা আমি বাদ দিলাম করব না একটা ভালো কাজ তার সামনে আসছে আজান হয়ে গেছে ফজরের সে ঘুমায়ে থাকতে পারে কেউ ডাকও দিবে না কিন্তু আজান শুনছে সে শুয়ে থাকতে পারতো কিন্তু সে বলছে যে না শুয়ে থাকা যাবে না আল্লাহর ফরজ বিধান যাই মসজিদে গিয়ে সালাতটা আদায় এর নাম হচ্ছে তাকল্লাহ।
আল্লাহ ভীতিকে নিয়ে দুনিয়াতে জীবনযাপন করে তারও এই একই কথা কোনটা? এই কথা আছে সূরা আরাফ আয়াত নম্বর ৩৫ আদাম এর অর্থ কি? কাদেরকে ডাক দিলেন আল্লাহ? হে আদমের সন্তান কেউ বাদ পড়ছে পৃথিবীতে মানুষ নামের যে শব্দটা যার উপরে প্রয়োগ হবে আপনারা বলবেন ম্যান বা ওমেন। আর আরবিতে হল ইনসান। আর বাংলায় আমরা বলি মানুষ। এই শব্দ যার উপরে পড়বে একটাও বাদ নাই। সবাইকে আল্লাহ ডেকে বলছেন ইয়া বানি আদম হে আদমের সন্তান যদি তোমাদের কাছে আমার রসূল আসে আয়াত বর্ণনা করে আমার আয়াত দিয়ে তোমাদেরকে দাওয়াত দেয় আহা যদি আজকের ওলামায়ে কেরাম এইযে এখন খুতবা হচ্ছে এই যেমন আয়াতগুলো পড়া হচ্ছে তরজমা করা হচ্ছে প্রত্যেকটা মেম্বরে যদি এটা ছয় মাস চলতো এক বছর না ছয়টা মাস চলতো পৃথিবীর বাংলাদেশের অর্ধেক দৃশ্য পাল্টে যেত মানুষের জ্ঞান পাল্টে যেত মানুষ দাওয়া দিবে কি দিয়েল আল্লাহ কোরআনে সূরা কাফের মধ্যে শেষয়াত পড়ে পড়ে তুমি মানুষকে দাওয়া দাও সহ হাদিস দিয়ে দাওয়া
দাও এত পার্থক্য দরকার নাই আমার কথা দিয়ে আমি দাওয়াত দিব ভাই আমিতো দাওয়াতের মুখাপে আমি মানুষ না আপনাদের মত একজন মানুষ না আমিও তো আল্লাহর রহমতের মুখাপেক্ষী আমারও তো দাওয়াত দরকার আমার ভুল হলে একজন সংশোধন করবে না আপন হয়তো আমি একটা জিনিস ভুল বুঝছি আপনি সঠিক বুঝছেন তো আপনি আমারে এটা বুঝাবেন না দায়িত্ব আবার আমি একটা বুঝছি আপনি বুঝেন নাই আপনাকে বুঝাব এই কথাটা আল্লাহ এখানে বলছেন আমার আয়াত আমার বাণী অমুকের বাণী তমুকের বাণী নয় অমুক নেতার বাণী নেতার বাণী নয় আমার বাণী যে তোমাদেরকে শোনায় এরপরে যে তাকওয়া অবলম্বন করে আল্লাহ অবলম্বন করে এখানে আবার ও সংশোধনীর কথাটা এখানেও আসছে এরপরে কোন কথা এবার সংখ্যা একটু বাড়ছে তবে সামনের বার যেন আরেকটু বেশি হয়লা আলাইহিক আছেনি প্রত্যেকটা আয়াতের শেষে ওটা উনারে জিগাইলাম কেন যে উনি তো হিফ করেছেন হাফিজদের তো আয়াত মুখস্ত আছে আমি আয়াত সব জানতাম কিন্তু এইভাবে একত্রে আজকে প্রথম জমা করছি এরপর
পরের পয়েন্ট পয়েন্ট কিন্তু গেছে কয়টা কন তো চারটা আমি এখন জিজ্ঞেস করবো না পরে করবো আমি আবার বলছি এক নাম্বার যারা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা হেদায়েতের অনুসরণ করবে তার ভয় নাই চিন্তা নাই নাম্বার দুই যারা আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করবে তার ভয় নাই চিন্তা নাই নাম্বার তিন যারা ঈমান আনবে এবং নিজেকে সংশোধনের পথে রাখবে সবসময় নিজেকে আপডেট করবে সংশোধন করবে ভালো করার চেষ্টা করবে তার ভয় নাই চিন্তা নাই নাম্বার চার ওযে ভাই তো চম নাম্বারে কি বলছিলাম বা আপনি কন একটু আগে যেটা বললাম আপনি কন আল্লাহর বৈতি আল্লাহ বিধি তাকওয়া যারা তাকওয়া নিয়ে চলবে দুনিয়াতে তাদের ভয়ও নাই চিন্তাও নাই নাম্বার পাচ পাচ নাম্বার হচ্ছে ইস্তেকামত ইস্তেকামত মানে হচ্ছে স্থায়িত্ব স্থিতিশীলতা কোন কাজ করতে যাইয়া একজন মানুষ যদি এটা কয়দিন ওটা কদিন ওটা কয়দিন ধরেন আপনি ব্যবসা করবেন টাকা ইনকাম করবেন ব্যবসা করে এখন আপনি ব্যবসা বাছাই করতে যাইয়া একটা শুরু করলেন কয়েকদিন ভাল লাগলো
না ইনকাম আসে না আবার আরেকটা ধরলেন এটাতে ইনকাম আসে না আরেকটা ধরলেন এইভাবে আপনার প্রতিবছর খালি ব্যবসা পাল্টাচ্ছেন আপনার একটা ব্যবসায়ও টাকা দিবে না একটা ব্যবসায়ও টাকা দিবে না কারণ যে ব্যবসায় আপনি ফেল হয়েছেন ওই ব্যবসা করে আরেকজন কোটি টাকা কামাচ্ছে দেখেন হিসাব ক যে ব্যবসা একজনে হচ্ছে না ঠিক ওই ব্যবসা আরেকজন টাকা ঠিকই কামায়ে নিচ্ছি। এটার জন্য ইসতেকামত। ঠিক। আমাদের আখেরাতের বেনিফিটের জন্য ব্যবসার জন্য আমাদেরকে স্থির থাকতে হবে। ঈমান আনলাম নেক আমল শুরু করলাম। খুব ভালো করে না। আর ভুল হয়ে গেছে। আর আর এগুলা করা যাবে না। গুনা খাতা করা যাবে না। নেক আমল ছাড়বো না।
একেবারে কয়েকদিন তাকবীরে ওলাও ছুটে না। সুন্নতে মুয়াক্কাদাও ছুটে না। সপ্তাহের সিয়ামও ছুটে না। তাহাজ্জুদ পর্যন্ত ধরলাম। মা সপ্তাহ দুই এক গেল আবার ঘটা পরে গেল এখন জামা তো ছুটে যায় এইটা না এইটা ডিসিপ্লিন মানুষের জীবনের সাকসেসের সবচেয়ে বেশি ইম্পর্টেন্ট জিনিস অনেক কিছু আমি জানি নো প্রবলেম এটাতে কিচ্ছু যায় আসে না আমি অনেক স্কিল ডেভেলপ করেছি কিচছু যায় আসে না আমি অনেক মেধাবী সারা পৃথিবীর মানুষ যত জ্ঞান পাইছে সব আমি মাথায় নিয়ে নিছি কিচছু যায় আসে না। আপনি সাকসেস হবেন ঠিক তখন যখন আপনি যেটা জানেন, যেটা বুঝেন, নিজেকে স্কিল ডেভেলপ করে একটা ডিসিপ্লিনের মধ্যে কাজ করে নিজে ফায়দা হাসিল করবেন।
তখন কাজ ছাড়া কিছু হয় না। এই জিনিসটা আল্লাহ বলছেন এখানে ইস্তেকামত। তুমি ইস্তেকামতের উপরে আসো। এটা দুনিয়ার জীবনে যেমন আখেরাতের কাজেও তেমন। সব কষেত্রে এটা প্রযোজ্য। ইস্তেকামতের মধ্যে যে আসবে সে সফল হবে। তার ভয়ও নাই, চিন্তাও নাই। এই কথাটা আছে সূরা আহকাফের ১৩ নম্বর আয়াতে ইন্নাল্লাজিনা কুবনাল্লাহ ইন্নাল্লাজিনা মানে কি কন না একজনে নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে নিশ্চয় যারা বলেছে কি বলেছে মানে কি আমার রব আল্লাহ এরপরে এটার উপরে অনর আর নড়ে না কোন তুফান আইসা তারে কি করে না হিলাইতে পারে না একবার এখানে ঢুকছে কিছু ভালো কাজ করে পরে আরেকজনে কইল দুনিয়ার এই পথ দিমু এই সুবিধা দিমু আবার চলে গেল এই নর মুনাফিক ঈমান তার নাই রব আমার আল্লাহ পরীক্ষা যাই আসে আসুক বিপদ যাই আসে আসুক আমি আল্লাহর হুকুমের উপরে আছি আছি এবার আল্লাহ তাকে শেষে কি বলেছেন ওই কথাটা বলেন এখন নাম্বার ছয় যারা ভিন্ন ধর্মী আছে তাদেরকে
আল্লাহ বলছেন তোমাদেরও ভয় কেটে যাবে তোমরা যে যত ধর্মে আছো ওগুলা ছেড়ে দিয়ে তোমরা ইসলামে চলে আসো আর যারা ইসলামে আছে ভুল করেছে তাদেরকেও আল্লাহ বলছেন তুমি আবার ঈমানরে ঠিক করে নাও তোমার কোন ভয়ও থাকবে না চিন্তাও থাকবে এই কথাটা বলা আছে সূরা আল বাকারাতে ৬১ নম্বর আয়াত ইন্নাল্লাজিনা আমানু যারা ঈমানদার ওল্লাজিনা হাদু এবং যারা ইহুদি ওনাসারা এবং যারা খ্রিস্টান ও সাবিনা এবং যারা সাবিন মানে কি অগ্নিপূজক মাজুস যারা ভিন্ন ধর্মের বিভিন্ন ধরনের এখানে কয়েকটা আল্লাহ উল্লেখ করেছেন ইহুদি নাসারা অগ্নিপূজক এদের কথা বলেছেন। কিন্তু সমাজে তো আরো অনেক মানুষ আছে সূর্যের পূজা করে আপনার মূর্তির পূজা করে চাঁদের পূজা করে পাথরের পূজা করে কচছপের পূজা করে।
আল্লাহ ওদিন কয়দিন দেখলাম কোন দরবারে নাকি ওই যে কুমির সরায় নিল কারে জানি খাইলেছিল। তো কুমিররে গিয়া চিন্তা দিত মানুষ। আলীর মাজারে না কোথায় জানি কি কুমির একটা কিতে দেখলাম খবরে। ওটা নিয়ে আবার নিউজ হল। ওই কমিটটাতে মানুষ গিয়ে দেখতাম যে ওটারে চিন্তা দিত। তো আল্লাহ তালা এখানে বলছেন যে তুমি ভিন্ন ধর্মে চলে গেছো তোমার পরিবেশ তোমার বাপ মা তোমার কৃষ্টি কালচার তোমারে অন্য ধর্মে অন্যদিনে অন্যের এবাদতে নিয়ে গেছে।
কিন্তু এখন যদি তুমি কি করো? মানা ঈমানদারদের সহ আল্লাহ বলেছেন মানাবিল্লাহ যারা ভিন্ন ধর্মে থাকার সত্বেও দুর্বল ঈমানদার হওয়া সত্ত্বেও এখন যারা সুন্দর করে আবার ঈমান ঠিক করে নেবে এবং আখেরাতের প্রতি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে এবং সৎকর্ম করবে মানে কি তাদের প্রতিদান কার কাছে তাদের রবের কাছে এরপরে ওই কথা কোন কথা আয়াতগুলো মিলায় নেন কোরআন থেকে ফালাফলা সাত নাম্বার ইনফা সাবিলিল্লাহ মানুষকে আল্লাহ কৃপণ দেখতে চান না কারণ আমরা যা পাই বা আমরা যা অর্জন করি এটা শুধু আমাদের ক্রেডিট না এখানে আল্লাহর অবদান থাকে আমি এখন খুতবা দিচ্ছি এটা আমার কোন ক্রেডিট না এটা আল্লাহ না চাইলে কোনভাবেই সম্ভব না তা আমাদের টাকা পয়সা যাদের আছে এটাও শুধু আমাদের ক্রেডিট না এটা যদি কেউ মনে করি আমরা কঠিন বিপদ আছে যার যা কিছু আছে আমরা এটা সপুর্ত করব কার কাছে? আমার আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন।
কারণ যারা এলিম পাইয়া যারা সম্পদ পাইয়া আল্লাহ মাফ করুন। অহংকারী হয়ে যায় তাদের বিপদটা আরো বড়। কঠিন বিপদ। কারুনকে বলা হইল যেনিয়া আল্লাহ তোমারে যা দিয়েছেন এটা দিয়ে আখেরাত তালাশ কর। একটু দাম কর যাকাত দেও। উপকার কর আবার তোমার যেটা লাগে সেটাও নেও সে বলল না কি ইন্নামা এসব জ্ঞান আমি আমার নিজের সম্পদ আমার নিজের জ্ঞান দিয়ে আমি অর্জন করছি মানে নিজে ক্রেডিট নিল আল্লাহতালার এটা পছন্দ হয়নি তার সম্পদ কি পরিমাণ ছিল আল্লাহ একটা ধারণা দিছেন যে তার [গলা পরিষ্কার করা] সম্পদের গোডাউনের চাবি একজন নিতে পারতো না দুইজন নিতে পারতো না চাবি বহন করতে আমার মত দুর্বল মানুষ দেয়াও হতো না আমি কয় কেজি নিতে পারব শক্তিশালী একটা বিশাল বাহিনী লাগত তার সম্পদের গোডাউনের শুধু চাবিগুলা বহন করার জন্য এত সম্পদের মালিককে আল্লাহ তার সম্পদ সে তার ঘর বাড়ি শ্রদ্ধা জমিনে বসিয়ে দিয়েছে খালি ওই কথাটা আল্লাহর পছন্দ হয়নি আমার জ্ঞান দিয়ে আমি অর্জন করেছি।
এজন্য এটা প্রকাশ পায় আমি যখন আলেম হব আমি বিনয়ী হব মানুষকে দাওয়া দিব। নিজের আমলকে সংশোধন করব। অহংকার করবো না। অন্য আলেমকে কটাক্ষ করবো না। তাইলে আমি অহংকার মুক্ত। আমি যখন সম্পদশালী হব নিজের কাজে খরচ করব। আমার আত্মীয়স্বজনকে দেব। ডান সাদাকাও করব। এবং আমি অন্য সম্পদশালীর উপর গর্ভ বড়ই করতে যাব না। অমুকের বাড়ি এত তালা। আমার নিচে থাকলে কি আর আমার চলে না আমার এর উপরে এর উপরে যেতে হবে তাইলে সে না একটা কম্পিটিশন হয় না এই কথাটা আল্লাহ বলেছেন যে যারা কি করে আল্লাহর রাহে দানের অভ্যাস রাখে তাদের ভয় নাই চিন্তা নাই এটা সূরা বাকারায় ২৬২ নম্বর আয়াতে আছে আল্লাহ আল্লা যারা কি করে খরচ করে তাদের মাল কোথায় সাবিলিল্লাহ আল্লাহর পথে তবে আরেকটা কথা আছে দান করলেই হবে না দান করে মানুষকে কষ্ট দেয় না খোটা দেয় না অনেকে আমরা আছি এ ভুলটা যেন না করি কাউকে কিছু দিয়া আমি না তোমারে দিলাম
এটা করলাম ওটা করলাম তো করছি এটা নিয়ে আর খোটা দেওয়ার দরকার নাই তারপরে আল্লাহ বলছেন ওই কথা আলাইহিম ওয়ালাহু তাদের প্রতিদান আল্লাহর কাছে থাকবে এবং তাদের কোন চিন্তাও থাকবে না পয়েন্ট চলে গেছে সাতটা কয়টা সাতটা একটু রিভিশন দেই এক নাম্বার আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা হেদায়েতের অনুসরণ সূরা বাকারা ৩৮ দুই নাম্বার আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ সূরা বাকারার ১১২ তিন নাম্বার ঈমান এবং নিজেকে সংশোধন সূরা আনআম ৪৮ চার নাম্বার আল্লাহভীতি তাকওয়া অর্জন সূরা আরাফ ৩৫ পাঁচ নাম্বার ইস্তেকামত দ্বীনের উপরে অটল থাকা সূরা আহকাফ ১৩ ছয় নম্বর যে যে ধর্মে থাক যদি ইসলাম কবুল করে নেয় ইসলাম গ্রহণ করে দ্বীনের পথে ফিরে আসে এটা হচ্ছে সূরা বাকারা ৬২ সাত নাম্বার লাস্টে কোনটা বললাম আপনি কন তো লাস্ট পয়েন্ট কোনটা কাদের চিন্তা যারা আল্লাহর পথে দান করে যারা আল্লাহর পথে দান করে তাদের কি নাই ভয় নাই চিন্তা নাই এবার আট নাম্বার আট নাম্বার হচ্ছে সবিল্লাহ যারা আল্লাহর পথে
কাজ করে এমনকি আল্লাহর পথে জীবনটাও দিয়ে দেয় যদি তার কাছে প্রেক্ষাপট তৈরি হয় মনে করেন জিহাদের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়ে গেল সে যুদ্ধ করে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার নিয়তে বীর হিসেবে দেখানোর জন্য নয় আল্লাহ কালিমাতিল্লাহ এটা যাবতীয় শর্ত সরাই সহকারে যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি হলো শত্রুপক্ষ আছে মুসলিম পক্ষ আছে তখন এই নিয়তে কোন নিয়তে কালিমাতলা আল্লাহর কালিমাকে উঁচু করার জন্য সে যুদ্ধে যাবা পড়ল তার জীবনটা পর্যন্ত দিয়ে দিল শহীদ হয়ে গেল আল্লাহ তাকে বলবেন আলাহ তোমার কোন ভয় নাই চিন্তা নাই সূরা আলে ইমরান আয়াত ১৬৯০ আল্লাহ বলছেন মানে কি যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয়ে যায় আল্লাহর পথে যারা মারা যায় তাদেরকে তোমরা কি বল না কেন বল না তারা কি মরে নাই তাইলে কথার মানে কি তারা তো মরছে মানে তাদের মরাটা সাধারণ মরা নয় তাদের মরাটা সাধারণ মরা নয় আল্লাহই বলছেন তারা জীবিত আছে তারা তাদের রবের পক্ষ থেকে রিজিক পায়।
তারপরে কি? আল্লাহ তাদেরকে যত অনুগ্রহ দিয়েছেন সব পাইয়া তারা এত খুশি এত খুশি কি করেযে যারা এখনো শহীদ হয়া তাদের সাথে মিলে নাই। ওদের ব্যাপারে আফসোস করে আহারে আমি আল্লাহর পথে জীবন দিয়া যে পুরস্কার পাইছি আমার যারা পিছনে রয়ে গেছে তাদেরকে যদি আমি এই সংবাদটা পৌঁছাইতে পারতাম কি আল্লাহ আলাইহিয শহীদ হওয়ার পরে তাদের আর কোন ভয়ও নাই কোন চিন্তা নয় নম্বর এখানে আল্লাহ চারটা কথার কথা চারটা জিনিসের কথা বলবেন সূরা বাকারা ২৭৭ কি এটা ইন্নাল্লাজিনা আমানু যারা দুই নাম্বার ওলু সহাত মানে কি সৎকর্ম করে নেক আমল করে তিন নাম্বার সালা মানে কি সালাত কায়েম করে আমরা তো সালাতে গাফতি এখানে অনেকে আসছি ফজরটা মিস হয়ে গেছে ভাই আল্লাহর ওয়াস্তে এটাকে কাটিয়ে উঠেন এটার খেসারত কেউ নিবে না এটার খেসারত কেউ নিবে না আপনি এক নাম্বার একটা কথা বলি কিভাবে নিবেন জানিনা আমি দুইটা জিনিস সম্পর্কে বলছি।
আল্লাহর আসমান আমরা দেখি আকাশ কিন্তু উপরে কি আছে জানিনা। আল্লাহর পৃথিবী আমরা দেখি যেখানে অবস্থান করি সেখানে। কিন্তু পৃথিবীর নিচে অতল গবরে কি আছে সেটাও আমরা জানি না। এটা আল্লাহ জানেন। কিন্তু আল্লাহর আসমানের নিচে আর জমিনের উপরে আমরা যত জিনিস দেখতে পাই। কত জিনিসের মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হচ্ছে কোরআন মাজিদ। আল্লাহর কালাম এটার মত আর কিচ্ছু নাই। এটা যে পড়বে সে ভাগ্যবান উঠে গেছে। আর এটার থেকে যে যত দূরে সে সবকিছু থেকে নিয়ামত বরকত আল্লাহর রহমত থেকে তত দূরে। আর এই দুনিয়ার বুকে আল্লাহ মানুষকে যত বিধান দিয়েছেন সমস্ত বিধানের মত একটা বিধানও নাই। সেটা হচ্ছে আল্লাহ তালা সালাতের বিধান দিয়েছেন।
এটা কাউরে ছাড়ে না ভাই। কোন কমপ্রমাইজ করে না। কোন অবস্থানে ছাড়ে না। এটা কোন ওজুর দেখে না। ওজর হলে আবার কাজা করতে হয়। সেন্সলেস হয়ে গেলে আল্লাহ মাফ করবেন। এছাড়া এটার কোন মাফ নাই। কিন্তু আমরা এটা নিয়ে গাফলতি করি। তো এই জায়গায় থাকা যাবে না। ভয় থেকে মুক্ত হতে হলে সালাত আমল করতে হবে। চার নাম্বার যাকাত এবং যাকাত দেয়। তহলে এখানে চারটা কথা। কয়টা কথা? ইন্নাল্লাজিনা আমানু অর্থ করেন যারা কি করে? ঈমান আনে। মানে সৎকর্ম করে। সালাত মানে সালাত কায়েম করে। চার নাম্বার যাকাত মানে যাকাত প্রদান করে।
এরপরে আল্লাহ কি বলছেন? লাহুম আজহ তাদের এই কথাটা প্রায় আয়াতের সাথে এটাও আছে যে তাদের প্রতিদান কার কাছে আচ্ছা আমি এখানে একটা জিনিস বলছি দেখেন তো কেমন লাগে আমরা যে নেক আমলগুলি করি এখানে কয়েকবার আপনারা শুনেছেন এই রেফারেন্স গুলো আপনারা পুট করবেন পরে প্রায় এখানে বলা হচ্ছে যেলাহু এই ভালো কাজগুলির প্রতিদান তাদের রবের কাছে আছে এটা আমাকে খুব ভাবাইছে কেমনে আপনি একটা জমি কিনছেন রেজিস্ট্রিও করছেন কিন্তু ভূমিদস্যুরা এটা বেদখল করে নিছে আপনি এটা পান নাই এমন ঘটনার নজির আছেনি আপনি ফ্ল্যাট কিনছেন রেজিস্টারি হইছে আপনি কাজও করাইছেন টাকাও দিছেন কিন্তু ওই মানে দুষ্ট লোকেরা দালালরা এটা আপনারে ঢুকতে দেয় নাই আপনি একটা বাড়ি বানাইছেন কোন কারণে সেটাও ভোগ করতে পারেন নাই আপনি কোন জায়গায় ব্যাংকে টাকা রাখছেন ব্যাংক নিরাপদ মনে করত মানুষ কিন্তু ব্যাংকে টাকা রাখছে সময় মত গিয়ে টাকা তুলতে পারে নাই এমন নজিদ আছে নি আমাদের দেশে আছে আমি দেখছি এক আমার মেয়ে বিয়ে
দিমু আমি ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারি না আরেক অসুস্থ হার্টের রোগী চিকিৎসা করামু তার জমানো টাকা ব্যাংকে গিয়া পাচ্ছে না এমন ঘটনা আছে নি আমি চিন্তা করলাম যে আমাদের হাতে যত জিনিস আমরা যা কিছু অর্জন করি সবকিছুর নিরাপত্তা আমরা দিতে পারি যার কারণে আমাদের অর্জিত অনেক জিনিস আমাদের হাত ছাড়া হয়ে যায়। একটা জিনিস ভাই একটা জিনিস। একটা হচ্ছে জ্ঞান আপনার মাথার ভিতরে থাকে। কেউ চুরি করবে তো করা দূরের কথা দেখেও না। বিশ্বাস করেন আমি ছোট থাকতে এই জিনিসটা বুঝে আমি লেখাপড়ার প্রতি যুগ ছিলাম।
আমার লেখাপড়ার জগতে আসার আমি ক্ষেত করতাম সাত আট বিঘা জমি ক্ষেত করতাম আট ১০টা গরু চড়াইতাম ছয় সাতটা গাভর দুধ বানাইতাম ইচ্ছামত খাইতাম এরপরে বিক্রিও করে দিতাম ওগুলা কি করব এইভাবে আমার ছোটকালের জীবনটা ছিল তো মাথায় ঢুকলো যে এমন কিছু অর্জন করা দরকার যেটা কেউ চুরি করতে পারবে না তখন এই লেখাপড়া এলেম অর্জন এগুলার দিকে ঝুকলাম এখন স্টাডি করে তার উপরে আরেকটা জিনিস পেয়ে গেলাম যে এমন একটা জিনিস আছে যেটা করার সাথে সাথে এমন এক জায়গায় এটা সেম হয়ে যাবে কেউ দেখবে না কেউ জানবে না আর অনেক সুন্দর করে এটা সাজাইয়া সংরক্ষিত রাইখা বিশাল পূর্ণতা দিয়া আবার ফেরত দেওয়া হবে এটার নাম হচ্ছে নেক আমল নেক আমল একটা খেজুর কেউ দান করছে আল্লাহর নবী বলছেন এই খেজুরটাকে আল্লাহ লালন পালন করে বিশাল আকৃতি দান করে আবার ফেরত দিয়ে দেন হাশরের মানে তো ইন্তা রব্বিহিম মানে এই মানুষের প্রতিদান আল্লাহর কাছে শেষে ওই কথা কোন কথা
তাদের কোন ভয়ও নাই কোন চিন্তাও নাই পয়েন্ট কয়টা গেছে কন তো আয়াত কয়টা গেছে নয়টা গেছে খেয়াল আছে তাইলে না একজন বলতে পারবেন নয়টা মেধা যাচাই আমি একটু বলে দেই খেয়াল করবেন বিদ্যুৎ গেছে একটু গরম বাড়বে ওটা সমস্যা নাই আবার হয়তো চলে আসবে নালে আমরা সময় শেষ হতে হতে শেষ করে দিব ইনশল্লাহ আবার দেখেন তো আল্লাহ অনেকগুলি কথা বলে প্রত্যেকটা আয়াতের শেষে একটা কথা বলেছেন সেই কথাটা কি আয়াতটা বলেন আগে ভাই আপনি তো কন নাই কন সবাই কন আমি একটু খুশি হব তার মানে হচ্ছে তাদের কোন ভয় নাই তাদের কোন চিন্তাও নাই। লোকগুলি কারা? আমি একটু রিভিশন দিয়ে শেষের পয়েন্টে যাব।
নয়টা বলছি তো আর একটা বাকি আছে। এক নাম্বার হচ্ছে যারা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা হেদায়েতের অনুসরণ করে। ঠিক আছে নি? সূরা বাকারার ৩৮। দুই নাম্বার হচ্ছে যারা আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করে দেয়। বাকারা ১১২। তিন নাম্বার হচ্ছে যারা ঈমান আনে এবং নিজেকে সংশোধন করে নেয়। সূরা আনাম ৪৮। চার নাম্বার হচ্ছে যারা তাকওয়া অর্জন করে আল্লাহভীতি অর্জন করে সূরা আরাফ ৩৫ পাঁচ নাম্বার মনে আছে দেখি কন তো ও মাশাল্লাহ অনেকের দেখি মনে রাখছেন তো ইসতেকামত যারা দ্বীনের উপরে অটল থাকে এটা সূরা আহকাফের ১৩ ছয় নম্বর যে যে ধর্মেই থাক যারা ইসলামের মধ্যে চলে আসবে এবং ইসলামে থাইকা ভুল করছে মানুষ কিন্তু ইসলামে থাইকাও অমুসলিম হয়ে যেতে পারে জানেননি এটা এটারে বলা হয় রিদ্দা এটার নাম কিচাই আরবিতে বলা হয় আরেকটা শব্দ মুরতাদ মুরতাদুন মানে ধর্মত্যাগী ধর্মে ঢুকছে কিন্তু ধর্ম থেকে বাইর হয়ে গেছে এটা তার জানাও থাকতে পারে না অওজানা থাকতে পারে কেউ ঘোষণা দিয়া বা
গেল যে আমি আর ইসলামে নাই এটা জানা কিন্তু অনেকে অজান্তে মুরতাদ হয়ে যায় ইসলাম ভঙ্গের কারণ আছে ওটা ওইটা কইরা সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যায় এই ব্যক্তিও এর অন্তর্ভুক্ত যারা ইসলামের বাইরে থেকে আবার ইসলামে চলে আসবে সাত নাম্বার আল্লাহর পথে দান সূরা বাকারার ২৬২ আট নাম্বার কি বলছিলাম মনে আছে সব লেখা লাইছেন না মুখস্ত করছেন পারেন দেখা যায় শাহাদাত পূরণ করা সূরা আল ইমরানের কত বলতে পারবেন ১৬৯ ৭০ আর নয় নম্বর কি বলছিলাম এখানে চারটা জিনিস ঈমান আনা সৎকর্ম করা সালাত আদায় করা যাকাত দেওয়া এই সবগুলাকে নিয়ে আল্লাহ এই কথাটা বলেছেন তাদের প্রতিদান কার কাছে আল্লাহর কাছে আর তাদের জন্য কোন কি নাই ভয়ও নাই কোন চিন্তাও নাই এবার শেষ পয়েন্ট নিয়ে কথা ১০ নম্বর এটা হচ্ছে ওয়ালাতুল্লাহ বা ওলিউল্লাহ যারা আল্লাহর বন্ধু হয়ে যায় কথাটা শুনতে মজা লাগে না যারা কার বন্ধু হয়ে যায় আল্লাহর বন্ধু হয়ে যায় অথবা যারা আল্লাহর কি হয়ে যায় বন্ধু হয়ে যায় আল্লাহর বন্ধু বলতে অনেকে আমরা মনে করতে পারি যে এটা আবার কেমন কথা ফ্রেন্ডশিপ এটা এটা তো মানুষের সাথে হয়।
বন্ধুত্ব তো মানুষ মানুষের সাথে করে। হ্যা। তো এটা আল্লাহর সাথে কেমনে হয়? এই জিনিসটা হলো বন্ধুত্ব বলতে কি বোঝায়? সম্পর্ক। অন্তরের সম্পর্ক। অন্তরের ভালোবাসা, একে অপরের সহযোগী হওয়া, একে অপরের দুঃখে দুঃখী হওয়া, সুখে সুখী হওয়া, একসাথে চলা ইত্যাদি বলতে আমরা বুঝি বন্ধুত্ব। তো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুমিনদেরকে সৃষ্টি করে তিন রকম বন্ধুত্ব। তৈরি করে দিয়েছেন। কয়রকম বন্ধুত্ব? তিন রকম বন্ধুত্ব। ইন্নামাওল্লাহু ওসহ মুমিন। মুমিনের এই তিনটা বন্ধুত্ব আছে। এই তিনটা বন্ধুত্ব তার টিকবে এবং স্থায়ী হবে। এর বাইরে সব বন্ধুত্ব কাটা যাবে। এক নাম্বার বন্ধুত্ব হচ্ছে আল্লাহর সাথে। এটা আল্লাহ বলেছেন ইন্নামাল্লাহ।
তোমার বন্ধু অমুক তমুক তমুক তমুক না তোমার এক নাম্বার বন্ধু কে আল্লাহ দুই নাম্বার বন্ধু ও রাসুলুহু কে আল্লাহর রাসূল আর তিন নাম্বার বন্ধু সহ মুমিনিন এই আয়াত পড়া আমি অবাক হয়ে গেছি তিন নাম্বার বন্ধু আল্লাহ বলতে পারতেন তোমার মা তিন নাম্বার বন্ধু বলতে পারতেন তোমার বাবা তোমার চাচা ওযে তোমার ছোট ভাই ওযে তোমার কাকু যে তোমার সব খরচ দিয়ে লালন পালন করে তোমার বাবা মারা গেছেন এইজন্য এখানে আল্লাহ বলছেন সৎ মুমিন তার মানে হচ্ছে আত্মীয়স্বজন তখন বন্ধু যখন সে সৎ হয় ঈমানদার হয় আর আত্মীয়স্বজন তখন বন্ধুর থেকে কাটা পড়ে যায় যখন তার ঈমান আমল থেকে সে দূরে সরে যায় তার আরো নজির কোরআনে অনেক আছে শুধু একটা নূহ আলাই সালাম নৌকায় উঠবেন ছেলেরে বললেন যে ইরকামনা আমাদের সাথে নৌকায় উঠে পড় সে বলব বলল কি যে আমি পাহাড়ে উঠে কি বেঁচে যাব পাহাড়ে উঠে বেঁচে যাব যখন পাহাড় সহর সব তলায়া গেল সে ডুবে
মারা যাবে তখন ন সালাম বললেন ইন্নামিন আহ হে আমার রব আমার সন্তানটা মারা যাবে সে আমার পরিবার আল্লাহ কি কথাটা বলছেন আল্লাহু আকবার আহ ন তুমি ভুল বুঝছো তোমার বুঝা ঠিক হয়নি ইন্নাহু [গলা পরিষ্কার করা] নিশ্চয় সে লাইসা লাইসা মানে কিনয় তোমার পরিবারের নয় কেন তোমার দন মানে নাই সে বেজাল আমল করছে বাজে আমলে জড়া গেছে এরপরে আবার ন সলাম তওবা করেছেন আল্লাহর কাছে যে আল্লাহ যেটা আমি জানিনা আর তোমার কাছে এই ধরনের কিছু চাইব না তো এইজন্য মুমিনের এক নাম্বার বন্ধুকে মুখস্ত করেন। এক নাম্বার বন্ধু কে? আল্লাহ। দুই নাম্বার বন্ধু কে? রাসূল। তিন নাম্বার বন্ধু কে? সব মুমিনরা।
আপনার ভাইয়ের সাথে বন্ধুত্ব থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে। কিন্তু সব মুত্তাকী মুমিনের সাথে যে বন্ধুত্ব থাকবে এটা কাটা পড়বে না। এটা জান্নাত পর্যন্ত থাকবে। আল্লাহ তালা এটা কোরআনে বলে দিয়েছেন সাফ সূরা। আলা সমস্ত বন্ধুত্ব কাটা যাবে একমাত্র মুত্তাকীদের বন্ধুত্ব আল্লাহওয়ালাদের বন্ধুত্বটা দুনিয়ায়ও থাকবে আখেরাতেও থাকবে এবার আমরা পয়েন্টের ওই কথা নিয়ে কথা বলি ১০ নাম্বার [গলা পরিষ্কার করা] পয়েন্ট ভয় এবং চিন্তা কাদের নাই যারা আল্লাহকে বন্ধু বানাইতে পারে কথাটা আছে সূরা ইউনুসের ৬২ থেকে ৬৪ এই কয়েকটা আয়াতে সূরা ইউনুসের ৬২ কি আলা মানে কি? সাবধান। আলা ইন্না আউলিয়া আল্লাহি লাইহ যারা আল্লাহর ওলি হয় আল্লাহর বন্ধু হয় তাদের কোন কি নাই? ভয় নাই কোন চিন্তা নাই।
একটা দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে যে এই আয়াতটা বলে মানুষ এই পর্যন্ত থেমে যায় এবং যারে তারে অলি বানায় দেয়। যারে তারে কি বানায় দেয়? আল্লাহর ওলি বানায় দেয় যে অমুক আল্লাহর ওলি তখন আরেকটা সিলসিলা তৈরি করছে যে তার কাছে মুরিদ দাও হাদিয়া তুহফা দাও হাদিয়া তুহফা দাও ওই পরকালে গেলে একটু সুপারিশ সুপারিশ করে জান্নাতে দিয়ে দিব অথচ এ আসলে আল্লাহর অলি কিনা এটা যাচাই করার আয়াত আর সে জানে না কিন্তু পরের আয়াতে আল্লাহ এটা পরিষ্কার করেছেন যে আল্লাহর অলি কে বন্ধুটা কে আল্লাহ প্রথমে বললেন এটা হল ৬২ আয়াতে যে আলা ইন্নালিল্লাহ যারা আল্লাহর অলি হয় আল্লাহর বন্ধু হয় তাদের ভয়ও নাই চিন্তাও নাই ৬তে গিয়ে কি বললেন আল্লা আল্লাহর লিতো যে ঈমানদার এবং যার ভিতরে তাকওয়া আছে আল্লাহর যাবতীয় বিধিবিধান মেনে চলে আমি অনেকটা দেখছি এরকম দাড়ি চাচা একবারে কি দিন মানে সিগারেট খায় মানুষের কাছে গিয়ে না দেয় আমি ওই লক্মী লক্ষী বাজারের ওদিকে এক
মসজিদে কয়েক একজন ইমামের পরিবর্তে সাপ্তাদিন মনে হয় একটু ইমামতি করছিলাম আমি ওদিকে থাকতাম উনি ওদিকে যাতেন তো মসজিদের ভিতরে একটা মাজার আছে ওই কয়েকটা তারা আবার বিভিন্ন আমলটামলও আছে তো মলেতে যিনি ছিলেন উনি মারা গেছে তারপরে যারা আসতেছে এরা কেউ আছে মনে করেন যে ওই পীরের সন্তানও পীর হয়ে যায় কথা বুঝেন না ও আপনার ভালো করুক আর না করুক দেখা যায় যে আকাম কুকামে লিপ্ত কিন্তু মানুষ ওরেই নজরানা দিতেছে ওরেই মানতাছে কেউ পারে না সেজদাও দিয়া দিতেছে মাঝে মাঝে এই আয়াতগুলো মানুষ না বুঝার কারণে এখন যারা যাচ্ছে এটাতো দোষ তার না দোষটা তার যে তার কাছে যায় সে না জেনে যায় কেন আল্লাহ যে বললেন আমার বন্ধু অলির কোন ভয় নাই চিন্তা নাই এর পরের আয়াতে যে আল্লাহ বলে দিলেন আমার বন্ধুটা কে? যার ঈমান ঠিক আছে, যার তাকওয়া ঠিক আছে, যে আল্লাহর হুকুম মানে, আল্লাহর হুকুমের বাইরে যায় না, ওই কানার জল ওই আমার বন্ধু তোরা যা তার কাছে যাইস না।
এই আয়াত তো সে বুঝে নাই। এই আয়াত সে বুঝে নাই। তো এখন পয়েন্ট তো ১০ টা শেষ হলো। সময়ও তো শেষ হল। এজন্য আমি একটা মাপ নিছি যে কোন আয়াতে কতটুকু বললে আমার সময় মতো ১০ টা শেষ হবে। এখন একটা কথা সেটা হলো যে আমরা কি ওই দলে যেতে চাই যাদের ভয়ও নাই চিন্তাও নাই যেতে চাইনি চাই তাহলে এই জিনিসগুলো আমাদের মধ্যে থাকতে হবে আমরা অনুসরণ করব কিসের আল্লাহর হেদায়েতের আর আমাদের ঈমান থাকবে এবং সবসময় কি থাকবে সংশোধনী থাকবে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করব নিজেকে এবং ইস্তেকামতের মধ্যে থাকবো তাকওয়ার উপরে থাকবো ইসলামের উপরে থাকবো আর আল্লাহর পথে দান করব আল্লাহর পথে সুযোগ আসলে শাহাদাত বরণ করব আর ওই চারটা কাজ ঈমান, আমল, সালাত, যাকাত।
বলেন, ঈমান, আমল, সালাত, যাকাত আর আল্লাহর বন্ধু হয়ে চলবো। আল্লাহর কি হয়ে যাবো? আল্লাহর বন্ধু হয়ে যাব। ছোট্ট কথা সবশেষে যাইয়া কারণ আল্লাহর বন্ধু আমি কিভাবে হব? এটা একটা হাদিসে আল্লাহর নবী বলেছেন। হাদিসে কুদসি যে আল্লাহর বান্দা যখন ফরজ এবাদত করতে থাকে এটাই তাকে সবচেয়ে বেশি আমার কাছাকাছি নিয়ে যায়। এরপরে যখন বিন নাওয়াফিল নফল এবাদত করতে থাকে নফল এবাদত করতে করতে সে আমার বন্ধু হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ। এইজন্য ফরজ এবাদতের পাশাপাশি নফল এবাদতে গুরুত্ব দেওয়া। এখন কিন্তু রাত লম্বা হচ্ছে। ঠিক নি? আমি শীতে এই ওয়াজটা করি না। এখন থেকে শুরু করলাম। আজকে এই মসজিদ থেকে শুরু করলাম।
এরপরে প্রত্যেক খুতবায় আমার এখানে একটু টাচ থাকবে। হোক যেটা কয়েক সেকেন্ড। সেটা হলো আমি একটা কথা বলি। হয় বিশ্বাস হতেও পারে না হতে পারে মানেন বা না মানেন সেটা আপনার ব্যাপার। এই পৃথিবীতে যত মানুষ সম্মানিত হয়েছে আল্লাহর সান্নিধ্য আখেরাতের ক্ষেত্রে আগায়া গেছে আল্লাহর প্রিয় হয়েছে সব মানুষের যে কোন কাজের একটা মূল থিওরি থাকে। ওই থিওরি দিয়ে মানুষ আগায়া যায়। আর আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের অনেক কাজ আছে। কিন্তু একটা থিওরিতে সবাই এক।
সেটা হচ্ছে শেষ রাতে উঠে দুই চারটা সেজদা দেওয়া এবং ওই সময়তে আল্লাহকে কিছু বলা ওই সময় যে দোয়া করবেন আল্লাহ আজ না হয় কাল দিবেন তাহাজ্জুদের অভ্যাস করতে হবে আমরা ৩৫০ এ লাস্ট বর্ডার ছিল যখন রাত ছোট ছিল ৩টা ৫০ এ ফজর শুরু হতো দেখি একটু টেস্ট করি তো এইযে চশমালা ভাই বলেন তো আজকের দিনে বর্তমানে এই সময়ে ফজর শুরু কয়টায় আপনি কন তো পারবেন না ভাই আপনি কইতে পারবেন ফজর শুরু কয়টায় হয় মানে যারা তাহাজ্জুদ পড়ে না তারা এটা বলতে পারবে না আর যারা তাহাজ্জুদ পড়ে সবাই বলতে পারবে ফজর কয়টায় শুরু হয় এটা হচ্ছে টেস্ট আমি আমার ছাত্রদেরকে বলি সবসময় যারা তাহাজ্জুদ পড়ে না তারা বলতে পারবে না ফজর কয়টা শুরু হয় এমনে কোন কারণে যে নিল সেটা ভিন্ন কথা কিন্তু তাহাজ্জুদ পড়ে প্রতিদিন সেটা তাকে মাথায় রাখতে হয়।
ফজর কয়টায় শুরু? কারণ ফজর স্টার্ট তাহাজ্জুদের সময় শেষ। এর মধ্যে তার বিতির তিথি সব শেষ করে নিতে হবে। তো এজন্য আজকের এখানে বেশি বললাম না। শুধু আয়াতটা আল্লাহ তার নবীকে বলছেন তুমি রাত্রে তাহাজ্জুদ পড়। তোমার জন্য নফল এবাদত। লাভ কি? এর মাধ্যমে তোমার আল্লাহ তোমাকে মাকামে মাহমুদ সর্বোচ্চ প্রশংসিত স্থানে পৌঁছায়া দিবেন। সুবহানাল্লাহ।