এইসব সোনারুপা আর সোনারুপার দালানকুটাকে আল্লাহ আসল নিয়ামত হিসেবে বিবেচনা করেন নাই। আল্লাহর কাছে আসল নিয়ামত হচ্ছে সেগুলা যেগুলা ভোগ করলে দুনিয়াতে মানুষ পরকালে নাজাত পায় জান্নাতের নিয়ামত পায়। এজন্য তিনি বলেছেন ইসলামকে দ্বীন হিসেবে দিয়ে আমি খুশি হয়েছি। আর তার আগে বলেছেন আলমালাকদিনা আলাইকুম নিয়ামত পূর্ণ করে দিয়েছি ইসলামটা নিয়ামত। আমরা এই নিয়ামতগুলো পাইছি দুনিয়ার নিয়ামতের পাশাপাশি এজন্য আমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো সবসময় এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করব আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমিন।
এমনিও জুমার দিনে বিশেষভাবে সবসময় স্বাভাবিকভাবে নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করার ব্যাপারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। আর এটা এমন একটা এবাদত যেটা আল্লাহ নিজে করেন। ফেরেশতারাও করেন। আর মুমিনদেরকে বলা হয়েছে ইয়া আইুহাল্লাজনা আলাইহি ওয়াসাল্লিম তাসমা। আর সেই দিনটা যদি হয় জুমার দিন তখন আবার আরেক হাদিস নবী সলাম বলেছেন জুমা যখন জুমার দিন আসে আমার উপরে বেশি বেশি সালাত আদায় কর সালাত প্রেরণ করতো তোমাদের যে সালাতগুলো হয় সেগুলো আমার কাছে পৌঁছাইয়া দেওয়া হয় আমি সেগুলো পাইয়া যাইতো।
সালাত আমরা পড়ি যায় নবীর কাছে আর এর বিনিময়ে আমরা পাই নেকি সওয়াব আল্লাহর কাছে প্রশ্ন আসছিল যে আমাদের দরুদ আপনার কাছে পৌঁছানো হয় আপনি কি সেটা বুঝতে পারেন বলে হ্যাঁ পারি বলে মানুষ মরে গেলে তো কবরে পচে গলে যায় তাহলে আপনি এটা কেমনে বুঝবেন কেমনে এটা অনুভব করতে পারবেন তখন আল্লাহর নবী বললেন যে সব মানুষ সমান না যারা নবী হয় কবরের মাটি তাদের দেহকে খাইতে পারে না সুবহানাল্লাহ। একটা হাদিসে পাওয়া যায় আবিয়া নবী রাস তাদের কবরে জীবিত অবস্থায় আছেন এবং তারা সালাতরত আছেন। সুবহানাল্লাহ। এটা পরজগতের একটা ব্যাপার। কিভাবে তার বাস্তবতা এটা আল্লাহ জানেন। তবে বিষয়টা এরকম পাওয়া যায়। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
এবার আসি খুতবার বিষয়ে। খুতবা অবশ্যই আপনারা আমরা সবাই জানি যে এখন রমাজানের মাস চলছে। তাই রমাজান নিয়েই খুতবা হবে বা হচ্ছে এটাই স্বাভাবিক। আর কিছু বিষয় আছে যেটা কমন। আমরা মোটামুটি অনেক কিছু জানি। আবার অনেকেই খতিবরা এটা বলেও থাকেন। রমাজান মাস আসছে এটা কোরআন নাযিলের মাস। এটা আমরা সবাই জানি। এটা এবাদতের মাস। এটাও আমরা সবাই জানি। এই মাসে সিয়াম রাখতে হয় সেটাও আমরা সবাই জানি। বিশেষভাবে রামাজানের শেষ দশকটা একটু গুরুত্বপূর্ণ বেশি। ১১ মাসের মধ্যে রমাজান যেমন বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর রামাজানের মধ্যে শেষ দশকটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর শেষ দশকের মধ্যে বেজুর রাতগুলো আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সারা বৎসর অতিক্রম করে ঠিক আমাদের একেবারে দরজায় পড়া নাড়তেছে সেই সুযোগটা আল্লাহর কাছে দোয়া যেন এই রমাদানের শেষ দশকের সুযোগটা আমাদেরকে কাজে লাগানোর তৌফিক দান করেন বলি আমিন। এই বিষয় নিয়ে আমরা কিছু আলোচনা করব আর তার আগে আমি চলে যাব আমার ধারাবাহিক আলোচনায় আপনারা যারা নিয়মিত শোনেন আসেন আমি খুতবাগুলো একটা ধারাবাহিকভাবে দেওয়ার চেষ্টা করি। আগের খুতবার সাথে পরের খুতবার প্রসঙ্গ টানি এবং শেষে একটা সামারি বলে দেই যাতে মাথায় কিছু থাকে বা আমরা কিছু নিয়ে যেতে পারি।
দেখেন তো মনে আছে কিনা। গত মাসে যে জুমার খুতবাটা দিয়েছিলাম সেখানেও কিন্তু বিগত দুই জুমায় আমি এই রমাজানকে কেন্দ্র করেই খুতবা দিয়েছিলাম। তার আগের মাসে দিছিলাম রমাজানের প্রস্তুতি কেমন হবে। মনে আছে? আর গত মাসে দিয়েছিলাম রামাজানের উদ্দেশ্যটা কি? আল্লাক তাত্তাকুন মুত্তাকী হওয়া। তারপরে বলেছিলাম যে মুত্তাকী হইলে কি লাভ? আর না হইলে কি লাভ? তখন তাকওয়ার কয়টা পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। কয়টা? একজনের মনে আছে আর নাই কেন? আমি না পড়ে পড়ে শুনাইলাম। ২০ টা উপকারিতা শুধু আয়াত দিয়ে দিয়ে বলেছিলাম। যে তাকওয়া অর্জন করলে এই উপকারটা হয়।
তো এখন এই প্রসঙ্গের একটা শেষ অংশ আছে সেটা আমরা বলব আলোচনা করব এবং জানব আর একটু শেষের দিকে যাইয়া শেষ দশকের ব্যাপারে যদিও আমাদের অনেক কিছু জানা আছে তারপর আবার রিভিশন দেব যাতে ওই সময়টা আমরা ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারি আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান করুন আমিন। আমি দুইটা হাদিস শোনাবো আগে আর এই দুইটা হাদিসই হচ্ছে ওই বিষয়ের সাথে রিলেটেড যে রামাজান মাস আল্লাহ আমাদেরকে কেন দান করছে রামাজান আমাদেরকে কি দিয়ে যায় আর কাদের সিয়ামটা আল্লাহর কাছে কবুল হয়? আপনারা আরবি ভাষা জানলে আমি একটু আগে সার্চ করছিলাম মানলাম। মানুষ সিয়ামের ক্ষেত্রে দুই প্রকার। একদল হচ্ছে তাদের সিয়াম আল্লাহর কাছে কবুল হচ্ছে। আরেকদল হচ্ছে তাদের সিয়াম আল্লাহর কাছে কবুল হচ্ছে না। যদিও তারা সিয়াম রাখতেছে।
এই বিষয়টা একটা হাদিস বুখারী সহী বুখারীর ১৯০৩ রাসূল সাল্লাল্লাহুলাম যে মানুষ মিথ্যা কথা ছাড়তে পারে না মিথ্যা কাজ ছাড়তে পারে না। তাহলে তার খাদ্য এবং পানিও ছেড়ে দেওয়াতে আল্লাহর কোন দরকার নাই কোন প্রয়োজন নাই। এই হাদিসের ভাই আরেকটা হাদিস আছে। ভাই মানে কি? কাছাকাছি। ভাই বা বোন যেটাই বলি ইবনে মাজার ১৬৯০ নম্বরে আসছে এখানে আবু রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত রাস বলছেন অনুবাদ বলতে পারব এদিক থেকে এটাতো আমি মনে বলছিলাম গত সপ্তাহ তো মনে হাদিসটা আসার কথা অর্থ কি বলছিলাম অনেক সিয়াম পালনকারী আছে পেটের কুধা ছাড়া কি নাই কিছুই পায় না লাইসা কিছুই নাই তার।
এটার মানে কি অনেক কিয়ামলাইলকারী আছে তারাবি পড়বে জাগ্রত থাকবে কোরআন তেলাওয়াত করবে শুনবে কিন্তু ঘুমের জাগ্রত থাকা ছাড়া সে আর কিছুই পাবে না এই দুই হাদিস এক জায়গায় রাখলাম আর এর বিপরীতে আরেকটা হাদিস আছে আমি মনে আগে হয়তো বলেছিলাম আবারো শক্তভাবে বলছি এই জিনিসটা যে বুঝবে না আসলে এই রমাজান মাস আর এই যে রোজা রাখা সিয়াম রাখা আর এই যে এত আয়োজন কষ্ট এটার তেমন কোন সার্থকতা তার জীবনে আসবে না ফলাফল আসবে না এই এই দুইটা হাদিস দিয়ে বুঝবে না এটাই সবকিছু পুরা আয়োজনটা এটাকে কেন্দ্র কইরা মুসনাদে আহমদের ৬৬২৬ নম্বর হাদিস আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন আসিয়ামু ওয়াল কোরআন জিনিস দুইটা কয়টা দুইটা আসিয়াম ওয়াল কোরআন এই দুইটা জিনিস কোরআন এবং সিয়াম কি করবে কিয়ামতের দিন হাশরের মাঠে মানুষ যখন বিপদে পড়ে যাবে জাহান্নাম সামনে চলে আসবে রোদের তাপ মাথার উপরে চলে আসবে সূর্য ঘাম জরতে থাকবে কঠিন একটা মানে হাহুতাস বিপদের মধ্যে মানুষ পড়ে যাবে।
তখন বিভিন্ন উপায় উপকরণ আসবে মানুষকে ঈমানদারদেরকে বাঁচানোর জন্য। এই বিপদ সংকটের সময় দুইটা আমল এগিয়ে আসবে। একটা হচ্ছে সিয়াম আরেকটা হচ্ছে কোরআন। এসে আল্লাহকে বলবে ইয়া সিয়াম। সিয়াম কিভাবে বলবে আর কোরআন কিভাবে বলবে? হাদিস এভাবে বলে দেওয়া আছে বলবে আমার রব শুনেন কি ক এইযে একটা বান্দা দেখেন না এত সিয়াম রাখছে দুনিয়াতে যার কারণে দিনের বেলায় খাদ্য পানীয় থেকে আমি এই বান্দাকে বঞ্চিত রেখেছি সে সিয়াম রেখেছিল আমার সুপারিশ আছে তার ব্যাপারে কি সুপারিশ তাকে মাফ করে দিতে হবে তাকে জান্নাত দিতে হবে।
আরেকদিকে দাঁড়িয়ে যাবে কোরআন কোরন এসে বলবে হ আমার রব কি বল এইযে আপনার এক বান্দাবিললা এশার নামাজ পড়ে শুয়ে যাওয়ার কথা বিছানায় যাওয়ার কথা কিন্তু এশা পড়ে সে চলে যায়নি আর অনেকক্ষণ দাঁড়িয়েছে কিয়ামুল লাইল করেছে ইমামের সাথে তারাবি আদায় করেছে অথবা নিজে একা একাই করেছে লম্বা সূরা সূরা তেলাওয়াত করেছে অথবা একই সূরা বারবার পড়েছে এই যে জাগ্রত থাকলো কষ্ট করলো আমার সুপারিশ আসে সুপারিশ আছে তার ব্যাপারে কি করতে হবে আপনি তাকে মাফ করে দেন আপনি তাকে জান্নাত দেন সুবহানাল্লাহ। এরপরে হাদিসের শেষ বাক্যে বলা হয়েছে সিয়ামের সুপারিশও কবুল কোরআনের সুপারিশও কবুল আর এই দুই সুপারিশ কবুলের মাধ্যমে এই বান্দা জান্নাতি হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ।
এখন পার্থক্যটা কি? উপরের হাদিস বলছে ইবনে মাজার ১৬৯০ নম্বর হাদিস বলছে সিয়াম পালনকারী ক্ষুদা ছাড়া কিছুই পায় না। আর রাত্রে কোরআন তেলাওয়াতকারী জাগ্রত থাকা ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছে না। পরের হাদিস বলছে এই সিয়াম আবার আল্লাহর কাছে গিয়ে বলছে আল্লাহ তাকে মাফ করে দেন। এই কোরআনই আল্লাহর কাছে গিয়ে বলছি আল্লাহ এই বান্দাকে এই বান্দিকে আপনি মাফ করে দেন আর এই সুপারিশ কবুল করে তারা জান্নাতি হয়ে যাচ্ছে সুবহানাল্লাহ পার্থক্যটা কি এটা বুঝার ব্যাপার আছে।
একজনের সিয়াম কিছুই হচ্ছে না কিয়াম কিছুই পাচ্ছে না আর আরেকজনের এই একই জিনিস জান্নাতে নিয়ে যাচ্ছে আমরা কোন গ্রুপে যেতে চাচ্ছি যেটা যে এবাদত করার পরে আল্লাহ বলবেন এখানে তোর কিছুই নাই। এই গ্রুপে থাকবো নাকি যে এবাদতটা করার পরে ওই এবাদত সুপারিশ করে আমাদের জান্নাতের সহায়ক হবে ভূমিকা রাখবে সেই গ্রুপে আমরা যাব। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত। এটা কার সিদ্ধান্ত? এটা আল্লাহর সিদ্ধান্ত না। কথাটা বুঝেন। কথা অনেক আছে। এখানে সিয়ামের মাসলা মাসায়েল ফজিলত অনেক কথা আছে। কিন্তু আমি অনেক চিন্তাভাবনা করে দেখলাম আমাদের বাংলাদেশের কথাই যদি ধরি শতকরা ৯০ জন মানুষের সিয়াম নষ্ট হচ্ছে। সিয়াম আসলে কোন কাজ দিচ্ছে না। তার এটা যারা এই বিষয়টা আমরা অন্তরের চোখ দিয়ে দেখতে পারবো। তখন মানুষ সিয়াম আর মানুষের অবস্থা দেখলে অন্তর চক্ষু বলে দিবে যে এর সিয়াম ঠিকই লাগতেছে কিন্তু এই সিয়াম কোন কাজে লাগতেছে না।
এখন আল্লাহ এবাদত করে দিয়েছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবাদতের নিয়ম আমাদেরকে বলে দিয়েছেন। আর আমরা হলাম মাখমুর আদিষ্ট বান্দা। এবাদত করবো কিনা সিদ্ধান্ত আমাদের। আর এবাদতটা আমরা কোন মানে নিয়ে যাব? যে এবাদত করার পরে মুখে মারা হবে, ছুড়ে ফেলা হবে, ছায়ের মত বস করে দেওয়া হবে, সেই গ্রুপে যাব নাকি আমাদের এবাদতের মানকে সেই পর্যায়ে নিয়ে যাব যেটা সুপারিশ করে আমাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাবে? এটা আমাদের নিজেদের কাজ। নিজেদের সিদ্ধান্ত। এটা আমরা ঠিক করতে হবে।
এখন আপনারা সবাই বলবেন যে আমরা ওই গ্রুপে যেতে চাই না যারা আমলের স্তুপ জমাবে আর আল্লাহ বলবেন হাবা আমুবাা আমি এগুলা ধুলিকুনার মত উড়াইয়া দিলাম আমি অন্তত যেতে চাই না আপনারা কেউ ওই গ্রুপে যেতে চাননি যে দুনিয়ায় সারাজীবন আমল করব আর কিয়ামতের দিন আল্লাহ আমাদেরকে দেখাবেন যে এই দেখ তোমার আমলের বিরাট স্তুপ এবার দেখো আমি সব ছায়ের মত ধলিকনার মত উড়ায়া দিছি আমি তো চাই না আপনারাও বলবেন যে না আমরাও চাই না আমিও এটা চাই যে আমার এবাদত আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে আমি জান্নাত পাবো। আপনারা বলবেন আমিও চাই। তাহলে আমরা কি ওই মানে যেতে পারলাম কিনা এটা আমাদের নিরীক্ষণের দরকার আছে। বুঝবার দরকার আছে।
এ ব্যাপারে আজকে একটা জিনিস এখানে পড়লাম। ওই একটা সালে আল মুনাজ্জিদ রাহিমা্লাহ এই বিষয়ের উপরে একটা প্রবন্ধ পড়লাম যে মানলাম। আল্লাহ কার সিয়াম কবুল করবেন না। পড়তে যাইয়া একটা জিনিস এখানে সামনে আসলে একজনের ঘটনা আবুদারদা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুর অবাক হয়ে যাওয়া যায় আবিদ রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু আবুদ রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু তিনি বলছেন ইন্নালিল্লাহ সুবহানাল্লাহ পড়তে হৃদয় কাপে শরীর কাপে যে তারা কি মান নিয়ে ইসলাম পালন করতেন আর আমরা কোন মান নিয়ে ইসলাম পালন করি আর ইসলামের বুলি মুখ দিয়ে ফুটায়।
তিনি বলছেন লাইনা আবুদ রাদিয়াল্লাহ বলছেন কথাটা মনে রাখবেন আজকের খুতবায় যদি কোন কথাও মনে না থাকে ছোট্ট এক লাইনের একটা হাদিস মনে রাখবেন যে আবুদ রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বলছেন আমি নিশ্চিত হব কোন ব্যাপারে আমার সারা জীবন সালা থেকে সারা জীবনের এবাদত বন্দেগী থেকে একটা সলাত একটা সিজদা একটা রাকাত আল্লাহ কবুল করেছেন এটা আমি নিশ্চিত হব আহাদুনিয়া এই যে ঢাকা শহর না এই বাংলাদেশ না দশ বারটা দেশ না সারা পৃথিবী দুনিয়া শুধু দুনিয়ার জমিন নাহ এখানে যা কিছু সহায় সম্পত্তি আছে আবুদ রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বলছেন যে আমার একটা সালাত আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত হচ্ছি যে এই সালাতটা আল্লাহর কাছে কবুল হয়েছে এই জিনিসটা গোটা দুনিয়া এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তা পাওয়ার থেকেও আমার কাছে ওটা পছন্দের বেশি এর নাম এবাদতের কবুলিয়ত।
এবাদতের কবুলিয়ত। এবাদত কবুল হওয়া আল্লাহর কাছে এটার এত দাম। এখন এটা নির্ভর করবে আমাদের সিয়াম সুপারিশকারী হবে নাকি বলা হবে যে তোমার এখানে কিছুই নাই। ক্ষুধার কষ্ট পাইছো। এটা ঠিক করব আমরা। কারা ঠিক করব? আমরা। আমাদের সিয়াম যদি আল্লাহর কাছে গান করাইতে পারি, কবুল করাইতে পারি তাহলে সেটা সুপারিশ করবে। আর কবুল যদি না করাইতে পারি সেটা বেকার যাবে। এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলব। যদি কিছু মনে না করেন আমি এই জ্ঞানটা আজকে শিখছি। এবং এটা শিখে আমার এত তৃপ্তি লাগছে মনে যেন আল্লাহ সেজদায় শুকুর দেই। মানে জানতাম আগে পিছে কিন্তু এইভাবে আমি মিলাই নাই। আজকে ওই বিষয়ের উপরে পড়লাম। তখন আজকে নতুনভাবে শিখলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
আমরা এটা বহুত ব্যবহার করি যে আমল কবুল এই তোর নামাজ কবুল হইবনি এমনে করস এমনে করস কবুল বলি না কবুল বিয়ের মধ্যে ওতো কবুল বলে কবুল বলে না মানে গ্রহণ করে নাই একজন আরেকজনরে গ্রহণ করে নেয় কবুল মানে কি মানে গ্রহণ করে নেওয়া আপন করে নেওয়া গ্রাণ করে নেওয়া এটারে বলা হয় যে মানে দরখাস্ত মঞ্জুর করা মঞ্জুর করানো গ্রান করানো এটারে বলা হয় কবুল করানো আমি আল্লাহর কাছে জন্য একটা সিয়াম রাখলাম একটা এবাদত করলাম একটু তিলাওয়াত করলাম আল্লাহ বললেন যে হ্যা তোমার এবাদতটার মান ঠিক আছে আমি কবুল করে নিলাম এর বিনিময় তুমি পাবা এটা হচ্ছে কবুল আর আমি একটা এবাদত করলাম সালাত রাখলাম পড়লাম সিয়াম রাখলাম তিলাওয়াত করলাম অনেক এবাদত করলাম আল্লাহ বললেন যে এটা গ্রান্ট হয় নাই কোন নেকি তোমার এখানে হবে না এটা কবুল না এটা হল মারদু এবাদত একটা হচ্ছে মাকবুল আরেকটা হচ্ছে মারদুদ এই দুইটা জিনিস বুঝতে হবে হচ্ছে মাকবুল বা হজ্জে মাবরুর আরেকটা হচ্ছে হজ্জে মারদুদ।
তহলে আমাদের এবাদত খুব বুঝার চেষ্টা করি। আমরা যত এবাদত করে যাচ্ছি যত কিছু করতেছি তার দুইটা অপশন। হয়তো মাকবুল আর না হয় কি মারদুদ। বলেন তো একটা অপশন হচ্ছে মাকবুল। কি? মাকবুল। আরেকটা অপশন কি? মারদুদ। মাকবুল মানে হয়তো আল্লাহ এটাকে কবুল করে নিবেন রেজাল্ট পাবো আর মারদুদ মানে হচ্ছে এটাকে ফেরত দেওয়া হবে এটাকে নষ্ট করে দেওয়া হবে এটার কোন রেজাল্ট আমরা পাবো না এটা প্রত্যেকটা আমলের ক্ষেত্রে আমাদের এই দুইটা অপশনের একটা ঘটতেছে এখানে একটা সূক্ষ জিনিস যেটা আমি বলছিলাম যে আজকে নতুন শিখছি আমি এতটুকুই জানতাম আগে যে আমল কবুলের দুইটা দিক আছে একটা হল কবুল হলে নেকি পাব আরেকটা হল কবুল না হলে নেকি পাব না আজকে আরেকটা জিনিস শিখলাম যে আমল কবুল হওয়ার মধ্যেও দুইটা ভাগ আছে।
এই দুইটা ভাগের মধ্যে একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার আছে যে একটা জিনিস একটা কাজ একটা বাহ্যিক নিয়মে সিস্টেম ফলো করে করা। তখন বলা হয় না যে কাজটা হয় নাই। সিস্টেম মত কাজটা করছে বলা হবে যে কাজটা হইছে। কিন্তু এই কাজের যদি রেজাল্ট পায় তাইলে কাজের ফলাফল আসল। রেজাল্ট না পাইলে ফলাফল আসলো না। আমলের ক্ষেত্রে এই জিনিসটা প্রযোজ্য। এটা আজকে শিখলাম। যেমন একজন মানুষ দুই রাকাত সালাত আদায় করল। এই কষেত্রে তার শর্ত কি? তার নামাজের রুকুন গুলা সে পালন করল। কাপড় পাক আছে, শরীর পাক আছে, অক্ত ঠিক আছে, কেবলা ঠিক আছে। সব ঠিক আছে। সুন্দর করে অযু করছে। দাড়াইছে। এবার দাঁড়ানোর পরে তার রুকু সেজদা কেরাত সব সুন্দরভাবে পড়ছে।
বাহ্যিক নিয়ম অনুযায়ী একজন মুফতিকে যদি বলা হয় তার সালাত হইছে কিনা? মুফতি সাহেব ফতোয়া দিবেন। সালাতুহু। সালাতুহু কি? তার সালাত শুদ্ধ। এটা প্রথম স্টেপে এটাকে মাকবুল বলা যাবে। শুদ্ধ কিন্তু এই সালাতের নেকি সে পাবে কিনা এটা নির্ধারণ করবেন কে? আল্লাহ। এটা হচ্ছে কবুলের দ্বিতীয় আসল ধাপ। আল্লাহ দেখবেন সালাতের রুকুতো ঠিক আছে। সেজদাটাও ঠিক আছে। তেলাওয়াত তো মাশাল্লাহ শুদ্ধ। তাসবিহও ঠিক আছে, কাপড়ও পাক আছে। ওক্তও ঠিক আছে। যাবতীয় শর্ত সরাই ঠিক আছে। কিন্তু লোকটা তো শিরকে লিপ্ত আছে। আল্লাহ ওটাও দেখেন। লোকটা তো হারাম খায়। লোকটা তো আরেকজনকে রাতদিন কষ্ট দেয়। লোকটা তো আরেকজনের হক আদায় করে না। লোকটা তো বাপ মার হক আদায় করে না। লোকটা তো হাজারো অন্যায়ের সাপোর্ট দেয়। এবার আল্লাহ তার এটা কবুল করবেন কি করবেন না এটা নিয়ে আল্লাহ ভাবেন।
কিন্তু বাহ্যিক দৃষ্টিতে, মুফতির দৃষ্টিতে কিন্তু তার সালাত কি? কবুল। সেইম জিনিসটা সিয়ামের উপরে আইসা পড়ছে। বললাম না যে এটা আমি আজকে এই ব্যাখ্যাটা পাইছি। সিয়ামের ব্যাপারটা কি? একজন মানুষ ওই যে ফজর স্টার্ট হওয়ার আগে সুবে সাদিক শেষ হইতেই ফজর শুরু হবে। শেষ টাইম ক্যালেন্ডারে দেওয়া আছে না? এই টাইমের আগে তার খানাপিনা সে শেষ করে ফেলেছে। সারাদিন সে কিছু খায়নি, পানও করেনি। সিয়াম ভঙ্গের কোন কারণ করে নাই। কিচ্ছু ঘটায় নাই। ইফতারের টাইম হয়েছে। ক্যালেন্ডারে দেওয়া আছে। সূর্য ডুবে গেছে। ইফতার করেছে। মুফতি সাহেব বলবেন সিয়ামু সাহিহা। তার সিয়াম শুদ্ধ। ফতোয়ার ভাষায় তার সিয়াম শুদ্ধ। কারণ সে সিয়ামের শর্ত পালন করেছে।
কিন্তু আল্লাহর কাছে এই সিয়াম সুপারিশকারী হইলো কিনা, কবুল হইলো কিনা, এটা বুঝবার জন্য আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোরআনের আয়াত আমাদেরকে অন্য কিছু বলছে। এই জিনিসটা কি? এটা বুঝবার ব্যাপার। যে হাদিসটা প্রথমে বলছিলাম যে যে মিথ্যা কথা আর মিথ্যা কাজ ছাড়ে না তার সিয়াম দিয়ে আল্লাহর কাছে কোন প্রয়োজন নাই। একটু মিলান কষ্ট করে একটু মিলান। সে তো সিয়াম রাখছে। সিয়ামের শর্ত পালন করছে। কিন্তু মিথ্যা কথা না ছাড়তে পারার কারণে তার সিয়াম আল্লাহর কাছে কোন গ্রহণযোগ্যতা পাইলো না। তাইলে এই সিয়াম কিন্তু সে খাইয়া নষ্ট করে নাই। পান করে নষ্ট করে নাই।
এইজন্য একটা কথা বলি। পুরা সিয়ামের নির্যাস একটা কথা আছে। সিয়ামের শাব্দিক অর্থ কি? একজন বলতে হবে। আমি খুব সুন্দর করে বুঝায় দিছিলাম আগে। সিয়ামের শাব্দিক অর্থ কি? মাশাল্লাহ। দেখছেন মুসল্লিরা অনেক এডভান্স। জানা হয়ে গেছে। সিয়ামের শাব্দিক অর্থ হল বিরত থাকা। একটা সূক্ষ গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। এটা না বুঝার কারণে মানুষের সিয়াম হচ্ছে না। এই বিরত থাকা এটা একটু ব্যাপকতা আছে। খানা থেকেও বিরত থাকা। পান করা থেকেও বিরত থাকা। আরেকটা কথা হচ্ছে আমি এখানে এবারত পড়তে পারতেছি না। সময় বেশি যাবে। মানহিয়াত যত জিনিস আছে, আল্লাহর নিষিদ্ধ যত জিনিস আছে, সিয়ামের দাবি হচ্ছে এই সমস্ত নিষিদ্ধ জিনিস থেকে তুমি বিরত থাকবা। এই অভ্যাসটা তোমাকে করানোর জন্য এই সিয়াম তোমাকে সাহায্য করে। সুবহানাল্লাহ।
শুনেন আল্লাহ আমাদেরকে ভাত মাছ দিছেন, দুধ দিছেন, এই যে খাবার জাতীয় ফলফুট দিছেন এটা কি খাওয়ার জন্য নাকি ফেলে দেয়ার জন্য? না এমনি গাছে ধরছে। আল্লাহ খাওয়ার জন্য দেন নাই। খুব মজার জিনিস। বুঝার চেষ্টা করেন। আল্লাহ বলছেন ফলবান গাছ যখন হয়ে যায় কুমিন সামারি আল্লাহর আদেশ। কার আদেশ ভাই? আল্লাহর আদেশ। কুলু এটা আমরেরা। যারা এখানেও আমি জানি যে অনেকে আরবি পড়েছেন বা মাদ্রাসার শিক্ষক আছেন এটা আমর। সামা ভাই কুলু এটা আম কুল একবচন। তুমি খাও। কুলা দ্বিবচন। আর তার জমা কি কুলু। তার মানে কি? তোমরা খাও। এইযে দেখছেন উনি সাক্ষী। সন যারা পড়ছে তারা বুঝে। এটা হচ্ছে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স। আল্লাহর আদেশ। আমি তুমি গাছ লাগাইছো ফল ধরানোর ক্ষমতা তোমার ছিল না ফল আমি ধরাইছি এবার ফল ধরছে কুলু এটা ফালানো যাবে না তুমি খাও না খাইলে বাজারে নিয়ে বিক্রি কর আরেকজন টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে খাবে।
তবে একটা শর্ত দিছি ফলফল ফসলের তুমি যাকাত দিয়ে দিবা অজুর দিয়া দিবা কিন্তু খাইতে বলছেন এখন রামাজানের সিয়াম চলছে ইফতারের টাইম হয় নাই আমি সিয়াম আছি একটু সূক্ষ জিনিস। সুবহানাল্লাহ। এটা বুঝলে এত স্বাদ লাগবে, এত মজা লাগবে। এখন আপনি আমারে একটা আপেল আইনা দিলেন। এখানে রাখলেন। বললেন যেশাকিটা খান। তা আমি হয়তো আপনাকে এটা বলতে পারতাম যে খুতবার সময় খাচ্ছি না। পরে খাচ্ছি। এরপরে আমি এটা খাইলাম। কিন্তু এখন সিয়াম থাকার কারণে তো আমি খেতে পারতেছি না। কিন্তু আপনি একটা আপেল হাদিয়া দিলে আমার জন্য এটা খাওয়া। সিয়াম না থাকলে হালাল ছিল না হারাম ছিল? হালাল ছিল না।
কিন্তু আমি এই হালাল জিনিসটাকে খেতে পারতেছি না কতক্ষণ? সূর্য ডুবা পর্যন্ত। এখানে সূক্ষ বিষয়টা হলো একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হালাল জিনিসকে ত্যাগ করার অভ্যাসটাকে আমাদের মধ্যে আল্লাহ জারি করে দিয়ে মূলত এটা বুঝাতে চাচ্ছেন আল্লাহ যে তোমাকে যত জিনিস থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে তোমার উপরে আজীবন তুমি এই জিনিসগুলা থেকে দূরে থাকবা এটাই হচ্ছে তোমার তাকওয়া এই তাক তোমাকে হেদায়েত দিবে। এই তাকওয়াই তোমারে জান্নাতে নিয়ে যাবে। এই জিনিস বুঝে কেউ সিয়াম রাখে না। অনেক মানুষ এইটা বুঝে সিয়াম রাখে না। এইটা বুঝে মানুষ যদি সিয়াম রাখতো তাইলে ১১ মাস তারা আল্লাহর নাফরমানি করত না।
সিয়াম আমাদেরকে গার তুলে স্পিড বাড়ায়। আচ্ছা আমরা সিয়ামের আগে ফরজ নামাজ পড়ি নাই। কোরআন তেলাওয়াত করি নাই। মাঝে মাঝে নফল সিয়াম রাখি নাই। এখন পরিমাণ বাড়ছে। ফরজ সালাতের পরে আরো সালাতুত তারাবিহ বাড়ছে। আগে মাঝে মাঝে সপ্তাহে রাখতাম। এখন পুরা মাস রাখতেছি। তিলাওয়াত আগে একটু কম করতাম এখন বাড়াইছি। এর মূল শিক্ষাটা কি জানি? এটা হচ্ছে যে ড্রাইভার যখন গাড়ি চালায় রোডে। বাইক হোক আর যাই হোক অনেকে এখানে বাইক চালান। বড় গাড়ি না চালাইলেও। একটা ড্রাইভারের গাড়ির স্পিডের মধ্যে তারতম্য হয়। কোন সময় স্পিড বাড়ে। কোন সময় কমে। এটা কি কারণে হয়? এটা হলো গাড়ির ইঞ্জিনের উপরে অনেকটা নির্ভর যে তার গাড়িটা কতটুকু স্পিড ধারণ করতে পারে।
আরেকটা হচ্ছে রাস্তার উপরে নির্ভর করে যে রাস্তাটা কতটুকু স্পিড নিতে পারবে। রাস্তায় দাম আশপাশে মানুষ বাচ্চারা পার হচ্ছে যাচ্ছে। আপনি স্পিড নিতে পারবেন না। আপনার গাড়ির হাজার স্পিড থাকলেও এক্সিডেন্ট হবে। আবার রাস্তা ফ্রি গাড়িতে দুর্বলতা আছে তখন স্পিড বাড়বে না তাইলে রাস্তা যদি ফ্রি থাকে গাড়ির ইঞ্জিন ভালো থাকে তখন কি ড্রাইভার স্পিডটা বাড়াই দেয় খুব দ্রুত চলে আচ্ছা আপনারা এটা এটা পড়ার জন্য স্কুল কলেজে ভর্তি হওয়া লাগবে না এটা বোঝার জন্য এখানে যারা আছেন একজন বলেন তো একটা বাইক হোক বা মানে গাড়ি হোক প্রাইভেট কার হোক বা যে কোন জিনিস হোক বা বিমান হোক যখন এটা ফুল স্পিডে উঠে তখন ঠিক একটা ড্রাইভার ওই মুহূর্তে যদি চিন্তা করে যে আমি এটাকে এক্ষনি ঠিক এই জায়গায় ব্রেক দিব এক ইঞ্চিও সামনে যাবে না এটা কোন ড্রাইভারের ক্ষমতায় আছে?
যদি এটা করতে যায় সে নিজেও শেষ হবে তার বাহনও শেষ হয়ে যাবে এক্সিডেন্ট হবে তাহলে বুঝা গেল একটা জিনিসের স্পিড যখন বেশি উঠে তখন এটা থামতে সময় লাগে থামতে কি লাগে সময় লাগে সেম এই শিক্ষা এটা যে বৎসরে মাস ১২ টা সিয়াম রাখতে হয় এক মাস ১১ মাস তো সিয়াম নাই। তার মানে সিয়ামের এবাদত, সিয়ামের শিক্ষা, সিয়ামের তাকওয়া, সিয়ামের তিলাওয়াত, সিয়ামের যে সাধনা, আল্লাহ আমাদের বুঝাতে চান, যে স্পিড বাড়াও বাড়াও বাড়াও। প্রথম থেকে শুরু হইছে বাড়াও। কয়েকদিন যাচ্ছে বাড়াও। শেষ তো চলে আসছে। আরো বাড়াও। বেজুর রাত চলে আসছে। এবার ঘুম কমায়া দেও। সারারাত এবাদত করো পারলে আরো বাড়াও। স্পিড এমন পর্যায়ে নিয়ে যাও যাতে ওই স্পিডের ঠেলায় ১১ মাস পার হইয়া তুমি আরেকটা রমাদান পাইয়া যাও। সুবহানাল্লাহ।
এটা হচ্ছে সিয়ামের মূল কনসেপ্ট। এই রমাদানের মূল শিক্ষাটা এইটা। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই জিনিস বুঝে আমরা সমাজের মানুষ আমরা আগে না। যার কারণে কি হয় রামাজানের মাস এমনে মহিলা পর্দা করতো না কিন্তু রোজার মাসে বাইর হইতে একটু ঘন্টা গানটা দেয় রোজা রাখছি ভাই একটু পর্দা না করলে কেমন দে ১১ মাস এমনে নামাজ পড়ে না রোজার মাস আইছে ঘোষণা হইছে আচ্ছা ১১ মাস তো বাদ দিলাম অন্তত রোজার মাসে নামাজটা ধরি তারাবিও পড়তাছে ফজরও পড়তাছে আজকে আমি আমি আমার মাদ্রাসায় সালাত পড়ি তো মাদ্রাসা গতকালকে ছুটি দিয়ে দিলাম আজকে ছাত্র নাই তো মসজিদে আপনার পাশে মসজিদে আছে গিয়ে সালাত পড়লাম। অন্য সময়ে এক কাতার হয়। এক কাতার বা দেড় কাতার বড় হুজুর হয়। ধরেন ৫০ ৪০ জন মানুষ হয়। আজকে গিয়া দেখি যে ভিতর তো জায়গাই নাই। বারান্দায় অনেক জায়গা পুরা ফিলাপ।
এটা ভালো দিক না কিন্তু এরা কেন করতেছে রামাজান মাস সিয়ামের মাস। কিন্তু সিয়ামের ওই যে স্পিডের কনসেপ্টটা না থাকার কারণে রেজাল্টটা কি হবে জানেন? যে মহিলায় রামাজানে পর্দা করলো, যে মানুষটা রামাজানের খাতিরে মিছা কথা বলল না, যে মানুষটা রামাজানের খাতিরে সুদ ছেড়ে দিল, যে মানুষটা রামাজানের খাতিরে এবাদত বাড়াইয়া দিল, যেই তার কানে আওয়াজ আসবে ঘোষণা হয়ে গেছে। শাওয়ালের চাঁদ দেখা গিয়েছে, চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক বসেছিল, আগামীকালকে ঈদ হবে। এই পরের দিন তার ফজর আর মিস হয়ে গেল। আর সেই মসজিদে না। স্পিড গেল কোথায় ভাই? স্পিডটা একটা রাত এই স্পিডে গোলালো না যেখানে ১১টা মাস লাস্টিং করার কথা। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
এজন্য আমি বলছিলাম আমার কথা আগে পরে যারা আছেন শুনেন নাই যে আমরা যে সিয়াম পালন করতেছি এটা মুফতির ফতোয়ায় আমাদের সিয়াম কবুল হচ্ছে কিভাবে যে আমরা সাহারির টাইম শেষ হওয়ার আগে খানা শেষ করে দিচ্ছি আর সূর্য ডুবার পরে খাচ্ছি মুফতি সাহেব বলবেন তোমার সিয়াম ভঙ্গের কোন কারণ ঘটাও নাই। তোমার সিয়াম হইছে। আর এই সিয়াম আমাকে মুত্তাকী বানাচ্ছে না। অন্যায় থেকে দূরে রাখতে পারতেছে না। আমার তাকওয়ার স্পিড বাড়াইতে পারতেছে না। যে রাত্রে চাঁদ উঠল ওই রাত্রে আমি পরিকল্পনা করতেছি কালকে গানের অনুষ্ঠানটা কোন জায়গায় করা যাবে। কোন বান্ধবীর সাথে আড্ডা দেওয়া যাবে। কোন পিকনিকের জায়গায় গিয়া স্পোর্টে যাইয়া একটু হারাম বিনোদনে লিপ্ত হইয়া এই সিয়াম যাও একটু টুকটাক মুফতির ভাষায় কবুল হইছিল এটারেও নষ্ট করা যাবে। এই রাত্রে পরিকল্পনা চলতেছে নাইলে ঈদের দিন পিকাপ ভাড়া কইরা এখানে আপনার এই মাইক সাউন্ড সিস্টেম সেট কইরা আপনার দোকান থেকে টাকা খরচ কইরা এখানে আবার এইযে ক্যাসেটের গান বাজনা দিয়া ছেলেরা এইযে নাচতাছে আর ইয়ে করতাছে এটা শিখাবার জন্য সিয়াম আসছিল। ইন্নালিল্লাহি।
এজন্য আমি বলছিলাম যে আমি ওই রমাজানের ফজিলত আপনারা বহুত শুনছেন ওই খুতবা আমি দিচ্ছি না এগুলা আমরা অনেক কিছু জানি ইফতার করাইলে কি সওয়াব সাহারি খাইলে কি বরকত হ্যা তারাবি পড়লে কি ফজিলত এরা মুখস্ত কিন্তু এই যে কাজগুলো করতেছি সওয়াবের কথা জানি কিন্তু এটা নিয়ে ভাবতেছি কয়জনে যে আমার এই সিয়াম কি আল্লাহ বলতেছেন যে আব্দুর রহমান বিন মোবারক আলী তোমার সিয়াম আমি নিছি কবুল করছি এই সিয়াম তোমারে সুপারিশ করে জান্নাতে নিব এই প্রশ্ন আল্লাহর কাছে কাছে প্রয়োজন করতে পারছি। এই প্রশ্ন আল্লাহর কাছে প্রয়োজন করতে পারছি যে আল্লাহ আমার সিয়ামটা কি আপনি গ্রহণ করছেন? আমার সিয়ামটা কি হাশরের মাঠে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য সুপারিশ করবে? এই প্রশ্ন আল্লাহর কাছে প্রয়োজনে করছি।
এটা হচ্ছে মূল বিষয়। তো এজন্য অনেক কথা সময় খুব কম থাকে আমাদের হাতে। এজন্য কথা এই পয়েন্টটা আমি এখানে এটি করলাম। আমি এখন তিনটা জুমার সামারি পড়বো। এই জুমা তার আগের জুমা তার আগের জুমা। শুরু করেছিলাম রামাজানের প্রস্তুতি নিয়া পরিবারকে কিভাবে আমরা রমাজান সম্পর্কে উৎসাহ দিব। বলছিলাম যে কোরআন যাদের শুদ্ধ নাই পড়ে নেওয়ার জন্য। এখন কে কতটুকু তেলাওয়াত করতে পারতেছি কে কতটুকু অর্থ শিখতে পারতেছি যার যার তো জানা আছে এখনো যদি গাফলতি থাকে একটু চেষ্টা করি কারণ একটা কথা এখানে আপনারা জানেন আমি স্মরণ করায় দেই রামাজানের এত বরকত এত মর্তবাটা আসছে মূলত কোরআনের কারণে এটা জানিনি আমরা সবাই বিশ্বাস করি আর না করি ১১টা মাসও মাস রমাজান মাসটাও মাস এই মাসের কিছুই ছিল শুধু একটা এবাদত ফরজ করে দিছেন সিয়াম রাখি কিন্তু এত বরকত এত মাহাত্ব একটা রাত্রকে কেন্দ্র কইরা আর এই রাত্রটার কারণে পুরা মাস এই ফজিলতটা গেছে এর নাম হচ্ছে ইন্নাহু লাইলা শুরুতে পড়ছিলাম মনে আছে তোলা আমি এটাকে নাযিল করেছি কোরআনে এটাকে মানে কোনটা।
এটা মানে কোনটা? কোরআন। কিন্তু আগে তো কোরআনের কথা উল্লেখ নাই। এটা তো ইজমার কাবলা জিকির। মাঠে উল্লেখ করার আগে সর্বনাম উল্লেখ করা। এটা ভাষাগত ব্যাকরণে জায়েজ নাই। কিন্তু যেখানে সর্বনাম বুঝতে কষ্ট হয় না সেখানে এটা উল্লেখ করা জায়েজ। ব্যাকরণ শিখায় দিলাম। নাউনের পরে প্রোনাউন। বিশেষ্য বিশেষণের পরে কি সর্বনাম। একটা হল বিশেষ্য। তার বিপরীতে আরেকটা আছে সর্বনাম নাউনের সাথে থাকে প্রোনাউন আর ইসিমের সাথে থাকে জমির তিনটা ভাষা বললাম যে যেটা বুঝতে পারেন তো আগে নাম উল্লেখ করা হয় ভালো ছেলে সে স্কুলে যায় আমি শুরুতেই বলি যদি সে স্কুলে যায় চিনলেন না এটা ভাষার নিয়ম না আগে নাম উল্লেখ করতে হয় পরে সর্বনাম কিন্তু যারে চিনতে সমস্যা হয় না আরবিতে তারে উল্লেখ করা যায়।
বল তিনি এই তিনি মানে কে দেখছেন আমি বলার আগেই বুঝা ফালাইছে এইজন্য এটা এটা আল্লাহ শব্দ পরে ওলা নিশ্চয় আমি অবতীর্ণ করেছি এটাকে সবাই বুঝতে কষ্ট হবে না এটা মানে কোরআন কখন নাযিল করেছেন লাইলাতল কদরের রাতে কদর মানে এই রাত্রে কদর মানে দুইটা জিনিস এটা বুঝতে হবে কাদরুন শব্দের অর্থ দুইটা কয়টা ভাই দেখি বলেন তো একটা শক্তি কাদরুনের অর্থতো কুদরতুনের অর্থ শক্তি শক্তি না কাদার আমি কাদরের রাতে নাযিল করেছি এটার দুইটা অর্থ আছে কাদরুন শব্দের দুইটা অর্থ মনে রাখবেন একটা অর্থ হল পরিমাণ ঠিক করা। এটার থেকে তাকদর যেটা আপনি বলছেন এটা ঠিক আছে। আর আরেকটা অর্থ হচ্ছে কাদরুন মানে হচ্ছে সম্মান মর্যাদা।
এই অর্থে যদি আমি আমরা অনুবাদ করি আয়াতের তলে অনুবাদ কি দাড়ায়? কাদ আল্লাহ বলছেন যে আমি এই কোরআন নাযিল করেছি সম্মানের রাত্রিতে। আরেক অর্থে পরিমাণ নির্ধারণের রাত্রিতে। বুঝা গেছে এই আয়াতের সাথে আরেকটা আয়াত আছে সূরা দোকানের চার নাম্বারে ইন্না আনজালনাহুফলাইলা মুবারাকা আমি এটাকে নাযিল করেছি বরকতময় রাত্রিতে রাত কিন্তু একটাই আর এই রাতটা কোথায় আছে সূরা আল বাকারার ১৮৫ শাহ রামাদানলা দুই জায়গায় আর জায়গায় আছে কিলা সব মিলে এক কথা যে আল্লাহ কোরআন নাযিল করেছেন লাইলাতুল কদরে। আর লাইলাতুল কদর কেমন রাত? বরকতময় রাত। আর এটা কোন মাসে আছে? রামাজানে আছে।
এবার এই আয়াত দিয়া লাইলাতু মোবারাকা দিয়া শবে বরাত সাব্যস্ত করবেন। এটা আর সুযোগ থাকলো না। সুযোগ কি হইলো না আর থাকলো না। সুযোগটা বন্ধ হয়ে গেল। কারণ কোরআনের কোন আয়াতের এমন তাফসীর দাঁড় করানো যায় না এটা জায়েজ নাই যেটা আরেক আয়াতের সাথে বিরোধ হয়ে যায়। আল্লাহ এখানে বলে দিলেন কদরের রাত্রিতে নাযিল করছি। আবার বলে দিলেন এটা রামাজান মাসে আছে। এখন মোবারাকা আরেকটা আয়াত দেইখা আপনি এই রমাজান বাইর কইরা অন্য মাসে সেট করবেন। আর এই সুযোগ থাকে না। এখন লাইলাতুল কদর যেটা লাইলাতু মোবারাকাও সেটা। আর মাস চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে আমার। কথা বুঝা গেছে?
এরপরে আল্লাহ দেখেন কি বললেন তুমি কি জানো কদরের রাত কি এরপরে আল্লাহলেন লাইলাতুল কাদ কদরের রাত হাজার মাস থেকে উত্তম সুবহানাল্লাহ তাইলে কদরের অর্থ কয়টা দুইটা কি একটা দুইটা অর্থ কি কি একটা পরিমাণ নির্ধারণ করা আরেকটা হইল খুতবা বুঝার চেষ্টা করেন কথা কম বলি সমস্যা নাই কথা আলোচনা কম হোক এটাতে দোষ নাই আপনারা এটা আমারে বলবেন না যে এত কম আলোচনা করলেন কেন এটা এটা কোন দোষ না কথা আমি কম বলি আমরা বুঝার চেষ্টা করি আমি যে কথাগুলি বলছি এটা মানে বাইরের কিচছু না হয়তো কোন আয়াত থেকে আর নাইলে মূল জিনিসটা একবারে নির্যাস জিনিসটা।
তাইলে ভাই কন তো আপনে যদি আমরা এই অর্থ নেই যে লাইলাতুল আমি কোরআন নাযিল করেছি মর্যাদার রাত্রিতে এই মর্যাদা মানেটা কিসের দিক থেকে এই রাত মর্যাদা পাইল এই যে আল্লাহ এখানে কোরআন নাযিল করেছেন এইজন্য রাত্রে মর্যাদা এই রাত্রে আল্লাহ মানুষকে মাফ করে দিবেন এইজন্য এই রাত মর্যাদাপূর্ণ এই রাত্রে মানুষ যদি এবাদত বন্দেগি করে তাইলে হাজার মাস যে মাসে লাইলাতুল কদর নাই এই হাজার মাস এবাদত করে যা পাইতো তার থেকে বেশি নেকি পাইয়া যায় এইদিক থেকে লাইলাতুল কদর মর্যাদার রাত এই অর্থ এখন বুঝছি তো ঠিক আছে এবার যদি আমরা ওই অর্থটা নেই এটা বুঝার আছে সবার বুঝার অধিকার আছে।
এটা বুঝতে আপনি আমি বাধ্য এখন যদি এই অর্থ নেই যে আমি কোরআন নাজিল করেছি পরিমাণ নির্ধারণ করার রাত্রিতে যেহেতু অর্থ দুইটা আছে তাইলে আয়াতের অর্থ কি হবে এদিক থেকে একদম বলেন তো তখন আয়াতের বুঝটা কি হবে আপনি তো আয়াত তো মুখস্ত আছে অর্থ অনেকে জানেন যে আমি মর্যাদাপূর্ণ রাত্রিতে নাযিল করেছি এটাতো একটা অর্থ আরেকটা অর্থ যে আমি এই কোরআন নাযিল করেছি পরিমাণ নির্ধারণের রাত্রিতে তখন তার অর্থ কি হবে আমি এই রাত্রিতে তাকদীর নির্ধারণ করে থাকি।
এই রাত্রিতে কি নির্ধারণ করে থাকি। তাকদর। তাকদরের দুইটা ধাব আছে। একটা হল মরাম। অনেক আগে আল্লাহ ঠিক করে ফেলছেন। যা হওয়ার তাই হবে। কোন উলটপালট নাই। আরেকটা আছে মল্লা তাকদর। এটা বাৎসরিক হিসাব করা হয় বা একটা বান্দার সাথে জুলিয়ে দেওয়া হয়। তুমি যদি এই ভালো কাজ করো তাইলে এই বেনিফিট পাবা। না করলে এটা পাবা না। কিন্তু মরব কখন? হায়াত কি? বাসব কি? কার সন্তান কয়টা হবে? কি হবে? এগুলা কিয়ামত কবে হবে? হ্যাঁ বিচার কবে হবে এলে অনেক কিছু আছে এটা আল্লাহ ঠিক করে দেন আগে।
তাইলে এখন কি দাঁড়াইল লাইলাতুল কদর একটা অর্থ হল মর্যাদার রাত্রিতে মানে এই রাতে অনেক মর্যাদা আছে অনেক নেকি আছে অনেক সওয়াব আছে বুঝলাম আর এই অর্থে যে আমি এটা নাযিল করেছি পরিমাণ নির্ধারণের রাত্রিতে তখন বুঝা যায় পরে আল্লাহ বলছেন যে ফেরেশতারা প্রত্যেক ব্যাপারে আল্লাহর ফায়সালা নিয়ে আসেন যে আগামী এক বছরের বাজেট কি হবে এটা ফায়সালা ঠিক করে দেওয়া হয় সালামু হিয়া হাতমাত ফজর পর্যন্ত এই রাত এইভাবে নিরাপদ থাকে তাইলে বোঝা গেল এই রাত্রিতেই বাৎসরিক তাকদীর নির্ধারণ করা হয় এখন ভাগ্য রজনী আপনি কোনটারে বলবেন আল্লাহর এই কথার সাথে মিলাইয়া সূরা ঠিক রাখবেন রাইখা লাইলাতুল কদরকে ভাগ্য রজনী করবেন নাকি এই রাত্রে রমজান মাস থেকে বাইর কইরা আরেকটারে ে বানাবেন।
কোনটা করবেন এখন আমাদের দেশের মানুষ তো বাক্য রজনী বলতে অন্যটা বুঝে নাকি বুঝতেছেন না কথা আমাদের দেশের মানুষ তো ভাগ্য রজনী বলতে শবে বরাত্রে বুঝে লাইলাতুল মোবারাকা বলতে শবে বরাত্রে বুঝে এগুলা ভুল করা যাবে না এগুলার মধ্যে কোন দ্বিমত বা অনেক এখতেলাফ আছে এমনও নাই কারণ ভুলভুলি ভুল ভুল ভুল হইতেই পারে বড় একজন মুফাসসির তিনি একটা আয়াতের অর্থ দাঁড় করাইছেন। তার ভুল হয়ে যেতে পারে। সমস্ত মুফাসসির যদি বলেন যে না এটা ঠিক হয় নাই তাইলে এখান থেকে ফিরে আসতে হবে। উনার এই কথার উপরে দাঁড় করাইয়া একটা মানে নীতি দাঁড় করায়ে দিলাম। একটা রাত্রে কত বড় কথা। যে কোরআন নাজিলের রাত। আল্লাহ বলছেন এটা রমাজানে। আমি এটারে বাইর কইরা শাবানে নিয়া গেলাম। এটা তো চারটিখানি ব্যাপার না।
আল্লাহ বলছেন লাইলাতুল কদর হইল তাকদীরের রাত। এটারে আমি নিয়া গেলাম। শাবানে মাস উল দিলাম। এটা আমার কি ক্ষমতা আছে আল্লাহর বিধান উল্টায়ে দেওয়ার এটা ভুল ভুলি এটা করা যাবে না যারা এখানে আছেন এই ভুল আগে ভাঙ্গে নাই আজকে ভেঙ্গে ফেলবেন পৃথিবী উল্টে যাবে আল্লাহর আয়াত উল্টাবে না যে ভাগ্য রজনী বলতে শবে বোরাত না শবে বরাত আমরা বলতে পারি এটাকে এই লাইলাতুল কদর ভাগ্য রজনী এটাই শবে বোরাত বলতে হবে কিন্তু নিসফে শাবান নিসফে শাবানি ওইখানে ভাগ্য ঠিক হয় না এটা লাইলাতুল কদরে হয় এই গেল।
আর এটা নামাজ মাসিক এটা যদিও সাবজেক্টে বেশি আলোচনার ছিল না তারপরে একটু বুঝার জন্য বললাম এই সূরাটা হয়ে গেল আরেকটা এখানে সূক্ষ কথা আছে যেটা অনেকের হয়তো আমরা না জানা থাকতে পারে জানব এই সূরার মধ্যে একটা কথা পাইলাম না যে আল্লাহ বললেন লাইলাতুল কাদ খাইরুম কি আয়াতের অর্থ তো আমরা অনেকে জানি যে লাইলাতুল কদরটা হাজার মাসের থেকে উত্তম এখন হাজার এর মানে কির উত্তম এর মানে কি? আপনি বলেন তো কিছু হাজার মানে কি নির্দিষ্ট ১০০০ না আরো কিছু কথা আছে এখানে বলতে পারবেন হাজার মানে হাজারে ঠেকায়া দিলাম এরকম কিছু না অন্য কিছু।
এটা একটা কথার কথা আল্লাহ বলছেন হাজার মাস থেকে উত্তম মানে হাজারে এটা ঠেকানা মানে হাজার হাজার এটা একটা বড় কথা যে তুমি যেটা হিসাব করতে পারো না এরকম রাত থেকে উত্তম এখানে সংখ্যা নির্দিষ্ট হয় না। এটা আমরাও ব্যবহার করি। একজন মানুষকে আপনি কয়েকবার ডাক দিছেন শুনে নাই। এরপরে আসছে আসছে। বলতেছেন তোমারে না আমি ২০ বার ১৪ বার ডাক দিলাম। শুনলা না তার মানে কি সে গনা ডাক দিছিল? বলল যে এটা কথার কথা। আল্লাহ এখানে বুঝাইছেন যে এই রাত হাজার মানে অসংখ্য অগণিত রাত থেকে উত্তম। এটা একটা বড় সংখ্যা দিয়া তোমারে গুরুত্ব বুঝায় দিলাম। সুবহানাল্লাহ।
এবার উত্তম এর মানে কি আপনি কন তো? উত্তম বলতে কি বুঝেন? খাইরুন এটা কি বুঝছেন বলেন তো? মর্যাদা। কিসের দিক থেকে মর্যাদা? কি মর্যাদা? এখানে এমন অনেক সুন্দর কথা আছে। আমার বিশ্বাস অনেকের এটা জানা নাই। আজকে একটু জানার চেষ্টা করব। আপনি কন তো খাইরুন যে এই উত্তম এটার দুইটা অর্থ আছে একটা কন তো সময় কম একটু খেয়াল করি এগুলো আসলে বুঝার জিনিস এইযে এই সময়টা সারা বছরে আমার সামনে আসছে আমি আয়াতে তিলাওয়াত করলাম লাইলাতুল অনুবাদ পড়ে নিলাম লাইলাতুল কদর হচ্ছে হাজার মাসের থেকে উত্তম কিন্তু হাজার মাস বুঝলাম না উত্তমের অর্থ বুঝলাম না এটা আমি প্রয়োগটা করব কিভাবে এটাকে আমার আমলে কিভাবে নিব? আয়াতের বুঝতে না আসলে তো আমি এটাকে আমলে নিতে পারতেছি না। উত্তমের দুইটা অর্থ। কয়টা অর্থ ভাই? অর্থ। মনে থাকবে তো বললে কয়দিন মনে থাকবে? মসজিদ পর্যন্ত না বাড়ি পর্যন্ত? নিয়ত করবেন মৃত্যু পর্যন্ত।
এবং মানুষকে বলবেন তাইলে মনে থাকে। মানুষকে দাওয়া দিলে যেটা শিখবেন ওটা মানুষকে বললে মনে থাকে। যারা মাদ্রাসায় পড়ে বাড়ি গয় বা টিচিং নেয় কিন্তু শিক্ষকতা করে না। দেখবেন যে ওই কয়েকদিনের মধ্যে সব শেষ। আর পড়াইতে থাকলে ওটা মনে থাকে অনেক ভালো কম্পিউটারে কোর্স করছে একবারে টাইপ টু জোগডগা শিখছে কাজ ছাইড়া দিছে কম্পিউটার তারে কাছে নাই এর পরে কম্পিউটারে কিবোর্ড দিলে কয় এটা কোন অক্ষর কই এখন পজা বের করে আগে মুখস্ত এখন পজা করে প্র্যাটিস এমন এক জিনিস প্র্যাকটিস ছাড়া হয় না হাইরুন মানে উত্তম এখানে দুইটা অর্থ কয়টা অর্থ দুইটা অর্থ একটা অর্থ হচ্ছে।
এই খুব ভালো করে বুঝেন আমি কম সময় মানে সামান্য মাপা ওয়ার্ডে বুঝাচ্ছি যাতে মনে কদরের রাত আমি আবার শুরু থেকে আসেন আল্লাহ বলছেন আমি কদরের রাতে কোরআন নাজিল করেছি কদরের রাত তুমি কি জানো কে জানায়া দিবে তোমাকে কদরের রাত কি দেখেন গুরুত্বটা আল্লাহ কেমনে বাড়াইছে প্রশ্ন আল্লাহ নিজে করতেছেন করে উত্তর আল্লাহ দিচ্ছেন এবার উত্তরে গিয়ে বলতেছেন কদরের রাত হাজার হাজার মাস থেকে উত্তম তার মানে এই কদরের রাত্রে যদি তুমি ঈমানের সাথে কিসের সাথে বলেন সবাই কিসের সাথে ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় কিসের আশায় সাওয়াবের আশায় ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় যদি এবাদত করতে পারো আল্লাহকে ডাকতে পারো তওবা ইস্তেগফার করতে পারো তোমার গুনাহ যদি ক্ষমা করাইতে পারো তাইলে এই রাত্রিতে আমি তোমারে যে বেনিফিটা দেবো যে ফলাফল রেজাল্টটা দেবো এটা তুমি অন্য সময় হাজার হাজার মাসেও পাইবা না সুবহানাল্লাহ এই হচ্ছে লাইলাতুল কাদর খাইরুমমিন আলফিশাহারিনের এক অর্থ আর এই অর্থের সাপোর্টে আল্লাহর নবীর হাদিস মানলাইলাতুল কদম সবের করে এবাদত বন্দেগী করে আল্লাহ তার পিছনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে।
এই উত্তমের আরেকটা অর্থ আছে সুবহানাল্লাহ এটা হচ্ছে সবচেয়ে গভীরের অর্থ এবং সবচেয়ে বেশি এফেক্টিভ অর্থ। আল্লাহ তালা লাইলাতুল কদরকে জড়াইলেন কোরআন নাজিলের সাথে। শুরুটা কিন্তু কোরআন নাজিল দিয়া। এটা বুঝছেন তো? না বুঝতে সমস্যা হইছে। আল্লাহ প্রথমে বললেন কোরআন নাজিল করেছি কদরের রাত্রে। এরপরে গিয়ে বললেন ওদের রাত হাজার মাস থেকে উত্তম। এবার মিলান। প্রথম আয়াত আর হাজার মাসের আয়াত যদি মিলা যান এই অর্থ বেরিয়ে আসবে। এটা বুঝার জন্য আর বাইরে যাওয়া লাগে না। সূরার ভিতরেই সূরার অর্থ।
মানে সূক্ষভাবে আল্লাহ আমাদেরকে এটা বুঝাতে চাচ্ছেন। এ দুনিয়ার মানুষ শোনো জাহিলি যুক্ত তোমরা বুঝছো। এইজ অফ ইগনোরেন্স আইয়ামে জাহিলিয়া মারামারি কাটাকাটি খুন খারাবি দর্শন হত্যা মেয়েকে জীবন্ত কবর দিয়ে দেওয়া হ্যা। এতিমের এতিমের হক নষ্ট করা। গরীব দুঃখীরে মানে তারে মানুষ হত্যা করা কি না ছিল সেই জাহিলিয়াতে উলায় যা হইতো এখন জাহিলিয়াতে আখেরে আইয়াও এখন কি হচ্ছে না সব হচ্ছে অন্যায়ভাবে ফোন হচ্ছে না মানুষ ধর্ষণ হচ্ছে না সুদ ঘুষ চলতেছে না অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ হরণ চলতেছে না ছুরি চিন্তা ডাকাতি রাহাজানি কি হচ্ছে না সব হচ্ছে।
এই আসল জায়গাটা কিটা? আসল জায়গাটা এটা আপনারা দুঃখ নিয়েন না। আমি আল্লাহর কালামের একটু আমি বোঝার চেষ্টা করছি আপনাদেরকে বুঝাচ্ছি। কথাটা অন্যভাবে নিয়েন না। আমি একটা জিনিস সত্য আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। মজা লাগবে দরকার আছে এই যে যুগ যুগ ধরে মানুষ মানুষকে শাসন করে আসতেছে এখন পর্যন্ত কত আমরা আগে যারা বয়স পায় নাই তারা শাসন করেছে আমরা যাদের বয়স হইছে আমরা শাসন দেখতেছি আমাদের সরকারের শাসন দেখতেছি বাইরের শাসন দেখতেছি সারা বিশ্বের শাসন দেখতেছি চলতেছেটা কি কোন রাষ্ট্র যারা ক্ষমতাধর সমর শক্তি বেশি তার ক্ষমতা হলো আমার উপরে কেউ উঠতে পারবে না। যেই একটু গজাবে তারে মেরে নিবে। আমি এখানে কে ভালো কে মন্দ এটা বিশ্লেষণ করতেছি না। এটা আয়াতের একটা বিশ্লেষণ মানুষ যখন উপরে উঠে তখন সে চায় না তার উপরে আর কেউ উঠবে। দমন করে মারামারি কাটাকাটি যুদ্ধ একটা দেশ ওরে মেরে দিতে হবে।
সে কাফির আচ্ছা কোন কাফির দেশ সে যদি মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না লিপ্ত না হয় কোন কাফির ব্যক্তি কোন বিধান আছে নাকি তারে মেরে ফেলতে হবে সে ঘুমায় আছে জানেও না কিন্তু আমি বোমা মেরে তারে তার সব তসনচ করে দিচ্ছি এটা কোন শিক্ষা। তারপরে ধরেন আমি আবারও বলছি আমি সত্যিকার অর্থে ইসলাম এবং মুসলমানদেরকে ভালোবাসি সবার সাথে চলি কিন্তু নির্দিষ্ট কোন দলে একটিভভাবে কাজ করি কিন্তু তারপরেও কথাটা বলছি জাস্ট বুঝবার জন্য আমার বুঝ হওয়ার পর থেকে আমি আমাদের দেশে বিভিন্ন দলের একাধিক শাসন দেখলাম তারা কি করে ক্ষমতায় যারা যায় তারা কি করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে এটাই তো কাজ দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিবে দেশের স্বার্থে কাজ করবে যে শরীয়া রাখলাম শরীয়া আছে কেউ রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলেমা নাম্বার কোন দেশে একজন মুসলিম শাসক যদি শাসক হয় তার এক নাম্বার কাজ আগে মানুষকে নামাজী বানাবে।
যেদিন সে ক্ষমতায় বসবে ওইদিন প্রজ্ঞাপন জারি করে দিবে এই অঞ্চলের এই দেশের কোন অফিস আদালত বেনামাজি লোক থাকতে পারবে না যারা বেনামাজি হবে এরেস্ট করা হবে এটার কারণ কি এটার কারণ কি সূরা হজ আয়াত ৪১ মনে হয় আয়াতটা কত ভাই? ৪১ এর কারণ হল যত আমরা ওয়াজ করি যত ভালো খুতবা দেই যত নসিহত করি না কেন মানুষ যতক্ষণ আল্লাহমুখী না হবে মসজিদমুখী না হবে কোরআন হাতে না নিবে ততদিন তারি দিয়া ভালো কিছু আশা করা যাবে না আপনি অফিস করবেন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী হাজার হাজার লোক নিয়োগ দিয়া রাখছেন এই লোকগুলি নষ্ট এগুলি দুর্নীতিবাদ এগুলো খারাপ এগুলো মানুষের পকেটের টাকা চুরি করে এইখান থেকে বাচাইতে হলে আগে তারে নামাজি বানা।
এই তালকিন দিছে কোন শাসক আমি দেখি নাই দেখছেন আপনারা দিছে কর্মচারীরে যে এই অফিস ভূমি অফিস এখানে প্রধান যে বলবে যে নামাজ বাধ্যতামূলক দিছে ওখানে তো দুর্নীতি চলবে তারপরে এই ভিক্ষুক রমাজানে যায় না মসজিদ থেকে বালে ভিক্ষুক ঝড় ধরবে কয়টা ভিক্ষু আর মানুষ কত বাস করে যাকাত বের করো, ওদেরকে স্বাবলম্বলম্বী করে দাও। রাস্তায় বিখ্যাত তুলে নিয়ে হাঁটতে হবে কেন? এটা ইসলামের সমাজ না। যাকাত নিয়ে যাকাতের মালিক হাঁটবে। বলবে আমার যাকাত নেও। কিন্তু যেখানে ইসলাম সত্যিকারের ইসলাম আসবে। মানুষ বলবে না আমার যাকাত দরকার নাই। যাকাত দেওয়ার লোভ পাওয়া যাবে না। এটার নাম হইলো ইসলামী সময়। এখন থালি নিয়ে আপনার আপনাকে হাঁটতে দিবে না ঈদের মাঠে আর মসজিদে। এটা কিসের সময়? এমন কোন অপরাধ আছে যেটা হচ্ছে না।
এই জন্য এই কথাটা আমার সময় শেষ। যে আল্লাহ বলতে চাচ্ছেন কদরের রাত হাজার মাস থেকে উত্তম। তার মানে হচ্ছে জাহিলি যুগে যেমন মানুষ সমাজ খারাপ হয়ে গেছিল। আমি এই কোরআন নাজিল করেছি। এই কোরআন পড়ে পড়ে কিছু লোক তৈরি হয়ে গেল। এরা কাফির মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ করে ইসলাম বিজয়ী করল। সমাজে শান্তি কায়েম হয়ে গেল। শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়ে গেল। আবার পৃথিবী নষ্ট হয়ে গেছে। আল্লাহ এটা বুঝাতে চাচ্ছেন যে হাজার হাজার মাস থেকে যুগ যুগ ধরে যে অশান্তি দেখতে পাচ্ছ এটা মিটাইতে হলে আবার সেই কোরআনের কাছে আসো। তুমি কোরআন পড়। এটা হাজার হাজার মাসে যে তুমি যা কিছু দেখছো নিজে কোরআনের উপরে আমল করো। সমাজে কোরআনের বিধান চালু করো। আর যারা রাষ্ট্রে যাইবো তারাও এই কোরআনের সংবিধান দিয়া রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। সমাজে শান্তি এসে পড়বে এর বাইরে কোন উপায় নাই।
এই যে নির্বাচন নিয়ে কতদিন গেল তারপরে এখন জুলাইসি সনদ নিয়ে কতদিন যাচ্ছে এখন আবার আমার সময় শেষ মানে অবাক হয়ে যাবেন আমাদের দেশে কিছু সাংবাদিক আছে খুচা কথা বাইর করে কি খুচা খুচ কথা বাইর করে তো খুব বাইর করল তারপরে দেখল যে কোন কথাটা হিট করবে তখন এটা কাট করে কাট কটা কিছু ইউটিউবার আছে ফেসবু আছে ছড়াইয়া দিল দেখলো যে এটা হিট করবে সবাই ছড়াইয়া দিল এই যে এটা শেয়ার দেওয়া শুরু হইলো আর টোল শুরু হইলো মানে সংবাদিকের কাজ হইলো খুচাইয়া কথাবাই করা আর এডিটরদের কাজ হইল কাট কইরা একটা জিনিস নেওয়া আর কিছু ইউটিউবার ফেসবু আছে এটা ছড়াইয়া দিবে আর মানুষের কাজ হল সারাদিন এটা দেখবে আর এনালাইসিস করবে আখের দিন শেষে কিচ্ছু নাই।
আমার বিশ্বাস একটা সত্য কথা বলি এইবারের রমজানটা অনেক মানুষের নষ্ট হয়ে যাচ্ছে খালি। এই কি হচ্ছে না হচ্ছে এটা নিয়া খবর দেখতে দেখতে আলাপ করতে করতে। তেলাওয়াতের টাইম নাই, এবাদতের সময় নাই। আপনারা আমারে যা কন কন আমি নিজের থেকে বুঝি। আমারও মাঝে মাঝে মন চায় যে দেখি না একটু কে কি কইল কি এই যে নির্বাচন হইয়া গেল গা। মানে খালি এগুলা নিয়ে চলতাছে। হায়রে হায়। কিরে? জুলাই সনদ মানা হবে কি হবে না। আমি আপনাদের একটা কথা বলি। আমি আগেও বলছি আমি দল করি না। আপনি আওয়ামী লীগ করেন না, বিএনপি করেন না, জামাতে ইসলাম করেন এটা আপনার ব্যাপার। আমি কোন দলের দাওয়াতও দিচ্ছি না।
একটা কথা আমি বুঝছি ওটা আমি আপনারে বলছি। ধরেন আগের একটা সংবিধান আছে। কেউ বলতেছে ওইটা দিয়া দেশ চলবো। আবার অন্তর্বর্তী সরকার আইয়া একটা সম্মতিক্রমে আরেকটা জুলাই সনদ বানানো হইছে। তারা কেউ বলতেছেন যে এটা এড হইবো। আমি একটা প্রশ্ন করতে চাই। আগের সংবিধান হোক আর জুলাই সনদ হোক। এই দুইটাই কি আল্লাহর কোরআনের বিধান? কোরআনের বিধান। মানুষের তৈরি বিধান দিয়া যদি শান্তি আসতো আরো আগে আসতো। আমাদেরকে ঈমানদার হতে হবে আমাদেরকে মানতে হবে যে সংবিধান আল্লাহর কোরআন ১০০ বছর পরে যেদিন কোরআনের খেলাফত কায়েম হবে ওইদিন শাসন ব্যবস্থা আয়ত্তে আসবে এবং মানুষ শান্তি পাবে এর আগে কোন চমক দিয়ে শান্তি আসবে না। যে যাবে তার বাড়ি করবে কত আশা ভরসা নিয়া মানুষ আপনার সরকার একবার নামাইলো আরেকবার মানুষের দায়িত্ব দিল এখন কি খবর পাচ্ছেন হের এই সমস্যা হের এই সমস্যা শান্তি আইছে এখন যেই যাইবো এই দোষ এই দোষ এই সমস্যা আসল কথা দেশের মানুষ নষ্ট।
আমি শেষ করে দিচ্ছি আমি এই কথাটা বলতাম না বললাম কেন এটা সিয়ামের সাথে রিলেটেড সিয়াম হচ্ছে না তো আমাদের সমাজ নষ্ট মানুষগুলাই দুর্নীতিবাদ যারা চেয়ারে বসে আছে এরা মানুষরে চুষে খাওয়ার জন্য বসে আছে। একজন এমপি ধরেন এক দেড় লাখ টাকাদ লাখ টাকা নায়ত লাখ টাকা পা লাখ টাকা তার ইনকাম তাইলে পাচ বছরে সে কয় কোটি টাকা কামাবে কিন্তু সে যে ১০০ কোটি টাকা নির্বাচনে খরচ করল এটা কোথেকে আসব তারে আপনি ভোট দিয়া বা নির্বাচিত বানাইয়া কি আশা করতে পারেন সে তো আগে তার ১০০ কোটি টাকা তুলবে।
আল্লাহ হেফাজত করুক আল্লাহুম্মা আমিন এই ফেতনায় আমাদেরকে জরজরিত কইরা ফালাইছি তওবা করি আল্লাহর দিকে ফিরে আসি আর আমার বিনীত অনুরোধ আমি জোর হাতে অনুরোধ করতেছি রামাজানের অর্ধেকের বেশি সময় চলে গেছে কথাটা ঠিক কিনা রামাজানের বেশি সময় কিন্তু চলে গেছে অর্ধেকের বেশি যে কয়েকটা দিন আছে আমরা একটু ফারিক হই একটু তওবা করি আল্লাহ মুখে আরেকটু হই একটু স্পিডটা বাড়াই যাতে কয়েকটা মাস সামনে চলে এই অনুরোধটা রেখে আজকের মত শেষ আল্লাহ তৌফিক দান করুন।