আলহামদুলিল্লাহ বাংলাদেশ জমিত হাদিসের ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় এতিমখানা এবং আল্লামা আব্দুল কাদের কুরাইশী রহমান মডেল মাদ্রাসা ওর মুমিন আয়েশা বালিকা মাদ্রাসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল ক্যাম্পাসে অবস্থিত বায়তুল আবেদিন জামে মসজিদে উপস্থিত সমবেত সম্মানিত তাওহীদবাদী সুধী মুসলিম ভাতীবৃন্দ এবং আমাদের অত্যন্ত প্রিয় ছাত্রবৃন্দ শিক্ষক মন্ডলী এবং সম্মানিত সর্বসাধারণ আমাদের ভ্রতৃবৃন্দ আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সম্মুখে আল কোরআনুল কারীমের তিনটি আয়াতে কারীমা সূরা আল বাকারা থেকে এদিকে আপনার সূরা আল ইমরানের ১০২ এবং সূরা ইউনুসের ৬২ ৬৩ আয়াতে কারীমা পেশ করেছি ইনশাল্লাহ মুস্তাহিদ আয়াতে কারিমাগুলির তাফসীর বিশ্লেষণ ব্যাখ্যামূলক বর্তমান প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে কিছু আলোচনা করার চেষ্টা করব আমার তৌফিক ইল্লা বিল্লাহ সম্মানিত সুধীবৃন্দ আপনারা অবগত আছেন আজকের পবিত্র জিলহজ্জ মাসের আজকে ২৫ তম তারিখ ২৫শে জিলা ১৪৪৭ হিজরী এদিকে ২৯শে জৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ আবার ১২ই জুন ২০২৬ তো তিনটি তারিখেরই আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে এর পবিত্র জিলহাদ মাসের আমরা শেষ দিকে শেষে শেষ পর্যায়ে আমরা উপনীত হয়েছি তার মানে আমরা দুটি একটি বিশাল বিশেষ ইবাদত হজ এবং কুরবানি আমরা কিছুদিন পূর্বে আমরা সম্পাদন করলাম আলহামদুলিল্লাহ এবং সামনে কিন্তু আবার মহারম মাস তার মানে একেবারে জুলকদা জুলহিজ্জা মহাররম লাগাতার তিনটি মাস মহিমান্বিত নিষিদ্ধ পবিত্র মাস আল আশুর হুরু যাকে বলা হয় হারাম মাস কাজেই আমাদের কিন্তু হজ অতিবাহিত হয়েছে, কুরবানি অতিবাহিত হয়েছে।
কিন্তু আমাদের সামনে কিন্তু বা এখনো কিন্তু আমরা মহিমান্বিত মাসের মধ্যেই আমরা আছি। আলহামদুলিল্লাহ। আবার এদিকে মনে করুন আমরা আষাড় মাসের দ্বারপ্রান্তে ষষ্ঠ মাসের আজকে ২৯ তারিখ। আষাড় মাস বলতে গেলে আপনার বর্ষা ঋতুর প্রথম মাস। এবং যেটা আমরা জানি যে অবিরাম বৃষ্টিপাত হবে আল্লাহ ইনশাআল্লাহ অবিরাম বৃষ্টিপাত হবে প্রকৃতি আপনার সৌন্দর্য লাভ করবে এদিকে আবার নদ নদী ভরা যৌবন লাভ করবে আবার জুন মাসের বৈশিষ্ট্য যে গৃসবকালের এটি আবার প্রথম মাস তো সামগ্রিকভাবে সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমরা অত্যন্ত মানে গুরুত্বপূর্ণ একটা অবস্থানে আমরা বর্তমানে অবস্থান করছি। এই যে বিশাল বলছিলাম দুটি এবাদত আমরা শেষ করলাম। একটি হজ এবং কোরবানি দুটির লক্ষ্যই কিন্তু কাছাকাছি।
দুটি আপনার স্মৃতি বিজড়িত রয়েছে মুসলিম মিল্লাত উম্মতের জাতির পিতা আবুল আম্বিয়া নবীদের পিতা যিনি ছিলেন ইব্রাহিম খালিলুল্লাহি বিজড়িত দুটি এবাদতই কেন্দ্র তো সম্মানিত তাওহীদবাদী সুধী মুসলিম ছাত্রীবৃন্দ আমরা এই দুটি এবাদত থেকে কি শিক্ষা নিয়েছি সেটা আলোকে কিছু কথা বলবো আমরা কুরবানি দিয়েছি আলহামদুলিল্লাহ কুরবানির উদ্দেশ্য কিন্তু শুধু পশু জবাই করার খাওয়া খাওয়ানো বিতরণ করা এটাই উদ্দেশ্য ছিল না উদ্দেশ্য হল যে আল্লাহর জন্য আপনাকে আত্মত্যাগ আল্লাহর জন্য নিজেকে কুরবানি পর্যন্ত করে দিতে হবে ইব্রাহিম খাই কি বলেছিলেন ইয়া বুনাইয়া ইন্নি আরফিল বানাম আমার কলিজার টুকরা সন্তান আমি স্বপ্নে দেখলাম যে আমি তোমাকে জবাই করতেছি বল তুমি কি অভিপ্রায় কি তোমার বক্তব্য কি বলেছিলেন পুত্র আব্বাজান আপনি আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপধান করুন আমাকে জবাই করে ফেলুন আল্লাহর পথে আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন এটি ছিল কুরবানির শিক্ষা আপনি প্রয়োজনে নিজেকে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে দিবেন সমর্পণ করে দিবেন আল্লাহর জন্য সম্মানিত সুধীবৃন্দ যেমনটা আমরা শুনেছিলাম বা পড়েছি আল্লাহতালা কেবলমাত্র
মুত্তাকদের কবুল করেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কেবলমাত্র তাকওয়াবানদের কুরবানি কবুল করবেন কেবলমাত্র যারা তাকওয়াবান তাদের তিনি হজ কবুল করবেন আসলে যেকোন এবাদত কিন্তু আপনার কবুল হওয়ার শর্ত সেখানে তাকওয়া থাকতে হবে এখলাস থাকতে হবে আমি আজকে আপনাদের সম্মুখে সংক্ষিপ্ত খোঁজ পাই তাকওয়ার উপর কিছু কথা বলতে চাই তবে তার আগে একটি কথা বলতে চাই যে ঈমানের কিন্তু একটা শ্রেষ্ঠ রূপ হল তাকওয়া ঈমানের সর্বোত্তম একটা অবস্থান হল তাকওয়া। এজন্য আমাদের ঈমানের অর্থ জানতে হবে, ঈমানের তাৎপর্য জানতে হবে, ঈমানের দাবি জানতে হবে। আর তারই সাথে ঈমান কি কাজ করলে ঈমানকে সংরক্ষিত করা যায়, ঈমানকে বৃদ্ধি করা যায়, ঈমানকে হেফাজত করা যায়, ঈমানকে শক্তিশালী করা যায়।
আবার কি কাজ করলে ঈমান বিনষ্ট হয়ে যায়। কাজে ঈমানের দাবি কি? ঈমানের অন্যতম দাবি তাকওয়া। মনে রাখবেন আল্লাহ কথা তিনি বলছেন বিশ্বাসী আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সমগ্র আল কোরআনুল কারীমে বার আহবান করেছেন ইয়াুহাল্গ ঈমানদারগণ ইত্তাকুল্লাহ আল্লাহকে ভয় কর। তাহলে বোঝা গেল প্রত্যেক ঈমানদারকে আল্লাহকে ভয় করতে হবে। ঈমানের দাবি হল তাকওয়া। তবে আপনার ঈমান পরিপূর্ণ হবে। আপনি ঈমানদার কালেমা পড়েছেন। সালাত আদায় করেন না। আপনি কি মুসলিম? আপনি কি মুমিন? প্রশ্ন উঠে না। আপনি হজ করেন না, যাকাত প্রদান করেন না। এগুলা সব আমলগুলি ঈমানের দাবি। ঈমানকে পূর্ণতা এনে দিবে। ঈমানকে আপনার পূর্ণতা এনে দিবে। বিশেষ করে তাকওয়া এথা আল্লাহ বলছেন ইয়াু্লাজনা হে ঈমানদারগণ আল্লাহকে ভয় কর প্রকৃত অর্থে একেবারে যেটা প্রকৃত ভয় লোক দেখানো না লৌকিকতা না একদম হৃদয়ের মনিকোঠা থেকে আল্লাহকে ভয় করতে হবে আসলে লে এ তাকওয়ার দাবির উপর আজকে আমি কথা বলব।
ঈমানের দাবি আছে বা তাকওয়ার দাবি আছে। তো সম্মানিত সুধীবৃন্দ তাকওয়ার দাবি। আপনারা তাকওয়া কাকে বলে? তাকওয়া বলে আপনি আল্লাহর আজাব থেকে আল্লাহর অসন্তুষ্টি থেকে আল্লাহর ক্রোধ থেকে নিজেকে বাঁচাবেন। জাহান্নাম থেকে নিজেকে বাঁচাবেন। এটি হল তাকওয়ার দাবি। আর সেটা ঈমানের দ্বারা সম্ভব হয়। এবং সেটা মনে রাখবেন সেটা দুইভাবে হয়। তাক অর্জন দুইভাবে হবে। একটা হলো মহান আল্লাহর সমুদয় আদেশ, তার যাবতীয় আদেশকে মান্য করতে হবে। যত ফারায়েজ ওয়াজেবাত আল্লাহ তাালার আদেশ সমূহ সব আপনাকে পালন করতে হবে এবং যত নিষিদ্ধ মুহাররমাত এবং মানহিয়াত সমস্ত নিষিদ্ধকে বর্জন করতে হবে এই দুইভাবে তাকওয়া অর্জন হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ একটা হল যে তার সমস্ত আদেশকে পালন করতে হবে সালাত আপনি নামাজ পড়েন না বিরাট মুত্তাকী আপনি।
নাউজুবিল্লাহ। রমজান মাসে সিয়াম পালন করেন না। আর আপনি মুত্তাকী। হজ্ব ফরজ হয়েছে হজ করেন না। যাকাত ফরজ যাকাত প্রদান করেন না। পিতামাতার প্রতি সৎ ব্যবহার করেন না। আপনার চরিত্র নষ্ট। আপনি একদম দুশ্চরিত্র লোক। আপনি ঈমানদার? আপনার আচরণ খারাপ। আপনি ঈমানদার? প্রশ্ন উঠে না। এজন্য আমাদের তাকওয়াবান হতে হবে। সম্মানিত আমি আপনাদের সম্মুখে বলেছিলাম যে আল কোরআন কারীম থেকে তিনটি আয়াতে কারীমা সবগুলা তাকওয়ার উপর আমি পেশ করেছি। যেহেতু আমাদের এখানে আসলে কয়েক ক্যাটাগরির আমাদের আজকে উপস্থিতি রয়েছেন এখানে। একটা ক্যাটাগরি আমাদের ছাত্র স্টুডেন্ট। আমাদের মডেল মাদ্রাসার আমাদের এতিমখানার আমাদের বালিকার ছাত্রী ওখানে নাই ইনশাল্লাহ একদিন হয়ে যাবে দোয়া করবেন অচিরে ইনশাল্লাহ এখানে একটা সুন্দর মসজিদ নান্দনিক বহুতল ভবন মসজিদ হবে ইনশাআল্লাহ সেদিন হয়তো আমাদের শুধু বালিকারাই থাকবে না এলাকার আমাদের মা বোনদেরও সালাতের ব্যবস্থা থাকবে ইনশাল্লাহ আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট তারাও রয়েছেন আরো তারা আসবেন এবং আমাদের সর্বসাধারণ বিভিন্ন ব্যবসায়ী কর্মকর্তা কর্মচারী আমাদের মুসলিম ভ্রাতীবৃন্দ তারাও এখানে আছেন।
এজন্য আজকে সকলকে লক্ষ্য করে কিছু কথা বলার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ। আমি প্রথমে যে আয়াতে কারিমা পাঠ পেশ করেছি সূরা বাকারা। এটা আমি প্রথমত ছাত্রদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই। কোরআন কাউকে বাদ দেয় নাই। সবাইকে উদ্দেশ্য করে কথা বলেছেন। একজন মহাবিজ্ঞানী আল্লাহতা তাকেও সম্বোধন করেছেন। আল্লাহ তাআলা কৃষক তাকেও সম্বোধন করেছেন। একজন ব্যবসায়ী আল্লাহতালা তাকেও সম্বোধন করে কথা বলেছেন। একজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার তাকেও আল্লাহ তাআলা উদ্দেশ্য কথা বলেছেন। একজন রাজনীতিবিদ তাকেও আল্লাহতালা উদ্দেশ্য করে কথা বলেছেন।
আপনাদের সম্মুখে যে আমি সূরা আল বাকারা আয়াতে কারীমাটি পেশ করেছি এটা বিশেষ করে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তোমাদের মত তালেবে এলেম স্টুডেন্ট ছাত্র সমাজকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলছেন হে তালেবে এলেমরা অথবা হে শিক্ষক মন্ডলীরা অথবা হে ছাত্ররা আল্লাহকে ভয় কর্লাহ আল্লাহ বলছেন তবে তিনি তোমাদেরকে জ্ঞান দান করবেন সুবহানাল্লাহ যদি আল্লাহকে ভয় করো তিনি তোমাদেরকে জ্ঞান দান করবেন সুতরাং জ্ঞান অর্জনের একটি শর্ত যে আল্লাহকে ভয় করতে হবে আপনি আল্লাহকে ভয় না করেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে জ্ঞান দান করবেন না এবং আল্লাহ বলছেন আর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সব বিষয়ে তিনি সম্মুখ ধারণা রাখেন জ্ঞান রাখেন মহাজ্ঞানী তিনি আল আল্লামুল খাবির মহাজ্ঞানী আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামনলামা বলছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামন ক্ষুদ্র একটা কারিমাতে আল্লাহ রাব্বুল আলামন তিনবার তিনি আল্লাহ শব্দ বলে তিনবার উল্লেখ করেছেন তিনবার আল্লাহ শব্দটি উচ্চারিত হয়েছে তিনটা তিন উদ্দেশ্য।
প্রথমটা হল যে আপনার ওত্তাকুল্লাহ যেটা আপনার সর্বপ্রথম উচ্চারিত হয়েছে সেটা হল আপনার তাকওয়ার উপরে আল্লাহ রাব্বুল আলামন গুরুত্ব আরোপ করেছে। তাকওয়া অবলম্বন করো। তাকওয়া অর্জন কর। আর দ্বিতীয় বিষয়টা হচ্ছে আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়েছে তিনি মহান নেয়ামত দানকারী এলেমের নেয়ামত তিনি দান করবেন সম্মানিত তিন নাম্বার আল্লাহতালা মহাজ্ঞানী তার আজমত তার জানা তার বড় তার মহানত্ব এটা আল্লাহতালা বুঝাতে চেয়েছেন যে তিনি হলেন সারা বিশ্বের সবকিছু সম্পর্কে তিনি মহা জ্ঞানী এজন্য আমাদের ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যে তোমরা যদি এলেম অর্জন করতে চাও শরীয়তের এলেম অর্জন করতে চাও তোমাদেরকে তাকওয়াবান হতে হবে ছাত্রজীবন থেকে চরিত্রবান হতে হবে এই যে তোমরা কোরআন পাঠ করতেছো কোরআন মুখস্ত করতেছ কোরআন পড়তেছো কোরআন পড়াচ্ছ আর কোরআনকে বুঝার জন্য এই যে তোমার গ্রামার নাহুস, বালাগাত, আদব, ফালসাফা, তাফসীর, আদব যত কিছু এলেম আছে এ সমস্ত এলেম অর্জন করা তোমার এবাদতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে।
সুবহানাল্লাহ। এজন্য আমাদের ছাত্রদের বলতে চাই যে তাকওয়াবান হবা, চরিত্রবান হবা। এখন থেকেই নিয়মিত সালাত আদায় করতে হবে। তুমি ছাত্র কোরআনের হাফেজ কিন্তু ঠিকমত সালাতই আদায় করো না তুমি একটা কলঙ্ক কলঙ্ক সম্মানিত সুধীবৃন্দ ইমাম শাফি রহমতুল্লাহ আলাই চিন্তা করছেন কত বড় তিনি ইমাম ছিলেন যে ইমাম আহমদ হাম্বল বলেছেন কেয়ামত পর্যন্ত যত মুসলিম আসবে প্রত্যেকের উপরে এবার শাফির অনুগ্রহ আছে প্রত্যেকে শাফির উপরে ঋণ ইমাম শাফি বলতেছেন আমি ইমাম ওস্তাদের নিকটে আমার শীতে শক্তির দুর্বলতার কথা বললাম পড়ি স্মরণ থাকে নাকি তিনি আমাকে নসিহত করলেন যে বাবা পাপ পাপের কাজ ছেড়ে দাও পাপাচার ছেড়ে দাও আর আমাদের ছেলেরা তোমরা নাউজুবিল্লাহ তোমরা অন্যের জিনিস চুরি করো অনেকে আমি ভালোভাবে বলছি না ভালোভাবে বলছি নির্দিষ্টভাবে না আর সেভাবে আমার নির্দিষ্টভাবে কারো জানাও নেই বিভিন্ন জায়গায় যে ঘটনা তোমরা কলম চুরি করো টাকা চুরি করো অনৈতিক কাজে জড়িত থাকো তো তুমি তো ছাত্র নামের কলঙ্ক ছাত্র নামের কলঙ্ক তোমার চরিত্র হবে একেবারে
যেটা ইসলামে আদর্শ ফুলের মত পবিত্র যেটা কথায় বলে না ওটা না বাস্তবে হবে ফুলের মত পবিত্র হবে তুমি যেন মালাকুন কারিম তুমি যেন পৃথিবীতে চলমান একজন আল্লাহর ফেরেশতা তুমি চলতেছ নিষ্পাপ আমি প্রথমে বলতে চাচ্ছিলাম যে তাকওয়ার অর্থ যদি এই নয় যে আপনি কোন পাপ করবেন তাকওয়ার অর্থ এ নয় যে আপনার দ্বারা কোন পাপ হবে না। পাপ হবে। কিন্তু আপনি পাপের উপরে অবিচল থাকবেন না। অটুট থাকবেন না। মুহূর্তে আপনি ঘুরে দাঁড়াবেন। ফিরে আসবেন। এটাই হল তাক দাবি। সম্মানিত সুধীন। পাপ করেছেন সাথে সাথে ইস্তেগফার, সাথে সাথে তওবা। সাথে সাথে ঘুরে দাঁড়াবেন আল্লাহ রাস বলেছেন যে ব্যক্তি পাপ থেকে তওবা করে তার এমনটা পাপ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে সে যেন কোন অন্যায় করে নাই এজন্য আমরা বলছিলাম যে স্টুডেন্ট লাইফ থেকে তোমাদের নিজেকে গড়তে হবে তোমার ব্যক্তিত্বকে এখান থেকে গঠন করতে হবে তাকওয়ার উপরে থাকতে হবে।
সর্বদিক দিয়ে তুমি একটা আদর্শ স্টুডেন্ট। তোমার গ্রামবাসী বলবে ছাত্ররা বলবে শিক্ষকরা বলবে মহল্লাবাসী বলবে তুমি যেখানেই যাবে এই ছেলে আলহামদুলিল্লাহ। আল্লামা আব্দুল কাফের কুরাইশি মডেল মাদ্রাসার ছাত্র। এই ছেলে কেন্দ্রীয় এতিমখানার ছাত্র। আচরণে প্রকাশ পাবে। মামা শাফি বলতেছেন আমি আমার ওস্তাদকে বললাম য আমার স্ৃত শক্তি দুর্বল স্মরণ থাকে না মনে থাকে না ভুলে যাই তিনি আমাকে বললেন বাবা পাপ ছেড়ে দাও আল্লাহ যিনি কোন পাপীকে দান করেন না এজন্য সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমাদের বিশেষ করে ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যে তোমাদের দের তাকওয়াবান হতে হবে শৈশব থেকে শৈশব থেকে এই যে কোরআনের হাফেজ যার সিনার মধ্যে কোরআন সুবহানাল্লাহ এতো আপনার মানে একটা আলোকিত ব্যক্তি শুরু থেকে আলহামদুলিল্লাহ এজন্য আমি বলতে চাই আমাদের প্রত্যেক ছেলের নীতি নৈতিকতা আদর্শ স্বভাব চরিত্র আচরণ আচরণ সবকিছুই আপনার একেবারে ওই যে লোকমান আলাইহিস সালামের যে নসিহত ইয়া বুনাইয়ালা তুশরিক বিল্লাহ আব্বাজান আমার ছেলে কলিজার টুকরা খবরদার জীবনে শিরক করবে না আলহামদুলিল্লাহ আমাদের ছেলেরা শিরকু মুক্ত আলহামদুলিল্লাহ আহলে হাদিসের সন্তানরা শিরক মুক্ত বেদাত মুক্ত ওরস পূজা মুক্ত মাজার পূজা মুক্ত আলহামদুলিল্লাহ এজন্য সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমি বলেছি আমি তিনটি আয়াতে কারিমা পেশ করেছি।
আমি তিন ধরনের লোককে আমি তিন ক্যাটাগরির আজকে উপস্থিতিকে আমি আজকে সম্বোধন করব কথা বলতে চাই। এবার বলতে চাই সম্মানিত সুধীবৃন্দ যে আমাদের দেশের অধিকার সুযোগ বিশাল একটা জনগোষ্ঠী। অলি আউলিয়াকে কেন্দ্র করে তারা বিভ্রান্ত হয়ে গেছে। অলি আউলিয়াকে অলি আউলিয়ার ব্যাপারে তারা সীমাহীন বাড়াবাড়ি। তারা মনে করবে অলি আউলিয়ারাই বুঝি আমাদের রিজিকদাতা আমাদের এবাদতের যোগ্য আল্লাহর আসন আমরা অলি আউলিয়াকে দিয়ে দিছি। নাউজুবিল্লাহ। এজন্য অলি আউলিয়াদের প্রতি আমাদের কি অধিকার। কি হক।
তাদেরকে কতটা সম্মান করব কতটা মর্যাদা দিব সবকিছু আল্লাহ রাব্বুল আলামন সীমারেখা বলে দিয়েছেন সম্মানিত আল্লাহ রাব্বুল আলামন তিনি বলেন খবরদার রাখবে আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ আউলিয়া আল্লাহ বন্ধু হবে কোন টেনশন নাই কোন ভয় নাইন কোন ভীতি নাই তারা কারা? আল্লাজিনা আমানুকতা আল্লাহ বলছেন তারা ঈমানদার এবং তারা মুত্তাক আপনার মধ্যে যদি দুটা গুণ থাকে ঈমান থাকে তাকওয়া থাকে আপনি নিজে আল্লাহর অলি হয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ সম্মানিত ইবনে তাইমিয়া রহমা্লাহ অত্যন্ত চমৎকার কথা বলেছেন তিনি বলতে সিদ্দিক রহমতুল্লাহ বলেন কত অসংখ্য আল্লাহর মহা সত্যবাদী বান্দা সিদ্দিকি তারা রাজকীয় লেবাসে থাকেন রাজকীয় লেবাস উপরে পটি একেবারে মনে করেন যে দামি পোশাক পরিচ্ছদ অত্যন্ত মানে প্রথম শ্রেণীর ক্যাটাগরি লেবাসে তারা থাকেন অথচ তারা সিদ্দিক আবার কত পুরাতন চট পড়ে থাকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন পুরাতন কাপড় পড়ে থাকে মনে হয় যে আল্লাহর ওলি অথচ সে জিন্দিক সে মুরতাদ নাস্তিক কবর পূজক আর মাজার পূজ চমৎকার কথা বলেছেন সুতরাং বিশ্বনবী বলেছেন আতাকহাওয়া হল মানুষের হৃদয়ের মধ্যে তাকওয়া।
শুধু যে লম্বা পোশাক আর লম্বা এটা ঠিক আছে। এগুলা ইসলামে সমর্থিত করবেন। কিন্তু ওটাই কিন্তু মানদণ্ড নয়। মানদন্ড হল তাওহীদ। মানদন্ড হল সুন্নাহ। আপনি যতক্ষণ তাওহীদের উপরে আছেন সুন্নাহর উপরে আছেন আপনি তাকওয়ার উপরে আছেন কিন্তু আপনি মাশাল্লাহ সুন্দর লেবাস সুন্দর দাড়ি পাগড়ি হাতে লাঠি হাতে তসবি ভিতরে তাওহীদ নাই ওই মাজার পূজারী এরা আপনার পশ্চিৎকালে সফল কাম হতে পারবে না এবং এরা ইসলামে প্রবেশ করতে পারেনি এজন্য সম্মানিত সুধী বৃন্দ অলি আউলিয়া কেন্দ্রিক আমাদের যে ভুল ধারণা আপনি নিজেই অলি আউলিয়া হয়ে যাবেন যদি আপনি খালি ঈমানদার তাকবান হয়ে যান নিজে আপনি আল্লাহর ওলি হবেন কিন্তু অলি আউলিয়ার ব্যাপারে এ ধরনের আপনার খারাপ ধারণা যে তারা আলেম গায়েব তারা গায়েব জানে তারা আপনাকে উদ্ধার করে দিবে।
তাদের কবরে গেলে আপনি বরকত অর্জন করবেন। এ সমস্ত ঈমান বিধ্বংসী আকিদা থেকে আপনাকে আমাকে সরে আসতে হবে। সম্মানিত সুধীবৃন্দ আর আরেকটা আয়াত যেটা পড়েছিলাম সম্মানিত সুধীবৃন্দ আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন এবার আল্লাহতালা সবাইকে বলছেন ঈমানদার আল্লাহকে ভয় কর্থেল মুসলিম মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না তার কারণ মৃত্যু আমাদের হাতে নয় আল্লাহর হাতে। তারপর আল্লাহ বলছেন খবরদার মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। তার কারণ মুসলিম না হয়ে যদি মৃত্যুবরণ করো তোমার সে অনন্ত পরকালের জীবনটা নষ্ট হয়ে যাবে। তোমাকে জাহান্নামে যেতে হবে। আজীবন তোমাকে জাহান্নামের অধিকারী হতে হবে। এজন্য সম্মানিত তাকওয়া আমাদের পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান একটা সম্পদ সম্মানিত।
আমি তাকওয়ার উপর আপনাদের সামনে আরেকটু একটা আয়াত পেশ করতে চাই। আসলে তাকওয়ার উপরে আল কোরআন কারীমে এত আয়াত আছে। এত আয়াত আছে যে বলতে গেলে আপনার কয়েকটা জুমার খুতবার প্রয়োজন হবে। একটি জুমার খুতবায় তো সবগুলো আলোচনা সম্ভব না। আমি কিছু মৌলিক কিছু দিক আলোচনা করতে চাই। একটি বিষয় আলোচনা করতে চাই সম্মানিত শ্রোতাবৃন্দ। আমরা পৃথিবীতে কিন্তু অনেক অন্যায় করি। আমাদের পরিবারের জন্য এটা মনে রাখবেন আমরা অনেক অন্যায় করি আমাদের পরিবারের জন্য আমি মনে করি যে আমার মৃত্যুর পরে আমার ছেলেদের কোথায় রেখে যাব সন্তানদের কোথায় রেখে যাব সুতরাং আমাকে দুর্নীতি করে হলো হারাম করে হলেও আমাকে বাড়ি গাড়ি করে যেতে হবে আমাকে বাড়ি গাড়ি করে যেতে হবে ব্যাংক ব্যালেন্স রেখে যেতে হবে আমার মৃত্যুর পরে আমার সন্তানরা যেন সুখে থাকে তখন আমরা আল্লাহকে ভুলে যাই হালাল হারামকে ভুলে যাই আল্লাহ রাব্বুল আলামন এত একটি চমৎকার তিনি কথা বলে গেছেন সম্মানিত সুধীবৃন্দ আয়াত একটু পড়েন আল্লাহ রাব্বুল আলামন
তিনি অত্যন্ত চমৎকারভাবে বলছেন সদা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সূরাতুন নিসার আপনার ৯২ নাম্বারতে তিনি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যে আল্লাহ যারা তাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ভয় করে যে আমি এদেরকে কোথায় রেখে যাব সব তো দুর্বল এ ছোট ছোট বাচ্চা ছোট ছোট ছেলে মেয়ে এরা কি খাবে কি করবে কাজে দুর্নীতি করে কাজে হারাম উপার্জন করে আল্লাহ বলছেন না তুমি যদি তাকবান হয়ে থাকো তাদের দায়িত্ব আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিয়ে নিলাম সুবহানাল্লাহ আপনি চুরি করে দুর্নীতি করে লুটপাট করে হারাম উপার্জন করে বিশাল অট্টালিকার বাড়িঘ করে গেলেন আপনার মৃত্যুর পরে সেগুলো থাকবে কোন গ্যারান্টি নাই কিন্তু আপনার যদি তাকওয়া থাকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্বয়ং তিনি বলছেন আমি রব্বুল আলামন তোমার সন্তান সন্ততিদের দায়িত্ব নিয়ে নিলাম সুবহানাল্লাহ সম্মানিত সুধীবৃন্দ আপনারা জানেন সাইয়েদুল মুহাদ্দিসিন আমিরুল মুমিননাফিল হাদিস হাদিস সম্রাট ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহ আলাইহি তিনি অন্ধ হয়ে গেছেন গেছিলেন শৈশবে বাল্যকালে অন্ধ ছিলেন অন্ধ হয়ে গেছিলেন কিন্তু তার মা জননী তার মা সুবহানাল্লাহ আল্লাহর কাছে কান্না কর রব্বুল আলামিন আমার তো একটা ইচ্ছা ছিল একটা নজর মেনেছিলাম যে রব্বুল আলামিন আমার পুত্র ইসমাইল মোহাম্মদকে আমি বিশ্বনবীর হাদিসের খাদেম তৈরি করব সুবহানাল্লাহ রব্বুল আলামীন তুমি আমার কলিজার টুকরা মোহাম্মদের চোখের জ্যতি ফিরিয়ে দাও।
ওকামে কোরআনের হাফেজ বিশ্বনবী সুন্নাহর হাফেজ তৈরি করবে। এ মহিলার কান্নাকাটি শুনতে শুনতে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামন একদিন স্বপ্নে মহিলা দেখেন ইব্রাহিম খাললা তাকে সুসংবাদ প্রদান করতেছেন মহিলা শোন তোমার অত্যধিক কান্নাকাটি আর অত্যধিক মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করার কারণ আল্লাহ পাক আলামিন তোমার ছেলের চোখের জ্যতি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ। তিনি ঘুম থেকে উঠে বাচ্চাকে ডাকতেছেন। তিন বছরের বাচ্চা বাবা মোহাম্মদ উঠো। ছেলে উঠে বসে আম্মাজান আমি তো আপনাকে দেখতে পাচ্ছি। সারা পৃথিবী দেখতে পাচ্ছি। সুবহানাল্লাহ। >> মায়ের দোয়া।
সম্মানিত সুধীবৃন্দ মায়ের দোয়ায় আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন ছেলের চোখের আলো ফিরিয়ে দিলেন এই ছেলেকে নিয়ে কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হয়নি সম্মানিত সুধীবৃন্দ কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হয় নাই কোন ডাক্তারের সাধ্য ছিল না যে চোখের জ্যোতি ফিরিয়ে দিবেন কিন্তু তার মায়ের দোয়া আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন কবুল করলেন আর চোখের আলো ফিরিয়ে দিলেন সুবহানাল্লাহ এবং আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন তার মাধ্যমে ইলমে ইলমে হাদিসের এত বিশাল খেদমত নিলেন সহীহ বুখারী কিতাবুল্লাহর পরে কোরআনে কারীমের পরে আল্লাহর জমিনে সবচেয়ে বিশুদ্ধ আর সহি গ্রন্থ আলহামদুলিল্লাহ এই সহি গ্রন্থ সহি বুখারী বেদাতিদের কোমর ভেঙে দিয়েছে মাজার পূজারীদের কোমর ভেঙ্গে দিয়েছে হাদিস অস্বীকারকারীদের লাজবাব করে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়ে দিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ আমরা অহংকার করে বলতে পারি আলহামদুলিল্লাহ আহলে হাদিসরা আমরা অত্যন্ত অহংকার করে বলতে পারি আলহামদুলিল্লাহ আমাদের প্রত্যেকটি আমল সহি বুখারীর দ্বারা প্রমানিত ইমামের পিছনে ফাতেহা জোরে আমিন আর রফুল এদান আর কাঁধে কাধ পায়ে পা মিলিয়ে দাঁড়ানোর হাদিসগুলি আমলগুলি যেগুলা আমল করি
আমাদের ভাইয়েরা করে না সবগুলা সহী বুখারী মুসলিমের বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত আলহামদুলিল্লাহ আমাদের ভাইয়েরা যেগুললা বর্জন করে আমল করে না তারা এমনি একটা বিছায় বলে যান এটা বাতিল অমুক অমুক অমুক ভিত্তিহীনভাবে কারণ কি প্রথমত কারণ তাদের ভিতরে আল্লাহর ভয় নাই তাকওয়া নাই আর দ্বিতীয় কারণ তারা মনে করে আমার মাযহাবকে রক্ষা করা আমার জন্য বেশি জরুরী আমার পীর পীরের তরিকা এটাকে রক্ষা করতে হবে এটা বেশি জরুরি এজন্য সম্মানিত সুধীবৃন্দ আল্লাহকে ভালোবাসুন আর বিশ্বনবীর সুন্নাহকে ভালোবাসুন তাহলে কি হবে আমি এবার আপনাদের বলি সম্মানিত সুধী আল্লাহতালা কোরআনে কি বলেন ইন্নাল্লাহি হিব্বুল মুত্তাকিন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকওয়াবদেরকে তিনি ভালোবাসেন শুধু তাই নয় সম্মানিত সুধীবৃন্দ সহীহ মুসলিমের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যখন আপনাকে ভালোবাসবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামন জিব্রল আমিনকে ডাকবেন জিব্রল আসুন শুনুন শোন জিব্রল আমি আল্লাহর অমুক বান্দাকে ভালোবাসি সুবহানাল্লাহ চিন্তা করছেন আপনি এই বাইপাইলের এলাকার বাসিন্দা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মনে করুন আপনার নাম আব্দুর রহমান আল্লাহ
রাব্বুল আলামিন জিবরল আমেরকে ডেকে বলবেন এই বাইপাইলের আব্দুর রহমান যার পিতার নাম অমুক আমি তাকে ভালোবাসি সুতরাং হে জিবরীল আপনি তাকে ভালোবাসেন বলুন সুবহানাল্লাহ >> এবার জিবরীল আমিন যিনি আকাশে আহবান করবেন নোটিশ দিয়ে দিবেন হে আকাশবাসী ফেরেশতা মন্ডলী আপনারা শুনে রাখুন আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি তার অমুক বান্দাকে ভালোবাসেন সুতরাং আপনারা সবাই তাকে ভালোবাসেন সুবহানাল্লাহ এবার সকল আসমানবাসী সকল ফেরেশতা মন্ডলী বলবেন হে রব্বুল আলামন আপনার অমুক বান্দাকে আমরাও ভালোবাসি সুবহানাল্লাহ অতঃপর সারা পৃথিবীবাসীর মধ্যে ব্যক্তি মহব্বত মানুষের মনে মনে আল্লাহ ঢুকা দেন সুবহানাল্লাহ এজন্যই সবাই তখন তাকেও ভালোবাসে আপনি কেন ভালোবাসবেন আপনার সাথে কি তার কোন ব্যবসায়িক সম্পর্ক আছে? কোন বৈবাহিক সম্পর্ক আছে? কোন ব্লাড বা রক্তের কানেকশন আছে? কিচ্ছু নাই? কি সম্পর্ক? আল্লাহর জন্য।
যেহেতু তিনি মাশাল্লাহ আল্লাহর একজন নেক বান্দা। আল্লাহর একজন মুত্তাকী বান্দা। আল্লাহর একজন ভালো আল্লাহর দায়ী, দ্বীনের দায়ী, ভালো একজন আলেম। তিনি দ্বীন প্রচারে ব্যস্ত। এজন্য আপনি তাকে ভালোবাসেন আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তার গ্রহণযোগ্যতা সারা পৃথিবীবাসীর মধ্যেও আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাড়িয়ে দিবেন সম্মানিত সুধীবৃন্দ তো বলছিলাম সম্মানিত সুধীবৃন্দ যে আমাদের হৃদয়ের যদি তাকওয়া না থাকে এটা একটা উজার গৃহ এটা একটা নষ্ট গৃহ মনে করে এই হৃদয় কোন দাম নাই হৃদয়ে আল্লাহর মহব্বত রাখবেন মুমিনদের প্রতি ভালোবাসা রাখবেন আর তাওহীদ রাখবেন শুধু হৃদয়ে তাওহীদ এখানে কোন নেফাক থাকবে না এখানে কোন কুফরি থাকবে না এখানে কোন মানুষের প্রতি হিংসা বিজনেস থাকবে না এখানে থাকবে আপনার নূর নূরা নূর ঈমান আর কোরআনের আলো থাকবে সুন্নাহর প্রতি মহব্বত থাকবে সম্মানিত সুধীন আপনারা সে ঘটনাও জানেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি একদিন হাদিস শোনালেন কিয়ামত কবে হবে? এক সাহাবী রাস কিয়ামত কবে হবে? বিশ্বনবী বললেন আমার প্রিয় সাহাবী কিয়ামতের তোমার কি প্রস্তুতি আছে তুমি জিজ্ঞেস করয়ামত কবে হবে? সাহাবী বলছে আমার খুব বেশি প্রস্তুতি নাই।
আমার বেশি সলাত নাই, বেশি যাকাত নাই, বেশি দানশীলতা নাই, বেশি নাই, নাই। কিন্তু একটা আমল আছে। রাসল্লাহ আল্লাহ রাস আমি আপনাকে ভালোবাসি এই একটি আমল আমার আছে আলহামদুলিল্লাহ বিশ্বনবী বললেন মানুষ যাকে ভালোবাসবে তার সাথে সেই কেয়ামতের হাশর হবে সুবহানাল্লাহ আপনি যদি প্রকৃত অর্থে বিশ্বনবীকে ভালোবাসেন তাহলে ইনশাআল্লাহ বিশ্বনবীর সাথেই আপনি জান্নাতে সাক্ষাত লাভ করবেন ইনশাল্লাহ কিন্তু শুধু মুখে মহাব্বত মুনাফেকের মত ইয়া নাবী সালাম আলাইকা আর মনে করেন যে মাশাল্লাহ আপনি বিশ্বনবীর বিশাল একজন প্রেমিক হয়ে গেলেন কিন্তু বিশ্বনবীর সুন্নাহ প্রতি মহব্বত নাই বিশ্বনবীর হাদিসের প্রতি মহব্বত নাই বিশ্বনবী হাদিসের প্রতি আমল নাই আপনি মিথ্য প্রতারক ভন্ড মুনাফে কাজে আসবে না সম্মানিত সুধী এজন্য বিশ্বনবী মহব্বত করতে হবে সাহাবা কেরামের তরিকায় আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ মুহাম্মদ এই দরুদ পাঠ করতে হবে বানাটি দুরুদ পড়ে লাভ হবে না।
কিয়াম করে কোন লাভ হবে না। সম্মানিত সুধীবৃন্দ আসুন সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমরা যে বিশাল বিশাল দুটি এবাদত ছেড়ে আসলাম হজ এবং কুরবানি আগামীতো মহাররম মহাররম মাসের আলোচনা শুনবেন ইনশাল্লাহ। মুসা সালাম কিভাবে তিনি আল্লাহর কারিশমায় আল্লাহর কুদরতে এই লাঠি দ্বারা প্রহার করে সাগরে কিভাবে তিনি সেই প্রচন্ড আপনার মনে করেন যে উত্তাল তরঙ্গলা সমুদ্রকে তিনি আপনার কিভাবে দ্বিখন্ডিত করে শুকনা রাস্তা আল্লাহ বের করে দিয়েছিলেন কিভাবে তারা পার পেয়ে গেছিলেন আর ফেরাউন তার জুলুস তার লস্কর সৈন্যবাহিনীকে সকলকে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন কিভাবে তাদেরকে পানিতে ডুবায়া নিঃশ্বাস করেছিলেন এ মহাররম মাস আগামী আসতেছে সেখানেও সিয়াম আছে ও সিয়াম পালন করবেন আর এ মহাররম মাসে যে মিথ্যা তাজিয়া সে আলোচনা শুনবেন ইনশল্লাহ আমি আজকে সেদিকে যাচ্ছি না শুধু এতটুকু বলতে চাই মহারম পবিত্র মাস জুলহিজ্জা পবিত্র মাস এ পবিত্র মাসগুলিতে অন্যায় করা মানে আপনার মহাপাপ আরো বেশি ছোট গুনাহ করলে কাবিরা হয়ে যাবে সম্মানিত সুধী আল্লাহতালা আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুন।
আল্লাহুম্মা আমিন