আলহামদুলিল্লাহ প্রশংসা মাত্র সেই করুণাময় আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার জন্য যার অশেষ মেহেরবানীতে আমরা এই পবিত্র দিনে পবিত্র মসজিদে উপস্থিত হতে পেরেছি এজন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালার দরবারে জানাই লাখো লাখ বসিয়ে শুকুর আলহামদুলিল্লাহ অসংখ্য দরুদ তাসলিম বর্ষিত হোক আখেরি পয়গাম মানবজাতির মুক্তির দিশারী জনাবে মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের উপর আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদি ওয়ালা আ মুহাম্মদ কামা সাল্লাতালা ইব্রাহিম ওয়ালা আই ইব্রাহিম হামিদ মাজিদ আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদি ওয়ালা মুহাম্মদ কামালা ইব্রাহিম ওয়ালা আই ইব্রাহিম স আল্লাহুম্মা আল ইসলাম দনুন কামিলুন ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান মানুষের জন্য ইসলামে এমন কিছু নেই যেগুলা কোরআন সুন্নাহয় বর্ণনা করা হয়নি।
প্রত্যেকটি বিষয় আল্লাহ তাআলা যেমন কোরআনে বর্ণনা করেছেন এর ব্যাখ্যা হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের আনিত বাণী হাদিস গ্রন্থে সেগুলা স্পষ্ট আকারে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এর অনুসরণ করে সাহাবীগণ তাবেঈগণ তাবে তাবেগণ এর সাথে আইম্মাতুস সালাম যারা দ্বীনের খেদমত করে গেছেন ইনারা এর ব্যাখ্যাগুলাও স্পষ্ট আকারে স্পষ্ট করেছেন এজন্য আল্লাহ বলছেন কিতা আল্লাহর এই গ্রন্থে আল্লাহ তালা কিছুই ছাড়েননি প্রত্যেকটি বিষয় উল্লেখ করেছেন এর ব্যাখ্যা আমরা পাই হাদিসে হাদিস মানেই কোরআন কোরআন মানে হাদিস মহান আল্লাহ বলেন যে ব্যক্তি রাসূের আনুগত্য করবে তিনি যেন আল্লাহর আনুগত্য করবেন যদিও কোরআন আমরা সালাতে পড়ি এর ফজিলত ভিন্ন তারপরও ওহী হিসাবে আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত যে গ্রন্থ এবং তার সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যা বলেছেন এগুলা ওহী তিনার ব্যক্তিগত কোন মতামত বলেননি মহান আল্লাহ বলে আতলা আজকে দিনে আমার দনকে পরিপূর্ণ করলাম পূর্ণাঙ্গ করলাম মরণত করলাম ইসলামকে আমরা পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট হয়েছি ইন্নাদিনাল্লাহ ইসলাম ইসলাম একমাত্র জীবন বিধান যাকে পেয়ে মুসলিম জাতি খুশি এবং এর প্রতি সন্তুষ্ট।
ইসলাম ব্যতিকে অন্য কোন দন ধর্ম আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। যে বা যারা যেই দন নিয়ে থাক না কেন অমুসলিম হিন্দু ইহুদি খ্রিস্টান অগ্নিপূজক ইসলাম ব্যতিকে অন্য কোনদিন ধর্ম আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। আল্লাহ বলছেন কেউ যদি ইসলাম ব্যতিকে অন্য কোন দিন খুঁজে বেড়ায় অন্বেষণ করে আল্লাহ সেটিকে কবুল করবেন না তিনি পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন এজন্য আব্বাস বিন আব্দুল মতালা তিনি বলেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেন সেই ব্যক্তি ঈমানের সাদা সাধন করেছেন। যিনি তার প্রতিপালককে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছেন। দ্বীন ইসলামকে বেস সন্তুষ্ট হয়েছেন। এবং শেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে সন্তুষ্ট হয়েছেন। তিনি মূলত ইসলামের আসল সবাদ আস্বাদন করেছেন।
এজন্য আমার আজকের যে বিষয়টি তা হলো ইসলাম যে পরিপূর্ণ বিধান এ বিষয় নিয়ে কোরআন সুন্নাহ কি বলছে এর সম্পর্কে যদিও খুতবার সময় যতটুক তাতে হবে না তারপর আমি সংক্ষিপ্ত আকারে এ বিষয়টি আপনাদের মাঝে উপস্থাপনা করার চেষ্টা করব যাতে ইসলাম মানুষ গ্রহণ করে এবং ইসলাম আমরা মানি এটি যে একটা স্বচ্ছ দিন এর প্রতি আপনাদের বিশ্বাস ঈমান থাকলে আপনার ইহকাল পরকাল কল্যাণ হবে। ঈমান হল ইসলাম হল দন তাওহীদ ঈমান আকিলা।
এজন্য একটু পূর্বেই ইমাম সাহেব আছেন সাথে সাথে আমার শ্রদ্ধেয় ভাই দেলোয়ার ভাই উনার থেকে শুনলাম যে নবী রাসূলগণ যে দাওয়াত দিয়ে গিয়েছিলেন অনেকের নাকি প্রশ্ন আছে যে নবী রাসূলগণ তাদের দাওয়াতে ব্যর্থ এ কথা কেউ যদি বিশ্বাস করেন আর বলেন তাহলে আপনি মূলত ইসলামের গন্ডি থেকে বের হয়ে যাবেন অত্যন্ত কঠিন জটিল বিষয়গুলা কারণ যখন আপনি বলবেন এমন একটা কথা বলবেন যদি না জানেন তাহলে তাকে আমরা বলব তিনি ইসলাম সম্পর্কে জানেন না তাকে দ্বীন থেকে বের করে দিব না তবে জেনে শুনে কেউ যদি বলে যে নবীরা সম্পদ তাদের দাওয়াতে ঠিকভাবে পৌঁছাননি অথবা গাফলিতে করেছেন অথবা তার কথা কেউ শুনেননি নেই বিধায় তিনি ব্যর্থ লোক এ কথা যদি কেউ জেনে শুনে বলেন তাহলে উনার দিন থাকবে না।
কারণ আমরা দেখেছি নূহ আলাই সাললাম সম্পর্কে কিয়ামতের দিন। আল্লাহতালা যখন জিজ্ঞেস করবেন তার উম্মতকে ডেকে তার অনুসারীকে ডেকে বলবেন যে তোমাদের কাছে কেউ গিয়েছিল কি? কোন না গিয়েছিলেন? উনারা উত্তর দিবেন যে না আমাদের কাছে কোন নাবী আসেনি। আমাদের কেউ দাওয়াত দেয়নি। দেখেন কি একটা সাচ্চা মিথ্যা কথা। এখন উনি যখন বলে দিয়েছে তার সম্প্রদায়েরা নূহ আলাইহি সালাম তালা ডাকবেন যে আচ্ছা তুমি নাকি দাওয়াত দাওনি তোমার উম্মতেরা বলছে যে আমাদের কাছে কোন নবী রাসূল আসে নাই তো তুমি এখন প্রমাণ করো তুমি দাওয়াত দিয়েছো এটা কথা প্রমাণ করো তোমার সাক্ষীটা কি নূহ আলাই সালাম বলবেন আমার সাক্ষী হলেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এবং তার উম্মতেরা কেন আমরা সাক্ষী সূরা নহ নামে একটা সূরা রয়েছে আমরা এটা পাঠ করি যা তিনি দাওয়াত দিয়েছেন আল্লাহতালা বলেন আল্লাহতাার ভাষায় তিনি বলছেন আমি রাতদিন ধরে আমার উম্মতকে আমি ডাক দিয়েছি কিন্তু আমার কথা তারা দেয়নি তারা করে তিনি বেচে গেলেন এজন্য বিদায় হজের ভাষণে বলেছিলেন যে ও সাহাবা তোমরা যারা আছো আমার সম্পর্কে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তালা তোমাদের জিজ্ঞেস করবেন সে সময় তোমরা কি উত্তর দিবে আল্লাহ রাস সলামকে তারা চমৎকার সুন্দরভাবে উত্তর দিয়েছিলেন যে আপনার দায়িত্ব যা আছে এটা আপনি পালন করেছেন।
এর সাথে যা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আমানতের বিষয়গুলো আপনি হক আদায় করেছেন। উম্মতদের উৎকৃষ্ট নসিহত করেছেন আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সলাম হাত উঁচু করে তিনি বলেছিলেন আল্লাহুম্মাদ হে আল্লাহ তুমি সাক্ষী থাকো। তিনি বারবার এ কথাটি তিনবার বলেছিলেন। কারণ তিনি সাক্ষী করেছেন আল্লাহকে যাতে আমরা কেয়ামতের দিন না বলি যে আমাদের কাছে কোন নবী আসে নাই। এইজন্য তিনি সাক্ষী করেছেন আল্লাহকে আমরা কেউ যদি বলি যে আমাদের কাছে কোন নবী যায়নি দাওয়াত দেয়নি তাহলে কিন্তু আমরা ধরা খেয়ে যাব। এজন্য আপনি এখন বলতে পারেন যে আমাদের মাঝে নবী রাসূল আমরা দেখে নেই।
আমরা কি করে তাকে মানবো? তাকে মানবেন না মানে কোরআন আপনার কাছে স্পষ্ট রয়েছে হাদিস আপনার স্পষ্ট রয়েছে যা স্পষ্ট আকারে আপনার কাছে বলা হয়েছে আল্লাহ রাসল তোমাদেরকে আমি স্পষ্ট দিনের প্রতিষ্ঠিত করলাম রেখে গেলাম এটি হল দিন যেমন অস্পষ্ট নয় স্পষ্ট রাত যেমন এর ভেতরে কোন স্পষ্ট অস্পষ্টতা নাই বরং রাত দিন সমান এই দ্বীন ইসলাম তোমার কাছে স্পষ্ট আকারে বলে গেলাম যদি কেউ এই ইসলাম দীনকে গ্রহণ না করে তাহলে নিঃসন্দেহে তিনি ধ্বংস হয়ে যাবেন তিনি টিকবেন না তা আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু সলাম আমাদের দীন ইসলামের উপরে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন আমরা এ বিষয়ে জানি যদি তারপরও কেউ না মানে তাহলে উনার কাছে সেটা বর্তাবে এজন্য আমরা দ্বীন ইসলামকে আমরা পেয়েছি তাওহীদ ঈমান ঈমান মানে এক নাম্বারে যে বিষয়টি বলছিলাম ঈমান স্বচ্ছ ঈমান তাওহীদ আপনার প্রতিষ্ঠা করতে হবে আরেকটা এখানে প্রশ্ন চলে আছে আমরা যখন খেলাফত খেলাফতের কথা আমরা অনেকে বলি আমরা বলতে থাকি আবার অনেকে আমরা বলি যে
খেলাফতের দায়িত্ব মনে হয় আপনাকে এখন নিতে হবে এটা আপনাকে বলা হয়নি নবী রাসূলদের দায়িত্ব কর্তব্য আলেম ওলামার উপর রয়েছে ইনারা সঠিক দিনগুলা মানুষের মাঝে পৌঁছে দিবে এটা দায়িত্ব কর্তব্য আমাদের যদি আমরা কোরআন সুন্নাহ জানার পর না বলি কিয়ামতের দিন আমরা আল্লাহর কাছে ধরা খাবো এজন্য স্বচ্ছ দিন সঠিক দিন মানুষের মাঝে পৌঁছাতে হবে আপনার দায়িত্ব নয় যেটা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে নবী রাসূলগণ কোন সময় ক্ষমতা নেওয়ার জন্য তারা দাওয়াত প্রচার করেননি কোন কোন নবী রাসূল এসেছেন ইবনে আব্বাস বলছেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেন কোন কোন নবী রাসূল এসেছিলেন যার সাথে কেউ ছিল না আবার কাউর সাথে একজন অথবা দুইজন আবার কাউর সাথে একটি জামা আবার কাউর সাথে অল্প কিছুই ছিল না এভাবে বলা হয়েছে আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যখন দেখলেন যে একটা বড় জামাত আসছে জিব্রল আমিনকে জিজ্ঞেস করলেন এরা কারা তিনি বললেন যে এরা হল মুসা আলাইহি সাল্লাম এর সম্প্রদায় তারপরে এর থেকে অনেক বড় জামাত
দেখলেন এরা কারা তিনি বললেন এটা হল তোমার উম্মত এটাই হল তোমার জামাত তাহলে এই দায়িত্ব কর্তব্য আলেম ওলামার উপর রয়েছে তাওহীদ প্রচার প্রচার করা আকিদা প্রচার করা ঈমান প্রচার করা এগ দায় দায়িত্ব প্রকৃত আলেম যারা এদের রয়েছে তাই আল্লাহ রাস আমরা জানি ওলামা আম্বিয়া নবী রাসূলের পরে যারা প্রকৃত আলেম ওলামা এরা মূলত ইসলামগুলা মানুষের মাঝে স্বচ্ছ ইসলাম কি আছে এগুলা পৌঁছে দিবে এই দায় দায়িত্ব আমাদের এ কর্তব্য বর্তমান আমরা দেখেছি তাওহীদের কথা বলা যেমন কঠিন ঈমানের কথা বলা যেমন কঠিন এখন বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলছে যে আসলেই অনেক মানুষ মনে হয় ইসলামের ব্যাপারে সন্দেহীন হয়ে পড়েছে তাদের সন্দেহ তারা প্রকাশ করে যা আপনি দেখছেন আমি এই বাংলাদেশের কথা বর্তমানে আমি বলতে চাই যে বাংলাদেশের বুকে মসজিদ মাদ্রাসা থাকার কারণে বাংলাদেশ টিকে আছে বাংলাদেশের বুকে মসজিদ মাদ্রাসা থাকার কারণে বাংলাদেশ টিকে আছে।
না হলে আজকে বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যেত। আর প্রকৃত এই সালাফী আলেম ওলামা যারা কোরআন সুন্নাহ প্রচার করছে এদের কারণে বাংলাদেশ টিকে আছে। কারণ আল্লাহর বাণী ওয়াদা সত্য নাই। আল্লাহর বিরুদ্ধে এই বাংলাদেশে অনেক মাজার তৈরি হয়েছে। যা খামখা তৈরি হয়েছে সেখানে আল্লাহর সাথে ষড়যন্ত্র করা হয়। যে সবথেকে বড় পাপ করা হয়, আল্লাহর সাথে শেরক করা হয়। এ শেরেকি কাজ যদি কেউ করে তারা কোনদিন টিকতে পারবে না। কিন্তু আমাদের দাওয়াতের কারণে আল্লাহ তালা টিকে রেখেছেন। পবিত্র কোরআনে তিনটি কথা আল্লাহ তালা উল্লেখ করেছেন। তার ভিতরে এক নাম্বার দাওয়াতের কথা উল্লেখ করেছেন যে যারা সৎ কাজের আদেশ করে অন্যায় থাকা নিষেধ করে।
আরেকটা গ্রুপ আছে চুপ থাকে। দেখে না দেখে ভাজ করে চুপ থাকে। আরেকটা গ্রুপ পাপ করে পাপ করে যেমন ধ্বংস হয়। চুপ থাকলেও সে ধ্বংস হবে। আপনি বেঁচে যাবেন। যদি হকটা প্রচার করেন হক বলে দেন তাহলে আপনি বেঁচে যাবেন। আপনার বাড়ি পাশে কবর মাজার পূজা হচ্ছে। আপনি বলবেন কিছু না করতে পারলে বলবেন ভাই এই স্থানে যে কাজগুলা হয় এগুলা অন্যায় হয়। আপনি যতটুক পারেন আপনার সাধ্য মত আপনি দাওয়াতি কাজ করবেন। যদি আপনি চুপচাপ থাকেন আর আপনার কাছে শেরকেত কেউ কাজ করে আর আপনি জেনে শুনে চুপ থাকেন তাহলে কিন্তু আপনিও বাঁচবেন না। এটা বাঁচারও কোন পথ নেই।
এজন্য আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য যে বাংলাদেশে যা চলছে এগুলা বলে দেওয়া। যদি না বলি তাহলে আল্লাহ তাালার কাছে আমাদের ধরা খাতে হবে। কারণ এইযে তাওহীদ আকিদার কথা বলতে হলে আপনাকে প্রথম যেতে হবে আল্লাহর ভালোবাসা। ইসলাম পরিপূর্ণ হয়েছে। ইসলাম পরিপূর্ণ হয়েছে এর ভিতরে কিছু প্রবেশ করার আমাদের নেই। আল্লাহ বলছেন ইন্নালানা মহান আল্লাহ বলেন যে ব্যক্তি ঈমান এনেছে স্বচ্ছ ঈমান এবং আমলে সহা করেছে এই ব্যক্তিকে আল্লাহ তালা ভালোবাসবেন এবং তার প্রতি স্নেহ করবেন তাকে মহব্বত করবেন ভালোবাসবেন দেখেন কি সুন্দর একটি কথা যিনি ঈমান এনেছেন আমলে সহা করবেন এই ব্যক্তিকে আল্লাহতালা মদ করবেন মদ অর্থ আসে স্নেহ করা ভালোবাসা শ্রদ্ধা করা অনেক কিছু অর্থ আছে।
যিনি ঈমান এনেছেন ঈমানকে ঈমানের কথা বলা হয়েছে এ ঈমানের অর্থ অন্য আয়াতে আল্লাহ বলছেন আল্লা যারা ঈমান এনেছে ঈমানের সাথে মিশ্রিত করেনি এই ব্যক্তি দুনিয়াতে কল্যাণকামী মানুষ হবে শান্তিভাবে জীবনযাপন করবে হেদায়েত প্রাপ্ত হবে এবং পরকালে হেদায়েত প্রাপ্ত লোকটি জান্নাতুল ফেরদৌস পেয়ে তিনি খুশি হবে তাহলে আজকে বাংলাদেশের বুকে আমার মাস্টারসে তিসের কাজে আমি গিয়েছিলাম চট্টগ্রামে চট্টগ্রামে প্রায় তিন শর্ত মাজার আছে এক এলাকায় ১২ মাজার আছে সেখানে বলা হয় ১২ আউলিয়ার দেশ সেখানে ১২টি নাকি আউলিয়া আছে তার ভিতরে বায়েজিদ বোস্তামি এরও মাজার আছে আচ্ছা বলেন তো বায়েজিদ বোস্তামি বাড়ি কোথায় আর আপনার দেশ মাজার করে রাখছে আপনার জ্ঞান বুদ্ধি কোথায় গেছে কোথায় আপনার জ্ঞান বুদ্ধি এগুলা ব্যবসায়ী কেন্দ্র যারা নিজের দুনিয়ার জন্য ব্যবসা করছেন ইনকামের পথ খুঁজে বের করেছেন ঈমানহারা হয়েছেন তাদের জন্য আল্লাহ তালা সুসংবাদ দিচ্ছেন যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশ স্থাপন করবে আল্লাহতালা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিবেন এজন্য আপনি দেখতে পাবেন
যে যদি শেরক কথা না বলা হয় তাওহীদের কথা না বলা হয় ঈমানের কথা বলা না হয় আকিদার কথা না বলা হয় তাহলে আপনি ধ্বংস হবেন আমিও ধ্বংস এজন্য বলতে হবে নবী রাসূ দাও এটাই ছিল আমাদেরকে এটাই সংশোধন করতে হবে আমরা এখনো পারিনি কয়জন মানুষ বাংলাদেশের মধ্যে কয়জন মানুষ আকিদা বুঝে বলেন তো কয়জন মানুষ বুঝে কয়জন মানুষ তাওহীদ বুঝে তাওহীদ অর্থটাই সে বুঝে না তাওহীদ যদি অর্থ সে বুঝতো ঈমানের অর্থ বুঝতো তাহলে আজকে কচিনকালেও মসজিদে থাক কবর থাকতো না আপনার বাংলাদেশের বুকে অনেক মসজিদের ভিতরে কবর আছে মাজার আছে আপনাকে আমি বুঝাইতে পারব না আমার বুঝার কোন ক্ষমতা নেই এখন আপনি বলবেন যে শেরেকের কথা ঈমানের কথা তো আমরা শুনে আছি এটাই শোনাইতে হবে আপনাকে আপনার ঈমান যদি চাঙ্গা হয়ে যায় আপনার তাওহীদ প্রতিষ্ঠা হয়ে যায় আপনার ঈমান যদি মজবুত হয় তাওহীদ মজবুত হয় তাহলে ইনশল্লাহ আপনি সবথেকে শ্রেষ্ঠ মানুষ হবেন ইনশাল্লাহ এজন্য তাওহীদের কথা বলতে হবে
কেন আপনার বাংলাদেশে যখনযে ক্ষমতা যায় তিনি তখন শেরক দিয়ে দেশটাকে চালু শুরু করে আপনি আমি যদি না বলি আলেম ওলামা যদি না বলে যে এ কাজটা অন্যায় হল এটি শেরেক হয়ে গেল তাহলে আমরা কেউ বাচবো না এটা বলতে হবে উনার কাছে যাক উনার করণ কহরে প্রচুর পৌছে যাক এ কথাগুলা যে এই কথাগুলো আর না এগুলা শরকের কাজ এগ ত্যাগ করতে হবে এজন্য প্রথম ইসলামের পূর্ণাঙ্গতা হল তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করা আপনার জীবনের সার্বিক বাদ বন্দেগী আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সংক্ষিপ্ত আকারের তাওহীদ তাওহীদ তিন প্রকার আছে আপনারা জানেন এষ আমার বলার দরকার নেই তাওহীদ সিফাত এ সম্পর্কে আপনাদের যথেষ্ট জ্ঞান আছে ঈমান সম্পর্কে আপনাদের যথেষ্ট জ্ঞান আছে আমি এতটুকুই বলব যে স্বচ্ছ ঈমান নিয়ে যিনি জীবন যাপন করবেন তিনি আল্লাহর ভালোবাসা পাবেন তার ভেতরে তিনি পূর্ণাঙ্গ ইসলাম প্রতিষ্ঠার একটি কাজ করলেন আল্লাহ যেন আমাদের সে তৌফিক দান করেন আমিন দ্বিতীয় নাম্বারে দ্বিতীয় নাম্বার যে বিষয়টি তা হলো আল
ওয়াজু ওয়াজ অর্থ ওলামাগণ বলছেন যে আপনার আল্লাহর ভয়ভীতি আপনার ভিতরে থাকতে হবে ইসলাম পূর্ণাঙ্গের ভিতরে একটি বিষয় আল্লাহর ভয়ভীতি আপনার থাকা লাগবে যে আপনি যে কোন আমল করুন না কেন আপনার অন্তর এটি থাকা লাগবে যে আল্লাহ তালা আমাকে দেখছেন আপনার আল্লাহ তাালার পর্যবেক্ষণে আমি আছি আমার মুখ দিয়ে যা কথা হচ্ছে গোপনে কি করছি প্রকাশে কি করছি প্রত্যেকটা বিষয় আল্লাহর এলেমে রয়েছে এটি আপনি যখন জানবেন আপনি সুস্থ মানুষ হবেন আপনি কল্যাণকামী মানুষ হতে পারবেন কারণ আপনি অন্যায় কাজ কখনো আপনি করতে যাবেন না যখন আপনি জানবেন আল্লাহ তাআলা আপনাকে দেখছে যে আল্লাহতালা দেখে আছেন আমি যা কিছু করি আপনি মুখে যা বলছেন তা তিনি শুনছেন তা সবকিছু লিপিবদ্ধ হচ্ছে আমলে যা করছেন তাই তিনি দেখছেন তিনি লিপিবদ্ধ করছেন এজন্য আল্লাহ বলছেন আপনি আমি মুখ উচ্চারণ যাই করি না কেন ভালো করি মন্দ করি সবগুলা রেকর্ডিং হচ্ছে আর সংরক্ষণ করা হচ্ছে এজন্য হাদিস জিব আল্লাহ রাস জিবল আমিন
জিজ্ঞেস করছিলেন হে আল্লাহ রাসূ মহাম্মদ সলামটা কিসান কি একটু বলে দেন তো তিনি বললেন সেটি পর্যবেক্ষণ হল সেটি তুমি যখন এবাদত বন্দেগি করবে তখন তুমি মনে করবে আল্লাহকে আমি দেখছি যদিও দুনিয়াতে বান্দা আল্লাহকে দেখতে পারবে না তারপর তার অন্তরে থাকবে য আল্লাহকে যেন আমি দেখছি সেটি যদি অন্তরে না আসে তাহলে তার অন্তরে আসবে এটি না আসলে সে অন্তত ভাববে যে আল্লাহতালা আমাকে দেখছেন এই কথা যদি ভাবা যায় তাহলে এই ব্যক্তিটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামের ইসলামের অনুসরণ করতে তাকে সাহায্য করবে এবং তিনি অবশ্যই ভালো কাজে তার মনোযোগ আসবে।
তাহলে দুই নম্বরে আমরা যিনি পেলাম ওলামা যা ব্যাখ্যা করছেন এটি যে আপনাকে সার্বক্ষণিক জানতে হবে যে আমরা আমরা সবাই আল্লাহর এলেমে আছি ভালো করি মন্দ করি যা কিছু করি আল্লাহ তালা দেখছেন এই আকিদার আকিদা এখন যদি আপনি বলি তাহলে নতুন কথা বললেন ইহুদিদের নিকটে আল্লাহতালা আসমান জমিন সৃষ্টি করলেন তাদের কথা যে আল্লাহ আসমান জমিন সৃষ্টি করলেন সৃষ্টি করে নিজে জানেন না ইহুদের আকিদা ইহুদি যারা এদের আকিদা যে আল্লাহ তালাকে তারা জাহেল বলে ইহুদিরা আল্লাহ তালাকে জাহেল বলে নাউজুবিল্লাহ এই আকিদার আকিদা গ্রহণ করেছে এই শিয়ারা ফেদায় আল্লাহকে জাহেল বলে ওরা বলে যে একটি কাজ না করা হলে যখন কাজ করা হয় তখন আল্লাহ তালা জানেন কোন কাজ করা হলো তারপরে জানেন তারা আগে জানেন না তাদের এগুলা আক তাদের বইয়ের মধ্যে বদ্ধ এসব কথাবার্তা আপনার আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে আল্লাহ তালা সবকিছু আপনার বিষয়ে জানেন এটা আপনার অন্তরে যখন থাকবে তখনই আপনার কাজগুলা ভালো হবে এবং
আপনি চুরি করেন বা অন্যায় করেন অপকর্ম করেন যাই করেন তখন আপনার ভয় হবে আল্লাহ তালা দেখছেন দুনিয়ার কেউ না দেখলে আল্লাহ তালা আপনাকে দেখছেন এটা আপনার অন্তরে থাকা লাগবে তৃতীয় নাম্বারে আলফার কোনটা আম কোনটা কাজ কোনটা নেকের কাজ বুঝব কি করে ইসলাম পূর্ণ হওয়ার জন্য আপনার আমল গ্রহণ হল কি হল না দেখার একটা বিষয় আছে এইজন্য প্রথমেই যে কথাটি বলা হয়েছে যে এখলাস খালেস অন্তরে আল্লাহর জন্য এবাদত বন্দেগি করা খালেস অন্তরে সালাত পড়বেন খালিস অন্তরে হজ করবেন। খালিস অন্তরে সিয়াম করবেন। খালিস অন্তরে যাকাত দিবেন। খালিস অন্তরে আল্লাহর উপর ভরসা করবেন। খালিস অন্তরে আল্লাহকে ভয় করবেন।
খালিস অন্তরে সন্তান সন্ততি দেখবেন। আপনার দায়িত্ব কর্তব্য যেগুললা শরীয়ত আপনার বিধান দিয়েছে এ কাজগুলা খালি অন্তরে করবেন। দেখবেন আপনার জন্য কল্যাণ হবে এবং কবুল হবে। দ্বিতীয় নাম্বারে আইয়াকুনা যে কাজটি করবেন মুতাবে রাসুল যাতে এ কাজটি রাসূ সলামের অনুসরণের মাধ্যমে হয় তৃতীয় নাম্বার যা বললেন যে সঠিক আকিদার মাধ্যমে হবে তাহলে অন্য আমল আর আমল যেটা কবুল হয় এ কবুলের ভিতরে কি করে আপনি বুঝবেন যে আমলটা খালি সন্তান আল্লাহর জন্য হয় রাসূ সলা সলামের সুন্নাতের অনুসরণ হয় আর যেটি স্বচ্ছ আকিদার মাধ্যমে হয় এই আমলটি কবুল হবে এই ছাড়া যদি অন্য কোন কেউ আমল করে তাহলে আল্লাহর কাছে কবুল হবে না হবে এখন আসছে রবিউল আউয়াল আসবে রবিউল আউয়াল মাসে অনেক কাজ করেছি এর আগে হয়েছে হয়েছে যে আপনি যদি রবিউল আউয়াল মাস এ আপনার আল্লাহ রাসূ সাল্লামের মিলাদ মাহফিল করেন তা আপনাকে দেখতে হবে যে এটি কি শরীয়তে আছে কি নাই শরীয়তে না থাকলে যতই করেন আপনি কিছু কবুল হবে না।
এজন্য যে কাজটি আপনি করবেন যাতে সুন্নাত অনুযায়ী হয় না হলে বেদাত হয়ে যাবে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন জন্য না হলে হয়ে যাবে। আর বাতিল বিশ্বাসে বিশ্বাসী হলে বাতিল হয়ে যাবে এবং সেটি নষ্ট কুফরি হয়ে যাবে। কাছে কবুল হবে না। এজন্য আল্লাহ বলছেন আল্লাহতালা বলেন যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সাক্ষাৎ কামনা করে সে যেন আমার সহ করে আর আল্লাহর এবাদতের সাথে অন্য কাউকে অংশ স্থাপন না করে। আল্লাহকে আপনি আমি যদি দেখতে চান আপনি আমি যদি দেখতে চাই আল্লাহকে পরকালে দেখতে চান জান্নাত পেয়ে দেখতে চান তাহলে নিঃসন্দেহে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে খালি অন্তরে তাওহীদ প্রতিষ্ঠা আল্লাহর জন্য এবাদত বন্দেগী বেদাতি কাজগুলা ত্যাগ করতে হবে কোন সময় কোন ক্রমে আপনার আমল যাতে কোন শেরক নিশত আমল না হয় কোন ক্রমে যাতে আপনার আমলে বেদাত বেদাতি আমল না হয় কোন ক্রমে এমন কাজ করবেন না যে কাজের কারণে আপনার আকিদা নষ্ট হয়ে যায় এ কাজ আপনি করতে যাবেন এ কাজ করলেই আপনি পরকাল হারা হয়ে যাবেন।
আবু হুরায়রা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম বলেন, কিয়ামতের দিন ও ব্যক্তি আমার সুপারিশ পেয়ে ধন্য হবে যার জীবনে তেলেশ মাত্র সামান্য মাত্র শেরেকের কোন শেরেক মিশ্রিত আমল নেই। তাই রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে বলা হলে তিনি বললেন ওই লোকটি যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশ স্থাপন করেনি এই ব্যক্তি ইনশাআল্লাহ আমার সুপারিশ পেয়ে ধন্য হবে। এগুলা কোন কাউর ব্যক্তিগত মতামত না। এগুলা কোরআন সুন্নাহর কথা। বিধায় আপনাকে আমাকে এই জন্য আমাদের এত কথা হয় যে আপনার আকিদা এবং তাওহীদ সুন্নাত যে আমল করেন এই কথাগুলো আমরা অনেক শুনে আসছি। আলহামদুলিল্লাহ আপনারা শুনেছেন। আর আমি যে বিষয়টি বললাম এই বিষয়টি এর ভেতরে অন্তর্ভুক্ত।
ইসলাম পূর্ণাঙ্গ হওয়ার জন্য এই বিষয়গুলা যে পরিপূর্ণ যিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করবেন এবং মানবেন এই কাজগুলো আপনাকে করতে হবে। চার নাম্বারে আমি খুব বেশি মানে যদি ব্যাখ্যা করি তাহলে আমি বলতে পারবো না। আপনি স্পষ্ট করে আমি বিষয়গুলা শুধু একটু বুঝ চার নাম্বার আল্লাহ আমরা আমাদের দেশে আমরা যার দায়িত্বে আছেন যারা বিশেষ করে যারা ক্ষমতায় আছেন ইনারা অনেকেই দন বুঝে না। দন বুঝলেও আবার অনেকে হটকারি করে। মনে রাখতে হবে ইসলাম পরিপূর্ণ করার জন্য শরীয়তের বিধি বিধান চালু করতে হবে।
যদি শরীয়তের বিধান জানাশোনার পরে চাল না করে তাহলে আল্লাহর কালামে সেটিকে বলা হয়েছে কারমবিল আল্লাহর বিধিবিধান যেগুলো আছে জেনেশুনে চালনা করে যদি তারা অস্বীকার করে বসে আর কাজ না করে তাহলে স্পষ্ট যা কোরআন সুন্নাহ বলা হয়েছে তাই আল্লাহতালা বলছেন ইন্নাশাহ তাই আল্লাহতালা বলছেন আমার পিতা লিমা ইব্রাহিম আলা সালাম তার বাবাকে বললেন এবং আমার পিতা তুমি আল্লাহর সাথে আল্লাহর সাথে শিরিক করো না সাথে এখানে বলা হয়েছে যে তুমি শয়তানের এবাদত বন্দেগী করো না মানে শয়তানের এবাদত বন্দেগী মানে শয়তানের পরিপূর্ণ অনুসরণ করা উনি যা বলছেন সেটা মেনে নিচ্ছেনটা শয়তানের আপনার এবাদা বিধটা শেরকি কাজ আপনি যখন কোরআন সুন্নাহ পেলেন আর পাওয়ার পরে ওটা মানলেন না চালুও করলেন না আপনি শয়তানের অনুসরণ করলেন শেরেক করলেন কুফরি করলেন এজন্য ইসলাম শরীয়তে যে শরীয়ত দেওয়া হয়েছে যারা দায়িত্বে ক্ষমতায় আছেন তাদের দায়িত্ব কর্তব্য এই রাষ্ট্রটি মুসলিম রাষ্ট্র এ রাষ্ট্রে প্রায় ৯০ ভাগ মুসলিম ৯০ ভাগ মুসলিম হয়ে দেখেন এই দেশে
হয় যিনি সর্বোচ্চ বিচারক তিনি হন নাকি বাংলাদেশে হিন্দুরা হিন্দু বিচারক হয় জজ এরপরে বিচারক যিনি আপনার বিচারক নিয়োগ পেয়েছে হিন্দু অমুসলিম আপনি তার কাছে কি বিচার আশা করেন আপনি বলেনতো মুসলিম রাষ্ট্রে যদি অমুসলিম বিচারক হয় তার কাছে আপনি কি বিচার নিবেন ইমাম আদিল যিনি নাই পরা শাসক ইনি আরশের ছায়ার তলে ছায়া পাবেন আর যদি হিন্দু মানুষকে আপনি ইমাম বানান বিচারক বানান কোন ছায়াতলে উনি যাবেন উনি তো পুরোটাই পচা উনার তো কিছুই নেই এজন্য পবিত্র অর্জনের মাধ্যমে আমরা জানি দুইটা হিস আর মানাবী মানাবী পবিত্র অর্জন আমরা সকল মুসলমান যারা মুসলমানের সবাই কিন্তু তাহারা মানাবী আমরা করেছি সেটা কি যে আমরা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছি এটা হল তাহারা মানাবি যে অন্তরের নে মুসলমান হয়েও যদি অন্তরে কুফরিশ কাজ করে তিনি সেটাও তার অন্তর পরিষ্কার না যারা মুশ তারা সবাই অপবিত্র আপনি হাজার বার যদি তাকে সম্পদে গোসল করান উনি অপবিত্র অন্তবিত্রতার কিছু নেই সে মুসলিম কিন্তু মুসলিম
ব্যক্তি তিনি পবিত্র সর্বদায় পবিত্র তার নষ্ট হয়েছে করবে পবিত্র হয়ে গেল গোসল ফরজ হয়েছে গোসল করবে পবিত্র হয়ে গেল আর কিছু নেই যিনি স্বচ্ছ ঈমানদার তিনি সর্বদায় পবিত্র এজন্য দেখেন যে বাংলাদেশে কয়েকদিন আগে সুশীল যারা তারকে নিজেকে গবেষক ভাবে ইনি বলছেন যে সুবহানা রাব্বিয়াল আলা যদি আমরা সালাতে পড়ি নামাজে সুবহানা রাব্বিলা পড়ি এর থেকে রবীন্দ্র ঠাকুরের নাকি কবিতা তার থেকে বেশি তার অন্তরে প্রশান্তি দেয় আচ্ছা বলেন তো এরকম কথা যদি কেউ বলে বিচার আপনারা করবেন এর ঈমান আছে ঈমান থাকবে ঈমান থাকবে কি বলেন এই কথা বলে এরা নাকি এই বাংলাদেশের নাকি গবেষকেরা এরা নাকি মুসলিম হয়ে তাদেরকে বড় বড় মুসলিম দাবি করে এরা কেমন করে হতে পারে এগুলা কোরআন হাদিস এবং শরীয়তের পরিপূর্ণ বিরোধী কাজ এগ করা যাবে না আপনার সন্তানকে আমরা সেই কতদিন আগে থেকে আপনারা দেখে আসছেন আপনার সন্তানকে বর্তমান কেন কত যুগ যুগ ধরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই যে আপনার জাতীয় কবি জাতীয় কবিতাকে তার মানে জাতীয় আমরা সংগীতে পাঠ করি আপনার সন্তানটিকে যারা স্কুলে পড়া সবাই কিন্তু গাইরশ কি আশা করা যায় অথচ আল্লাহ বলছেন লোকমান লোকমান হাকিম তার সন্তানকে বলছে আল্লাহর ভাষায় বলছেন আল্লাহ সম্পর্কে জান তোমার জ্ঞান থাকতে আল্লাহর সাথে কাউকে শেরেক করা যাবে না।
সে আপনার এই সমাজে ঢুকিয়ে গেছে কালিমায়ের নাকি আকাশ আর বাতাস। কালিমা হিন্দুদের পূজা বড় মূর্তি যার পূজা করা হয় এ আকাশ বাকাশ আকাশ আর বাতাস তার মানে আসমান জমিন নাকি তার আসমান জমিনকে কালিমা কালির পূজার হিন্দুদের আসমান জমিন মানে আল্লাহ আপনার সন্তানকে বলিছে যে হিন্দুদের কালিমার আসমান জমিন বিধায় তার এইযে বাংলাদেশে চলছে শরীয়তের বিধি বিধান না মেনে আপনি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান করবেন তা আমাদের যদি এগুলা না বলি তাহলে আল্লাহ আমাদের ধরবেন আমল করুক আর না করুক আমাদের কাজ দায়িত্ব পৌঁছে দেওয়া আল্লাহ কবুল করার মালিক আল্লাহ এখন হেদায়েতের মালিক আল্লাহ আমাদেরকে বলতে হবে আল্লাহতালা বলছে তোমাকে দারুদার প্রেরণ করেনি যে মেরে মেরে সবগুলাকে ইসলামে প্রবেশ করাবে বরং তুমি নসিহত করবে তাদের বলে দিবে এজন্য আমাদের দেশে যে কাজের পরে আপনারা দেখলেন যে মূর্তি পূজা তারপর হিন্দের পূজা হলো ষষ্ঠ মন্ত্রী তিনি বলেছেন যে যে সমতে জুলুম অত্যাচার অন্যায় হচ্ছিল এই সময় দেবী মা আবির্ভূত হয় আচ্ছা
বলুন এই বাক্যটা কি এই বাক্য আপনারা সবাই জানেন সবাই জানেন রাষ্ট্রপতি হয়ে যদি এগুলো বাক্য বলেন মুসলিম রাষ্ট্রে তিনি বসে বসে আছেন মনে রাখেন যে বা যারা এই মুসলিম রাষ্ট্রে কুফরি নীতি যদি আপনি প্রয়োগ করতে চান অমুসলিমদের সন্তুষ্ট করতে চান তাহলে এ কথা মনে রাখেন দুনিয়ায় খুব স্থির বাঁচবেন না অমুসলিম হয়ে যদি আপনার এই কুফরি কালাম থেকে তাওবা ইস্তেগফার কেউ যদি না করে যারা বলছে এরা যদি এগুলা থেকে তাওবা না করে তাহলে এই তাদের ভাষায় দ্বীন থেকে তাদের বের করে দেয় পরকাল কি হবে আল্লাহই ভালো জানে তাদের পরকাল অত্যন্ত কঠিন ও জটিল এজন্য যারা এগুলা করেছেন খাঁটি অন্তরে আল্লাহর দিকে তাওবা করে তাওবা ইস্তেগফার সমাজের কাছে মানুষের কাছে তাওবা মানুষের কাছে ক্ষমা চান আমরা যা করেছি ভুল হয়েছে না হলে দুনিয়াতে ক্ষমা পাবেন না পরকালে ক্ষমা পাওয়া যাবে না সামান্য এই দুনিয়ার জন্য পরকাল ঈমান যদি বিক্রি করে দেন আপনার ঈমান চোরা হয়ে দুনিয়া থেকে
যান তাহলে আপনার পরকাল হারিয়ে গেছে আমার সমাজে আবার কিছু ভাই আছেন বলে আমাদের পজা হিন্দুদের পজা তোমার পজা হয় কি করে আল্লাহর সাথে লড়াই করছে এটা মুসলমানদের পূজা হয় কি করে আল্লাহ রাসল রাসূুল্লাহ বলছেন যে আমি ভয় করছি পথভ্রষ্ট শাসক এদের আমি ভয় করছি এরা হিন্দুদের সাথে মুশরেদের সাথে একাকার হয়ে যাবে এরা মিশে যাবে এদের উপর লানত করছে এদের পুরোটাই এরা ধ্বংস আর এদের দায়িত্ব সরকার নিয়ে এসেছে বিধয় এরা যখন তার ইবাদত করবে দের যা আছে আমরা গালিগালাজ করবো না কিন্তু দেশে আছে সেনাবাহিনী আছে পুলিশ আছে আর্মি আছে বিডি আছে আছে তাদের দেখার জন্য তাদের দায়িত্ব আছে কিন্তু জনসাধারণ আপনি যাবেন আমাদের পূজা সবাই তাদের খুশি করবেন তারানে আপনার দন হারায়েছে তওবা করে ফিরে আসেন ইসলাম আপনার ঈমানকে নবায়ন করুন না হলে আপনার পরকাল হারিয়ে যাবে পরকালে কিছুই পাবেন না দুইদিন কয়দিনের দুনিয়া আল্লাহ বলছেন একবার জিজ্ঞেস করবেন কিয়ামত কখন হবে আল্লাহতালা জানেন বৃষ্টি বর্ষণ
কখন হবে আল্লাহতালা জানেন মায়ের গর্ভে কি আছে আল্লাহ তালা জানেন আপনি আগামীকাল বা আজকে কি খাবেন এখন অনেক সময় আপনার জানা নেই বলতে পারছেন না আপনার পরিবার আপনার জন্য অন্য কিছু পাক করে রেখেছে আপনি ভাবেননি হয়তো যেটা আপনার কাছে আছে কি নাই আপনি সেটা খাবেন উপার্জন করবেন কয় টাকা ইনকাম করবেন আল্লাহ তালাই ভালো জানেন আপনি বলবেন আমি সকালে সরকারি চাকরি করি মা টাকাটি পাই আপনার জানা ওজান না রিসকাচালক সকালে বের হয়েছে উনি কি বলতে পারবেন এত টাকা ইনকাম হবে না বলতে পারবেন না উনার রিজ আছে তিনি পাবেন কোন জমিনে আপনার মৃত্যু হবে আপনি জানেন না মনে রাখেন মৃত্যুর হাত থেকে ফেরাউন তে পারেনি হামান বাঁচতে পারেনি করণ বাঁচতে পারেনি আপনার এ দেশ চালাচ্ছিল শেখ হাসিনা পালায়ন করেছে যদি কেউ আপনার এ দেশ যারা এখন আছেন বর্তমানে তারাও শরীয় বিরোধী করলে আপনি পালায়ন করতে বাধ্য হবেন কারণ আপনি টিকতে পারবেন না এটা আল্লাহর বিধিবিধান মুসলমানদের উপরে
অন্যায় কেউ চাপায়ে দিলে বাঁচতে পারবে না বাংলাদেশের মুসলিম ৯০ ভাগ মুসলিম হয়ে আমরা কয়েকজন মুসলিম অমুসলিম আছে তাদেরকে খুশি করার জন্য তাদের মন্দিরে যান আপনারা কি লজ্জা শরম হয় না যে আপনার পার্শ্ববর্তী এলাকাতে মন্দির মসজিদ ভাঙছে তারা মুসলমানকে হত্যা করছে মা বোনদেরকে নিয়ে গিয়ে তারা ধর্ষণ করছে নির্যাতন করছে একবার তো আপনি মুখ খুললেন না আর আপনি তাদেরকে খুশি করার জন্য আল্লাহর এবাদত ত্যাগ করছেন আপনি যাবেন কোথায় এই বিধিবিধান আল্লাহকে ভয় করুন আল্লাহতালা এগুলা আপনাকে অপশ গ্রহণ করতে বলছে হঠাৎ করে মৃত্যু চলে আসবে কেউ আপনি বলতে পারবেন না দুনিয়ার কেউ আপনাকে রক্ষা করতে পারবে না পারবে কেউ মৃত্যু হাতে পেরেছে কেউ হঠাৎ করে সুস্থ ছিলেন এক্সিডেন্ট হলে রোড এক্সিডেন্ট হয়ে মারা গেলেন আফসোস এজন্য ঈমান হারা কারণ আমরা কিন্তু চাই যে সকল মুসলমানকে নিয়ে আমরা জান্নাতিদের চাই আমরা আপনাদের শত্রু নয় আপনাদের বন্ধু মনে রাখতে হবে সমাজকে সংশোধন করা ইসলামের নীতি সমাজকে সংশোধন করা সংশোধন করার
সংক্ষিপ্ত আকারে দুইটি পদ্ধতি একটা পদ্ধতি হল সরকার যিনি প্রধানমন্ত্রী তার সাথে মন্ত্রী আছেন যারা এমপি আছেন ইনারা যিনি যে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন আমাদের দেশে যারা দায়িত্বে আছেন উনারা দেখবেন যাতে এই মানুষগুললা নিরাপত্তা থাকে তাদের প্রতি জুলুম না করা হয় তাদের প্রতি অন্যায় না করা হয় ছিন্তাই না করা হয় মারামারি না করা অন্যায় হত্যা না করা হয় এগুললা দায়িত্ব কর্তব্য মানুষেরা কেউ যাতে গরীব মিসকিনেরা না খেয়ে মারা যায় এরকম যাতে না হয় বরং তাদের দায়িত্ব কর্তব্য দেখবে যে যে এলাকার দায়িত্ব আছে এলাকার মন্ত্রী যিনি বা এমপি যিনি উনি এসে তারপর খোজখবর নিবেন এটা তাইতো দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী যিনি আছেন উনি বলবেন ও এলাকার তোমার লোক কেমন আছে খোজখবর নেওয়া তাদের মাধ্যমে মাঝে মাঝে তাকে নিজেও যাওয়া এটা শরীয়ত এটা হল সমাজের দেখাশোনা দের দায়িত্ব আমাদের দায়িত্ব তাদের প্রতি যে আমরা তাদের জন্য বদদোয়া করবো না তারা যদি কোন অন্যায় কাজ করে আমরা মেনে নিব না কারণ শরীয়তের
বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে গেলে আমরা সেটা মানবো না তবে আমরা দাঙ্গা মাহাঙ্গা করবো না যারা আলেম ওলামা আছে যারা আশপাশে আছে তাদেরকে উপদেশ দিবে এমন কিছু আমরা করবো না দেশের বিশৃঙ্খলা বা দেশে কোন সময় সেবাগুলো আমরা করতে যাব না তো এই বিষয়গুলা যেন আল্লাহ তাআলা সংক্ষিপ্ত আকারে অনেক কিছু ব্যাখ্যা আছে। আর আমরা সংক্ষিপ্ত আকারে যে কথাগুলা বললাম যারা বিশেষ করে আমরা সরকার যারা আরো যারা দেশ চালাচ্ছেন তাদের জন্য আমরা দোয়া করব আল্লাহ যেন তাদেরকে হেদায়েতের পথে রাখেন তারা যদি কল্যাণের পথে থাকে তাহলে দেশটা কল্যাণের পথে থাকবে আর না হলে আমরা আমাদের বিপদ এজন্য এর সাথে সাথে সমাজে যে বিষয়গুলো দেখা সাথে সাথে আপনার আহল পরিবার দায়িত্ব আপনার আল্লাহ বলছে অনেকে আছে বাড়িঘর ছেড়ে দিয়ে অনেক দূরে চলে যায় তার ছেলে মেয়ে কি করছে তার ছেলে মেয়ের কোন খোজখবর নাই এটা কিন্তু কোরআন হাদিসে বলা হয় আপনার পরিবারকে আগে বাচান নিজে বা আল্লাহ নিজে বাচাও নিজেকে বাঁচাও পরিবারকে
বাঁচাও আগুন হতে যার ইন্ধন হবে মানুষ পাথর মানুষকে পড়ানো হবে পাথরকে পড়ানো হবে মানুষ পড়বে মানুষ পড়বে আপনি নিজে আল পরিবারের দিকে দেখলেন না আর দড়িয়ে বেড়াছেন অমুক অমুক জায়গাতে অমুক স্থানে এটা কিন্তু শরীয়ত বলা হয় আপনাকে আগে জিজ্ঞেস করবেন নিজের কথা তারপর আপনার আহার পরিবার যাদের উপর দায়িত্ব কর্তব্য আছে এদেরকে জিজ্ঞেস করবেন যেমন দায়িত্ব কর্তব্য নিয়ে আছেন আমাদের দেশের তারেক রহমান সাহেব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উনি যদি অন্যায় করেন উনি বলেছেন ক্ষমতায় আসার আগে মদিনার ইসলাম চালু করবো আর উনি এখন বলছেন যে লালন ফকিরের আদর্শ স্কুল কলেজ চালু করতে হবে দুই হয়ে গেল না তা আপনি কি করলেন বলেন তো কি করলেন আল্লাহ হেদায়েত দান করুক।
আপনার যেন দোয়া করি। আল্লাহ যেন হেদায়েতের পথে রাখেন। মদিনা ইসলাম কায়েম করে বলেছেন। আল্লাহ যেন সেটাই করায়। কারণ লালন ফকির মুসলিম ছিল না। ইতিহাস পড়ুন। আপনি বলবেন যে রাসূ সাললামের আদর্শ বাস্তবায়ন করব। আমি চেষ্টা করছি। এ কথাটা বলুন। আপনার সাপনার লোক আছে। এ কথা মুখ দিয়ে বের করুন। আপনার জন্য আমরা খাস করে দোয়া করি। কিন্তু এমন কিছু করবেন না। এরপর আপনি কিছুদিন আগে বলেছেন যে সোনামনিদের ছোট শিশুদের এর মাঝে গান বাজনা নাচ আর বাদ্যযন্ত্র সাথে কেরাত বলা হয়েছে কি কি কেরাত জানিনা হয়তো কোরআনের কথা বলা হয়েছে জানিনা তবে এ কথাগুলা বলা হয়েছে নাচ গান ড্যান্স এগুলা শিখানো কিয়ামতের একটা আলামত বক্স বাজানো হলে ভূমিকম্প হবে নাচ গান ড্যান্স যখন আপনার সন্তানগুলো এগুলা শিখবে তখন সে ভাইসা কাজ করতে বাধ্য হবে সে আর ভালো হবে না এজন্য প্রথমে তার করতে হবে আল্লাহ সম্পর্কে জানাতে হবে আপনার উচিত ছিল যে প্রত্যেকটা স্কুলে না হলেও কোরআন তাদের শিক্ষা
হবে আম্মা কিছু হাদিস বাধ্য আপনার রাজতবে আল্লাহ আপনার জন্য কল্যাণ করবে আপনি যদি করতে যান আল্লাহ যারা কাজ ছড়াবে আল্লাহতালা এদের ক্ষেত্রে বলছেন ফাহসা কাজ ছড়ালে দুনিয়াতে যেন শাস্তি রয়েছে পরকালে শাস্তি রয়েছে এজন্য ফায়েশা কাজের দিকে যাবেন না আল্লাহ যেন আমাদের হেফাজত করেন আল্লাহ যেন আমাদের কল্যাণ দান করেন ছয় নাম্বার পয়েন্টে তাহলে এখানে আরো কথা ছিল আমি ছয় নাম্বার পয়েন্ট যেটা আছে এটা হল অর্থনীতি ইসলাম কিন্তু রাজনীতি বলে অর্থনীতি সবগুলাই বলে অর্থনীতির ক্ষেত্রে আপনি যে উপার্জন করছেন আপনার মালটা যে উপার্জন করছেন এ মালের দিকে আপ দেখতে এটা হালাল না হারাম? এর যেমন হালাল না হারাম এটা আপনি দেখবেন সাথে সাথে দেখবেন কোন পথে ব্যয় করছেন।
ইসলাম আপনাকে বলে দিছে অর্থনীতির বিষয়। কোন পথে উপার্জন করছেন এটা কি হালাল না হারাম দেখতে হবে। সাথে সাথে কোন পথে ব্যয় করছেন সেটা দেখতে হবে। খালি উপার্জন করলেন কিন্তু অন্যায় পথে ব্যয় করলেন এটা কিন্তু না। এজন্য আল্লাহ বলছেন আল্লাহ বিক্রয়কে ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর হারাম করেছেন। আপনি যদি আপনার কাছে কেউ টাকা চাইতে আছে আর বলে যে ভাই আমরা এলাকাতে একটা সিনেমা হল তৈরি করব। টাকা আছে দিয়ে দিলেন এটা কি হালাল পথে ব্যয় করলেন? এজন ব্যয়ের পথটা দিতে হবে। অন্যায় পথে সহযোগিতা আপনি করলেন এটা আপনাকে দিতে হবে।
আপনার টাকা যে হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ অনেক আপনি কল্যাণ পেতে চাইলে দেখবেন অনেক মসজিদ মাদ্রাসা এখন বর্তমানে সুশীল যারা দাবি করছে মসজিদ মাদ্রাসা মাদ্রাসা বন্ধ করো মাদ্রাসা আপনাদের আওয়াজ তুলতে হবে মাদ্রাসার আল্লাহর কালাম পড়বেন আল্লাহর কালামের মাধ্যমে আপনার অন্তর প্রশান্তি আসবে অন্তর প্রশান্তি লাভ আপনার মসজিদ মাদ্রাসা সাথে সাথে আপনার যেখানে মসজিদ নাই মসজিদ করে দিলেন মাদ্রাসা নাই মাস মাদ্রাসা করে দিন সেখানে আল্লাহর কালাম পড়া হবে আল্লাহর বিধি বিধান পড়া হবে আপনার জন্য কল্যাণ হবে কোন স্কুল কলেজ নিরাপদ আছে বলেন তো ইউনিভার্সিটি গুলা দেখেন স্কুল কলেজ দেখেন সেখানে পর্দা কিছু আছে মাদ্রাসার পিছনে লেগেছেন এরা ফেরেশতা নাকি মাদ্রাসায় যারা আলেমারা ফেরেশতা এরা তো মানুষ এদের ভুল হবে তাই সামান্য কিছু হলে এদের পিছে লাগতে হবে যারা এদের পিছে লেগে আছেন নিশ্চিত ভেবে রাখেন আপনি নিজে ধ্বংস হবেন অন্যকে ধ্বংস করছেন কোরআন সুন্নাহ বিরোধী আপনি করবেন না আপনার কল্যাণ হবে ইনশল্লাহ তাই অর্থনীতির ক্ষেত্রে আপনাকে দেখতে হবে যে আপনার
ইনকাম গুলা কি হচ্ছে ইনকাম আপনি করেন হালাল পথের ইনকাম করেন হারাম পথ ব্যয় বন্ধ করেন এর সাথে ব্যয় যে করবেন ব্যয়টা আপনাকে দেখতে হবে আল্লাহ তালা যেন আমাদের সে কল্যাণ দান করেন রাজনীতির বিষয় বাহিরে একটা বিষয় আছে আরেকটা হল পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমরা বলি এরপরে ভিতরের বিষয় আছে আমার দেশে রাজনীতি আছে সাথে সাথে অন্য দেশের সাথে রাজনীতি আছে এ রাজনীতির ক্ষেত্রে অন্য দেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে যা কোরআন সুন্নাহ যা বলছে আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে যাতে আপনার দেশকে ধ্বংস না করে দেয় অন্যরা এজন্য সে কষেত্রে যা গ্রহণ করা আপনার গ্রহণ করতে হবে রাষ্ট্র দায়িত্ব সরকার খালি থাকবে না চট্টগ্রাম চলে যাচ্ আপনার এদেশের একটা অংশ আপনি চুপচাপ থাকবেন কিছু করবেন এটা হতে পারে না এ রাষ্ট্র রক্ষা করার দায় দায়িত্ব যারা ক্ষমতা আছে এদের দায়িত্ব কর্তব্যজন এজন্য আপনার সাধ্য চেষ্টা করতে হবে সৈনিক দিয়ে হোক আরবি দিয়ে হোক মিডিয়া দিয়ে হোক আর যা দিয়ে হোক এর সাথে যেভাবে হোক
আপনার রাষ্ট্রকে বহির বাহির রাষ্ট্র যারা শত্রুতা করছে শত্রুতা রক্ষা করার জন্য এদেশকে রক্ষা করতে হবে ইসলাম শরীয়ত রাজনীতি এর সাথে দ্বিতীয় নাম্বার যে আপনার শক্তিযে ধরে থাকা প্রতিষ্ঠা করা সুন্না প্রতিষ্ঠা করা রক্ষা করতে চাইলে এই দুইটা জিনিস বাহির আগ্র থেকে রক্ষা করতে হলে এই দুইটি জিনিস ধরতেই হবে দেশের ভিতরে যেগুলা রাজনীতি দেশের ভিতরে দেশকে সুশান্তিতে রক্ষার জন্য কয়েকটি বিষয় আছে যেমন দ্বীনকে রক্ষা করা দন চেঞ্জ করবেন না যদি অমুসলিম হয়ে যান তাহলে আপনাকে হত্যা করতে হবে এ হত্যা করবে কে মুসলমান যদি দীন ধর্ম ত্যাগ করে আপনার মুরতাদ হয়ে যায় তাহলে ইসলাম এই দেশের যে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব কর্তব্য ওরে ধরে তিনদিন সময় দিবে তিনদিন সময় যদি তওবা করে নাফ আসে তাকে হত্যা করতে হবেন হেফাজত হেফাজত করতে বলা হয়েছে আত্মার আপনার দেশের মানুষের যাতে আত্মারক্ষা হয় কেউ তাকে হত্যা করলে এখন পর্যন্ত শিশু ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে এগ লন্ত রেখেছে এগ বলা হয় না এগ
বরং যে যাকে হত্যা করবে হত্যার হত্যা করতে হবে এটা হল আপনার দেশের ভিতরকার রাজনীতি অন্যায়ভাবে হত্যা করবে আর আপনি চুপ থাকবেন এদ হয় না তাই আপনার আত্মা রক্ষা করা আকুল মানুষের জ্ঞান বুদ্ধিকে রক্ষা করা সমাজে বেড়ে গেছে মদ জুয়া এরপরে যাইবা টেবলেট যা সম্পকে অন্যায় যেগুললা হারাম পান বা ধুমপান বলেন আর যা বলেন সব নিষেধ করেছে আপনার জীবনকে রক্ষার জন্য আল্লাহ বলছেন আপনি মদ বলেন জোয়া বলেন মূর্তি পূজা বলেন এরপরে অন্যদের মাধ্যমে মূর্তির মাধ্যমে তাকদীর নির্ধারণ করা বলেন সবগুলা শয়তানের কাজ বিধায় আপনার যে অন্তর আছে আপনার যে জ্ঞান আছে এ জ্ঞানকে হেফাজত করা মদ কেউ পান করলে মাতাল হয়ে যায় মদ হল সকল পাপের মূল মদ পান করলে তার কাছে মাওমায় না তার স্ত্রী স্ত্রীরা তার আহল পরিবার কোন আহল পরিবার না অন্য অপকর্ম সে করতে পারে সন্ত হত্যা করতে পারে আল পরিবারকে হত্যা করতে পারে এজন্য আপনার নিজের জ্ঞানকে হেফাজত করতে ইসলাম শরীয়তে আপনার
বলছেন তৃতীয় নাম্বারে মর্যাদা আপনার বংশের একটা মর্যাদা আছে জেনা ব্যভিচারে কেউ লিপ্ত হবেন না জেনা ব্যভিচারের কেউ লিপ্ত হলে এর জন্য বিচারের কথা বলা হয়েছে জেনা ব্যভিচার যারা বিবাহিত নারী পুরুষ হলে তাকে রজম মেরে শরীত বিধান হত্যা এর সাথে যারা অবিবাহিত ১০০ মারার জন্য বলা হয়েছে এর সাথে কেউ কাউর যদি সম্মান ইজ্জতকে হানি করে মিথ্যা তহমত দেয় একজনের হয়তো সে জেনা করেনি জেনার সাথে জড়িত না মিথ্যা তহমত দিচ্ছে যিনি মিথ্যা তহমত দিচ্ছেন ইনাকে ৮০ ব্যায়াত আঘাত করতে হবে ইসলাম শরীয়তের বিধান এগুলা এ ভিতরকার আপনার বিষয় এরপরে আপনার চুরি করবেন না চুরি কেউ করলে কে চুরি করলে চুরির হাতের বদলে হাত চুরি করলে হাত কাটতে হবে এই বিধি বিধানগুলা ভিতরের রাজনীতি এগুলা করার জন্য ইসলাম শরীয়ত বলছে আপনার সরকার যিনি দায়িত্ব তার এগুলা আপনার আমার দায়িত্ব কেউ দ্বীন ত্যাগ করলে হত্যা করবে উনি যেগুলো কথাগুলা বললাম আর নিজে নিজে আপনি আপনার দ্বীনকে হেফাজত করবেন আপনার জ্ঞানকে
হেফাজত করবেন আপনি মানুষের নিজের আত্মাকে হেফাজত করবেন অন্যায় থেকে এর সাথে মংশ মর্যাদা হেফাজত করবেন আপনার নিজেকে হেফাজত করবেন আপনার ধন সম্পদ চেষ্টা করবেন আল্লাহ যেন আমাদের সে তৌফিক দান করেন পরে আর কিছু সময় আছে শেষ করে দিব সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আর কিছু বিষয় আছে আট নাম্বারে যারা কাফেররা মুসলমানদের উপর আমরা মুসলমান কেন খাচ্ছি আল্লাহ বলছেন আমরা খাচ্ছি আমাদের নিজের কারণ নিজের কামাই দেখবেন মুসলিম ফজরের সালাতে নাই। দেখবেন মুসলিম আসরের সালাত নাই। দেখবেন মুসলিম হিন্দুদের মূলকে বসে আছে। দেখবেন মুসলিম ওর ঈমান চর্চা নেই। এক কথা মুসলিম কিন্তু মুসলমানিত কোন কাজ করে না। নামকে অস্তে মুসলিম যে মুসলমানদের কাজ কৃষ্টি কালচার শুনেন।
যে নিজেকে বাংলাদেশের উঁচু মানের একজন গবেষক মনে করে। অথচ বলছে সুবহানা রাব্বিয়াল আলা বলার থেকে রবীন্দ্র ঠাকুরের আপনার কবিতা পড়লে আত্মার বেশ শান্তি হয়। এই হল মুসলিম। তা আপনার উপর গজব আসবে না তো কার উপর আসবে আপনি মুসলিম আর আপনি মাজার পূজা করছেন গজব কার উপর আসবে আসবে না তো কার উপর আসবে আপনি তো আল্লাহর ইবাদত বন্দি করেন না মুসলমানকে এমনিকেই তারা লাঞ্ছিত হচ্ছে অবনত হচ্ছে এটা নিজের কামাই আমাদের নিজের কামাই করেছি আমরা মুসলিম অথচ আরেক রাস্তার পথে তার মায়ের সম্মান নেই আরেকজন মা বোনের আপনি ইজ্জত লুন্ঠন করছেন কিসের আপনি মুসলিম কেন মা বোন এই মুসলমানদের দ্বারাতে লাঞ্জিত হয়েছে এইজন্য এজন্য আমরা অন্য দ্বারা খাচ্ছি আমরা তাসলিম আল কুফার আল মুসলিমিন এজন্য কাফের এরা হল মুসলমানদের রাজিত্ব করছে আমাদের নিজের শুধু বলবেন একটু কিছু অমুক অমুক কিছু সৌদি আরব দিল ওরা ফেরেশতা নাকি বিশ্বে কোন মুসলিম রাষ্ট্র থেকে থাকলে মনে রাখেন একটা রাষ্ট্র আছে সৌদি
সৌদি আরব দুনিয়ার কোথাও কোথাও নাই মুসলিম কোথাও মুসলিম একটাও সবগুলা গণতন্ত্র এবং সবার সতন্ত্র দেব না আপনার দেশ তো আপনি জানেন যখন ক্ষমতার জন্য আসে তখন শাহজালাল মাজার যায় আবার যখন ক্ষমতায় চলে আসে আবার মাজারে ফুল দেয় এই হল আপনার দেশের গণতন্ত্র শরীয়তন্ত্র আপনাদের শান্তি আসবে কি করে আল্লাহ এজন্য আমাদের নিজের কামাই আল্লাহতালা বলছেন নাম্বার মুসলিম ব্যক্তি আমরা অল্প কুফার বেশি তারপর দেখেন যে বদর যুদ্ধে মুসলমান জয় হয়নি হয়েছে না এই শক্তি যদি ঈমান বলি হতে পারি আমরা আজ মুসলমানদের এজন্য আল্লাহ শক্তিশাল ঈমানদার ব্যক্তি আল্লাহর কাছে অনেক ভালোবাসার পাত্র দুর্বল ব্যক্তির থেকে আপনার জন্য যদি আপনি করেন খারাপ ত্যাগ করে আমরা মুসলিম আমাদের কাছে অন্যদের কাছে মায়ের খাসিতে আমাদের ঈমানকে শক্তিশালী করতে হবে আগের এই যুদ্ধ তারপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আমরা দেখি যে তিনি অল্প মুসলমান নিয়েও আল্লাহ তালা তাদের হেফাজত করেছেন আল্লাহতালা তাদের হেফাজত করেছেন এখন যদি মুসলমানেরা তাদের ঈমানে হতে পারে ইনশল্লাহ আল্লাহতালা
মুসলমানদের হেফাজত করবেনয আল্লাহকে ভয় করেন আল্লাহতালা তাদের পথ খুলে দেন লাস্ট যে পয়েন্ট মানুষের অন্তর ভিন্ন ভিন্নলাফ বেশিতেলাফ বেশি কেন বলবে যে ওটা করছে ওটা করছে কোন পথ খুজব আপনার ঈমানের পথ আপনি খুজুন কোরন সুন্নাহ যে পথ আপনাকে ডেকেছি যে পথ দিয়ে গেছে এই পথ পথে যদি আমরা চলি এ পথের অনুসরণ করি সন্দেহ আমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে এজন আল্লাহ আল্লাহ তালা যারা আল্লাহতালার বন্ধু যারা অলি যারা ঈমানদার নবী রাসূলগণ মানুষকে অন্ধকার পথ থেকে আলোর পথে নিয়ে গেছে আর কাফের যারা এরা মানুষকে আলোর পথ থেকে অন্ধকার পথে নিয়ে তাই আপনার যখন আমরা মসজিদে আছি বলেন না আল্লাহ আপনি বলেন না আল্লাহ আমার অন্তরে নূ ঢেলে দাও ঈমান তারানে কিসের ঈমানের নূরের কথা ঈমানের নূর আমাদের ঢেলে দাও আমার চোখে নূর দাও ঈমানের নূর দাও অন্তর ঈমান নূর দাও আমার পিছনে ঈমানে নূর দাও সামনে ঈমানের নূর দাও আমার প্রত্যেকটা বডিকে ঈমানে নূর তুমি ঢেলে দাও এজন্য
আমরা প্রকৃত এখন ইসলাম পূর্ণাঙ্গ ইসলাম আছে থাকবে কিয়ামত পর্যন্ত যার ভয় নেই ভয় নেই আমরা মুসলিম মুসলিম হিসেবে মুসলিম হওয়ার জন্য আমাদের এতটুক আমরা মুসলিম মুসলিম হয়ে ঈমান নিয়ে যদি বরণ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ তার জন্য সুখময় জান্নাত রয়েছে আল্লাহর কাছে আমরা প্রার্থনা করি আল্লাহ যেন আমাদের কল্যাণ দান করেন আল্লাহ যেন আমাদের ইহকাল পরকাল কল্যাণ দান করেন আমরা বিষয়গুলা বলছিলাম তো যা বলছি যে আমাদের ঈমান ইসলাম পূর্ণাঙ্গ এক নাম আমরা বলছিলাম যে তাওহীদ এবং ঈমান নিয়ে থাকা দুই নাম্বারে বলছিলাম যে প্রত্যেকটি কাজে আল্লাহ তালা যে দেখেন সে অনুযায়ী আপনাকে আমল করতে হবে। তিন নাম্বারে বলছিলাম আমল কবুলিয়াতের পথগুলো আপনাকে দেখতে হবে।
চার নাম্বারে বলছিলাম যে শরীয়ত অনুযায়ী আপনাকে বিধিবিধান চালু করতে হবে। পাঁচ নাম্বারে বলছিলাম মুস্তামা যেমন সরকারের দায়িত্ব আমাদের উপর। আমাদেরও দায়িত্ব আছে। এ বিষয়গুলো আমার নজর রাখতে হবে। ছয় নাম্বারে বলছিলাম অর্থনীতির বিষয়গুলা হালাল যেগুলা গ্রহণ করবেন। হারাম বিষয় ত্যাগ করবেন সেগুলা যাচাই বাচাই। খরচের বিষয় যাচাই বাচাই। সাথে রাজনীতির বিষয়ে বলা হয়েছিল যে অন্যদের আগ্রসণ থেকে বাঁচার জন্য যে পথ আছে এর সাথে ভিতরকার যে পথ দ্বীন রক্ষা আত্মা রক্ষা জ্ঞান রক্ষা এর সাথে নিজের মর্যাদা রক্ষা বংশ রক্ষা যে মান ধন সম্পদ রক্ষা এগুলা রক্ষা করার জন্য ইসলাম শরীতে বলেছে এরপরে মুসলমানদেরকে যে আমরা যাতে ঈমানদার হতে পারি এর সাথে অমুসলিম আমাদেরকে আগ্রসণ করছে কারণ আমাদের ঈমানের ত্রুটি বিধায় আমরা এগুলা হচ্ছি এর সাথে আমাদের ঈমানকে বৃদ্ধি করতে হবে যাতে আমাদের শক্তিশালী ঈমানদার হতে পারি।
আর আরো একে অপরের জন্য আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদের কল্যাণ দান করে। সাথে সাথে আল্লাহর কাছে খালেস অন্তরে দোয়া করি আল্লাহ তুমি এই মসজিদ মারকাজ মসজিদকে কোরআন সুন্নাহর মারজিকা মারকাজ হিসেবে কবুল করো। যারা আমরা এখানে সালাত পড়তে এসেছি সাথে সাথে আমাদের মা বোনেরা এসছেন মা বোনদেরও বিষয় আছে যে মা বোনেরা পর্দাপশিদার সাথে সাথে স্বামীর খেদমতের সাথে নিজের সন্তানদের লাস্টে যে কথাটি আপনার আমার সন্তানকে আল্লাহ মুখে আমরা করার জন্য চেষ্টা করব। আর কোন সময় কোরআন হাদিস ইসলাম বিদ্বেষী হব না। আরেকটা বিষয় লক্ষ্য করবেন কোন সময় কোন আলেম প্রকৃত আলেম ওলামা যারা এদের বিরুদ্ধে কথা বলবেন না।
আলেম ওলামা যেদিন থাকবে না কিয়ামত চলে যাওয়া মানে কিয়ামতের আগে প্রকৃত আলেম ওলামা এরা আছে প্রকৃত আলেম ওলামার গালিগালাজ করতে যাব না। আলেম ওলামার বিরুদ্ধে কোন সময় এদের বিরুদ্ধাচরণ করবেন না। বরং কেউ পদস্ তার জন্য হেদায়েতের দোয়া করবেন। আর আলেম ওলামার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন এদেরকে কোরআন হাদিসের কথা বলে এবং মানুষকে সঠিক পথে ডাকার তৌফিক দান করেন। আল্লাহ যেন আমাদের কল্যাণ দান করেন। আল্লাহ যেন আমাদের সন্তান সন্ততিকে কল্যাণ পথে হেদায়েতের পথে রাখেন।