লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: কোরআন মজিদের শুরু এবং আমাদের করণীয়

কোরআন মজিদের শুরু এবং আমাদের করণীয়



সম্মানিত মুসল্লি কেরাম মা বোনেরা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে অসংখ্য অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। যিনি আমাদের মত কিছু গুনাগার বান্দাকে আল্লাহ তাআলা করুণা করেছেন, দয়া করেছেন। মসজিদের মধ্যে আমরা এসে আজকের এই জুমার দিনের পবিত্র যে আল্লাহর বিধান গুরুত্বপূর্ণ জুমার সালা আদায় করা, খুতবা শোনা, খুতবা দেওয়া এরকম একটা ফজিলতপূর্ণ সময়ে মসজিদে আসার তিনি তৌফিক দান করেছেন আমাদেরকে। তাই বলছি আলহামদুলিল্লাহ। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের প্রতি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খুতবা পেশ করি। আপনারাও শুনে থাকেন। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দ্বীন সম্পর্কে জানা, ইসলাম সম্পর্কে জানা। সঠিক এলেম অর্জন করে সেই অনুযায়ী আমল করা।

                                                           

খুতবা শুধু বক্তা বা খতিব হওয়ার জন্য নয়। আর খুতবা শুধু শুনবার জন্য নয়। খুতবা হচ্ছে এটা একটা নাসিহা। এজন্য খুতবার শর্ত আছে কয়েকটা। তিনটা শর্ত আছে। এই তিনটা শর্ত একটা হচ্ছে আল্লাহর হামদ বা প্রশংসা থাকা লাগবে খুতবায়। যে খুতবায় আল্লাহর প্রশংসা হবে না সেটা খুতবা হবে না। খুতবার আরেকটা শর্ত হচ্ছে নবীর প্রতি দরুদ থাকতে হবে। কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষকে সম্মান দিয়েছেন। কিন্তু বিশেষভাবে একজনকে সম্মান দিয়েছেন। তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম। এজন্য আল্লাহর এবাদতের সাথে নবীর প্রতি সম্মান দেখানো এটা এবাদতের একটা অংশ। এর প্রমাণ হচ্ছে আযান। আজানের মধ্যে যেমন আল্লাহর ওয়াহদানিয়াত তাওহীদের সাক্ষ্য দেই আমরা।

                                                           

কি বলে? আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে। এরপরে আবার নবীর সাক্ষ্য দিতে হয় আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসুলুল্লাহ সালাতে আমরা শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা করি আল্লাহু আকবার সুবহানাকা আল্লাহুম্মা আল্লাহর প্রশংসা আল্লাহুম্মা বাবা এটা হচ্ছে তওবা ইস্তেগফার আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতির রাজিম বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর পরে কি শুরু করি আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন আল্লাহর গুণগান আল্লাহর প্রশংসা এইভাবে আমরা সূরায় চলে যাই কিন্তু বইটুকে বসলে একটা কাজ করতে হয় আততাহিয়াতুলিল্লাহি এখানে এখানেও দরুদ আছে। তারপরে আবার দরুদ পড়তে হয়। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ ওয়ালা আলি মুহাম্মদ। তো এইভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রশংসা করা, তার প্রতি দরুদ পাঠ করা, তাকে সম্মান করা, তাকে অসম্মান না করা এবং জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে তাকে অনুসরণ করা এটা আমাদের উপরে।

                                                           

আল্লাহ হিসেবে তার বান্দার উপরে আর নবী হিসেবে তার উম্মতের উপরে ফরজ করে দেওয়া হয়েছে। সুবহানাল্লাহ। তবে নবীর সুন্নাহগুলো ভাগ আছে। কোন সুন্নাহ ফরজ মানা। কোন সুন্নাহ স্বাভাবিকভাবে সুন্নত। কোন সুন্নাহ মুস্তাহাব। কারণ নবীর সুন্নাহগুলি কোনটা ছিল উম্মতের জন্য জরুরি হিসেবে সাব্যস্ত করা। কোনটা তিনি আদব বা অভ্যাস হিসেবে পালন করতেন। জরুরি করে দেওয়া হয়নি। সেটা করলে নেকি হয় না করলে কি হয় না? গুনাহ হয় না। তো এই হচ্ছে এই বিষয়টা। এখন যে জিনিসটা খুতবা তাইলে কি থাকবে আল্লাহর প্রশংসা থাকবে তারপরে দুই নম্বরে কি থাকবে কি বুঝলেন নবীর প্রতি দরুদ থাকতে হবে তিন নাম্বারে আরেকটা জিনিস খুতবায় থাকতে হবে এটা না হলে খুতবা অসম্পূর্ণ থাকে সেটা কি বলেন তো দেখি পারেন কিনা কোন একজন পারেন তো দেখা যায় উম্মতের জন্য নাসিহা থাকতে হবে মানুষ যে আসলো খুতবা শোনার আশা নিয়া সে এখান থেকে নাসিহা পাবে।

                                                           

নাসিহা মানে কি? বলেন তো কেউ? নাসিহা মানে কি? উপদেশ। সদ উপদেশ। সৎ উপদেশ ভালো কিছু জ্ঞান আল্লাহ সম্পর্কে, দ্বীন সম্পর্কে, ইসলাম সম্পর্কে এই জিনিসটা তাকে পেতে হবে। নাইলে খুতবার উদ্দেশ্য ব্যহত হয়। তো এইজন্য একটা কথা তাকে বলি। এটা আসলে উদ্দেশ্য না। উদ্দেশ্য আজকে খুতবার বিষয় হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা সহজের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোরআন মজিদের শুরু এবং আমাদের করণীয় আজকের খুতবার শিরোনাম কি বলেন তো কোরআন মজিদের শুরু এবং আমাদের করণীয় এই বিষয়টার উপরে থাকবে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা তো খুতবার মধ্যে আল্লাহর প্রশংসা নাহমাদুহু যে আমরা উঠে পড়ি না এটা বুঝবার আছে এজন্য বলতেছি এটাতে আল্লাহর প্রশংসা করি নাহমাদুহু যে বাক্যগুলি পড়ি না এগুলা সব আল্লাহর প্রশংসা তারপরে আমরা নবীর প্রতি দরুদও পাঠ করি।

                                                           

এরপরে যে নাসিহাত আগে সেটা অনেকে যারা বলেন যে আরবি ভাষায় খুতবা দেওয়া ওয়াজিব। অন্য ভাষায় হবে না। আমাদের ক্ষেত্রে এই মাসালাটা এইভাবে প্রয়োগ করা যাবে না যে আমরা আরবি বলি না। শুধু বাংলায় খুতবা দেই। কারণ খুতবার শর্তটা আমরা আরবিতে পূরণ করে দেই। এরপরে আমরা বাংলায় কিছু কথা বলি যাতে আমাদের দেশের মানুষ বাংলা ভাষা বুঝে তারা আরবি বুঝে না। এইজন্য বাংলায় জিনিসটা বুঝাইয়া দেই। তো এজন্য কেউ বলতে পারে যে এসব মসজিদে তো বাংলায় খুতবা হয়। খুতবা তো আরবিতে হওয়া লাগবে। তাই খুতবা হলো না। এটা আমাদের উপরে প্রয়োগ করা যাবে না। কারণ এই পর্যন্ত প্রথমে খুতবা থেকে শুরু করে নাহমাদ আমি দুই তিন মিনিট প্রশংসা করলাম।

                                                           

এতে হামদ আর সানা হয়ে গেছে। এরপরে আমি নাসিহার জন্য এখন আয়াত বলব, হাদিস বলব। এতে এই শর্তটা পূর্ণ হয়ে গেছে। এটা জাস্ট সহজে বুঝবার জন্য বললাম। তো এখন মূল কথায় চলে যাই। কি নিয়ে খুতবার কথা বলছিলাম আজকের খুতবার শিরোনাম কোরআন মজিদের শুরু এবং আমাদের করণীয়। আমরা একটু চোখ বুলাই। এই জিনিসটা অনেকের জানা আছে। আমি একটু সংক্ষেপ করে দিচ্ছি। তারপরে একটা গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটা পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করব। এই জায়গায় আমরা বিপদে আছি। আমি নিজেও বিপদে আছি। এই বিপদ থেকে যাতে আমরা উদ্ধার হইতে পারি। এজন্য এই বিষয়টা আমাদের দরকার। প্রথমত আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সূরা ফাতেহা দিয়ে কোরআন মাজিদ শুরু হয়েছে।

                                                           

এই সূরায় আমি বারবার আলোচনা করেছি। এটার কোন তাফসীর আমি আজকে করতে যাচ্ছি না। জাস্ট একটা মানে তাজকেরা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সামনে যাচ্ছি। সূরা ফাতেহায় আয়াত সাতটা। কয়টা? সাতটা। প্রথম তিনটা। চারটা আয়াত। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন আর রাহমানির রাহিম মালিকি ইয়াওমিদ্দিন এই তিনটা আয়াত আল্লাহর প্রশংসা আল্লাহর গুণগান আল্লাহর পরিচয় মনে থাকবে তো সূরা ফাতেহা আয়াত কয়টা সাতটা প্রথম তিন আয়াতে কি আল্লাহর গুণগান আল্লাহর পরিচয় আল্লাহর হামদ কারণ পৃথিবীতে এর উপরে কিছু নাই শুরুতে কে সবকিছুর শুরুতে কে আল্লাহ সবকিছুর শেষেও কে আল্লাহ আর সবকিছুর পরিচালক কে আল্লাহ সবকিছুর স্রষ্টা কে আল্লাহ তো যেদিকেই যাইবেন আল্লাহ। তো ওই আমরা আল্লাহর পরিচয় লেখি না বিভিন্ন বই পুস্তকে আল্লাহর পরিচয় লেখি।

                                                           

তো আল্লাহর পরিচয় লেখার পরে শেষে এটা লিখে দেই যে এখানে যা বলা হলো এখানে আল্লাহর পরিচয় শেষ না। গোটা কোরআন মজিদেই আল্লাহর পরিচয়। গোটা ইসলামই আল্লাহর পরিচয়। গোটা সৃষ্টির জগত আল্লাহর পরিচয়। সুবহানাল্লাহ। পরে হয়তো মনে থাকবে না। একটা অভিজ্ঞতার কথা বলছি। গত এক সপ্তাহ শনিবার থেকে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আমার আব্বা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। উনাকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। তো এটা একটা জগত। আমি এতদিন হাসপাতালে কোনদিন থাকিনি। এটা আমার জীবনের প্রথম এক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকা। আমার আব্বাকে দেখাশোনা করবার জন্য। তো কিছু অভিজ্ঞতা পাইলাম। এটা আমার এর আগে ছিল না। এই যে বডিটা আমাদের সুবহানাল্লাহ।

                                                           

এই বডিটা একটা বিশাল কারখানা এবং বিশাল একটা জগত এককটা অর্গানের মধ্যে যে কত পার্টস আর কত জিনিস এটা চিকিৎসাবিজ্ঞানে যারা আছে এরা ছাড়া এটা অনুধাবন করতে পারবে না এককটা ছোট্ট অঙ্গকে নিয়ে যে এত গবেষণা যে কিশমা কিভাবে আল্লাহ এই বডিটারে তৈরি করে রেখেছেন এত পার্ট এখানে সেট করা আছে এটা মাথা হ্যাং হয়ে যাওয়ার মত চিন্তা করলে অবাক হয়ে যা একটা গাড়ি আমরা চড়ি। নির্দ্বিধায় ভাড়া দিয়ে দেই। অমুক জায়গায় গিয়ে নামি। কিন্তু কত পার্টস দিয়ে বানাইছে। অনেক পার্টস অটোমেটিক কাজ করে। ড্রাইভার জানেও না। ড্রাইভার স্টিয়ারিং নাড়াচাড়া করে। গিয়ার নাড়াচাড়া করে। পা দিয়া ব্রেক করে। এতটুকু দিয়ে হে গাড়ি চালায়।

                                                           

কিন্তু চাকা কিভাবে চলতেছে গাড়ির উপরে ড্রাইভারের মাথায় থাকে না। তো আমি এখন কথা বলতেছি। কিন্তু আমার কিডনি কিভাবে কাজ করতেছে। আমার হার্ট কিভাবে কাজ করতেছে আমার খবর নাই। এইভাবে হাজারো অর্গান আমাদেরকে এইভাবে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। এটা বোঝা বড় মুশকিল। এজন্য আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন যে আমাকে যদি তোমরা জানতে চাও আমাকে যদি তোমরা চিনতে চাও বাইরের জগত ভরা আমার নিদর্শনের দরকার নাই। তোমার বডি যথেষ্ট আমারে চিনবার জন্য। সুবহানাল্লাহ। শুধু তুমি যে বডির উপরে দাঁড়িয়ে আছো এটার যে কারো কাজ, এইটার যে বিজ্ঞান, এটার যে সাইন্স এটা কিভাবে তোমাকে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে তোমার বডির দিকে তাকাও। আমি আল্লাহকে পাওয়ার জন্য বাইরে যাওয়ার দরকার নাই।

                                                           

তুমি আমারে পায়ে যাবা। তো যাক ওদিকে আর না যাই। এখন বলছি সূরা ফাতেহা আয়াত কয়টা? আমি কিন্তু সূরা ফাতেহার তাফসীর করতেছি না। এখন এটা মনে রাখবেন। বা কোরআনের শুরুতে তাফসীর করতে বসিনি। আমি গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় এটা আমার সামনে নোটে আছে ওটা আমি বলতে যাচ্ছি কিন্তু কথাটা কোনখান থেকে আসবে সেই শুরুটা বলছি সূরা ফাতেহা আয়াত সাতটা প্রথম তিনটা আয়াতে কি কি আল্লাহর পরিচয় আল্লাহর গুণগান আল্লাহর প্রশংসা চার নাম্বার আয়াতে তাওহীদের ঘোষণা কিসের তাওহীদের ঘোষণা ইয়াকা আল্লাহ আমরা কেবল আপনার এবাদত করি কেবল আপনারই প্রশংসা করি এগুলো আমাদের বারার পড়তে বারবার শিখতে হবে কোরআন মজিদে এই পর্যন্ত যারা আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি সারাজীবন সূরা ফাতেহা পড়ে আসলাম না কথা কন ফাতেহা পড়ি নাই এই পর্যন্ত কোন নামাজে দাঁড়াইয়া সালাতে দাড়াইয়া সূরা ফাতেহা পড়তে বিরক্তি লাগছে ভালো লাগে না ইমাম সাবকে বলে দিব আজকে থেকে ফাতেহা বন্ধ করেন এই কথা মাথায় আসছে কারো কোনদিন এটাই হচ্ছে কোরআনের মোজেজা বারবার

                                                           

মানুষ শুনবে কিন্তু একটা আয়াত এটা বলবে না যে আর শুনতে ভাল লাগে না কিন্তু পৃথিবীতে আর একটা জিনিসও এরকম নাই যারা গান শুনে গানের একেবারে পাগল সবচেয়ে ফেভারেট গান তারে একটা না ১০ বার শোনায় দেন এরপরে বলে এটা কতবার শুনলাম আর ভাল লাগে না কোরআনের ব্যাপারে ব্যতিক্রম একটা আয়াত যতবার পড়ে ততবার মজা লাগে একটা আয়াত পড়ে আল্লাহর নবী রাত কেঁদে কেঁদে চোখ ভিজয়ে দিয়েছেন বারবার পড়তেছেন আয়াতটা গন্ত কি এগুলা জানি না কেন এখন এখন কি আপনারা ছাত্র হইবেন আর আমি ওস্তাদ হমু আর লাঠি দিয়া পিটামু এটা তো মানাইবো না কারণ আপনারা মুরব্ হয়ে গেছেন আমার থেকে অন্যান্য বিষয়ে অনেক উপরে চলে গেছেন জানতে হবে যদি কেউ শর্ট প্রশ্ন করে বসে যে দেখি তুমি তো মুসলমান তুমি কোন ধর্ম পালন কর আমি মুসলিম বলে তোমার কিতাবের নাম কি বলে কোরআন তোমার আদর্শ কে বলে নবী তাইলে বলতো দেখি কোরআনের কোন আয়াত পড় আল্লাহ নবী রাত কাটা

                                                           

দিতেন আর চোখ খালি কানতেন কি উত্তর দিবেন আল্লাহ এটা বলেছিলেন সালাম সরাদার শেষে আমার উম্মত দাওয়াত দেওয়ার জন্য আপনি পাঠাইছেন আমি দাওয়াত দি এখন যদি এরা দাওয়াত না গ্রহণ করে আর আপনি তাদেরকে জাহান্নামে দেন আব দেন শাস্তি দেন এরা আপনার বান্দা আপনার ইচ্ছা আপনি আব দিতে পারেন আমার কিচ্ছু করার নাই। আর যদি আপনি দয়াশীল তাদের কোন ক্ষমার ব্যবস্থা করেন তাহলে আপনি ক্ষমাশীল সেটাও আটকানোর কিছু নাই। সুবহানাল্লাহ। একটা ব্যালেন্স আছে না কথার? আজাবের দিকেও ঠেলে দেওয়া হচ্ছে না আবার ক্ষমার থেকেও ছাড়া হচ্ছে না। এটা আমাদেরকে আশা দেয়। তাইলে ইয়াকা নাবুদুইয়াকাসন। এখানে কি? তাওহীদের ঘোষণা। যে আমরা এক আল্লাহর এবাদত করি।

                                                           

এক আল্লাহর কাছে কি চাই? কি চাই? সাহায্য চাই। এই জিনিসটাই হচ্ছে কোরআনের মূল কথা। আর এই জিনিসটাই হচ্ছে সমস্ত আদম আলাইহিস সালাম থেকে নিয়ে মুহাম্মদ সলাম পর্যন্ত সাহাবা তাবেন আইম্মা মুস্তাহিদিন আজ পর্যন্ত এমনকি কেয়ামত পর্যন্ত যত যত আল্লাহর পথের প্রতীক আসবেন যত সত্যিকারের দায় আসবেন আলেম আসবেন আল্লাহওয়ালা লোক আসবেন এই একটা জিনিসের উপরে পুরা ইসলাম চলে। ইয়াকাদু ইয়াকাস প্রত্যেক নবী তার কওমের কাছে গিয়ে একটা দাওয়াত লা তাবুদু ইল্লাল্লাহ হে আমার কম এক আল্লাহ ছাড়া আর কারো এবাদত করবা না এরপরের তিনটা আয়াত আয়াত তো সাতটা তলে তিনটা আয়াতে প্রথম তিনটা আয়াতে কি আল্লাহর প্রশংসা পরের আয়াতে তাওহীদের ঘোষণা শেষের তিনটা আয়াতে আমাদের জন্য দোয়া সিরাতাল মুস্তাকিম থেকে আমিন পর্যন্ত আমরা আল্লাহর কাছে হেদায়েত কামনা করেছি।

                                                           

সিরাতে মুস্তাকিমের দোয়া চেয়েছি। এবার আমি আর সূরা ফাতেহায় এখন আর কিছু বলছি না। এটা স্মরণ করায় দিলাম। এবার আমরা চলে যাব সূরা বাকারায়। এরপরে আমি মূল বিষয়ে যাচ্ছি। সূরা বাকারায় এটা আমি খুবার শুরুতে পড়ছিলাম। কি? আলিফ লাম কিতাব মুত্তাক। আলিফ লাম এগুলার নাম কি? এদিকে একজনে বলেন তো এই হরফগুলো কি বলা হয়? একজনে বলেন তো মক না শিখলে আজকে শিখে ফেলেন হরুফে মুকাত্তা ভাই এটা শিখতে হবে কেন কেন শিখবেন আপনি অনেক কিছু জানেন ব্যবসা করেন বাণিজ্য করেন সংসার চালান আত্মীয়স্বজন চালান সমাজ চালান প্রতিষ্ঠান চালান আপনার আল্লাহর কালামের প্রথম সূরা পড় সূরা হল সূরা বাকারা সূরা বাকারা শুরু হইছে আলিফ লাম মিম দিয়ে ও আল্লাহ তো আমি এটার নামই জানলাম না আলিফ লামের নাম কি তো আল্লাহর কালামের দায়িত্ব আদায় হইলো নাকি আলিফ লাম মিম এরকম আরো হরফ দিয়ে অনেকগুলা সূরা আছে ২৮টা সূরা শুরু হইছে এইরকম বিচ্ছিন্ন হরফ দিয়ে।

                                                           

এটা কোন বাক্য না। এটাতে জেহার জবর নাই। কয়টা সূরা শুরু হইছে? হরফ আছে মোট ১৪টা। কয়টা? তাইলে একটা প্রশ্ন এটা এমসিকউ প্রশ্ন আসে না? শর্ট কোশ্চন। বিভিন্ন পরীক্ষায় থাকে। এক কথায় উত্তর। তো আপনারে প্রশ্ন করে দিল যে আচ্ছা আপনাদের সূরা বাকারায় যে আলিফ লাম মিম দিয়ে শুরু হইছে এখানে তো জের জবর নাই। এটা তো কোন শব্দও না। এটার তো কোন অর্থও বুঝি না। তাইলে এটা কি? তুমি বলতো। তো আপনি কি কইবেন? উত্তর দিতে হবে না তারে। তারপরে প্রশ্ন করে বসল যে এরকম হরফ দিয়া কয়টা সূরা শুরু হইছে এবং কয়টা হরফ এরকম আছে? তো কি উত্তর দিবেন? এটা তো জানার দরকার ভাই।

                                                           

আগে অনেক কিছু জাইনা লাভ কি? তাইলে এগুলার নাম হচ্ছে হরুফে মোকাত্তা। সবাই উচ্চারণ করেন। কি নাম? হরুফে মকাতা। হরুফ মানে হরফ। অক্ষর। আর মোকাত্তা শব্দের অর্থ হল বিচ্ছিন্ন। আলাদা আলাদা। সেপারেশন করে দেওয়া। তাইলে এইগুলার এই নাম কেন? যেই হরফগুলারে একটা একটা করে পড়তে হয়। এখানে এগুলারে মিলানো যায় না। আলিফ, লাম, মিম। ঠিক এইভাবে। তারপরে আরো আছে কাফ, হা, ইয়া, আইন, সদ এরকম আরো আছে। তো এই বিচ্ছিন্ন হরফগুলো কেন? এই সূরাগুলির শুরুতে আসলো এটা দ্বারা কি বুঝায়? এটা নিয়ে অনেক কথা থাকতে পারে। তবে আমি কয়েক সেকেন্ডে তার সারমর্ম বলছি। এটাই হচ্ছে আসল কথা। আরো আনুষাঙ্গিক অনেক কথা থাকতে পারে।

                                                           

আপনারা এক কথায় উত্তর দিয়ে দিবেন যে আল্লাহ তাআলা ভালো করে বুঝবেন এই কথাটা। হয়তো অনেক আগে বলেছিলাম। কিন্তু আপনাদের সবাইকে একটু সামনে আগাইতে হবে। মুসল্লিরা একটু কথা শুনুন, খুতবা শুনুক। নরেন না তাড়াতাড়ি একটু কাতার ভাঙ্গেন। কাতার ভাঙ্গে সামনে আগান। তাড়াতাড়ি তাড়াতাড়ি সময় নাই। কয়েক সেকেন্ড। ওই যে মানুষ বাইরে খাড়াইয়া থাকার চেয়ে দুই একটা হাদিস শুনুক সমস্যা নাই নামাজের সময় জায়গা হবে আরেকটু আগান একটা ওই যে সামনে খালি জায়গা আছে খুতবার সময় কিবলামুখি হওয়া জরুরি নয় কাতার বান্ধা জরুরি নয় ওই যে ভাই সামনে পিছনে আগান না ওযে সামনে খালি হইছে একটু জায়গা পিছনে করে দেন মানুষ খুতবা শুনে নামাজে দাড়ায়া যাবে ইনশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ কি বলছিলাম কি বলছিলাম কোথায় ছিলাম কথা কনফেকালি একটা জরুরি কথা বলছি এখন শুনেন আল্লাহ তালা নবী রাসূল পাঠাইছেন না তাদেরকে মৌলিকভাবে দুইটা জিনিস দিয়েছেন কয়টা জিনিস কি কি বলেন তো দেখি প্রত্যেক নবীকে কমবেশ আল্লাহ মৌলিকভাবে দুইটা জিনিস দিয়েছেন তারাও আমাদের মত মানুষ নবীরা মানুষ না তারাও হাটবাজারে যাইতেন বাজার হাট করতেন সংসার ছিল পরিবার ছিল এসব ক্ষেত্রে তাদের কোন পার্থক্য ছিল না তারাও ঘুমাইতেন তারাও খাইতেন কিন্তু পার্থক্য ছিল দুই জায়গায় যেটা সাধারণ মানুষের সাথে মিলে না।

                                                           

কন তো এইটা কি? একটা হচ্ছে আল্লাহ তাদের কাছে আসমানের ওহী দিয়েছিলেন। এটা নবী ছাড়া আর কেউ পায় নাই। আরেকটা জিনিস কি কন তো? কে বললেন মজিজা দেখি? আপনে এতজন ভাই কেউ আর কেউ বললেন না কেন? জানতে হবে তো। আমি অনেক বিষয় নিয়ে খুতবা দিতে পারতাম। কিন্তু এগুলো হল বেসিক নলেজ অফ ইসলাম। আমার আল্লাহ সম্পর্কে, আমার নবী সম্পর্কে, আমার কোরআন সম্পর্কে যা জানবো এটা হচ্ছে ইসলামের মৌলিক জ্ঞান। আরো অনেক বিষয় আছে অনেক দূরে দূরে। নবী রাসূলরাই দুনিয়াতে হেদায়েতের মশাল নিয়ে আসছেন। এই নবী রাসূলদের মাধ্যমেই ইসলাম আল্লাহর দ্বীন প্রচারিত হইছে। এখন এই নবী রসূলরাও মানুষ, আমিও মানুষ।

                                                           

মৌলিক পার্থক্যটা কোথায়? এটা আমার জানলাম না। তো কি জ্ঞান অর্জন করলাম আমি? বুঝেন নাই কথা না রাগ করছেন? অনেক মন খারাপ হইছে মৌলিক পার্থক্য দুইটা জায়গায় যে আমার কাছে ওহে নবী বলুন আমার কাছে ওহী প্রেরণ করা হয়েছে আনালাহ তোমাদের একজন এটা আমি নিজে বলছি না ওহীর নবীদের দাওয়াতের পাওয়ার আর অন্যান্য মানুষের দাওয়াতের পাওয়ারের পার্থক্যটা এটা আল্লাহ নবীকে এটা বলছেন যে আপনি বলুন আমার কাছে ওহী করা হয়েছে যে তোমাদের ইলা একজন। নবী নিজে বলছেন না যে হে দুনিয়ার মানুষ তোমাদের ইলা একজন। কথার পার্থক্যটা এই জায়গায়। সুবহানাল্লাহ। আরেকটা জিনিস কি? মজিজা। মজিজা মানে অলৌকিক কিছু ঘটে যায় যেটা সাধারণ মানুষ পারে না।

                                                           

তো যে সময়ে যে ধরনের অলৌকিকতা থাকতো ওই সময় নবীরে ওইটা মোজেজা দেওয়া হইতো। মুসা আলাইহি সালামের মোজেজা কি ছিল? সাপ হাতের লাঠি সাপ হইয়া যাইত। তো ওই সময় জাদুর বেলকিবাতি চলত। তো ওই জাদু নষ্ট করবার জন্য আল্লাহ তালা ওই জাদুর মোজিজা উনারে দিছেন। আরেকজন সালে আলাইহি সালামের কুটনি ছিল। ওরকম বিভিন্ন নবীর বিভিন্ন মোজেজা ছিল। দাউদ আলাইহিস সালামের মোজেজা কি ছিল বলেন তো দেখি। বলতে পারবেন? দাউদ আলাইহিস সালামের মোজেজা।

                                                           

দাউদ আলাইহি সালামের সময় শিল্পকার্য আপনার যে এইযে শিল্পের আপনার উত্থান ছিল মানুষ বিভিন্ন জিনিস দিয়ে বিভিন্ন জিনিস বানাইতো গর বানাইতো দাউদ আলাইহি সালামরে আল্লাহ মজি দিলেন লোহা দিয়া বর্ম বানাইতেন তিনি কিন্তু লোহা পোড়ানো লাগতো না সুবহানাল্লাহ আমরা মাটি দিয়া তো যেভাবে জিনিস বানাইতে পারি তাল বাসন এই যে যারা বানায় এগুলা বানাইতে পারে এটা পুড়ানো লাগে না কিন্তু লোহা দিয়া দাও কেচি কোড়াল কোদাল বানাইতে হইলে আগে দেখবেন এরকম খালি তাপ দিতে তাপ দিতে দিতে যখন গরম হয়ে যায় তখন পিটাইলে এটা বলে নরম হয় দাউদ আলা সালাম আল্লাহ এই মজা দিছিলেন যে তার লাগ না তিনি তুমি এগ বানাও এইভাবে এখন নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সলাম আল্লাহ দিলেন মজ কি দিবেন অনেক মজ আছে কিন্তু এই ওহীর ভিতরে কিছু মজ দিয়েছেন এটা সারা আরবাসী কুলাইতে পারে নাকি মহাম্মদ সলামের সময় ছিল ভাষার মোজেজা মানে সাহিত্য দিয়া কে কত উপরে উঠতে পারে এজন্য আপনারা আশ্চর্য হয়ে যাবেন আপনারা যদি

                                                           

কেউ মাদ্রাসায় পড়ে থাকেন আল ফাজিল কামিল এগুলাতে তখন সাবা মুয়াল্লাকা নামে একটা ইয়া আছে মানে আরবি সাহিত্যের মধ্যে সাবা মুয়াল্লাকা মানে আরবরা তখন আরবি সাহিত্য দিয়া কবিতা বানাইয়া অনেকে কাবা ঘরে ঝুলায়া রাখত এবং কার সাহিত্যিক মান কত উন্নত হইছে এগুলা নিয়া তারা প্রতিযোগিতা করত যে কে কত উন্নত মানের সাহিত্য বানাইতে পারে আসো। ঠিক এই মুহূর্তে এই একটা সময়ে আল্লাহ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠাইছেন। এখন তারে তো আর সাপের মোজেজা দিলে হবে না। এখন তো তাকে আর ওই বর্ম বানানোর মোজেজা দিলে হবে না। এখন সাহিত্যের মোকাবেলা করতে হবে আরো উন্নত মানের সাহিত্য দিয়া। সুবহানাল্লাহ। সুবহানাল্লাহ।

                                                           

যে কোরআনে আলিফ লাম মিম কি এখন পর্যন্ত জানলাম না এটা হয় না ভাই আপনি আমার লগে রাগ করেন সমস্যা নাই এটা হয় না তো আল্লাহ তালা কোরআন নাযিল করলেন ওহী কিন্তু কোরআনের কিছু সূরার ভিতরে কয়টা সূরার শুরুতে বলুন তো ২৮ টা সূরার শুরুতে কয়টা হরফ ২৯ টা হরফ এরকম দিয়া দিলেন আলিফ লাম মিম কাফ নুন সদ হা কাফ হা ইয়া আইন সদ হা মিম এটা দিয়া ইয়াসিন এগুলা দিয়া পুরা আরববাসীরে হতভঙ্গ করে দিলেন। আল্লাহ। এমন একটা মজিজা কি? যে তোমরা যে আলিফ বা তা দিয়া এই যে সাহিত্যের প্রতিযোগিতা করতেছো। আমার নবীর জবান থেকে যে কোরআন আছে সেখানেও এরকম আলিফ লাম মিম আছে।

                                                           

এবার দেখতো এটা কি বুঝায়। তোমরা বাহির করতো। কেউ কিছু বুঝতে পারে না। যে আসলে ঘটনাটা। এই জন্য কোরান মজদে পৃথিবীতে যত ভাষা আছে পৃথিবীতে যত সাহিত্যিক মান আছে কোরান মজিদ টা শুধু কিতাব না এমন সেটিং এবং ভাষা আল্লাহ প্রয়োগ করেছেন এখানে যে সারা পৃথিবীর কেয়ামত পর্যন্ত যত বিজ্ঞান আছে যত আপনার ব্যাকরণ আছে যত সাহিত্যের মান আছে সবকিছুকে তুলে ফেলে দিয়ে নিচে ফেলে দিয়ে আপনার কোরআনের সাহিত্যিক মান উপরে চলে যাবে সুবহানাল্লাহ আপনি এটাকে মাসালার কিতাব পড়লে মাসালা। ইতিহাসের কিতাব পড়লে ইতিহাস। সাইন্সের কিতাব পড়লে সাইন্স। কৃষি বিজ্ঞানের কিতাব পড়লে এটা কৃষি। এখানে আপনার দেখা গেছে যে এটারে যদি আপনে কবিতা গদ্য আর পদ্য আছে না? গদ্য আর পদ্য দুইটা আছে তো সাহিত্যের বইয়ে।

                                                           

গদ্য সাধারণ লেখা থাকে। আর পদ্যের শেষে কি থাকে? একটা ছন্দের মিল থাকে। কোরআনটা কি? গন্ত গদ্য না পদ্য। কি বলবেন? আপনারা আমি প্রশ্ন করলাম কোরআনটা গদ্য না পদ্য গন্ধ কেউ বলছে গদ্য কেউ বলছে পদ্য কোরআন আপনি যদি গদ্য হিসেবে নেন গদ্য আর যদি পদ্য হিসেবে নেন পদ্য দুইটাই আছে সুবহানাল্লাহ আর রাহমান সূরা পড়েন প্রত্যেকটা আয়াতের শেষে আল্লাহ নুন দিয়া ছন্দ মিলাইছে আর রাহমান আল্লামাল কোরআন খালাকাল ইনসান আল্লামাহুল বায়ান মিলান এজন্য তো বলছিল ইন্নাকাল কাউসারটা হচ্ছে কোরআনের সবচেয়ে ছোট সূরা তাই না এর চেয়ে তিন আয়াতের আর কোন ছোট সূরা নাইতো আল্লাহ তালা তিনবার চ্যালেঞ্জ করছিলেন আরববাসীরে যে তোমরা আমার কোরআন বানাও প্রথমে বলছিলেন আমি এটা আমার মূল বিষয় ছুটে যাবে আমি এখানে আর সময় দিচ্ছি না আল্লাহ আমার তো প্রায় অনেক সময় চলে গেছে আমি এখান থেকে বের হয়ে যাচ্ছি প্রথমে বলছিলেন কোরআনের মত করে বানাও পারলো না পরে বলছিলেন কয়টা সূরার কথা দেখি এই হাউজের

                                                           

মধ্যে একজনকে বলতে হবে সবাই অনেকে আরো বলেন না কেন একজন বলছে ১০টা আমার কোরনবিল কোরআন পড়েন নাই এগ সব লেখা আছে এরপরে লাস্টে গিয়া কিসের চ্যালেঞ্জ করছিলেন একটা ছোট্ট সূরা বাকারা ছোট্ট একটা সূরা নিয়ে আস ছোট্ট সূরা তখন কোনভাবে ভ মিলাইতে পারে না যে এটা কেমন কথা কেমন সাহিত্য কেমন ভাষা কোনভাবে এটার দ্বারে কাছে যাওয়া যায় না তখন ওরা কি বলছিল শেষে একটা কথা লাগাইছিল ওরাই এটা কোরআনের আয়াত না ওরা অক্ষম একটা কথা বলছিল বলতে পারবেন সেটা কি বলছে তো একজন কিলামিন কালামিল বা কথার লগে একটা কথা লাগাই ওরা কি যে এটা কোন মানুষের কথা না সুবহানাল্লাহ মানে এইযে কোরআনের যে ছন্দগুলা মিন কালামিন বাসার এটা কোন মানুষের বানানো কথা এগুলা হচ্ছে জ্ঞান আল্লাহতালা এই ওহীর জ্ঞানটাই আমাদেরকে আত্মার খোরাক হিসেবে দিয়েছেন তো যেটা বলছিলাম এখন আমি দ্রুত বের হচ্ছি এখান থেকে এখন সূরা বাকারা শুরু হইছে এই মজিজা দিয়ে এজন্য হরফে মুকাত্ত এগুলা অনেক

                                                           

ব্যাখ্যা করছে কেউ বলছে আলিফ দিয়া আল্লাহ লাম দিয়ে আলিফ লাম লাম দিয়ে রাসুল মিম দিয়ে মোহাম্মদ আর অন্যান্য অনেক কিছু কিন্তু এগুলো আসলে পথেনিক কথা নাক কথা হচ্ছে হরফগুলি দিয়ে আল্লাহ আরববাসীরে ভাষাগত দিক দিয়ে গায়েল করে দিছেন এবং নবীকে উপরের সম্মানে তুলে ধরছেন এখন হল এরপরে আল্লাহ সূরা বাকারায় বলছেন তার কোরআন নিয়ে একটা আয়াত যে এটা জালিকাল কিতাব বুঝছেন তো যেই কিতাব এতে কোন সন্দেহ নাই আর এটা হেদায়েত করে কারে মুত্তাকিন মানে এটা হেদায়েতের কিতাব। এরপরে আল্লাহ মুত্তাকীদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। আল্লাজনা সলাতা এখানে এটা বলেছেন। তাদের পুরস্কারের কথা বলেছেন। পাচ এবং ছয় আয়াতে কি বলা আছে? কাফিরদের প্রসঙ্গে একটা সূরার শুরুতে কি এটা না দেখে বলতে হবে।

                                                           

ইন্নাল্লাজিনা কাফারু। এখানে দুইটা আয়াত পাচ এবং ছয়। এখানে যারা কোরআন মানে না আল্লাহ মানে না কাফেরদের পরিণতির কথা বলা আছে সাত থেকে নিয়ে ২০ পর্যন্ত কাদের কথা মুনাফিকদের কথা এরা আবার কারা একটা হল মুত্তাকী অন্তরেও বিশ্বাস করে বাইরেও আমল করে আর আরেকটা হইলো অন্তরেও বিশ্বাস করে না বাইরেও আমল করে না এরা হইল মুত্তাকী মুমিন আর এরা হইলো কাফির আর মাঝখানে তৃতীয় আরেক দল বাইর হয়ে গেছে এর ভিতরেই সমস্ত দুনিয়ার মানুষ ঘুরাফেরা করতেছে যে মুখে মাইনা নেয় কিন্তু অন্তরে মিল নাই। মুখে একটা, অন্তরে আরেকটা। এদের ব্যাপারে ২০ আয়াত পর্যন্ত আলোচনা। এবার আমি একটা প্রশ্ন করবো। ২১ নম্বর আয়াতে সূরা বাকারায় কি বলা আছে? এই হাউজের মধ্যে একজনকে বলতে হবে।

                                                           

দেখে না, দেখে না, দেখে না। মোবাইল আবার হাতে নিয়েন না। আর কাগজ কলম দিয়ে এখন নোট করারও দরকার নাই। বিশ্বাস করেন আমি কথা কম বললেও সমস্যা নাই যদি এই জিনিসটা জানতে পারেন এই পুরা কোরআনের মূল কথাটা সূরা বাকারার ২১ নম্বর আয়াতে সুবহানাল্লাহ গোটা কোরআনের আমি সূরা ফাতেহার একটা আয়াতের কথা বলছিলাম পুরা কোরআনের সারমর্ম কোনটা সূরা ফাতেহার কোনটাইয়াস এই কথাটাই আল্লাহ রিপিট করেছেন সূরা আল বাকারার ২১ নম্বর আয়াতে গোটা দাওয়াত গোটা কোরআন এই দুইটা আয়াত সূরার মধ্যেই আছে সূরা বাকারার ২১ নম্বর আয়াতটা এতজন মানুষের মধ্যে একজনও পড়তে পারবে এটা তো গ্রাম না শিক্ষিত মানুষ তো সবাই দেইখা পড়ছেন না না দো দেখছেন এখন মোবাইলে না দো আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ যদি এই আয়াতটা সূরা বাকারার ২১ নম্বর আয়াত আমি না জানি তাহলে এর উত্তর কি জানেন আপনি রাগ করবেন করেন আপনার রব আপনাকে কি টার্গেট নিয়ে দুনিয়াতে সৃষ্টি করেছেন এটাই বুঝেন নাই আপনি শিক্ষিত হতে পারেন অনেক কিছু

                                                           

হতে পারেন আপনার অনেক ক্ষমতাও আছে কিন্তু যে আল্লাহ আপনারে এত সুন্দর বডি দিয়া বানাইছেন সেই আল্লাহ কেন আপনারে দুনিয়াতে পাঠাইছেন এটাই জানেন না যদি সূরা বাকারার ২১ নম্বর আয়াত না জানে ইয়া আইয়ুহান নাস মানে হে মানব মন্ডলী কেউ বাদ পড়ছে পৃথিবীতে কিয়ামত আদম আলা সালাম থেকে কেয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ নামের জীব আছে একজনও বাদ পড়ে নাই মানব মন্ডলী মানে কি তোমাদের রবের এবাদত করু সবাইকে আল্লাহ বলছেন তোমাদের রবের এবাদত করল নাস্তাইন আল্লাহ কেবল তোমার এবাদত করি তোমার কাছে সাহায্য চাই তাইলে আরো আশ্চর্যের বিষয় বাকারার ২১ আয়াতে নির্দেশ আল্লাহ বলছেন হে দুনিয়ার মানুষ তোমরা তোমাদের রবের এবাদত করো এটা আমরু এটা আমর ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স আদেশসূচক ক্রিয়া তিন ভাষা বললাম এখন বুঝছেননি শুধু আমর পড়লে বুঝতেন না আদেশ সূচক ক্রিয়া তোমাদের রবের এবাদত করো করতে হবে কারণ কার এবাদত করবা তোমার রবের রব মানে যে তোমারে পালে যে তোমারে শ্বাস নিতে দেয় যে তোমার হার্ট ভালো রাখে

                                                           

যে তোমার কিডনি ভালো রাখে যে তোমার রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে যে তোমারে দুধ দেয় যে তোমারে বাদ দেয় যে তোমারে বাজারে গেলে শাক সবজিগুলা যে তুমি পাও টাকা দিলে তো পাইতা না যদি জমিনে উৎপাদন উৎপাদন না হইতো এইজন্য আল্লাহ এটা বলেন নাই তোমরা আল্লাহ এবাদত করলে বলেন নাই এখানে বলেছেন হে দুনিয়ার মানুষ তোমরা তোমাদের রবের এবাদত করো কেন করতে হবে কারণ তিনি তোমারে পালতেছেন। সুবহানাল্লাহ। এর চেয়ে উচ্চাঙ্গের আর ভাষা হয় না। এর চেয়ে সুন্দর সাইন্টিফিক কথা আর হয় না। আল্লাহ বলতে পারতেন তুমি আল্লাহর এবাদত করো। তো এটা বললে বলতাম আল্লাহর এবাদত না করলে কি হয়? আল্লাহ রব বলে বলছেন এর এবাদত তোমাকে করতে বাধ্য করতেই হবে।

                                                           

কারণ ওর করুণা ছাড়া তোমার এক সেকেন্ডের অস্তিত্ব নাই। তুমি মুহূর্তে শেষ হয়ে যাবে যদি খালি হার্টের স্পন্দনটা বন্ধ হয়ে যায়। তোমার ব্লাড সার্কুলেশন যদি এই মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যায় তুমি এক মুহূর্ত বাচবে না। বলেছেন এই মুহূ্তে যদি আল্লাহ তোমার শ্রবণ শক্তি ছিনা তোমার দৃষ্টিশক্তি করে তোমার ব্রেনকে মানে বিকল করে দেন। তুমি আর চিন্তা করতে পারো না। পাগল হয়ে গেছো। বল কোন সত্তা আছে তোমাকে ফিরায়ে দিতে পারে। এখানটা ঠিক আছে। তাইলে সূরা বাকারার কত আয়াতে আল্লাহর নির্দেশনা? ২১ আয়াতে যে দুনিয়ার মানুষ তোমরা কার এবাদত করো? কনতো কার এবাদত কর? তোমাদের রবের এবাদত কর। যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।

                                                           

এখন আমি আর কিছু বলছি না। এখন আমি মূল বিষয়ে চলে যাচ্ছি। আমার সময় দুইটা ভাগ হয়ে গেছে। অর্ধেক সময় এখানে চলে গেল। আমি আরো কম সময় নিতে চাইছিলাম। এতক্ষণে আমি যেটা বুঝাইলাম সেটা হচ্ছে কয়েক সেকেন্ডে আবার বুঝেন। আমার আধা ঘন্টার বক্তব্যের সামারিটা। আমি এতক্ষণে যেটা বুঝাইতে চাইছি সেটা হলো যে আল্লাহ তাআলা আমাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি কোরআন মজিদ নাযিল করেছেন এটা হচ্ছে একদিকে ওহী আরেকদিকে মোজিজা কি বলেন তো একদিকে কি ওহী আরেকদিকে কি মোজেজা এই ওহীর শুরুতে তিনি যেটা বলেছেন প্রথমে সূরা ফাতেহায় তিন আয়াতে তার কি করলেন প্রশংসা করলেন চার নাম্বার আয়াতে তাওহীদের ঘোষণা পরের তিন আয়াতে হেদায়েতের দোয়া চলে গেলাম সূরা বাকারায় শুরু হলো হরফে মুকাত্ত দিয়ে।

                                                           

এটা হচ্ছে কোরআনের মোজিজা। নবীর মোজিজা। পরের আয়াতে কোরআনের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরলেন যে এটাতে কোন সন্দেহ নাই। এটাতে হেদায়াত আছে। তারপরে মুত্তাকীদের গুণাবলী। তারপরে পাচ এবং ছয় আয়াতে আমি বলছি আপনি কনতো কি? পাচ এবং আয়াতে একজন বলেন তো কাফেরদের আলোচনা। সাত থেকে ২০ পর্যন্ত কাদের আলোচনা? মুনাফিকদের আলোচনা। আর ২১ নম্বর আয়াতে কি? ইয়াকা নাবুদুইয়াকা নাস্তাইন বলেছিলাম আমরা। এটা কে বলেছিল? হে আল্লাহ আমরা আপনার এবাদত করি। আমরা আপনার সাহায্য চাই। আর বাকারার ২১ আয়াতে গিয়া আমরা বলছি না আল্লাহ আদেশ করছেন। কি করছেন? আল্লাহ আদেশ করছেন হে দুনিয়ার মানুষ তোমরা তোমাদের রবের এবাদত করো। করতে হবে কারণ তিনি তোমার রব।

                                                           

অন্য কিছু নন। এবার জীবন বুঝে পাইছেন? জীবনটা বুঝে পাইছিনি তাইলে আমার জীবন মানে কি আল্লাহর প্রশংসা জীবন মানে হেদায়েতের দোয়া আমার জীবন মানে আমাকে মুত্তাকী হতে হবে তাহলে আমি উলাইকা মুফ সফল হতে পারব আমার জীবন মানে আমি কাফেরদের দলে যেতে পারবো না আমার জীবন মানে আমি মুনাফিকদের দলে যেতে পারবো না আর আমার জীবন মানে ২১ নম্বর আয়াত আমাকে আমার রবের এবাদত করতে হবে এই পর্যন্ত বুঝা পাইছেন তো সার সংক্ষেপ বুঝছেন তো এইবার এইখানে থেমে যাই এখন এখন এবাদত করতে হবে আল্লাহর। কার? আল্লাহর এবাদত করতে হবে। রবের এবাদত করতে হবে। এবাদতের শাব্দিক অর্থ দাসত্ব। এবাদতের শাব্দিক অর্থ কি? দাসত্ব করা, চাকরি করা, কারো আদেশ-নিষেধ মেনে নেওয়া।

                                                           

সমস্ত মানুষ আল্লাহর হাত। দাস, নবীরাও। নবী রাসূলরাও আল্লাহর দাস। ফেরেশতা কি? কন তো দেখি। কিছু আপনারা কন। ফেরেশতা কি? ফেরেশতাও আল্লাহর দাস ফেরেশতাও আল্লাহর এবাদত করে জানেননি এবাদ ফেরেশতাও আল্লাহর সৃষ্টি তারাও আল্লাহর এবাদত করে এখন আমরা যে আল্লাহর এবাদত করব আমি এখানে সময় নিচ্ছি না আমি ভিন্ন একটা বিষয়ে এখন প্রবেশ করতেছি এবাদত বলতে কি বুঝায় এটা সংক্ষেপে আমি বারবার বলেছি আবার স্মরণ করায়ে দিচ্ছি ইসলামের আদেশ দেশ পালন করলে আল্লাহর এবাদত হয়। আর পালন না করলে কার এবাদত হয়? মনে আছে। এইটা ভুল মুখস্ত করে বেন। একদিন মুখস্ত করাইছিলাম। ইসলামের অর্থাৎ আল্লাহ আল্লাহ রাসূলের আদেশ পালন করলে কার এবাদত হয়? আল্লাহর এবাদত হয়।

                                                           

আর পালন না করলে কার এবাদত হয়? শয়তানের এবাদত হয়। আর আল্লাহ বলছেন আমার এবাদত কর। শয়তানের এবাদত করবা না। আর আল্লাহ আল্লাহ রাসূল যেটা নিষেধ করেছেন সেটা নিষেধ থেকে মানে না করলে দূরে থাকলে কার এবাদত হয়? আল্লাহর এবাদত হয়। আর নিষিদ্ধ কাজে জড়াইয়া গেলে কার এবাদত হয়? শয়তানের এবাদত হয়। তাইলে এবাদতের মধ্যে আদেশ নিষেধ দিয়া দুইটা সাইন। যে আদেশ পালন করলে আল্লাহর এবাদত না করলে শয়তানের এবাদত। আর নিষেধ পালন করলে শয়তানের এবাদত। দূরে থাকলে আল্লাহর এবাদত।

                                                           

বুঝছেন তো? এখন শুনেন যত আদেশ আছে নামাজ পড় আদেশ আছে না যাকাত দেও আদেশ আছে না হজ করও আদেশ আছে না কোরআন তেলাওয়াত করার আদেশ আছে না এরকম সব এবাদতরে আমরা নিলাম নিয়া এখন আমরা এই এবাদত পালন করি এইবার হল গুরুত্বপূর্ণ কথায় চলে আসছি তো যত এবাদত আমরা করি সব এবাদত সমানভাবে এট এ টাইম হয় না হজ কি সারা বছর করি প্রত্যেকদিন হজ করিনি আমরা প্রত্যেকদিন মরা করিনি না প্রত্যেকদিন সিয়াম রাখি না এটা মাঝে মাঝে আসে যাকাত প্রত্যেকদিন দেই না বছরে একবার দেই তিলাওয়াত সারাদিন করি না একটা টাইম করিতো সবচেয়ে বেশি এই এবাদতগুলো আমরা সময় সময় করি সবচেয়ে বেশি করি কোনটা দিনে পাঁচবার কোন এবাদতটা করি সালাত করি এখন আমি আজকে ব্যতিক্রমী কিছু কথা বলব যেটা খুতবায় আমি এখানে বলছি কিনা হয়তো ফাকে ফাকে বলছি কিন্তু এই পয়েন্টগুলো সব বলি নাই আজকে বলব যে সময় আছে তাতে হয়ে যাবে।

                                                           

এবাদত আমরা যে করবো করলে আল্লাহর এবাদত হবে। আমরা নেকি পাব এর মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে জান্নাত দিবেন করুণা দিবেন। কিন্তু এর একটা নেগেটিভ সাইড আছে। ব্যবসা করলেই লাভ হয়নি। না লসও হয়। কথা কন লস হয় না? যে কোন কাজের ভালোমন্দ পরীক্ষা দিলেই সবাই পাশ করে না ফেলও করে। তো পরীক্ষা তো দিছে। তো ফেল করল কেন? রেজাল্ট ভালো করে লিখতে পারে নাই। আল্লাহর এবাদত করলেই সফল হওয়া যাবে না। আল্লাহর এবাদতকে টিকিয়ে রাখতে হবে। এবাদতকে মানসম্মত করা লাগবে। তাহলে এবাদত আমাদেরকে জান্নাতের সহায়ক হবে। বোঝা গেছে? এখন কোন জিনিসের ধরেন আপনি একটা ব্যবসা চালান। একটা জায়গায় জমি কিনবেন। একটা জায়গায় দোকান দিবেন।

                                                           

এটার ক্ষেত্রে মূলনীতি কি জানেন? আপনি পজিটিভের চেয়ে নেগেটিভ সাইডটা বেশি দেখবেন। একটা জায়গায় জমি কিনবেন এটার অনেক সুবিধা আছে। কিন্তু আগে দেখবেন এখানে অসুবিধাটা কি। এটার রাস্তাটা ঠিক আছে কিনা। এটা আপনি বুক দখল করে শান্তিতে এখানে থাকতে পারবেন কিনা। হ্যা। নেগেটিভ সাইডটা আগে দেখবেন। তো আমাদের এবাদত করলে ভালো সওয়াব হয়, নেকি হয়। কিন্তু তার নেগেটিভ সাইডটা কি? যে আমার এই এবাদতটাকে নষ্ট করার জন্য, ধ্বংস করার জন্য বা বিপদে ফেলে দেওয়ার জন্য। এবাদত করেও আমি জাহান্নামী হয়ে যাব। এটার জন্য কি কি ফর্মুলা আমার সামনে আছে? কি কি বিপদ আমার সামনে আছে এইটা আমাদের জানতে হয়।

                                                           

তো একটা বিষয় এখানে আছে যে টোটাল এভারেজে যে মানুষের আমল এবাদত বন্দেগী কোন কোন জিনিস নষ্ট করে দেয় ইসলাম ঈমান পর্যন্ত নষ্ট করে দেয় এরকম ১০টা জিনিস আছে আজকে আমি শুধুমাত্র স্পেসিফিক কয়েকটা পয়েন্ট বলব যেটা আমাদের পাঁচ ওয়াক্তের দিনের পাঁচবারের এবাদত নামাজ সালাতটাকে নষ্ট করে দেয় এই নেগেটিভ সাইডটা আমি আজকে বলব এটা ছিল আমার খুতবার মূল বিষয় এখানে আসতে আমার এতক্ষণ সময় লাগছে তাইলে এখন এখন কি নিয়ে কথা বলব তুমি কচাই এখন কি নিয়ে কথা বলব তুমি বুঝ নাই কথা আমারা এবাদত করলে কি হবে কথা কন নেকি হবে আর কি হবে জান্নাত হবে কিন্তু এবাদত করার পরে যদি আমার এবাদত না টিকে মানে না পৌঁছায় এবাদত যদি নষ্ট হয়ে যায় তাইলে নেকি হবে জান্নাত হবে না তাইলে আমার এবাদত কোন জিনিসে নষ্ট করে দেয় জানার দরকার আছে না জানলাম একটা বিষয় আছে সকল এবাদতের ক্ষেত্রে আজকে আমি বলব একটা এবাদত নষ্ট করার জন্য কি কি

                                                           

বিপদ দাড়া রইছে সেটার নাম কি কোন এবাদত এবারে পয়েন্টে যাচ্ছি সংক্ষেপে বলা লাগবে আমার এবাদত সালাতকে নষ্ট করে দেয় কোন কোন জিনিস এটা আজকে মুখস্ত করে যাবেন গত জুমায় কি নিয়ে খুতবা দিছিলাম জানি কয়েকটা পয়েন্ট ১০টা না কয়টা আপনি তো আছিলেন কন তো দেখি গত মাসের জুমায় এরকম ১০টা না কতটা পয়েন্ট নিয়ে একটা খুতবা দিছিলাম কাদের ভয় নাই কাদের চিন্তা নাই এত ভুলে গেলে কেমনে হবে আর আজকে এতক্ষণ বললাম কি সূরা বাকারা কোরআনের শুরুতে আল্লাহ কি বলছেন আর কোরআনের মূল কথাটা কি আল্লাহর এবাদত আল্লাহর এবাদত আমি করব এখন আমার এবাদত নষ্ট করে দেয় কিসে বিশেষ করে আমার নামাজ নষ্ট করে দেয় কিসে এখানে আমি কয়েকটা পয়েন্ট বলছিয়েন্ট মোট হল ১০টা কয়টা আমি সংক্ষেপে বলতে হবে এক নাম্বার পয়েন্ট বিশেষ তিন ধরনের মানুষ আছে এদের নামাজ কবুল হয় না আল্লাহর দরবারে হাদিসগুলো আরবি সহ বলতে গেলে সময় বেশি বেশি লাগবে আমি একটু সংক্ষেপ করতেছি ৫৫৩ এটা

                                                           

হচ্ছে আপনার তিরমিজির ৩৬০ তারপরে বায়হাকির ৫১২৫ অনেকগুলো রেফারেন্স দেওয়া আছে আমি একটাই বললাম আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতুন তিন ধরনের মানুষ আছে লা তাদের কানের উপরে যায় না আল্লাহর কাছে যাওয়া তো দূরের কথা ইন্নালিল্লাহ বিপদ নামাজ পড়লাম অযু করলাম সময় দিলাম আপনারা এখন সালাত আদায় করবেন আল্লাহর কাছে যাবে তো আমার এবাদতটা তাইলে না কবুল হবে না জান্নাত পাব আল্লাহর নবী বলছেন আল্লাহর কাছে যাওয়া তো দূরের কথাযে কান আছে না কানের উপরেও যাবে না বিপদ না এই জিনিসগুলো এক সাহাবী ছিলেন উনি মানুষ খালি ভালো জিনিস প্রশ্ন করত উনি বলতেন আমি মন্দটার প্রশ্ন করতাম আল্লাহ রাসূ আমার বিপদ কোথায় এটা আগে ভালো আমি জানি বলছেন আল আবদুল আদ যে দাস মালিকরে না বলে পালায়া চলে যায় এটা যখন দাসথা ছিল তখন বা এখনো যদি হয় সেটা হতে পারে হাত ফিরে না আসা পর্যন্ত মহিলারা রাগ করবেন না যে আজকের খতিব আমাদের

                                                           

উপর কি বিপদ ফালায় দিয়া গেলেন করার তো কিছু নাই পয়েন্টে হাদিসে চলে আসছে আমি এটা মহিলাদের জন্য বলার জন্য বাইর করি নাই আল্লাহ নবী বলছেন এমন নারীর সালাত তার নামাজ আল্লাহর কাছে কবুল হবে না কানের উপরে যাবে না সেই নারী রাত্রি যেমন করেছে কিন্তু সারাটা রাত তার স্বামী তার উপরে নারাজ ছিল। নাউজুবিল্লাহ। এখানে আবার মহিলারা এটা শুনে আপনার কেউ কান্না শুরু করে দিতে পারে যে হায় হায় এটা যদি স্বামী তার উপরে তার স্ত্রীর কোন অন্যায়ের কারণে রাগ করে থাকে তখন যে এটা হবে। কিন্তু স্ত্রী কোন অন্যায় করেনি। স্বামী অহেতুক তার উপরে রাগ করে সারারাত রাগ করে বসে আছে।

                                                           

এটার জন্য স্ত্রী ধরা যাবে না। কারণ আমরা দুনিয়ার বিচারটা করি বাহ্যিকের দৃষ্টিতে। আর আল্লাহর বিচারটা হবে অন্তরের এবং বাহ্যিকের সমন্বয়। আল্লাহ ভিতরটাও দেখবেন। এজন্য নবীর কাছে বিচার প্রার্থী হয়ে কেউ আসলে তিনি বলতেন এটা। এই শোনো তোমরা যে উপস্থিত সাক্ষী প্রমাণ আমার সামনে দাও। আমি কিন্তু এর আলোকে বিচার করে দেব। কিন্তু তোমাদের ভিতরে কি আছে সেটা আল্লাহ জানেন। বিচার ওইখানে আল্লাহর কাছে কিন্তু সত্য বিচার প্রকাশ হবে। ওখানে বিচার উল্টেও যেতে পারে। এজন্য দুনিয়াতে আইন আদালত যেগুলা আছে এগুলা দেখবেন যে উকিলে যার পক্ষ নেয় যার থেকে বেশি টাকা পায় ওরে জিতায়া দেয়। আসল বিচার অনেক মানুষ পায় না।

                                                           

এই জগতটা বিশ্বাস করেন এইভাবে চলতেছে। আপনারা এখন অনেকে রাগ করে ফেলবেন। আমি যদি একটা কথা বলি রাগ করেন কিছু করার নাই। এটা জানার দরকার আছে। আমরা যে দেশে বাস করি এটা কেমনে চলে? কিভাবে চলে? আমরা তো ভুক্তভোগী। গাড়িতে উঠলে আমি কালকে ট্রেনে আসছি কি পরিমাণ সাবধানতার সাথে আসতে হয় সারাক্ষণ মোবাইলের দিকে খেয়াল রাখতে হয় সারাক্ষণ পকেটের দিকে খেয়াল রাখতে হয় সারাক্ষণ আপনার সচেতন থাকতে হয় দেখেন না এইযে কোন সমাজে বাস করি এইযে একটা একটা মহিলা শিক্ষিকা বগুড়ার উনি চোখের চিকিৎসা করাবার জন্য আসছিলেন হাসপাতালে চিন্তাইকারী সকালবেলা তাও সংসদ ভবনের সামনে তার ব্যাগ টান দিছে উনি পড়ে গেছে পরে উনি মারা গেছে শোনেন নাই এটাই খবর এটা বাংলাদেশে হইছে না আর কোন দেশে? এটা বাংলাদেশে সম্ভব।

                                                           

অনেক বাচ্চা আমি দেখলাম একটা বাচ্চা নামাজ পড়বার জন্য বাসা থেকে বের হয়েছে ফুটফোটা বাচ্চা। বাচ্চাটা ফিরেনি। আজকে দেখলাম আরেকটা মেয়ে বাসায় ফিরেনি নিখোজ। মানে এদেরকে ধরে নিয়ে আপনার চিন্তাই করা হয়, কাটা হয়, মেরে ফেলা হয়, মুক্তিপন্ করা হয়। মানি জান মালের কোন নিরাপত্তা নাই। কোন একটা কাজের জন্য আমার এক ছাত্রের বাবা এই গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবারে কথা উনার ওটার আইডি কার্ডে তার বাবা আর মার নামটা ভুল চলে আসছে উনি দুই তিন বছর দৌড়াইয়া শেষে ৫০ লক্ষ না কত লক্ষ টাকা দাবি করছে শেষে উনি বলছে যে আমি আর ওটা ঠিকও করব না মানে এ বলে ওখানে যান ও বলে ওখানে যান ও বলে ওখানে যান মানে নাগরিক মানে কি অবস্থায় যে দিন কাটাচ্ছে এটা কোন একটা পেসে যে পড়ছে সে ছাড়া কেউ বুঝবে না আমি যেটা রেজাল্ট পাইছি আমি কোন রাজনীতির দলের লিডারও না আমি কোন প্রশাসনের লোকও না আমি যেটা পাইছি সেটা যদি মিলে মিললেও আপনারা

                                                           

শিক্ষা নিবেন আর যদি না মিলে তাহলে আমার কথা ফালায়ে দিবেন আউট করে দিবেন আমি এই বাংলাদেশে এই পর্যন্ত আমার দাড়িও পেকে যাচ্ছে ৪৫ বছর বসবাস করে যেটা পাইছি এখানের মানুষ কিছু মানুষ শিক্ষিত ভদ্রলোর এরা যখন এই দেশের পরিস্থিতি দেখে তখন তাদের মান সম্মানের কথা চিন্তা করে দেখে যে এখানে কোন মূল্যায়ন হবে না এরা বিদেশে চলে যায় সেটেল হয়ে যাওয়ার পরে আর দেশে আসে না আসে মানে থাকার নিয়তে আমার অনেক বন্ধুবান্ধব আছে জানা থাকার নিয়তে আসে এক মাস ১৫ দিন থাকার পরে কয় না এই দেশে সম্ভব না চলে যাচ্ছে মানুষের মধ্যে এত অসভ্যতা এত নোংরামি এত কালচারের যে অবনতি মানুষের মধ্যে নূন্যতম মানুষ হেবিট চলাচল এটা মুসলমানদের থেকে হারায়া গেছে।

                                                           

মানুষ মানুষকে সম্মান করতে যেকোন জায়গায় যায় এই মারামারি, গালাগালি কাটাকাটি মার মার কাঠ মানি এরা মানুষ বাস করে না অন্য কোন জীব এটাই বুঝা মুশকিল। আর বিশ্বাস করেন আমি ভয় পাই মানুষের সাথে এখন মিশতে চলতে। আমি ভয় পাই। এরকম একটা সমাজে বাস করি। তো বললাম এক শ্রেণীর মানুষ এরা বিদেশে চলে যায়। বাংলাদেশে আর আসে না। এখন অনেক মানুষ যাদের ওই চ্যানেল নাই। তারা কষ্ট কইরা থাকে। আল্লাহয় বাংলাদেশে সৃষ্টি করছে পাঠাইছে থাকে। আর এদেরকে শোষণ করে খায় কারা? তিন শ্রেণীর মানুষ। আমার এই কথা কেউ রাগ করলে আমারে আমি বলছি না আমি প্রশাসনের লোকও না। আমি রাজনীতিবিদও না।

                                                           

আমি কাউরে কষ্টও দেই না। কারো এক পয়সা বলেন আমি খাইছি তাও করি না। কিন্তু আমি বাস্তবতা বলছি শিক্ষা নেওয়ার জন্য। একদল আছে তারা ক্ষমতারীন রাজনীতিবিদ আছে। এরা সাধারণ মানুষকে চু শেখায়। তাদের ক্ষমতা দিয়া জমি কিনছে ওখান থেকে চান্দা দিবে। বাড়ি করছে ওখান থেকে চান্দা দিবে। এটা ওদের কাজ। আরেক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা বিভিন্ন বাহিনীতে চাকরি করে। আরেক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা সরকারি অফিস আদালতে চাকরি করে। এদের কাজ ছিল মানুষকে নাগরিক সুবিধা দেওয়ার। মানুষ একটা কাজ নিয়ে গেছে বিপদে পড়ছে ভাই তুমি কি কি বিপদ? এটা সলভ করে দেবে। এটা তার কাজ। কিন্তু আমি যেটা পাইছি আমি বক্তব্য।

                                                           

আমি যেটা পাইছি আপনি একটা জন্ম নিবন্ধন ঠিক করতে যান। আপনার এনআইডি ঠিক করতে যান। আপনার পাসপোর্টের ভুলটা ঠিক করতে যান। মানুষকে পেচাইয়া তার থেকে চুষে চুষে কেমনে টাকা নেওয়া যায়। কেমনে ১০ জায়গায় ঘুরানো যায় এ মানুষগুলো আমি ১০০ ভাগের কথা বলছি না এখানে কেউ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী থাকতে পারেন আমার এটাও বিশ্বাস আছে আমি ১০০ ভাগের কথা বলছি না তবে অধিকাংশ মানুষকে সুবিধা দেওয়ার চেয়ে হয়রানি করে বেশি বিপদে ফেলায় দেয় বেশি এজন্য এই দেশে বসবাস করে মানুষ শান্তি পায় না যে কাজটা কয়েক সেকেন্ডে হয়ে যাওয়ার কথা আমার এখানে একজন ভাই আছে আমি নাম বলে পরিচয় দিচ্ছি না উনি একটা আইসক্রিমের ফ্যাক্টরি খুলেছেন এখন কি একটা লাইসেন্স লাগে মানে খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে একটা সরকারি সার্টিফিকেটের একটা ইয়ে লাগে তিন বছর থেকে দুই বছর হবে উনি এটা নিতে পারেন না টাকা দিয়েও মিলে না আবার উল্টা হয়রানি করা হয় আবার ঘুষ দিলে ছাইড়া দেয় ভাই কোন দেশে বাস করেন এই কথাগুলি আমার এজেন্ডায় ছিল না এটা বাংলাদেশের বাস্তবতা একটু তুলে ধরলাম এটা আমার থেকে আপনারা আরো বেশি জানেন আল্লাহ হেফাজত করুক আমার কিন্তু সময় কম আমি পয়েন্টগুলা বলতে হবে তাইলে সালাত কবুল হবে না কয়টা পয়েন্ট বলবো? এক নাম্বারে তিন শ্রেণীর মানুষ ক্রীতদাসের সালাত কবুল হয় না।

                                                           

যে পালায়া যায়। আর দুই নম্বর কোন মহিলার সালাত কবুল হয় না বলেন? যার স্বামী তার উপরে কি নারাজ থাকে। তিন নাম্বার ইমাম ইমাম। কেউ ইমাম থাকলে আবার রাগ করিয়েন না। আল্লাহর নবী বলছেন ওই ইমামের সালাত কবুল হবে না যার কওম মুসল্লি তার উপরে অসন্তুষ্ট। তার মানে কোন ন্যায়সম্মত কারণে তার চারিত্রিক কারেক্টার নষ্ট। তার হয়তো হারামে জড়িত। সে গুনায় লিপ্ত। এজন্য তার মুসল্লিরা তার উপরে সন্তুষ্ট না। এই ইমামের সালাত কবুল হয় না। তবে ইমাম ঠিক আছে। কেউ অহেতুক তার স্বার্থের কারণে রাগ করছে। এটা ভিন্ন কথা। এখন খুব সংক্ষেপে শেষ করব। দুই নাম্বার হাদিস আরো তিন শ্রেণীর মানুষ সালাসাতুনলা তিন শ্রেণীর মানুষ আছে তাদের ফরজ নফল কিছুই আল্লাহ কবুল করবেন না।

                                                           

এক নাম্বার আ বাপ মারে অসম্মান করে। বাপ মার সেবা করে না। বাপ মারে দেখে না। বৃদ্ধ অবস্থায় আল্লাহ বলছেন আরো গুরুত্ব দিতে। অনেক ছেলে মানে বাপ মা এরকম আছে তাদের ছেলেপেলেরা ভালো অবস্থানে আছে কিন্তু বাবারা মায়েরা অনেক কষ্টে আছে তার সালাত কবুল হবে না ও তাহাজ্জুদ পড়লেও তার তাহাজ্জুদ কবুল হবে না এটা আল্লাহর নবীর কথা মান্নান উপকার করে খোটা দিয়ে দেয় তার সালাত কবুল হবে না আপনি ভালো কাজ না করলে তো নাই কিন্তু করলাম এটা দিয়ে তাকে কষ্ট দেওয়া যাবে না তিন নাম্বার মুজিবন তাকদর কেউ মানে না অস্বীকার করে তার সালাত কবুল হবে না এবাদত কবুল হবে না কি বলছিলেন হ্যা তাকদীরকে অস্বীকার করে তাকদীর তাকদীর মানে আল্লাহ যে আমার ভালো-মন্দ লিখে রাখছেন এই জিনিসটা মানে না তাকদীর তিন নাম্বার পয়েন্ট গণকের কথায় যারা বিশ্বাস করে তার সালাত কবুল হবে না মানতা আমি হাদিস সংক্ষেপ করে বলছি এখানে সাহাবীর নাম রেফারেন্স সব এখানে আছে আমি

                                                           

পরে হাওলা দিয়ে দিব মান যে গণকের কাছে যায় কোন একটা বিষয় জানতে চায় ও রেখা দেখবে এদিকে ওদিকে তুমি কয় বিয়ে করবা তোমার কত বছর তুমি থাকবাগ সব বলা দেয় এরপরে সে এটারে বিশ্বাস করে নেয় ওকের কথা শুনা আল্লাহ নবী বলছেন আর রাতদিন এগুলার এবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না নাউজুবিল্লাহ যদি তওবা না করে চার নাম্বার পয়েন্ট যে মদ খায় তার নামাজ কবুল হয় না। আমি পরে কিন্তু পয়েন্ট আপনাদের থেকে আদায় করব। কিন্তু খুতবার সময় লেখার দরকার নাই এখান থেকে নিয়েন আর পরে আমি আপনাদের সহজে হাওলা দিয়ে দিচ্ছি।

                                                           

রাস বলেছেন সমস্ত পাপের মূল হইল আপনার মদ মানার যে এই মদ পান করবে লায়াবাল্লাহুলা আরবা ৪০ দিনের তার কোন সালাত আল্লাহ কবুল করবেন নামা যদি মদ নেশাজাত জিনিস পেটে থাকা অবস্থায় মানুষটা মারা যায় মাতামিতা জাহিলিয়া তাইলে সে জাহি যুগের মৃত্যুবরণ করল পাচ নাম্বার রুকু থেকে দাঁড়াইয়া যে পিঠ সোজা করে না রুকু দিছে আল্লাহু আকবার এরকম অনেক মানুষকে আমি দেখছি বিশেষ করে গ্রামের একটা দিছে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার চলে গেছে সালাত হইছে না কানের উপরে গেছে না দেখেন ব্যক্তির সালাত হবে না দিয়া যে সোজা করে পিঠ না সোজা করছে তার সালাত কবুল হবে না ছয় নাম্বার একাকি বিনা কারণে যে সালাত আদায় করে তার সালাত কবুল হবে না আপনারা অনেকে মনে করেন জামাতে গেলাম কি দোকানে পড়ে নাই বাসায় পড়ে নাই ওজর ছাড়া বাসায় সালাত হয় না।

                                                           

ওজোর ছাড়া জামাত ত্যাগ করে পুরুষদের সালাত কবুল হয় না। ওজর থাকলে হবে। হঠাৎ ব্যাপারে পড়ে গেছেন। এটা হবে। কিন্তু নিয়মিত ভাষায় ফরজ সালাত পুরুষ মানুষ পড়তেছে। এটা সালাত শুদ্ধ হয় না। এ হাদিস আছে। অপর মুমিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে যে হত্যা করে আল্লাহ তার সালাত কবুল করেন না। এটাও একটা হাদিস আছে। এখানে দেওয়া আছে। পবিত্রতা ছাড়া বিনা অযুতে পাক নাপাক না জেনে সালাত আল্লাহ কবুল করেন না। জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি যে মুমিনদের জামাত বলতে গোটা মুসলিম উম্মার একটা জামাত থাকে। তার একজন ইমাম থাকে তারে খলিফা বলা হয়। এইখান থেকে বিচ্ছিন্ন হইয়া মুসলমানদের ক্ষতি করা কাফেরদের সাথে যুগসাদ করা এটা যে করে তার সালাত কবুল হয় না।

                                                           

১০ নম্বর বেদাতকারী ব্যক্তির সালাত কবুল হয় না। মান আহসাহা যে ব্যক্তি এই উম্মতের মধ্যে বেদাত সৃষ্টি করে এখানে বেদাতের মধ্যে কিছু শিরিক আছে। শির আর বেদাত এটা যেটা ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়। কিছু বেদাত আছে শিরকেও পড়ে যায়। যেমন আল্লাহ ছাড়া কেউরে সিজদা দিল এটা তো ইসলামের মধ্যে নাই এটা নতুন এবাদত আবিষ্কার করা এটা একদিকে শিরিক আরেকদিকে বেদাতুল্লাহ তার উপরে কার লানত পড়বে লানাতুল্লাহ কার লানত আল্লাহ আর কার লানত ফেরেশতার লানত কার লানত সমস্ত মানুষের লানত্লাহ আল্লাহ তার কিয়ামতের দিন ফরজ নফল কিছুই কবুল করবেন না পয়েন্ট ১০ টা আমি বলে ফেলছি একটু সংক্ষেপে আবার প্রথম থেকে আনেন তো প্রথম তিন ব্যক্তি যাদের সালাত কবুল হয় না কারা যে দাস মালিককে না বলে কি করছে পালায়া গেছে দুই নাম্বার যে স্ত্রীর উপরে তার স্বামী নারাজ তিন নাম্বার যে ইমামের উপরে তার কওম মুসল্লিরা নারাজ তারপরে এইটা একটা হাদিস দুই নাম্বার হাদিস তিন শ্রেণীর মানুষ এবাদত কবুল হয় না।

                                                           

মাতাপিতার অবাধ্য। তারপরে কার কথা বলছিলাম? উপকার দিয়ে কি করে? খোটা দেয়। তিন নাম্বার তাকদীর আল্লাহ যেটা লিখে রেখেছেন সেটাকে কি করে? অস্বীকার করে। তিন নাম্বার হাদিস বলেন তো দেখি মনে আছে কিনা? আলহামদুলিল্লাহ। মনে আছে তো? গণকের কথায় যারা জাদু টোনা কবিরাজি এগুলা করে বা ধরেন আপনার গণক বলতে এখন আপনি একজন পীর সাহেবের কাছে গেলেন তো উনি বলল তোমার এই তার কথা বিশ্বাস করে নিলেন পীর সাবের কাছে ওহী আসছে নাকি না যেই ভবিষ্যৎবাণী করে দিবে আল্লাহর দায়িত্ব কেউ মানুষ নিয়ে নিবে তার এটা কবুল হবে না চার নাম্বার কার কথা মনে আছে নিন তো মদ পানকারী মাশাল্লাহ মনে আছে পাঁচ নাম্বার কার কথা বলছিলাম রুকু সিজদা দিয়ে পিঠ সোজা করে না ছয় নাম্বার ও বিনা ওজরে ঘরে সালাত আদায় করে নেয় এটা খুব কেয়ারফুল সতর্ক ওকামার রাকিন আল্লাহ বলছেন রুকুকারীদের সাথে রুকু করতে হবে সাত নাম্বার কার কথা বলছিলাম ইচ্ছাকৃত কোন মুমিনকে হত্যা করলে তার সালাত কবুল

                                                           

হয় না আট নাম্বার পবিত্রতা ছাড়া সালাত কবুল হয় না নয় নাম্বার মুসলিমদের জামাত থেকে যে সরে যায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তার সালাত কবুল হয় না ১০ নাম্বারটা মনে থাকার কথা এখন হল আমি অনেক সময় বিভিন্ন সময় এইভাবে খুতবা দিতাম আরবি নোট থেকে লেখে আজকে আর লেখি নাই তো অনেকে খুতবা শোনার পরে ওই নোট নেওয়ার জন্য আসতেন আরবি আমি সামান্য কিছু টুকে রাখতাম ওটা দেখে দিতাম আমাদের তো সব আয়াত এমনে মুখস্ত আছে সব লেখতাম না এটা দিতে পারতাম না এখন আলহামদুলিল্লাহ এই জিনিসটা সহজ করছি আমার যাবতীয় এই যে সারাজীবনের খুতবা এগুলা আমার নোটে ছিল এগুলা এখন এইযে তাফসীরুল কোরআন বিল হাদিস নাম দিয়া এটারে ছাপাইয়া ইনশল্লাহ নিয়ে আসছি তাফসীরুল কোরআন হাদিস এটা দুই খন্ড।

                                                           

এই যে খুতবাটা দিলাম আজকের ১০টা পয়েন্ট এটা ৩০০ ৩৩১ এ শুরু হইছে। এই যে অধ্যায় ৩৪ যাদের সালাত কবুল হয় না। এইযে এক নম্বর হাদিস এবারত অর্থ নিচে কোটেশন দিয়া সবগুলা রেফারেন্স। এইভাবে এইযে পুরা দুই পৃষ্ঠা মিলে সবগুলা হাদিস। আর আপনাদের আর এই কষ্টটা নাই। তো আপনার ঘরে যত জিনিস আছে সোনা গহনার থেকে এর চেয়ে সবচেয়ে মূল্যবান হবে এটা দুই খন্ড ওরে রেখে দিবেন আপনি পড়বেন বা আপনি না পড়লে আপনার সন্তানের কাজে লাগব আমি কোন বই নিয়ে আমি এড দেই না এটা আমার মুসল্লিরা আমারে চিল্লায় যে আপনি এতগুলা বই লেখছেন গত সপ্তাহে চিল্লাইছি আপনি কিছু বললে সেনা মানুষ জানবে তো এটার কথা আমি বলব এটার কথা বলব কেন ছোট ছোট বইলা বিভিন্ন জায়গায় রাখি খুঁজে পাওয়া যায় না অনেকে নিয়ে যায় আর এটা হল তাফসীরুল কোরআন বিল হাদিস ১০০০ অধ্যায় এটাতে হাজার অধ্যায় এটা দুই একদিন পরে এটা মূল্যায়ন করা যাবে না।

                                                           

কারণ এটা দুই একদিন পরে মূল্যায়ন করার বই না। এটার প্রত্যেকটা অধ্যায়ের ভিতরে এইভাবে পয়েন্ট আকারে সব সাজানো। যেমন হঠাৎ এই আমিতো সারাজীবন সালাত পড়ি। কাদের সালাত কবুল হবে না গত? এইযে এখানে ৩৩১ নম্বর পৃষ্ঠায় ১০টা পয়েন্ট সব হাদিস দেওয়া আছে। এরকম মনে করেন হাজারটা বিষয় আছে। তো যাই হোক এটা অনলাইনেও চলে। অনেকে নিতে চাইছিলেন তো নিবেন। এখানে কিছু কপি আছে সব আনা হয়নি। আমার লাইব্রেরির ম্যানেজার সাব আছেন উনি আলামিন নাম আপনার নাম ঠিকানা দিয়ে দিলে বাসায় পৌঁছিয়ে দিবে আল্লাহ তাআলা সহজ করুন আমাদেরকে সঠিকভাবে আমল এবাদত করার তৌফিক দান করুন আমিন