লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: নবী (ﷺ) কেন্দ্রিক কতিপয় বিদআত

নবী (ﷺ) কেন্দ্রিক কতিপয় বিদআত



আলহামদুলিল্লাহ যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানাধীন ঐতিহ্যবাহী জাফরনগর আহলে হাদিস জামে মসজিদে সমবেত সম্মানিত তাওহীদবাদী মুসলিম ভ্রাতী মন্ডলী আলহামদুলিল্লাহ আজকে আমরা এখানে যশোর জেলায় বাংলাদেশ জুমে আল হাদিসের একটা ঊর্ধতন টিম তিন সদস্য সহ বিশিষ্ট একটা টিম আজকে এখানে আমরা আগমন করেছি। বিশেষ করে এই গ্রামের সাথেই পাশেই আল্লামা প্রফেসর ডক্টর আব্দুল বারী রহিমাহুল্লাহ মাদ্রাসা তার নামকরণে মাদ্রাসাটি করা হয়েছে। সে মাদ্রাসাটি পরিদর্শন এবং দাওয়াতি সফরে আমরা এখানে এসেছি। আজকের ঐতিহ্যবাহী সমাবেত এই মসজিদের সমাবেত উপস্থিত সম্মানিত তাওহীদবাদী মুসলিম প্রার্থীবৃন্দ।

                                                           

আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সম্মুখে আমি সূরা আল ইমরানের ৩১ আয়াত এবং সূরাতুল হিজরের ৭২ তম আয়াত দুটি আয়াতে কারীমা আপনাদের সামনে তেলাওয়াত করা হয়েছে ইনশাল্লাহ মুস্তান আয়াতে কারীমা দুটি তাফসীর বিশ্লেষণ ব্যাখ্যামূলক কিছু কথা বলার চেষ্টা করব আমরা তৌফিক ইল্লাবিল্লাহ তবে শুরুতে আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এক মুরুব্বি জানিয়েছেন যেই মেম্বারেই দাঁড়িয়ে খুতবা দিয়েছিলেন শুধু উপমহাদেশ নয় সমগ্র বিশ্বের অন্যতম সেরা শিক্ষাবিদ এবং সেরা একজন আল্লাহর দায়ী ইলাল্লাহ আল্লামা প্রফেসর ডক্টর আব্দুল বারী রহিমাহুল্লাহ তিনি এই মেম্বারে খুতবা দিয়ে গেছেন। আজকে আমরাও এখানে আসতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। তো সম্মানিত উপস্থিতি আমি আপনাদের সামনে যে দুটি আয়াতে কারীমা পেশ করেছি সূরা আলে ইমরান ৩১ এবং সূরাতুল হিজরের ৭২ তম আয়াত দুটি আয়াতে কারীমতে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের শানের ব্যাপারে কিছু কথা বলেছেন তার মর্যাদা তার সম্মান এবং তার আনুগত্যের ইত্তেবার অপরিহার্যতা সম্পর্কে আল্লাহ তালা এখানে কিছু ঘোষণা দিয়েছেন।

                                                           

তবে আমি শুরুতেই আমার আলোচনা শুরু করতে চাই বেদাতিদের একটা দুঃসংবাদ দিয়ে। বেদাতিদের একটা দুঃসংবাদ দিয়ে আমি আমার আলোচনা শুরু করতে চাই। সেটা হলো যে এ ১২ টি মাসের মধ্যে আল্লাহ বলছেন যে বছরে মাস ১২টি এটা আল্লাহ তাালার বিধান আমি সেদিকে যাচ্ছি না আল্লাহ তালা বলেন যে এ ১২টি মাস এটা আল্লাহর দেওয়া ১২টি মাসের মধ্যে পাঁচটি এমন মাস রয়েছে যে পাঁচটি মাসের ফজিলত সম্পর্কে কিছু বর্ণিত হয় নাই তবে কোন কোন মাসের কোন বদনাম করা যাবে না। যেমন জাহেল যুগের লোকেরা শাওয়ালের বদনাম করত এবং সফর মাসের তারা বদনাম করত। যেগুলা খারাপ মাস। এগুলা হল কুলক্ষণের মাস। এগুলা মানুষের মানে যত মানে দুর্যোগের মাস।

                                                           

এটা বলা যাবে না। এটা জাহেলিয়াত। এটা কুফরি কথা হয়ে যাবে। কিন্তু এ মাসগুলি নরমাল। এ পাঁচটি মাস হল এমন পাঁচটি মাস যে মাসগুলি সম্পর্কে ইসলামে কোন ফজিলত বর্ণিত হয় নাই। তার মধ্যে সফর রবিউল আউয়াল টানা একটানা পাঁচটি মাস সফর রবিউল আউয়াল রবিউস সানি জামাদুল উলা জামাদুল আখেরা এ পাঁচটি মাসের কোন মর্যাদা বর্ণিত হয় নাই। বাকি সাতটি মাসের কিন্তু মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। আরবাতুন হুরুম আল্লাহ বলছেন চারটি মাস নিষিদ্ধ ও মহিমান্বিত জুলকাদা জুলহিজ্জা মুহাররম রজব সহ বুখারী হাদিস দ্বারা প্রমাণিত আবার এদিকে শাওয়াল এদিকে আপনার শাওয়াল আল্লাহ বলে আলহাজ্জুর মালুমাত শাওয়াল মাসটি কিন্তু হজের মাস শাবান মাসে আল্লাহ রাসূল সলাম অত্যধিক সিয়াম পালন করতেন কাজে শাবানেরও ফজিলত আছে, শাওয়ালের ফজিলত আছে।

                                                           

আর রমজান মাসে তো ফজিলত লাইলাতুল কদরে খাইরুমিন আলফিশা। আলহামদুলিল্লাহ। এখন কোন এক বেদাতি ভাই আমাদের বাংলাদেশের। তিনি হলেন বেদাতিদের সর্দার। টপ লেভেলের বেদাতি। বলছেন যে রবিউল আউয়াল মাসে যে রাত্রি এর রাত্রির এই রাত্রে নাকি কদর শবে কদরের চেয়েও অনেক বেশি। নাউজুবিল্লাহ। শরীয়ত তোমার বাপ-দাদার না তোমারও না। তোমার কাছে ওহী আসে নাকি? বেয়াদব কোথাকার? তোমার নিকট ওহী আসে যে তুমি বলো যে শবে যে আপনার এই ঈদে মিলাদুন্নবীর যে রাত্রি এটা শবে কদরের চেয়ে মর্যাদাপূর্ণ। জাহেল কোথাকার? এটা ইসলাম বিরোধী কথা। সম্মানিত সুধীবৃন্দ দেখুন আপনার রবিউল আউয়াল মাসে এটার যদিও আমরা বলছি যে শারী দৃষ্টিকোণ থেকে কোন মর্যাদা ফজিলত নাই কিন্তু ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে এবং আপনার বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে এ মাসের কিন্তু আমরা বলতে পারি গুরুত্ব আছে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে যেহেতু এ মাস এই মাস মাসেই কিছু এমন ঘটনা ঘটেছে যেটা মানব ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়েছে।

                                                           

মানব ইতিহাসের গতিপথ মাজরাত তারিখ যাকে বলে একদম ধারা পাল্টে দিয়েছে। গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়েছে। আমাদের প্রিয় রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম জন্মগ্রহণ করেছিলেন এই রবিউল আউয়াল মাসে। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাম মৃত্যুবরণ করেন এই রবিউল আউয়াল মাসে। বিশ্বনবীর হিজরত সংঘটিত হয়েছিল রবিউল আউয়াল মাসে। এসব দৃষ্টিকোণ থেকে এটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। কিন্তু ইসলাম এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এবং আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ এ মাসের ফজিলত সম্পর্কে কোন গ্রীন সিগনাল প্রদান করেন নাই। সুতরাং এ মাসকে কেন্দ্র করে বেদাতে লিপ্ত হওয়া যাবে না। সম্মানিত শ্রোধবৃন্দ এ মাসকে কেন্দ্র করে এবং বিশ্বনবীর মহাব্বতের নামে কোন বেদাত করা যাবে না। সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমাদের আসলাফগণ সাহাবায়ে কেরাম বিশ্বনবী মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তারা রবিউল আউয়াল মাসকে বিশেষ কোন গুরুত্ব প্রদান করেন নাই।

                                                           

এবং বিশ্বনবীর জন্মদিবস উপলক্ষে এ মাসে কোন অনুষ্ঠান তারা উদযাপন করেন নাই। সুতরাং তাহলে পরবর্তীতে আবিষ্কার করা হয়েছে বিশ্বনবীর মহাব্বতের নামে তার মর্যাদার নামে সীমা লঙ্ঘন করা হয়েছে। সুতরাং আমরা বলবো যে আমাদের আমরা আল্লাহর রাসূল সালামের আমরা সুন্নাহর ইত্তেবার করব। সুন্নাহর ইত্তেবা করবো বিশ্বনবীর নির্দেশের বাস্তবায়ন করব। সুতরাং এর বাইরে আমাদের যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। সম্মানিত সুধীবৃন্দ তা আমি বলছি চাচ্ছিলাম সম্মানিত সুধীবৃন্দ যে যেটা বললাম যে আমাদের সারা বিশ্বের যারা পথিত যশা বিশ্বখ্যাত ওলামায়ে কেরাম তারা কেউ কিন্তু এই রবিউল আউয়াল মাসে বিশ্বাস করে এবাদত করেন নাই বিশ্ব নবীর মহব্বতের নামে কোন জন্মদিবস উদযাপন করেন নাই মৌলি নবী মিলাদুন্নবী বলতে ইসলামে কিচ্ছু নাই সম্মানিত সুধীবৃন্দ আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহতালা আমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ আপনি বলবেন ইসলামে নাই তো কি হলো আমরা ঢুকাবো এর সুযোগ না তাকে ইসলাম পরিপূর্ণ আকলাদিনা আলাইকুম ইসলাম আল্লাহ বলছেন আজকে আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম সুবহানাল্লাহ পরিপূর্ণ করে দিলাম হজের দিন

                                                           

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আয়াত অবতীর্ণ করেছিলেন যেন তারিখে বিদায় হজে সে হ সম্পর্কিত সময়কালীন তোমাদের দীনকে পূর্ণতা দিয়ে দিলাম আমার নেয়ামতকে তোমাদের উপর আমি পরিপূর্ণ করে দিলাম ইসলামাদিনার ইসলামকে আমি দীন হিসাবে আমি মনোনয়ন প্রদান করে দিলাম সুতরাং এখানে নতুনভাবে কিছু ঢুকানোর সুযোগ নাই সম্মানিত সমানিত শ্রোতাবৃন্দ যেটা বিশ্বনবীর সময়ে দিন ছিল না কেয়ামত পর্যন্ত দ্বীনের কোন অংশ হবে না সম্মানিত সুধীবৃন্দ এ নীতিমালাটা জেনে রাখবেন যেটা আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের যুগে দ্বীন ছিল না সেটা পরবর্তীতে কোশ্চেন কালো দ্বীন হতে পারে না সম্মানিত সুধীবৃন্দ আপনারা সে ঘটনা জানেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ওহী প্রাপ্ত হয়ে তিনি তার দাওয়াতকে ছড়িয়ে দিলেন মক্কার কাফেররা বিশ্বনবীর শত্রুতা শুরু করে দিল তারা বলে আজ আহ আশ্চর্য ব্যাপার আমাদের দীর্ঘদিনের দেবদেবী সব বাতিল এক আল্লাহ এবাদত করার কথা বলে আশ্চর্যজনক ঘটনা তখন তারা আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লামকে হত্যার ষড়যন্ত্র করল সম্মানিত সুধী বিশ্বনবীতে বিশ্বনবী সাল্লামকে পৃথিবীর বুক থেকে

                                                           

উচ্ছেদ করার মহা ষড়যন্ত্র শুরু করল সম্মানিত সুধীবৃন্দ তারা সিদ্ধান্ত নিল মোহাম্মদ হত্যা করে ফেলবেন কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লামকে সেই ঘটনা তিনি ওহীর র মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন সম্মানিত সুজন এমনকি কিছু বর্ণনা পাওয়া যায় তার প্রিয় চাচা আবু তালেব তিনি বলছেন মোহাম্মদ সলাম আপনি কি মনে করছেন আপনার গোত্রের লোকেরা আপনার বিরুদ্ধে কি ধরনের ষড়যন্ত্র করছে বিশ্বনবী বললেন তারা আমাকে হত্যা করতে চাই আবু তালেব বলছেন আমি জানিনা আমিও কাফেরদের একজন লিডার আমি জানিনা মোহাম্মদ আপনি তুমি কোত্থেকে জানলে মহাম্মদ বললেন আমার রব আমাকে সংবাদ জানিয়ে দিয়েছেন সুবহানাল্লাহ আবু তালাব বললেন রব্বুক রব্বুকা মোহাম্মদ আপনার রব তো দেখি চমৎকার তিনি আপনাকে আগে জানিয়ে দিলেন অতঃপর সম্মানিত সুধবৃন্দ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন তিনি তাদের চক্রান্ত কথা তিনি বলছেন কাফারু আল্লাহতা জানিয়ে দিলেন রাস ওরা মক্কাদের দারু নায় পার্লামেন্টে বসে চক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে আপনাকে তারা গৃহবন্দী করবে আপনাকে ডান্ডা বেড়ি পড়িয়ে এক ঘরের কোন ফেলে ছুবে যেন বের হতে না পারেন তাওহীদের কালেমা আপনি যেন পৌছাতে না পারেন আপনার হাতে পায়ে শিকল বন্দি করে শিকল রেখে জিঞ্জির দিয়ে আপনাকে বেঁধে আপনাকে ঘরের উপরে ফেলে রাখতে চাই।

                                                           

আবার কেউ বলে না এটা করা যাবে না। ওই ইবলিশ একজন শায়েখের লেবাসে এসে বলেছিল না এটা করবেন না। আল্লাহতা তাকে বের করে ফেলবেন। সুতরাং একবারে একযোগে বিভিন্ন কাবিলার প্রধানরা এসে একযোগে অতর্ক হামলা করে মোহাম্মদের শিরচ্ছেদ করে ফেলতে হবে। অথবা কেউ বলে যে না তাকে আমরা একদম বহিস্কার মক্কা থেকে তাড়িয়ে দেব। আল্লাহ বললেন ওরা ষড়যন্ত্র করার আমিও কৌশল অবলম্বন করি আল্লাহতালা মহা কৌশল অবলম্বনকারী শ্রেষ্ঠ কৌশল অবলম্বনকারী সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাম এই রবিউল আউয়াল মাসে তিনি আপনার হিজরত করলেন সম্মানিত সুধীবৃন্দ হিজরত করলেন তার সবচেয়ে পরম বন্ধু আবু বকর সিদ্দিকের সাথে নিয়ে গাড়ির সাউন্ড একটা গুহায় তিনদিন অবস্থান করলেন।

                                                           

সেখান থেকেও তিনি বেরিয়ে গেলেন। পথিমধ্যে আপনারা জানেন সোরাকা ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি তখন কাফের ছিলেন। তিনি আপনার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ধরার জন্য যেহেতু বিশাল পুরস্কার। পুরস্কার লাভের জন্য তিনিও আল্লাহ রাসূল ধরার জন্য আসলেন এবং যেন ধরে ফেলবেন আবু বকর সিদ্দিক ভয়ে পিছনে পিছনে ঘুরে তাকান আমার পীর নবীকে ধরে ফেলবে নাকি আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তার সে ঘোড়াকে এমন অবস্থা করে দিলেন যে তার ঘোড়ার পা দুটি দেবে গেল সম্মানিত সুধীবৃন্দ বারবার পা তিন তিনবারের ঘটনা পা দেবে গেছে হাটু পর্যন্ত পাবে গেছে সম্মানিত সুধীবৃন্দ তার সরাকা বুঝতে পারল যে না ইনি সাধারণ মানুষ নন ইনি হবেন সত্যিকারের রাসূ তখন তিনি প্রাণ ভিক্ষা চাইলেন মহাম্মদ আমাকে উদ্ধার করুন আমার ঘোড়ার পা ডে গেছে আল্লাহ রাসূ তাকে উদ্ধার করলেন ওয়াদা নিলেন যে তুমি কাউকে বলবে না আমরা বের হয়ে গেছি ওয়াদা করলেন যারাই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ধরার জন্য আসে সূরা কাবিন মালিক যিনি এসেছি আল্লাহ আল্লাহ রাসূলের ঘাতক হয়ে তিনি আল্লাহ রাসূলের পাহারাদার হয়ে গেলেন।

                                                           

সুবহানাল্লাহ। চিন্তা করুন সম্মানিত সুধবৃন্দ এ ঘটনা ঘটেছিল রবিউল আলয়া মাসে। সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমি যেটা বলতে চাচ্ছি সম্মানিত সুধীবৃন্দ যে আমাদের রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তিনি ছিলেন সত্যিকার রাসূল তিনি ছিলেন তো তার মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামন বলেন আমি যেটা আপনাদের সম্মুখে সূরাতুল হিজরের ৭২ তম আয়াত পেশ করি আল্লাহ কি বলেন আল্লাহ বলছেন রাস আপনার জীবনের কসম করে শপথ করে আমি বলছি ওরা তাদের নেশায় মত্ত হয়ে বিভর হয়ে বোধ হয়ে পাপাচারের নেশায় উন্মত্ততার নিশায় বোধ হয়ে তারা বিভ্রান্ত হয়ে পথ হারা হয়ে তারা ঘোর পাক খাচ্ছে তিনি বলেছিলেন লুত আলা সালামের কওমের ব্যাপারে অথবা মক্কার কাফেরদের ব্যাপারে বলেছিলেন যে ওরা পাপের নেশায় পাপের আসক্তিতে বুধ তারা পথভ্রষ্টতায় তারা ঘুরপাক খাচ্ছে।

                                                           

এখানে দেখুন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তিনি আমাদের প্রিয় নবীর শপথ করেছেন। সম্মানিত সুধীবৃন্দ আল্লাহতালা আমাদের জন্য কোন মাখলুকের নামে শপথ করাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। মান হালাফাল্লা কোন ব্যক্তি যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করে সে শিরক করল। এজন্য আমরা পিতা-মাতার নামে, কোন অলি আউলিয়ার নামে, কোন বস্তুর নামে, কোন জীব জড় পদার্থের নামে আমরা শপথ গ্রহণ করতে পারি না। আমরা বলতে পারি না কাবার কসম। কি বলতে হবে কাবা। কাবা ঘরে রবের কসম বলতে পারবেন। কিন্তু কাবার শপথ করলে আপনি শিরক করে ফেললেন। এজন্য আমাদের তাওহীদ আমাদের শিখতে হবে।

                                                           

সম্মানিত সুধীবৃন্দ আপনি যদি বলেন মোহাম্মদের কসম আল্লাহর কসম আপনি শিরক করলেন রব্বি মোহাম্মদ রব্বি জিবরল রব্বি মিকাইল এভাবে শপথ করতে পারবেন জিবরীল আমিনের রবের শপথ রব্বিত বাইতুল্লাহ রবের শপথ এটা জাহিদা আছে সম্মানিত শ্রোতাবৃন্দ আল্লাহর জন্য আল্লাহতালা কোন বিষয়ের গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে তিনি শপথ করেছেন আল্লাহ বলছেন সূর্যের শপথ কামার চাঁদের শপথ লাইলে রাতের শপথ দিনের শপথ এবং মক্কা নগরীর শপথ এবং একমাত্র ব্যক্তি হিসাবে কোন নবী রাসূলকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মর্যাদা দেন নাই।

                                                           

আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন কেবলমাত্র বিশ্বনবীর জীবনের শপথ করে বলেছেন রাসলাম আপনার জীবনের শপথ করে বলছি সুবহানাল্লাহ সম্মানিত আল্লাহ রাব্বুল আলামন তিনি প্রত্যেক নবীর নাম উচ্চারণ করেছেন আল্লাহ মুসাইদাউদ ইয়াহিয়া ইব্রাহিম আল্লাহ রাব্বুল আলামন কথা বলেন না মহাম্মদ আমাদের নবীর যে মর্যাদা আল্লাহতালা দিয়েছেন সম্মানিত সুধৃন্দ মর্যাদার সীমালংঘন করা যাবে না বিশ্বনবী বলেছে খবরদারি খ্রিস্টানরা যেভাবে মারিয়াম আলাই সালামকে নিয়ে তার সন্তানকে নিয়ে ঈসাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করেছে সীমালংঘর করেছে ইব্রুল্লাহ বলে ফেলেছে খবরদার আমি মোহাম্মদ সাল্লামকে নিয়ে কোন বাড়াবাড়ি করা যাবে না ইন্নামা আবদুল্লাহ রাসুল আমি আল্লাহর বান্দা এবং আল্লাহ রাসূ সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমি আপনাদের সম্মুখে আজকের সংক্ষিপ্ত খুতবার সময় আল্লাহ রাসূকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে অসংখ্য বেদাত চালু আছে।

                                                           

আমি আপনাদের সম্মুখে এই নয়টি ১০টি বেদাত নিয়ে আমি আলোচনা করতে চাই। আমাদের প্রিয় নবীকে কেন্দ্র করে সমাজে যে বেদাত চালু হয়েছে এগুলার প্রতি আমি আপনার সম্মুখে আমি দৃষ্টিপাত করতে চাই। সম্মানিত সুধীবৃন্দ প্রথম বেদাতি হলো সারা বিশ্বে যে বেদাতি সবচেয়ে বেশি ব্যাপক। সারা বিশ্বের মুসলমান জড়িত এ বেদাতের মধ্যে নবী সলাম আল্লাহ রাসূলামের জন্মদিবসকে কেন্দ্র করে ঈদে মিলাদুন্নবী নামে যেটা পরিচিত এটা একটি বিশাল বেদাত সম্মানিত সুধীবৃন্দ বৃহত্তম বেদাত যারা সারা বিশ্বে গোটা সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বনবীর জন্মদিবস যেটা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলাও করেন নাই কোন একজন সাহাবী বিশ্বনবীর জন্মদিবস উদযাপন করেন নাই। ইসলামের স্বর্ণযুগে তিন শতাব্দী পর্যন্ত মিনিমাম আল্লাহর জমিনে বিশ্বনবীর জন্মদিবস নামে কোন এবাদত কোন অনুষ্ঠান হতো না।

                                                           

সম্মানিত সুধীবৃন্দ। অনেক ওলামায়ে কেরাম সম্মানিত সুধীবৃন্দ। আল্লামা ইমাম তাজুদ্দিন আল ফাকেহানী মালিকী মাযহাবে তিনি বলছেন আমি কোরআন সুন্নাহর কোথাও দলিল পাই নাই ইন্নামাত এটাকে পেটুকরা যারা পেট পূজা করে বাতেল এটাকে আবিষ্কার করেছে সম্মানিত সুধীবৃন্দ আল্লামা রশিদ মিশরী আল মানারের যিনি প্রতিষ্ঠাতা পত্রিকা আল মানারের তাফসীরুল মানারের যিনি লেখক তিনি বলেছেন যে হাদিহিল মাওয়ালিদ বেদাত বেলাজা বিনা সন্দেহে এটা বেদাত এটা বেদাত হওয়ার ব্যাপারে কোন বিতর্কই নাই আপনি বলতে পারেন বিতর্ক তো আছে ওই যে আব্বাসী ওই যে তাহেরী ওই যে অমুক অমুক তারা বলে যে এটা সুন্নাহ এরা তো আলেমই না। এর আলেম না কলঙ্ক জাহেল মূর্খ বেদাতিদের কি গুরুত্ব আছে।

                                                           

কোন একজন ইসলামের গ্রহণযোগ্য আলেম এটার বৈধতা প্রদান করেন নাই। সুতরাং তিনি বেলা নেজা বিনা বিতর্কেই এটা বেদাত। ইমাম শাহকানী বলেন সমস্ত কোরআন হাদিস আমি চুষে চুষে খুঁজে পেড়েছি। কোন প্রমাণ পাই নাই। সুতরাং এটি বেদাত। চার ইমাম বলেছেন এটি বেদাত। সম্মানিত সুধী চার ইমামের অনুসারীগণ বলেছেন এটি বেদাত। আজকে আবু হানিফার নাম ধরে তার অনুসারীরা তার নামের এরা কলঙ্ক। সম্মানিত সুধীবৃন্দ সুতরাং বিশ্বনবীর জন্মদিবসের কোন এবাদত অনুষ্ঠান ইসলামে বৈধ না। সম্মানিত সুধীবৃন্দ। এখন আসুন আল্লাহ রাসূল সলামের প্রশংসা করতে গিয়ে অতিরঞ্জন করে এটাও বেদাত আমার কার নিকট আশ্রয় নিব ওযে কাসিদা বুরদা কাসিদা বুরদাকে আমাদের অন্যরা যে মূল্যায়ন করে মানে চুমু খাবে আহলে হাদিসের কানাকড়ি মূল্য দেয় না তার কারণ ওটা বেদাতে পরিপূর্ণ শিরকে পরিপূর্ণ কাসিদা ব্দা সুতরাং আল্লাহর রাসূল সাল্লামের মহাব্বতের নামে তাকে রুব তের দরজায় পৌঁছানো যাবে না।

                                                           

সম্মানিত সুধীবৃন্দ মহান আল্লাহর দরবারে তাকে পৌঁছানো যাবে না। সম্মানিত সুধীবৃন্দ এর নাম হল মহাব্বত। সীমালঘন করা যাবে না। মনে রাখবেন সম্মানিত সুধীবৃন্দ আল্লাহ রাসূলের কাছে ফরিয়াদ চাওয়া যাবে না। রব্বুল আলামীন মুহাম্মদ সাল্লাম আমি বিপদগ্রস্ত। আমাকে উদ্ধার করুন। সম্মানিত সুধীবৃন্দ এমনকি আপনি বিশ্বনবীর নিকটে শাফাতও চাইতে পারেন না। হে রাসূ সাল সাল্লাম আপনি আমাকে কিয়ামতের দিবসে সুপারিশ করবেন। এই দোয়াশীল আপনি মহান আল্লাহর দরবারে রব্বুল আলামীন তুমি আমার নসিবে বিশ্বনবীর শাফাত দান করে দাও। এটা হল ইসলামী শাফায়াত। কাজেই পার্থক্যগুলা বুঝতে হবে।

                                                           

সম্মানিত সুধীবৃন্দ তারপরে দুরুদে বেদাত সম্মানিত সুধীবৃন্দ ইয়া নবী সালাম আলাইকা আমাদের দেশে যে ঝংকার মের মানুষ দলবদ্ধভাবে যেভাবে মিলাদ উদযাপন করে ইয়া নবী সালাম আলাইকা তুমি না বিভিন্ন কাওলিয়ার বিভিন্ন গজল আর বিভিন্ন গান সব বেদাত সম্মানিত সুধীবৃন্দ সব বেদাত আমাদের সমাজে সমাজে ব্যক্তিতে ব্যক্তিদের রন্ধে রন্ধে ছড়িয়ে আছে সব বেদাত সম্মানিত সুধীবৃন্দ তারপর আরো বেদাত হলো আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সলামের কবরে আমরা মাজারও বলি না আল্লাহ রাসূল কবরকে আমরা কবর বলি সহীহ বুখারী সহ বিভিন্ন জায়গায় কবর বর্ণিত হয়েছে কিন্তু মাজার এটা একটা জাহিলি শব্দ বাতিল শব্দ মাজার বলতে কিছু নাই সব কবর মাজার শরীফ কিসের মাঝে মাজার শরীফ মাজার কিসের কবর প্রত্যেকটা কবর কবর শরীফ বলতে আল্লাহ রাসের আল কবর শরীফ আল্লাহ রাসমের কবর কেন্দ্রিক বিশ্বনবী খবরদার তিনটি মসজিদ ছাড়া পৃথিবীর কোন জায়গায় সওয়াবের উদ্দেশ্যে বের হওয়া যাবে না আপনি যদি মনে করেন আমি বিশ্বনবীর কবর জিয়ারত করব।

                                                           

সুতরাং এখান থেকে আপনি টিকিট করে চলে গেলেন। উমরা উমরার জন্য জায়েজ আছে। মসজিদ নবাবীতে সালাত আদায় কর জায়েজ আছে। কিন্তু বিশ্বনবীর কবর শরীফ জিয়ারত করার উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করাও বেদাত। সম্মানিত সোধবৃন্দ। এ বিধানগুলো জেনে রাখবেন। আর আমাদের দেশে তো ভন্ডামির সীমানা নাই। আজমির নাকি গেলে ওরা বলে আজমির শরীফ। আমরা কবর শরীফ বলি না আজমিরে নাকি গেলে সাত বার গেলে নাকি এক হজের সওয়াব হয়ে যায় নাউজুবিল্লাহ এটা দুঃখজনক আমাদের দেশেও তো মানুষ বলে টঙ্গীর গরীবের হজ এটা গরীবের হজ আস্তাগফিরুল্লাহ ওখানে গেলে নাকি ৪৯ কোটি গুণ নেকি পাওয়া যায় আর কাবায় নামাজ নেকি পাওয়া যায় ১ লক্ষ গুণ আর টঙ্গীর মাঠে নামাজ পড়লে নেকি পাওয়া যায় ৪৯ কোটি গুণ এটা জাহেলিয়াত মূর্খতা বর্বরতা আলেম ওলামাদের আমরা সাবধান করে দেই যে ভন্ডামি করেন কেন প্রতিবাদ করেন মজা লাগে না মিষ্টি মজা লাগে যে আমাদের টঙ্গি কেউ আকাশে উঠে দিচ্ছে আর আপনারা যখন বলে যে বায়তুল্লাহতে ১ লক্ষ গুণ আপনার

                                                           

কষ্ট লাগে না যে বায়তুল এক লক্ষ গুণ আর টঙ্গিতে ৪৯ কোটি গুণ অপব্যাখ্যা অপব্যাখ্যা অপব্যাখ্যা তো সম্মানিত সুধীবৃন্দ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কবরে এসে সালাম সালাম দিবেন আসসালামু আলাইক আইুহবী আসসালামু আলাইক আইহ সিদ্দিক আবু বকর সিদ্দিক আসসালামু আলাইকয়াম ফারুক এটা ইসলামের বিধান আপনি ওখানে যদি আল্লাহ রাসূকে আল্লাহ রাসূের কাছে প্রার্থনা করেন হে রাস আমার সন্তান হয় না একটা সন্তান দিবেন হে রাস আমার ব্যবসায় বরকত নাই একটা ব্যবসা বরকত দিয়ে দিন শির এবং আপনি সম্মানিত শ্রোধবৃন্দ বিশ্বনবীর হুজরা শরীফ বা কবরের যে ওয়ালগুলি ওয়ালগুলো আপনি নিবেন স্পর্শ করবেন আর মাসা করবেন বুকে লাগাবেন আর চুমা খাবেন এগুলা বেদাত এবং শির সম্মানিত সুধীবৃন্দ এজন্য শরীয়তের বিধান শিখতে হবে সম্মানিত সুধী বিশ্বনবীর মহব্বতের নামে কোন শির বেদাত করা যাবে না লিপ্ত হওয়া যাবে না সম্মানিত সুধীবৃন্দ আরেকটি বেদাতের কথা বলবো শুধু বেদাত এটা শিরকের পর্যায় আরেকটি বেদাত মানে ভন্ডামির একটা সীমা থাকে সম্মানিত সুধী ভন্ডামির একটা সীমা আছে

                                                           

বাংলাদেশেও আছে এমন লোক যারা বলে আমি বা অমুক পীর সাহেব আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নাকি সাক্ষাৎ লাভ করেছে ১৪০০ হিজরীর পরে ১৪০০ হিজরীর পরে আজকে ১৪৪৮ তম হিজরী এ যুগেও নাকি তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করে নাউজুবিল্লাহ মানে কি পরিমাণ যে গাঞ্জা খাইছে এরা কি পরিমাণ যে গাঞ্জা খাইছে তার হিসাব নাই আমি একটা লোককে ভালো মনে করতাম টিভিতে খুব বক্তব্য দেন বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার পিরিয়ডে প্রত্যেকটা টিভিতে আসতেন মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক এ ফরিদপুর এলাকার লোক মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক এবং ওই সম্ভবত ফার্মট এলাকা এক মাদ্রাসার তিনি মুহাদ্দিস তিনি বলছেন আমি গত সপ্তাহ শুনে তো আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম তিনি বলছেন আমি যখন ছোট ছিলাম একটা মাহফিলে যাচ্ছিলাম হঠাৎ করে আল্লাহ রাসূ সাল্লাম আমার হাত ধরে মাহফিলে নিয়ে চলে গেলেন আমাকে বসা তিনি বক্তব্য দিলেন নাউজুবিল্লাহ কি পরিমাণ গাঞ্জা দেখুন যারা আহলে হাদিসের সন্তান তারা আপনাকে বলবেন যে গাঞ্জা খেয়েছি

                                                           

আর ওরা বলবে যে সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ হুজুর কত বড় পীর যে বিশ্বনবী তাকে বসায় রেখে আল্লাহ রাসূ স্বয়ং মাহফিলে আলোচনা করছে এ গাঞ্জাখুল্লাহ গাঞ্জাখুল্লাহ আরো বড় বড় জায়গায় নাম বলব না আরো বড় বড় জায়গা থেকে বলা হয় আল্লাহ রাসূল সাল্লা গতবার আমাদের মাহফিলে আসছিলেন আল্লাহ রাসূল এসেই স্টেজে বসেছেন আমার পীর সাহেবের সাথে এগুলা বক্তব্য হয় বাংলাদেশে। যারাই বলবে যে বিশ্বনবীর সামনে তাদের এরকম সাক্ষাৎ হয় সশরীরে স্বপ্ন তো ভিন্ন কথা স্বপ্ন হতে পারে অধিকাংশ মিথ্যুক ভন্ড প্রতারক মিথ্যা কথা বলে ঠিক মেনে নিলাম।যার

                                                           

যারা এক জাতান বলবে একজাতান জাগ্রত অবস্থায় বিশ্বনবীর শানে সাক্ষাত হয়েছে দিদার হয়েছে মুসাফা হয়েছে সবাই ভন্ড আর ভন্ড সম্মানিত সুধীবৃন্দ কোন আহলে হাদিসের বাচ্চাগুলো বিশ্বাস করতে পারে না সম্মানিত সুধীবৃন্দ এজন্যই আপনি আহলে হাদিসের সন্তান আহল হাদিসের ঈমান আহলে আকিদা মানহাজ লালন করুন প্রচার করুন প্রতিষ্ঠা করুন সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমরা আহলে হাদিসের বাচ্চা মনে করবেন ওদের শাইখুল হাদিস পথভ্রষ্ট হতে পারে কিন্তু আপনাকে হওয়া যাবে না ওদের বিশাল পীর সাহেব পথভ্রষ্ট হতে পারে কিন্তু আহলে হাদিস আপনি রিকক্সাচালক ভ্যানচালক জুতা সেলাই করেন আপনাকে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না আপনি হলেন আকিদায় শ্রেষ্ঠ সম্মানিত সুধীবৃন্দ আকিদায় শ্রেষ্ঠ তারপর আরবিত বিশ্বনবীকে কেন্দ্র করে অনেক বেদাত বিশ্বনবীর বাশারি অসীত অস্বীকার করে আল্লাহ রাস নাকি নূরের তৈরি নাউজুবিল্লাহ কোরআন অস্বীকারকারী সম্মানিত হাদিস অস্বীকার আল্লাহতালা বলেন মমিন কোরআনের পাঠক তোমরা তোমরা জেনে রাখো আমি তোমাদের মতই একজন বাদশা তবে হাইটি পার্থক্য আছে।

                                                           

পার্থক্য কি? ইউহাইলা আমার ওহি আছে তোমাদের ওহী আসে না। আরে গাথা এটা কি ছোট বড় পার্থক্য? আপনারা বলবেন যে আমরা আহলে হাদিসরা বেয়াদব। আল্লাহর রাসূলকে সম্মান করি না। এটা কি কম বড় পার্থক্য? আল্লাহর নিকটে ওহী আসে আল্লাহর রাসূলের নিকটে। আমাদের নিক ওহে আসতে পারে না। কিয়ামত পর্যন্ত ওহীর দরজা বন্ধ। সম্মানিত সুধীন নবুয়তের দরজা বন্ধ। এজন্য আমরা আহলে হাদিসের সবচেয়ে সচ্চার কাদিয়ানীরা কাফের কাফের কাফের। ভন্ড নবী গোলাম আহমদ কাদিয়ানী কাফের কাফের কাফের। তার কারণ তারা বিশ্বনবীর খতমে নবুয়তকে অস্বীকার করে। মোল্লা আলী কারী হানাফী রহিমাহুল্লাহ তিনি বলছেন তোমরা অলি আউলিয়া বানাও সারা বিশ্বের সকল অলিকে যদি এক পাল্লায় রেখে দেওয়া হয় আর অপর পাল্লায় একজন ক্ষুদ্র মানের সাধারণ নবীকে যদি অপর পাল্লায় রাখা হয় আল্লাহর কসম সাধারণ নবীর পাল্লা অনেক ভারী হয়ে যাবে আর সমস্ত পৃথিবীর কুল আউলিয়ার পাল্লা হালকা হয়ে যাবে সম্মানিত এজন্য আপনাকে নবীর মর্যাদা জানতে হবে।

                                                           

এমন নবী ছিলেন দাওয়াত দিয়েছেন কেউ দাওয়াত তাদের গ্রহণ করে নাই। একাই হাজির হবেন কেয়ামতের দিনে। আপনার মাধ্যমে যদি ১০০০ জন মুসলিম হয় তাই বলে আপনি কি ওই নবীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে নবীর কেউ দাওয়াত গ্রহণ করে নাই। আপনি বলবেন অমুক ব্যক্তি তো তার মাধ্যমে এক লক্ষ জন মুসলমান হয়েছে। আর এক লক্ষ কেন সারা পৃথিবীবাস যদি মুসলমান হয়ে যায় কারো হাত ধরে তার মর্যাদা কখনো নবীর চেয়ে বেশি হতে পারে না। সম্মানিত সুধীবৃন্দ তার মর্যাদা কোশ্চেন কাল একজন সাহাবীর চেয়ে বেশি হতে পারে না। সম্মানিত শ্রোতাবৃন্দ এজন্য আপনাকে সাহাবার মর্যাদা নবীদের মর্যাদা জানতে হবে। জ্ঞান অর্জন করতে হবে। তবেই আপনি নাজাত পাবেন কিয়ামত দিবসে।

                                                           

সম্মানিত শ্রোতাবৃন্দ প্রখ্যাত তাবে অনেকে বলছেন শ্রেষ্ঠ তাবে কেউ বলছে সাই মুসাবকে হাসান বাসীকে কেউ বলছেন ওমর বিন আব্দুল আজিজ রহিমাহুল্লাহকে সাদ মুসাবকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল আপনার দৃষ্টিতে কে শ্রেষ্ঠ খলিফাতুর রাশেদ আল খামেজ পঞ্চম ইসলামের খলিফা উমর বিন আব্দুল হাদিস শ্রেষ্ঠ মুয়াবিয়া বিন আবু সুফিয়ান রাদ কে শ্রেষ্ঠ আমাদের সমাজে অনেক জাহেল আছে আমাদের সমাজে অনেক ভন্ড প্রতারক মূর্খ আছে যারা আমি মুয়াবিয়াকে গালাগালি করে মদি তারা মানে তার উর্দু ধুনা তার সমালোচনা লিপ্ত হয় তিনি বলছেন ওমর বিন আব্দুল আদি সারা জিন্দেগীর নেকি যদি এক পাল্লায় রেখে দেওয়া হয় আর মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আল্লাহ রাসূলকে দেখেছে রুহত করেছেন দর্শন লাভ করেছেন শুধুমাত্র দর্শনের নেকি অপর পাল্লায় রাখা হয় দর্শনের নেকি ভারী হয়ে যাবে সুবহানাল্লাহ সম্মানিত এবং অন্য বর্ণনা পাওয়া যায় তিনি বলেছিলেন যে মুয়াবিয়া ঘোড়ার যে ধুলা ও ধুলার সমানও কারো মর্যাদা হতে পারে না যতই বড় অলি আউলিয়া হোক যত বড় তাবে হোক কিন্তু সাহাবীর মর্যাদা কেউ পেতে

                                                           

পারে না সম্মানিত সুধীবৃন্দ বিশ্বনবী বলেন সব বুখারী মুসলিমের হাদিস তোমাদের কেউ যদি উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ ব্যয় করে দাও আর আমার সাহাবায়ে কেরাম তারা যদি এক মুত আধা মুত মনে করেন যে ২০০ আশ গ্রাম আর ওরা করল উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ তারপর বিশ্বনবী বলেন তোমার উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ ব্যয় করেও আমার সাহাবা কেরামের মর মর্যাদা পেতে পারো না কঠিনকাল সম্মানিত সুধীজন আপনাকে সাহাবা কেরামের মর্যাদা জানতে হবে কথায় কথায় সাহাবা কেরামের সমালোচনা নির্ধারা সাহাবা কেরামের সমালোচনা করে সমালোচনা করে সম্মানিত শ্রধবৃন্দ কোরন অস্বীকার যারা বলে মহাম্মদ আল্লাহ কোরআনে কি বলেন সহী বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে বিশ্বনবী বলে আমি মাটির তৈরি যেমন আম্বিয়া কেরাম মাটির তৈরি মানুষ মাটির তৈরি আমিনার সন্তান তিনি আপনার শুক্র মিলিত দ্বারা তিনি সৃষ্ট হয়েছেন আর বলা হচ্ছে তিনি ছিলেন নূরের তৈরি নাউজুবিল্লাহ সবগ বিভ্রান্তি জাহাত সম্মানিত এরাও কিন্তু তারা তাদের ভ্রষ্টতায় উম্মততায় তারা বোধ হয়ে তারা নেশাগ্রস্ত হয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে পথভ্রষ্ট সবাই এরা ওই দলের

                                                           

পর্যায়ভুক্ত হয়ে যাবে সম্মানিত শ্রোধবৃন্দ এবং আরেকটি বেদাত সম্মানিত শ্রোধিবৃন্দ যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাউজুবিল্লাহ আলিমুল গাইব আস্তাগফিরুল্লাহ আলিমুল গাইব আল্লাহ ছাড়া কেউ না আরে দু-চারটা ঘটনা তারা জানতেন আল্লাহ জানিয়ে দিতেন বলে সেটা তো গায়েব থাকলো না ওটাই জানতেন যেটা জানানো হতো তার বাইরে জানতেন না অসংখ্য দলিল আমরা প্রমাণ করতে মেম্বারে দাঁড়িয়ে আলেম গায়েব আল্লাহ ছাড়া কেউ নাই এখন আপনার রাসূলে গায়েব ছিলেন এবং তারা বলে কি কোরআন অপব্যাখ্যা করে আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব জায়গায় হাজির নাজির নাউজুবিল্লাহ তিনি এখানে উপস্থিত আছে এজন্য তারা ভন্ডরা করে কি কেয়াম উদযাপন করে এখানের চেয়ার খালি রাখে এখানে আল্লাহ আল্লাহ রাসূলের স্থান জায়গা এখানে আল্লাহ রাসূের আসন গ্রহণ করবে নাউজুবিল্লাহ কি ধরনের ভন্ডামি সম্মানিত সুধবৃন্দ এজন্য আমরা বলতে চাই সম্মানিত সুধবৃন্দ পিওর ইসলাম পারফেক্ট ইসলাম বিশুদ্ধ ইসলাম স্বচ্ছ ইসলাম নির্বাচল ইসলাম জানুন এবং মানুন আমল করুন মানুষকে দাওয়াত দিন সম্মানিত সুধী আলহামদুলিল্লাহ বাংলাদেশ জমিতার হাদিস

                                                           

সম্মানিত সুধী এ লক্ষেই কাজ করে যাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ প্রতিষ্ঠাল থেকে সাংগঠনিকভাবে আল্লামা আব্দুল কাফের কুরাইশী পরবর্তীতে আল্লামা প্রফেসর ডক্টর আব্দুল বারী রহিমাহুল্লাহ বাংলাদেশ জুমের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সমগ্র মুসলিম জাহানকে বিশ্বাস করে বাংলাদেশের সকল আহলে হাদিসদেরকে একটা অখন্ড মোহাম্মদ জামাত প্রতিষ্ঠা করার কারণে সম্মানিত সুতরাং ইনাদের আদর্শকে গ্রহণ করুন আমরা অবশ্যই বলি ইনার আমার সকলে আদর তখনই গ্রহণ করবেন যখন সেটা কোরআন ও সুন্নাহর মোতাবেক হবে। সম্মানিত শ্রোতাবৃন্দ কোরআন সুন্নাহ মোতাবেক না হবে শুনে ফেলে দিন অসুবিধা নেই।

                                                           

কাজে সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমি আপনাদের আহ্বান জানাতে চাই আলহামদুলিল্লাহ যশোরের ঐতিহ্যবাহী জেলা এখানে সাংগঠনিক কার্যক্রম এখানে চালু আছে জমিদানা দিছেন আর আপনাদের গ্রামেরই একজন সন্তান গোলাম রহমান মাশাল্লাহ বয়স তরুণ কিন্তু অত্যন্ত চেতনা লালন করে আল্লাহ দিছেন ডক্টর বাড়ি স্যারের নামে একটি মাদ্রাসা করার দুঃসাহস দেখিয়েছে তার পাশে থাকবেন সম্মানিত আহবান জানাই আর যেখানে থাকবেন আহলে হাদিসের সন্তান বাঘের বাচ্চা হয়ে থাকবেন কোন আপোষ নাই শিরকের সাথে আপোষ নাই বেদাতের সাথে আপোষ নাই ওরস পূজারী মাজার পূজারীর সাথে আপোষ নাই তবে দাওয়াত দিবেন সম্মানিত সুধী আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এখানে আমাদের মুর্শেদ ভাই আছেন আপনাদের জেলার সেক্রেটারি আলহামদুলিল্লাহ আহমদ আলী সাহেব সভাপতি তিনি এখন ঢাকা অবস্থান করছেন শারীরিক অসুস্থ আপনারা আমাদের নেতৃবৃন্দের পাশে থাকবেন এবং সামান্য হলেও একটু সময় দিবেন।

                                                           

সম্মানিত সয়টা আপনার ইনশআল্লাহ কত সময়তে ব্যয় করেন ব্যবসা বাণিজ্যে খেলাধুলায় খারাপ কাজে অবৈধ কাজে এবং বেহুদা কাজে ইনশাল্লাহ এই জমিয়তের সংগঠনে সময় দিবেন। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন ইনশাল্লাহ আপনার রিকভারি করে দিবেন ইনশাল্লাহ। এটা বিশ্বাস দাওয়াতের ময়দান দাওয়াতি কাজে থাকবেন জমিতের সাথে থাকা মানে আম্বে কেরামদের যে মিশন সেটাতে আপনি অংশগ্রহণ করলেন ওই দলের আপনি সৌভাগ্যবান ব্যক্তি হয়ে গেলেন আপনি আল্লাহর জমিনে তাওহীদ প্রতিষ্ঠায় সামান্য হল অবদান রাখার চেষ্টা করেছেন আল্লাহতালা আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমিন