কোরআন হাদিসে যথেষ্ট কথা আছে। যেমন আমরা জানি যে সাধারণত একটা কুকুরকে একটা পাপী মহিলা একটা পাপী ব্যক্তি কুকুরকে পানি পান করার কারণে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। একজন ব্যক্তি গাছের একটা ঢালকে কেটে দেয়ার কারণে আল্লাহ তাকে জান্নাত দিয়ে দিয়েছেন। ১০০ ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এমন ব্যক্তির মুখের একটা কথা আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এগুলো আমাদেরকে জানানো হয়েছে। তার মানে আমি বোঝাতে চেয়েছি। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা তিনি নিজেই হচ্ছেন মহান ক্ষমাশীল। নিজের জন্য এটা ফরজ করে নিয়েছেন যে তিনি তার বান্দাদেরকে কোন না কোন ভাবে ক্ষমা করবেন। এর জন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তিনি নিজে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
যেগুলোতে আমাদের কারো কোন অধিকার বা ভূমিকা ছিল না। যেমন ধরেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা একটা পাওয়ার সৃষ্টি করলেন। সে পাওয়ার দিলেন রাসূলদেরকে। সে পাওয়ার দিয়েছেন ফেরেশতাদেরকে। সেটা কি? সেটা হচ্ছে শাফায়াত। আল্লাহ শাফায়াত সৃষ্টি করেছেন এবং বলেছেন যে নবী যদি কারো ব্যাপারে শাফায়াত করে সুপারিশ করে আমি আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিব। মালাইকা যদি কারো ব্যাপারে সুপারিশ করে যদিও এটা উল্লেখযোগ্য। আল্লাহ কন্ডিশন বেধে দিয়েছেন। মানে আল্লাহর কোন বান্দার জন্য যখন মালাইকারা ফেরেশতারা সুপারিশ করবে ফেরেশতাদের সুপারিশের কারণে আল্লাহ অসংখ্য পাপীকে মুক্ত করে দিবেন। আল্লাহ সেই পাওয়ার প্রত্যেকটা মুমিনকে দিয়েছে যারা জান্নাতি হবে তারাও তার আরেক মুমিন ভাইয়ের জন্য যারা কোন কারণে জাহান্নামে চলে যাবে তাদের সুপারিশের কারণে আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দিবেন।
তাহলে এই যে যে পাওয়ার এটাতে আমার আপনার কোন অধিকার নাই। এটা এককভাবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা নিজে তিনি নির্ধারণ করেছেন। জুমার দিন আসলে মসজিদে হেঁটে আসলে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। এটা আল্লাহ নিজে থেকে ধার্য করেছেন। যদিও আমাদের এখানে আসাটা ফরজ। আমরা হেঁটে আসবো আল্লাহর গোলামী। কিন্তু আল্লাহ আমাদের প্রত্যেক কদমে পাপ মাফের একটা ব্যবস্থা রেখেছেন। তার মানে আমি আপনাকে বোঝাতে চেয়েছি আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করার জন্য যে কত কি ব্যবস্থা করেছেন আপনাকে আমাকে সেই ক্ষমার রাস্তায় আসতে হবে। এটাকে গুরুত্ব দিতে হবে যাতে কোন না কোন ভাবে আমি আর আপনি ক্ষমা পেয়ে যাই। তাহলে একটা ক্ষমার উত্তম মাধ্যম হলো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা নিজে যেই ব্যক্তি আল্লাহর বান্দা হয়ে পৃথিবী থেকে মরতে পারবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করার জন্য বহু কিছু ব্যবস্থা করে রেখেছেন।
যেমনটা বললাম শাফাত। তারপরে আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে তিনি যখন বেঁচে ছিলেন তাকে দিয়ে ক্ষমা চাইয়েছেন। আল্লাহ বলছেন আপনি নিজের জন্য এবং আপনার উম্মতের জন্য আমার কাছে ক্ষমা চান। তার মানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হচ্ছেন মুস্তাজাবুদ দাওয়াত। এজন্য আল্লাহ তাকে দিয়ে আগে থেকেই ক্ষমা চাইয়ে রেখেছেন। যাতে করে কেয়ামত পর্যন্ত যারা আসবে তার উম্মত হয়ে বেঁচে থাকবে তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের সেই দোয়ার অন্তর্ভুক্ত হবে এবং এর বিনিময়ে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। আলহামদুলিল্লাহ যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা আমাদেরকে উম্মতে মুহাম্মদী করেছেন। দ্বিতীয় দিকটা হচ্ছে আল্লাহ ক্ষমার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সবথেকে বড় উপায় যেটা রেখেছেন সেটা হচ্ছে ঈমান।
আল্লাহ বলেছেন আমার প্রতি ঈমান নিয়ে আসো। আমি তোমার সমস্ত পাপকে ক্ষমা করে দিব। এটা ছিল দ্বিতীয় স্টেপ। তার মানে পৃথিবীর মানুষ যদি ক্ষমা পেতে চায় তাকে মুসলিম হওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোন পথ নাই। বর্তমান যুগে মানে কেউ যদি নিজের পরিচয়ে মুসলিম না বলে তাহলে সে ক্ষমা পাবে না। সে যত ফেরেশতা তুল্য ব্যক্তি হোক না কেন, যে কোনদিন কারোটা মেরে খায়নি, যেই ব্যক্তি সত্য কথা বলে, যেই ব্যক্তি এক কথায় কোনো রকমের অন্যের হক নষ্ট করেনি।
কিন্তু তার একটাই ত্রুটি সে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনেনি তাহলে সেই ব্যক্তি নাজাত পাবে না বর্তমান যুগের কোন খ্রিস্টান কোন হিন্দু কোন বৌদ্ধ কোন ইহুদি কেউ নাজাত পাবে না কোন নাস্তিক কোন মুশরেক নাজাত পাবে না একমাত্র তার পরিচয় যদি মুসলিম না হয় এজন্য ভাববেন না যে মুসলিমের ঘরে জন্ম হলেই নাজাত না বলা হয়েছে যে মুসলিম হইতে হবে নিজেকে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণকারী হইতে হবে এই বিষয়টা আমরা গত পর্বে আলোচনা করেছি কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন আল ইসলাম ইসলাম এমন একটা জীবন ব্যবস্থা যা মানুষের অতীতের সমস্ত পাপকে খেয়ে ফেলে। কাবলা যেই ব্যক্তি যখন ইসলাম গ্রহণ করবে বা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে দিবে এই বাক্যটার পাওয়ার এমন যে তার অতীতের যদি ১০০ বছরের পাপ থেকে থাকে এই একটা বাক্য বলার সাথে সাথে তার ১০০ বছরের সমস্ত কাবিরা গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।
>> এটা হচ্ছে ইসলাম। তাহলে ক্ষমা পেতে হলে ইসলাম গ্রহণ করতে হবে বা ইসলামের উপরে টিকে থাকতে হবে। দ্বিতীয় যেটা ইসলাম গ্রহণ করার পর যতগুলো সৎকর্ম আছে আপনি দেখতে পাবেন প্রত্যেকটা কর্মের জাযা হিসেবে আল্লাহ তিনটা দিক নির্ধারণ করে রেখেছেন। প্রত্যেকটা কর্মের নিজস্ব একটা সওয়াব আছে। আপনি নামাজ পড়বেন সওয়াব পাবেন। আপনি নামাজ পড়বেন। আরো দুইটা জিনিস আল্লাহ অতিরিক্ত রেখেছেন। সেটা হচ্ছে এক হলো আপনার মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। এক হচ্ছে আপনার পাপ ঝরে যাবে। তার মানে যে কোন ইবাদত শুধু সালাত নয়।
যে কোন ইবাদত মুখের একটা বাক্য জিকির আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা নেকি বৃদ্ধি পায় গুনাহ খাতা ঝরে যায় এবং মর্যাদা উঁচু হয় তার মানে আমাদেরও আজকের খুতবার বিষয় হচ্ছে পাপ মাফ হওয়া তাহলে পাপ মাফ করাতে হলে আপনাকে নিজেকে কোন না কোন ভালো কাজের সাথে জড়িত করে রাখতে হবে একটার পর একটা ভালো কাজ করবেন আজকে যেমন খুতবা শুনতে আসছেন একটু পরে সালাত আদায় হবে তারপরে জিকির আজকার করবেন জিকির করতে করতে বাসায় যাবেন খেতে বসলে আল্লাহকে স্মরণ করবেন তারপরে পরে আবার আসরের নামাজের জন্য প্রিপারেশন নিবেন। মানে নিজেকে কোন না কোন একটা ভালো কাজের সাথে জড়িত করে রাখা। যতক্ষণ জড়িত থাকবেন আপনি জেনে নেন প্রত্যেকক্ষণের কারণে নেকি পাবে মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে আর গুনাহ খাতা মাফ হয়ে যাবে।
এজন্য একজন ব্যক্তি যদি নিজের পাপকে ক্ষমা করাতে চায় তাহলে তাকে কোন না কোন ভালো কাজের সাথে জড়িত হতে হবে। সেটা আমরা গত পর্বে আলোচনা করেছি। এখানে আপনাকে উল্লেখ করে দেই। যেটা আল্লাহ নিজেই বলেছেন ইন্না হাসানা নিশ্চয়ই ভালো কর্ম তার পাপকে মিটিয়ে দেয় যেটা আল্লাহ কোরআনে উল্লেখ করেছেন যেটা আপনি সূরা হুদ ১১ নাম্বার সূরা ১১৪ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন এবং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন তুমি যখনই কোন একটা অপরাধ বোধ করবে একটা অন্যায় হয়ে যাবে সাথে সাথে তুমি একটা ভালো কিছু করার চেষ্টা করবে কারণ এই ভালোটাই তোমার মন্দটাকে মিটিয়ে ফেলবে এজন্য মুসলিমদের একটা মাপের বড় উপায় হলো আমাদের সৎ কাজ।
যেকোন একটা ভালো কাজ। সেটা শুধু সালাত জরুরি নয়। রাস্তা থেকে একটা কষ্টদা এক বস্তু তুলে ফেলে দেওয়া। কাউকে সালাম দেওয়া, কাউকে ভদ্র আচরণ করা, কোন ব্যক্তির বোঝা উঠিয়ে দেওয়া, গাড়িটাকে ধাক্কা দিয়ে দেওয়া। রাস্তাটাকে পরিষ্কার করা। যে কোন ভালো কাজ আপনার পাপকে মিটানোর জন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ব্যবস্থা করে রেখেছেন। তৃতীয় যে ধাপ সেটা ছিল প্রকাশ্য পাপ করা থেকে বেঁচে থাকবেন। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটা হাদিস রয়েছে কুল্ উম্মাতিন মফা আমার উম্মতের প্রত্যেকটা ব্যক্তি ক্ষমার যোগ্য মানে তাকে ক্ষমা করা হবে।
ইল্লাল মুজাহিরুন তবে প্রকাশ্যকারীরা ছাড়া প্রকাশ কিভাবে করা হয়? যে রাত্রে একজন ব্যক্তি পাপ করে ফেলেছে সেটা আল্লাহর পক্ষ থেকে ঢেকে রাখা হয়েছিল কিন্তু দিনের বেলায় এই ব্যক্তি অমুককে অমুককে বলে আমি এটা করেছি সেটা করেছি অমুকের এই জিনিস চুরি করেছি জেনা করেছি নেশা করেছি পার্টি করেছি সে দিনের বেলা আবার এটা বলে দেয় তাহলে এটা হচ্ছে প্রকাশ করে ফেলা তাহলে কারো দ্বারা যদি অতীতের কোন পাপ হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে সেটাকে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে প্রকাশ করে দিলে আপনার এ পাপকে আল্লাহ শাস্তি ছাড়া মাফ করবে না কারণ আপনি তাহলে উদ্যততা দেখাইলেন এই পয়েন্টে এসে আমরা এটাও বলেছিলাম যদি গোপন পাপ প্রকাশ করে দিলে শাস্তি পেতে হয় তাহলে প্রকাশ্যে যারা পাপী তাদের কি হবে? এজন্য পাপকে প্রকাশ করা অথবা প্রকাশ্য পাপ করা থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতে হবে।
আমাদের দ্বারা কম বেশি পাপ সবার দ্বারাই হয়। হয়ে যাবে হয়তো। কিন্তু এই জিনিসটাকে মাথায় রাখতে হবে যে একজন ব্যক্তি নিজের পাপটাকে প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে। এটা কিসের লক্ষণ জানেন? একতো তার অন্তর খারাপ। এর জন্য সে পাপী। কিন্তু তার মধ্যে যে অহংকার নাই এটাই তার প্রমাণ। আর এমন ব্যক্তিকে আল্লাহ পছন্দ করে। এই ব্যক্তির পাপ হলেও আল্লাহ তাকে মাফ করবে যদি কারো মধ্যে অহংকার না থাকে। যেমন ভুল হয়েছিল আদম আলাইহিস সালামের দ্বারাও। ভুল হয়েছিল ইবলিশের দ্বারাও। কিন্তু আদম আলাইহিস সালাম অনুতপ্ততা প্রকাশ করেছেন। নিজের পাপটাকে গিল্টি ফিল করেছেন। কিন্তু শয়তান ইবলিশ শয়তান হয়েছে তখন যখন সেটাকে অপরাধবোধ মনে করেনি।
বরং সেটা অহংকারের ছলে নিয়েছে। এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা অহংকারীদেরকে মাফ করে না। এজন্য আমরা সবাই কমবেশি পাপী। যার যে পাপ হয়ে গেছে আপনি এটা কারো কাছে প্রকাশ করবেন না। হাসি ঠট্টা উদ্ধৃতি দিতে গেলেও বলবেন না। আর প্রকাশ্য পাপ করা থেকে বেঁচে থাকবেন। আর আমরা বলেছিলাম প্রকাশ্য পাপ করা বলতে কি বুঝায়? যারা বেনামাজি তারা প্রকাশ্য পাপী। যারা দাড়ি ফেলে দিয়ে চলতেছেন তারা প্রকাশ্য পাপী। যাদের প্যান্ট টাকনার নিচে তারা প্রকাশ্য পাপী।
যারা জেনা করে গান বাজনা নাচ গান এইযে ঢোল পিটিয়ে পার্টি করে এরা প্রকাশ্য পাপী যারা ওপেন সিগারেট জর্দা দিয়ে পান খাচ্ছেন প্রকাশ্য পাপী যারা বেপর্দা মহিলারা ঘুরতেছেন তারা প্রকাশ্য পাপী সোজা কথা যেই পাপগুলো প্রকাশ্য হয়ে যাচ্ছে আপনার এই পাপ মাফ হবে না যদি আপনি তওবা করে মরে যান তওবা ছাড়া মরে গেলে আপনার মাফ হবে না তওবা হচ্ছে সব সব পাপের মূল তওবা মহা ওষুধ এটা যদি যে করতে পারবে তার তো কুফরি পর্যন্ত মাফ হয়ে যায় কিন্তু আমি বুঝাতে চাই চেয়েছি তওবা ছাড়াও একজন ব্যক্তির কিছু কিছু আচরণ আছে যেগুলো এমনিই মাফ হবে। আর কিছু কিছু আচরণ আছে যেগুলো আল্লাহ কখনো মাফ করবে না।
তার মধ্যে এটা একটা। এজন্য যাদের পাপ হয়ে গেছে কারো কাছে প্রকাশ করবেন না। আর প্রকাশ্য পাপ তো প্রশ্নই উঠে না। এটা থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করবেন। আল্লাহ আমাকে এবং আপনাদেরকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন। >> চতুর্থ দিক যেটা বলেছিলাম যে আমাদের পাপগুলো মাফ হয়ে যাবে। যদি আমরা এই রাস্তা অবলম্বন করি সেটা কি? সেটা হচ্ছে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আপনি ধরেন যে কোন পাপ করে বসে আছেন কিন্তু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছেন না। এটা একটা বড় ত্রুটি। বরং পাপের চাইতেও বড় ত্রুটি এটা যে পাপী হয়েও সে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছে না। অথচ তাকে জানানো হয়েছে যে আল্লাহর কাছে সে যদি ক্ষমা চায় আল্লাহ তাকে মাফ করে দিবে।
ক্ষমা চাইলে মাফ করে দেওয়া হবে। এটা আপনি জেনেছেন। আমি জেনেছি কিন্তু কোনদিন আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলাম না। এটা পাপের চাইতেও বড় ত্রুটি। আল্লাহ একে জালেম বলেছে। জালেম বলেলা যেই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে তওবা করলো না সে হচ্ছে সবচাইতে বড় জালেম। এজন্য এটা মাথায় রাখবেন আল্লাহ বলেছেন তুমি পাপ থেকে তওবা করো। আমার কাছে ক্ষমা চাও আমি তোমার পাপকে মাফ করে দেব। আল্লাহ এক্সাম্পল দিয়েছেন মুসা আলাইহিস সালাম কে দিয়ে, ইউনুস আলাইহিস সালাম কে দিয়ে এবং ১০০ ব্যক্তির হত্যাকারীকে দিয়ে, জেনাকারীকে দিয়ে, আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বহুভাবে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, কত কাফেরকে দিয়ে আল্লাহ উদ্ধৃতি দিয়েছেন যে তারাও যদি ক্ষমা চাইতো আমি আল্লাহ তাকে মাফ করে দিতাম।
যেমন হাসান আল বাসর রাহ্লাহ তাদের বিচক্ষণতা যে কত সুবহানাল্লাহ। সূরা বুরুজের তাফসীরে তিনি বলেছিলেন ইন্নাল্লাজনাফলাহ এই আয়াতের তাফসীরে তিনি একটা চমৎকার কথা বলেছেন তিনি বলেছেন দেখেন আল্লাহর শান এবং মান কি আল্লাহর ওলিদেরকে হত্যা করা হয়েছে তাদের কোন অপরাধ ছিল না শুধু আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা হয়েছে তাই তাদেরকে গর্ত করে আগুন জ্বালিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল মুমিন পুরুষ এবং মুমিন নারীদেরকে যারা এটা করেছিল আল্লাহর ভদ্রতা দেখেন আল্লাহ তাদেরকে কি বলেছেন? সুমমালাম এমন কঠিন কাজ করার পর আল্লাহ বলতেছেন এখন যদি তারা তওবা না করে তাহলে আমিও তাদেরকে এভাবে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে শাস্তি দেব। হাসান বসরী বলতেছেন আল্লাহর উদ্দেশ্য কি ছিল? তাহলে যদি তারা তওবা না করে আর যদি তওবা করে নেয় তার মানে তওবা করে নিলে আল্লাহ এদের এই পাপটাকে মাফ করে দিতে প্রস্তুত।
তার মানে যেই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে আল্লাহ আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। করাই হবে এটাই নিশ্চিত।যে যেটা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা এটা কোরআনে ডিক্লেয়ার দিয়ে দিয়েছেন। এই মর্মে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা বহু কথা বলেছেন। আমরা এখানে বেশি লম্বা করবো না। এবং আপনারাও জানেন যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন। এমনটাই কোরআন হাদিসে রয়েছে। যে কোন তওবার আয়াত হাদিসের মধ্যে আপনি দেখতে পাবেন আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। রাতের যে হাদিস শেষ রাত্রে যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা প্রথম আকাশে আসে সেখানেও বলা হয়েছে কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দি। তার মানে ক্ষমা চাওয়ার কথা আছে।
যেমন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা বলতেছেন কোরআনে মুমিনদের বহু গুণের কথা আলোচনা করা হয়েছে। তার মধ্যে মুমিনদের একটা গুণ এই আল্লাহ বলেছেন মুমিন তো তারাই যাদের আচরণ হল মুমিন তো মূলত তারাই যাদের দ্বারা কোন ফাহেশা কোন জুলুম হয়ে গেলে সাথে সাথে তারা আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তারা তাদের অপরাধের কারণে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তার মানে এটা হচ্ছে মুমিনদের গুণ এটা আমাদেরকে করতে হবে আল্লাহ চেয়েছেন আমরা যেন তাকে ডাকি এবং তার কাছে ক্ষমা চাই তাহলে আমাদেরকে ক্ষমা করা হবে। কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা বহু উদাহরণ দিয়েছেন তার মধ্যে এই ক্ষমা তলব করা আপনি নবীদের দাওয়াত নিয়ে যদি দেখেন কোরআন হাদিসে যে নবীদের দাওয়াত মূলত কি ছিল? তারা পৃথিবীতে এসে মানুষের কাছে কি বলেছে? একেবারে প্রথম রাসূল থেকে নিয়ে শেষ রাসূল পর্যন্ত প্রত্যেক নবীর দাওয়াতের মধ্যে এটা কমন ছিল যে তোমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনো, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও।
যেমন নূহ আলাইহিস সালাম প্রথম রাসূল তার দাওয়াতের যিনি সকাল বিকাল রাত দিন মানুষকে না সাড়েনশ বছর দাওয়াত দিয়েছেন এবং তার দাওয়াতের মাঝে এটা প্রথম বাক্য ছিল আল্লাহ আমি আমার জাতিকে বলেছি তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও তিনি কিন্তু তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন প্রথম রাসূ এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে ক্ষমার জন্য পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল ছিল। তার মানে সমস্ত নবী রাসূলগণ পৃথিবীতে এসেছিলেন এই দাওয়াত নিয়ে যে আমরা যেন আল্লাহর প্রতি ঈমান আনি আর আল্লাহর কাছে যেন আমরা আমাদের অপরাধের জন্য ক্ষমা চাই তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। এবং ক্ষমার চাইলে শুধু ক্ষমাই করা হবে না।
আল্লাহ এখানে রিজিকের ব্যবস্থাও রেখেছেন সেই আয়াতগুলোতে সেই কথা উল্লেখ আছে। আমাদের বিষয় যেহেতু একটা আমরা অন্যদিকে যেতে চাচ্ছি না। এটা আপনিও জানেন। যদি কোন ব্যক্তি তওবা করে আল্লাহ তার রিজিকের প্রসারতা দান করে। তাকে সন্তান দেবে। তাকে মালামাল করে দিবে। তাকে শস্য ক্ষেত দেবে। তাদেরকে আল্লাহ পানি পান করাবে। বিভিন্নভাবে আল্লাহ উপকারের কথা বলেছেন। যা সবকিছু এই পাপের মধ্যে জড়িত রয়েছে। যেই ব্যক্তি তওবা করে নেবে তার এই রাস্তাগুলো খুলে যাবে। তার মানে যার সন্তান হয় না তাকে তওবা করা উচিত। যার রিজিকের ঘাটতি আছে তাকে তওবা করা উচিত। যার ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছে তাকে তওবা করা উচিত। নিশ্চয়ই তার কোন না কোন ত্রুটি অবশ্যই আছে।
যার ফলে আল্লাহ তার রিজিককে সংকীর্ণ করে রেখেছেন। এজন্য এটা হচ্ছে মহা ঔষধ। আমাদেরকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। এই মর্মে একটা হাদিসে কুদসি আপনাদেরকে শোনাই যদিও আপনারা বহুবার হয়তো শুনেছেন জুলমের হাদিস ইমাম মুসলিম সে হাদিস কোট করেছেন ৬৪ ৬৬ হাদিসের নাম্বার যে আল্লাহ সুবহানাহুতালা তার বান্দাদেরকে ডেকে বলতেছেন হে আমার বান্দারা আমি আমার নাফসের উপর জুলুম করা হারাম করেছি মানে আমি আল্লাহ নিজে কোনদিন কোন বান্দার প্রতি জুলুম করব না এবং এই জুলুমটা আমি তোমাদের উপর হারাম করে দিয়েছি খবরদার তোমরা একে অপরের প্রতি জুলুম করবা এই হাদিসের মিডিলে গিয়ে আপনি একটা দাওয়াত পাবেন। আল্লাহর আহ্বান পাবেন। আল্লাহ বলেছেন তোমরা সবাই গোমরা।
তবে আমি আল্লাহ যাকে হেদায়েত করব সে ছাড়া। তবে তুমি আমার কাছে হেদায়েত তলব করো। আমি তোমাকে হেদায়েত দিব। তার মানে যে হেদায়েত চায় তাকে আল্লাহর কাছে হেদায়েত তলব করতে হবে। যে আল্লাহ তুমি আমাকে হেদায়েত করো। আল্লাহ বলেছেন আমি তোমাকে হেদায়েত করব। তারপরের বাক্য আল্লাহ এটা বলেছেন হে আমার বান্দারা আমি দেখতে পাচ্ছি তোমরা রাতদিন অনেক পাপের সাথে জড়িত আর আমি আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করেই যাচ্ছি তারপরে সর্বোপরি আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলতেছেন আমার কাছে ক্ষমা চাও এভাবে আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করতেই থাকব তারমানে আমাদেরকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে এই ক্ষমা চাওয়া এটা হচ্ছে পাপমাফ হার অনেক বড় একটা মাধ্যম। এজন্য আল্লাহর কাছে আমাদেরকে প্রতিনিয়ত বলতে হবে আল্লাহুমাগফির।
আপনি সালাতে দাঁড়ান। সালাতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবচাইতে বেশি আল্লাহর কাছে যেটা চাওয়া হয় এটা হচ্ছে ক্ষমা। রুকুতে, সেজদাতে, সালাতের মধ্যে, তাশাহুদের পূর্বে, সানার মধ্যে সবকিছুর মধ্যে ক্ষমার কথা রয়েছে। দোয়ার মানেই হলো ক্ষমা। যাতে করে আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করে দেয়। এটা হচ্ছে মুখ্য উদ্দেশ্য একজন বান্দার। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বলেছেন তোমরা আমার কাছে ক্ষমা চাও আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দি এটা ছিল চার নাম্বার দিক পঞ্চম দিক যেটা আসবে ক্ষমা পাওয়ার একটা মাধ্যম হলো যে কোন ভালো কাজ যেটা একটু আগেই ভূমিকাতেই বলেছি যে কোন ভালো কাজ আপনি এর ফজিলত গুলো দেখেন তিনটা ফজিলত পাবেন যে কোন ভালো কাজ নামাজ পড়তেছেন কি হবে নেকি বাড়বে নামাজ আদায় করলে কি হবে মর্যাদা বাড়বে আরেকটা কি হবে পাপ মিটে যাবে তাহলে প্রত্যেকটা ভালো কাজের তিন দিক থেকে উপকার হয় তার একটা হলো আল্লাহ নিজেই ব্যবস্থা রেখেছেন যে ওকে নেকি তো দেব দেবই সাথে সাথে পাপগুলোকে মাফ করে দিব যেমন আল্লাহ
সুবহানাহুতালা বলেছেন হাসানা আয়াতটা আপনাকে একটু আগেই বলেছি এজন্য আমাদের উচিত প্রত্যেকটা ভালো কাজের সাথে লেগে থাকা যদি একটা এক্সাম্পল দেই এইযে সালাতে এসেছেন নামাজের সাথে রিলেটেড যত কিছু আছে সবগুলোর মধ্যে নেকির সাথে ক্ষমার কথা রয়েছে আপনি ওজু করলেন কি আছে অযু করলে কি হয় প্রত্যেকটা অঙ্গের সাথে কি হয় পাপ মাফ হয়ে যায় ঝরে যায় ওযু করে যখন আপনি মসজিদের দিকে হেটে আসেন প্রত্যেক কদমে মর্যাদা উচু এবং পাপ মাফ হয় মসজিদে এসে বসে থাকবেন আরেকটা নামাজের জন্য যতক্ষণ বসে থাকবেন ততক্ষণ আপনার পাপ মাফ হওয়ার ঘোষণা করতে থাকবে ফেরেশতা আপনার উপরে দয়া করা হোক রহম করা হোক ক্ষমা করা হোক এগুলো বলতেই থাকে ফেরেশতা যতক্ষণ পর্যন্ত একজন ব্যক্তি নামাজে দাড়ায় এই নামাজ পড়লে তার পাপকে মাফ করে দেওয়া হয় ঘোষ যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটা হাদিস নেন সালাত যেই ব্যক্তি নামাজের উদ্দেশ্যে অযু করে এবং সে পূর্ণাঙ্গ রূপে যখন অযু করে সালাতমাবা তখন যে হেটে ফরজ সালাতের আদায় করার জন্য যখন মসজিদের দিকে সে হেটে আসেহা সে নামাজ পড়ে মনাস মানুষের সাথে আল জামা অথবা জামাতে অথবা মসজিদ সে যদি মসজিদে জামাতের সাথে হবে একাকিও যদি নামাজ পড়ে মসজিদে এসে গাফারল্লাহুলাহুবাহু আল্লাহ নামাজের মাধ্যমে তার পাপগুলোকে মাফ করে দেন।
এটা ইমাম মুসলিম কোড করেছেন যেটা আপনি তাহারাতের অধ্যায় ৩৪১ নাম্বার হাদিসে পেয়ে যাবেন। তার মানে নামাজের সাথে রিলেটেড যত কিছু আছে ওযু থেকে শুরু করে হেটে আসা পর্যন্ত এই মসজিদ সবগুলো হচ্ছে মাপের ঘোষণা রয়েছে। তার চাইতে আশ্চর্যের ব্যাপার কি জানেন? নামাজ তো অনেক বড় একটা ব্যাপার। দুই রাকাত সালাত অনেক বড় একটা ব্যাপার বরং সালাতের একটা বাক্য একটা মুখের শব্দের কারণে আল্লাহ বলেছেন তার অতীতের সমস্ত পাপকে মাফ করে দেয়া হয় সেটা কি জানেন শুধুমাত্র সূরা ফাতিহার পরে আমিন বলা এই আমিন একটা শব্দ যদি এটা কেউ বলে তার পাপকে মাফ করে দেওয়ার ঘোষণা রয়েছে এই মর্মে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটা হাদিস নিয়ে নেন ইমাম ইমাম যখন আমিন বলে তখন তোমরাও আমিন বল তার মানে আমাদের আমিনটা ইমামের আমিনের সাথে রিলেটেড এবং বুখারীতে আরেকটা শব্দ আছে ইমাম আলাইহিন আমিন।
তার মানে এমন স্বভাবের ইমামও থাকতে পারে যে ব্যক্তি হয়তো আমিন বলবে না। কিন্তু দলন ছাড়া সূরা ফাতিহা হবে। তাকে দলন দিয়ে শেষ করতেই হবে। তাহলে সেখানে সে তো কারচুপি করতে পারবে না। অন্তত সূরা ফাতিহাটা তো সে শেষ করবে। তাহলে ওই হাদিসের উপরে ভিত্তি করে আপনি আমল করতে পারবেন। যখনই তার দলন শেষ হয়ে যাবে আর কিছুক্ষণ পরেই আমিন বলার সময় সে না বলুক আপনি আমিন বলেন। আর ইমাম যদি বলে আলহামদুলিল্লাহ ইমামের আমিনের সাথে আমাদেরকে আমিন বলতে বলা হয়েছে। তারপরে বলা হয়েছে নাহু নিশ্চয়ই বিষয়টা হচ্ছে এমন মালাইকা যার আমিনটা ফেরেশতাদের আমিনের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে। তার অতীতের পাপকে মাফ করে দেওয়া।
এটা হাদিস কোথায় আছে? ইমাম বুখারী কোট করেছে। হাদিস বুখারী এবং মুসলিমে আছে। বুখারীতে হাদিসটি ৭৮০ এবং মুসলিমে ৮০১ নাম্বারে রয়েছে। আজকের টপিকের মধ্যে বহু কথা আছে। আমি এটা কেন নিয়ে আসলাম? এটা ছোট্ট একটা বাক্য। কারণ আমাদের সমাজের বিশৃঙ্খলার মধ্যে এই আমিন একটা উল্লেখযোগ্য বিষয়। যেটা নিয়ে আজকে দুই গ্রুপ মানে বিভক্ত হয়ে গেছে। বাংলার মুসলিম। যারা নিজেদেরকে মাযহাবী বলে তারা আমিন বলে না। আর যারা কোরআন সুন্নাহর অনুসারী নিজেদেরকে সালাফী বলা হয় তারা আমিন বলে। আর তারা বলতেছে এ হাদিস দিয়ে দলিল দেয় যে ফেরেশতারা আমিন কি আমরা শুনতে পাই? তার মানে আমিন আস্তে বলতে হবে। এই বিতর্ক বিতর্কিতে আপনার প্রথম মেসেজ হচ্ছে প্রথমটা গ্রহণ করেন।
জোরে বলবেন না আস্তে বলবেন? এটা দ্বিতীয় টপিক আমরা আলোচনা করব। কিন্তু আমিন বলতে হবে। এটা আপনি মেনে নিয়েছেন। এটা মেনে নিয়ে থাকলে আপনি আমিন বলেন। জোরে বলেন বা আস্তে বলেন এটা আপনার উপরে ছেড়ে দিলাম। আপনি আমিন বলেন কিনা তাহলে বলতে হবে এটা শিক্ষাটা নিয়ে নেন কিন্তু আপনাদের হুজুররা জীবনে কোনদিন বলছে আপনাদেরকে যে সূরা ফাতিহার পরে আমিন বলতে হয় তারা তো কোনদিন শিখায় নাই জোরে আর আস্তের ব্যাপারটা তো পরে আসবে তারা তো জীবনে কোনদিন বলেনি যে সূরা ফাতিহার পরে আমিন বলতে হয় এখন যখন আমরা কোরআন সুন্নাহ যারা পেয়েছে বা বুঝে তারা যখন জোরে আমিন বলা শুরু করেছে তারা তখন আর আমিনকে অস্বীকার করতে পারে না এখন দ্বন্দ কিসে জোরে না আসতে আমাদের মেসেজ থাকবে তাদের প্রতি আপনি জোরে বলেন বা আস্তে বলেন আপনি বলেন কারণ আপনি যদি আমিন বলেন তাহলে আপনার পাপকে মাফ করে দেয়া হবে আর জোরে কেন বলব আমরা যেহেতু জোরে বলাটা হচ্ছে সুন্নাহ এটার প্রমাণ আছে তাই ইমাম আমিন ইমাম যখন আমিন বলে ইমাম কখন আমিন বলবে যখন আমরা শুনতে যদি না পাই এজন্য তখন আমরা আমিন বলব এটা উচ্চস্বরে বলার পক্ষে আরো দলিল আছে সেদিকে আমি যেতে চাচ্ছি না তা আমি শুধু আপনাদেরকে বলতেছি অনিহা কেন যেখানে আল্লাহর কাছে ক্ষমার কথা আছে।
ক্ষমার প্রতিতো আল্লাহ আমাদেরকে দৌড় দিতে বলেছেন। আল্লাহ বলেছেন যেখানে আল্লাহর ক্ষমার কথা রয়েছে তুমি সেই দিকে দৌড় দাও। আর সূরা হাদিদে আছে তুমি আল্লাহর ক্ষমা যেখানে আছে সেটা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করো। কিন্তু আমাদেরকে এলেম দেওয়া হয়। কিন্তু এলমের উপর ভিত্তি করে আমরা আমল করি না। কেন? আমাদের লোকচক্ষুর ভয়, সমাজের ভয় এমনটা কেন? বরং আমরা বলব যেখানে জোরে বললে আপনার জন্য কঠিন হয়ে যায় আপনি সেখানে আস্তে বলেন কিন্তু বলতে হবে এটাই চূড়ান্ত এটাই সুন্নাহ এতে আপনার অতীতের সমস্ত পাপকে মাফ করে দেয়া হবে এটি ইমাম বুখারী এবং মুসলিম কোট করেছেন বুখারীতে আরেকটা শব্দন এটা আরো মজার কথা শুনেন আমিন তোমাদের কেউ যখন আমিন বলেন তুমি জেনে রাখো আকাশের ফেরেশতারাও তখন আমিন বলে এ জায়গাটা আশ্চর্যের একটা ব্যাপার কি জানেন? আমাদেরকে ওভাবে বোঝানো হয় নাই।
এই কথা বলা হয় নাই যে ফেরেশতারা আমিন যখন বলে তোমার আমিন যখন তার সাথে মিলে যায় তখন ক্ষমা করা হবে। বরং ফেরেশতাদের আমিন আপনার আমিনের পরে হয়। তোমাদেরকেও যখন আমিন বলে তুমি জেনে রাখো তোমার সাথে ওই সময় ফেরেশতারাও আমিন বলে। তার মানে ওই ফেরেশতার শব্দ আমরা শুনতে পাই পাই বা না পাই। কারণ আমাদের রাসূল আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছে এটাই আমাদের জন্য সবচাইতে বড় কথা। তার মানে আপনি একা আছেন কাউকে দেখতে পাচ্ছেন না। আপনাকে এই জ্ঞান নিয়ে আমিন বলতে হবে যে আমার আমিনের সাথে আকাশের ফেরেশতারা এখন আমিন বলবে এটা আমার নবী আমাকে জানিয়েছে। আমি শুনতে পাই বা না পাই।
তার মানে কি হবে? অতীতের পাপকে মাফ করে দেয়া হবে। এহদাহুমা একে অপরের আমিন যখন মিলে যায় গুফমাতাজম তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে তার অতীতের সমস্ত পাপকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। এটা ইমাম বুখারী কোট করেছেন। আমি যেটা বোঝাতে চেয়েছি মুখের একটা ছোট্ট বাক্য দিয়েও আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করার ঘোষণা করে দিয়েছেন। তাহলে যারা সালাত পড়ে যারা নামাজী তারা কতটা সৌভাগ্যবান তাদের দিন কাটে ক্ষমার সাথে। ওযুতে ক্ষমা হেটে আসলে ক্ষমা সালাত পড়লে ক্ষমা। এমনকি নামাজে আমিন বললেও তাকে ক্ষমা করা হয়। অথচ যারা বেনামাজি তাদের পাপ ক্ষমা পাওয়ার কোন মাধ্যম তারা গ্রহণ করতেছে না। এজন্য সালাত শুধু আপনি শুধু নেকির জন্য না বরং এটা ক্ষমার মাধ্যম।
উপায় হিসেবে আপনি সালাতকে আকড়ে ধরেন। এটা আমাদের নাজাতের একমাত্র পথ। উপরন্ত বলেছিলাম যে মুখের একটা বাক্য হচ্ছে আমিন। এটা একটা জিকির। এইভাবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা বেশ কিছু জিকিরের মাঝেও ক্ষমার ব্যবস্থা রেখেছেন। যেমন শুরুতে আমরা যে হাদিস পাঠ করেছি সেটা কি? রাসূল বলেছেন মান সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহ যেই ব্যক্তি দিনে রাতে সারাদিনে যদি ১০০ বার পুরা করে দেয় সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি আপনি যদি ১০০ বার পাঠ করেন জানেন কত মিনিট লাগবে মাত্র এক মিনিট বা দেড় মিনিট লাগবে ১০০ বার পুরা করতে আর যদি আপনি অতি ভদ্রতার সাথে আলা আদায় করেন তিন মিনিট লাগবে সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি লাগাতার পড়তে থাকেন সুবহানাল্লাহি ওবিহামদিহি দেখবেন তিন মিনিট লাগবে না আপনার ১০০ বার পুরা হয়ে যাবে অথচ কি বলা হয়েছে অতীতের সমস্ত পাপ মাফ করে দেয়া হবে।
রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন তার পাপগুলোকে মিটিয়ে ফেলা হবে। যদি সমুদ্রের ফেনারাসের মতন ভেসে আসা তার পাপের সংখ্যা হয় তারপরও তার পাপকে মাফ করে দেয়া হতো। তার মানে ক্ষমা পাওয়ার অনেক উপায় ছোট্ট একটা উপায় হচ্ছে জিকির। আর জিকিরের মধ্যে ছোট্ট একটা বাক্য। সুবহানাল্লাহি ওবিহামদিহ। এটা ইমাম বুখারী রাহমা্লাহ কোট করেছেন। ৫৯২৬ এবং মুসলিমে ৪৮৫৭ এবং তিরমিজিতে হাদিসটি ৩৩৮৮ তে রয়েছে। এরকম বহু আমল আছে যে আমলগুলো মূলত পাপকে মাফ করে। যেমন আল্লাহ সুবহানাহুতালা স্পষ্ট ঘোষণা করে দিয়েছেন। জিহাদ করলে বড় পাপ মাফ হয়ে যায়। মুজাহিদদেরকে আল্লাহ বড় পাপকে মাফ করে দিবে। হজ করলে পাপ মাফ হয়। উমরা করলে পাপ মাফ হয়।
সালাত তো বললামই। সালাতের আগা সবটাই হচ্ছে ক্ষমা। সিয়াম রাখলে পাপ মাফ হয়। মাফ হয়। এমনকি দান সদকা করলেও আমাদের পাপ মাফ হয়। আল্লাহ সুবহানাহুতালা কোরআনে এটা বলেছেন প্রকাশ্যে হোক গোপনে বা গোপনে দান করলে এটা বেশি আপনার ক্ষমার যোগ্য। আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন তোমরা যদি তোমাদের সাদাকাত গুলোকে প্রকাশ করে দাওয়া তাতেও তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে। এটা তোমাদের জন্য অনেক উপকার। আর যদি তোমরা সেটাকে গোপনে দাও বা গোপন করে রাখো। ফোকারা আর এটা যদি বিশেষ করে মিসকিনদেরকে দেখে দেখে দিতে পারো যাকে মানে যার সাথে কোন স্বার্থ আছে এমন না একবারে নিছক মিসকিন এবং গোপনে আল্লাহ বলেছেনটা তোমাদের জন্য বেশি উত্তম এবং আল্লাহ তোমাদের পাপগুলোকে মিটাতে থাকতেন এটা ইমাম এটা সূরা এটা সূরা বাকারাতে রয়েছে ২৭১ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন তার মানে আমিঝ তে চেয়েছি।
আমাদের মূল মেসেজটা হলো যেহেতু আমরা ঈমান এনেছি। এখন আমাদেরকে পাপের কাফফারা হিসেবে রাস্তা খুঁজতে বলা হয়েছে। আপনি রাস্তা হিসেবে সৎ কাজকে বেছে নেন। জীবনের প্রত্যেকটা এঙ্গেল থেকে যেকোন সৎ কাজ আমাদের পাপকে মিটানোর জন্য আল্লাহ সে ব্যবস্থা করে রেখেছেন। এটাই ছিল আজকে আমাদের বক্তব্যের মূল মেসেজ। যে আমরা যেন ইবাদত গুজার হই। আমরা যেন সৎকর্মশীল হই। সৎচিন্তা নিয়ে যেন বাঁচতে শিখি। কেন যেন বুঝে আসে না প্রত্যেকটা মসজিদে এখন খুতবা হচ্ছে আমাদের আজকের এই মসজিদে এখানে ৫০০ মানুষ কি হবে না দুই তিন চার তলায় মিলে ৫০০ মানুষ হবে না এইভাবে বাংলার জমিনের যতগুলো মসজিদের মধ্যে যারা সালাত পড়তে আসে সবাই যদি এখান থেকে ওয়াদা করে ফিরে যে আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের মুসলিম হিসেবে মুসলিম হিসেবে আমার দেশের কল্যাণের এবং মুসলিমের কল্যাণের জন্য আমি আজকের পর থেকে কোনদিন দুর্নীতি করবো না।
এটা যদি তওবা করে নেই আমরা কয়টা খুতবা লাগবে আমাদের বাংলাদেশের চেঞ্জ হইতে? যারা এখানে বড় লিডার টাইপের কেউ যদি থেকে থাকেন ডিফেন্সের কেউ যদি থেকে থাকেন যে আমি আমার সেক্টর থেকে আমি দুর্নীতি করবো না। ভূমি ও অধিদপ্তরে যারা চাকরি করেন যেগুলোতে প্রকাশ্য দেখানো হচ্ছে যে আমাদেরকে মানে মাঝে মাঝে কিছু বক্তব্য দেখলে আমাদের হাসি আসে। আর মনে হয় যে নিজের নিজের মানে নিজেই কপালে পিটায়। কেন? বলা হচ্ছে যে সরকারিভাবে ভূমি রেজিস্ট্রেশনে বলতেছে নামজারি করতে মাত্র ১১০০ টাকা লাগে আপনাকে আমি ১০০০০ টাকা দিব পার পিস শতাংশ প্রত্যেকটা দলিলে আপনাকে আমি আট থেকে ১০০ হাজার টাকা দিব আপনি আমাকে করে দেখান তো দিবেন আপনাকে মানে বলতেছে কি আর রাষ্ট্রের ব্যবস্থাটা কি মানে যেখানে যেখানে গেলে কাজ হবে সেখানে তারা যায় না শুধু আইন একটা পাশ করে দিয়ে দেখায় যে আমরা জনগণের জন্য কিছু করতেছি শাস্তির ব্যবস্থা না করলে কোনদিন বাংলার জমিন পরিবর্তন হবে না সৌদি আরব কি দেখেন
একটা দুর্নীক ধরা পড়লে হাইপার মার্কেটের মধ্যে যেখানে পানির পর্যন্ত এক্সচপিয়ার ডেট থাকে আর বাংলার জমিনে আপনাকে বিষ খাইয়ে ফেলতেছে ভ্রাহ্মমান আদালত দুর্নীতি ধরে তাকে কি করা হয় ১০০ হাজার টাকা জরিবানা আরে ব্যাটা ও ১০ বছরে এক কোটি টাকা কামিয়েছেও ১০ লাখ টাকা দিয়ে দিল ওর কি ক্ষতি ওর প্রথম মত ওর কবজাটাকে নিয়ে নিতে হইতো যেই ব্যক্তি মানুষকে বিষ খাওয়ায় কসমেটিক্স এর মধ্যে ঝামেলা খাদ্যের মধ্যে ঝামেলা একটা বাচ্চাদের খাদ্যের কেমিক্যাল ওর প্রথম ধরে ওর প্রথমে কয়েকটা আঙ্গুল কেটে নিতে হইতো। তারপরে ধরার পর কবজাটাকে নিয়ে নিতে হইতো। দেখেন না বাংলাদেশ সোজা হইতে মাত্র একটা বছর লাগবে না।
যেখানে ফ্যাক্টরি রয়েছে জাল টাকা ছাপানোর তারা ধরল তাকে জরিমানা করল ১০ লাখ টাকা। সুবহানাল্লাহ। ওরতো কল্লা নিয়ে নেওয়া উচিত ছিল। যেখানে হাজারো মানুষের জীবনকেও শেষ করে দিচ্ছে। একজন এরকম ঘটনা দেখেননি। একজন গরু বিক্রেতার ৭০ বা ৮০ লাখ টাকা বা এক লাখ টাকা পুরা টাকাটাই জাল। সে নিঃশ্ব হয়ে গেছে। তাহলে যেই ব্যক্তি মানুষকে নিশ্চয় করে দেওয়ার কল্লা উড়াতে ইসলাম তো বলছে আপনাকে। ওর হাতটা পুরা এ পরতো নিয়ে নেন না। বাকি ১০ জন সোজা হয়ে যাবে। কিন্তু তারা জরিমানা করে মাত্র ১০ লাখ টাকার। ও তো শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে এ দুর্নীতি করে। তো যার ফলে আমরা সেই দুর্নীতিগুলো এখন আর তুলে ধরতে আমাদের লজ্জা লাগে।
কারণ আমরা বললে আমরা কালার হব। মানুষের কাছে বদনামী হব। কিন্তু প্রশাসন এই ব্যাপারে নিশ্চুপ। তো আল্লাহ সুবহানাহুও তাআালার কাছে তওবা করলে কি লাগে? প্রত্যেকটা খুতবা থেকে যদি এক একটা বিষয় মানুষ সোজা হয়ে যায় তাহলে বাংলার জমিনের মধ্যে মুসলিমরা শান্তির সাথে বসবাস করতে পারবে। কিন্তু আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গায় আমরা খুগের দিয়ে বসে আছি। ওয়াজ শুনবো, খুতবা শুনবো কিন্তু আমার মধ্যে সততা আসবে না। এটা তো হওয়ার কথা না। অবশ্যই আমাদেরকে তওবা করতে হবে। তা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আমাদেরকে বহু পথ রেখেছেন যে আমরা যেন তওবা করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসি এবং ক্ষমার রাস্তা ধরি। কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা অসংখ্য বিষয় আমাদেরকে তালকিন করেছেন।
তো যেকোন আমলের মাঝে সৎ ইচ্ছার মাঝে আপনার আমার পাপ মাফ হওয়ার ব্যাপার রয়েছে। এই একটা আয়াত হয়তো আমি খুতবা দিয়ে শেষ করে দিতাম। তার মধ্যে এই কথাটা এখন মনে করে দিই। আপনি কি জানেন কোন একজন ব্যক্তি পাপ করে ফেলেছে সেটা পাপ মাফ হওয়ার একটা ব্যাপার। কিন্তু কোন ব্যক্তি যদি সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বড় পাপ থেকে বেঁচে থাকে সে সে বড় পাপ করলো না আল্লাহর পক্ষ থেকে তার দ্বারা প্রতিনিয়ত কত হাজার লক্ষ পাপ হয় আল্লাহ বলছে আমি সব মাফ করে দিব এটা একটা শর্ত আল্লাহ বলছে তুমি আমার সাথে একটা শর্ত কর যে তুমি বড় পাপে জড়াইবা না তুমি সুদ খাইবা না ঘুষ খাইবা না মিথ্যা বলবা না জালিয়াতি করবা না মদ খাইবা না জেনা করবা না চুরি করবা না এ বড় বড় পাপগুলো থেকে তুমি বাঁচায়া দেখাও তোমার দ্বারা ছোট কত শত হাজার পাপ হবে আল্লাহ বলেছেন আমি শুধু তোমাকে ক্ষমাই করব না বরং আমি তোমাকে সম্মানিত করে জান্নাতে প্রবেশ করাব।
এটা আল্লাহ সূরা নিসাতে বলেছে। এজন্য আমাদেরকে বড় পাপগুলো ঠেকাইতে হবে। বড় পাপ থেকে তওবা করে ফিরে আসতে হবে। বড় পাপ থেকে আমাদেরকে বাঁচতে হবে। এটা ছিল আমাদের খুতবার মূল বিষয়। আল্লাহ যেন আমাদেরকে বোঝার এবং সে অনুযায় আমল করার তৌফিক দান করে। আসুন এই যে পুরা বক্তব্যটা আজকে এখন যে পয়েন্টটা বলব এটা যদি আপনি অন্তর থেকে নিতে পারেন বা যেভাবে আমি বুঝতে পেরেছি যদি আমি আপনাকে বুঝাইতে সক্ষম হই আমি মনে করি আজকের খুতবা আমার জন্য সার্থক হবে সেটা কি জানেন এইযে কেন আপনাদেরকে বলতেছি যে ক্ষমা কিসে আছে এটা নিয়ে চিন্তা করেন কিন্তু যত চিন্তা আমরা দুনিয়ার রিজিক নিয়ে করি সন্তানদেরকে নিয়ে করি সংসার টিকানোর জন্য করি বাড়ি ঘরকে সেভ করার জন্য করি চাকরি বাঁচানোর জন্য যত চিন্তা করি মানুষ যদি তার ক্ষমার নিয়ে তার কিছুটা চিন্তা করতো তাহলে আমার মনে হয় না যে আমরা এভাবে উৎফুল্যের সাথে বেঁচে থাকতে পারতাম।
আজকে আমাদের প্রেসার হাই হয়ে যায়। কেন? টাকা পয়সার চিন্তায়। কালকে কি করব সেটার চিন্তায়। আজ পর্যন্ত জীবনে শুনছেন বর্তমানে কোন টপিক আলোচনা হয়েছে যে একজন ব্যক্তি কবর নিয়ে চিন্তা করতে করতে তার হাই প্রেসার হয়ে গেছে। জীবনে কোনদিন শুনেছেন পরকালকে চিন্তা করতে করতে কোন বিষয়ের প্রেসার হাই হয়ে গেছে। কিন্তু যতজনের প্রেসার হাই হয়। কেন হয়? তার সন্তানদের কি হবে? মেয়ের কি হবে? আমার ব্যবসা বাণিজ্যের কি হবে? আমার জমির কি হবে? বিজনেসের কি হবে? এটার জন্য আমাদের প্রেসার হাই হয়ে যায়। এগুলো চিন্তা করে অথচ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা যেই জিনিসটাকে আমাদের জন্য সবচাইতে ভীতিকর করেছেন সেটা হচ্ছে কবরের আজাব।
সেটা হচ্ছে হাশরের ময়দান। সেটা হচ্ছে জাহান্নাম। কিন্তু এই ব্যাপারে আমাদের কারো কোন মাথা ব্যথা নাই। এজন্য আজকের খুতবার মূল বিষয়টা যদি আমি আপনার অন্তরে পৌঁছাইতে পারি সেটা কি? যে দেখেন আপনি ক্ষমার দিকটাকে গুরুত্ব দেন। কিসে ক্ষমা আছে সেটা ছোট হোক বা বড় হোক এটা আপনার আমার দ্বারা সম্ভব। তাই আসেন না করে ফেলি। অযু করা কি সম্ভব না? আপনি ঘুম থেকে উঠেছেন সকালবেলা মুখ ধুয়েছেন তখন অযু করে নেন। নাস্তা করার আগে দুই রাকাত সালাত পড়াটা অত্যন্ত সহজ কিনা? পড়ে নেন। এই সুযোগটা আপনার জীবনে আরেকদিন নাও আসতে পারে। তাহলে যার যখন যেটা সময় আসতেছে তখন সেটা করার মাধ্যমে তার ক্ষমার রাস্তাটাকে সহজ করে নেওয়া উচিত।
এটা বুঝাতে গিয়ে বলেছিলাম একটা উদাহরণ আমি আপনার কাছে পেশ করি। আমরা কেন আবু বকর ওমর উসমান রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা আনহুম আজমাইনদের মত হইলাম না আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তালা জীবনের একটা ঘটনা আপনি জানেন যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহার চরিত্রের ব্যাপারে মুনাফেকরা অপবাদ দিয়েছিল নাউজুবিল্লাহ তার মধ্যে একজন মুজাহিদ মুজাহির মুহাজির সাহাবীও ছিল মিসতা মুনাফেকদের সাথে সম্মতি দিয়েছে হ্যাঁ যে এটা হইতে পারে তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু তিনি কসম করে বলেছিলেন যে আজকের পর থেকে আমি মিসতাকে এক ঢুকব পানিও দেবো না। কারণ মিস্তা তার খালাত ভাই ছিল এবং অত্যন্ত দরিদ্র ছিল। ছোট থেকেই আবু বকর তাকে বরণপোষণ দিয়ে লালিতপালিত করতো।
কিন্তু এই মিসতা পর্যন্ত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহার অপবাদকারীদের সাথে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল কোন এক কারণে। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু কসম করেছে যে যেই অপবাদের সাথে জড়িত আমি ওকে একুক পানিও দেব না। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা। যেহেতু সে একজন সাহাবী যে তার একটা বড় ধরনের মিস্টেক হয়ে গেছে। আর সে মুনাফিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। আর সে মহাজিরও ছিল। আবার আবু বকর রাদিয়াল্লাহু রক্তের সাথে সম্পর্কযুক্ত। তখন আল্লাহ সুবহানাতালা আয়াতটাকে এইভাবে নাযিল করেছে যেটা আপনি সূরা নূর ২৪ নাম্বার সূরার ২২ নাম্বারে পেয়ে যাবেন। আল্লাহ বলেছেন যেই ব্যক্তি সম্মানিত যার কাছে অঢেল সম্পত্তি আছে এমন কোন ব্যক্তি যেন এই ব্যাপারে কসম না খায় যেবা যে সে তার নিকট আত্মীয়কে দেখাশোনা করবে না।
একঢোক পানিও দেবে না। মাসাকিন মিসকিনদের কেউ দিবে না যাতে মিসকিন হয়তো তার সাথে গাদ্দারি করেছে বা কোন কিছু মহাজিরনা সাবিলিল্লাহ আর যারা আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করেছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে কোন দ্বন্দের কারণে এটা উচিত না যে সে কথা বলবে যে আমি আল্লাহর কসম করে বলতেছি তাকে আমি কোন উপকারই করবো না আল্লাহ বলছেন না সামর্থ্যবানদের এমন কসম খাওয়া উচিত না এটা বলার পরে আল্লাহ তার মর্যাদা তুলে ধরতে বলতেছেন আল্লাহ বলেছেন সাবিলিল্লাহ ওয়ালিয়াফু ওসফাহুয়াসফাহু আল্লাহ বলেছেন তার উচিত তাদেরকে ক্ষমা করা এবং ইগনোর করা যে আমি তাকে উপকার করেই যাব সে আমার সাথে যা করেছে এগুলাকে আমি গড়ায় ধরি না ওর জবাব আল্লাহ দিবে সে উপেক্ষা করুক আল্লাহ বলেছেন সে ক্ষমা করুক এবং উপেক্ষা করুক কেন আল্লাহ বলতেছেন আলাল্লাহুলা তোমরা কি এটা পছন্দ করো না যে আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করে দিক বুঝেন কথা মানে আল্লাহ আপনাকে আমাকে বলতেছে তোমরা যারা সামর্থ্যবান তুমি মানুষকে ক্ষমা করে চলো তোমার সাথে
যারা গাদ্দারি করেছে তাদেরকে উপেক্ষা করে চলো তুমি প্রতিশোধ নিও না তোমার আচরণ যেটা সেটা করে যাও তুমি কি পছন্দ করো না যে আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করে দেক এই আয়াত যখন নাযিল হয়েছে আর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর কানে গেছে তখন তিনি বলছে ওয়াল্লাহি আমি আল্লাহর কসম করে বলতেছি যেভাবে আমি মিসতাকে দিয়ে যেতাম আমি এইভাবেই কেয়ামত পর্যন্ত দিয়ে যাব কারণ আমি পছন্দ করে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করে দিক তার মানে আমি বোঝাতে চেয়েছি যেখানেই ক্ষমা সেখানে আবু বকর সেখানে ওমর ওসমান আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু আজমাইন সাহাবায়ে কেরাম শুধু তারা তলব করতো যে কিসে ক্ষমা আছে কোন কাজটা করতে পারলে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করে দিবে তারা সেগুলোর জন্য প্রতিযোগিতা করতো তাহলে আমি আর আপনাকেও তেমন ব্যক্তি হইতে হবে এইজন্য আজকের এই খুতবাটাকে আপনি হালকাভাবে নিয়েন না আজকে আমাদের এই ওযু গোসল এই টাার উপরে প্যান্ট সুবহানাল্লাহ বলা এই মসজিদে এসে দুই রাকাত সালাত পড়া একটু বসে থাকা এটাকে আমরা একদম হালকাভাবে নিয়েছি এটা আমাদের অজ্ঞদের এবং মুরুব্বীদের আমল হিসেবে নিয়েছি।
বরং জেনে রাখেন এই প্রত্যেকটা ভালো কাজ আপনাকে আমাকে ক্ষমা এনে দেবে। এটা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা সেই ব্যবস্থা রেখেছেন। আমাদেরকে সেটা গ্রহণ করতে হবে। এখানে যে পয়েন্টটা আমরা জানলাম একটা ক্ষমার মাধ্যম হলো অন্যকে ক্ষমা করে দেওয়া। কেউ যদি অন্যকে ক্ষমা করে দেয় তার মানে বোঝা যাচ্ছে আল্লাহ তাকেও ক্ষমা করে দিবেন। এই সেন্সে শুধু আপনি অন্যকে ক্ষমা করবেন যে আমি চাই আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করে দিবে। এজন্য আমাদের সন্তানদের স্ত্রীদের অনেক ভুলকে আল্লাহ বলেছেন এদেরকে উপেক্ষা করো এদেরকে ক্ষমা করো সব কথার উপরে ধরে নিও না তাহলে কি হবে সংসার নষ্ট হয়ে যাবে বরং আল্লাহ বলেছেন তুমি কি চাও না আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুক অন্যকে ক্ষমা করার মাঝে যে ক্ষমা আছে এই ঘটনাটা এবং আরেকটা আয়াত নিয়ে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলতেছেন তোমাদের কতক স্ত্রী এবং কতক সন্তান তোমাদের শত্রু কতক স্ত্রীদের কথা বলা হয়েছে তার মানে একাধিক স্ত্রী কোন ব্যক্তির থাকতে পারে যার স্ত্রীদের মধ্যে কেউ না কেউ তার শত্রু
হয়তো তাকে কষ্ট দেয় আঘাত করে তার বেশি খরচ করায় বা তার অপবাদ গীবত করে সন্তানদের মধ্য থেকে কোনটা বক্র হয়ে যেতে পারে তার মানহানির ঘটনা ঘটাইতে পারে আল্লাহ বলছেন তোমাদের সন্তানদের মধ্য থেকে তোমাদের স্ত্রীদের মধ্য থেকে কতক ব্যক্তি তোমাদের শত্রুহু তবে তাদেরকে উপেক্ষা করে চলো তাদেরকে দূর করতে বলা হয় নাই বলছে তাদেরকে উপেক্ষা করে চল তোমার সাথে যে খারাপ আচরণগুলো করা তুমি শুধরাইতে পারতেছো না ধৈর্য ধারণ করো ক্ষান্ত হও শান্ত হও আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলছেন যদি তুমি তাদেরকে ক্ষমা করতে পারো ধৈর্য ধারণ করতে পারো তাকে উপেক্ষা করে চলতে পারো তুমি জেনে রাখনাল্লাহা গফুর রাহিম আল্লাহও কিন্তু ক্ষমাশীল তার মানে আমি আর আপনি কর্তা তাদের সব ভুলগুলোকে কঠিনভাবে না নিয়ে যদি আমরা তাদেরকে ক্ষমা করতে শিখি তা আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা আমাদেরকে বলেছেন যে তিনি আমাদেরকেও ক্ষমা ক্ষমা করে দিবেন।
কিন্তু এই ক্ষমা কোনটা? ফরজ সালাত আদায় করে না। আপনার স্ত্রীকে ক্ষমা করবেন। বেপর্দা হয়ে রাস্তায় যাবে। আল্লাহ বলছে আপনাকে ক্ষমা করে দিতে। এটা এটা বোঝানো হয়েছে। সন্তান নামাজ পড়ে না নেশাখোর। এটা বোঝানো হয়েছে। এটা শরীয়তের হালাল হারামের কোন ব্যাপার এটা চলবে না। এটা হচ্ছে যে আপনার অসংখ্য করার পরেও আপনার কৃতজ্ঞতারা হয় না। অনেক সন্তান অনেক স্ত্রীরা আছে বাবাকে বলে আপনি আমার জন্য কি করছেন? যদি একাধিক স্ত্রী থাকে বলবে যে আপনার ওই ঘরের সন্তানের জন্য সব করছেন আমাদের জন্য কি করলেন এটা বলতে পারে আপনি এটা উপেক্ষা করেন ধৈর্য ধারণ করেন এই ধরনের বিষয়গুলো কিন্তু আজকে অধিকাংশ মুসলিমরা সন্তান বেনামাজি হয়ে শুয়ে থাকে ফজরের সালাতে অথচ বাবা কিছুই বলে না আপনাকে কিন্তু আল্লাহ ছাড়বে না নিজের ঘরের মেয়ে স্ত্রীরা বেপর্দা হয়ে রাস্তা কাটবে ঘুরবে আর আপনি পুরুষ আর আল্লাহ আপনাকে ছেড়ে দিবে এটা আপনি কখনোই ভাইবেন না আল্লাহর শরীয়তের ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন হয় এই ক্ষেত্রে কোন ছাড় আল্লাহ দিতে বলেনি বরং আল্লাহ জায়েজ ক্ষেত্রে বা যেখানে আপনার কদর করা হচ্ছে না সেইসব ক্ষেত্রে আপনাকে সহনশীল পর্যায়ে নিতে বলা হয়েছে।
তাহলে আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দিবে। তাহলে এগুলো বোঝা যাচ্ছে যে আমরা যদি একে অপরের জন্য ক্ষমা চাই এটাও আমার আপনার ক্ষমার একটা সবাব। আপনি কি জানেন যে অন্যের জন্য ক্ষমা চাইলে আমরা এইযে আমরা যারা মুসলিম আছি এজন্য আমরা বলে যাই আজকের খুতবায় যারা আমাকে চিনেন যদি কোনদিন শুনতে পান যখন আমরা মরে যাব যার পক্ষে সম্ভব জানাজাতে আপনারা উপস্থিত হবেন কারণ আমাদেরকে জানানো হয়েছে আপনাদের মত তৌহীদবাদী ৪০ জন ব্যক্তি যদি আমার মতন পাপীর জানাজাতে উপস্থিত হন আল্লাহ আপনাদের কারণে আমাকে আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন এটা প্রত্যেকটা মুমিনের একটা আকাঙ্ক্ষা থাকতে হবে যে আমার জানাজার মধ্যে আমার মুসলিম ভাইয়েরা উপস্থিত হোক যাদের উপস্থিতিতে আমার ক্ষমার মাধ্যম রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন মুসলিম যে কোন মুসলিম ব্যক্তি মারা যায় তার জানাজাতে যদি এমন ৪০ জন ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে যায় যেই পুরুষগুলা আল্লাহর সাথে কোনদিন শিরিক করে নাই এমন ৪০ জনের যদি উপস্থিতি কোন ব্যক্তির জানাজাতে হয়ে যায় আর তখন তারা কি বলে আল্লাহুফলাহ দয়াগুললা যে করা হয় আল্লাহ সুবহানাতালা বলতেছেন ইল্লা্লাহু তাহলে অবশ্যই আল্লাহ এদের সুপারিশকে গ্রহণ করবেন এটা ইমাম মুসলিম কোট করেছেন।
তার মানে আমরা আমাদের মুসলিম ভাইদের জন্য ক্ষমা তলব করতে হবে। একের অপরের ক্ষমা চাওয়া এটা আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা কবুল করে থাকেন। এটা হচ্ছে আমাদের ক্ষমার মাধ্যম। এজন্য মুসলিমদের সাথে সম্পর্ককে ভালো করতে হবে। যাতে ও আমার জানাজাতে উপস্থিত হয়। এমন না হয় যে ওতো গাদ্দার ছিল আমার সাথে গাদ্দারি করেছে। ওর জানাজা আমি কেন যাবো? এমন যেন না হয়। এজন্য আমাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার ক্ষমার দিকটাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।
আর পঞ্চম যে পয়েন্ট ষষ্ঠ যে পয়েন্টটা রয়ে গেল এটা আমরা দ্বিতীয় খুতবায় বলি আকুলসফুল্লাহ মুসলিফ [গলা পরিষ্কার করা] আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন ওসসালাতুওসসালামু আলা আশরাফিল আম্বিয়াও মুরসালিন নাবিনা মুহাম্মাদিন ওয়ালা আলিহ ওহবিহ এই পয়েন্ট যেটা টা উল্লেখ করবে এটা আমাদের সবার জীবনের সাথে রিলেটেড যারা হয়তো কোন না কোন কারণে পেরেশানিতে আছেন যারা হয়তো অন্যের মাধ্যমে কষ্টর আঘাত পেয়েছেন যার অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেছে যাদের হয়তো সংসারে অশান্তি আছে সন্তান নিয়ে আপনি সন্তুষ্ট না নিজের ব্যক্তিজীবনের বহু কিছু নিয়ে আপনি যারা সন্তুষ্ট না বা বিপদগামী রাস্তাঘাটে আপনার বহু কষ্ট দুর্দশা আপনাকে সইতে হচ্ছে এই বাংলাদেশের রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমরা বহু লাঞ্ছনার মধ্যে আছি বিভিন্নভাবে আমরা কষ্ট পাচ্ছি এই মুসলিমদের এই দুঃখ কষ্ট এটার একটা মান আছে আপনার আমার করণীয় কি ধরেন আমরা সবাই আপন আপন জায়গায় ব্যথিত কি করণীয় আমাদের হায় হুতাস করবেন না হায় হুতাস না মুসলিমদের ধৈর্য এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা ক্ষমা পাওয়ার অনেক বড় একটা উপায়
কোন ব্যক্তির যে কোন দুঃখ কষ্ট সে যদি মুসলিম হয় এটা তাকে তার পাপ মাফ হয়ে যাওয়ার অনেক বড় একটা সবাব এজন্য আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে আমরা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা সম্পর্কে একটাও বাজে মন্তব্য কেউ করতে পারবেন না আপনাকে ইচ্ছা হলে আল্লাহ সন্তান দেবে না দিবে না আপনার রিজিক ঘাটতি থাকতে পারে আমাকে আল্লাহ যেভাবে খুশি রাখতে পারে কিন্তু আমাকে আপনাকে আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট হতেই হবে এবং সর্বদা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে আমাদেরকে অন্তর থেকে বলতে হবে ইসলাম মুহাম্মাদন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলহামদুলিল্লাহি আলা সরব অবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা এবং ধৈর্য ধারণ করার চেষ্টা করতে হবে তাতে কি হবে আপনাকে এই গুণটাকে কাজে লাগাইতে হবে যে আমার রব বলেছে আমার কষ্ট যত বেশি আমার মর্যাদাও তত বেশি আমার পাপও তত বেশি মাফ হবে এই সম্পর্কে স্পষ্ট একটা হাদিস রয়েছে আ মুসা বিন সদসল্লাহ পৃথিবীতে কোন মানুষের সবচাইতে বড় পরীক্ষিত হয়ে থাকে কার বালা মুসিবত সবচেয়ে বেশি হয়ে
থাকে আম্বিয়া নবীদের বালা মুসিবত সবচাইতে বেশি তারাই পৃথিবীতে বেশি যন্ত্রণা সহ্য করেছে তাদের উপর বেশি অটাক করা হয়েছে তাদের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে আল আম্বিয়া বলমমাসাল তার মর্যাদার পরে যাদের মর্যাদা তাদেরকে আল্লাহ ঠিক সেইভাবে কষ্ট দিয়েছে এবং তাদেরকে দুনিয়াতে অনেক বেশি পরীক্ষা তাদেরকে করা হয়েছে তারপরে বলা হয়েছে তারপরে আল্লাহ তোমাদের মধ্য থেকে যার দ্বীনের মাত্রা যেমন তাকে আল্লাহ ওইভাবে পরীক্ষা করবে যেই ব্যক্তি তার দ্বীনটাকে শক্ত করে ধারণ করবে যে আমি হালাল খাবো হারাম খাব তাহলে আল্লাহর পথে চলতে গেলে সে ওই রকমের কষ্ট ফিল করবে যেটা একটা হারামখোর কোনদিন ফিল করবে না। যেই ব্যক্তি সব অনুষ্ঠানে ফিট।
যেই ব্যক্তি সব রকমের মঞ্চে উপস্থিত হতে পারে। ওর কাছে দ্বীন পালন করতে কোন কঠিন কিছু হবে না। যেই ব্যক্তি দাড়ি ফেলে দিতে পারে। যেই ব্যক্তি সুদ খেতে পারে। যে কোন চাকরি সে করতে পারে। কোনভাবে টাকা আর্ন হলেই হলো সে সব রাস্তাকে নিজের জন্য হালাল করে নিয়েছে। এই ব্যক্তির মতন মুসলিম হইতে কোন দ্বিধা নাই। কারণ সে মানে সব অবস্থায় ভালো আছে। আর যেই ব্যক্তি তার দ্বীনকে শক্তভাবে ধারণ করবে সে হালাল হারাম মেনে চলবে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার পরীক্ষাটাকে আরো কঠিন করে দেয়া হবে। সে পদে পদে পরীক্ষিত হবে। তারপরে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলতেছেন আর যেই ব্যক্তি দীনটাকে হালকাভাবে নেবে তার কাছে অনেক কিছু সহজ মনে হবে।
সে চাইলে এটা খেয়ে ফেলতে পারে। চাইলে এটা করে ফেলতে পারে। এটা তার কাছে কোন কিছু না। আজকে মিডিয়াতে প্রায় সময় দেখা যায় বেশ কিছু নেতা বয়স্ক লোক পয়সাওয়ালারা যখন তখন জেনা করে ফেলতেছে যখন তখন যে কোন মানুষের সাথে তাদেরকে দেখা যাচ্ছে অথচ আল্লাহ তাকে অপশন দিয়েছে তোমার সামর্থ্য ভালো তুমি বিয়ে করো। কিন্তু জানিনা কেন আমাদের এই পুরুষগুলা যাদের সামর্থ্য ভালো টাকা পয়সা আছে তারা একাধিক কেন বিয়ে করে না? যেখানে তার চাহিদা আছে এবং আল্লাহও তাকে অনুমতি দিয়ে রেখেছে। কিন্তু সেটাকে সে কঠিন মনে করে জেনার রাস্তাটাকে সহজ করে নিয়েছে। অথচ তাকে কঠিন শাস্তি পেতে হল।
সে তো একত লাঞ্ছিত হয় জেনায় ধরা পড়লে আর আল্লাহর কাছে তো কঠিন শাস্তি তার অপেক্ষা করতেছে অথচ সে বিয়ে করলে তার সম্মানজনক এটা তার পরিস্থিতি তৈরি হতো কিন্তু সেই পথ সে নিচ্ছে না তো সবগুলোকে যদি কোন ব্যক্তি হালাল করে নেয় হালকাভাবে নেয় তাহলে তাকে আল্লাহ সুবহানাহুতাালার পক্ষ থেকে পরীক্ষা করা ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে তার মত করে ছেড়ে দেয় কিন্তু যে ব্যক্তি দীন পালন করার উপরে কঠিন পরিস্থিতির শিকার হয় শোনেন আল্লাহ তার সাথে কেন এমনটা করে যদি কোন সৎ ব্যক্তির সাথে কঠিন হয়ে যায় পথ চলা সে দিনের পরে দিন একটার পর একটা কঠিন পরিস্থিতির ট্যাকেল দিয়ে তাকে চলতে হয় আল্লাহ তার জন্য এইজন্য করে আল্লাহ চায় তাকে আল্লাহ এমনভাবে জমিনে ছেড়ে দেয় সে জমিনে চলাফেরা করে আলাইহ এই ব্যক্তির আমলনামায় একটা পাপও বাকি থাকে না তারমানে আজকে যারা কঠিন পরিস্থিতির উপরে দিয়ে হালালের উপরে টিকে দিন পালন করেযা যাচ্ আপনার যত ব্যথা দুঃখ কষ্ট অভাব আল্লাহ
বলেছেন এর বিনিময়ে পাপগুলো সব মাফ হতে হতে একটা পর্যায়ে এমন হয়ে যায় সে চলাফেরা করে নিষ্পাপ হয়ে কারণ সে মরবে নিষ্পাপ হয়ে আল্লাহর কাছে সে একজন মাসুম হিসেবে সাক্ষী গিয়ে উপস্থিত হবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা আমাদেরকে সেই মানের করার তৌফিক দান করুন আমিন আমরা যেন পাপ মুক্ত হয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করতে পারি আল্লাহ তুমি কবুল করো এ হাদিসটা ইমাম তিরমিজ এবং ইবনে মাজা কোট করেছেন। হাদিসের মান হচ্ছে হাসান গ্রহণযোগ্য হাদিসের পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে তখন আমি বলব দুঃখ বেদনা দুঃখ কষ্ট হাততাশকা বলা হয়েছে ফামাফাকা কাটা লাগার চেয়েও হালকা কোন আঘাত যদি কোন মুমিনের লাগে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা এর বিনিময়ে আল্লাহ এর বিনিময়ে তার পাপকে মাফ করে দেন।
এজন্য এই সংবাদ যখন আপনি শুনলেন এখন উচিত প্রত্যেকটা মুসলিমের যার যেই অবস্থা আছে সেই অবস্থার উপর ধৈর্য ধারণ করে থাকা। আল্লাহর কাছে এই অবস্থা থেকে পরিবর্তনের দোয়া করতে হবে। আপনি বলবেন আল্লাহুম্মাফি হালা অথবা আপনি বলবেন যে আল্লাহ মস আল্লাহ তুমি আমার এই মুসিবতে আমাকে নেকি দাও এবং এর চাইতে উত্তম জীবন তুমি আমাকে দান করো। এই ধৈর্য ধারণ সম্পর্কে বহু আগে একটা বক্তব্য করেছিলাম। তাকে বলেছিলাম যে কোন ব্যক্তি যেন এই দোয়া না করে যে আল্লাহ তুমি আমাকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করো। সেটা একটা হাদিসের ভিত্তিতে বলেছিলাম। কিন্তু শেখ আখতারুল আমান মাদানী কিছুদিন আগে আমাকে ফোন করে বলেছে যে মাহমুদ এ হাদিসটা দুর্বল।
তার মানে এই হাদিসের ভিত্তিতে বলেছিলাম কেউ যেন আল্লাহর কাছ থেকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক কামনা না করে। কিন্তু আমার কথার বক্তব্যের সাথে একটা মেসেজ আমি আপনাকে দিয়ে দিই। আরেকজন শেখ আমাদের ওস্তাদ। তিনি বলেছেন যে না জেনে কথা বলেছে। অথচ কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা বলেছেন যে তোমরা ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক কামনা করো। যেমন জালুত তালুত এবং জালুতের ঘটনায় রয়েছে ২৪০ এর পরে গেলে আপনি ৪৫ থেকে ৫০ এর মধ্যে আয়াতটা পেয়ে যাবেন যেখানে বলেছে লাম্মালজাত [গলা পরিষ্কার করা] যখন জাত যখন জালুদ এবং তার সৈন্যদের সাথে দাউদ আলাইহিস সালাম এবং তালুদ যুদ্ধে জড়ালেন সেই ময়দানের পরিস্থিতি এমন ছিল তারা খুব কম আর তারা সংখ্যায় অনেক বেশি তখন তারা বলেছিল রাব্বানা আফ আলাইনা সফ আল্লাহ তুমি আমাদের উপরে ধৈর্যের মানে বর্ষা ঢেলে দাও মানে একবারে বন্যা বয়ে দাও ধৈর্যের মানে আমরা যেন এতটা ধৈর্য ধারণ করতে পারি এই দুই বক্তব্যের মূল মেসেজ কি আপনাকে আমি বলি যদিও হাদিসটা দুর্বল হয়ে থাকে যদি আমাদের আরেক তার তাফসীরে উল্লেখ করেছেন হাসান হিসেবে এইজন্য আমি বলেছিলাম মূল মূল মেসেজ হলো আপনি কখনো আল্লাহর কাছে বলবেন না যে আল্লাহ তুমি আমাকে ধৈর্য ধারণকারী হিসেবে পাইবা।
তার মানে বিপদ আপনি চেয়ে নিচ্ছেন। তা আমি ধৈর্য ধারণ করবো না। এমন না। যদি বিপদে পতিত হন তখন বলা হয়েছে যে আপনি ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক কামনা করবেন। কারণ যুদ্ধ লেগে গেছে। তখন তিনি বলেছিলেন যে আল্লাহ আমাকে এখন পিছপা যেন আমরা না হই। আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করেন। তার মানে বিপদে পতিত হলে আপনি ধৈর্য ধারণ করার তলব করবেন। কিন্তু বিপদ এখনো আসেনি। তার আগে থেকে আপনি ধৈর্য ধারণ করার তলব করবেন না এটা পছন্দনীয় না এটা হচ্ছে মূল বক্তব্যের সার সংক্ষেপ আল্লাহ আমাদের ভুলগুলোকে ক্ষমা করুন এবং কোন ভুল হলে সেটা আমরা শুধরাতে আমাদের দ্বিধা লাগে না কিন্তু যদিও কিছু মানুষ আছে এগুলো নিয়ে পড়ে থাকে খুচিয়ে শুধু ওগুলা ভেল করে বের করে যে আমাদের বক্তব্যে কোন শব্দটা ভুল হয়েছে কিছু মানুষই আছে আমি সিলেটের বক্তব্য করা ছেড়ে দিয়েছি এজন্য কিছু মানুষ আছে যারা মাদ্রাসায় পড়ুয়া তারা আমার ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড ফলো করে আপনারা সবাই
জানেন যে আমি তো আরবিতে এক্সপার্ট আমার আরবি পড়তে অনেক কষ্ট হয় ভুল হবে কিন্তু সে কান পেতে থাকে কোন ওয়ার্ডটা ভুল হইছে আমাকে আবার জানায় যে আপনার এই জায়গাটাতে ভুল হইছে বঝেন কিছু মানুষের চরিত্র এমন বহুদিন আগে একটা বক্তব্য করেছিলাম বলেছিলাম সূরা আদিয়াত ১০০ নাম্বার সূরার অমুক আয়াত ওই মেসেজটা আমি এখনো দেখি আপনি কি জানেন একটা আপলোড হয়ে গেলে সেটা এডিট করা যায় না ডিলিট করা ছাড়া সেখানে আমি বলেছিলাম ১০০ নাম্বার আয়াতে এটা আছে কিন্তু আদিয়াত বলতে গিয়ে বাইয়েনাত বলেছিলাম এটা এখন পর্যন্ত কেউ না কেউ কমেন্ট করবে হুজুর এটা বাইনাত না এটা সূরা আদিয়াত হবে।
কিন্তু আমি কিন্তু তাকে ১০০ নাম্বার সূরা বলেই দিয়েছিলাম। আমরা যখন বক্তব্য করি এখানে দাঁড়িয়েছি কোন বাক্যটা উচ্চারণ হয়ে গেল এটা আপনারাও ধরতে পারেন নাই আমি ধরতে পারবো না। কিন্তু এখন রেকর্ডটা যখন শুনবেন কোরআন নিয়ে যখন বসবেন তখন দেখবেন হুজুরের এই বাক্যটা ভুল হইছে। এই আয়াতের নাম্বারটা ভুল হয়েছে। তখন বলবেন যে ভুল ভুল হইছে। বিষয়টা কেমন? আপনি এতটা বিচক্ষণ হয়ে যান নাই যে আপনি সব ভুল ধরতে পারবেন। ও আমরা এত বিচক্ষণ হয়ে যায়। কিন্তু বড় বড় শেখদেরও কিছু কিছু ভুল আমাদের নজরে আসে। কিন্তু আমরা এতটা বিচক্ষণ হয়ে যাই না যে তাদেরকে টাক্কা দিতে পারব। এজন্য মানুষের ভুলগুলাকেই আপনি মূল না ভেবে মূল মেসেজটা আপনাকে কি দেওয়া হচ্ছে আপনি সেটাকে গ্রহণ করার চেষ্টা করেন।
আল্লাহ যেন আমাদেরকে কবুল করেন। আমাদের ভুল ত্রুটিগুলোকে যেন আল্লাহ মাফ করেন এবং আমরা আজকে যা শুনলাম আল্লাহ আমাকে এবং আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে আমল করার তৌফিক দান করেন।