আজকের খুতবা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে কথা বলব সেটি হল ব্যবসা বাণিজ্য নৈতিকতা এবং ইসলামী নীতিমালা ও নির্দেশনা বাণিজ্য আমাদের জীবন ধারণের জন্য জীবনের মতই অপরিহার্য এমন এমন কোন সমাজ নেই, এমন কোন জনপদ নেই, এমন কোন দেশ নেই যেটা ব্যবসা-বাণিজ্য ছাড়া চলে। যেহেতু এটা জীবনের জন্য অপরিহার্য। এজন্য ইসলাম কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্য হল এক ধরনের উদ্যোগ। যেটাকে ইংরেজিতে এন্ট্রপ্রেনরশিপ বলা হয়। উদ্যোগ গ্রহণকে ইসলাম উদ্বুদ্ধ করেছে করেছে আমরা আল কোরআনের আলোকে প্রথমত সে বিষয়গুলো আপনাদের সামনে একটু তুলে ধরব তারপরে ব্যবসা বাণিজ্যের নৈতিকতা ব্যবসা বাণিজ্যে ইসলামী নীতিমালা গুলো কি প্রধান প্রধান নীতিমালাগুলো এবং নির্দেশনাগুলো আপনাদের সামনে আমরা পেশ করব খুতবা আর যদি আবারো সুযোগ হয় কখনো তাহলে তাহলে আমরা খুবই সূক্ষভাবে ইসলামিক বিজনেস এফিক্স নিয়ে কথা বলবো আরেকদিন ইনশাআল্লাহ।
সেখানে হয়তো আহলে সুন্নাহর আলোকে আমাদেরকে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে এবং সে অফিসগুলো অনুসরণের মধ্য দিয়েই আসলে একটা দেশের সফল ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করছি। আল্লাহ সুবহানা তিনি সূরাতুল মুলকের ১৫ নম্বর আয়াতে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রতি আমাদেরকে বদ্ধ করেছেন তিনি তিনি হচ্ছেন সে সত্তা যিনি তোমাদের জন্য জমিনকে সুকম করে দিয়েছেন অতএব তোমরা এর পথের প্রান্তরে বিচ ভক্ষণ কর উদ্যোক্তাদের কাজ তো এটাই পথে প্রান্ত বিচরণ করে গবেষণা করে দেখে আল্লাহ কি রিজিক রেখেছেন আর রিজিকটা তো এমনি এটা রিজিক না আপনি নিজের উদ্যোগ বৈধ উপার্জনের মধ্যে দিয়ে আপনার রিজিক তালাশ করতে হবে মূলত এই কথাগুলো এখানে বলা হয়েছে আর এটা করতে হবে কারণ অবৈধ কিছু হয় আপনাদের মনে আছে ১০ নম্বর আয়াত যেখানে আল্লাহ বলেছেন সম্পন্ন করা হবে সালাত হোক আর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ সালাত হোক সালাতের একামত যখন মসজিদে হয়ে যায় তখন এই মসজিদের আশেপাশে পৃথিবীর যে কোন কাজেই থাকুন না কেন আল্লাহর জিকিরকে আপনার সবচেয়ে বেশি প্রায়রিটি
দিতে হবে আপনি বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট মিটিং করছেন সিনেট মিটিং সালাতের সময় সবজিটা কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে আছে বিশেষ করে সৌদি আরবে আমরা সবসময় খারাপ জিনিসগুলো তুলে সমালোচনা করি ভালোগুলো আমরা চোখ পড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বা মসজিদগুলো কোন টাইম নির্ধারণ করে দেওয়া হয় আজান হয় তখন সব স্টলাতের জন্য চলে আসবে মানুষ যত বেশি দুনিয়াদার হচ্ছে দুনিয়ামুখী হচ্ছে এবং দুনিয়াদার কৃষ্টি কালচারকে ফলো করছে তখনই আমাদের অধপতনটা মুসলিম সমাজ ব্যবসা বাণিজ্য ওপেন করার কথা বলেছে শুধু আপনার এলাকায় নয় আপনার জনপদে নয় আপনার শপিং মলে নয় সারা বিশ্বের ট্রেনিং ইউজ আপনি অংশগ্রহণ করতে পারেন কিভাবে কোন ধরনের বৈধতা নিয়ে আলোচনা বলেন যখন সলা থেকে হয় তখন নির্দেশ এসেছে বলেছেন জমিনে ছড়িয়ে আজ বিজনেস করার জন্য করার জন্য এবং তোমাদের তিজারত তো সবাই করবে না।
অনেকেই তিজারাতের যে মাহল যেটাকে আমরা শপিং মল বলি আরবিতে বলা কেউ সেখানে সেলসম্যানের দায়িত্ব পালন করবে। কেউ সেখানে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করবে। সে কেউ আবার সেখানে ক্রেতা হবে। সুতরাং তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়। এটার দ্বারা তোমরা সবাই ব্যবসা করো। এটা উদ্দেশ্য নয়। যে ব্যবসা করবে সে ব্যবসা থেকে উপকৃত হবে নিজের অনুযায়ী করবে এটা বলার উদ্দেশ্য হাতে তার ফসফে উল্লেখ করেছেন এই কথাটা তিনি বলেন যখন সলা পবে ফিরে গিয়ে মসজিদের দরজায় দাঁড়াবে। তিনি সম্ভবত মানে কোন একজন বিজ্ঞ ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যখন তিনি সালাত পড়তেন জুমার সালাত তারপরে সালাত শেষ করে যখন মসজিদের দরজায় না একটা দোয়া করতে সর্বোত্তম রিজিকদাতা।
অতএব আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদেরকে একটা কম কঠিন মমত আজব থেকে রক্ষা পাবে এই ব্যবসাটা তোমাদেরকে থেকে রক্ষা করবে এটা হল আখেরাত মুখি ব্যবসা আখেরি ব্যবসাটা সালাতটা এটা ইনভেস্টমেন্ট আপনি সালাতে এসছেন এটা মনোযোগ দিয়ে না ঘুমিয়ে এটা আপনার ইনভেস্টমেন্ট এটা হচ্ছে আখেরাত প্রকৃতি তবে এখানে আমরা যে আলোচনাটা করছি দুনিয়া ৩৭ নম্বর আয়াতে তিনি আল্লাহর থেকে গাফেল করে না তাহলে একটা মূলনীতি আমরা এখানে পেয়ে গেলাম একটা এথিকও পেয়ে গেলাম এবং সেই কথাটা সূরা ১০ নম্বর আল্লাহ কিন্তু বলে দিয়েছেন বলেছেন যখন সালাত শেষ হয়ে যাবে দুনিয়া ছড়িয়ে পড় আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর তাহলে আল্লাহর নির্ধারিত এথিক নৈতিকতা এবং মূলনীতিগুলো ঠিক রেখে ব্যবসা কর তাহলে তুমি সফল হবে মমিনদের দেশ থেকে কখনো বের হয়ে যাবে না সে আল্লাহকে কখনো ভুলে যাবে না সে আল্লাহ নির্ধারিত মনীতিটাকে আরেকট পুজি হিসাবে দেখবে এবং তখন তার ব্যবসা বাণিজ্য জায়েজ করার পরেও বেশ জিনিসকে হারাম করেছে আমি যখন ব্যবসা বাণিজ্য করি সম্পদ আদান
প্রদান করি জিনিস থাকে আমাদের পেতে ইচ্ছে করে কোন পন্থায় এগুলোর মালিক আমরা হব কোন পন্থায় আমরা এগুলো আদান প্রদান করব কোন পন্থায় হবে তোমরা তোমাদের মধ্যে পরস্পর তোমাদের নিজের সম্পত্তিগুলো বালথায় নিও না তবে এটা যদি কোন বিজনেস হয় যাতে তোমাদের সবার সম্মতি আছে যাতে তোমাদের সবার সম্মতি আছে তাহলে এটা জায়েজ হবে হালাল হারামের আরো কিছু কোরআন ব্যাপক আলোচনা করেছে আজকে সব আয়াতগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারবো না তো একটা গুরুত্বপূর্ণ আয়াত সূরাতুল বাকারা অর্থনীতির ব্যাপারে মুসলিমের যে অর্থটি ফলো কর নীতি নির্ধারণী বক্তব্য দিয়েছেন এই আয়াতটিতে সূরা আল বাকারার আল্লাহকে হালাল করেছেন হারাম করেছেন তার রবের কাছ থেকে তার কাছে উপদেশ চলে আসল মাধব উন্নতি করে যা অর্জন করেছিল যাতার মালিকানা মুক্ত করেছিল সেটা তার থাকবে আর তার আল্লাহর কাছে সপোর্ট করা হবে পরিশেষে তার ক্ষমা হবে কি হবে না সেটা আল্লাহই বিবেচনা করবেন তার সার্বিক কর্মকাণড তার জীবন লাইফস্টাইল এগুলো দেখে উপদেশ চলে আসার পর
আবারো হারামটাকে গ্রহণ করে হারামের চর্চাটাকে রিপিট করবে তারা তবে জাহান্নামের অধিবাস সেখানে তারা চিরকাল অবস্থান করবে ভয়ঙ্কর একটা কথা তিনি বললেন কেন ইসলামকে উদ্বুদ্ধ করল হালাল করল বহু পাবলিশার আল্লাহ আজকের শুরুতেই বলেছি আল্লাহ এটাকে এলাও করেছেন শুধু এলা এটা জীবন ধরনের জন্য অপরিহার্য ফলে এই অপরিহার্য এটাকে স্বীকৃতি দিয়েছে কারণ রিয়াল ট্রেডিং এর মধ্যে উৎপাদন বাড়ে মানুষের যত নিড আছে এই জীবনের সব নিড ফুলফিল হয় এবং এর মধ্যে কোন ঠকবাজি প্রতারণা থাকে না আপনি টাকা পেলে আপনি যে কোন সম্পদই বিক্রি করবেন আর দুই পক্ষের একমত হতে হয় জোর করে তো আর কেনাবেচা হয় না ফলে ট্রেডিং আইডিয়া আমরা বলব যে চুক্তি একটা আদর্শ চুক্তি চমৎকার চুক্তি এখানে মাঝখানে পণ্য থাকে পণ্য একজনের কাছে থাকে টাকা আরেকজনের কাছে থাকে অথবা দুজনের কাছে পণ্য থাকে পণ্য দিয়ে পণ্য কেনা যায়।
আর টাকা দিয়েও পণ্য কেনা যায়। বৈধ টাকা দিয়ে বৈধ পণ্য কেনা যায়। ফলে আল্লাহ সুবহানাতালা ট্রেনিং এবং বেচা কেনাকে হালাল করেছেন। কেন হারাম করেছেন? কারণ নিবা হচ্ছে শুভঙ্করের ফাকি। এখানে মানি মানট এনি কমোডিটি। আমাদের শুধু ব্যাংকগুলোর মূল কাজটা কি যারা অর্থনীতিবিক ব্যাংকার তারা এটা খুব ভালো বুঝেন ব্যাংকগুলো মানি মেক করে ১০ টাকা দিয়ে ১০০ টাকা বানায় এজন্য ব্যাংকগুলোকে দেখবেন আপনি সবসময় ওরা আপনাদেরকে আপনাদেরকে রিলি করতে চায় ডেবিটের চাইতে ক্রেডিটের প্রতি ওদের অনেক অনেক তাদের আগ্রহ তারা ক্রেডিট কার্ড দেখবেন আপনাদের ইউনিভার্সিটি তো রুমে রুমে এসে তারা ক্রেডিট কার্ডের অফারটা দেয়। ডেবিট কার্ডের কিন্তু অফার তারা কখনো দেয় না।
আর দেখবেন যে বাজারের যত ফ্যাসিলিটি সবগুলো ক্রেডিট কার্ডে। ডেবিট কার্ডে কোন ফ্যাসিলিটি নাই। বিমান বন্দর যাওয়ার সময় আপনি দেখবেন ক্রেডিট কার্ডে ক্রেডিট কার্ড থাকলে আপনি ফ্রিতে খেতে পারবেন। খুবই উন্নত মানের রেস্টুরেন্ট গুলোতে। কিন্তু ডেবিট নাই ন বুঝতে পেরেছেন ব্যাংক যায় ক্রেডিট বাড়াতে ডেবিট না কারণ এই ক্রেডিট সিস্টেমের মধ্য দিয়ে ব্যাংক যে কোন দেশে ক্যাপিটালিস্ট পদ্ধতি পুজিবাজি পদ্ধতি যেকন দেশে প্রচুর টাকা তারা তৈরি করবে মানুষকে ঋণ করবে ঋণের জর্জরিত করবে আধুনিক ক্যাপিটালিজম এটাই আপনি কি জানেন বাংলাদেশের মানুষ যতটা ঋণ তার চাইতে অফ আমেরিকান কানাডিয়ান এবং আমেরিকান মানুষ ওখানকার অধিকাংশ মানুষ চেষ্টা করল সারাজীবন ঋণ থেকে বের হতে পারবে না এবং তাদের প্রত্যেকটি মানুষ দেখবেন ১০টা ১৫টা ক্রেডিট কার্ড যাই হোক আমি শুরু থেকে বললাম কথাগুলো ক্রেডিট সিস্টেম মানে সুদি সিস্টেম আজকে ক্যাপিটালিজম আমাদের সবার টাকাটাকে হাত ধরার জন্য তারা এই সুদি সিস্টেমটাকে সারা পৃথিবীতে এসটাবলিশ করেছে এবং আমাদের মাথায় ঢুকে গিয়েছে সুদ ছাড়া কোন গতন্ত্র নাই চাইলেও সুদ থেকে বাঁচতে পারবো না সুদ যদি সরাসরি না খাই বড় সুদ আমাদেরকে খেতেই হবে আমাদের সবার মাথায় এটা ঢুকিয়ে দিয়েছে কিন্তু ইসলাম এটা বিশ্বাস করে না ইসলাম মানে সুদ ১০০% এভয়েড করা সম্ভব।
আজকে অনেক ইসলামিক ব্যাংক বা ইসলামিক প্রতিষ্ঠান আপনি বর্তমান পোশাক অর্থনীতি পোশাক প্রচুর করে কিংবা ফিনান্সিয়াল ফরমেটের মধ্যে থেকে আপনি এক্সপেক্ট করছেন এই ব্যাংকগুলো শতভাগ অথবা এই প্রতিষ্ঠানগুলো শতভাগ ইসলাম হবে। কেমনে বলেন তো? সেগুলো কি ব্যাংকের দোষ নাকি সিস্টেমের দোষ? আজ থেকে এই বাংলাদেশে এখানে প্রত্যেক জনগণ প্রত্যেক ব্যক্তি কি পরিপূর্ণ ইসলামিক লাইফ মেনটেন করতে পারেন আপনি কি আপনার চাকরি পেন? আপনি যে কর্পো সংস্থা কাজ করেন সেখানে মেয়েদের পোশাকটা কি স্বামীর সুন্দর সেখানে সমস্ত লেনদেনগুলো কি ক্লিন? সেখানে কি কোন ঘুষের লেনদেন হয় না? সেখানে কি সুখ থেকে রেভিনিউ আছে না আপনি চাইলে কি পারবেন নাকি আপনি নিজেকে বাসায় বাক্স বন্ধ করে রাখবেন যেহেতু সবই নষ্ট আমি কোথাও যাব না এভাবে কি জীবন চলবে চলবে না প্রিয় ভাই জিনিসগুলো বুঝতে হবে আমাদেরকে ইনসাফ করতে হবে এবং আসল জায়গায় পরিবর্তন না হলে মনে রাখবেন ক্ষুদ্র জায়গাগুলো পরিবর্তন হবে না মাথায় যদি সমস্যা থাকে তাহলে শরীর শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আপনাকে বুদ্ধিমান মানুষে পরিণত করবে না।
এটা মনে রাখতে হবে। যাই হোক আমরা এখানে ছোট্ট আলোচনা করলাম। ব্যবসা বাণিজ্য এখানে আপনারা দেখতে পেলেন আল্লাহ সুবহাতালা ব্যবসা বাণিজ্যে ব্যবসা বাণিজ্যকে জেনার করেছেন পারমিশন দিয়েছেন। আবার দেখতে পাচ্ছি ব্যবসা বাণিজ্য করতে গিয়ে আপনি যেন গাফেল না হয়ে যান। সূরাতুন নূরের মধ্যে আমরা সূরাতুল বাকারের মধ্যে দেখতে পাচ্ছি যেটা আজকে অর্থনীতির অন্যতম অনিবার্য আজকের অর্থনীতি আমি অর্থনীতির কথা বলছি আমি ইসলামী অর্থনীতির কথা বলছি না অন্যতম একটা উপাদান সুদ সেটাকে ইসলাম চিরকালের জন্য হারাম করে দিয়েছে চিরকালের কথাটা কোথায় পেলাম সেটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিদায় হঠন ভাষণে তিনি বিদায় ভাষণে যেটি হাদিসে জাব আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর মধ্যে এসেছে মতে সেখানে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলে দিয়েছেন আজ থেকে সকল সুদ আমার এই দুই পায়ের নিচে রহিত করে দেওয়া হলো এবং তিনি তার চাচা অথবা চাচাতো ভাই তার সুদ তিনি রহিত করলেন তার পক্ষ থেকে অর্থাৎ যে সুদগুলো এখনো ছিল তাদের পরিবার এবং মহাশরে সেটাও তিনি রহিত করলেন আর
গ্রহণ করলেন সকল সুদকে বললেন কেয়ামত পর্যন্ত এই সুদ আর কখনোই ইসলামে জায়েজ করা হবে না আচ্ছা তাহলে আমরা ব্যবসা বাণিজ্য নৈতিকতা বলতে সাধারণত বুঝি হালাল পন্থের মধ্য থেকেই বৈধ সীমানার মধ্য থেকেই ব্যবসা বাণিজ্য করা এবং ব্যবসা বাণিজ্যের যে এটিকে এথিক গুলো আছে সেগুলো মেটেন করা এবং যেগুলো আল্লাহ সুবহানাতালা রাস হারাম করে সেগুলোকে এভয়েড করা ব্যবসা বাণিজ্যের মধ্যে সেই হারাম অথবা নিষিদ্ধ কোন কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত না করা বা নিজের ব্যবসাকে সম্পৃক্ত না করা এটাই হচ্ছে ইসলামের দৃষ্টিতে ব্যবসায় নৈতিকতা এবং আমরা এটাও মনে করি যে একটা মুসলিম সমাজের সকল ব্যবসা বাণিজ্যে রাষ্ট্রীয় অবকাঠামতে এটাই সাধারণত ইস্টাবলিশ। তাহলে এই যে একটা নৈতিকতার কথা আমরা বললাম এবং এর পাশাপাশি একটা ব্যবসাকে রান করতে গেলে কোন আমাদেরকে একটু আইডেন্টিফাই করতে হবে এবং সেগুলো রক্ষা করতে হবে।
আমরা সেটা নিয়ে একটু আলোচনা করি। সেগুলো নবী সাল্লাল্লাহু আ সাললামের বিভিন্ন হাদিস থেকে এবং বিভিন্ন আয়াত থেকে সেগুলো প্রমাণিত সহ ছিল শেয়ার করিয়া আল্লাহ জানেন তোমাদের দের মধ্যে কেউ অসুস্থ থাকবে আরেকজন থাকবে যারা জমিনে ঘুরে বেড়াবে এবং আল্লাহ ফজল অর্থাৎ আল্লাহর অনুগ্রহ তারা তালাশ করবে এটা ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে বলা হচ্ছে আরেকদল যারা আল্লাহ পথে যুদ্ধ করবে এখানে তাদের জমিনে সফর করতে থাকবে আল্লাহ অনুগ্রহ আলা আসে কোন কোন ক্ষেত্রে মাকাবেজের ব্যবসা বাণিজ্য এবং জীবনের উপার্জনের জন্য তারা জীবন ঘটতে থাকবে বলেছে তোমার রাস করেছি না কেন তারা প্রত্যেকেই খাদ্য ভক্ষণ করতেন এবং প্রত্যেকেই বাজারেও যেতেন তারানে নবী রাস হয়েছে বলে এমন নয় আচ্ছা ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে যে ইনকামটা আমাদের হয় এটা হল সবচেয়ে উত্তম এখানে একটা হাদিস আছে যে হাদিসটি আবু দাউদ আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কিছু ইয়াতিম ছিল একজন ব্যক্তি মহিলা জিজ্ঞেস করেছিলেন আমার কি ইয়াতিমের যে সম্পদ আছে খাব তখন দেখুন রাসূুল্লাহ
সলাম একটা হাদিস আপনাকে শোনাচ্ছি তিনি বলেছিলেন যে তার যে উপার্জন থেকে খাবে এবং তার থেকে খাবে সেটা হচ্ছে উপার্জন মানে সবচেয়ে উত্তম এবং পবিত্র খাদ্য হচ্ছে সে যা সে উপার্জন করে উম্মত থেকে খাওয়া এটা উত্তম নয় আচ্ছা এখানে একটা হাদিস নিয়ে এসেছেন বলেছেন মধু মতই হচ্ছে মমিনের দৃষ্টান্ত একজন মমিন মধুমার মত সে কি কোন জিনিস খায় সে কিন্তু সবচেয়ে উত্তম জিনিসটা খায় এবং সেটাকে যখন সে তার চাপের মধ্যে রাখে অত্যন্তই রাখে সে বর্য হিসেবে রাখে না কিন্তু যেটা খেলাম হজম করলে তারপরে যেটা বের হল না সে যেটা সংগ্রহ সেটাই সে মধুর চাকে রাখে এজন্যই তো মধু এত মূল্য এত মূল্য এবং পিউর মধু একটা হেলদি ফুড যেটা আমাদের নানা রকম শরীরের যে চাহিদা আছে সেটা নিজ এবং আল কোরআনে মধুকে একটা উত্তম খাদ্য এবং আরো গোলামের একটা সুন্দর উপায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তাই আমাদের যে নীতিমালাগুলো আচ্ছা এখানে আরো দু একটা কথা আছে অবশ্য
এগুলো আমাদের নৈতিকতার মধ্যে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন ভিক্ষা চেয়ে নিজে ব্যবসা করা ভালো ভিক্ষা মানে কি আপনারে চেয়ে চেয়ে মানুষের উপর নির্মাণ করতে হবে একটা সংগ্রহ করে তার থেকে দিবেন এটা তার জন্য তার জন্য উত্তম মানুষের কাছে যাওয়ার চাইতে হয়তো মানুষ কি করবে সবাই এই যে আপনি চাইলেন কেউ দিল কেউ দিল না তার চেয়ে উত্তম হচ্ছে আপনি মনে চলে যান করেন সেটাকে বাজারে নিয়ে আসেন বিক্রি করেন যা পান সেটা দিয়ে নিজের চাহিদা আপনি আমরা দেখি যে ইসলামে নবী সাল্লামের হাদিস থেকে এটা প্রমাণিত যে ব্যবসা তিনি আসলে উদ্বুদ্ধ করেছেন কেন ব্যবসার পথ তিনি দেখিয়ে দিলেন কেন দেখিয়ে দিলেন যাতে বেকার সমস্যার সমাধান হয় আমাদের দেশে অনেক মানুষ এখন বেকার চাকরি খুঁজে অনেকে চাকরি খুজতে খুজতে স্যান্ডেল ক্ষয় করে ফেলে কিন্তু তার মাথায় এটা আসে না যে সে নিজে পারে আমাদের বা তরুণরা এখন অনেকে খুব অল্প সময় অনেক টাকা ইনকাম করে ফলে তারা ভাবে আমি এভাবে
ব্যবসা করব তারপর কোনদিন মিলিয়নিয়ার হব আবার কোনদিন বিলিয়নিয়ার আবার ইলিয়ন মাস তো অলরেডি ট্রিলিয়নিয়ার হয়ে গেছে তো আমরা আমারও তো একটা স্বপ্ন আছে না আমি তো ট্রিলিয়ার হতে চাই ট্রিলিয়নিয়ার না এভাবে হবে ইসলাম এইভাবে আঙ্গুল ফেলে কোন পদ্ধতি নির্দেশ করে নাই বধয় এটা অসম্ভব আপনি আমেরিকাতে কানাডাতে ইউরোপে গিয়ে রাখেন সেখানে এটা অসম্ভব আজকের ট্রেনিট দিয়েছে কায়দা তাদের সাথে অনেক কাজ করে অনেকগুলো আর্টিকেল পড়ে দেখেন ইতিমধ্যে গত এক সপ্তাহের মধ্যে বের হয়েছে কিভাবে এত বিশাল সম্পদ তিনি করলেন কোথায় কি ফাঁকি দিয়েছেন কেউ তো চুপ করে থাকে না বুদ্ধিমান তো আরো আছে নাকি যাই হোক সবচেয়ে বুদ্ধি হচ্ছে ইসলামকে ফলো করা সীমানার মধ্যে থাকা বেকার সমস্যার সমাধান হবে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন হবে দেখেন এদেশের তরুণরা এবং যারা বেকার আছে মধ্যবয়সী কিংবা অন্যরা তারা যদি সত্যিকার অর্থ উদ্যোগ গ্রহণ করেটা বাড়বে না বলেনতো দেশে সত্যিকারের প্রোডাকশন বাড়বে না বলেন তো দারিদ্র চলে যাবে কিন্তু ক্যাপিটালিস্টরা চায় থাকুক কিছু
মানুষ আছে সব রাষ্ট্র সব দেশে তারা চায় এই দারিদ্র থাকুক বিজ পলিটিক্স এই দারিদ্র নিয়ে অনেক ধরনের অনেক কিছু হয় আর দেখবেন একটা দেশের সবচেয়ে বেশি ট্যাক্সকে দরিদ্র মানুষেরা অন্তরের মানুষেরা শিক্ষক কর্মচারী কর্মকর্তা আপনি দেখেন না বড় ধনীরা যে ট্যাক্স দেয় তার থেকে বেশি ইন্ডিভিজুলি অনেক বেশি ট্যাক্স দেয় কিন্তু দেশের জনগণের ট্যাক্স সবচেয়ে বেশি আমাদের যে ভ্যাটটা নেওয়া হয় আমাদের প্রত্যেকটা জিনিসের সময় ভ্যাট দেই না ভ্যাট দেয় রেস্টুরেন্টে খাওয়ার সময় ভ্যাট দেই না দেই ওটা তো ট্যাক্স আর এ্যানুয়াল ট্যাক্সটাও দেওয়া হয় এটাই হল দেশের সবচেয়ে বড় ট্যাক্সের রেভিনিউ বড় বড় কোম্পানিগুলো না বড় বড় কোম্পানি তাহলে দেখেন এক ব্যক্তি কাছে যাইয়া রাসূল্লাহ আমাকে কিছু দেন আমি গরীব মানুষ রাসূুল্লাহ বললেন তোমার বাড়িতে কিছুই নেই না কিছুই নাই তবে দুটো জিনিস আছে একটা জিনিস যেটা একটু পড়ি আবার বিছাই আর আরেকটা জিনিস সে কথা বলল কি সেটা যাই হোক দুটো জিনিস আছে তুমি বল দুটো জিনিস
নিয়ে আসো নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তখন তার পারমিশন নিয়ে বললেন তোমরা কেউ কি উপস্থিত জনতা তোমরা কেউ কি এটা কিনবা কেউ কত দিবা বল একজন বল আমি কিনব এক দেরহাম দিব নবী সাল্লাম বললেন যে না আর কেউ বেশি বলবা কিনা দুই বা তিন দেরহাম তখন আরেকজন বলল আমি দুই দরহাম দিব উঠানোর মত আর তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিক্রি করলেন বিক্রি করে তাকে দেখেন নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তো শিক্ষক ছিলেন মানবতার শিক্ষক তিনি উদ্যোক্তা হওয়া শিখাতেন নিজ ব্যবসা করেছেন তো জানেন তিনি কিন্তু সামদেশে যেতেন তখনকার অঞ্চলে পৃথিবীর এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ব্যবসা কেন্দ্র ছিল সামদেশ সিরিয়া আর আরেকটা ছিল ইয়ামান সামদেশে যেতেন ইয়ামান কখন কখনো কখনো তিনি হয়তো যান নাই বাট আরবের লোক হয়ে যেত তার ব্যবসা কেন্দ্র ছিল সন্দেশ এবং তিনি আরবের আরেকজন ধনপুরের মহিলা ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন কে ছিল সে মহিলা খাদিজা যিনি তখনকার মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদশালী তিনিও ব্যবসা বুঝতেন এবং
তিনিও রতনের রতন চিনে বুঝতেন যে মোহাম্মদ ইজ বেস্ট পার্টনার সে ব্যক্তি তার ব্যবসা ফলে তিনি তাকে বললেন যে এই এক দরহাম নিয়ে তোমার এখন যে নিডটা আছে ওটা ফুলফিল করো খাদ্য কিনে তুমি নিজে খাও পরিবারকে খাও আর এক দরহাম দিয়ে তুমি একটা কুঠার ব্যবস্থা করে দিবে বললেন যে এখন বনে যাও কারো তখন তো এটা ছিল এখন তো দেশে চলে এসছে ঢাকা শহরে এটার সুবিধা করা যাবে না কিন্তু এই এই ব্যবসাটা দেখায় দিলেন বললেন শোনো ১৫ দিন আগে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবা দেখেন প্রকৃত শিক্ষক কিভাবে ডিল করে কোন বিষয়টা ১৫ দিন আগে আমার সাথে আর দেখা করবা না ১৫ দিন পরে আসেন বললেন যে ইয়া রাসূ আমার কাছে এখন দেশের গচ্ছিত আছি আমি এখন ধনী ১০ গ্রাহাম তখনকার দেখেন উদ্যোগ গ্রহণ ব্যবসা দেখেন কিভাবে বাড়াটা নিয়ে আসে এবং এর সাথে রিয়াল প্রোডাকশনটা তৈরি হয় আর আজকে যারা ধরেন বিভিন্ন রকম এলেন বিজনেস মাল্টিলেভেল মার্কেটিং এইটা করে
অনেকগুলো কোম্পানি কিন্তু বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষকে সরস করেছে কিনা বলেন আমি জানিনা আজকে কি বাংলাদেশে কোন পড়াশোনা নাই সরকারিভাবে নিষিদ্ধ এই ব্যবসাটা মার্কেটিং তারপরেও মানুষ মনে হয় যেন বলছে ভাইজান একটু আমাকে ধোকা দেন ভালো লাগে না ঘুম আসে না টাকাটা নিয়ে যান আমার অনেক মনে হচ্ছে মানুষের জ্ঞানের লেভেলটা এতটা নিচু স্তরে নেমে গেছে আপনি ডেস্টিনে ইতিহাস জানেন না কত মানুষ সর্বশান্ত হলো ইউনিট ইতিহাস জানেন না তাহলে এখনো কেন মানুষ এত সস্তায় এই অবৈধ ব্যবসাগুলোতে সম্পৃক্ত হচ্ছে এটা ইসলামে অবৈধ আমরা আর্টিকেল লিখেছিলাম এবং আরো অনেকে লিখেছিলেন ইসলাম হাউজ আপনি দেখবেন আর্টিকেল আছে যে Amazজন বিজনেস করব ইসলামে নিষিদ্ধ কেউ টু জায়েজ বললেও এটা আসলে সিদ্ধ না আবার দেখবেন যে ইন্টারনেটে স্বর্ণ বিক্রি করে স্বর্ণ কি ইন্টারনেটে বিক্রি করেছেন স্বর্ণ নগদ নগদ হতে হবে এটা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশনা নগদ নগদ হতে হবে এটা ইন্টারনেটে বেচা কেনা করা যায় না মনে রাখবেন এরা ধোকাবাজ
এবং এটা প্রমাণ করলে এসে ধোকাবাজ এরা ইসলামিক এথিক্স রাষ্ট্রীয় এথিক্স ভাঙ্গা করে জনগণকে প্রতা কিন্তু জনগণের একদল বলে যে প্রতাড়িত হতে ভালো লাগে এতটুকু বুদ্ধিন আমরা ডেভেলপ করছি না যাতে করে এথিক্সটাকে লেনদেন করতে পারি এবং আর প্রতারিত না হই আমার চোখের সামনে এতজন প্রতাড়িত হলো সেই থিওরি কি শিক্ষা নেবেন না আমি আপনাদেরকে বলছি আল্লাহ সুবহানাতালা যে অমক ঘোষণাটা দিয়েছেন আল কোরআনে আল্লাহ নিশ্চয় তোমাদের জন্য প্রত্যাশা করে আল্লাহ স্মরণ করে আল্লাহকে স্মরণ না করলে তো ভুলে যাবেন ইসলামটা ভুলে যাবেন ব্যবসা বাণিজ্যে আপনার মধ চলে আসবে চলে আসবে আঙ্গুল ফুলে কাছে ভালো একটা লোক যে উঠবে শয়তানি একটা লোভ এবং তারপরে আপনি নিজেও ধ্বংস হবেন অনেক মানুষকে ধ্বংস করবেন আপনি জনগতকে ধ্বংস করবেন রক্তকে তাকে শূন্য করে ফেলবেন কোথায় যে আপনাকে আল্লাহকে স্মরণ করই আপনি আল্লাহকে স্মরণ করেন তখন এফথিক্সের বাইরে নৈতিকতার বাইরে এবং হারামের সাথে সম্পৃক্ত পড়াশোনা আপনার বুক কেটে উঠবে আপনার বিবেক আপনাকে বলবেলা আল্লাহকে
ভয় করো তখন আর আপনার বিবেক আপনাকে খারাপ কাজে সম্পৃক্ত হতে দিবে না আজকে আমাদের দেশের ব্যবসা বাণিজ্য যদি এফেক্ট গুলোকে মেনটেন করতো বেশি এদেশের মানুষের এত বেশি সমস্যা হতো না আজকে প্রতিটা পে স্কেলের সময় জিনিসের লাভ হল বেস এটা কি মানি ইনফেশন না বলেন তো টাকার মান কম যাচ্ছে এগুলো ক্যাপিটালিজমের উপহার তাহলে আমাদের ইসলামিক সিস্টেমের দিকে আমাদের ফিরে আসতে হবে ইসলামিক ফিলসের দিকে ফিরে আসতে হবে ইসলামিক এথিকের দিকে ফিরে আসতে হবে ইসলামের ভালো হারাম বিধানের দিকে আসতে হবে আমি আজকে আলোচনা করতে পারছি না যেহেতু সময় শেষ এখানে শুধু কয়েকটা পয়েন্ট আমি বলে শেষ করছি এ পয়েন্টগুলো আমরা আরেকটা আলোচনা করব ইনশল্লাহ এবং পরবর্তী যে মূলনীতি ইসলাম দিয়েছে তার মধ্যে এগুলো আমি আলোচনা কর আমাদের মধ্যে উদাহরণ হচ্ছে এইযে ব্যবসা বাণিজ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সন্তুষ্টি অর্জনের সাথে সাথে পৃথিবীর প্রভুত সম্পত্তিও যে অর্জন করা যায় তারা অনেক ছিল তার মধ্যে দুজন সাহাবা খুবই উল্লেখযোগ্য উসমান রাদিয়াল্লাহু
তালা আনহু এবং আব্দুর রহমান আউফ যুগের মধ্যে সবচেয়ে ধনী এবং উসমান ইবনে রাদিয়াল্লাহু আনহু যদি যুগের সাথে তুলনা করি তাহলে উনি অনেক বিলিয়ন ডলারের মালিকের চ সম্পদ শ্রেণী বেশি ছিলেন এবং তারা কিভাবে এখলাসের পরিচয় দিয়েছেন অনেকগুলো আকার আছে আমি সেটা পরবর্তীতে উল্লেখ করবো দ্বিতীয় মূল না বলে দেওয়া নিজেরও ক্ষতি সমাজের আর কারো ক্ষতি করবেন না ভোক্তার ক্ষতি করবেন না আপনি বিক্রেতা আপনি ক্রেতার ক্ষতি করবেন না আপনি ক্রেতা আপনি বিক্রেতার ক্ষতি করবেন না বিক্রেতার ক্ষতি কি করে ক্রেতারা করে এক্সাম্পল আমি পরে দিব অনেকগুলো হাদিস আছে এখানে তৃতীয় যে মূলনীতি সেটি হচ্ছে যেকভাবে আমরা যারা ক্রেতা কিং অথবা প্রডিউসার অথবা আমরা কর্পোরেট সংস্থার চালাই আমরা বলব বিজনেসম্যান গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রির মালিক আমাদের প্রত্যেককে আমাদের সাথে যারা কাজ করেন আমাদের এমপ্লয় আমাদের ম্যানেজার আমরা সিও আমাদের এমডি আমাদের বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের প্রত্যেকের মাথায় একটা জিনিস থাকতে হবে সেটি হচ্ছে আল কাসবুল হালাল আলসবুল হালাল হালাল ইনকাম ইনকাম একজন মুসলিম বন্ধু ইন্ত ছাড়া কিছু করতে পারে না।
বিশ্বাস করুন বিশ্বাস করুন আপনি মারা যাবেন। আপনি মারা যাবেন। আমাকে বিশ্বাস করতে হবে বলেন তো মারা যাবেন না। এত বড় হারাম কি করবেন? আজকে যারা বস্তু যারা যারা কাজ করেন এবং গেটে গেট কি আল্লাহ কি তাদেরকে রিজিক দিচ্ছে না? তাদের কি সন্তান নাই? তাদের পরিবার নাই রিজিক দিচ্ছে না আমাকে এক টাকার মালিক হতে হবে হতে মত হন মত হন কিন্তু না ট্যাক্স ফাকি দিয়ে হবেন মানুষকে ধোকা দিয়ে হবেন ভেজাল মিশিয়ে হবেন রাষ্ট্রকে ধোকা দিয়ে হবেন হোককে ধোকা এটা জায়েজ তাহলে আমরা তৃতীয়টা চতুর্থ হচ্ছে সম্পর্কিত যে বিধিবিধানগুলো আছে এগুলো ভালো করে জেনে নেওয়া এবং তারপরে আরেকটি হচ্ছে যে সমস্ত বেচা কেনা বৈধ করেছে সেগুলো জেনে নেওয়া এগুলো নিয়ে আমরা পরবর্তী খুতবার আবার আলোচনা করব ইনশল্লাহ আমরা আল্লাহ বেচা কেনা যেহেতু আমাদের প্রতিদিনের কাজ কোন একটা জনপদ কোন একজন ব্যক্তি কোন একটা গরিবার কোন একটা সমাজ কোন একটা রাষ্ট্র বেচা কেনা ছাড়া এক মুহূর্ত বেঁচে থাকতে পারে
না আমাদের বক্তব্য এখানে এটাই যে আসুন নৈতিক বেচা কেনার অভ্যাস গড়ে তুলি কালচার গড়ে তুলি এবং এভাবে হালাল ইনকামের ব্যবস্থা করি এবং হালাল হাতে খরচের অভ্যাস আমরা গড়ে তুলি আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করুন আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন মুত্তাকিন মুহাম্মাদ মুসলিম্লাহ আল্লাহ হ আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদেরকে নেয়ামত দিয়েছেন সেই নেয়ামত গুলোকে ব্যবহার করেই তো ব্যবসা বাণিজ্য গড়ে তোলা তিনি আমাদেরকে সুস্থ একটা দেহ দিয়েছেন ব্রেন দিয়েছেন চোখ দিয়েছেন, হার্ট দিয়েছেন, কিডনি দিয়েছেন, কত কিছু দিয়েছেন। একটা জিনিস নষ্ট হলে জীবনটা কত কঠিন হয়ে যায়। যখন কঠিন হয়ে যায় দেখুন বিশাল টাকা কিন্তু ব্যয় হয়ে যায়। অতএব আসুন আমরা যে রব আমাদেরকে এত সুন্দর নেয়ামত দিয়েছেন আমরা সেই রবের শুকরিয়া আদায় করি।
যেহেতু তিনি বলে দিয়েছেন শুকরিয়া আদায় করলে তিনি আরো নেয়ামত বাড়িয়ে দিবেন। দুনিয়া যদি না দেন আখেরাতে অবশ্যই দিবেন নাকি কোন সন্দেহ আছে কোন সন্দেহ নাই আর যেটা আখেরাতে আছে সেটাই বেশি সেটাই স্থায়ী বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিচ্ছ প্রায়রিটি দিচ্ছ আখেরাত হচ্ছে স্থায়ী এবং অতি উত্তম দুনিয়ার চাইতে উত্তম মুসলিম এজন্য হিসাবে কখনো ভুল করে না যে দুনিয়ায় যদি সে পুরোটা নাও পায় তার এক্সপেক্টেশন অনুযায়ী সে কিন্তু আখিরাতে পাবে। ধরুন আখেরাতে আপনি সবচেয়ে নিম্ন দারাজার স্তরের জান্নাত পেলেন। যেটা এই দুনিয়ার এই গ্লোবের ১০ গুণের চাইতেও বড়। প্লাস পৃথিবীর কোন দুঃখ কষ্ট সেখানে থাকবে না। যা চাইবেন তাই পাবেন।
তাহলে কি আপনার কোন লস আছে? পৃথিবীর এক গুণগত মানুষের মধ্যে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। তাই না? আপনি যতই চেষ্টা করুন না কেন পৃথিবীর সব সম্পদ তো একত্রিত করতে পারবেন না এবং সব সম্পদের মালিক হতে পারবেন না কিন্তু মনে রাখবেন কিতাব সহ বুখারীর শেষ অধ্যায় একটা হাদিসে নবী সলাম স্পষ্ট করে দিয়েছেন শেষ যে ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে এমন একটা জান্নাত পাবে যেটা এই গ্লোবের ১০ গুণের চাইতেও বড় এবং সেখানে সে যা চায় তাই পাবে তার পাওয়ার ধারণ এমন চোখ কোনদিন দেখেনি কোনদিন শুনে এত বিশাল নেয়ামতের কথা এত বিশাল সুযোগ সুবিধার কথা কোন মানুষের হৃদয় কোনদিন জাগে সুযোগ সুন্দর হতে পারে।
তো এটা হচ্ছে সর্বনিম্ন যিনি জান্নাতে যাবেন তাদের। প্রিয় ভাইয়েরা এ কথাটা শেষ এজন্যই বললাম কিসের লোভে আমরা দৈতকে বর্জন করছি। কিসের লোভে আমরা হারামে সম্পৃক্ত হচ্ছি। কিসের লোভে আমরা হালাল এবং বৈধতাকে বর্জন করছি। অথচ সারা বিশ্বের সত্যিকারের ডেভলপমেন্ট উন্নয়ন বৈধতার মধ্যেই। সারা বিশ্বের শক্তিকর ডেভেলপমেন্ট নৈতিকতা রক্ষা করে কাজের মধ্য দিয়ে যখন করাপশন হবে কোন সমাজে কোন রাষ্ট্রে কোন প্রতিষ্ঠানে তখন সেই প্রতিষ্ঠান সেই সমাজ এবং সেই রাষ্ট্রের অধপতন নিশ্চিত অতএব সে অনুপতন থেকে যদি আমরা বাঁচতে চাই তাহলে আমাদেরকে নৈতিকতা এবং কোরআন সুন্নাহর এই অসাধারণ সুন্দর নীতিমালার দিকে আমাদেরকে আসতে হবে আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান বোঝার তৌফিক দান করুন এবং আমাদের এই সমাজের যত অধপতন সেটা দূর করে দিন।
অনৈতিকতা দূর করে দিন। দুর্নীতিতে দুর্নীতি থেকে আমাদেরকে মুক্ত করুন। দুর্নীতিকেও দূর করে দিন। আমাদেরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পবিত্র জীবনের অধিকারী করে দিন। আমাদের সমস্যাগুলোকে দূর করে দিন। আমাদের জীবনে বারাকা দিন। আমাদের সন্তান সন্ততির মধ্যে বারাকা দিন। আমাদের প্রতিষ্ঠানে বারাকা দিন। আমাদের শিক্ষা খাতে বারাকা দিন। আমাদের জনগণের মধ্যে বারাকা দিন। আমাদের নেতৃত্বের মধ্যে বারাকা দিন। আল্লাহ যেন আমাদের দেশটাকে বারাকা পরিপূর্ণ করে দেন। মুসলিম উম্মাহের মধ্যে বারাকা দিন। যারা অসুস্থ তাদেরকে সুস্থ করে দিন। আমাদের প্রত্যেকে জান্নাতে যাওয়ার মত ভালো কাজ করার তৌফিক দান করুন। জাহান্নামের কাজ এবং খারাপ কাজ থেকে আমাদেরকে উদ্ধার করুন।