লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: সাহাবাহদের প্রতি ভালবাসা

সাহাবাহদের প্রতি ভালবাসা



সম্মানিত মুসল্লিবৃন্দ একদিকে মহাররম মাস চলছে আরেকদিকে কে আমাদের যারা অনুসরণীয় ব্যক্তি যাদেরকে অনুসরণ করা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের জন্য ফরজ করেছেন তাদেরকে নিয়ে গালমন্দ করা অর্থাৎ সাহাবী তাবে তাবে তাবে এইটা এমনভাবে চলছে এমনকি যারা ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায় ইসলামকে ভালোবাসে তাদের মুখ দিয়েই সাহাবায়ে কেরামের ব্যাপারে কটুক্তি গালমন্দ এবং বাজে কথা উচ্চারিত হচ্ছে। সাহাবীদের ব্যাপারে আমাদের আকিদা পরিষ্কার হওয়া উচিত। কারণ এটা আকিদার অংশ। এটা আমলের অংশ না। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বহু আয়াতে বলে দিয়েছেন সাহাবীদের ব্যাপারে। বিশেষ করে কোন ব্যক্তি যদি সাহাবায়ে কেরামের মানহাজ মেনে না নেয় তাদের নীতি আদর্শ যদি মেনে না নেয় তাহলে ওই ব্যক্তি হেদায়েত পাবে না।

                                                           

নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত সবকিছু করলেও হেদায়েত পাবে না। কারণ এটা আকিদার অংশ। আগে মেনে নেওয়া। এটাকে বলা হয় মানহাজুস সালাফ। সালাফদের মানহাজ। মানহাজ শব্দের অর্থ হল নীতি। আদর্শ। আর সবচেয়ে ভালো অর্থ হলো বুঝার জন্য এটা হলো জান্নাতের পথ। সিরাতে মুস্তাকিম। যেমন আমরা সূরা ফাতেহার মধ্যে পড়ি সবচেয়ে সুন্দর দোয়া আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় দোয়া সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দোয়া সিরাতাল তারপরে পড়েন সিরাতালনা আতা আলাইহে আমরা আয়াতটা সূরা ফাতেহাটা ইমাম মুক্তাদি সবাই পড়ি আলহামদুলিল্লাহ সবাই পড়ি কিন্তু এই সূরা ফাতেহার উপরে এতটাই বিষদগার করা হয়েছে সারা দেশে সালাফী আকিদার যারা আহলে হাদিস আকিদার যারা তারা ছাড়া সূরা ফাতেহা ফরজ ছাড়া সালাতে ইমাম ছাড়া কেউ পড়ে না কেউ পড়ে না অথচ আল্লাহর কাছে শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো এটা আর এইজন্য সূরাত ফাতেহার নাম সূরাতুদ দোয়া সবচেয়ে উত্তম দোয়া ইহদিনা সিরাতাল মুস্তাকিম আল্লাহ আপনি আমাদেরকে সরল সোজা পথ প্রদর্শন করুন কাদের পথ সিরাতল্লাজিনা আনমতা আলাইহ তাদের পথ যাদের উপরে আপনি অনুগ্রহ করেছেন কাদের উপরে অনুগ্রহ করছেন রাসুল্লাহ রাসহল্লাহ আলাইহি আল্লাহ বলে দিচ্ছেন আল্লাহ কাদের উপরে এনাম করেছেন অনুগ্রহ করেছেন নবীগণ শহীদগণ সিদ্দিকগণ এবং সৎ বান্দা যারা তাদের উপরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অনুগ্রহ করেছেন।

                                                           

আর আমরা এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে তাদের পথেই চাচ্ছি। আল্লাহ যেন কবুল করেন। আমিন। প্রত্যেক বান্দা যারা এই আয়াতটা বলে এই দোয়াটা আল্লাহর কাছে করে। তাদের প্রত্যেকের সাথে সাহাবায়ে কেরামের তাবেঈনে এজাম তাবে তাবেঈনের সাক্ষাৎ হবে জান্নাতে। ইনশাল্লাহ। ইনশাআল্লাহ। কোরআনের মধ্যে আমি যদি এটা বুঝে পড়তাম তাহলে কোন সাহাবী তাবেকে কি গালি দিতে পারতা? আবার দেখেন আত্তাহিয়াতের মধ্যে কি পড়ি? আসসালামু আলাইনাল্লাহ। নিজেই দোয়া করছি। আল্লাহ তুমি আমাদের উপরে শান্তি বর্ষণ করো। এবং আমাদের মধ্যে যারা সৎ বান্দা ইবাদিল্লাহ সহ অর্থাৎ আল্লাহর যারা সৎ বান্দা তাদের উপরে তুমি কি করো শান্তি বর্ষণ কর আমি সালাতের মধ্যে দোয়া করছি আলা সালাতের বাহিরে কি তারেই বদনাম করছি তারই বিরুদ্ধাচরণ করছি মানে যার জন্য আমি সুন্দর দোয়া করতে পারি আমি কিন্তু তার জন্য বদদোয়া করতে পারি না কখনো বর্ত করতে পারে না।

                                                           

এখন সাহাবা কেরামকে যদি আপনি মানে শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে গ্রহণ না করেন তাদের আদর্শ তাদের চলার পথ, তাদের আকিদা, তাদের মানহাজকে যদি ফলো না করেন তাহলে আল্লাহ বলে দিচ্ছেন তারা হেদায়েতই পাবে না। জান্নাতে যাওয়া তো দূরের কথা। ওই আয়াতটা এটা ১৩৭ নম্বর সূরা বাকারা আল্লাহ বলছেন এ আয়াতটা আমি মনে করি কোরআনের অন্য আয়াত না বুঝলেও এই আয়াতটা প্রত্যেক মুসলিমকে বুঝ শর্ত না পরের ব্যাক বলছেন যদি তারা এই শর্ত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় যদি এটার বিরুদ্ধাচারণ তাহলে তারা ওই গোমরাহীর মধ্যেই থাকবে ওই চোরাগলির মধ্যেই থাকবে তারা হেদায়েত আগে শর্ত আমি আগে মেনে নিলাম এটা আক এটা আকিদার অংশ মেনে নিতে হবে এখানে আল্লাহ বলেছেন যে যদি তারা না মেনে নেয় তাহলে তারা গোমরাহির মধ্যে থাকতো কিন্তু সূরা নেসার ১১৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ কঠিন হুমকি দিয়েছেন।

                                                           

আল্লাহ বলছেন হেদায়েত প্রকাশিত হওয়ার পরে আল্লাহ রাসূলের বিরোধিতা করবে আরেকটা শর্ত সাহাবীদের রাস্তা সাহাবীদের বুঝের উল্টাটা বুঝবে ও যেদিকে ইচ্ছা চলতে চাই আমি তার পথটা সহজ করে দিবস জাহান্নাম এবার বলছেন আমি তাকে জাহান্নামে আছড় দিব সারা মাসির জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হওয়া অতই না নিকৃষ্ট অতই জঘন্য এখানে হুমকি দিলেন সরাসরি যে তাকে আমি জাহান্নামে নিক্ষেপ করব বুঝা যাচ্ছে সাহাবায়ে কেরামের বুঝের উল্টাটা বোঝা যাবে না যাবে না যাবার কোন সুযোগ নাই আর যদি যায় তাহলে আল্লাহ তাকে কি করবেন জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন আরেকদিন তারা গোমরাহীর মধ্যেই থাকবে। আমরা তো সাহাবীদের বুঝি না। সাহাবারা কি? আমি আপনাদের কাছে কয়েকটা হাদিস অনুবাদ করি।

                                                           

আগে আমি যে দুইটা আয়াত বললাম এই আয়াতটা মানে সাহাবীদের বুঝের উল্টা চলার হুকুমটা কি? হুকুমটাতো আমি দিতে পারি না। আপনি শুনে নেন। এই আয়াতের সবচেয়ে প্রাচীন মুফাসসির ইমাম তাবারী রহিমা্লাহ বলেছেন তর আহ অর্থাৎ কেউ যদি সাহাবীদের পথের উল্টা চলে মিনহাজহ আর তাদের নীতি অর্থাৎ তাদের মানহাজের উল্টা যদি কেউ চলে উল্টা পথে যদি চলেবিল্লাহ এটা আল্লাহর সাথে কুফল আপনি যখন কোরআনের আয়াতের একটা অপব্যাখ্যা করবেন তখন এটা কুফরি হয়ে যাবে যখন কোন হাদিসের অর্থ আপনার মত করবেন তখন কি হয়ে যাবে কুফরি হবে আল্লাহ বলে দিছে এই আয়াতে আল্লাহ দুইবার কুফরি বলেছেন। তাহলে যখনই আমি কোরআন এবং হাদিস নিজের মত ব্যাখ্যা করব, নিজের মত বুঝব আমাদের স্পিকার সাহেব তিনি সংসদে বসে বলছেন যেহেতু মুসলিম রাষ্ট্র এটা অধিকাংশ মুসলিম ইসলামের অপব্যাখ্যা করার কোন সুযোগ নাই।

                                                           

যদিও তিনি খমিনর জানাজা পড়ার জন্য চলে গেছেন ইতিমধ্যেই। অথচ শরীয়তের সবচেয়ে বেশি অপব্যাখ্যা করেছে এই ইবলিশ শিয়া এই খবিসরা উনি তো শরীয়ত সম্পর্কে অজ্ঞ অতটা বুঝবেন না কিন্তু প্রথম দিন যখন শুরু হলেন সংসদে কথা বলা সুন্দর করে হামসানা করে শুরু করেছেন কিন্তু খেয়াল করেছেন কিনা জানিনা আপনারা আলহামদুলিল্লাহ সালাতুসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ অবশ্য এখন অনেকেই পারেন আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধান এতই বুঝা বুঝেন কোরআন কতটুকু বুঝেন হাদিস কতটুকু বুঝেন আল্লাহইভাবে জানে তাই না আপনারা তো বলছেন যে একাই ৩০০ সালাউদ্দিন সাহেব সংসদ একাই ৩০০ আমারও প্রশ্ন আছে এখানে সংসদের সংবিধানে কোন অধ্যায়ে কততে কি বলা আছে যেন সব মুখস্ত এরকম আগে মুখস্ত থাকার দরকার ছিল কি? শরীয়ত।

                                                           

কোরআন এবং সুন্নাহ এইরকম বোঝার দরকার ছিল। যেটা বিষয় বলছিলাম আল্লাহ তাদেরকে বোঝার তৌফিক দান করুন। সাহাবীদের ব্যাপারে কোন রকমের কটুক্তি কোন রকমের সমালোচনা করা হারাম। হারাম। ইমাম রাহিমাহুল্লাহ তিনি বলেছেন মানাতামা আসহাবা রাসূলিল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কাফলা মুসলিম যে ব্যক্তি সাহাবীদের গালি দিবে এই ব্যক্তি কাফের যদিও সে নামাজ পড়ে রোজা করে এবং নিজেকে মুসলিম মনে করে কোন স ইমাম সাহাবী রহমা্লাহ বিখ্যাত দাবি তিনি বলেছেন যে ব্যক্তি কোন সাহাবীর সমালোচনা করবে নিঃসন্দেহে সে নাস্তিক তাকে ঈমানদার বলা যাবে সে কাফের জিন্দেক মানে সে কাফের নাস্তিক মানে কি মুমিন হয় কাফের এই কথাগুলো মনে রাখতে হবে কেন সাহাবীরা আমাদের অনুসরণীয় ব্যক্তি।

                                                           

সাহাবীদের ব্যাপারে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কত ফজিলত বর্ণনা করে গেছেন। এক কথায় সমস্ত সাহাবী যারা সৎ বান্দা তারা সবাই জান্নাতি। একজনেও ব্যাপারে আপনি কুধারণা করতে পারবেন না। কারণ আপনারা মনে করেছেন যে আশারে মুবাশারা মাত্র কি ১০ জন জান্নাতে যাবে না। এক হাদিসে ১০ জনের কথা আসছে। বাদরী সাহাবীরা সবাই কি? জান্নাতি। তারপরে ওহুদের যুদ্ধের সব সাহাবী কি? জান্নাতি। তাহলে আপনি ১০ জন বলছেন কেন? কিন্তু এক হাদিসে আসছে কজনের কথা? ১০ জন। নাম ধরে ধরে এক এক করে আসছে। আবার ওই ১০ জনের মধ্যে কি খাদিজার কথা আছে? রাদিয়াল্লাহ আছে। আয়েশার কথা আছে। রাসূের স্ত্রীদের কথা আছে।

                                                           

রাসূের স্ত্রী সবাই তো জান্নাতি। কত হাদিস আসছে এক কথায় আপনি মানে যারা আলেমগণ হাদিসগুলো জমা করেছেন শেষ কথাটাই সকল সাহাবী কোথায় যাবেন সমস্ত সাহাবী করা আপনি কিভাবে তার সমালোচনা করবেন সমালোচনা করার কোন সুযোগ নাই মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু রাসুল্লাহ যে ব্যক্তি কোন সাহাবীকে গালমন্দ করবে ওই ব্যক্তির উপরে আল্লাহর অভিশাপ ফেরেশতাদের অভিশাপ এবং সমস্ত নেক বান্দার অভিশাপ কত করবে কোন ব্যক্তি রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাহাবী সম্পর্কে কোন কটুক্তি করতে পারবে না। সে যত বড় বিদ্বাান হোক না কেন একটা হাদিস আপনাদের একটু অনুবাদ করি। রাস বলতে মুসনা আহমদের হাদিস বলতে গিয়ে বলছেন দেখেন হাদিসটা কখনো শুনেছেন কিনা? শুনতেও পারেন আপনারা।

                                                           

আল্লাহ রাসূ বলছেন আল্লাহ আল্লাহ আসহা সাবধান সাবধান। আমার সাহাবীদের ব্যাপারে তোমরা কটুক্তি করো না আগে কোন আফসোসের কথা বলি না আল্লাহ আল্লাহ বলি না রাস আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহর কসম আল্লাহর কসম আমার সাহাবীদের ব্যাপারে তোমরা সাবধান আমার পরে আমার কোন সাহাবীকে তোমরা টার্গেট করো না টারগেট কর তার অপমান করবে তার সমালোচনা করবে এটা করো না যে ব্যক্তি সাহাবীদেরকে আসব বলেছেন ভালোবাসে আমার ভালোবাসার কারণে তাদেরকে কি করে ভালোবাসে আর যে তাদের গালমন্দ করে বুঝতে হবে আমাকে গালমন্দ করার কারণে তাকে কি করে তাদেরকেন্দ বোঝা যাচ্ছে সাহাবীদের ভালোবাসলে ভালোবাসা কাকে হয়? আল্লাহ আর সাহাবীদের বদনাম করলে কাকে বদনাম করা হয়? তারপর আবার বলছেন যারা তাদেরকে কষ্ট দেয় মূলত আমাকে কষ্ট দেয়।যে

                                                           

আমাকে কষ্ট দেয় সে আল্লাহকে কষ্ট দেয়। আবার বলছেন সাবধান আল্লাহ তোমাদেরকে অচিরেই পাকড়াও করবে। যে জাতি সাহাবীদের বদনাম করবে আল্লাহ সে জাতির উপরে কি করবেন? শাস্তি নাযিল করবেন। শাস্তি কোন সুযোগ নাই। অন্তত মনে রাখবেন সাহাবীদের সম্পর্কে কোন কথা বলা যাবে না। আজকের এই যে লেখনীর মধ্যে ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আবু আলা মৌদুদ সাহেব এতটাই তাকে কাঠগড়ায় তুলেছেন চার খলিফার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় খলিফা খেলাফতে ছিলেন কে? তার ব্যাপারে সমালোচনা করতে হলে মদুদ সাহেবের কলিজা কত বড় কাল কিয়ামতের মাঠে আমরা দেখতে পাব এবং আরো মজার ব্যাপার খেলাফত মৌলিকত বইয়ের শেষের দিকে গিয়ে এই সমালোচনার জবাব পর্যন্ত তিনি দিছেন মানে তিনি ওই জায়গা থেকে সরেননি এমনভাবে গালি দিছেন উসমান রাদিয়াল্লাহ আপনার কি করেছিল তিনি স্বজন প্রীতি করেছেন সবকিছু তার আত্মীয়স্বজনকে দিয়েছেন।

                                                           

একবার যদি মনে করতাম তিনি উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহ তাকে কি পরিমান সম্মান দান করেছেন যাকে সবচেয়ে বেশিদিন খেলাফতের দায়িত্ব দিয়ে ডাকছেন তার বিরুদ্ধে আমি এত সমালোচনা করলাম কিন্তু ওই ঘটনা কি আলী রাদিয়াল্লাহু সময় ঘটেনি অনেক কিছু দুইজনকে তিনজন হত্যা করা হয়েছে তার মধ্যে একজন উসমান আরেকজন কি আলী রাদিয়াল্লাহুর ব্যাপারে কোন সমালোচনা করেননি সব দোষ তার ওসমান কয়জন মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন আল্লাহ রাস জন্য দুইজন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন যে মানুষটাকে ফেরেশতারা পর্যন্ত কি করত লজ্জা করতে আল্লাহ রাসূ খোলামেলা থাকলে উসমান সালাম দিতেন তখন কি তিনি ঠিকঠাক বসে যেতেন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহ বলছেন রাসূ আব্বা আসলেন কথা বললেন চলে গেলেন এইভাবেইতো বসেছিলেন কাপড়টা উরুর উপরে উঠানো ছিল ওমর আসলেন হাফসার বাপ ঠিক তখন এইভাবে বসেছিলেন যখনই ওসমান আসলেন তখন আপনি কেউ কাপড় সেটে আবার ভালোভাবে বসে গেলেন তখন রাস বলছেন দেখ আয়েশা যাকে ফেরেশতারা লজ্জা করে আমিও তাকে কি করি এইরকম সাহাবীর ব্যাপারে এত সমালোচনা করতে পারলেন আর

                                                           

ওই বইটা অনুবাদ করে বাংলাদেশে কি করে প্রচার করা হয় দ্বিতীয়ত মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহ আনহুকে এতই গালি দেওয়া হয় নাউজুবিল্লাহ তো যদি গালি দেওয়া জায়েজ হয় মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহুকে তাহলে আলীকে গালি দেয়া জায়েজ না কেন কেন জায়েজ না আলী রাদিয়াল্লাহু আর মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহ এই শাশুড়ি জামাইয়ের মধ্যে কি দ্বন্দ হয়নি শুধু মুয়াবিয়ার দোষ কেন? রাদিয়াল্লাহু আলীকে যদি কাজ করতে চান রাদিয়াল্লাহু আনহু তাহলে আয়েশা রাদিয়াল্লাহ গালি দিচ্ছেন না কেন? বা আলী রাদি গালি দিচ্ছেন না কেন? মুয়াবি আদি দ্বন্দ তখন মুয়াবি রাদিয়া গালি দিচ্ছি। কিন্তু যখন আমি দেখছি আয়েশা রাদিয়াল্লাহ। আদি শাশুড়ি না এখানে দ্বন্দ। তখন কেন আমি আয়েশাকে গালি দিচ্ছি না? আর বলছে যে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহ আনহু রাজতন্ত্র চালু করে গেছেন।

                                                           

কাল কিয়ামতের মাঠে তোমার বিচার হবে একজন ব্যক্তির উপরে মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার কারণে। আপনাদের আরো বলি শুধু নিজেরা হাদিস পড়ে। কিন্তু হাদিসের অর্থটা বুঝে না। হাদিসের অর্থ বুঝার জন্য এটাকে বলে মানহাজ। অনেক পড়াশোনা করা লাগে বাবা। পড়েন অনেক পড়া লাগবে। তারপরে কথা বলা লাগবে। আপনি তো মূর্খ। মূর্খ বলেই তো এগুলো সমালোচনা করেন। অধ্যায়টা পড়েন তো। আর যারা সমালোচনা করে অধিকাংশই হল মূর্খ। এক বাক্যে মূর্খ। তাদের এলমের গভীরতা সম্পর্কে আমরা টুপিটা বুঝলে একটু বুঝি কতটুকু তারা পড়াশোনা করেছে রাজতন্ত্র কি মুয়াবিয়া চালু করে গেছেন রাজতন্ত্র আল্লাহর নবী চালু করে যাননি জাহেলগুলো আল্লাহর নবীর পরে খলিফা হলেন কে আবু বকর কে শশুর না এরপরে খলিফা হলেন কে কে ওমর কে এরপরে খলিফা হলেন কে উসমান তিনি কে দুই মেয়ের জামাই এরপরে খলিফা হলেন কে আলী কে জামাই নিজের আপন চাচাতো ভাই তিনজনকে খেলাফতের ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাজতন্ত্র আল্লাহর নবী শুরু করে গেছে এবার বলেন আলী

                                                           

রাদিয়াল্লাহু তা'আলা খলিফা হলেন উত্তর দেন হাসান আবার হাসান রাদিয়াল্লাহু এরপরে খলিফা হলেন কে হোসাইন রাদিয়াল্লাহ আনহু রাজতন্ত্র চালু করেছেন মুয়াবিয়া ইবলিশ শয়তানে ধরেছে আপনার বুঝলেন না আমি কি বুঝাতে চাইলাম এটাকে আপনি রাজতন্ত্র বলবেন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরে খলিফা হলেন হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি কি ব্যাটা না একদিকে মা আলী রাদিয়াল্লাহ আনহুর ব্যাটা আরেকদিকে নিজের মেয়ে তার একদিকে চাচাতো ভাইয়ের ব্যাটা আরেকদিকে নিজের মেয়ের ব্যাটা এরপরে আবার ছোট ভাইকে খলিফা করা হল এটা রাজতন্ত্র না মাথায় গোবর থাকলে এ সমস্ত প্রশ্ন উত্থাপিত হয় আরে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু শুধু তার নিজের এক ব্যাটাকে খেলাফত দিয়ে গেছেন। তাই আপনি বললেন সে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে গেছে।

                                                           

সাহাবীদের ব্যাপারে কটুক্তি করতে হলে সাবধানে করতে হবে। যদি এই যুগটা থাকতো ওমর রাদিয়াল্লা যুগ এরা কেউ ছাড় পেত না। তাদের মর্যাদা আমরা বুঝি না। আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেনমা তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি। ১১০ নম্বর আয়াত আল্লাহ সার্টিফিকেট দিছেন আপনি বলেন আল্লাহ বলেছেন তোমরা শ্রেষ্ঠ কত আয়াত নিবে আল্লাহ বলছেন আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহুবলছেন ২৬৫২ নম্বর হাদিস সহ বুখারী সর্বোত্তম মানুষ হলেন আমার সাহাবীরা আমার যুগের সাহাবীরা এর পরের যুগে তাবে এরপরের যুগে তাবেতা আল্লাহর নবী এইভাবে বলে হাদিস আপনি সাহাবীদেরকে তাবেদেরকে এক বাক্যে এইভাবে গালি দিচ্ছেন এই সুযোগটা আপনি পেলেন কিভাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন যে আমার দিকে অনুগত অগ্রগামী হয় তোমরা তার অনুসরণ কর আল্লাহ রাব্বুল আলামন সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলছেন ইমা হুল্লাহ বলছেন মনিব যারা সালাফ তারাই প্রকৃত মুমিন আইজতে তাদের করাবর তাদের করতেই হবে না করলে কখনোই হেদায়েত পাওয়া যাবে না ইমাম রহমা্লাহ বলছেন শোন তোমরা বলছেন তোমরা যেভাবে শরীয়তকে সত্যায়ন করো মেনে চল এইভাবে যদি তারা করে

                                                           

কি সত্যা করবে আল্লাহর সমস্ত কিতাব যত নাযিল হয়েছে সবগুলোতে যত বিষয় আছে এবং সমস্ত নবীদেরকে যদি তারা সত্যায়ন করে তারাও কি করবে হেদায়েত পাবে ইমাম কত বলছেন কথাগুলো কত শক্ত আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কত জায়গায় বলেছেন আমি শুধু আয়াতগুলো পড়ি ১০০ নম্বর আয়াত সূরা তবা আল্লা জান্নাত জান্নাত পর্যন্ত বলে দিলেন তারা সবাই চিরদিনের জন্য জান্নাতে সাহাবীদের ব্যাপারে বলছেন আল্লাহ আল্লাহ উলাইকাহু সদিকুন আল্লাহ সাক্ষী দিচ্ছেন তারা সবাই হলেন সিদ্দিক সম্মানিত মুসল্লি বৃন্দ আমি দুইটা হাদিস এখানে অনুবাদ করব দেখেন সাহাবীদের মর্যাদা সহ বুখারীর হাদিস ৩৬৮৯ নম্বর হাদিস আল্লাহ রাসূ বলছেন মানুষের সামনে একটা যুগ আসবে রাসল্লাহ সাল্লাল্লাহু যুদ্ধ যখন শুরু হবে তখন জিজ্ঞেস করবে যে তোমাদের মধ্যে এদের মধ্যে এমন কোন ব্যক্তি আছে যে আল্লাহ রাসূের সাহাবী একজন সাহাবী আসছে ওই সাহাবীর বরকতেই তাদেরকে আল্লাহ বিজয় দান করবে আবার বলছেন এরপরে আরেক যোগ আসবে তখন যুদ্ধ হবে মানুষের মধ্যে সাল্লাল্লাহু তোমাদের মধ্যে কি এমন কোন ব্যক্তি আছে যে

                                                           

আল্লাহ রাসূের সাহাবীকে দেখেছে সাহাবীদের সাথে ছিল মানে কি আছে একজন আছে একজন তাবি থাকার কারণে তাদের যুদ্ধে আল্লাহ জয় বিজয় দান করবে আরেকটা যুগলোকেরা যুদ্ধ করবেলা তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে যে ব্যক্তি আল্লাহ রাসূলের সাহাবীকে দেখেছে তাহলে সে কি হলো? কি হলো? তাবে তাবি হলো যে ব্যক্তি তাবেকে দেখেছে। মানে তাবে তাবে হল। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ দেখছে যে রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের সাহাবীকে দেখেছে। তাবে দেখা মানে ব্যক্তিটা কি হল? একজন তাবে তাবেও যদি থাকে তাহলে সেই যুদ্ধে আল্লাহ জয় দান করবে বিজয় দান করবে তাবে একজন কেউ নাই শুধু একজন তাবে আছে তাবে তাবি আছে আল্লাহ তাতেই যুদ্ধে বিজয় দান করবে এটা আল্লাহ রাসূ বলে যাচ্ছেন এরপরে বলেছেন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা হাদিস যেটা ইমাম ইবনে আসেম আসুন ১৪৮১ নম্বর হাদিসের তোমরা ততদিন কল্যাণের মধ্যে থাকবে যতদিন তোমাদের মধ্যে আমাকে দেখেছে এবং আমার সাথে চলেছে একজন সাহাবী থাকবেন বেচে ততদিন তোমরা কল্যাণের মধ্যে থাক একজন যখন থাকবে

                                                           

তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কসম করে বলছি তোমরা ততদিন কল্যাণের মধ্যে থাকবে একজন তাবেতাবি যদি থাকে তোমাদের মধ্যে যতদিন বেঁচে থাকবে আল্লাহ ততদিন কল্যাণের মধ্যে হাদিস প্রমাণ হয়ে গেল এই পুরো তিনটা যুগ হল আল্লাহর কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ চিৎকার কিন্তু আমি কেন কোন জ্ঞানে কিভাবে তাদের বদনাম করছি আমি তাদের সমালোচনা করছি কিভাবে একজন একটা মঞ্চে দেখলাম সব জামাত ইসলাম লম্বা টুপি সব জামাত ইসলামের মানুষ বসে আছে সেখানে আবুল কালাম আজাদ বাশার ভাই আছেন আরো কাউকে চিনি আর একজন আনম রশিদ আহমদ ওখানে আমাদের এক আহলে হাদিসের বাচ্চাও আছে নামটা বললাম না আমি উনাকে ফোন দিছিলাম খুতবা উঠার আগে ফোন দিছিলাম যে আপনি ওই জায়গায় থাকলেন একটা কথা বললেন না কেন বক্তব্যের পরে বলেছি আবুল কালাম আজাদ সাহেব আছেন উনি বললেন না কেন থামায় দিলেন না কেন আপনি এগুলো কি বলছেন আনামা রশিদ আহমদ তিনি সৌদি জবাবে চাকরি করতেন।

                                                           

কি কি করে ধরা খেয়েছে ওখান থেকে বাদ দিয়ে দিছে অনেক আগে। বেশি জামাত ইসলাম হতে গিয়ে তিনি বলেছেন ইবনু মাসুদ হক কিভাবে হলো? ওসমান রাদিয়াল্লাহু হক কিভাবে হলো? ওই বাপের সূত্রে পেয়েছে। বাপের সূত্র বুঝছেন তো? সাহাবীদের বদনাম করার অধিকারটা জামাত ইসলামের লোকগুলো পেয়েছে মৌদু সাহেবের কাছ থেকে নালে এত গলা এদের বড় হতো না কোশ্চেন কালেও না আপনি কি বলতেন উসমান হক না উনার দাবি সাহাবীরা হক না জাহেল কাকে বলে কোন সাহাবীকে হক না এটা আপনি বলতে পারেন না সাহাবীরা কি ভুলের ঊর্ধে নবী রাসূুল্লাহ হলে নিষ্পাপ মদ সাহেব বলে গেছেন তার বইয়ের মধ্যে না নবী রাসূল দ্বারা পাপ করে গেছেন আল্লাহ বলে দিছেন নবী রাসপলে ভুল হয়েছে কোন কোন ক্ষেত্রে আল্লাহ কি করে দিছেন সংশোধন করে আল্লাহর নবীতে করতে গেছে কিন্তু আল্লাহ মেনে নিছেন মেনে নেন ওমর রাদিয়াল্লাহ বলছেন আপনি কার জানাজা যাচ্ছেন আবদুল্লাহ না জানাজা আল্লাহ আয়াত নাজিল করলেন ৭০ ৭০ বারের বেশি ৭০ বারও

                                                           

যদি তুমি ক্ষমা চাও আমি ক্ষমা করব না আল্লাহ নাজিল করলেন না আল্লাহ রাসূের যে ভুল হয় ওমর রাদিয়াল্লাহ আপনি জানেন কেন আল্লাহ বলে দিছেন ৭০ বার ক্ষমা চাইলে হবে না আল্লাহ রাসূল বলছেন আমি ৭০ বারের বেশি ক্ষমা চাব আপনারা বুঝলেন কথাটা বুঝলেন কথা বলছেন আল্লাহ তো ৭০ বারের কথা বলেছে আমি ৭০ বারের বেশি কি করব না এবার আল্লাহ করলেন জানাজা পড়তে পারবে না কবরের কি যেতে পারব না ডাইরেক্ট নাজিল করলেন বলেনতো আল্লাহ রাসূেরতেহাটা ঠিক ছিল না ভুল ছিল ভুল ছিল নাতে নবী রাসূদের কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুল হয়েছে। সংশোধন কে করে দিছেন? আল্লাহ। এর শরীয়তে কি ভুল আছে তাই বলে? না।

                                                           

কিন্তু সাহাবীরা কি ভুলের ঊর্ধে? ভুলের উর্ধে না। পড়াশোনা করেন। আবদুল্লাহ আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর আব্দুল্লাহ ইবনে ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহ। সূরা ফালাক আর নাসকে তিনি বলতেন এটা ঝাড়ফকের কি দোয়া। এটা বলার কারণে তিনি কি বাতিল হয়ে গেছেন? তিনি কি হকের মানদন্ড নয়? কিভাবে হকের মানদন্ড হলো সাহাবীরা দলিল পেশ করছে কত বড় জাহেল জাহেল। কেউ হয়তো বলবে না। আমি হয়তো বলব। আর আপনারা আমাকে গালমন্দ করবেন। মুজাফফরের এগুলো বলা ঠিক না। আপনারা বলতে থাকেন। আমিও বলতে থাকি ইনশাল্লাহ।

                                                           

কিন্তু কোন সাহাবী সম্পর্কে উসমান রাদিয়াল্লাহু আক বলছেন সফর অবস্থায় এটা হল এখতেলাফি মাসালা তাই না আমাদের মধ্যেলাফ নাই এটা জানার কমতি আপনি তো জানেন না উসমান রাদিয়াল্লাহ আনহু তিনি মিনায় গিয়ে কসর করলেন না আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহ কসর করতেন এটাই উসমান হক না এটা হকের মানদন্ড না বলে দিলেন আপনি একটা বিষয় ভুল হাকির মানদন্ড তিনি বলে দিলেন আমারও তো ভুল হতে পারে আমি তাহলে আপনি আপনার ভুল হতে পারে আপনি কি বাতিল এতটুকু এটা হল এতেলাফ কিন্তু যখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু জানলেন যে আল্লাহ রাসূল সফরে দীর্ঘদিন কসর করেছেন তখন সেই উসমান রাদিয়াল্লাহ আনহু ছয় মাস পর্যন্ত কসর করেছে তোমার এই এলেমটুকু নাই তুমি বলে দিলে হুট করে উসমান হক না মানে মানে সাহাবীদের বিরুদ্ধে নামার এই টেন্ডেন্সি আগে থেকে না, এখন থেকে না, বহু আগে থেকে।

                                                           

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ফকিনা। আবু হুরায়রা ফকিনা। তার হাদিস গ্রহণ করা যাবে না। আনাস ফকিনা তার হাদিস গ্রহণ করা যাবে না। এই বেলেল্লাপুনা বহু আগে থেকে চালু আছে। আমরা বলব বন্ধুরা আমার আপনারা আসলে এই আলোচনাগুলো এই আলোচনাগুলো সেমিনারের আলোচনার মত। আপনাদের অনেকের ভারী হয়ে যাচ্ছে মনে হয় তাই না? কে আলোচনা করবে? কিছু মানুষ তো বুঝবে। এখতেলাফ কোনটা সেটাও বুঝে না। আর হক কোনটা সেটাও কি সাহাবীদের সম্পর্কে এমনকি বাদ্রী সাহাবী ফাতেমুন বালতা তিনি মদিনার মিটিং ফাস করে দিলেন মনে আছে আপনাদের মিটিং ফাস করে দিলেন না চুলের মধ্যে চিঠি দিয়ে পাঠা দিলেন আল্লাহর নবী আলী রাদিয়াল্লাহকে বললেন তুমি যাও এই তরুণদের সাথে নিয়ে যাও আল্লাহ নাজিল করে দিছে যাও এক মহিলা চিঠি নিয়ে যাচ্ছে ওর কাছে চিঠি আছে মহিলাকে ধরলেন ধরে বললেন চিঠি চিঠি দাও তো অনেক আল্লাহ বিল্লা করে বলছে না আমার কাছে নাই দেখ তুমি যদি চিঠি না দাও তোমার কাছে আছে তোমাকে চিঠি দিতে হবে আমার কাছে নাই এবার যেহেতু বিশ্বাস কে বলেছেন কাছে আছে এবার বলছেন দেখ তুমি চিঠি না দিলে তোমাকে টা তোমার কাপড় আমি খুলবো।

                                                           

চিঠি বের করে ছাড়বো। ঝুঁটির মধ্যে থেকে চিঠি বের করে দিলাম। আল্লাহর রাসূল এর কাছে পৌঁছে দিলেন। দেখছেন নিচে লেখা আছে হাতে বান্দার। নাম দেখা মাত্রই ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর তরবারি বের করে বলছে আল্লাহ রাসূ হুকুম দেন। এখনি তার গলাটা কেটে দিব। আমাদের পরামর্শ ফাস করে দিল। তখন আল্লাহ রাসূ কি বললেন? এটা তিনি সাহা আল্লাহ বলেছে তাই কর আমি তোমাদেরকে জান্নাতরকম অপরাধী একজন বাদ সাহাবীকে এইভাবে বললেন না জিজ্ঞেস করলেন কেন আমার বংশের লোকদের শুধু জানাতে চেয়েছি ওখানে অনেক সম্পদ আছে এগুলো নষ্ট না হয় এটা তার ঈমানের দুর্বলতা এরপরেও আল্লাহর নবী তাকে হজ জারি করলেন না গালি দিলেন না বরং কি করলেন স্পষ্ট করে দিলেন বাদী সাহাবীরা সবাই জান্নাতি আর আপনি কোন আপনি আল্লাহর নবীর সাহাবীকে বদনাম করেন তওবা করা লাগবে এইভাবে কথা বলে সাহাবীদের বিরুদ্ধে অবস্থান করা যাবে না।

                                                           

এটা একটা চক্র। মূল কারণটা কি জানেন? আমরা যেন হাদিস থেকে মুখ ফিরিয়ে নেই। হাদিসের দিকে আবু হরা ফকি তার হাদিস গ্রহণ করা যাবে না। সবচেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু হরা রাদিয়াল্লাহ। ফকিনা মানে মিথ্যাচার আবু হুরা বিরুদ্ধে। মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু ৭ বছর বয়সী মহিলা। ১৮ বছর বয়সে স্বামী মারা গেছেন। এই মহিলা যখন মারা যাচ্ছেন সবচেয়ে মহত মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় মুহাদ্দিস মহিলা তিনি বলছেন আমি মারা গেলে আমার জানাজায় যেন আবু হরা পড়ায় আবু হরা বল তার হাদিস গ্রহণ করা যাবে না। আনাস ফকি আনাসের হাদিস গ্রহণ করা যাবে না।

                                                           

কেন? খেয়াল করছেন কোন জায়গায় হাত দিয়েছে? আনাস খাদেম ছিলেন কত বছরের? ১০ বছরে সবকিছু দেখেছেন সব হাদিস বর্ণনা করেছেন আর বলছে আনাসের হাদিস গ্রহণ করা যাবে না আনাসের হাদিস গ্রহণ করা যাবে না আবু হুরায়রার হাদিস গ্রহণ করা যাবে না আয়েশার হাদিস গ্রহণ করা যাবে না তোমাদের ধরেছে রাফেজি শিয়াদের রোগে ধরেছে এটাই ওখান থেকে ধরেছে মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনা করছে মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহ তুমি বল কিভাবে আপনারা অনেক সময় আমি কথা বলতে বলতে গেলে কেউকে বিরক্তবোধ করেন ইবনে মাসুদ যে ব্যক্তি সুন্নাতের অনুসরণ করতে চায় সে যেন তাদের অনুসরণ করে যিনি মারা গেছেন ইবনে মাসুদ বলছেন সিনিয়র সাহাবী তিনি বলছেন কারণ যারা জীবিত আছে তারা ফেতনা থেকে দূরে নয় নিরাপদ নয় মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদের করবে তারাই হল সাহা আল্লাহ নবীর উমমা এরাই হল উম্মতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি আবার তাদের অন্তরটা সততায় পূর্ণ পরিপূর্ণ ছিল তাদের এলমের গভীরাত ছিল অনেক তাদের কোন তৃপ্তিমতা ছিল না আল্লাহ

                                                           

তাদেরকে মনোনীত করেছেন তাদের নবীর সাহাবী হিসেবে মাদিনিহ এবং তার দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার জন্য তাদের মর্যাদা তোমরা বুঝ তাদের আনুগত্য কর তাদের পদচিহ আনুগত্য কর তোমরা তাদের জীবনী এবং চরিত্র যতটুকু পাও ততটুকু তোমরা সব ধরনা মুস্তাক তারাই ছিলেন হেদায়েতের উপরে সিরাতে মুস্তাকিমের উপরে ইবনু মাসুদ সিনিয়র সাহাবী তিনি বলছেন সাহাবীদের এত্তেবা করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ আমাদের নাই এত্তেবা করতেই হবে আপনারা দেখছেন যে এই রাফেজি খমিনী চলে গেল নয় তারিখে জানাজা তাই না ৯ তারিখে কি জানাজা আমি যে মানুষটার ব্যাপারে বলতাম যে কোরআন হাদিস বুঝেন রাজশাহীর এমপি অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান সাহেব তাকে প্রতিনিধি করে পাঠায়া দিলেন। এই মানুষটাকে পচানোর ব্যবস্থা করলেন জামাত ইসলামের লোকেরা।

                                                           

যিনি সংসদে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট করে বলেন এই মানব রচিত আইন বাতিল করেন। কোরআনের আইন চালু করেন। জামাত ইসলামের কোন এমপি এটা বলার সাহস পায়নি। নির্বাচনের আগে বক্তব্যতে বলেছেন আমরা সংশোধনে গেলে এই গণতন্ত্র মানব আইন বাতিল করব এবং দেশে সারি আইন চালু করব। নির্বাচনের কেউ বলতে পারেননি। আমার সাথে অনেকবার দেখা হয়েছে। বুকে জড়িয়ে ধুয়ে চাপির দিয়ে বলছেন মুজাফফর ভাই আপনি খুব কঠিন মানুষ। সেই মানুষটাকে পাঠাইছেন জানাজাতে। জানাজায় গিয়ে কি দোয়া করবেন? ওই দোয়াটাই পড়ি শোনাও। এই দোয়াটাই পড়ি শোনাব।

                                                           

আপনারা বলেন তো রাফে যে শিয়ারা মারা গেলে তাদের জন্য কি দোয়া করে কেউ জানেন আপনারা আমি পড় সংক্ষেপে পড় এটা পড়ে শেষ করে দোয়া পতেছে দেখেন খুব সুন্দর দোয়া আবু বকর ওমর সম্পর্কে বলছেন আল্লাহুম্মা থেকে পড় তাহলে আপনাদের সুবিধা এইযে বই ১৬২ পৃষ্ঠা বিহারুল আনোয়ার ৩০ নম্বর খন্ড ১৬২ পৃষ্ঠা লম্বা দোয়া আমি সংক্ষেপ করছি আল্লাহ আল্লাহ তাদের দুইজনের উপরে এমন লানত করো একটা যে আরেকটার উপরে যেন পড়ে জাহান্নামা তাদের দুইজনকে এবং তাদের যারা অনুসারী আছে তাদেরকে জাহান্নামে একসঙ্গে জমা করো। বলেন নাউজুবিল্লাহ বলেন। আল্লাহ এই তাদের আবু বকর ওমরের উপরে লানত করে এবং তাদের থেকে মুক্ত হয়ে আমরা তোমার নৈকট্য চাচ্ছি।

                                                           

আল্লাহুম্মা আমির মমিনিন ইবনে আলী বিনতে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ যারা হোসাইনকে আলী রাদিয়াল্লাহ হত্যা করেছে তাদেরকে তুমি লানত কর এরপরে বলছে আল্লাহুম্মা আল্লাহ এই দুইজনের উপরে আজাবের উপরে আজাব দাও অপমানের উপরে অপমান দাও লাঞ্চনার উপরে লাঞ্ছনা আর যত ভনা আছে সব ভনা তাদের দুইজনের উপর নাজিল কর আল্লাহ আল্লাহ তাদেরকে ধাক্কা দিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ কর আর তাদেরকে ভেঙ্গে সরে জাহান্নামে শাস্তি দান করো আল্লাহু জাহান্নামা আল্লাহ তাদের দুইজনকে এবং তাদের যারা অনুসারী আছে জাহান্নামে তাদেরকে দলবদ্ধভাবে নিক্ষেপ করো।

                                                           

আল্লাহুম্মাফার জামাহুম তাদের দলকে ভেঙ্গে দিন আমরা তাদের কার্যক্রমকে ছিন্ন ভিন্ন করে দিনবাহ আর তাদের কথার মধ্যে আপনি দ্বিমত সৃষ্টি করে দিন তাদের ঐক্যকে ভেঙ্গে দিন আর তাদের ইমাম মানে তাদের ইমাম সুন্নিদের যারা ইমাম আছে আপনি তাদেরকে তাদের যারা ইমাম তুমি তাদের উপর অভিশাপ কর তাদের যারা নেতা আছে সেনাপতি আছে তুমি তাদেরকে ধ্বংস কর তাদের যারা মুরব্বি এবং যারা নেতা মানে শীর্ষা ব্যক্তি তুমি তাদেরকে ধ্বংস করো তাদের পতাকাকে ভেঙে তাদের মধ্যে সংঘাত তৈরি করার পৃথিবীর বুকে তাদেরকে একজনকে অবশেষ ধ্বংস এই দোয়ায় করা হবে জানাযায় কি এই দোয়ায় করা হবে আর আমরা সুন্নি দাবিদার পিছনে থেকে কি করব নামাজ পড়ব তাই না? খুব সুন্দর না এটা।

                                                           

খুব সুন্দর না? কিছু কিছু জাহেল বলছে এই সমস্ত কথাবার্তার কোন দলিল নাই। তুমি তো দাজ্জাল মার্কা কথা বলো। তোমার কাছে দলিল দিয়ে লাভ নাই এত। হাজারো দলিল দিয়ে কোন কাজ হবে না। আমি আপনাদের বলতে চাই যে আহলে সুন্নাল জামাত সালাফি আকিদার যারা তারা কোশ্চেন কালেও সাহাবীদের ব্যাপারে কালমন্দ করে না। তারা সহ্য করে না। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ তুমি সাহাবীদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে দাও। যারা সাহাবীদেরকে গালি দেয়। আল্লাহ তুমি তাদেরকে ধ্বংস করে দাও বিশেষ করে রাফে শিয়া যারা আয়েশে নাই সমস্ত সাহাবীকে কাফের বলে মুরতাদ বলে আল্লাহ তুমি তাদেরকে ধ্বংস করে স্পষ্ট দোয়া আমরা সাহাবীদের অপমান সহ্য করতে পারব না এই আবু বকর ওমরকে তারা মুশরিক পর্যন্ত কাফের পর্যন্ত আগে বলে দিছি আপনাদেরকে বাংলাদেশের যারা নিজেরা অপব্যাখ্যা করে সাহাবীদের গালি দিতে যায় আল্লাহ যেন তাদেরকে হেদায়েত দান করে।

                                                           

আল্লাহ যেন তাদেরকে বুঝ দান করে। আর যারা জামাত ইসলামের প্রতি দুর্বল আমি তাদেরকে বলব আপনারা শরীয়তটা ভালো করে বুঝুন। মৌদু সাহেবের পাল্লায় পড়ে আপনারা সাহাবীদের বিভক্তি করা সাহাবীদেরকে গালি দেওয়া সমালোচনা করা। এই বাজে অভ্যাস থেকে বিরত হন। খেলাফত মূলকত বইটা পুড়িয়ে দিন। বলে দিন আমাদের সিলেবাসে, শিবিরের সিলেবাসে, জামাতের রুকুনের রাজনীতি করতে করতে এত নিঃস্ব হয়ে গেছেন খুমির জানাজা আপনাকে পাঠাতে হবে। স্পিকারকে পাঠাইছে এটাও অন্যায় করেছে স্পিকার মুসলিম একজন কখনো কাফের মুশরিকদের খারাপ ইহুদি খ্রিস্টানদের চেয়ে বেশি খারাপ এরকম জঘন্য জাতের কাছে জানাজা পড়ার জন্য যাওয়ার কোন অধিকার নাই কোন মুসলিমের আমি মনে করি স্পষ্ট কথা এদের সাথে এই শিয়া রাফিজির সাথে আমাদের কোন আপোষ নাই কোন আপোষ নাই আল্লাহ তুমি আমাদেরকে নিরাপত্তা দান কর আল্লাহ তুমি বাংলাদেশের মানুষদেরকে বুঝ তৌফিক দান কর।

                                                           

আল্লাহ আমাদেরকে তুমি হেদায়েত দান কর। আল্লাহ তুমি আমাদেরকে জান্নাতের পথে প্রতিষ্ঠিত রাখো। আল্লাহ তুমি আমাদেরকে সালাফের মানহাজের উপর প্রতিষ্ঠান।