সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম মা ও বোনেরা শুকরিয়া আদায় করছি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে যিনি আমাদেরকে সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ দিন ইয়ামুল জুমা জুমার দিনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কর্তৃক আমাদের উপরে ফরজ করা বিধান জুমার সালাত আদায় করা খুতবা শোনা এই গুরুত্বপূর্ণ আল্লাহর হুকুম পালন করবার জন্য আমাদেরকে তিনি কবুল করেছেন এবং তৌফিক দান করেছেন এবং বায়তুল মামুর চাদ জামে মসজিদ আদাবরশেমলি এখানে আসার তৌফিক দান করেছেন। তাই আমরা তার শুকর আদায় করছি। আলহামদুলিল্লাহ। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের প্রতি। আল্লাহুম্মা বারিকলা মুহাম্মাদ ওয়ালা মুহাম্মদ কামা সাল্লাতালা ইব্রাহিম কামালা ইব্রাহিম ওয়ালা ইব্রাহিম হাদ মাজিদ। আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম আলা মুহাম্মাদি ওয়ালা।
আজকের জুমার শিরোনাম হচ্ছে একজন মানুষ কিভাবে কি করলে আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান এবং প্রিয় হয়ে উঠে আর একজন মানুষ কিভাবে কি করলে আল্লাহর কাছে ঘৃণার পাত্র হয়ে ওঠে এই শিরোনামকে কেন্দ্র করে কিছু আয়াত এবং কিছু হাদিসকে সামনে রেখে আমরা কিছু আলোচনা পেশ করার চেষ্টা করব বোঝার চেষ্টা করব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে সুন্দরভাবে বলার সুন্দরভাবে বঝার এবং নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করার এবং দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ লাভ করার জন্য তৌফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন। খুতবার শুরুতে প্রথম যে কথা সেটা হল আমরা বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন আমল করে থাকি। সময় অনুযায়ী সেটা আসে। একটা আমল আমরা জানি। তারপরেও আমি মাঝে মাঝে একটু স্মরণ করায়ে দেই।
কারণ মুমিনকে স্মরণ করায়া দিলে আল্লাহ বলেছেন এটা মুমিনের উপকার হয়। সুবহানাল্লাহ। মুমিনিন তুমি স্মরণ করায়া দাও মুমিনকে মুমিনকে যত বেশি স্মরণ করায়া দিবা তত বেশি মুমিনের কল্যাণ হয় উপকার হয়। তা আমি বারবার বলে থাকি ওসিয়ত করে থাকি যে জুমার দিনে আসা যাওয়ার ফাঁকে মাঝে মাঝে আমরা এক্সট্রা একটু দরুদ পড়ব। রাসূলুল্লাহ সলাম এ ব্যাপারে বিশেষভাবে তাকিদ করেছেন। বেশ কয়েকটা হাদিসে এটা আছে। আমি হাদিসগুলো রিপিট করছি না। শুধু এতটুকু বলছি মানুষ হাম্মুন একটা জিনিস আছে। মানুষের হামুনের অর্থ হচ্ছে টেনশন। দুশ্চিন্তা, পেরেশানি, কিং কর্তব্য বিমূড় হয়ে যাওয়া। কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা। কোন ব্যাপারে আপনার দেখা যায় হতাশায় ভোগা।
এই জাতীয় ব্যাপারগুলোতে মানুষ অনেক মাধ্যম অবলম্বন করে। অন্যের দারস্ত হয় চিকিৎসার দ্বারস্ত হয় কবিরাজের কাছে যায় আপনার আরো বিভিন্ন ধরনের মাধ্যম অবলম্বন করে কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না যে রাসূুল্লাহ একজন সাহাবীকে বলেছেন হামমাকা তিনি বলেছিলেন আমার পুরা দোয়া আমার এবাদতের বিশাল অংশ আমি দরুদ রেখে দেব তখন আল্লাহর নবী তাকে বলেছিলেন যদি তুমি এটা করতে পারো তাইলে আল্লাহ তোমার টেনশন দূর করে দিবেন সুবহানাল্লাহ যত কারণে মানুষ আল্লাহর রহমত লাভ পে তার মধ্যে একটা হচ্ছে দরুদ পাঠ করা। যত মানুষ আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা পেতে পারে যত জিনিসের মাধ্যমে তার মধ্যে একটা হচ্ছে দরুদ পাঠ করা। তো আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা আল্লাহুম্মা বারিকলা আমরা সালাতে পড়ি।
এর বাইরেও এমনে ফাঁকে ফাঁকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা ছোট্ট অংশ পড়লাম। অথবা আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ ওয়ালা আলি মুহাম্মদ। শুধু যদি এতটুকু পড়ে সেটাও দরুদের অন্তর্ভুক্ত। আবার সালাত এবং সালাম একত্রিত করে আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ ওয়ালা আলিহি ওয়া সাহবিহি আজমাইন আল্লাহুম্মা আবার তিনটা জিনিস আছে সালাত সালাম বারাকাত আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ওয়াবারিক আলা মুহাম্মাদ ওয়ালা আলিহ ওয়া সাহবিহ আজমাইন এই জাতীয় কথাগুলো দুরুদ হিসেবে গণ্য হয় তো এটা স্মরণ করা দিলাম কেন যে এগুলো হচ্ছে সুযোগ আমাদের হাতে সুযোগ খুব কম সময় খুব কম এবার দ্বিতীয় পয়েন্টে যেটা বলছি সেটা হলো মূল যে কথাটা বলছিলাম মনে আছে তো যে আমরা কি করলে কিভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়ে যাব ভালোবাসার পাত্র হয়ে যাব মর্যাদাবান হয়ে যাব আল্লাহর কাছে আর কি করলে আমরা ঘৃণিত হয়ে যাব এটাকে নিয়ে কথা ওই কথায় যাওয়ার আগে তার আগের কথাটা হচ্ছে যে বর্তমান সময়ে বিশেষ করে আমরা যে সময়টা পৃথিবীতে পার করতেছি আমাদের চোখের সামনে যে দৃশ্য পৃথিবীর ভেসে আসছে সেটা ভালো খবর না।
আমরা যদি শুনতাম পত্রপত্রিকা সংবাদ নিউজে প্রতিনিয়ত যে অমুক মহল্লার সব মানুষ নামাজি হয়ে গেছে। অমুক মহল্লায় মারামারি কাটাকাটি নাই। অমুক গ্রামে অমুক দেশে চুরি চিন্তাই নাই। অমুক দেশ অমুক দেশকে নিয়ে কোন খারাপ চিন্তা করে না। শান্তিতে আছে। এগুলো আমরা নিউজ পাই না। আমরা নিউজ পাই হত্যার। নিউজ পাই কি? ধর্ষণের। শুধু ধর্ষণের না ধর্ষণ করে মেরে ফেলে। শুধু প্রাপ্তবয়স্ক হলে একটা কথা হতো শিশুকে মেরে ফেলে গলিত লাশ পাওয়া যায় অহরহ সংবাদ পাই অমুক জায়গায় লাশ পাওয়া গেছে অমুক জায়গায় ঘরে ঢুকে মা মেয়ে তিনজনকে মেরে ফেলছে অমুক দেশ অমুক দেশের উপরে আক্রমণ করেছে মিসাইল ছুড়ে দিয়েছে এতজন মারা গেছে কাতরাচ্ছে অহরহ কান্নাকাটি এই নিউজগুলো আমাদের সামনে অহরহ আসতেছে তো আমরা সবাই এই ব্যাপারে একমত হব যে এই নিউজগুলো ভালো নিউজ না এগুলো খারাপ নিউজ তার মানে এটা দাঁড়াচ্ছে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ ব্যক্তি হিসেবে সমাজ হিসেবে এমনকি রাষ্ট্র হিসেবে শয়তানের খপড়ে পড়ে আছে এবং শয়তানি কাজ করার জন্য
সবাই তৎপর হয়ে আছে ফলশ্রুতিতে যেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে যে আল্লাহও তো বসে থাকেন নাই মানুষ যেমন করবে তেমন পাবে এটাই তো কথা যেমন আমরা করব তেমন আমরা আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিদানও পাব ভালো করলে ভালো খারাপ করলে খারাপ আমাদের যে ব্যাপকভাবে পাপ বেড়ে গেছে যার ফলশ্রুতিতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের উপরেও ব্যাপকভাবে গোজব দিয়ে আজব দিয়ে শায়েস্তা করার ব্যবস্থা এটা আল্লাহ রেখেছেন আল্লাহ বলছেন যে আমি মানুষকে কোন ব্যক্তিকে হতে পারে সমাজকে হতে পারে গ্রাম হতে দেশ হতে পারে একটা উপমহাদেশ হইতে পারে অবস্থা বেধে যে আমি প্রথমে ছোট ছোট আযাবের স্বাদ গ্রহণ করাই বড় আজবটা দেওয়ার আগে লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হলো যাতে করে মানুষ আমার দিকে ফিরে এসে ভালো হয়ে যায় কিন্তু দুঃখের বিষয়ে আমরা ভালো হই না আল্লাহর প্রত্যক্ষ আযাব প্রত্যক্ষ নিদর্শন দেখেও আমরা কি হই না ভালো হই না আমরা হয়ে গেছি ওই নবীদের যুগের কমের এর মতো যে তারা বলতো তুমি নবীদেরকে যে নিদর্শন দেখাও
মোজেজা দেখাও আর মোজেজা নবীরা দেখানোর পরে বলতো এটা তো তোমার বেলকিবাজি জাদু তা আমরা এরকম হয়ে গেছি তো এইখানে যেটা দাঁড়াইছে এখন নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমাদেরকে এটা খুব ভাবার বিষয় কেয়ামত পূর্ববর্তী যে সকল নিদর্শনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে গেছেন অক্ষ করে অক্ষ করে দেখবেন যে সব বাস্তবায়ন হচ্ছে আগে থেকেই হচ্ছে তিন দিন বাড়তেছে কমতি নাই তিনি বলেছেন কিয়ামতের আগে জাহ মূর্খতা বাড়বে এখন আমরা এলেমের পরিচয় দিতে পারি না সবাই আলেম হয়া এখন মূর্খতার পরিচয় দিচ্ছিলেমের একটা মানদন্ড আছে তারপরে বলছেন বেড়ে যাবে আসলেও বেড়ে গেছে মধ্যান বেড়ে যাবে। তার মানে নেশার অবস্থা খুবই খারাপ। একেবারে পাড়ায় মহল্লায় বিভিন্ন নামে বেনামে আগে তো এটা তরল জাতীয় জিনিস।
রসমস দিয়া বানাইতো। একটা পাত্রে রাখতো তারপরে মানুষ খাইতো। এখন এটার বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরি বাইর করছে। ইনজেকশন আকারে বাইর করছে। ট্যাবলেট আকারে বাইর করছে। এটার আবার ধোয়া নেট গান কি কি বিভিন্ন জিনিস আছে। তো আল্লাহর নবীও এটা বলেছেন যে একসময় মানুষ মদ পান করবে কিন্তু মদ বলবে না। অন্য নাম। আল্লাহর নবী এটাও আবার জানতেন যে যুগের মানে আবর্তে মানুষ সময় যাওয়ার সাথে সাথে পাপকে নাম পরিবর্তন করে এটাকে হালালের কাছাকাছি নিয়ে যাবে যাতে ওই ঘৃণার শব্দটা আর মানুষ উচ্চারণ করবে না এই তুমি কি সুদ খাচ্ছ এটা বললে মানুষ রাগ করবে কিন্তু যদি বলা হয় না তোমারে সুদ দিমু না ইন্টারেস্ট দিমু একটু নরমালাইজ হয়ে গেল তো ওইভাবে মানুষ শব্দ পরিবর্তন করেও মানুষ পাপের কাছাকাছি যেতে চাচ্ছে এর ফলে কি হচ্ছে আল্লাহ বলছেন আগের যুগের উম্মতদের যা হয়েছিল সালে আলাই সালামের কওমের অপরাধ কি ছিল ওজনে কম দিত আল্লাহ ধ্বংস করে দিলেন পাপ একটা ওজনে কম বিভিন্ন এরকম
ঈমান আনো আল্লাহকে মানো না মানলো না অনেককে আল্লাহ ধ্বংস করে দিলেন এই ধ্বংসের ধারা শেষ হয়ে যায়নি এই ধারাগুলোর মধ্যে আছে আমি এখানে আর কথা বলছি না ও পরের আয়াতে চলে যাচ্ছি যে আল্লাহর আজবের মধ্যে আছে মাসকুন জালজালাতুন সহাতুন মানে ভূমিকম্প হবে ভূমিধস হবে আপনার এই ইয়ে হবে এই বিকট আওয়াজ হবে শিলা পড়বে আসমান থেকে বন্যা হবে ফসল হানি হবে অতি খরা হবে বৃষ্টির সময় বৃষ্টি নাই অতি ঠান্ডা হবে এই দুইটাই ক্ষতিকর হয় বেশি বৃষ্টি হয়ে বন্যা হয়ে যাবে। আর নাইলে অনাবৃষ্টির কারণে ক্ষতি হবে। হয়তো খুব গরমের তাপ পড়বে। মানুষ মারা যাবে। না হয় অতি ঠান্ডায় মানুষ এবং ফসলের ক্ষতি হবে।
ইদানিং আপনারা হয়তো জানেন ইউরোপ কান্ট্রিগুলোতে সবসময় শীত থাকতো। এই ফ্রান্স ট্রান্স এগুলা। তো ইদানিং শুনলাম যে অনেক তাপমাত্রা বাড়ছে। আমি যার বাড়িতে যে বাড়িতে মাদ্রাসা চালাই উনি ওদিকে থাকেন। তো একটু কথাবার্তা হয়। অনেক মানুষ শুধু গরমের তাপের কারণে মারা গেছে। তাপমাত্রা ডিগ্রি বেড়ে গেছে। তাইলে কোনটাই মানুষের একটা স্বাভাবিক সহ্য ক্ষমতা আছে তাপমাত্রার এটার বেশি ঠান্ডা হলেও বিপদ গরম হলেও বিপদ। এইজন্য ইব্রাহিম আলাইহি সালামকে যখন আল্লাহ বললেন আগুনকে যে মানে আগুন যাতে তাকে না কষ্ট দেয়। শত্রুরা আগুনে ফেলে দিল। তখন আগুন তো গরম। তো আল্লাহ বলতে পারতেন যে তুমি ঠান্ডা হয়ে যাও। ওখানে ঠান্ডা শব্দটা আছে।
শব্দটা কি বলা যাবে? কেউ বলতে পারবেন? কি তুমি ঠান্ডা হয়ে যাও। এই ঠান্ডার আবার একটা মাত্রা আছে। অতিরিক্ত ঠান্ডা হলে এটা আবার কষ্টকর। তখন পরে আল্লাহ আবার আরেকটা শব্দ যোগ করে দিছেন সেটা কি? সালাম। সুবহানাল্লাহ। সালাম হয়ে যাও। মানে আগুন তো গরম। এটাকে এখন ঠান্ডা বানাইতে হবে। গরম এটা সহ্য করা যাবে না। পড় ফেলবে? এখন ঠান্ডা বানাতে যাইয়া আবার বেশি বরফ হয়ে গেলে তো আবার বিপদ। ওই মাঝখানে আরেকটা শব্দ বলছেন তুমি সালাম নিরাপদ হয়ে যাও মানে না গরম না ঠান্ডা সুবহানাল্লাহ এই এই বিপদগুলো এখন আসতেছে ভূমিকম্প খবর ইদানিং কয়েকদিন আগে পান নাই এখন আজকে দেখলাম সাত আট দিন পরেও জীবিত মানুষ উদ্ধার করা হচ্ছে এটা আল্লাহর আজাব আর ঢাকা যে শহরে আমরা বসবাস করি এখানে যে অপরিকল্পিত বিল্ডিং গড়ে উঠছে এবং যে জরাজীর্ণ অবস্থা এবং পুরাতন বিল্ডিংগুলো আল্লাহ হেফাজত করুন যে মাত্রায় সর্বোচ্চ মাত্রায় এত লাগবে না।
আরো কম মাত্রায় হলেই কত লাখ মানুষ কত হাজার বিল্ডিং যে কি হবে এক আল্লাহই জানে। এজন্য তাহলে আমাদের কি করা? এইবার আসি মূল কথায়। আমাদেরকে আল্লাহর প্রিয় হওয়া লাগবে। আল্লাহর কাছে ভালো হওয়া লাগবে। আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান হওয়া লাগবে। তখন কি হবে? আল্লাহ আমাদেরকে দুনিয়াতে যে কয়দিন হায়াত আছে স্বাচ্ছন্দে থাকতে দিবেন এবং আজাব গজব থেকে তিনি আমাদেরকে হেফাজত করবেন আর যদি আমরা উল্টাটা করি তাহলে কি হবে এই আপদ বিপদ আজাব গজব দিয়ে আমাদেরকে হালাক করবেন ধ্বংস করবেন এইভাবে আমরা শেষ হয়ে যাব ঈমানহারা হয়ে যাব আজব গজব বিপদে পড়ে যাব খাসিরা দুনিয়া এটা বুঝেননি খাত দুনিয়া ও আখেরা দুনিয়াও শেষ তাইলে এতক্ষণে কি বললাম প্রথমে একটা আমলের কথা রিভিশন দিলাম আমলটার নাম কি মনে নাই খুতবা শুরু করছিলাম কি দিয়া আপনি কইবেন আজকে যে খুতবা দিলাম এই ভূমিকা পড়ার পরে প্রথমে কি বলছিলাম আপনি কন তো কি বলছেন দুরুদ পড়ার কথা ওই জিমান্না খুতবা শুনলে তো হবে
না মানে আগের থেকে শুরু থেকে মনে রাখতে হবে শিরোনাম বলছিলাম কি যে আমরা কিভাবে আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান হব আমি আজকে আসার ঠিক আগ মুহূর্তে সূরা আনহাম থেকে কয়েকটা আয়াত ছাত্রদেরকে পড়াচ্ছিলাম তো ভাবলাম যে সুবহানাল্লাহ এত ভালো লাগলো তখন তখনও নিয়ত করছি আমি ছবি উঠ নিয়ে আসছি যে এই আয়াত দিয়ে আজকে খুতবার মধ্যে একটু বলব অনেক মজার একটা বিষয় আছে তো ওইটাই হচ্ছে তার শিরোনাম তো এখন আমি ওখানে যাব। যাওয়ার আগে এতক্ষণ আপনার প্রস্তুতি নিলাম। আল্লাহ তালা বলতে পারতেন হে ঈমানদারগণ তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি রাসূলের প্রতি আর জিহাদ করো জান্নাতে চলে যাবে। কিন্তু বক্তব্যটা আল্লাহ এইভাবে শুরু করেন নাই।
ইয়া আইুহাল্লাজিনা আমানু হাদুলুক আলাজারাতিন আলিম হে ঈমানদারগণ আমি কি তোমাদেরকে বলে দেব এমন একটা ব্যবসা আলাজারাতিন ওই ব্যবসায় কি করবেন আলিম আজবে আলিম থেকে তোমাদেরকে বাঁচায়া দিবে প্রশ্ন আমাদেরকে করার পরে তো আমরা কি বলব না বলব বলে দেন এটা প্রশ্নের দরকার ছিল না আল্লাহ বললেই হতোযে এমন একটা ব্যবসা বলে দিচছি যেটা আজব থেকে বাঁচায় দিব এটা করো এটা করো প্রশ্নের দরকার ছিল না এই প্রশ্ন এটা বালাগাত গ্রামার শাস্ত্রের আরবি গ্রামারের পাঁচটা পার্ট আছে বালাগাত আছে একটা নাহু আছে একটা সরফ আছে একটা আপনার এইযে মিজান এগুলা বিভিন্ন ধরনের সাবজেক্ট আছে এলমুল মান আছে ব আছে এর মধ্যে একটা বালাগাত মানে আপনি যে উদ্দেশ্যে কথা যে উদ্দেশ্যে কথাটা বলা হয় এমন এটা এই কথাটা অন্য উদ্দেশ্যে এখানে হাল মানে প্রশ্ন কিছু গ্রামার শিখি সমস্যা তো নাই কোরআনের ভাষা এটাও এবাদত কেউ যদি কোরআন হাদিস বুঝবার জন্য আরবি ভাষা শিখতে সময় দেয় তার এই সময়টা এবাদত এবাদতকে সহজ করবার জন্য এবাদতের মাধ্যম অবলম্বন করতে যে সময় যায় সেটাও এবাদতের মধ্যে আসে তার উদাহরণ হল আমরা সালাত পড়ি এটা এবাদত ু এটা মৌলিকভাবে কোন এবাদত না কিন্তু সালাত আদায় জন্য মাধ্যম হয়ে গেছে ওযু।
ু ছাড়া সালাত হয় না। এখন ওযুর মধ্যে পড়তে পরতে নেকি রেখে দেওয়া হইছে। হাত ধুলে নেকি গুনা জরে যায়। মুখ ধুলে গুনা জরে যায়। এগুলো আমরা হাদিসে পাই। হাল এটা হরফে ইসতোম। প্রশ্ন। তো প্রশ্ন মানে কি? প্রশ্ন বলতে কোশ্চন। কি বুঝায়? আমি কারো কাছ থেকে কিছু জানতে চাইব। কিন্তু সবসময় জানতে চাওয়ার জন্য প্রশ্ন করা হয় না। আপনার ছেলেরে কইছেন এক ঘন্টা আগে ভাত খাও। তারপরে হে ভাত খায় নাই। অন্যমন মনস্ক হয়ে আছে। তখন বললেন এই তুমি কি এখনো ভাত খাও নাই? এটা প্রশ্ন। তার মানে এর উদ্দেশ্য এটা না যে আপনি জানতে চাচ্ছেন এই তুমি কি ভাত খাও নাই এখনো।
এখানে এই প্রশ্ন দ্বারা তাকে আপনি ধমক দিচ্ছেন। এটা বালা। মানে যে কাজ যে উদ্দেশ্যে হওয়ার কথা ভাষা বইটাই উদ্দেশ্য ভিন্ন। এখানে আল্লাহ প্রশ্ন করলেন তোমাদের কি আমি এমন ব্যবসার কথা বলে দেব? এখানে আমাদের থেকে এটা জানা বা প্রশ্ন করা উদ্দেশ্য নয়। এটার উদ্দেশ্য বালাগাতের মধ্যে যেটা বালাগাতের আলোকে যেটা আসে সেটা হলো আশশাক আগ্রহ তৈরি করা। কথা বলার প্রেক্ষাপট তৈরি করা। হুট করে একটা জিনিস বললে মানুষের জেহেন বিক্ষিপ্ত থাকে। তখন জেহান এটাকে ভালোভাবে ক্যাচ করতে পারে না। তখন একটা কিছু বলে তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে পুরাপুরি মাইন্ড সেটআপটা হয়ে যাওয়ার পরে কথাটা তার অন্তরে ডেলিভারি দেওয়া। যাতে এটা অন্তর ভালোভাবে নিতে পারে।
কান ভালোভাবে শুনতে পারে এবং মগজের মধ্যে গেঁথে যায়। সুবহানাল্লাহ। তাহলে এবার বলেন প্রথমে একটা দুরুদ পড়ার ব্যাপারে বলছিলাম শুক্রবারে বাড়তি দুরুদ। আচ্ছা আমল করব। তারপরে কি বলছিলাম? তারপরে কি কি বলছিলাম? না এটা ঠিক আছে। যে বর্তমান যে দুনিয়ায় আমরা বাস করি এখানে খারাপ বাড়তেছে। পাপ বেড়ে যাচ্ছে। যার কারণে আল্লাহও আমাদেরকে কি করতেছেন? আজাব গজবের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। কেয়ামতের আগে যা কিছু ঘটার কথা সবকিছু আস্তে আস্তে প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। তাহলে এখন আমাদের জন্য কি করণীয় আছে? আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। না হলে আমরা আজাব গজবে লিপ্ত হয়ে যাব। তাহলে তো এছাড়া আমাদের আর কোন রাস্তা নাই। আল্লাহ কি বলছেন? আমি ছোট আযাব দেব তোমাদেরকে যাতে বড় আজাব আসার আগে তোমরা ফিরে আসো।
এবার সূরা আল বাকারা ১৬৫ নম্বর আয়াতটা সামনে আনেন। এখন আর বাড়তি কোন কথা নাই। এই আয়াত আরো দুই তিনটা আয়াত খুব ভালোভাবে বুঝে আমরা বাড়ি চলে যাব। আমি আগেও বলেছি যে খুতবায় অনেক কিছু বলা যায়। আর আপনারাও অনেক খুতবা শুনেছেন। আমরাও আলহামদুলিল্লাহ প্রতি জুমায় খুতবা দিতেই আছি। কিন্তু এইসব খুতবার এফেক্ট এতটুকু যে কে আসছিলেন খতিব বলে অমুক সাব। কেমন খুতবা হইছে। হয়তো খুব একটা ভালো হয় নাই। মোটামুটি হইছে নাইলে খুব একটা ভালো হইছে এরপরে এটার আর কোন প্রভাব থাকে না আমাদের মাঝে কোন এফেক্ট পড়ে নাতো এজন্য আমি বলি যে একটা খুতবায় যদি কেউ একটা আয়াতও শিখে তাইলে চার জুমায় কয়টা আয়াত চারটা আয়াত আর হেদায়েত পাওয়ার জন্য আল্লাহকে পাওয়ার জন্য একটা আয়াতই অনেক সময় যথেষ্ট হয়ে যায় একটা আয়াত এখন আমি যেটা আয়াতটা বলব সূরা শুরুতে পড়ছিলাম সূরা আল বাকারার কত নম্বর ১৬৫ এটা ভালো করে মনে রাখবেন এই আয়াতে কি বলছেন আর এর আলোকে
আমরা কি বুঝতে পারি দেখেন একটু খেয়াল করেন আল্লাহ বলছেন আমি আয়াত আয়াত পড়ে পড়ে শব্দের অনুবাদ বুঝায় দিচ্ছি একটা আয়াতের অর্থ শিখান সমস্যা নাই রাসূুল্লাহ হাদিসে বলেছেন মুসলিমে আসছে যে ফজরের নামাজ পইড়া সকালবেলায় তুমি যদি মসজিদে বইসা একটা আয়াত শিখ এটা তোমার কাছে খমরুন নাম লাল উটনির থেকে সওয়াব বেশি সুবহানাল্লাহ লাল উটনির থেকে বড় সম্পদ দুইটা আয়াত হলে দুইটা লাল উটনির থেকে বড় সম্পদ ওই সময়ে আরবের মাঝে সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল লাল উট হয়তো অন্য সময় হলে অন্য কিছু আসতো। একজন মানুষের বড় সম্পদের মধ্যে একটা সম্পদ হলো সে একটা আয়াত পড়তে পারে তার অর্থ জানে।
এবং এই আয়াতে আল্লাহ কি বলছেন সে সেটা বলতে পারে। এর চেয়ে বড় সম্পদ আর কম আছে। আল্লাহ বলছেন এর মানে হচ্ছে আর মানুষের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছে যে গ্রহণ করে বানায় ধরে কি ধরে? কি গ্রহণ করে? আন্দাদান বিভিন্ন দেব দেবী মূর্তি অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া যাদের এবাদত মানুষ করে থাকে আল্লাহকে বাদ দিয়ে মানুষ যাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যায় এরকম অনেক জিনিসকে মানুষ আকৃষ্ট হয়ে ওটার প্রতি ঝুকে যায় এরপরে আল্লাহ বলছেন ওই জিনিসটাকে সে মনে প্রাণে অন্তর দিয়ে ভালোবাসে এটা খারাপ হোক আর ভালো হোক এটা তার চিন্তায় থাকে না ওদেরকে ভালোবাসে কি পরিমাণ ভালোবাসাবিল্লাহ আল্লাহর একজন মানুষ যেরকম মায়া মহব্বত ভালোবাসা করা দরকার আল্লাহর সাথে যেমন তার সম্পর্ক গড়া দরকার ওইরকম সে আল্লাহ ছাড়া অন্য জিনিসকে ভালোবাসতে শুরু করে দেয় তারপরে কি বললেন আমানু আর যারা ঈমানদার যারা মুমিন হয়ল্লা তারা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে আল্লাহকে এই আয়াতটা আমাদের জীবনের পরতে পরতে খাপকায়।
একটা জিনিস বলি একটু মনোযোগ দিবেন। এই কথাটা হয়তো অনেকেই জানার কথা না জানেন না। কোরআন মজিদ আমরা জানি এটা আল্লাহর কালাম। এখানে অনেকগুলি আয়াত আছে সেটাও জানি। অনেকগুলি সূরা আছে। এটাও জানি। কোরআনের আয়াতের একটা তিলাওয়াত আছে। শুদ্ধ তিলাওয়াত। এটা প্রথম দাব। কোরআনের হকের ব্যাপারে। কোরআনের আয়াতের একটা অর্থ আছে সেটাও আমরা জানি একটা অনুবাদ আছে তার একটা তাফসীর আছে এটাও আমরা জানি একটা ব্যাখ্যা আছে কিন্তু কোরআনের শেষ জ্ঞানটা কোনটা এই আয়াতটা ১৪০০ বছর আগে নাযিল হয়েছে এনেছেন আসছে আল্লাহর কাছ থেকে আসমান থেকে আনছেন কে জিব্রল আলাইহি সালাম মানুষের মধ্যে দুনিয়াতে কার কাছে দিছেন মুহাম্মদ সলাম অনেক আগে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তিনি সাহাবাদেরকে শিখাইছে এইভাবে মানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই কালাম আমাদের পর্যন্ত আসছে।
লাস্ট কোরআনের জ্ঞানটা হচ্ছে যে আমি যে একটা আয়াত পড়লাম এটা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে এই সময়তে এই আয়াতটা কোথায় প্রযোজ্য হচ্ছে এবং এই আয়াতের আলোকে আমার কি করণীয় বর্তায় কি বর্জনীয় বর্তায় আমাকে আয়াতটা কি মিন করে এইটুকু না জানা পর্যন্ত কোরআনের আপনার মাকসুদ পূর্ণ হয় না কোরআনের আমরা হাফিজ বানাচ্ছি ছেলেমেয়েদেরকে ভালো কাজ কিন্তু এটা কোরআনের মাকসুদ না পুরা কোরআন পড়েন একটা আয়াত আমার জীবনে আমি ফাস্ট টু লাস্ট বহুবার কোরআন পড়েছি তাফসীর সহ কিন্তু এরকম এক আয়াতও পাই নাই ইয়া আইুহাল্লাজিনা আমানু হে ঈমানদারগণ তোমাদের ছেলেদেরকে অবশ্যই কোরআনের হাফিজ বানাও নাইলে এই বিপদ সেই বিপদ নাই কিন্তু আল্লাহ কোরআনের ব্যাপারে তেলাওয়াত শব্দ বলেছেন তাব্বুর বলেছেন তাফাক্কুর বলেছেন কোরআন তেলাওয়াত করো গবেষণা করো এটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করো এরপরে কোরআনের উপরে রাসূল বলেছেন তোমরা এটাকে আঁকড়িয়ে ধরো আমল করো হিফজ করা ফজিলত ভালো অনেক ভালো কিন্তু তার চেয়েও বেশি কোরআনের উপরে আমল করা কোরআন বুঝা কোরআন জানা তো যেটা বলছিলাম
কোরআন এখন এই আয়াতে কি দাঁড়াইলো যে মানুষের মধ্যে আবার খেয়াল করি এটা কোন জায়গার কোন আয়াত আমি তো অনেক কথা আগে কইছি কিন্তু আর রেফারেন্স দেই নাই এইযে এখন দুই তিনটা আয়াত নাম বলব আপনি যদি আজকে বাইর হওয়ার পরে কেউ জিজ্ঞেস করে কোন আয়াত নিয়ে কথা শুনলেন তাইলে যাতে বলতে পারেন আয়াত আমি ১০০টা বলছি না সূরা আল বাকারার ১৬৫ আয়াত কি বলা হইছে যে মানুষের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছে যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যকে তার শরী বানায় এবং ওইটাকে সে ভালোবাসে কার মত কার মত আল্লাহর ভালোবাসার মত আর মুমিন সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে কাকে আল্লাহকে এই আয়াত আমাদের জীবনধারাকে দুইটা ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে।
দুইটা রাস্তা দুইটা গতিধারা আমাদের সামনে এই আয়াত তুলে ধরেছে। যে পৃথিবীতে একদল মানুষ বরং অধিকাংশ মানুষ এমন কাজে লিপ্ত থাকবে এমন কাজে সময় দিবে এমন কাজে তার টাকা খরচ করবে এমন কাজে তার সময় ইনভেস্ট করবে তার এনার্জি শ্রম তার আরো যা সাপোর্ট আছে এমন কাজে ইনভেস্ট করবে যেটা তাকে আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে অন্য কিছুর ভালোবাসায় সে এটা করতেছে আর আরো কিছু মানুষ আছে এদের সংখ্যা খুবই কম এরা আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য তার সময় শ্রম মেদা টাকা পয়সা সবকিছু সে ইনভেস্ট করবে আমি কোন দিকে এই জিনিসটা হচ্ছে বুঝবার এখন আমার ওই মূল কথাটা চলে আসবে আমরা বাস করি বাংলাদেশে বলা হয়ে থাকে অধিকাংশ মানুষ এখানে মুসলমান ৯৪ ভাগ ৯২ ৯৪ যাই বলেন বলা হয়ে থাকে মুসলমান তো মুসলমানের কাজ কি সে আল্লাহকে ভালোবাসবে তাই না এখন আল্লাহর বিধান লংঘন যদি আমি অন্য জিনিসের ভালোবাসা প্রদর্শন করি তাহলে আয়াত উল্টাটা করলাম না যেখানে আমার
আল্লাহর ভালোবাসা বেশি হওয়া দরকার সেখানে আমি কি করলাম অন্য জিনিসের ভালোবাসা বেশি হয়ে গেল তার প্রমাণ কিভাবে হবে যে ওইটাতে লিপ্ত হইয়া আমি আল্লাহর ফরজ বিধান লঙ্ঘন করি আমি আজকে জুমা না গত জুমার কথা বলছি গত জুমায় হবিগঞ্জ গেছিলাম খুতবা দিতে না তার আগের জুমায় হবিগঞ্জ গেছিলাম খুতবা দিতে একটু আগে বের হইতে হয় মানে সকালে তখন আমি ফজরের নামাজ সালাত আমার ছাত্র নিয়ে আউয়াল ওয়াক্তে আমি পড়ে ফেলছি বানানোও না শোনাও না মানে বাস্তবতার কথা মানে এই আয়াতটাকে বাস্তবে বুঝবার জন্য আমি আমার চোখের দেখা উদাহরণ পেশ করতেছি সালাত আমার ছাত্রদের নিয়ে আদায় করে জুমার দিন আমি একটু অন্ধকার এখনো হালকা আছে আমি বের হয়ে গেছি একটু দূরে খুতবা ছিল তো বের হওয়ার পরে একটুখানি মেইন রোডে উঠে সামান্য কয়েক গজ মনে করেন এখান থেকে ১০০ হাত হবে না এতটুকু পরে একটা মসজিদ আছে এটারে সাপ মসজিদ বলে বায়তুল মামুর ওটাও বাইতুল আমান মসজিদ আর সংক্ষেপে নাম
হইল সাপ মসজিদ মেন রোড আর তার একটু পরে এই মসজিদ পর্যন্ত দূরত্বের পরে মসজিদ এট এ টাইম একই সময়ে তখন ওই মসজিদে ফজরের জামাত চলছে আর ঠিক এই সময়ে মসজিদে ঢুকার রাস্তার মধ্যে প্রোজেক্টর লাগিয়ে ইয়াং ইয়াং যুবক ছেলেপেলে না হলেও ১৫-২০ জন ওই যে আপনার ইহুদি খ্রিস্টানদের ফুটবল খেলা উপভোগ করছে। আমি এই দৃশ্যটা আমার এখনো চোখে বাসতেছে আর আমি এটা এখনো মিলাইতে পারতেছি না। এই বাচ্চাটাও কোন মুসলমান মায়ের সন্তান। এই বাচ্চাটাও কোন মুসলমান বাবার সন্তান। এই সন্তানটাকেও কোন বাপ মা দুধ কলা খাওয়াইয়া এই পর্যন্ত বড় করছে।
ইয়াং বয়স তার ১৫ ১৬ ১৭ ২০ ২৫ এবং সে এই খেলাটারে এত মজা করে উপভোগ করতেছে ওই পিছনে যে মসজিদে আল্লাহর এবাদত হচ্ছে এই এবাদতটা যে তার উপরেও ফরজ ছিল বেমালুম সে ভুলে গেছে এই হচ্ছে এই আয়াত এখানে আল্লাহ আন্দা বলেছেন নিদনের জমা তার অর্থ হল অংশীদার শরী এটা যেকন জিনিস হতে পারে আল্লাহর ফরজ বিধান বাদ দিয়া আমি যে জিনিসে লিপ্ত থাকব ওটাই আমার নির্ধন শরী। কারণ এখানে আমি আল্লাহর সাথে মিলায় দিছি। দরকার ছিল আল্লাহরে সময় দেওয়া, আল্লাহরে সিজদা দেওয়া। আমি ওটারে বানাইলাম কি? আমি একজন ইহুদি খ্রিস্টানের খেলা দেখে আমি আনন্দ দিতাছি। নিতাছি উপভোগ করতাছি।
ফরজ সালাত আমি ভুলে গেছি। যদি এই আয়াতটা বুঝতো তাইলে এই সময়তে সে কি করে না? খেলায় লিপ্ত হয় না। এটা নিয়ে মারামারি। দুই গ্রুপ দুই পক্ষ হয় না এটা নিয়ে ওই যে কেউ অমুক মানে আসলে এটা একটু হালকা হয়ে যায় কথাটা কিন্তু বলে ফেলি আজকালকার বাচ্চাদের পড়াশোনার অবস্থা বাচ্চাদেরকে বাপ মা শিক্ষকরা সবাই চেষ্টা করে পড়াশোনা করুক আইগাইয়া যাক ভালো হোক কিন্তু বাচ্চাদের ব্রেন এখন তীক্ন ব্রেন মেধা ভালো কিন্তু এই ব্রেনটার সামনে এমন এমন অনেক জিনিস চলে আসে যেটা তার কাছে মানে রুচিকর হয়। তার ব্রেন ওগুলাতে খুব বেশি কাজ করে। দেখা যায় যে একটা কায়দা পড়তে পড়তে ছিড়ে ফেলতেছে।
এখন পর্যন্ত রিডিং জানতে পারতেছে না। কিন্তু তার সামনে আপনি কার্টুন দেন, আপনার মোবাইল দেন, গেমস দেন, বিভিন্ন জিনিস একবারে পড়ুন। তো এটা একটা এমনে কথার কথা। একজন একটা ছোট বাচ্চারে পড়াচ্ছে। তো পড়াইতে যাইয়া এটা দেখা কথা। এটা কোন দলিলের কথা না যে বলতেছে আলিফ জবর আ জাল জের জি আজি নুন জবর না কি হইলো আজি না তো ওই ছেলে কইতাছে আর্জেন্টিনা মানে ওই যে বাইর হয় আর শুনে যে কে ব্রাজিলের পক্ষে আছে আর কে আর্জেন্টিনার পক্ষে আছে ওই আর্জেন্টিনা শুনতে শুনতে তার মাথায় আর্জেন্টিনার মহব্বত ঢুকে গেছে আল্লাহর কালামের মহব্বত এখনো জায়গা পায় নাই তো কোন আয়াত নিয়ে কথা বলছিলাম এতক্ষণ সূরা আল বাকারার ১৬৫ এই আয়াত আমাদের কি বলছে যদি একটু কষ্ট দেই কাতার ভেঙ্গে একটু সামনে আগাইতে হবে অনেক মানুষ দাড়ায় আছে একটু খুতবা শুনুক আর কয়েক মিনিট সময় আছে সবাই একটু আগান একটু আগান এইযে এদিকে জায়গা আছে অন্তত ১০ একটু নড়লে ১০ ১৫ ২০ জন মানুষ বসতে পারবে বলা যায় না একটা আয়াত বুঝে যদি একটা মানুষের জীবন একটু ভালোর দিকে যায় সেটা অনেক কিছু একটু সামনে আগান আরেকটু সামনে আগান।
পরে ইনশাল্লাহ জায়গা হয়ে যাবে। খুতবার জন্য কাতার জরুরি না। আমি এটা আগেও বলেছি। খুতবার জন্য কিবলামুখী হওয়া জরুরি না। বরং সুন্নত হইল উল্টাটা। আপনি খতিবের মুখোমুখি হইয়া বসবেন। আপনার পশ্চিম ওদিকে থাক। আপনি এমনে হইয়া বসবেন। কাতার ভাইঙ্গা বসবেন এটা সমস্যা নাই। আলহামদুলিল্লাহ। তাইলে এখন আমরা কোন দিকে যাব? আল্লাহর ভালোবাসা নিয়ে আগাবো না অন্য কিছুর ভালোবাসা নিয়ে আগাবো? এইবার আসি আমি যে শিরোনাম বলছিলাম শুরুতে এটার উপরে কথা বলব। এবার আসল মজার একটা জিনিস আমি এই আয়াতগুলো এখন সামনে বার করলাম। সকালে আস্তে যে আয়াতগুলো পড়াচ্ছিলাম। সূরা আনআমের ৭৩ থেকে আপনার ৭৮ আয়াত পর্যন্ত ৮৩ থেকে ৮৩, ৮৪, ৮৫, ৮৬, ৮৭ এই কয়েকটা আয়াত পড়াচ্ছিলাম সকালে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই পৃথিবীতে মানুষের দুইটা ধারা রেখেছেন। এতক্ষণ আমি যেটা বুঝাইলাম কেউ আল্লাহর প্রিয় হইতে হইতে হইতে অনেক মর্যাদায় উঠে যায় আল্লাহর কাছে। তার সমস্ত সমস্যার সমাধান আল্লাহ করে দেন। তার যা কিছুর দরকার সে আল্লাহর কাছে চায় এবং যা কিছু আল্লাহর কাছে চায় সব আল্লাহ তাকে দেনও সে আল্লাহকে তার কাছে পেয়ে যায়। এমন একটা হাদিসও আছে যে মানুষ যখন নফল এবাদত করতে করতে আল্লাহর অতি নিকটে চলে যায় তখন তার হাত আল্লাহর হাত হয়ে যায় তার চোখ আল্লাহর চোখ হয়ে যায় তার পাও আল্লাহর পাও হয়ে যায় মানে তার সবকিছুই চলে আল্লাহর ইশারায় আর এর বিনিময়ে তার সবকিছুর সমাধান স্বয়ং আল্লাহ করে দেন সুবহানাল্লাহ আর কিছু মানুষ আল্লাহ থেকে দূরে সরে যায় তার ব্যাপারে আল্লাহর বিধান হচ্ছে আল্লাহ তোয়াক্কা করেন না বলেন যে তুই যে মাঠে যে ঘাটে যে গড়তে গিয়ে মর আছে না যে শিরকের ব্যাপারে একটা কথা আছে নাবিল্লাহিযর লিপ্ত হয়ে গেল আল্লাহকে বাদ দিয়া অন্যের এবাদতে লিপ্ত হয়ে গেল এবাদত আমি একটা জিনিস বুঝাইছিলাম সূরা ইয়াসিনের ৬০ নম্বর আয়াতে যে এবাদত শয়তানেরও হয় এবাদত আল্লাহর হয় এটা মনে আছে তো এবাদত শয়তানেরও হয় এবাদত কার হয়? আল্লাহর হয়।
অনেকে এটা বোঝেন নাই। সূরা ইয়াসিনের ৬০ নাম্বার আয়াতটা পড়বেন। আল্লাহ বলছেন যে হে আদম আলাদ আমি কি এই চুক্তি তোমাদের সাথে করি নাই? আল্লাহয় তোমরা শয়তানের এবাদত কিনা করবা না। মুস্তাকিম আমার এবাদত করবা। এটা হচ্ছে সিরা মুস্তাকিম। তাইলে মসজিদে চলতেছে আল্লাহর এবাদত আর প্রজেক্টর দিয়া খেলা চলতেছে। এটা কার এবাদত? এটাও কিন্তু এবাদত। তাহলে দুইটা পাশাপাশি চলতেছে। আল্লাহ যেটা না করতে বললেন আমার সন্তান গিয়ে ওখানে লিপ্ত হয়ে গেছে। এই হলো ব্যাপারটা। তো যে কথা বলতে এখানে কথাটা আসছে যে মানুষ আল্লাহর হুকুম মেনে আল্লাহর কাছে অনেক মর্যাদার আসনে চলে যায়।
আবার আল্লাহর হুকুম না মাইনা মানুষ কত বিপদে পড়ে জানেন? আল্লাহ বলছেন যে মানুষ শিরকে লিপ্ত হয়ে যায় সে যেমন আসমান থেকে পড়ে গেল আর পাখি তাকে ছু মেরে টুকরো টুকরো খাইয়া একবারে নেসতে নাবুদ করে দিল তার অস্তিত্বই আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ধ্বংসটা কেমন হইছে দেখছেন তার লাশেরও আর অস্তিত্ব নাই পাখি তার সমস্ত শরীর জাজ করে ফালাইছে কিচছু নাই অস্তিত্বহীন হয়ে গেছে আল্লাহ ছাড়া অন্যের ভালোবাসা যখন বেশি হয়ে যায়। আর আল্লাহর এবাদত বাদ দিয়ে মানুষ তখন অন্যের এবাদতে লিপ্ত হয়ে যায়। এখন আমরা অন্তত যারা এখানে মসজিদে আসছি আমরা আল্লাহকে ভালোবাসি। আমরা আল্লাহর কাছে মর্যাদা পেতে চাই।
আমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচতে চাই। আমরা জান্নাত চাই। আমার এটা ঠিক আছে নি কথা? >> সবাই চাইনি এটা? >> তাহলে এই ফেতনার যুগে আমরা কোন রাস্তাটা ধরব? এখানে আমি দুইটা পয়েন্ট বলছি। প্রথম পয়েন্ট হলো আমি একটু আগে পড়লাম আমরা বা দুনিয়াতে মানুষ আল্লাহর নাফরমান হচ্ছে পাপে জড়াচ্ছে বেশ কতগুলি কারণে তার এক নাম্বার কারণ হচ্ছে আল্লাহ সম্পর্কে তার ধারণার অভাব আল্লাহর আযাবের অভাব আল্লাহর আযাব কি জিনিস এই জিনিস জানার অভাব আল্লাহর জান্নাত কি জিনিস এই জিনিস জানার অভাব তাইলে তিনটা জিনিস বললাম আপনি কনতো মানুষ আল্লাহ থেকে বিমুখ হয়ে যাচ্ছে মৌলিকভাবে তিনটা কারণে কন তো কি কি তিনটা জিনিস বলছি জরুরি কথা সময় কম তাড়াতাড়ি কইবেন নাইলে আমি কথাটা আচ্ছা আমি আরেকটা মজার কথা সংক্ষেপে বলি মনে রাখবেন আজকে জুমার দিন না আজকে যত মানুষ এখানে মসজিদে আসছেন জুমার জোহরের টাইমে জুমা ছাড়া কি এত মানুষ আমরা আসবো হবে না আরেকটা জায়গায় আমরা সমবেত হই সেটার নাম কি? ঈদ।
বৎসরে দুইবার আর জুমায় সপ্তাহে একবার। আচ্ছা এখানে সবাই না জানলেও একটা জিনিস অনেকে জানেন রাসূলামের যুগেও ঈদ ছিলনি। জুমার দিন ছিলনি। নবী আলাইহিস সালাম জুমার সালাত পড়াইছেননি। খুতবা দিছেননি। ঈদের সালাত পড়ছেননি। আল্লাহর বিধান হচ্ছে কোরআন। তুমি সালাতে দাঁড়াইলে কোরআনের যেখান থেকে ইচ্ছা পড় আল্লাহ অপশন দিয়া দিছেন। আমি এখন দাঁড়াইবো আলহামদুর পরে আলাম তারা দিয়া পড়াইয়া দিব নামাজ শুদ্ধ। দিয়া পড়াই দিব সালাত শুদ্ধ। ফজরের নামাজে জুমার দিন আমি দিয়ে পড়া দিব। সালাত শুদ্ধ। নবী আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম জুমার দিনে ফজরের কেরাত আর জুমার দুই রাকাত সালাতের কেরাত এই দিনে ঈদের সালাত হলেও ঈদের কেরাতটাকে নির্দিষ্ট দুই তিনটা চার পাঁচটা সূরার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতেন হাদিসের বাস্য হচ্ছে এমন যে রাসূ জুমার দিন প্রথম রাকাতে রব্বিকাল আলা দ্বিতীয় রাকাতে হতাকা হাদিস গািয়া এটা পড়াতেন ওইদিন যদি ঈদ হয়ে যেত ঈদেও এই দুইটা পড়াতেন।
আমি মনে হয় আমার মনে হচ্ছে যে একদিন এ নিয়ে কিছু আলোচনা করেছিলাম। হয়তোবা করেছিলাম আমার একটু ধারণা আসতেছে। কিন্তু আমি আলোচনা করছি কিনা এটা বিষয় না। বিষয় আপনার কাছে আমার প্রশ্ন। আপনি আমার দ্বীনি ভাই মুসলিম ভাই। আপনি আল্লাহরে বিশ্বাস করেন বিধায় মসজিদে ঢুকছেন। এটা কি কোনদিন ভাবছেন বা এটা নিয়ে কাউকে প্রশ্ন করেছিলেন? যে কোরআনের আয়াত তো অনেক সূরা আছে। অনেক আয়াত আছে। যে আল্লাহর রাসূল জুমার দিন এত মানুষ জমা হয় আর তাদেরকে শোনানোর জন্য সূরা আলা বাছাই করলেন কেন আর গাশিয়া বাছাই করলেন কেন ঈদে মানুষ বেশি হয় জুমায় মানুষ বেশি হয় কি এমন জিনিস আছে এখানে আমি খুঁজতে খুঁজতে যেটা পাইছি আমার বিষয় এটা না আমি এখান থেকে সরতে হবে কিন্তু জরুরি কথা বিধায় এটা আসলো নবী সাল্লাল্লাহু সাললাম জানতেন যে জুমার দিনে বেশি মানুষ মসজিদে আসে ঈদের সময় বেশি মানুষ মসজিদে আসে বাকি অখতিয়া সালাতে মানুষ জামাতে সালাতে গুরুত্ব দেয় না।
অনেকে সালাত ওদিয়া নামাজটাও পড়ে না। শুধু জুমা পড়ে। আমার কথা মানতে কি কষ্ট হইলো? >> অনেক মানুষ এখানে আছেন ফজর পড়েন নাই। দুঃখিত। যারা পড়েন নাই তারা জানেন। কিন্তু জুমা পড়তে আসছেন। এইজন্য আল্লাহর নবী এই জুমার দিনে এই সূরাগুলি পড়ে শোনাইতেন। যাতে ওই মানুষগুলোর অন্তরে এই সূরার বিষয়টা গেতে যায়। এবং তারা শুধু জুমার মুসল্লি না হইয়া অতিয়া মুসল্লি হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ। এখন বলতে পারেন এই সূরাগুলোতে কি আছে? আলিফ লাম মিম তানজির কিতাবি ভাই সাভাই আপনি আজকে ফজর পড়াইছেন এই সূরা পড়ছিলেন না? তারপরে পড়ছিলেন দ্বিতীয় রাকাতে হালা ইনসান পড়ছিলেন না? এই এখন সূরা সেজদা হালাল ইনসানা আলাতা হাদিস গাশিয়া আজকে আজকে বাড়ি যাবেন আমার বিশ্বাস অনেকের বাড়িতে তরজমার কোরআন আছে তাফসীর আছে আর কিচ্ছুর দরকার নাই এন্ড্রয়েড মোবাইল তো এখন সবাই চালান এই চারটা সূরা সার্চ দিয়ে সূরার তরজমাটা পড়ে দেখবেন ব্যাখ্যা করার দরকার নাই পুরা চারটা সূরার মধ্যে তিনটা জিনিস পাবেন হয় আল্লাহ তার পরিচয় দিয়েছেন আর না হয় এখানে জাহান্নামের আজাবের আলোচনা করেছেন।
আর না হয় এখানে জান্নাতের নিয়ামতের আলোচনা করেছেন। এই চারটা সূরাতে প্রত্যেক সূরায় এই তিনটা বিষয় কোন না কোন ভাবে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সুবহানাল্লাহ। তার মানে কি দাঁড়ালো? মানুষ নামাজ পড়বে না। ফজরের সালাতে সে আসবে না। কেন আসবে? মানুষ কোন লক্ষ্য ছাড়া তার টার্গেট ছাড়া তার কোন উদ্দেশ্য ছাড়া কিচ্ছু করে না। নিঃস্বার্থে কেউ কিছু করে না। মানুষ সালাতে আসবে কখন? সালাতের বিধানটা কে দিছে? তারে যখন চিনবে তখন এজন্য আল্লাহ তোমার মহান রবের তাসবি পড়। তোমার রব কে? অমুক তমুক।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি অমুকপতি প্রধানমন্ত্রী অমুক দেশের এই সেই না তোমার রব আলা আলি আজিম আয়াতুল কুরসি আমি আজকে অনলাইনে একটা ক্লাস করাই সপ্তাহের দুইদিন তো আজকে এক ঘন্টার ক্লাসে এটাই ছিল যে কোরআনের ফজিলতপূর্ণ প্রত্যেকটা আয়াত প্রত্যেকটা সূরা যেগুলার স্পেশাল ফজিলত সূরা মুলক পড়লে কবরের আজাব মাফ আয়াতুল কুরসি নামাজের পড়লে জান্নাত আবার সকাল সন্ধ্যার জিকিরেও আছে আবার শোয়ার সময় আছে এই সবগুলি জমা করেন বিশ্বাস করেন আর না করলে পড়ে প্রমাণ করে নিবেন প্রত্যেকটার মধ্যে আল্লাহর পরিচয় প্রত্যেকটা সূরা এবং আয়াতের মধ্যে কুলহু আল্লাহু আহাদ ফজিলতের সূরা ওয়ান থারড অফ কোরআন কোরআনের এক তৃতীয়াংশ বলা হয়েছে সূরাতুল এখলাস সুরুসুল কোরআন কোরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান মর্যাদা রাখে সূরা এখলাস পুরা সূরাটা কি দেখেন নামাজ পড় রোজা করো যাকাত দাও ভালো চরিত্রবান হও দান করো একটা কথা আছে আহাদ আগে তুমি এটা বল তোমার রব একজন আল্লাহুস সামাদ তুমি জানো যে তোমার রব কারো মুখাপেক্ষী নন সমস্ত কিছু আল্লাহর মুখাপেক্ষী আমার
আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন আমার যত সমস্যা যে কোন প্রটেক্ট ছাড়া কোন সমস্যা ছাড়া কোন প্রতিরোধ ছাড়া আল্লাহ এটা সমাধান করতে সক্ষম একটা কথা বলি যে কোন মানুষ যদি কারো কাউকে বলে যে আমি তোমার এই সমস্যাটা দূর করে দিব তোমার অভাবটা মোচন করে দেব তখন তার জন্য দুইটা জিনিস লাগবে। একটা হচ্ছে তার এই সমস্যা সমাধানের সামর্থ্য থাকা যে সে এটা পারে। একজন টাকার জন্য বিপদে পড়ছে অসুস্থ চিকিৎসা করাতে পারতেছে না। এখন তার এক লাখ টাকা দরকার। এখন আপনি চাইলেন তারে হেল্প করবেন। কখন পারবেন? যখন আপনার কাছে এক লাখ টাকা বিদ্যমান আছে। আরেকটা জিনিস এখানে আছে। বলতে পারবেন কি? সেটা হল আপনি কাউকে কোন হেল্প করতে যাইয়া রাস্তা ক্লিয়ার থাকতে হবে।
কোন বাধার সম্মুখীন হয়ে গেলে টাকা থাকলেও আপনি নিতে পারবেন না। একজনরে আপনি এক লাখ টাকা দিবেন। কিন্তু আরেকজন দাড়ায়ে গেছে না তুমি দিতে পারবা না। হয়তো সে বলবে আমি দেব নালে ও তার দুশমন ও মরুক এটা চায় সে আপনারে দিতে দিবে না। টাকা থাকা সত্য পারবেন না। আল্লাহ সালি আর শব্দগুলো আমরা বলি এর এটা প্রমাণ হয় যে আল্লাহকে কেউ বিশ্বাস করলে আল্লাহকে কেউ মানলে আল্লাহ যে কারো যে কোন কাজ করে দিতে আল্লাহর সামর্থ্যেরও অভাব নাই। আল্লাহ কারো কাছে বাধারও সম্মুখীন হন না। সম্মানিত মুসল্লি ভাই বন্ধুগণ কথায় কথায় এখন যে বিষয়টা আসছে এটা অনেক সেনসিটিভ একটা বিষয়।
আমাদের মসজিদগুলোতে সম্মানিত আলেম ওলামা খতিব যারা আছেন যুগ যুগ ধরে যেটা শুনে আসছি খালি ফজিলত ভাই শুনতে শুনতে কান জ্বালাপালা। এই তাসবি পড় এই ফজিলত এই নামাজ পড়লে এই ফজিলত এই দোয়া পড়লে এই ফজিলত ফজিলত শুনতে শুনতে শেষ ভাই ফজিলত তো আগে না আগে হইল ঈমান আগে হইল আমার আল্লাহ এই ফজিলতের ওয়াজ করতে করতে মানুষ কি করছে ফরজ বাদ দিয়া নফলে ঢুকে গেছে আর ফরজ ঠিক না থাকলে নফল কোন কাজে আসে না ফাউন্ডেশন না দিয়া ছাদ দিতে পারবেন আপনি সারারাত নফল ইবাদত করলেন ফজর আর এশা বাদ দিলেন ও আল্লাহ কোন কাম হইছে এই জন্যই তো আমরা বলি যে আগে তাওহীদ আগে ঈমান আগে আমার আল্লাহ এই জ্ঞান মানুষকে না দিলে মানুষ শরীয়ত পালনে ভুল করবে আর করতেছে তো সারা বছর ফরজ নামাজের খবর নাই শবে বরাতে আসলে মসজিদে ঠাই নাই কি শবে বরাতে মসজিদে জায়গা নাই আর সারা বছর ফরজ নামাজের কি নাই খবর নাই
উল্ট দিছে না আল্লাহ আল্লাহরে না চিনার কারণ তাইলে একজন মানুষ আল্লাহমুখী হবে ফজর সে বাদ দিবে না সে ছটফট করে পাগল হয়ে যাবে ফজরের সালাত জামাতে না পড়লে যতক্ষণ এটা তার সামনে তিনটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে যাবে ততক্ষণ এই তিন জিনিসে তার অন্তরে গাবলা থাকলে তার দ্বারা কোন কাজই হবে না। আপনি কন এই তিনটা জিনিস কি? তার রবকে তাকে চিনতে হবে। এক নাম্বার দুই নাম্বার জাহান্নাম কি জিনিস? আল্লাহতে কোরআনে বর্ণনা করেছে এই সূরাগুলোতে আগুনে পবেত গরম পানি তাকে পান করতে দেওয়া হবে।
একবারে নারী বুড়ি শেষ হয়ে যাবে জিনিস হবে গলার মধ্যে আটকে যাবে গলতেও পারবে না ফেলতেও পারবে না পড়তে পড়তে পড়েন না একবার আলিফ কিতা আরেকটা কোনটা হালা ইনসান পড়ে দেখেন হালা ইনসানে আল্লাহ জান্নাতের কি নিয়ামত বর্ণনা করেছেন এই চারটা সূরা আমার অনুরোধ থাকলো আমি তো আর শাসকও না আমি আপনাদের উপরে ক্ষমতাও চালাইতে পারবো না তবে এতটুকু বলব যারা জীবনেও কোরআনের অর্থ পড়েন নাই এই চারটা সূরার পর তো অন্তত অনুবাদটা পড় মরে চারটা সূরার নাম আপনি কন তো জুমার দিন যে চারটা সূরা আল্লাহর নবী মানুষকে শোনাইতেন আর ঈদের দিন শোনাইতেন কন তোরা ২৬ >> হ্যা সূরা দাহার বা ইনসান একটা জায়গায়ও আপনি দেখবেন না বিভিন্ন বিধান বলা হচ্ছে এখানে সালাতের কথাটা আসছে এখানে পুরা সূরাগুলোর মধ্যে পাইবেন আল্লাহ তার পরিচয় দিয়েছেন আর জাহান্নামকে আল্লাহ তুলে ধরেছেন ও দুনিয়ার মানুষ দেখ আমার হুকুম না পালন করলে তুমি কোন আজাবের সম্মুখীন হচ্ছ জান্নাতকে তুলে ধরেছেন দুনিয়ার মানুষ তুমি
আমার হুকুম মানলে তোমার সামনে কি নিয়ামত আমি সাজায়ে রাখছি এইযে দেখ তার তালিকা ফেরেশতি দেখ চারটা সূরার মধ্যে এটা কথা প্রথম রাকাতে না আল্লাহ জাহান্নামের বর্ণনা দিতে দিতে যাই এক পর্যায়ে বলছেন আমি জান্নাতের নিয়ামত যত বলছি বলছি তো কিন্তু আসলে মানুষ জানেও না তার জন্য আমি কত নিয়ামত রেখেছি চোখ দেখে নাই অন্তর কল্পনা করে নাই কান কোনদিন শুনে নাই আপনি আমল করবেন না তো কারণ আমল করলে যে জান্নাত পাইবেন এটার লোভ আপনার মধ্যে তৈরি হয় নাই আপনার মধ্যে লোভ তৈরি হয়ে গেছে বাড়ি করা গাড়ি করা খেলা দেখা ওটা ওটা ওটা এজন্য ওগুলাতে সময় যায় সময়ের শেষ দিকে চলে আসলাম মৌলিক কথার কিছু কথা রয়েছে এখন এটা বলব এতক্ষণে কি বললাম আবার রিভিশন দেন প্রথমে কি বলছিলাম দুরুদের কথা তারপরে বলছিলাম পৃথিবী এখন পাপের দিকে আকৃষ্ট হয়ে গেছে পাপ ওপেন হয়ে গেছে অন্যায় বেশিরভাগ মানুষ জোড়ায়া গেছে যার কারণে কিয়ামতের আলামত আমাদের সামনে প্রকাশ পেয়ে গেছে এর ফলে আমাদের উপরে আল্লাহর আজব গজব ভূমিকম্প বন্যা অতি গরম অতিরা ঠান্ডা অতি ঠান্ডা সব আস্তে আস্তে নেমে আসতেছে।
ঈমান দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। আমল দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। আমাদের সন্তান সন্ততিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এটা যদি আপনারা বিশ্বাস না করেন আমি জানি। আগেও ছাত্র পড়াইছি এখনও পড়াই। ২২ ২৩ বছর থেকে ছাত্র পড়াই। কিন্তু আগের ছাত্রর পড়ার একটা আদব কায়দা বা পড়ার মুড। আর এখনকার আকাশ আর পাতাল। এখন ছাত্ররে যদি জিজ্ঞেস করায় তুই মাদ্রাসায় আইছ কি লাইগা বাপ মায় ভর্তি করা দিছে আমি আইবার চাই না তাজুদ করে পাঠাইছি আর আগে যদি ছাত্ররে জিগাইতাম তুই মাদ্রাসায় আইছো কি লাইগা কোরআন হাদিস শিখমু আল্লাহর দনের শিখমু জান্নাত পামু ভর্তি হইয়া বাড়িতে যখন ছুটি দেই ছুটি দেওয়ার পরে ছুটির দিন আয়না দৌড়ায় পলায়া জায়গা ওযে বন্ধু বান্ধবদের লগে মিলে খেল তামাশা করে তখন আমি মাদ্রাসায় পড়মু না আমি স্কুলে পড়মু ভাল লাগে কোরআন পড়া ভাল লাগে না।
মানে পুরা সমাজটা ওইদিকে ডাইভার্ট হয়ে গেছে। এলিমের স্বাদ কমে গেছে। এরপরে বলছিলাম যে পৃথিবীর মানুষ দুই ধরনের ভালোবাসায় আসক্ত। একদল আল্লাহর ভালোবাসায় আসক্ত আর অধিকাংশ মানুষ গাইরুল্লাহ। আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর ভালোবাসায় আসক্ত। এজন্য কেউ ফজরের সময় ফজরে গিয়া জামাতে সালাত আদায় করে। আর কেউ কেউ ওই সময়তে সারারাত জাগনা থাকে খালি কে গোল দিল আর কে আপনার শিরুপা নিতাছে ইহুদির খেলা খ্রিস্টানের খেলা দেখবার জন্য যার সাথে তার ঈমানের কোন সম্পর্কই নাই। এরপরে কি বলছিলাম? যে আল্লাহকে মানুষ মানে না আল্লাহর ভালোবাসা না থাকার কারণে। আর আল্লাহকে মানুষ মানবে তিনটা জিনিস হইলে। কয়টা জিনিস হইলে? তিনটা জিনিস। কন তো দেখি আপনারা।
এক নাম্বার কন আল্লাহর পরিচয় জানা। মুখস্ত করেন। মারেফাতুল্লাহ। এক নাম্বার কি? মারেফাতুল্লাহ। আরবি শব্দটা কন। মারেফাতুল্লাহ। আল্লাহর পরিচয় জানা। দুই নাম্বার মারেফাতু জাহান্নাম। জাহান্নামের আজব সম্পর্কে জানা। তিন নাম্বার মারেফাতু আল জান্না। জান্নাতের পরিচয় জানা। এই তিনটা জিনিস যখন মানুষের সামনে থাকবে যে আমার আল্লাহ এমন এমন এমন আমার সামনে জাহান্নাম এমন আজাব নিয়ে প্রস্তুত। আমার সামনে সামনে জান্নাত এত নিয়ামত নিয়ে প্রস্তুত। এই তিনটা জিনিস যখন অন্তরের চোখ দিয়া দেখবে, ওরে আপনি পিটাইয়া মাইরা লাশ কইরা ফালাবেন। এক চুল পরিমাণ আল্লাহর শরীয়ত থেকে নড়বে না। যেমন বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু, খাব্বাব রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু, আম্মার ইবনে ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু, ওই শুরুর দিকে যে সকল গরীব সাহাবী মুসলমান হইছিলেন, কি নির্যাতনটা চালাইছে আল্লাহ।
আল্লাহু আকবার। একবারে মাইরা ফালাইবো। উত্তপ্ত বালুর মধ্যে শোয়াইয়া রাখছে। আজাব আর আজাব। খালি একটা কথা কইছে কয় তুই এক আল্লাহরে মানি না। তখন ওই সময়ও কয় আহাদ। আল্লাহ একজন মানছি তো মানছি যা করবে কর। ফেরাউনের জাদুকররা মুসলমান হয়ে গেল। ফেরাউনে কয় আমি তোদেরকে শেষ কইরা দিমু। কয় যা ইচ্ছা তা কর। ঈমান আনছি তো আনছি। আর নড়বো না। ঈমান। আল্লাহর পরিচয়। এবার আরেকটা পয়েন্ট বলছি ওই তিনটা মনে রাখবেন তো না ভুলে যাবেন যে তিনটা জিনিস হইলে মানুষ আল্লাহরে মানবে আর এই এটা ছাড়া ফজিলত সারাদিন বললেও মানবেন এবার আরেকটা জিনিস বলি এখানে চারটা জিনিস পাইবেন আমি আজকে সকালে বলছি যে আমি যে বললাম আল্লাহর মহব্বত আল্লাহর পরিচয় আমরা পাইলে আল্লাহরে মানব আল্লাহর পরিচয় আমরা কিভাবে লাভ করতে পারব চারটা জিনিস করলে আল্লাহর পরিচয় আমরা পাব আল্লাহর সাথে আমাদের মহব্বত বাড়বে কন্ত চারটা কি কি একটা কন্ত দেখি কেউ না কেউ তো পারবেন আমি আমার বিষয়টা বুঝছেন তো
আমি আল্লাহরে চিনতে চাই আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্ক ভালোবাসা আমি বাড়াইতে চাই আল্লাহর সাথে আমি মর্যাদার পাত্র হইতে চাই আমাকে চারটা কাজ করা লাগবে একটা কন >> এলেম অর্জন করা আর কি বলি শোনেন মনে রাখার চেষ্টা করবেন আমি আজকে সকালে পড়ছিলাম সালেহ আল মুনাজ্জিদ রাহিমাহুল্লাহ তার একটা আছে আপনি এগুলা সার্চ দিলে পাওয়া যায় কিভাবে আমরা আল্লাহর ভালোবাসা বাড়ায়া নেব এটা দিয়ে আমি সার্চ করছিলাম ওই চারটা জিনিস সাথে সাথে চলে আসছে আল্লাহর সাথে পরিচয় এবং মহব্বত বাড়াইতে হলে এক নাম্বার যে কাজ হচ্ছে সেটা হচ্ছে মারেফাতু আসমাল্লাহি তালা উচ্চারণ করেন তো সবাই মারেফাতু আসমাল্লাহি তাআলা আল্লাহর যত সিফাতি নাম আছে আল্লাহ ছাড়া সাত্তার কাহার জব্বার রহমান রাহমদ গফ আছে না এই নামগুলি জানা তার অর্থের মধ্যে আল্লাহর পরিচয় লোকায়িত আছে এজন্য একটা হাদিসে আসছে যে ইন্নালিল্লাহ আল্লাহর ৯৯টা নাম আছে আল্লাহ নাম ছাড়া যদিও সংখ্যাটা এখানে বলা হয়েছে আরো বেশি নবী আলাইহিস সালাম বলছেন মান হাফিজ জান্না এই
নাম যে জপে সে জান্নাতে চলে গেছে সুবহানাল্লাহ তার মানে কি তার মানে এই নামের মধ্যে আল্লাহর পরিচয় আছে আর আল্লাহর পরিচয় যার মধ্যে চলে আসে সে আল্লাহর হুকুম এমনিতেই মানে লজিকটা দেখছেন এবার লজিক পাইছেন তো আল্লাহরে যে ভালোভাবে চিনে আল্লাহর মহব্বত যার মধ্যে পয়দা হয়ে যায় এমনিতেই সে নিজের উদ্যোগে আল্লাহর হুকুম মাইনা চলে দুই নাম্বার তাব্বুর আয়াতল্লাহ আল্লাহর কোরআন তেলাওয়াত বলা হয় নাই তাব্বুর বলা হয়েছে আল্লাহর এককটা আয়াত চিন্তা করা ভাবনা করা আল্লাহ আমার জন্য কি বললেন আরেকটা হচ্ছে জিকরুল্লাহ সবসময় আল্লাহর জিকির করা আল্লাহর স্মরণ করা তাইলে তিনটা কইলাম কি কি একটা হল আল্লাহর নাম আরেকটা হল কোরআন কোরআন তাব্বুর করা আরেকটা একটা হল জিকির করা।
আরেকটা আমার এই মুহূর্তে খেয়াল আসতেছে না। আমি পরে বলব না জেনে কথা বলা ঠিক না। এর মধ্যে আরেকটা আছে। তো তিনটা বললাম। একটা হল আল্লাহর নাম গুলির অর্থসহ জানা। আরেকটা হল কি? আপনার এই কোরআন চিন্তা করে পড়া। ভাইবা পড়া। চার নাম্বর হল সবসময় মাথার মধ্যে আল্লাহর ধ্যান খেয়াল জাগ্রত রাখা। এবার সবশেষে যেটা বলব সময় একদম নাই। সেটা হলো সূরা আনআমের ৮৩ থেকে এখানে কয়েকটা আয়াতে আল্লাহ তালা কয়েকজন নবীদের কথা বলেছেন ইব্রাহিম আলাইহি সালামের কথা বলে তিনি বলছেন হাইনাহ হাইনা তারপরে বলছেন সুলাইমান মুসা হারুন এ নাম শুনছেন কোনদিন নাম শুনছেন আরো দেখেনকারিয়ালিসাহ আবার বলছেন এই সমস্ত নবীদেরকে আমি কি করছি তিনটা কথা বলেছেন আমি তাদেরকে নির্বাচিত করেছি আমি জিজ্ঞেস করব পরে তিনটা তিনটা কথা আসবে তাবাইনাহুম আমি তাদেরকে নির্বাচিত করেছি দুই নাম্বার হল মুস্তাকিম আমি সঠিক পথের সন্ধান তাদেরকে দিছি চার নাম্বার হচ্ছে আলামিন সারা বিশ্বের উপরে তাদের মর্যাদা আমি দিছি সুবহানাল্লাহ নবীদেরকে আল্লাহ কি করলেন নির্বাচিত করলেন নবীদেরকে আল্লাহ কি করলেন সিরাতে মুস্তাকিমের উপরে পথ দেখাইলেন নবীদেরকে আল্লাহ কি করলেন সমস্ত পৃথিবীর উপরে তাদের সম্মান এবং মর্যাদা বাড়ায় দিলেন।
ওই যে শুরুতে বলছিলাম যে আল্লাহর কাছে আমরা সম্মানী কিভাবে হব? এখন লাস্ট প্রশ্ন লাস্ট উত্তর সময়ও শেষ। এই নবীরা সম্মান, এত মর্যাদা, এত সম্মান আর এই যে হেদায়ত পাইলেন, আল্লাহর কাছে নির্বাচিত হয়ে গেলেন। কোন গুণ দিয়া? তারা এমন কি করলেন? এর উত্তর আছে শেষে বলছি এটা আপনারা বাড়িতে গেলে বা এখানে আছে বা একটু নোট করে নিতে পারেন সূরা আম্বিয়া এর ৭৩ নম্বর আয়াত আর ৯০ নম্বর আয়াত যে নবীরা কিভাবে আল্লাহর কাছে এত মর্যাদা পাইলেন এ কথা বলে আমার খুতবা শেষ প্রশ্ন মনে আসছে কি প্রশ্নের উত্তর কম এখন নবীরা কিভাবে আল্লাহর কাছে এত মর্যাদা পাইলেন এত মানে তারা আল্লাহর প্রিয় হয়ে গেলেন সূরা আম্বিয়ার কত কত কইছি ৭৩ আর ৯০ ৭৩ আয়াতে আমি অনুবাদ করে শেষ করে দিব আমার হাতে টাইম নাই আল্লাহ বলছেন এই সমস্ত নবীদেরকে আমি নেতা বানাইছি ইমাম বানাইছি সুবহানাল্লাহ তারা কি করতনা আমার নির্দেশে তারা মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দিত মানুষকে ভালো
রাস্তা দেখাইত এরপরে আল্লাহ বলছেন কি কারণে তারা এই মর্যাদা পাইছে তারা সব সময় ২৪ ঘন্টা খালি ভালো কাজের দাদায় থাকত খালি ভালো কাজ এরপরে কি এটা আল্লাহ তাদেরকে ওহী করে জানায় দিছেন তাদের অন্তরে ঢুকে গেছে সালাতের মধ্যে তারা লিপ্ত থাকত যাকাত এগুলার মধ্যে তারা লিপ্ত থাকত শেষে বলা হছে পড়েন তো সবাই আর এই সমস্ত নবীরা আল্লাহর একনিষঠ এবাদত গুজার ছিল। এবার এই আয়াতের অনুবাদ করে শেষ ৯০ নম্বর আয়াতে যেটা বলা হচ্ছে আল্লাহ বলছেন আমি তাকে নির্বাচন করলাম তাকেইয়াহিয়া তার জন্য দান করলাম। তার স্ত্রীকেও অসুস্থ করে দিলাম।
এরপরে বলছেন নবীদের ব্যাপারটা ইন্নাহ তারা ভালো কাজে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে দিত কে কার থেকে বেশি ভালো কাজ করতে পারবে তারপরে কি করতবা তারা ভয়ে ভত সন্ত্রস্ত হইয়া আমার কাছে আশা নিয়ে আগ্রহ নিয়া সব সময় দোয়ার মধ্যে থাকত আমার কাছে খালি চাইতো শেষে কি আগের আতে বলা হছেলানা আবি আর ৯ তারা আমার জন্য বিনীত ছিল নরম ছিল আমার সামনে আত্মসমর্পণকারী ছিল টোটাল যেটা দাড়াইল যে আজাব গজব চলে আসতেছে বাঁচার উপায় হল আল্লাহরকে চিনা জাহান্নামকে চিনা জান্নাতকে চিনা এবং আল্লাহর কাছে মর্যাদা লাভের আশা এখন আল্লাহর কাছে মর্যাদা কারা পাইছে? নবী রাসূলরা পাইছে। সবচেয়ে বেশি মর্যাদাবান কারা? নবী রাসূলরা।
এখন আমরাও সেইদিকে মর্যাদার দিকে যাব। কারণ শুধু নবী রাসূ জান্নাত পাবে না। গেছেন আল্লাহ। এরপরে আরো আছে না? পরে কি? ও তাইলে আরো নবীর পরে আরো চারটা অপশন তো আছে আমরা নবী হইতে পারমু না ঠিক আছে নবুয়তের দরজা আল্লাহ বন্ধ করে দিছেন কিন্তু এই তিনটা তো খোলা আছে বুঝেন নাই কথা সিদ্দিকিন শোহাদা সহন এই তিনটার মধ্যে থাকলেও আমরা জান্নাতে চলে যাব এবং সেখানেও নবীদের সঙ্গে আমরা থাকতে পারব সুবহানাল্লাহ এইটার মধ্যে আসতে হলে এই শেষ কথা হইল আমরা আল্লাহর এবাদতকারী হব যত এবাদত তত মর্যাদা ঈমান ঠিক করব যত এবাদত তত মর্যাদা আল্লাহকে দোয়া করব আল্লাহর কাছে আল্লাহকে ডাকবো আর আল্লাহর এবাদতকারী হব আল্লাহর কাছে বিনীত থাকব আল্লাহ তালা আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দান করেন