লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: মুহাররম ও আশুরার সঠিক শিক্ষা

মুহাররম ও আশুরার সঠিক শিক্ষা



আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তাবারকতালার অসংখ্য অগণিত গুণগান তারিফাত এবং শুকরিয়া যে আল্লাহর দয়া এবং রহমতে আমরা নিরাপদে রয়েছি বেঁচে আছি এবং দ্বীন ঈমানের সাথে থেকে আদাবরস্ত এই সহীহ আকিদা মানহাজ চর্চার মসজিদে সালাতুল জুমা আদায় করার জন্য আসার তৌফিক লাভ করেছি আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সলামের প্রতি অসংখ্য অগণিত দরুদ ও সালাম নাযিল হোক আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ আল্লাহুম্মা বারিক আল্লাহু সাল্লিম আলাইহ অতঃপর সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আমাদের সবারই জানা আমরা যে আরবি মাসে অতি প্রবেশ করেছি এবং ইতিমধ্যে ১০ দিন অতিবাহিত হয়েছে সেটি হল আরবি মাসের প্রথম মাস। আরবি মাস হলো এবাদতের সাথে সম্পর্কযুক্ত মাস। আমলের সাথে সম্পর্কযুক্ত মাস। ফজিলতপূর্ণ মাস। কিন্তু আমাদের যেগুলো বাংলা মাস, ইংরেজি মাস এগুলো শুধু গুনাহ। গুনাহর সাথে সম্পর্কযুক্ত। পহেলা বৈশাখ আরো কি কি? ৩ফস্ট এগুলো কি? এসব মাসগুলো গুনাহর সাথে সম্পর্কযুক্ত। জাহান্নামের সাথে সম্পর্কযুক্ত। আর আরবি মাসের হল নেকির সাথে, সৎ আমলের সাথে, এবাদতের সাথে সম্পর্কযুক্ত। জান্নাতের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এইজন্য দেখবেন এই আরবি মাস নিয়ে কোন মাতামাতি নাই। কেমন? আরবি মাসের প্রথম দিন নিয়ে কোন মাতামাতি নাই। একমাত্র শিয়ারা কিছু বেদাত এবং কুফরি নিয়ে মাতামাতি করে। এবাদত নিয়ে কোন মাতামাতি নাই। শিয়ারা মহররম মাস ঢুকলে কি নিয়ে? শিরক, বেদাত, কুফরি এবং কুসংস্কার নিয়ে মেতে যায় তারা। ইসলামের কিছুই নাই। তো আলহামদুলিল্লাহ আমরা এই মহররম মাসের ইসলামের দৃষ্টিতে কোরআন সুন্নাহর দৃষ্টিতে কি আমাদের করণীয় কি বর্জনীয় কি জানার আছে এই বিষয়গুলো নিয়ে আজকে খুতবার জুমায় জুমার খুতবায় আলোচনা হবে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাবারকতালা আমাকে যেন এই বিষয়ে সঠিক জ্ঞান পরিবেশন করার তৌফিক দান করেন এবং আমাদের সবাইকে এলেম অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করেন। আল্লাহুম্মা আমিন। এই আশুরা মহাররমের একটি দিনকে বলা হয় আশুরা। আশুরা আশার থেকে। আশার মানে হলো ১০। দশম তারিখ। এই যে মহররম মাসের সম্পর্কে আমাদের কি কি বিষয় আছে জানার আলোচনা তো এইটার আমি একটা তালিকা দিয়ে শুরু করি আলোচনা মহাররম মাসের একটা ইতিহাস বা আশুরার একটা ইতিহাস সঠিক ইতিহাস এবং বেঠিক ইতিহাস সঠিক ইতিহাসটা কি আর বেঠিক ইতিহাস কি তারপরে মহাররম মাসের ফজিলত। মহাররম মাসের ফজিলত গুলো কি? তারপরে মহাররম মাস বা আশুরার সিয়াম এর বিভিন্ন হালাত চারটি অবস্থা পার হয়ে এসেছে। তারপরে এই মহাররম বা আশুরাকে কেন্দ্র করে দলাদলি কয়টা দল আছে আপনি কোন দলের সাথে মহাররম আশুরাকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের মধ্যে দলাদলি মুসলমানদেরকে ধ্বংস করেছে কি দলাদলি দলাদলিতে এত মজা পাইতেছে আর দলাদলির মধ্যে এমনিতো দলাদলি নিকৃষ্ট জিনিস জাহান্নামের দলাদলি হল জাহান্নামে যাওয়ার আমল আল্লাহর রাসূল সাল্লাম বলেছেন না আমার উম্মত অতীতে বানু ইসরাইলেরা ৭২ ভাগে বিভক্ত হয়েছিল আর আমার উম্মত উম্মতে মোহাম্মদ ৭৩ দলে বিভক্ত হবে ৭৩ দলে দলাদলি না করলে ৭৩ দল হয়তো আল্লাহ রাসূল সাল্লাম বলছেন ৭৩ দল যে হবে এই ৭৩ দলের মধ্যে ৭২ টা জাহান্নামী তাহলে দলাদলি করা জাহান্নামী আমল এটাও একটা আমল জাহান্নামে যাওয়া সহজ হয়ে যাবে এর মাধ্যমে। তারপরে তো এমনি তো ধর্মীয় কারণে কোরআন এবং হাদিসের অপব্যাখ্যার কারণে এই দলগুলো হবে। একটা থাকবে মূল ধারার উপরে। আর বাকিগুলো সব হলো বিচ্ছিন্ন। বাকি দলগুলো কি? সব বিচ্ছিন্ন। একটা দলের সম্পর্ক থাকবে রাসূুল্লাহ এর সাথে, সাহাবায়ে কেরামের সাথে। আর বাকিগুলো ইসলামের নাম ভাঙ্গাবে। নবীর নাম ভাঙ্গাবে। আল্লাহর বান্দা দাবি করবে। রাসূলের উম্মত দাবি করবে। রাসূলকে সবচেয়ে তারাই বেশি ভালোবাসে এমন দাবিও করবে। কিন্তু সব জাহান্নাম। সব জাহান্নামী। আল্লাহ রাসবারে ভেঙ্গে বলে দিয়েছেন ৭২টা জাহান্নামে যাবে জান্না একটা মাত্র দল জান্নাতে যাবে তাহলে এটা এই দলটা কিন্তু দলাদলির দল না মূলধারা মূল ধারার দল এই দলে আমাদেরকে থাকতে হবে তাহলে এই মহাররম আশুরাকে কেন্দ্র করে জাহান্নামী দল আছে এবং সহি দলও আছে। এই সহি দল আর জাহান্নামী দল মিলিয়ে কত? কয়টা দল? তিনটা দল। একটা হলো আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত। বা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের দল। সাহাবায়ে কেরামের দল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাম যেই দলটাকে জান্নাতি বলেছেন আর এই দল এই দলকে চিনার উপায় হলো দলাদলি করতে করতে করতে করতে সব যখন দল করে শেষ করল এরপরে বাকি আছে যারা ওইটি হল জান্নাতি দল এরা আর কোন দলে যাচ্ছে না এদের কোন দল নাই সব দল করতে করতে এটা আকরাম জামানের দল এটা হল অমুক ডক্টরের দল এটা হল অমক অলি আল্লাহর দল এটা হল অমক অমক পন্ডিতের দল এ ইত্যাদি করতে করতে এখন কিছু মানুষ পাওয়া গেল এদের কোন দল নাই কোন দলে যায়নি এইটাই হল সেই দল যেটা জান্নাতে যাবে কিন্তু বাংলাদেশে আপনি খালি লোক পাবেন এই মসজিদে হিসাব করা শুরু করেন প্রত্যেকের দলীয় পরিচয় আছে দলীয় পরিচয় নাই এই লোকগুলো হল জান্নাতি দল যখন কোন দলীয় পরিচয় নাই অমুক সাহেবের দল অমুক পন্ডিতের দল অমুক জান্নাতি দল জান্নাতি দল নাম রাখলো সেটা জাহান্নামী আসেন আমরা আজকে নামাজের পরে একটা দল গঠন করব দলের নাম হল ডাইরেক্ট একশন জান্নাতি দল কে কে সদস্য এটাও জাহান্নামে যাবে। যখনই বলা হলো এই যে জান্নাতি দলের সভাপতি শেখ আকরামুজ্জামান এবার সহসভাপতি এবার চাই সেক্রেটারি এবার এই সেই ইত্যাদি কি জান্নাতি দলের কোন লাভ নাই। এটা হচ্ছে জাহান্নামী দল হল। দলাদলিটা একেবারেই নিষেধ। সাহাবীর জন্য নিষেধ ছিল। সাহাবীদের জন্য নিষেধ ছিল। আর দলাদলিকে জাহান্নামী জাহান্নামী আমল বলতে হবে। জাহান্নামী কারবার বলতেই হবে। জাহান্নামী কারবার এটা বলতে হবে। এটা হল দলীয় হিসাব। সদস্যদের মধ্যে জান্নাতি লোকও থাকতে পারে। সদস্যদের মধ্যে ভুল ভুল বুঝে ওই দলের নাম লেখাইছে। ভুল বুঝার কোন দলীয় জিনিসটাই জাহান্নামী। কিন্তু ভুল বুঝে এমন সুন্দর একটা বর্ণনা এবং বক্তব্য দিয়েছে যে দলে চলে গেছে। আয়েশা রাদিয়াল্লাহুকে একটা দলে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু জান্নাতি মহিলা। ইহকালে নবীর স্ত্রী পরকালে নবীর স্ত্রী। কিন্তু একটা দলে চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আল্লাহু আকবার। কি বলেন? তাহলে ভালো মানুষ দলে যাইতে পারে না ভ্রান্ত দলে ভালো মানুষ চলে যাইতে পারে চাচিক্যপূর্ণ বুঝ দিয়ে বুঝিয়ে সুজয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তলহা জুবা তলহা জুবা তলহা জান্নাতি জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত রাসূুল্লাহের কন্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল জান্না জান্না এরকম শব্দ উচ্চারিত অথচ বাতিল দলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বুঝিয়ে সুজিয়ে আপনি বলবেন এত ভালো মানুষ দলে গেল কেমনে কি বুঝলেন আপনি আয়েশা রাদিয়াল্লা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পরে আয়েশা তওবা করছিলেন বাড়িতে ফিরে এসে সেই দল তাকে দলে নিয়ে গিয়ে আমাদের দেশের মানুষেরা তার দলীয় অবস্থানেরও প্রশংসা করেদলীয় অবস্থান আয়েশা রাদি একটা দলীয় অবস্থান একসময় ছিল সেটার প্রশংসা করে বলে যে মহিলা নেতৃত্ব জায়েজ আছে আয়েশা নেতৃত্ব দিছেন কিসের নেতৃত্ব দিছিলেন জাল যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এইযে জঙ্গে জামা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আয়েশা নিজে যাননি তাকে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল একটা দল সেই দলটার নাম আপনারা জানেন আব্দুল্লাহ বিন সাবা বা ইহুদি সাহাবীদেরকে নিয়েও একটা দল করে ফেলেছিল। ইহুদি মানুষ তো তার চক্রান্ত আর মুমিন মুসলিমরা তো সরল সোজা হয়। বোঝে না। আল্লাহই তাদেরকে শুধরায় দেয় একসময়। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আসলে নেতৃত্ব দিতে যাননি। যারা বলবে যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু আনহা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন উসকের যুদ্ধে এরা সব বাতিল। বাতিল বুঝের উপরে আছে ভ্রান্ত বুঝের উপরে আছে তবে এটা ছিল কিসের দল ওসমান হত্যাকারীদের বিচার বিচার করার দল কত সুন্দর না ওসমান হত্যাকারীদের বিচার করতে হবে বিচার করার জন্য একটা দল গঠন করা হয়েছে এই দলের কাম হল উষ্টের যুদ্ধে কুষ্টের যুদ্ধ বাধাই দেওয়া| আয়েশাও চাই নাই তলহাও চাই নাই জুবায়েরও চাই নাই এই যে আব্দুল্লা বিন সাবাল ইহুদি লাগাই দিছে এগুলো সম্পর্কে তো আলোচনা করা হয়েছে আয়েশা রাদিয়াল্লাহ যখন দেখতেছেন যে দুই দল যুদ্ধে যুদ্ধের মুখোমুখী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তখন তাড়াতাড়ি করে যুদ্ধের মাঠে আসলেন দুই দলকে থামানোর জন্য। ততক্ষণে এত তারা যুদ্ধের কাছাকাছি চলে গেছে। এত মেতে গেছে যুদ্ধের জন্য যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থামাইতে থামাইতে দুই পক্ষ লেগে গেছে মারামারি। যখন মারামারি লেগে যায় আর কি করবেন আপনি? এতগুলো লোক হাজার হাজার লোক। মারামারি আর থামাইতে পারে না। একটা মহিলা কিভাবে থামাবে? দেখা গেল দুই পক্ষে লাশ পড়া শুরু হয়ে গেল। লাশ লাশ পড়তেছে। আহত নিহত হতাহতের মিছিল। এমনকি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাও আঘাত প্রাপ্ত হলেন তীরের আঘাতে উনার ঘোড়াটা বা উনার উটটা পড়ে গেল মাটিতে। উট যদি পড়ে যায় তো উনি কি এই উট পিঠের উপরে স্থির থাকবেন? উনিও পড়ে গেছেন। উনিও হালকা আহত হয়েছেন। কিন্তু আলী রাদিয়াল্লাহ দল এটা দেখতে পেয়েছেন যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহ উনি যুদ্ধ থামাইতে আসছিলেন। থামাইতে আইসা কেবা কারা তীর মেরে দিয়েছে। তখন তাড়াতাড়ি আলী রাদিয়াল্লাহর বাহিনী এসে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে সেভ করেছেন। আর এই ফেতনার মধ্যে তলহা জুবায়েরও কিন্তু শহীদ হয়ে গেছিলেন। দুইজন জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত। এই দলটাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাম ভবিষ্যৎবাণী করে বলেছিলেন এটা জাহান্নামী দল। কিন্তু জাহান্নামী দলে আয়েশাও চলে গেছিলেন। তলহা জুবাকে নেওয়া হয়েছিল ভুল বুঝিয়ে। কি বুঝানো হয়েছিল? ওসমান হত্যাকারীদের বিচার চাই। ওসমান হত্যাকারীরা কোথায় আছে? কুফাতে লুকিয়ে আছে। এজন্য তারা মদিনা থেকে বের হয়ে কুফা চলে গেছে। কুফাতে ছিল সবচেয়ে বেশি। ওসমান হত্যাকারীরা ৬০০০ লোক ওসমান হত্যায় শরিক হয়েছিলেন মদিনার এই ফেতনায় ৬০০০ নেতৃত্ব দিয়েছিল কি আব্দুল্লাহ বিন সাবা আলী ইয়াহুদি এই ৬০০০ লোক তার মধ্যে ৩০০০ হল এই কুফাতে বসবাসকারী আর বাকিরা বিভিন্ন জায়গা থেকে সিরিয়া মিশর এবং আরো অন্যান্য জায়গা থেকে ফিতনা এই দলাদলি দেখেন কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছে এই আল্লাহ রাসূ বলছিলেন দুইটা শব্দ সহী বুখারীর মধ্যে আছে আম্মারকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন আম্মার তোমাকে হত্যা করবে একটা বিদ্রোহী দলে আম্মার তোমাকে হত্যা করবে একটা বিদ্রোহী দল মুসলমানদের বিদ্রোহী দল তা আম্মারকে আবার বলতেছে কি অবস্থায় আম্মার শহীদ হবেন আম্মারের অবস্থান হল ইয়াদল জান্নাতি আম্মার যেই বিদ্রোহী দলটা প্রতিপক্ষ দল হবে সেই দলকে আম্মার জান্নাতের দিকে দাওয়াত দেওয়ার অবস্থায় শহীদ হবেন। আর ওই প্রতিপক্ষ দল দলের অবস্থান কি? জাহান্নামের দিকে দাওয়াত দিবে। আর আম্মার কিসের দিকে দাওয়াত দিবে? একটা বর্ণনায় আছে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিবে। আরেক বর্ণ আছে জান্না জান্নাতের দিকে দাওয়াত দিতে যেয়ে উনি শহীদ হবেন আর প্রতিপক্ষ দল এক নম্বর আল্লাহ রাসূ গুণ বললেন যে বিদ্রোহী দল হবে আর তারা কি করবে আম্মারকে জাহান্নামের দিকে দাওয়াত দিবে আমাকে এই বিদ্রোহী দলের নেতা কে ছিল মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু উনি জান্নাতি সাহাবী বিদ্রোহী দল এইজন্য বলেছি যে দলাদলি যার মাধ্যমেই ঘটবে এই দলাল দলি হল জাহান্নামী কারবার আল্লাহ রাসূ কি বললেন এই দলটা কি করবে জাহান্নামের দিকে দাওয়াত দিবে আম্মারকে এমন অবস্থায় আম্মার শহীদ হবেন আর আম্মার দাওয়াত দিবেন আল্লাহর দিকে এবং আরেক বর্ণনা আছে জান্নাতের দিকে। আর ওই দলের লোকেরা আম্মারকে দাওয়াত দিবে জাহান্নামের দিকে। জাহান্নামের দিকে মানে দলের দিকে। দলের দিকে দাওয়াত দেওয়াটাই হল জাহান্নামের দিকে। দাওয়াত দিতে হবে আল্লাহর দিকে। দাওয়াত দিতে হবে জান্নাতের দিকে। কোরআন সুন্নাহর দিকে। কোন দলের দিকে দাওয়াত দেওয়া যাবে না। দাওয়াত দিয়ে দলের দিকে দাওয়াত দিলে সেই দল যদি কোন সাহাবীও গঠন করে সেটাকেও কেউ বলা হবে? মানে সহীহ দলের বিপরীতে ইবনে আব্বাসকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল এবং মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু নিজেই জিজ্ঞেস করেছেন ইবনে আব্বাস আপনি তো খুব পন্ডিত মানুষ শিক্ষিত কোরআনের এক নম্বর মুফাসসির মুফাসসিরীন আপনি রাসূুল্লাহ সলামের বিশেষ দাওয়াত প্রাপ্ত দোয়া প্রাপ্ত আপনি বলেন আপনি ক্লিয়ার করেন আপনি কোন দলে কোন দল আপনার পছন্দ ওসমানের দল নাকি আলীর দল? মবি যে দল গঠন করেছিল এই দল দলের নাম হল ওসমানের দল। কারণ ইস্যুটা ছিল কি? ওসমান হত্যার বিচার চাই। এইজন্য এটা মুয়াবিয়ার দল ছিল না। এটা ছিল আলীর চেয়েও উত্তম সাহাবী। ওসমানের নামে খোলা দল। ওসমানের নামে খোলা দল। ওসমান হত্যার বিচার চাই। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু দল গঠন করেছিলেন। অথচ রাসূলের ভবিষ্যৎবাণীতে পাওয়া যায় এটি সেই বিদ্রোহী দল। এটা বিদ্রোহী দল। আমরা যে বলি আমিরে মুয়াবিয়া। আমিরে মুয়াবিয়া। এই দল পরিচালনার কারণে আমিরে মুয়াবিয়া খেতাব উপাধি পায় নাই। জেনে রাখতে হবে। ভুল ভাঙতে হবে। এই দল পরিচালনার জন্য আমিরে মুয়াবিয়া উনি ছিলেন না। আলী রাদিয়াল্লাহুর মৃত্যুর পর হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু, আলীর পুত্র, বড় পুত্র, হাসানের হাসান যখন খেলাফতের দায়িত্ব নিলেন, ছয় মাস খেলাফতের দায়িত্ব পালন করার পর, পদত্যাগ করে, যখন মুয়াবিয়াকে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিলেন, সেই দিন থেকে হলো মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু, আমিরে মুয়াবিয়া। উনার দুইটা পর্ব আছে। একটা হল বিদ্রোহী দলের প্রধান আমির। বোঝা গেছে? আরেকটা হল জামাতুল মুসলিমিনের আমির। উনার আমিরের খেতাবটা কেন? আমিরে মুয়াবিয়া বলা হয় না। আমিরে মুয়াবিয়া বলার পর্ব হলো এইটা। হাসান পদত্যাগ করে যখন মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বুঝিয়ে দিলেন ক্ষমতা। আর গোটা মুসলিম জাহানের যত ফেতনা ফাসাদ সব মিটে গেল। ওসমান হত্যার বিচারকারী ওসমান হত্যার বিচার এটাও নিরষণ হয়ে গেল। কিন্তু কিভাবে নিরোষণ হইলো জানেন? না বিচার করার মাধ্যমে নিরশন। এতদিন গন্ডগোল করে এত যুদ্ধ বিগ্রহ করে জঙ্গ জামাল করে যুদ্ধ করে। ওসমান হত্যার হত্যার বিচার হয় নাই। বিচার হয় নাই মানে এটা বিচার সম্ভাবনা। মহাবিজ ক্ষমতায় এসেও বিচার করতে পারে নাই। এটা বিচারহীন অবস্থায় মীমাংশিত হয়ে গেল। জানেন ইতিহাস বিচারহীনভাবেই কি হয়ে গেল? ফেতনা শেষ হয়ে গেল। বিচার চাই বিচার চাই। এ একটা বিরাট ফেতনা ছিল। ৬০০০ লোক আপনি কি এই যুগে হত্যা করতে পারবেন? অভিযোগ তো ৬০০০ লোক সুনির্দিষ্ট কাকে আপনি দায়ী করবেন সেটাই তো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ময় এতদিন দল পরিচালনা করলেন ওসমান হত্যার বিচার চায় উসমানি দল পরিচালনা করলেন অথচ তিনি যখন ক্ষমতায় আসলেন পাওয়া যায় কোন ইতিহাসে পড়ছেন যে মবিয়া রাদিয়া ক্ষমতায় সমস্ত জামাত একত্রিত হয়ে গেল মুসলিম জাহানের খলিফা হয়ে গেলেন মুসলিম মুসলিম জাহানের একচ্ছত্র আমির খলিফা খলিফাতুল মুসলিমিন আমিরুল মুমিনন মবি রাদিয়াল্লাহু আনহু উনার যদি এই পর্বটা না থাকতো তাহলে ওই যে বেদাতিরা গালি দেয় না বেদাতিরা যে কিছু গালি দেয় গেলে গালিগালাজ করে না কিছুটা প্রযোজ্য হয়েই যেত অনেকেই কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ উনার জীবনের পাতা একেবারে পরিষ্কার সব দায়মুক্ত হয়ে গেছে সবকিছু থেকে দায়মুক্ত কারণ সমস্ত মুসলমান তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে মেনে নিয়েছে কারো আর অভিযোগ ছিল না একমাত্র বর্তমান যুগের কিছু বেদাতিদের অভিযোগ এখনো রয়ে গেছে এদেরকে বেদাতি বলব এদের দ্বারা ইসলামের কোন উপকার হবে না যারা মবি গালি দেয় যারা কাফের মুরতাদ বলছেন এরা হল এরা হল ইসলামের আবর্জনা এরা হল সব হত্যাযোগ্য লোক এদেরকে যদি হত্যা করার কোন উপায় থাকতো ইসলামী রাষ্ট্র এরকম থাকতো তাহলে হত্যা করে এদেরকে শেষ করে দেওয়া হতো বিরাট বড় ফেতনাবাজ মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে গালি দেওয়া আমিরে মুয়াবিয়া এটা ঠিক কথা রাদিয়াল্লাহু আনহু ওরাওয়ান তো আলহামদুলিল্লাহ তো দলাদলি তিন দল মহাররম আশুরাকে নিয়ে তিন দল একটা হল আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের দল আরেকটা হল খারিজীদের দল খাওয়ারেজ জাহান্নামের কিট বলা হয় এদেরকে জাহান্নামের কুত্তা বলা হয় এদেরকে আরেকটা হল শিয়াদের দল শিয়া চিনেন তো ইন্নালিল্লাহি ওনা শিয়া চিনেন মুসলমান বাংলাদেশে মুসলমান শিয়া চিনেই না আমি এবার হজে গেলাম হাজী সাহেবরা তো শিয়াদের প্রশংসা করছে মিনা আরাফাতের মাঠে একজন তো আমাকে বলেই ফেলল আমি কানাডায় থাকি শিয়াদের ইসলামী স্কুল আমার পছন্দ আমার স্ত্রী শিয়াদের স্কুলে ভর্তি হইতে বলে ছাত্র আমার সন্তানকে শিয়ারের ইসলামিক স্কুলে ভর্তি করার জন্য আগ্রহী ওখানে খুব ভালো লেখাপড়া হয় ইত্যাদি ইত্যাদি শুনতে শুনতে আমার কান জ্বালাপালা একজনও হাজী পাওয়া যাচ্ছে না যে শিয়া চিনে হাজীরা তো নির্বাচিত মানুষ বাছাইকৃত মানুষ সবাই তো হজে যায় না যাদের ইসলাম ইসলামের বুঝ আছে যারা ইসলামের দরদ আছে ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান রাখে এরকম লোক কিন্তু শিয়া সম্পর্কে একজনেরও জ্ঞান নাই তাই আমি আরাফ মিনার মাঠে তিন ঘন্টা আলোচনা করেছি শিয়া তারপরে তারা বুঝল যে হায় হায় শিয়া এত নিকৃষ্ট জিনিস অথচ আমরা শিয়ার গুণগান গাইতেছি এখনো গুণগান গাচ্ছি এখনো তো বাংলাদেশের ৯৯ পয়েন্ট ৯৯ পয়েন্ট মুসলমান শিয়াদের পক্ষে হুচুকে বাঙালি এদের পরিচয় হল হুসুকে বাঙালি কোন লেখাপড়া নাই কোন জ্ঞান নাই মূর্খতার বলে মূর্খতার শক্তিতে তারা এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে থাকে এটা মূর্খতার দোষ কি বলব মূর্খদের দোষ না মূর্খতার দোষ এই শিয়া মহাররম আর আশুরাকে মিলিয়ে তিনটা দল আসলে জুমার খুতবায় তো বেশি আলোচনার সুযোগ থাকে না এক নম্বর হলো ফজিলত ফজিলত হল হারাম মাস এই মহাররম হল একটা হারাম মাস তাই না? চারটা আল্লাহ তাবারকতালা সূরা তওবার ৩৬ নম্বর আয়াতে বলেছেন যে নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকটে মাসের গণনা হলো ১২টি। এবং আল্লাহ এটা কি বলছেন? ফি কিতাবিল্লাহ। এটা আল্লাহর কিতাবের মধ্যে আছে। আর পহেলা বৈশাখ কার কিতাবে আছে? আল্লাহর কিতাবে আছে? বাঙালির কিতাবে আছে হিন্দুদের কিতাবে আছে শয়তানের কিতাবে আছে আমরা খারাপ বলতেছি না খারাপ করে দিয়েছি এইজন্য আমরা এই কথাগুলো বলছি বাংলা মাসও খারাপ না কিন্তু আমরা খারাপ করে দিয়েছি ইংরেজি মাসও আমরা খারাপ বলি না কিন্তু ইংরেজি মাসকে আমরা কলুষিত করেছি শিরক বেদাত চর্চা করি এই মাস এইসব ইংরেজি বছরইং ইংরেজি মাস ধরে বাংলা বছর বাংলা মাস ধরে আসলে খারাপ না আমরা খারাপ করে ফেলেছি আল্লাহ বলছেন আর এই যে ১২টা মাস আরবির ১২টা মাস এটা যেদিন আল্লাহ আসমান সৃষ্টি আসমান জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিন থেকেই পুরান ইতিহাস আরবি মাসের ইতিহাস পুরান ইতিহাস আসমান জমিন সৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত তো মিনহার বাদুন হরম এর মধ্যে চারটি হল হারাম মাস। চারটি হারাম মাসের মধ্যে একটি হল মহাররম। তাহলে ফজিলত পাওয়া গেল। আর এই মহাররম মাসের হাদিসের মধ্যে আছে। কি বলে? হাদিসের মধ্যে এর একটা নামকরণ করা হয়েছে। শাহরুল্লাহ। শাহরুল্লাহ। মানে আল্লাহর মাস। আল্লাহর মাস তো সবগুলোই। আল্লাহর মা সবগুলোই আহলুল্লাহ আল্লাহ বলছেন আল্লাহর পরিবার আল্লাহর পরিবার কারা যারা কোরআনের জ্ঞান অর্জন করে কোরআনের জ্ঞানে যারা আলোকিত তারা হল আল্লাহর পরিবার মানুষের মধ্যেই মুসলমানদের মধ্যেই যারা কোরআন বিশেষজ্ঞ তাদেরকে হাদিসে বলা হয় আহুল্লাহ আল্লাহর পরিবার মানে আল্লাহর বিশেষ বান্দা আমরাওতো বান্দা কিন্তু হল আল্লাহ আল্লাহর বিশেষ বান্দা মাস তো সবগুলোই আল্লাহর কিন্তু মহররম হলো আল্লাহর বিশেষ মাস যে মাসকে আল্লাহ পছন্দ করেন প্রথম মাস বানিয়েছেন তারপরে এই মাসের সিয়াম হল আফজাল সিয়াম মহাররমের সিয়াম হল আফজাল সিয়াম উত্তম সিয়াম সর্বোত্তম সিয়াম আল্লাহ রাসূ বলছেন বর্ণিত হাদিসে মুসলিম শরীফে আছে যে সর্বোত্তম সিয়াম হল রমজানের পরে আল্লাহর মাস মহাররমের সিয়াম। আর সর্বোত্তম সালাত হল ফরজ সালাতের পরে কেয়ামুল্লাইল। রাত্রে তাহাজ্জুদ যে পড়ি আমরা। এটা এটা হল তৃতীয় ফজিলত। উত্তম। মহররমের সিয়াম হল উত্তম। কিন্তু মহররমের সিয়াম বলতে কি বুঝবো? পুরা মাস না। অনেকেই বলে যে প্রথম দশক এক তারিখ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত। কিন্তু এটার সহি কোন স্পষ্ট দলিল পাওয়া যায় না। ব্যাখ্যা পাওয়া যায়, মতামত পাওয়া যায়, মন্তব্য পাওয়া যায়। আর সহি দলিল দ্বারা পাওয়া যায় ৯ তারিখ এবং ১০ তারিখ। ৯ তারিখ গতকাল গেছে আজকে ১০ তারিখ। আর এই যে ১০ তারিখের ফজিলত এই সম্পর্কে বলা হয়েছে আতাসল্লাহ আল্লাহ রাসূ বলছেন আমি আশা করি যে এই আশুরার সিয়ামের মাধ্যমে মহাররমের সিয়াম বলতে আশার সিয়াম আশুরার সিয়াম বলতে তার পূর্বের দিন সহ তারিখ এবং ১০ তারিখ এর মাধ্যমে কি হবে গত এক বছরের গুনাহ আল্লাহ মাফ মাফ করে দিবেন। আল্লাহু আকবার। তাহলে এখানে কি শিথিলতা করা যায়? অবহেলা, অলসতা প্রদর্শন করা যায়? কার গুনাহ নাই? সবারই তো গুনাহ আছে। গুনাহ মাফ করার জন্য অবশ্যই আমাদের এই সিয়ামের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত এবং সিয়াম পালন করা উচিত। এটা গেল ফজিলত। এরপরে হল এই আশুরার সিয়ামের বিভিন্ন অবস্থা আমরা পাই। যেটা আমরা যেটাকে আমরা তারিখের মধ্যে ইতিহাসের মধ্যে ঢুকাইতে পারি। এক নম্বর হলো নবী রাসূলগণ এই আশুরার সিয়াম পালন করেছেন। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের দৃষ্টিতে এটা এমন একটা দিন এমন একটা মাস যে এই মাসের ফজিলত নবী রাসূলদের যুগেও অতীতের নবী রাসূলদের যুগেও স্বীকৃত ছিল। এর অস্তিত্ব ছিল। এটা ইবনে রাজব হাম্বালী রহিমাহুল্লাহ প্রমাণ করেছেন। বিভিন্ন রওয়েত বিভিন্ন বর্ণনা নিয়ে এসেছেন। এমনকি নূহ আলাইহিস সালাতুওস সালাম তিনি যে নৌকায় চড়ে মহাপ্লাবন থেকে বেঁচে ছিলেন এই মহাপ্লাবন থেকে রক্ষা পাওয়ার দিনটা ছিল আশুরা। সেদিন শুকরিয়া স্বরূপ তিনি যখন কাফেররা, মুশরিকরা সব আল্লাহদ্রোহী, আল্লাহর দুশমন নূহ নবীর দুশমন ঈমান ইসলামের দুশমনরা যখন মারা গেল সবাই তিনি তো তার মুমিন বাহিনী নিয়ে নাজাত পেলেন তখন শুকরিয়া স্বরূপ এই আশুরার দিন সিয়াম পালন করেছিলেন। আর সেই দিনটা ইবনে রজব হাম্বালী রাহিমাহুল্লাহ বর্ণনা নিয়ে এসেছেন হাদিস থেকে যদিও কিছু সনদে দুর্বলতা আছে। উনি বলছেন যে তিনি শুকরিয়া স্বরূপ এই আশুরার সিয়াম পালন করেছেন তখন থেকেই আশুরার সিয়ামের ইতিহাস ইতিহাস তাহলে পুরানা না তাহলে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের দৃষ্টিতে আশুরার ইতিহাস হল পুরানা আর শিয়া বেদাতিদের দৃষ্টিতে আশুরার ইতিহাস হল ৬১ হিজরীর মহাররমের ১০ তারিখ হাসান হোসেন রাদিয়াল্লাহু শহীদের মাধ্যমে বেদাতিদের ইতিহাসে শিয়াদের ইতিহাস মুরতাদ শিয়াদের ইতিহাস হল এটা আহলে সুন্না জামাতের ইতিহাস হল পুরন নবীদের যুগ থেকে নবী এবং রাসূলদের যুগ থেকে আউ রাসূ নূহ আলাইহি সালাতু সালাম সর্বপ্রথম রাসূ ছিলেন নূহ আলাইহি সালাতু সালাম তিনি নাজাত পাওয়ার পর এই আশুরার দিনে নাজাত পেয়েছিলেন তার পাহা তার নৌকাটা যুদি নামক এক পাহাড়ে অবতরণ করেছিলেন। অবতরণ করেছিল এবং তখন তিনি তার মুমিন বাহিনী নিয়ে শুকরিয়া স্বরূপ সিয়াম পালন করেছিলেন। এই হয়ে গেল আশুরার সিয়াম। এরপরে দেখা যায় যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম যখন মদিনা মক্কায় ছিলেন হিজরত করার আগে কাফের আবু জাহেল, আবু লাহাব আবু তালেব এরাও জাহিলি যুগের লোকেরাও আশুরার সিয়াম পালন করছে। এটা তো সহী বুখারীর মধ্যে পাওয়া যায়। আয়েশা বলছেন আশুরা আশুরাবলছেন আশুরা এমন একটি দিন যেই দিনের সিয়াম পালন করত মক্কার জাহিলি সমাজের লোকেরা সহ বুখারী হাদিস আয়েশা বর্ণনা করছেন তাহলে এর ইতিহাসটা মক্কাতে মুশরিকরা এই সিয়াম পালন করত। মুশরিকরা মুশরিকরা তো দাবি করত যে আমরা মিল্লাতে ইব্রাহিমের সদস্য। ইব্রাহিম আলাইহি সালাতু সালামের আমরা উম্মত। এটা দাবি করত মক্কাবাসীরা। এইজন্য তারা কাবা ঘরের যত্ন করত। ইব্রাহিমের স্মৃতি। ইব্রাহিম আলাইহি সালাম হজ করত ওমরা করত তাওয়াফ করত সা করত মিনায় যাইত মুজদালেফায় যাইত আরাফায় যাইত আরাফায় যাইতো না মক্কাবাসীরা যাইতো না হারামবাসীরা কিন্তু অন্যদেরকে বলত তোমরা যারা হারামের বাইরের লোক বহিরাগত যারা তারা তোমরা আরাফায় যাও নালে তোমাদের হজ হবে না আমরা আরাফায় না গেলেও হজ হবে আমাদের আরাফায় যাওয়া যাবে না আমাদের একটা সম্মান আছে আমরা হারামবাসী আর আরাফা হলো হারামের বাইরের একটা জায়গা। তোমরা তো এমনি বহিরাগত হজ করতে আসছো। তোমাদের আরাফায় যাইতে হবে। কিন্তু আমরা হারামবাসী আমাদের আরাফায় যাওয়া চলবে না। ওটা হল হারাম এলাকার বাইরে চলে গেছে। মুজদালিফা পর্যন্ত হারাম এলাকার ভিতরে। এভাবে তারা একটা মনগড়ার নিয়ম। হজ্জ ওমরার ক্ষেত্রে কি রাসূল ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু সালামের নিয়ম তারা ঠিক রাখছিল নাকি? বেদাত ঢুকিয়ে ওটাকে সর্বনাশ করে ফেলছে। বেদাত ঢুকার মাধ্যমে মিল্লাতে ইব্রাহিমকে কুফরি মিল্লাতে পরিণত করেছিল। আর একটা ভালো একটা দল ভালো একটা মিল্লাত জাতিকে কুফরি কুফরে পরিবর্তন করা রূপান্তরিত করার হাতিয়ার হল বেদাত। শিরক আর বেদাত। এই দুইটার মাধ্যমে এটা কুফরি জাতি জাহিলি জাতিতে পরিণত হয়েছিল। তো তাদের দৃষ্টিতে হলো তাহলে দেখা যাচ্ছে যে সহীহ বুখারীর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে কুফফারে কুরাইশ মক্কার মুশরিকরাও আশার সিয়াম পালন করতেন। ইতিহাস এটা সহ বুখারী থেকে পাওয়া গেল। আরেকটা হল আল্লাহ রাসূ যখন হিজরত করে আসলেন এসে দেখছেন মদিনার ইহুদিরাও এরা তো মুশরিক না ইহুদিরা হল আহলুল কিতাব আহলে কিতাব এই আহলে কিতাবদেরকে দেখা যাচ্ছে যে আশুরার সিয়াম পালন করছে আল্লাহ রাসূ সাল্লাম কিন্তু জাহেলি যুগের লোকদের সাথে আশুরার সিয়াম পালন করতেন নিজেও পালন করতেন আয়েশাও করতেন যদিও সেটা ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন ওহী আল্লাহ রাসূলের কাছে তখনো আসে নাই তারপরে উনি মদিনায় যখন হিজরত করে আসলেন মদিনায় হিজরত করে এসে দেখছেন ইহুদিরা এই দিনের সিয়াম পালন করছে ঘটনাটা কি আল্লাহ রাসূ জানতে চাইলেন সহী বুখারী মুসলিমে হাদিসগুলো আছে এটা কোন দিন যে তোমরা এই দিনের সিয়াম পালন করো তখন তারা ইতিহাস বলল যেটা হল সেই দিন যেইদিন আল্লাহ আমাদের নবী মুসা মুসা আলাইহি সালাতুও সালাম এবং মুসার সাহাবী মুমিন বাহিনীকে ফেরাউন এবং ফেরাউনের কাফের বাহিনী থেকে নাজাত দান করেছিলেন এবং ফেরাউন এবং তার দলবলকে নদীতে বা সাগরে ডুবিয়ে হত্যা করেছিলেন। মুসা আলাইহিস সালাতু সালাম শুকরিয়া স্বরূপ এই দিনের সিয়াম পালন করেছিলেন। সেই সিয়াম আমরা আজও পালন করে যাচ্ছি। এটা হল আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের ইতিহাস মহাররম আশুরার কত সুন্দর স্বচ্ছ ইতিহাস আল্লাহ রাসূ কি বলেন আমি তো তোমাদের চেয়েও বেশি হক রাখি মুসা আলা সালামের নাজাতের কারণে শুকরিয়া স্বরূপ সিয়াম পালন করার বেশি হক রাখি আমি তোমরা কিসের ইহুদিরা এইদিনের সিয়াম পালন কর আল্লাহ স মক্কা থেকে আশুরা সিয়াম পালন করতেন। কিন্তু মদিনায় এই ঘটনা শুনে গুরুত্ব বেশি গুরুত্ব দিলেন এবং গুরুত্বের মাত্রাও বাড়িয়ে দিলেন। ইহুদিদের কাছ থেকে ইতিহাস শুনে। এমনকি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এই সিয়ামের ব্যাপারে বললেন যে শিশুদেরকেও তোমরা এই সিয়ামটা পালন করো। শিশুদের শিশুরা এই দিনের সিয়াম পালন করতো। এই যে সাত বছর বয়সের যে শিশুদের সিয়াম পালন করতে হয় এই সিয়ামটা তারা আশুরাত দিয়েই শুরু করেছিল। ফরজ সিয়াম তো পরে আসলো। যখন দ্বিতীয় হিজরীতে সিয়াম ফরজ হয়ে গেল তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লা গুরুত্ব কমিয়ে দিলেন। ইহুদিদের কাছ থেকে ইতিহাস শোনার পরে এমন গুরুত্ব দিলেন যে আল্লাহর রাসূল সাল সলাম আশুরার আগের রাত্রে আগের দিন গোটা মদিনাতে এলান করতেন এলানকারীকে পাঠাইতেন এলানকারী এসে গোটা মদিনাতে প্রচার করত আগামীকালকে আশরা সিয়াম পালন করতে হবে তারপরে আল্লাহ রাসূ সকালেও এলান করতেন আশুরা মানে ১০ তারিখের সকালেও যারা নাস্তা করেছ আর তোমরা দুপুরের খানা খেও না তোমরা আশুরার সিয়ামের নিয়ত করে ফেলো। যারা নাস্তা করে ফেলেছো আর তোমরা খেও না। খানা বন্ধ করে দাও। এইভাবে আল্লাহ রাসূ এত গুরুত্ব দিতেন। বাচ্চাদেরকে সিয়াম পালন করাইতেন। নিজে সিয়াম পালন করতেন। আগের দিন এলান দিতেন। মাইকিং করতেন। মানে সেদিন সেই যুগের মাইকিং তো ছিল না। মাইক লোক পাঠিয়ে প্রচার করতেন। আর দিনের বেলাও আবার সকাল হওয়ার পরও আবার আল্লাহ রাসূ সলাম ঘোষণা দিয়ে বাড়াইতেন যারা ভুল ক্রমে আজকে আশুরার দিন তোমরা যারা নাস্তা করে ফেলেছো বাকি দিন আর খানা পানি খেও না আশুরার সিয়ামে নিয়ত করে তোমরা কমপ্লিট করো ইফ সূর্য ডোবার পরে ইফতার করো তারপর যখন এটাই হল এটাই হল আশুরার সিয়ামের বিভিন্ন হালাত এবং ইতিহাস আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের দৃষ্টিতে এরপরে যখন রমজানের সিয়াম ফরজ হলো তখন আল্লাহ রাসূল সলাম বললেন যে আশুরার সিয়াম আর এত গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নাই যার ইচ্ছা পালন করবে যার ইচ্ছা ছাড়তে পারো তবে আমি আশুরার সিয়াম পালন করব আমার সাথে যারা যারা সাথে হইতে চাও সঙ্গী হইতে চাও সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে হও এই ব্যাপারে উৎসাহ দিচ্ছি তবে এত যে প্রেশার দিচ্ছে ছিলাম এতদিন প্রেসার দিচ্ছিলাম এখন সেই প্রেশার আর নাই প্রেশারটা না আশুরার আগের দিন এলান করা আবার সকালবেলাও এলান করা নাস্তা খেয়েছো তারপরও এই আশুরার সিয়াম পালন করো এরকম আর চাপাচাপি প্রেশার নাই যার ইচ্ছা পালন করবে যার ইচ্ছা ছাড়বে সমস্যা নাই এই হল তারপরে এটা মানসুখ হয়ে গেল মানে গুরুত্ব প্রদান ফরজের মত অবস্থা রমজান নাই আশুরার চেয়ে আমি ফরজের স্থান দখল করেছিল এতদিন এরপরে আল্লাহ রাসূ চতুর্থ অবস্থা হল আল্লাহ রাসূ সলাম গবেষণা করে দেখলেন যে ইহুদিরা দশম তারিখের সিয়াম পালন করে তারপরে খ্রিস্টানেরাও এই দশম তারিখের সিয়াম পালন করে আর ইহুদি খ্রিস্টানদের তো বিরোধিতা করার কথা বলা হয়েছে তখন তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশুরার আশুরার ক্ষেত্রে একটা চেঞ্জিং আনলেন। তিনি বললেন যে আশুরা একটা দিন সিয়াম আমরা পালন করব না। কারণ একদিনের সিয়াম ইহুদিরা এবং নাসারা খ্রিস্টানেরা পালন করে। আমরা তাদের খেলাফ করব। তাদের বিরোধিতা করব। আর বিরোধিতার জন্য তার আগের দিন সিয়াম পালন করব। এবং বললেন আমি নিজেও যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে অবশ্যই তাস আশুরার সাথে তাসুয়া আমি সিয়াম রাখব সিয়াম পালন করব ইবনে আব্বাস বলছেন কিন্তু আল্লাহ রাসূল যদিও আকাঙ্ক্ষা পোষণ করলেন ইচ্ছা পোষণ করলে কিন্তু আগামী বছর পর্যন্ত আর রাসূ সলাম দুনিয়ায় বেঁচে ছিলেন না তিনি আর নবম তারিখের সিয়াম পালন করতে পারেননি উম্মত করবে আমরা করি আমাদেরকে করতে হবেন ৯ তারিখ এবং ১০ তারিখ কারো যদি ছুটে যায় তাহলে কি করবে সে ১১ তারিখ সিয়াম পালন করবে ১০ তারিখ এবং ১১ তারিখ ৯ তারিখ বুঝতে পারে নাই ভুলে গেছে স্মরণ ছিল না কেউ মনে করে দেয় নাই ১০ তারিখ রাখবেন পরের দিনও রাখবেন এটা হল আশুরার সিয়াম। মহাররমের সিয়াম। আর মহাররমের সিয়াম বলতে এই দুই দিনকেই বুঝায়। ৯ তারিখ এবং ১০ তারিখ। যারা বলে যে এক তারিখ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত এদের কোন দলিল নাই। ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ আছে, বক্তব্য মন্তব্য এগুলোই আছে। তো আলহামদুলিল্লাহ এবার আমরা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের দৃষ্টিতে আশুরার ইতিহাস নিয়ে কিছু কথা বলব বিশেষভাবে যে তাহলে আমরা যে এতক্ষণ আলোচনা করলাম এ আলোচনা থেকে কি বোঝা গেল? যে এটা হল আশুরা মহাররমের ইতিহাস। দলিলের দৃষ্টিতে হাদিসের দৃষ্টিতে হল কোরআন ইতিহাস এটা কারবালার সাথে সম্পর্ক যুক্ত নয় কারবালার সাথে সম্পর্ক যুক্ত নয় যারা বলে যে কারবালার থেকে কারবালা থেকে এই মহাররমের তাৎপর্য শুরু হয়েছে গুরুত্ব ফজিলত শুরু হয়েছে এরা সব ঢালাওভাবে বেদাতি শিয়া হোক আর শিয়া প্রভাবিত হোক আমাদের দেশে শিয়া প্রভাবিত কত পারসেন্ট বললাম ৯৯ পয়েন্ট ৯৯ এত মানুষ এত মুসলমান শিয়া প্রভাবিত আর ঠিক আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহমা্লা উনি বলছেন ৯৯.৯৯ ৯৯ জন মুসলমান বাংলাদেশে জাহেল মূর্খ ইসলাম বুঝে না ইসলাম বুঝে না এরা হুজুকে যা ইসলামের করে এরা হুজুকে করে আজান দিল সবাই যাই আমিও যাই কিন্তু সালাতের অত মর্ম বুঝে না তার বাড়িতে বেনামাজি লালিত পালিত হচ্ছে ও খাওয়াচ্ছে মিষ্টি মিষ্টি এনে খাওয়াচ্ছে দই এনে খাওয়াচ্ছে ফলফ্রুট খাওয়াচ্ছে বেনামাজি পালতেছে ওলো কিসের নামাজ প্রত্যেক নামাজির ঘরে ঘরে দেখবেন আমাদের সমাজের ও একা নামাজি দেখেন কিন্তু দেখা যায় ১০ ২০ জন সবই বেনামাজি তার নেতৃত্বে আছে তার খানা খাচ্ছে এগুলো নামাজী হল এই জন্য উনি বলছেন যে ৯৯.৯৯ জন আমরা নামে মুসলমান কামে মুসলমান না যদি মুসলমান কামে মুসলমান হইতো তাহলে এরকম হিন্দুরা তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াইতো এভাবে ইন্ডিয়ার মুসলমানকে কিভাবে কিভাবে হত্যা করতেছে মনে হছে জীবজন্তু সাপ বিছ ব্যাঙ এগুলো মারছে হিন্দুরা পাশের দেশ পাশের দেশে দেখেন কারণ মুসলমানের শক্তি মুসলমানের পক্ষে তো আল্লাহ নিজে মুসলমানের পক্ষের শক্তি হলো আল্লাহ নিজে কিন্তু মুসলমানের শক্তি কোথায় মুসলমানের শক্তি তো হল ইসলাম ইসলাম তো নাই তার কাছে ও মুসলমান কিন্তু ইসলাম নাই তার ভিতরে খরকুটার মত খরকুটার মত মুসলমান আল্লাহ তাবারকতালা আমাদেরকে নামে মুসলমান থেকে কামে মুসলমান হওয়ার তৌফিক দান করুন >> এই যে শিয়া যারা তারা বলতেছে যে এটা শুরু হয়েছে কারবালা থেকে এইজন্য আমাদের দেশেই রেডিও টেলিভিশন পত্র পত্রিকা ইসলামী ইসলাম ইসলামী প্রবন্ধ নিজে লেখালেখি দেখছেন সব মনে হয় না যে এই দেশে কোন সুন্নি মুসলমান আছে টেলিভিশনটা আপনি খোলেন আলোচনা করতেছে হুজুর টুপি টাপি লাগিয়ে টুপি লাগিয়ে আলোচনায় বসে গেছে কিসের আলোচনা মহরমের ওই ৬১ হিজরি হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর শহীদ হওয়ার ঘটনা কি? ৬১ হিজরী ১০ই মহরম কারবালা এ ৬১ হিজরীর আগে কি আর কোন মুসলমান শহীদ হয় নাই? হয় নাই। কি ফালতু মুসলমান? আরে হোসেন রাদিয়াল্লাহুর চাইতে কত বড় বড় শহীদ ইসলামে অতিবাহিত হয়েছে ওমর রাদিয়াল্লাহ কি মনে করেন আপনারা ওমর রাদিয়াল্লাহ শহীদ মৃত্যু হয়েছিল ওসমান রাদিয়াল্লাহ শহীদ হয়েছিলেন কত জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সবাই শহীদ হয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ আলী রাদিয়াল্লাহু হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর বাবা আলী রাদিয়াল্লাহু শহীদ হয়েছিলেন বাবার চাইতে ছেলের চাইতে তো বাবা শহীদ বড় শহীদ বাবা বড় শহীদ না বড় শহীদ কিন্তু তারা শুধু শহীদ আর কি বলে একটা বাজে কথা বলে ইসলাম জিন্দা হার কারবালাকে বাদ তোর ইসলামই নাই তো জিন্দা হবে কি ফালতু কথা তোর তো ইসলামই নাই জিন্দা হওয়ার প্রশ্ন উঠে না ইসলাম থাকলে না ইসলাম মরা ইসলাম তো মারা গেছে। এই কারবালা দিয়ে ইসলাম জিন্দা হয় না। কারবালা থেকে ইসলামের আরো দুরবস্থা শুরু হয়েছে। কারবালার আগেই ইসলাম ভালো ছিল। কারবালার পর থেকে ইসলাম দুরবস্থা। এইযে শিয়া তৈরি হল। শিয়া প্রেমীদের অস্তিত্ব হল। শিয়ার পরে এই শিয়ার কারণে অসংখ্য মুসলমান কাফের মুরতাদ হয়ে গেল। কাফের মুরতাদ হয়ে গেল। তাহলে দুরবস্থা না। ইসলামের দুরবস্থা তো কার বলার পর থেকে। আর এরাই হল সেই মুসলমান যারা হোসাইন রাদিয়াল্লাহু হত্যাকারী শিয়ারা মুস হোসেনকে হত্যাকারী শিয়া বলতে দল হোসেন রাদিয়াল্লাহ দল হোসেন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ডেকেছিল কারা মদিনা থেকে ডেকে পাঠিয়েছিল কারা হোসেনের দল না হোসেনের দল আলীর দল তারা দাবি করত যে আমরা এজিদকে মানি না ইয়াজিদের খেলাফত মানি না। আমরা ইরাক, কুফা, বাসরা এসব এলাকায় আপনার জন্য আমরা পথ খালি রেখেছি। আমরা এজিদের বায়াত করি নাই। আপনার হাতে বায়াত করে আমরা আপনার নেতৃত্বে চলব। এই কথাটা বলেছিল কারা? ৪০০০ চিঠি পাঠাইছে। এমনকি মুসলিম বিন আকিলকে যখন আল্লা বলে হোসেন পাঠাইলেন দেখেন তো ঘটনাটা কি? মুসলিম বিন আকিলও এসে দেখল যে হ্যা সত্যই তো এরা হোসেনের দল। হোসেনকে চায়। সবেচারা বলে দিলেন হ্যা আপনি নির্দ্বিধায় চলে আসতে পারেন এরপরে যখন কি বলে ইয়াজিদ ইয়াজিদ তো অলরেডি নেতৃত্ব পেয়ে গেছে মবিয়া রাদিয়াল্লাহ তাকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন সাহাবী সাহাবী তো নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন উত্তম থাকতে অধমকে দেওয়া যায় নেতৃত্ব দেওয়া যায় এতে কুফরি হয় না আর মবিয়া রাদিয়াল্লাহ সিরিয়ায় ছিলেন শাম দেশে আর হোসাইন ছিলেন মদিনাতে যদি উনি সিরিয়াতে থাকতো তাহলে হয়তো একটা বিবেচনা করার সুযোগ ছিল অনেকেই সবাই অনেকে না সবাই তো জানত যে হোসাইনের ফজিলত বেশি হোসেন উত্তম বেশি হোসেন সাহাবী আর ইয়াজিদ তো তাবি সাহাবীর ছেলে তাবিজি যদি হোসেন সিরিয়াতে থাকতো। মুয়াবিয়ার হাতের নাগালে থাকতো। হয়তোবা তাকেও খেলাফত দিয়ে যাইতে পারতেন মানুষের পরামর্শক্রমে। এমনি অনেকে বলছিলেন কিন্তু হাতের নাগালে নাই। উনি তখন অসুস্থ। যেকোনো সময় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করবে। কি বলে? মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহ। তখন যারা তার আশপাশে সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন তাদেরকে ডাকলেন এবং অন্যান্য তাবেঈদেরকে ডাকলেন। ডেকে বললেন যে আমি ও আমি কি করতে পারি এখন কাকে খেলাফত দিয়ে যাব তো তারাও পরামর্শ দিল আপনার ছেলেই তো আপনার যোগ্য তাকে দিয়ে যেতে পারেন তাকে তো আপনি গড়ে তুলেছেন আপনি তাকে নেতৃত্ব দেওয়া শিখিয়েছেন আপনার সাথে থেকে সে শাসন কাজে সহযোগী ছিল তাকে আপনারা দেন তাকে আপনি খলিফা ঘোষণা করেন আমরা প্রচার করব। এটা ছিল সাহাবায়ে কেরামের যুগ। আমাদের যুগের মত মুসলমান থাকলে মবিকে তখনই হত্যা করত। নিজের ছেলেকে দিতে চান। এত খারাপ মানুষ তখন ছিল না। সাহাবী ছিল তাই ছিল। এই জঘন্য মুসলমান ছিল নাকি? এই দলাদলিকারী মুসলমান ছিল। এখনকার একটা গালি হল কি? ইয়াজিদ। ইয়াজিদ ভক্ত ইয়াজিদ মুসলমান। যারা এজিদি মুসলমান বলে আল্লাহর কসম আমি তাদেরকে দেখেছি একজনকে মুসলমান বলার উপায় না সব মুরতাদের পার্টি যারা এজিদ মুসলমান বলে মুসলমানদেরকে গালি দেয় এরা সব মুরতাদ সব কাফের মুরতাদ এদের মধ্যে কোন তাওহীদ খুঁজে পাওয়া যাবে না সুন্নাহ খুঁজে পাওয়া যাবে না এগুলো সব হল সিন্নি জাতি আমাদের দেশের এই সিন্নি বেদাতিগুলো আছে না এরা সব একতো আছেই মুসলমান বলে এজিদি মুসলমান বলে থাকে এজিদি মুসলমান বলে যারা গালি দেয় এরা একজনও মুসলমান হওয়ার উপযুক্ত না সব মুরতাদ একেবারে ঢালাভাবে মুরতাদ আল্লাহ তাবারকতালা এদেরকে হেদায়েত দান করুন হেদায়েতের পথ খোলা আছে অনেক শিয়া মুসলমান হয়ে গেছে না অনেক সুন্নি জামাতের লোক মুসলমান হয়ে গেছে না অনেক মুফতি তারা হেদায়েত প্রাপ্ত হয়েছে না তওবা করেছে সহী পথে এসেছে না আলহামদুলিল্লাহ তাই আমরাও তাদের ব্যাপারেও হেদায়েত কামনা করি কিন্তু এই অবস্থায় থাকলে এই কারবালাকে কেন্দ্র করে হোসাইনকে কেন্দ্র করে যারা খাটি মুসলমানদেরকে আহলে সুন্নাহ মুসলমানদেরকে যারা ব্যালেন্স করে হোসাইন এবং এজিদের মধ্যে ব্যালেন্স করে সহি অবস্থান গ্রহণ করে থাকে তাদেরকে যারা এজিদ মুসলমান বলে খারাপভাবে ভাবে সব মুরতাদের পালে এদেরকে কখনো ভালো মুসলমান বলার উপায়ই নাই আপনি যাচাই করে দেখবেন তাদের আকিদা ঠিক নাই তারা বেদাতে নানাবিদ বেদাতে জড়িত শিরকে জড়িত কবর পূজায় জড়িত পীর পূজায় জড়িত তারা বিভিন্ন ধরনের দরবার দরগা খানকা এর মধ্যে তারা সীমাবদ্ধ রয়েছে এদের মধ্যে ভালো কিছু পাওয়া যাবে না কোন কল্যাণজনক কোন ভালো তাদের মধ্যে পাওয়ার সম্ভাবনা নাই। এজন্য তো মুসলমানদের অবস্থা সারা বিশ্বের কমেছে। ইসলাম ত্যাগ করে তবল তবল জিনিস মেনে বেড়াচ্ছে। খেয়াল খুশি শয়তানি যা শয়তান যা শিখিয়ে দিচ্ছে সেটা আমল করছে। এইতো আসার আগে একটা ফেসবুকে দেখলাম আহমদুল্লাহ। এইযে শেখ আহমদুল্লাহ একটা বক্তব্য দিচ্ছে আশুরা সম্পর্কে হোসাইন ইয়াজিদ সম্পর্কে। খুব সঠিক কথা বলতেছিল। আর দেখি ওই কথাটা আমি মনে করছি যে ওই কথাটার উপরে সে মন্তব্য করতেছে একজন সিন্নি জামাতের লোক বলতেছে আহমদুল্লাহ যা করে গালি দেওয়া শুরু করল কাফের মুশরিক মরতাদ ইত্যাদি ওহাজি মুসলমান মুসলমান মানে ইসলাম থেকে খারিজ আল্লাহতালা এদেরকে হেদায়েত দান করুন >> সঠিকটা বোঝার তৌফিক দান করুন কোরআন সঠিকভাবে উপলব্ধি করার তৌফিক দান করুন। সহীহ হাদিস মানার তৌফিক দান করুন। তো অবশ্যই আমাদেরকে আর খারেজি যারা তারা যারা যারা শিয়া তারা তো এইযে এখান থেকে ইতিহাসটা নিচ্ছে। এর আর এর পিছনে যাইতে রাজি না। অথচ কত বড় বড় শহীদ রয়ে গেছে। আর যারা খাওয়ারেজ তারা কিন্তু হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর মৃত্যুতে খুশি। খারিজী যারা তারা খুশি। হত্যা করেছিল কারা? খারিজীরা একসময় শিয়া ছিল। আলী রাদিয়াল্লাহ দল ছিল। কিন্তু তারা পরবর্তীতে বিদ্রোহ করে বের হয়ে যায়। এদের এই শিয়াদেরই এক অংশের নাম হল খারেজি। এরা বিদ্রোহ করে বের হয়ে যায় এবং আলী রাদি একসময় হত্যা করে। এখন আলী রাদি বংশধর্ম তারা ঘৃণা করেন। হোসাইন রাদিয়াল্লাহু যখন হত্যা করা হলো, শহীদ করা হলো তখন থেকে তারা খুশি। শিয়ারা করে মাতম আর খারিজীরা করে কি? সুখ শান্তি এবং আনন্দ উদযাপন আর শিয়ারা মাতম করে আর ওরা সুখ উদযাপন খুশি উদযাপন করে যারা খারেজ আলীর আরেকটা বংশ মারা গেল একটাকে তো আমরা মারছি আরেকটাকে মারছে ওবাদুল্লাহ বিন জিয়াদ ওবাদুল্লাহ বিন জিয়াদকে যখন নেতৃত্ব দিয়ে দিল এজিদ তখন একদিন ঠান্ডা করে ফেলছে আইসা খালি হুমকি দিয়েছে যারা হোসেনকে দাওয়াত দিয়ে তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া হবে। সব শিয়ার দল কি করছে? নেতৃত্ব মেনে নিছে। তখন হোসেন এসে দেখে কেউ নাই। এমনকি বুঝার জন্য যে পাঠাইছিল মুসলিম বিন আকিল তাকে ছাদের উপর থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। ওবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদের একটা হুমকিতেই তারা সব মুরতাদ হয়ে গেছে। অর্থাৎ ফিরে গেছে। হোসাইন রাদিয়াল্লাহুর ভক্ত থেকে এখন ইয়াজিদের নেতৃত্ব মেনে তারা এখন ইয়াজিদ হয়ে বসে আছে। আর একজনকে পাওয়া যায় নাই। হোসাইন রাদিয়াল্লাহ সাহায্যে আসার। খালি এরা মাতম করে মাতম করে রক্ত ঝরায় এগুলো কি ফালতু কাজ এগুলো হল বেদাত কুফরি কাজ এগুলো হল গুনাহর কাজ ইবলিসি কাজ শয়তানি কাজ এই যে মাতম করতেছে এই যে কি বলে কবর বানায় নিয়ে ঘোড়ার পিঠে করে নিয়ে যাচ্ছে তাজিয়া করতেছে মিছিল করতেছে মাতম করতেছে এগুলো সব হল বেদাতি এবং কুফরি কাজ কি করতে হবে সিয়াম পালন করতে হবে সিয়াম পালন করে এগুলো করতে এবাদতে নাই খালি বেদাত আর খালি কুফরি কাজের মধ্যে আছে এই শিয়ার পাল আর আহলে সুন্না কি করতেছে এইযে শান্তভাবে সিয়াম পালন করতেছে আলহামদুলিল্লাহ এ হল ইতিহাস তো আলহামদুলিল্লাহ আমরা আমাদের অবশ্যই শিয়াদেরকে চিনতে হবে এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা শিয়া হাজী হয়েও যদি শিহা না চিনে তাহলে খুবই মুশকিল আছে বর্তমান যারা শিয়া ইরানি যারা শিয়া এরা ইহুদিদের চাইতেও খারাপ, খ্রিস্টানের চাইতেও খারাপ, হিন্দুদের চাইতেও খারাপ। এখন নরেন্দ্র মোদি মুশরিক গরুর গু খেয়ে মুত খেয়ে যাদের যারা এরকম ব্রেন তৈরি করেছে। এখন সবচেয়ে কাছের মানুষ হল নেতা নিহ। নেতা নিয়া ইসরাইল। ইসরাইল থেকে প্রযুক্তি নিচ্ছে। ইসরাইল কিভাবে গাজাতে মুসলমানদেরকে হত্যা করলো একেবারে মুসলমানকে নিশ্চিহ্ন করে দিল সেই পরামর্শটা এখন এই যে মোদী চাইতেছে আমার আমার দেশে ৪০ কোটি মুসলিম আছে এইটিকে কিভাবে গাজার মত করে ধ্বংস করা যাবে সেই প্রযুক্তি এখন নিচ্ছে ইসরাইলের কাছ থেকে আর এই হল হিন্দু হিন্দুদের অবস্থা আমরা যেহেতু মুসলিম নিজে খাঁটি মুসলিম হইতে পারছি না আল্লাহ আমাদের পক্ষে আসতেছে না আল্লাহ আমাদের কি পক্ষে আছে না বিপক্ষে বলতে পারবেন সূরা বাকারার ৮৫ নম্বর আয়াত পড়ে দেখেন আল্লাহ মুসলমান বর্তমান যেই কোয়ালিটির মুসলমান এই কোয়ালিটির মুসলমানের সাথে আল্লাহ নাই পড়ে দেখেন আয়াতটা আল্লাহ এখন মুসলমানদের সাথে নেই। কারণ মুসলমানরা আল্লাহর আল্লাহর সাদ ত্যাগ করেছে। আল্লাহ তাবারকতালার বিধিবিধানকে অমান্য করে চলেছে। এজন্য আল্লাহ কিন্তু মুসলমানদের সঙ্গ ত্যাগ করেছে। এটা বলতে হবে অবস্থা দেখে। কই মুসলমানদের এত নির্যাতন, এত নিষ্পেষণ, এত তাদের প্রতি জুলুম চলতেছে। আল্লাহর সাহায্য আসে। আসলে ঘটনা তো আল্লাহ বলেই দিয়েছেন যারা আল্লাহর দ্বীনকে কিছু মানে আর কিছু অমান্য করে আল্লাহ বলছেন তাদেরকে দুনিয়াতে সবচেয়ে বড় ধরনের অপমান আমি করব এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট ভাবে তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব কঠিন আজাবে নিক্ষেপ করব এই এই আয়াত অনুযায়ী এখন মুসলমানরা মুসলমানদের অবস্থাকে এই আয়াতের সাথে মেপে দেখতে হবে এই আয়াতের আলোকে দেখতে হবে বিচার করতে হবে মুসলমানরা কিছু অংশ আল্লাহর বিধান মানে আর কিছু অংশ মানে না এদেরকে আল্লাহ দুনিয়াতে কঠিন ধরনের অপমান করার ওয়াদা দিয়েছেন আর কঠিন আযাবে পরকালে নিক্ষেপ কর এ শেষ না এই যে দুনিয়াতে অপমান করে শেষ করছি আমার প্রাশ্চিত হয়ে গেল তা না আখেরাতে কঠিন আজাব আমাদের জন্য অপেক্ষা করতেছেন আল্লাহ তাবারকতালা আমাদেরকে রক্ষা করুন আল্লাহুম্মা আমিন