লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীনতা

আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীনতা



আমি জাহান্নামের জন্য অনেক মানুষ এবং জীনকে সৃষ্টি করেছি। যে মানুষ এবং জীনদের তাদের অন্তর রয়েছে। এই অন্তর দিয়ে তারা বুঝবে না। এ অন্তর দিয়ে তারা ভালোমন্দ বুঝবে না। তাদেরকে আল্লাহ তালা যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন সেটা তারা উপলব্ধি করবে না। সেটা তারা বুঝবে না। তাদের চোখ রয়েছে। চোখ দিয়ে তারা দেখবে না। তাদের কান রয়েছে। এই কান দিয়ে তারা শুনবে না। এরা হচ্ছে চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায় যারা আমার সাক্ষাতের আশাবাদী নয়বিল হায়াত দুনিয়া এবং পার্তিপ জগতের প্রতি যারা সন্তুষ্ট হয়ে গেছে এই দুনিয়াতেই তারা প্রশান্তি পাচ্ছে যাদের অবস্থাটা এই হয়ে গেছে শুনে রেখা তাদের কাছে আমার বিভিন্ন দিদর্শন আয়াতগুলো আসার পরেও কোরআনের আয়াতগুলো তেলাওয়াত করার পরেও বিভিন্ন পার্তিব্য জগতের আয়াতগুলো আসার পরেও সেগুলো সম্পর্কে অচেতন থাকে উদাসীন থাকেনার এদের অবস্থান হচ্ছে জাহান্নাম এদের অবস্থান হচ্ছে জাহান্নাম ইবলিশ যে সকল মাধ্যমে বানী আদমকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে তার বড় একটি মাধ্যম তার সবচাইতে শক্তিশালী মাধ্যম বানী আদমের মানুষ্য জাতির অন্তরটাকে মানুষ্য

                                                           

জাতির হৃদয়টাকে মানুষ্য জাতির কলবটাকে আল্লাহর জিকির থেকে বিমুখ করে দেওয়া আল্লাহর স্মরণ থেকে সরিয়ে দেওয়া আলাইনাফা মত জেনে রেখো মানবদেহে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে সহ যদি সেটা সঠিক থাকে সহ জাসাদ শরীরের সকল অঙ্গপ্রতাঙ্গ গুলো সঠিক থাকবে সেগুলো কখনো পথভ্রষ্ট হবে না ওফাসাদা পক্ষান্তরে এই কল যদি নষ্ট হয়ে যায় ফাসাদ জাসাদুল তাহলে মানবদেহের সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো নষ্ট হয়ে যাবে সেগুলোর আর কোন অস্তিত্ব থাকবে না সেগুলোর আর তাওহীদের উপরে অবিচল থাকতে পারবে না হে আল্লাহ আজকে আমি কেন অন্ধ হয়ে উঠেছি আমি যে দুনিয়াতে বসবাস করে এসেছিলাম সেখানে তো আমার আল্লাহ আপনি দুইটা দৃষ্টি দিয়েছিলেন চক্ষু দিয়েছিলেন যে চক্ষু দিয়ে আমি পৃথিবী দেখেছি পৃথিবীতে বিচরণ করেছি আজকে কেন আমি অন্ধ হয়ে উত্তোলন হলাম কেন অন্ধ হয়ে উঠানো হলো আল্লাহ তালা তখন বলবেন আমার বিভিন্ন আয়াতগুলো তোমার কাছে এসেছিল।

                                                           

আমার নিদর্শনাবলী তোমার কাছে এসেছিল। তুমি সেগুলোকে ভুলে গিয়েছিলে। শুনে রেখো আজকে সেই দিনের ন্যায় আজকে তোমাকে ভুলে যাওয়া হয়েছে। আজকে তুমি হাজার চেষ্টা করেও তোমাকে আমি স্মরণ করতে পারছি না। আলোচনার শুরুতেই শুকরিয়া আদায় করছি সেই মহান রবের। যেই মহান রব আমাদেরকে মহাররম মাসে পদার্পণ করে আল্লাহ তাআলার দেওয়া ফরজিয়াত আদায়ের উদ্দেশ্যে উক্ত মসজিদে সমাবেত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন এজন্য আল্লাহ তাআলার কাছে আমরা শুকরিয়া আদায় করে বলছি আলহামদুলিল্লাহ অতঃপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক শেষ নবীর প্রতি শেষ মহামানবের প্রতি যেই মহামানব এই পৃথিবীর মানুষকে বিচ্যুত পথ থেকে ভ্রষ্ট পথ থেকে দ্বীনের পথে নিয়ে আসার জন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।

                                                           

উদ্দেশ্য মানুষ্য জাতিকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করে ইবলিশের প্ররচনা থেকে রক্ষা করে জান্নাতে প্রবেশ করা। সেই মহামানবের প্রতি বর্ষিত হোক শত সহস্র দরুদ ও সালাম। আমরা বলি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। সম্মানিত মুসাল্লিয়ানে কেরাম আপনারা অবগত আছেন আমার ধারাবাহিক আলোচনা চলমান রয়েছে শয়তানের শত্রুতা মানুষ জাতিকে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার জন্য আল্লাহ তাআলা যখন তাকে জাহান্নাম জান্নাত থেকে বের করে জাহান্নামের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে ঘোষণা দিলেন তখন থেকেই সে বলেছিলমাতলাহিতাকাল মুস্তাকিম আল্লাহ আজকে যেহেতু আমি পথভ্রষ্ট হয়ে গেলাম আমি মানুষকে পথভ্রষ্ট করে জাহান্নামে নিয়ে যাব এটা আপনার ইজ্জতের কসম করে বলছি আল্লাহ তাআলার কাছে ইজ্জতের কসম করে বলেছিল বিগত জুমায় আমরা আলোচনা করেছিলাম ইবলিশ সবচাইতে সহজে অতি সহজে মানুষকে জাহান্নামে নিয়ে যেতে পারে যেই জিনিসটির মাধ্যমে তা হচ্ছে জবান জিহ্বা মুখ এই মুখের সংরক্ষণ জিহ্বার সংরক্ষণের বিষয়ে গত জুমায় বিগত জুমায় আমার খুতবায় আলোচনা করেছিলাম আজকে তারই ধারাবাহিকতায় আজকের আলোচ্য বিষয় ইবলিশের শত্রুতা ইবলিশের শত্রুতার অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে আল গাফলাতু আনদিকরিল্লাহ

                                                           

আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল রাখা অমনোযোগী রাখা উদাসীন রাখা অর্থাৎ ইবলিশ যে সকল মাধ্যমে বানী আদমকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে তার বড় একটি মাধ্যম তার সবচাইতে শক্তিশালী মাধ্যম তার সবচাইতে মৌলিক মাধ্যম হচ্ছে বানী আদমের মানুষ্য জাতির অন্তরটাকে মানুষ্য জাতির হৃদয়টাকে মানুষ্য জাতির কলবটাকে আল্লাহর জিকির থেকে বিমুখ করে দেওয়া আল্লাহর স্মরণ থেকে সরিয়ে দেওয়া কারণ অন্তরের অবস্থান মানুষের শরীরে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাঝে অন্তরের অবস্থান হচ্ছে একটা দেশের রাজা অবস্থান যেমন তার প্রজাদের মাঝে তার সৈন্য সামন্তের মাঝে যেমন রাজার অবস্থান ঠিক তেমনি মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাঝে মানবদেহের কলবের অবস্থান ইবনুল কাইম ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহ এজন্য বলেছেন আল কলবু হুয়াল মালিক কালব হচ্ছেই রাজাদুহু এবং মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলো হচ্ছে তার সৈন্য সৈন্যদল মানুষের অন্তরকে স্থির রাখার জন্য নিরাপদ রাখার জন্য তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলো হচ্ছে তার সৈন্য এই কলবটাকে গুরুত্ব দিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আলা ইন্নাফিল জাসাদি মদান জেনে রেখো মানবদেহে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে এক টুকরো গোস্ত রয়েছে যেই গোস্তুকু ইদা সহা যদি সেটা সঠিক থাকে সেটা যদি নষ্ট না হয়ে যায় সেটা যদি সঠিক থাকে সহাল জাসাদুল শরীরের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলো সঠিক থাকবে সেগুলো কখনো পথভ্রষ্ট হবে না।

                                                           

সেগুলো কখনো নষ্ট হয়ে যাবে না। ওই ফাসাদাত পক্ষান্তরে এই কলব যদি নষ্ট হয়ে যায় ফাসাদ জাসাদুল তাহলে মানবদেহের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলো নষ্ট হয়ে যাবে। সেগুলোর আর কোন অস্তিত্ব থাকবে না। সেগুলো আর তাওহীদের উপরে অবিচল থাকতে পারবে না। আলা ওহিল কালব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যেই অঙ্গটি যেই গোস্ত টুকরাটুকু ঠিক থাকলে মানবদেহ ঠিক থাকে। যে গোস্ত টুকরাটুকু নষ্ট হয়ে গেলে মানবদেহ নষ্ট হয়ে যায় সেটি হচ্ছে কালব। এই কালব এর প্রতি এত গুরুত্ব আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন।

                                                           

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ তালা সম্বোধন করে বলেন ওয়ালাতাকুমনা গাফিলিন হে রাসূল আপনি গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না আল্লাহ তাআলা আরো এরশাদ করে বলেন পৃথিবীতে যার অন্তরকে আমি গাফেল করেছি তাদের তুমি অনুসরণ করিও না যারা তার প্রবৃত্তির অনুসরণ করে মন যা চাই প্রবৃত্তি যা চাই তাই তারা করে প্রবৃত্তিকে কন্ট্রোল করতে পারে না এই ব্যক্তিরাও তার কর্মগুলো হয়ে থাকে সীমালঙ্ঘন মূলক সীমালঙ্ঘন কর্মকাণ্ড তার দ্বারা সংঘটিত হয়ে থাকে এদের তুমি অনুসরণ করো না সম্মানিত উপস্থিতি এই কল যদি আল্লাহর জিকিরে সর্বদায় নিজেকে স্মরণ রাখতে পারে কলব যদি আল্লাহর জিকিরকে নিজের কাছে ধারণ করতে পারে তাহলে তার নেতৃত্বে মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো হাত পা চক্ষু কান নাসিকা জিহ্বা সবকিছুই তার অনুসরণ করে সবগুলোই তাওহীদের উপরে অবিচল থাকবে আল্লাহ তাআলার দ্বীনের উপরে অবিচল থাকবে পক্ষান্তরে এই কলব যদি আল্লাহ তাআলার সওয়াব আল্লাহ তাআালার একাব আল্লাহ তাআালার ভয়াবহ শাস্তির কথা ভুলে গিয়ে দুনিয়ার প্রতি পরকালের প্রতি উদাসীন হয়ে দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যায়।

                                                           

পরকালকে যদি ভুলে যায়, এই অন্তর যদি গফেল হয়ে যায়, এই অন্তর যদি উদাসীন হয়ে যায়, তখন হাত তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। হাত পাপ করবে, মুখ পাপ করবে, মাথা পাপ করবে, ব্রেন পাপ করবে, পাপ করবে। সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো পাপে জড়িত হবে। এই অন্তর এই অন্তরটাকে আল্লাহ তাআলা গুরুত্ব দিয়েছেন। যেমনটি তেমনটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্তরের জিকিরটাকে আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আল্লাহর রাসূল সলামের সাহাবী বিশিষ্ট সাহাবী আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু তিনি বর্ণনা করেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আলাকুম হে আমার সাহাবীরা আমি কি তোমাদেরকে তোমাদের আমল সমূহের মাঝে সর্বোৎকৃষ্ট সর্বোচ্চ মানের আমল সম্পর্কে সবচাইতে প্রিয় খায়র আমল সম্পর্কে কল্যাণকর আমল সম্পর্কে সংবাদ দিব না যে আমলটি তোমাদের রবের কাছে তোমাদের আল্লাহ তাআলার কাছে তোমাদের প্রতিপালকের কাছে সবচাইতে পবিত্র প্রিয় পছন্দনীয় হয়ে থাকে এবং তোমাদের মর্যাদা যে আমলটির মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা সবচাইতে বেশি বৃদ্ধি করেন এবং যে আমলটি করলে স্বর্ণ দান

                                                           

করলে চাঁদি দান করলে যে সওয়াব হয় যে প্রতিদান হয় তার চাইতে অনেক অনেক গুণে সওয়াব বেশি হয়ে থাকে যে আমলটি করলে সে আমলটি কি তোমাদেরকে সংবাদ দিব না শুধু তাই নয় আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তারপরে বলছেন যেলাকুম যে আমলটি তোমাদের জন্য এত অধিক আল্লাহ তাআালার কাছে প্রিয় হবে তোমাদের জন্য প্রিয় হবে যে তোমরা তোমাদের শত্রুদের সাথে সাক্ষাত করে তোমরা তরবারি দিয়ে তাদের গর্দান উড়িয়ে দিবে তারা তোমাদের গর্দানকে উড়িয়ে দিবে অর্থাৎ তোমরা পরস্পরে যুদ্ধের ময়দানে জিহাদ করেও মুজাহিদ হয়ে আল্লাহর রাস্তায় আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিজেদের জানমাল সবকিছু উৎসর্গ করার চাইতেও যে আমলটি আল্লাহতালার কাছে অধিক প্রিয় অধিক শ্রেষ্ঠ সে আমলটি কি তোমাদেরকে আমি অবগত করবো না? সাহাবীগণ এ কথা শুনে বললেন রাসূল্লাহ হে আল্লাহ রাস অবশ্যই আমরা সে আমল সম্পর্কে জানতে চাই যে আমলের ফজিলত হচ্ছে এত বেশি যে আমল আল্লাহ তাআালার কাছে অধিক প্রিয় আল্লাহ তাআালার কাছে অধিক পবিত্র।

                                                           

যে আমলটি করলে আমাদের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। যে আমলটি করলে আমরা স্বর্ণরূপ্য দান করার চাইতে বেশি মর্যাদা বেশি সওয়াব পাবো। যে আমলটি করলে যুদ্ধের ময়দানে আমরা জিহাদ করার চাইতেও বেশি মর্যাদায় উন্নীত হতে পারব। আমরা আল্লাহ তাালার কাছে প্রিয় পাত্র হিসেবে গণ্য হতে পারব। সে আমলটি সম্পর্কে জানতে চাই। তখন রাসূ সাল্লাম বললেন আলা আল্লাহ রাসূ সলাম বললেন তালা সে আমলটি হচ্ছে আল্লাহ তাআালার স্মরণ করা। আল্লাহ তালার জিকির করা। আল্লাহ তাআলার জিকির করা এত বেশি ফজিলত যেই ফজিলত সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলে দিলেন কত বেশি আল্লাহ তাআালার কাছে ফজিলত যে স্বর্ণরূপ দান করার চাইতেও এটি ফজিলতপূর্ণ এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করার চাইতেও এটি ফজিলতপূর্ণ এই ফজিলত থেকে ইবলিশ শয়তান যে কোন মূল্যে চায় মানুষ জাতিকে বানি আদমকে সরিয়ে দিয়ে তার অন্তরটাকে বক্রপথে পরিচালিত করতে সম্মানিত উপস্থিতি আল্লাহর রাসূল সাল্লাম শুধু তাই নয় এ আমলটি এমন একটা মর্যাদাপূর্ণ আমল যেটি আল্লাহ তাআালার কাছে অধিক নিকটবর্তী নিয়ে যায়।

                                                           

অনেক অনেক নিকটবর্তী করে দেয়। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন কলা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আজওজাল আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা বলেন অর্থাৎ হাদিসটি হাদিসে কুদসি আল্লাহ তাআলা বলেন আবদি আমি আমার বান্দার ধারণাতে অনুপাতে আমি আমার বান্দার নিকটে রয়েছি আল্লাহ তালা বলছেন আর আমি তার সাথে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে সে যদি আমাকে মনে মনে স্মরণ করে সে যদি আমার জিকির করে আমার কথা আল্লাহ তাআলা বলছেন আমার কথা সে যদি মনে মনে বলে আমার স্মরণ করে আমার জিকির মনে মনে যাকারতুহুফ নাফস আমি আল্লাহ তালা ওই ব্যক্তিটার নাম স্বয়ং সাত আসমানের উপরে আমি নিয়ে থাকি মনে মনে সুবহানাল্লাহ আল্লাহ রাসূ তারপরে বলছেন আল্লাহ তালা তারপরে বলেন সে যদি একটা দলের মাঝে আমার জিকির করে মানুষের মাঝে আমার স্মরণ করে আমি এমন দলের মাঝে এমন একটা মাজমুয়ার মাঝে এমন একটা সমাবেশের মাঝে তার

                                                           

আলোচনা করি তার নামটা উচ্চারণ করি যারা তাদের চাইতে অনেক অনেক গুণে শ্রেষ্ঠ সুবহানাল্লাহ আল্লাহ তাআলা আপনার আপনি আমি যদি আল্লাহ তাআলাকে মানুষের মাঝে আল্লাহর জিকির করি আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করি আল্লাহ তাআলা ফেরেশতা মন্ডলীদের মাঝে আমার আপনার নাম নিয়ে আল্লাহ তাআলা আলোচনা করেন সুবহানাল্লাহ এরপরে আল্লাহ তালা বলছেন সে যদি আমার কাছে অর্ধ হাত কাছে আসতে চাই তাকার আমি তার এক হাত তার নিকটে আগিয়ে যাই আমার কোন বান্দা যদি আমার কাছে অর্ধ হাত আগিয়ে আসে আমি আল্লাহ তালা এক হাত বান্দার দিকে আগিয়ে যাইতাবা আর সে যদি আমার কাছে এক হাত আসে তাকবহ তাহলে আমি তার কাছে এক হাতের চাইতেও বেশি তার নিকটে আমি চলে যাই।

                                                           

এরপরে আল্লাহ তালা রাসূলাম বলেন আল্লাহ তালা বলেন আর সে যদি আমার কাছে পায়ে হেটে আসে পায়ে হেটে হেটে আমার নিকটে আসতে চাই আমি আল্লাহ তাআলা তার কাছে আতাহারওয়ালা আমি তার কাছে দৌড় দিয়ে তার কাছে যাই। সুবহানাল্লাহ। সম্মানিত উপস্থিতি একটু বিবেক দিয়ে ভেবে দেখুন তো আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করলে আল্লাহ তাআলা কত বান্দার নিকটবর্তী হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করার উদাহরণ আপনি যদি দেখতে যান একটু স্মরণ করুন। ওই সময়ের কথা যখন মারিয়াম আলাইহিস সালামের জন্মের পূর্বে হান্না বিনতে ফাকুদ।

                                                           

ইমরানের স্ত্রী হান্না বিন্তে ফাকুদ যখন স্মরণ একটি পাখিকে দেখলেন তার বাচ্চাকে তার মুখের ডানা মুখের ঠোট দিয়ে তার বাচ্চাকে খাবার খাওয়াচ্ছে তখন তার মনে আগ্রহ জন্মে গেল যে আমারও যদি একটা আল্লাহ তাআলা সন্তান দিতেন আল্লাহ তাআলা আমাকে যদি একটি সন্তান দিতেন আমি তাকে ঠিক এভাবেই লালন পালন প্রতিপালন করতাম তাই আল্লাহ তাআলাকে সে স্মরণ করল আল্লাহ তাআলাকে যখনই স্মরণ করলো আল্লাহ তাআলা তাকে একটি সন্তান দান করলেন যেই সন্তান পৃথিবীতে আসলো মারিয়াম আলাইহিস সালাম আল্লাহ তাআলা তাকে এই সন্তানটি দান করলেন মারিয়াম আলাইহিস সালামকে অনুরূপভাবে মারিয়াম আলাইহি সালাম যখন জাকারিয়া আলাইহি সালামের কাছে প্রতিপালিত হচ্ছিলেন মেহরাবে যখন অবস্থান করছিলেন তখনই জাকারিয়া আলাইহিস সালাম মারিয়াম আলাইহি সালামের কাছে গিয়ে যখনই প্রবেশ করছেন তখনই তার কাছে দেখতে পেতেন মৌসুম বিরোধী ফল তখনই আল্লাহ তাআলার কাছে স্মরণ করলেন যে যে আল্লাহ তাআলা তিনি আমাকে তিনি মৌসুম বিরোধী ফল যদি মারিয়াম আলাইহি সালামকে দিতে পারেন সে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা আমাকে এই বার্ধক্য বয়সে এই শেষ বয়সে এসে আমাকে সন্তান দিতে পারেন।

                                                           

তাই তিনি স্মরণ করলেন আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করার পরে আল্লাহ তাআালার কাছে প্রার্থনা করলেন আল্লাহ তাআলার কাছে স্মরণ করে দোয়া করলেন আল্লাহ তাআলা তাকে সন্তানের শুভ সংবাদ দিলেন। আল্লাহ তাআলা সন্তান দিলেন তাকে জাকারিয়া আলাইহিস সালামকে। জাকারিয়া আলাইহিস সালাম সন্তানের শুভ সংবাদ পেয়ে বললেন আল্লাহ কিভাবে আমার সন্তান হতে পারে? ইনিমিনিবা আমি তো আমার বস্তিগুলো সব হাড়গুলো দুর্বল হয়ে গেছে আমার মাথার চুল সবশ্র হয়ে গেছে সাদা হয়ে গেছে এ বয়সে সন্তান পাওয়া সম্ভব নয় আল্লাহ তাআলা তাকে সন্তান দিয়েছেন আল্লাহ তালা এই বয়সে এসে সন্তান দিয়েছেন কিসের বিনিময়ে শুধুমাত্র আল্লাহ তালাকে জিকির করার বিনিময়ে সম্মানিত উপস্থিতি এই জিকিরের পাওয়ার এই জিকিরের ক্ষমতা এত বেশি জিকিরের পাওয়ার এত বেশি দেখুন বাদরের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাত্র ৩১৩ জন সাহাবী নিয়ে কোন প্রকার অস্ত্র শস্ত্র না নিয়ে শুধুমাত্র একটি কাফেলাকে অ্যাটাক করার জন্য গিয়েছিলেন।

                                                           

আর পক্ষান্তরে ১০০০ সৈন্য নিয়ে আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে মক্কা থেকে যখন ১০০০ মুশরিকরা কুরাইশরা এসেছিল বদরের প্রান্তরে সৈন্য সামন্ত এবং তাদের প্রশিক্ষিত প্রশিক্ষিত সৈন্য নিয়ে এবং অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাও ঘোড় ঘোড়া থেকে শুরু করে যত প্রকার সরঞ্জামাবাদী যুদ্ধের জন্য প্রয়োজন সেগুলো নিয়ে এসেছিলেন সেখানেও দোয়ার বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা আল্লাহকে স্মরণের বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তথা মুসলিমদের বিজয় দিয়েছেন মাত্র ৩১৩ জন সাহাবীর বিনিময়ে পক্ষান্তরে যখন তারা আল্লাহ তাআালার উদাসে আল্লাহ তাআালার স্মরণ থেকে উদাসীন হয়ে গেল যেমন হুনাইনের যুদ্ধে যখন কাসরাতের ভিত্তিতে তারা বিজয় লাভ করতে চাইল তখনই আল্লাহ তাআলা তাদেরকে অপমান অপদস্ত করলেন। তাদের উপরে শত্রুদের বিজয় দিতেছিলেন।

                                                           

সম্মানিত উপস্থিতি এজন্য আল্লাহর জিকির আল্লাহর স্মরণ এত বেশি পাওয়ারফুল যেকোনো পরিস্থিতিকে পাল্টে দিতে পারে শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার জিকিরেই আল্লাহ তাআলার জিকির এত বেশি পাওয়ারফুল সম্মানিত উপস্থিতি এই পাওয়ারফুল জিকির থেকে ইবলিশ যেকোন মূল্যে যে কোন মূল্যে বানি আদমকে গাফেল রাখতে চাই উদ্দেশ্য একটাই তাকে পথভ্রষ্ট করে জাহান্নামের পথে পরিচালিত করা সম্মানিত উপস্থিতি অনুরূপভাবে এই জিকিরটা মানব মানবদেহের শক্তি সঞ্চার করে আল্লাহ রাসূল সলাম বলছেন আবু আবু সাঈদ খুদ রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে হাদিসটি বর্ণিত তিনি বলেন আল্লাহ আবু মুসা রাদিয়াল্লাহু তালা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে তার রবকে স্মরণ করে আর যে তার রবকে স্মরণ করে না যে তার রবের জিকির করে আর যে তার রবের জিকির করে না তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে মাতালুল হাইওাল মাই একজন মৃত এবং জীবিত ব্যক্তির ন্যায় মৃত ব্যক্তি ওরাই যারা আল্লাহর জিকির করে না তাদের কলব মরে গিয়েছে তাদের কল তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলোকে নির্দেশনা দিয়ে পরিচালিত করতে পারে না পক্ষান্তরে যাদের অন্তরটা আল্লাহ তাআালার জিকিরে নিমজ্জিত থাকে আল্লাহ তাআালার স্মরণে নিমজ্জিত থাকে তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলোকে তার কল্পে পরিচালিত করতে দিক নির্দেশনা দিয়ে সরল সঠিক পথে এবং পাপাচার থেকে বিরত রাখতে পারে।

                                                           

সম্মানিত উপস্থিতি অনুরূপভাবে যারা আল্লাহ তাআলার জিকির করে আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করে আল্লাহ তাআলা ফেরেশতা মন্ডলীদের কাছে তাদেরকে নিয়ে অহংকার করেন আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণিত নিশ্চয় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন তার বাড়ি থেকে তার গৃহ থেকে তার সাহাবীদের মাঝে একটি হালাকা তারা বসে বসে আল্লাহর জিকির করছিল আল্লাহর স্মরণ করছিল এই জিকিরের মাজলিসের কাছে আসলেন। এসে বললেনকুম তোমাদেরকে এখানে কিসে বসিয়েছে? কেন তোমরা এখানে বসেছো? তারা বলল জালাসুল্লাহ আমরা এখানে বসেছি আল্লাহর জিকির করার জন্য। ইসলাম এবং আমরা এখানে বসেছি।

                                                           

আল্লাহ তাআলা যে আমাদেরকে ইসলামের দিকে হেদায়েত দিয়ে সঠিক ধর্মকে পালন করার তৌফিক দিয়েছেন এজন্য আমরা এখানে বসে আল্লাহ তাআালার প্রশংসা করব এই উদ্দেশ্যে আমরা বসেছি সাহাবীগণ আলাইনা এবং আল্লাহ তালা ইসলামের মাধ্যমে আমাদের প্রতি যে দয়া করেছেন এ দয়াটাকে আল্লাহ তাালার কাছে শুকরিয়া আদায়ের জন্য আমরা এখানে বসেছি সাহাবীগণের এ কথা উত্তরে আল্লাহ রাসূ বললেন তোমাদেরকে এটাই আল্লাহ আজমিল্লা তোমাদেরকে কি এই কারণেই এখানে বসিয়েছে শুধুমাত্র আল্লাহর জিকির করার জন্যই বসেছো সাহাবীগণ বললেন আল্লাহ রাস আল্লাহর কসম করে বলছিলা আমরা শুধুমাত্র এ উদ্দেশ্যেই বসেছি যেখানে বসে আমরা আল্লাহর জিকির আজকার করব আল্লাহ তালার স্মরণ করব এ উদ্দেশ্যেই বসেছি সাহাবীগণের এ কথা শুনে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন শোন আমি তোমাদের কাছে তোমরা যে কথা বললে এ কথা মিথ্যা বলছো এই অপবাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তোমাদের কসম আমি বলিনি কসম করিনি তোমাদের কাছে কসম চাইনি বরং আমি তোমাদেরকে এ কথা বললাম কেননা লাকনা জিবল আমার কাছে একটু আগে জিব্রল আলাইহি

                                                           

সালাম আসল এসে আমাকে বলল যে ইন্নাল্লাহ আল্লাহতালা তোমাদের এই মাজলিস নিয়ে এই জিকিরের মজলিসটাকে নিয়ে আল্লাহ তাআলা ফেরেশতা মন্ডলীদের কাছে নিয়ে অহংকার করে বলছেন দেখো আমার বান্দাদেরকে তারা আমার জিকিরে কিভাবে নিমজ্জিত রয়েছে কিভাবে জিকিরের মজলিসে তারা বসেছে কিভাবে জিকিরের মাজলিশে বসে আমার স্মরণ করছে এ অহংকার করছে ফেরেশতাদের মাঝে এজন্যই তোমাদেরকে আমি কসম দিয়ে বললাম কেন তোমরা এখানে বসেছো তোমাদের কারণটা জানানোর জন্য জানার জন্য সম্মানিত উপস্থিতি একটু খেয়াল করে দেখুন তো কতটা জিকিরের পাওয়ার যে জিকির করার সাথে সাথে সাথে আল্লাহ তালা স্বয়ং ফেরেশতাদেরকে নিয়ে বসে গিয়ে তাদেরকে তাদের সামনে এই মাজলিসুল জিকির জিকিরের মজলিস নিয়ে আল্লাহ তালা অহংকার করে বলেন আমার এই বান্দারা আমার এই বান্দারা আমার স্মরণে আমার জিকিরে নিমজ্জিত রয়েছে দেখো যাদেরকে তোমরা বলেছিলে আল্লাহ আপনি কি জমিনের বুকে এমন বান্দাদেরকে তৈরি করবেন যারা জমিনের বুকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে রক্তপাত ঘটাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে তখন আমি বলেছিলাম শোন ইন্নি আলামুন আমি যা জানি তোমরা

                                                           

তা জানো না আজকে দেখো আমার বান্দারা আমার জিকিরে কিভাবে নিমজ্জিত রয়েছে সম্মানিত উপস্থিতি অনুরূপভাবে জিকির এমন পাওয়ারফুল এমন ক্ষমতাবান মানব বানি আদমের যত পাপ রয়েছে বানি আদমের যত পাপ রয়েছে সব পাপগুলো আল্লাহ তাআলা মিটিয়ে দিতে পারেন এই জিকিরের মাধ্যমে এমনকি আল্লাহ তাআলা এই জিকিরের মাধ্যমে বানি আদমের পাপগুলোকে পুণ্য দ্বারাও পরিবর্তন করে দেন সুবহানাল্লাহ সম্মানিত উপস্থিতি আল্লাহ রাস বলেন আবু হরা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু থেকে বর্ণিত নিশ্চলেন ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহুলা যে ব্যক্তি এই দোয়াটি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহুলাহ মুলক এই দোয়াটি কোনদিন ১০০ বার পাঠ করবে ১০০ বার পড়বে এই দোয়াটিস বলছেন এই দোয়ার বিনিময়ে আল্লাহ তালা তার সওয়াব হিসেবে দিবেন যে প্রতিদান দিবেন সেটি হচ্ছে কত তারদটা গোলামদটা গোলাম আজাদ করলে যে সওয়াব পাবে সেই সওয়াব তার আমলনামায় লিপিবদ্ধ হবে সুবহানাল্লাহ শুধু তাই নয় হাসানাত তার ১০০টা সওয়াব লিপিবদ্ধ হবে তার ১০০টা গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে এবং তার জন্য প্রতিদান হবে তার জন্য ওই দিনটা সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তান তাকে পথভ্রষ্ট করতে পারবে না।

                                                           

সুবহানাল্লাহ। এবং আল্লাহ রাসূলাম বলছেন তারপরে সেযে সওয়াব নিয়ে এসেছে সে যে প্রতিদান সে যে আমল করেছে এই সমপরিমাণ এত মর্যাদাপূর্ণ আমল আর পৃথিবীতে তার মত দ্বিতীয়জন কেউ নেই তার মত শ্রেষ্ঠ আর আমলের দিক থেকে কেউ নেই তবে যে ব্যক্তি তার মত করেছে বা তার চাইতে বেশি এই দোয়া পাঠ করেছে তার জন্য সেটি হবে সম্মানিত উপস্থিতি জিকিরের পাওয়ার দেখেন জিকিরের কারণে বানি আদমের গোলামদেরকে আজাদ করে যে ফজিলত পাওয়া যায় সে ফজিলত পাওয়া যায় এই সামান্য একটি ছোট্ট বাক্য উচ্চারণ করে। যে বাক্যটির মর্যাদা আল্লাহ তাআালার কাছে শব্দে উচ্চারণে ছোটে হলেও মর্যাদার দিক থেকে অনেক অনেক গুণে প্রতি মর্যাদাপূর্ণ বড়।

                                                           

এমনকি আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্য আরেকটি রেওয়েত এ হাদিসের শেষ লগ্নে বলছেন ওমান সুবহানাল্লাহি ওবিহামদিহিয়াতিন যে ব্যক্তি সুবহানাল্লাহি ওবিহামদিহি এই দোয়াটি ১০০ বার দিনে রাত্রে তেলাওয়াত করবে সকালে ১০০ বার পাঠ করবে রাত্রে ১০০ বার পাঠ করবে সন্ধ্যায় ১০০ বার পাঠ করবে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন তার যত পাপ রয়েছে আল্লাহ তালা সকল পাপগুলো ক্ষমা করে দিবেন সুবহানাল্লাহ যদিও সমুদ্রের ফানার সমপরিমাণ হয় তারপরও সকল পাপগুলো আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করে দিবেন। এই প্রতিদান এছাড়াও অসংখ্য প্রতিদান রয়েছে। আল্লাহ তাআালার জিকিরে যদি আমরা অন্তরকে স্মরণ রাখি সর্বদায় যদি আমরা মনে রাখি যে আল্লাহ তাআলা আমাকে দেখছেন। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেকটি কর্ম আমার লিপিবদ্ধ করার জন্য আমার ডানে বামে ফেরেশতারা রয়েছে।

                                                           

আমার প্রত্যেকটা কথা আমার প্রত্যেকটা কাজ আল্লাহ তাআলা লিপিবদ্ধ করছেন। এই মনে করে যদি আমরা পৃথিবীতে জীবন যাপন করতে পারি তাহলেই আমাদেরকে আল্লাহ তাআলা এই প্রতিদানে নিমজ্জিত করবেন। সম্মানিত উপস্থিতি পক্ষান্তরে এই জিকির থেকে যারা সরে যাবে যারা আল্লাহ ইবলিশের প্ররচনায় পড়ে ইবলিশের প্ররচনায় পড়ে জিকির থেকে নিজের অন্তরকে গাফেল করে রাখবে তাদের ব্যাপারে ভয়ঙ্কর এক পরিণীতি হবে। সেটি হচ্ছে যে তারা নিজেদের নিজেদের কল্যাণ অকল্যাণের জন্য নিজ নিজেদের কল্যাণকে নির্ধারণ করতে পারবে অকল্যাণ থেকে বিরত থাকতে পারবে না এবং তাদের অবস্থাটা হবে তাদের জন্য সকল কল্যাণের দরজাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে এবং অকল্যাণের দরজাগুলো খুলে যাবে আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারীমের মধ্যে বলছেন আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিমজাহান আমি জাহান্নামের জন্য অনেক মানুষ এবং জীনকে সৃষ্টি করেছি যে মানুষ এবং জীনদের তাদের অন্তর রয়েছে এই অন্তর দিয়ে তারা বুঝবে না।

                                                           

এই অন্তর দিয়ে তারা ভালোমন্দ বুঝবে না। তাদেরকে আল্লাহ তালা যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন সেটা তারা উপলব্ধি করবে না। সেটা তারা বুঝবে না। তাদের চোখ রয়েছে। চোখ দিয়ে তারা দেখবে না। তাদের কান রয়েছে। এই কান দিয়ে তারা শুনবে না। এরা হচ্ছে চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায়। আল্লাহ তাআলা বলছেন বাহুম আদাল বরং এই চতুষ্পদ জন্তুরাও তো ভালোমন্দ বুঝে কোনটা খেলে তার জন্য উপকার হবে কোনটা খেলে তার শরীরে কাটা বৃদ্ধ হবে না সে জিনিসটা সে খাবে যেটা কাটাবৃদ্ধ হবে সেটাতে সে যাবে না যে জায়গায় তার ক্ষতি হবে সে জায়গায় যাবে না এই চতুষ্পদ জন্তুরা রাখাল তাকে যেভাবে নির্দেশনা দেয় সে নির্দেশনা অনুপাতে চলে কিন্তু এদের রব যে নির্দেশনা দেয় সে নির্দেশনা অনুপাতে তারা চলে এরা চতুষ্পদ জন্তুর চাইতে কুকুর শিয়াল এর চাইতেও তারা নিকৃষ্ট এদের কথা আল্লাহ তালা বলছেন বাহু আদাল বরং এর চাইতেও তারা নিকৃষ্ট যারা অন্তরকে গাফেল রাখে যারা অন্তরকে আল্লাহর জিকিরে নিজেদেরকে নিমজ্জিত রাখে না তারা হচ্ছে তাদের চাইতেও নিকৃষ্ট শুধু তাই নয় এদের ব্যাপারে এই আল্লাহ তাআালার জিকির থেকে অমনোযোগী ব্যক্তিরা তাদের ইন্দ্রিয় তাদের অনুভূতি হারিয়ে ফেলে তারা ভালোমন্দ বাচাই যাচাই বাচাই করতে পারে না তাদের ইন্দ্রিয় কোন কোন কাজ করে না।

                                                           

আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারীমের মধ্যে বলছেন যেমনটি ফেরাউন ফেরাউন এবং মুসা আলাইহিস সালাম যখন মুসা আলাইহিস সালাম ফেরাউনের কাছে দাওয়াত দিল তারা এতটাই অন্ধকার এবং ভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত ছিল আল্লাহর আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল হয়ে গেছিল যার কারণে আল্লাহতালা তাকে ডুবিয়ে মারলেন আল্লাহতালা বলছেন আমি ফেরাউন এবং ফেরাউনের অনুসারীদের থেকে প্রতিশোধ নিলাম দিয়ে আমি তাদেরকে সমুদ্রে ডুবিয়ে মারলাম অপরাধ ছিল যে তারা আমার আয়াতগুলোর প্রতি মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে ওকফন এবং আয়াতগুলো সম্পর্কে তারা ছিল উদাসীন তারা ছিল অমনোযোগী এ অমনোযোগী থাকার কারণে আমি তাদেরকে ডুবিয়ে সমুদ্রে মারলাম সম্মানিত উপস্থিতি শুধু তাই নয় এই গাফত গাফতটা জাহান্নামে মানুষদেরকে নিয়ে যায় আল্লাহতালা বলছেন যারা আমার সাক্ষাতের আশাবাদী নয় ইন্নাললা যারা আমার সাক্ষাতের আশাবাদী নয় হায়াত দুনিয়া এবং পার্তিব্য জগতের প্রতি যারা সন্তুষ্ট হয়ে গেছে এই দুনিয়াতেই তারা প্রশান্তি পাচ্ছে যাদের অবস্থাটা এই হয়ে গেছে শুনে রেখা তাদের কাছে আমার বিভিন্ন দিদর্শন আয়াতগুলো আসার পরেও কোরআনের আয়াতগুলো তেলাওয়াত করার পরেও বিভিন্ন পার্তিব্য জগতের আয়াতগুলো

                                                           

আসার পরেও সেগুলো সম্পর্কে অচেতন থাকে উদাসীন এই ব্যক্তিরা এই ব্যক্তিদের অবস্থান শোন উলাার এদের অবস্থান হচ্ছে জাহান্নাম এদের অবস্থান হচ্ছে জাহান্নাম বিমানবন তাদের উপার্জনের প্রতিদান স্বরূপ এরা যে উপার্জন করেছে এরা যে কামাই করেছে এ কামাইের প্রতিদান স্বরূপ তাদের প্রতিদান হচ্ছে জাহান্নাম সম্মানিত উপস্থিতি এই ইবলিশ ইবলিশ জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার যে প্রতি যে মাধ্যমগুলো গ্রহণ করে থাকে বানি আদমের অন্তর আল্লাহ তাআলার সব ব্যাপারে আল্লাহর জিকির থেকে উদাসীন করার মাধ্যমে আর আল্লাহর জিকির থেকে যখন বানি আদমের অন্তরগুলো উদাসীন হয়ে যাবে তখনই আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির ওই ব্যক্তির জন্য নির্দিষ্ট একটা শয়তান নির্ধারণ করে দেন যে শয়তানটা সর্বদায় তাকে খারাপ কাজগুলোকে ভালো বলে উপস্থাপন করবে তার কাছে সুশবিহিত করে উপস্থাপন করবে সৌন্দর্য মন্ডিত করে উপস্থাপন করবে আর এই সৌন্দর্য মন্ডিত কাজগুলোকে এই খারাপ কাজগুলোকে সে ভালো মনে করে সর্বদায় এই ভালো কাজগুলো করতে থাকবে এবং খারাপ কাজগুলো থেকে সে খারাপ কাজগুলো থেকে সে বিরত থাকতে পারবে না।

                                                           

পক্ষান্তরে যে ভালো কাজগুলো রয়েছে সে ভালো কাজগুলোকে সে খারাপ মনে করবে। ভালো কাজগুলোর প্রতি সে উদাসীন হয়ে যাবে এবং ভালো কাজগুলো তার কাছে মাকরুহাত হিসেবে ইবলিশ তার কাছে উপস্থাপন করবে। আল্লাহ তালা কোরআনুল কারীমের মধ্যে বলছেন রহমান যে ব্যক্তি রহমানের জিকির থেকে আল্লাহর জিকির থেকে উদাসীন হবে আল্লাহর জিকির থেকে বিমুখ হবে আমি তার জন্য একটা কারিন একটা সঙ্গীলাহ শয়তান তার জন্য একটা শয়তান নিযুক্ত করে দিবলা সে শয়তানটা সে তার সাথে সর্বদায় থাকবে সে তার থেকে কখনো আলাদা হবে নাখ কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। কখনো তার থেকে দূরে সরে যাবে না। সর্বদায় তাকে ভালো কাজগুলো খারাপ বলে তার কাছে উপস্থাপন করবে।

                                                           

আর খারাপ কাজগুলো তার কাছে ভালো করে উপস্থাপন করে সৌন্দর্য মন্ডিত করে উপস্থাপন করে তাকে ওই খারাপ কাজের দিকে আকৃষ্ট করবে। সম্মানিত উপস্থিতি এভাবে তাকে তার পার্থিব্য জগতটা তখন হয়ে যাবে। পাপে যখন জড়িয়ে যাবে তখন তার পার্থিব্য জগতটা সংকীর্ণ জীবনযাপন হয়ে যাবে। আল্লাহ তালা কোরআনুল কারীমের মধ্যে বলছেন যে যারা আমার জিকির থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেলা তার জন্য সংকীর্ণ জীবনযাপন হবে এবং ওকে কিয়ামতের দিন অন্ধ করে উঠাবো আল্লাহ তালাকে তখন সে বলবে হে আল্লাহ আজকে আমি কেন অন্ধ হয়ে উঠেছি আমি যে দুনিয়াতে বসবাস করে এসেছিলাম সেখানেতো আমার আল্লাহ আপনি দুইটা দৃষ্টি দিয়েছিলেন চক্ষু দিয়েছিলেন যে চক্ষু দিয়ে আমি পৃথিবী দেখেছি পৃথিবীতে বিচরণ করেছি আজকে কেন আমি অন্ধ হয়ে উত্তোলন হলাম কেন অন্ধ হয়ে উঠানো হলো আল্লাহ তালা তখন বলবেন এভাবেই তোমার কাছে আমার বিভিন্ন আয়াতগুলো তোমার কাছে এসেছিল আমার নিদর্শনাবলী তোমার কাছে এসেছিল তুমি সেগুলোকে ভুলে গিয়েছিলে শুনে রেখোমা আজকে সেই দিনের ন্যায় আজকে তোমাকে ভুলে যাওয়া হয়েছে।

                                                           

আজকে তুমি হাজার চেষ্টা করেও তোমাকে আমি স্মরণ করতে পারছি না। তোমাকে আমি স্মরণ করবো না। কারণ তুমি আমাকে পৃথিবীতে স্মরণ করোনি। আমার আয়াতগুলোকে স্মরণ করেনি। এজন্য আজকে তোমাকে আমি অন্ধ করেই রাখবো। সম্মানিত উপস্থিতি এভাবেই শাস্তি পার্থব্য জগতে আল্লাহর জিকির থেকে বিমুখ হলে যেমন শাস্তি স্বরূপ তার সংকীর্ণ জীবনযাপন হবে পরকালেও তার জন্য সংক তাকে অন্ধ করে আল্লাহ তাআলা উত্তর উত্তোলন করবে। সম্মানিত উপস্থিতি এবং মানুষের অন্তর যখন এই আল্লাহর জিকির থেকে নিমজ্জিত হয়ে যাবে তখন তার প্রকৃত প্রকৃত কল্যাণকর কাজগুলো সে ভুলে যাবে। সে প্রকৃত কল্যাণকর কাজগুলো করতে পারবে না। মানুষ যখন আল্লাহর জিকির থেকে বিমুখ হয়ে যাবে।

                                                           

আল্লাহর জিকির থেকে দূরে সরে যাবে। আল্লাহর জিকির থেকে বিমুখ হয়ে যাবে। আল্লাহর জিকির তার অন্তরে থাকবে না। তখন মানুষ তার কল্যাণকর কাজগুলো সে নিজেকে নিজের জন্য নিযুক্ত করতে পারবে না। সে মনে করবে এগুলোই খারাপ কাজ। এগুলোই যেন একটা বিরক্তিকর কাজ। এগুলো যেন আমার উপর বোঝা চাপিয়ে রয়েছে। আল্লাহ তালা কোরআনুল কারীমের মাঝে এ কথাই বলে দিয়েছেন। আল্লাহ তালা বলছেন তোমরা হয় না ওই ব্যক্তিদের ন্যায় যারা আল্লাহকে ভুলে গিয়েছিল অনুরূপভাবে আল্লাহকে যখন তারা ভুলে গিয়েছিল আল্লাহ এর প্রতিদান স্বরূপ তাদের নিজেদেরকেই ভুলিয়ে দিয়েছিল।

                                                           

তারা তাদের নিজেদের কল্যাণ তারা নিযুক্ত করতে পারতো না নির্ধারণ করতে পারতো না আল্লাহ তাআলা তারপরে বলছেন এই ব্যক্তিটারফলাফাসন এরাই হচ্ছেফাসক ব্যক্তি পাপিষ্ঠ ব্যক্তি এদের অবস্থা হবে একেবারে সংকীর্ণ জীবনযাপন এবং নিজেদের কল্যাণ তারা নিযুক্ত করতে পারবে না এভাবে অন্তরটা তাদের মরে যাবে এবং তারা পরকালে হতভাগা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আল্লাহ তাআালার কাছে উত্তোলন সম্মানিত উপস্থিতি তাই প্রথম খুতবার পরিশেষে এই অনুরোধটুকুই রেখে যাচ্ছি যে আমরা যেন গাফেল অন্তর না হয়ে আমরা যেন গাফেল অন্তর না হই যে গাফেল অন্তরের কারণে আমরা আল্লাহ তাআলাকে ভুলে যাই আর আল্লাহকে ভুলে গেলেই আমাদের প্রতিদান তখন হবে জাহান্নাম আমরা নিজেদেরকে ভুলে যাব পার্তিপ জগতেও আমরা সফলতা লাভ করতে পারবো না পরকালেও আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব এবং আমাদের আমাদের অন্তরের কমান্ড তখন আমাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো গ্রহণ করবে না এজন্য এজন্য আমরা আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করার চেষ্টা করি।

                                                           

আল্লাহ তাআলা আমাদের তৌফিক দান করুন। ও সাল্লাল্লাহু আলা নাবীনা মুহাম্মাদ ওয়ালা আলিহি ওয়া সাহি আজমাইন। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহি নাহমাদুহুসনহুসফ বিল্লাহিনাল্লাহ আললা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু রাসুলুহ সম্মানিত উপস্থিতি আমরা শুনছিলাম গাফেল অন্তরের অভয়াবহতা এবং গাফেল অন্তর যেগুলো নয় বরং আল্লাহর জিকিরের নিমজ্জিত থাকে তাদের জন্য প্রতিদান কি মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে ইবলিশ মানুষকে গাফেল অন্তরের অধিকারী বানায়। তার গাফেল অন্তরের মাধ্যম গাফেল অন্তর বানানোর মাধ্যমগুলো সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কয়েকটি পয়েন্ট বলেই আজকের খুতবা সমাপ্তি করছি। ইবলিশ যে মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে অন্তরকে গাফেল বানায় সেগুলোর প্রথম হচ্ছে দুনিয়া এবং দুনিয়ার চাকচিক্য। দুনিয়ার প্রতি লোভ, দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা, দুনিয়ার অর্থ সম্পদ এবং দুনিয়ার দুনিয়ার সন্তান-সন্ততি এগুলোই মানুষকে আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল বানায়।

                                                           

এজন্য আল্লাহ তালা সতর্ক করে বলছেন ইয়াুাহ্লাজনাল্লাহ হে ঈমানদারগণ তোমাদেরকে যেন আল্লাহর জিকির থেকে তোমাদের অর্থসম্পদ এবং তোমাদের সন্তান সন্ততিরা গাফেল না বানিয়ে দেন দুই আলগেনা অনর্থক বিনোদন এবং গান বাজনা ইত্যাদি ইত্যাদি যা বর্তমান বিশ্বে চলমান রয়েছে যা আমরা সবাই অবগত রয়েছি মানুষের অন্তরকে গাফেল বানানোর বড় একটি হাতিয়ার ইবলিশের বড় একটি হাতিয়ার হচ্ছে এই খেলাধুলা খেলতামাশা এবং সেখানে গানের আসর সেখানে গানের গান বাজনা অনর্থক বিনোদন এই এগুলোই মানুষের অন্তরকে আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল বানায় আল্লাহ তালা বলছেন মানুষের মধ্য থেকে কিছু মানুষ রয়েছে এই পার্থিব্য জগতের অনর্থক খেলতামাশাকে তারা ক্রয় করে কেন উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুতি করা আল্লাহর পথ থেকে পথভ্রষ্ট করা এই যে আজকে ফুটবল টুর্নামেন্ট ইত্যাদি ইত্যাদি খেলা গুলো হচ্ছে এগুলোর উদ্দেশ্য একটাই সে উদ্দেশ্যই হচ্ছে আপনাকে আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল বানিয়ে আপনাকে দ্বীন থেকে সরিয়ে দেওয়া আল্লাহর রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া আল্লাহর পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া এটাই হচ্ছে মূল উদ্দেশ্য এইজন্য ইয়াহুদি খ্রিস্টানরা আবিষ্কার করে দিয়েছে আপনার জন্য এই ফুটবল টুর্নামেন্ট ক্রিকেট ইত্যাদি ইত্যাদি খেলাধুলা আর এগুলো নিয়ে মুসলিম যুবকরা আজকে নিমজ্জিত রয়েছে আজকে তাদের দেওয়া আদর্শকে গ্রহণ করার জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছে অথচ মুসলিমদের উচিত ছিল শক্তি অর্জন করা।

                                                           

যে শক্তির প্রতি আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, যে শক্তি অর্জন করার প্রতি আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, এই শক্তি অর্জন করা প্রতিটি মুসলিম যুবকদের উচিত ছিল, সেখানে তা না করে বরং ইহুদি খ্রিস্টানদের দেওয়া এই খেলাধুলাতে নিমজ্জিত হয়ে গিয়ে তারা নিজেদের অন্তরকে গাফেল বানিয়ে নিয়েছে। সম্মানিত উপস্থিতি অনুরূপভাবে অন্তরকে গাফেল যে মাধ্যমগুলোতে ইবলিশ বানিয়ে থাকে তার আরও একটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে আল কমরুয়াল মাইসির জমাদ এবং জুয়া। এই খেলার দোলার সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে মদ জোয়া এগুলো ধারাবাহিকভাবে নারী এবং মদ ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে সেগুলোর সাথে জড়িত প্রত্যেকটা অঙ্গাঙ্গিকভাবে জড়িত আল্লাহতালা বলছেন শয়তান চাই তোমাদের মাঝে শত্রুতা এবং বিদ্বেশ তৈরি করতে তোমাদের মাঝে শত্রুতা বিদ্বেশ তৈরি হোক এটাই শয়তান চাই এটা কিসের মাধ্যমে মদ এবং জোয়ার মাধ্যমে মদ এবং জোয়ার মাধ্যমে এই খেলাধুলা যে টুর্নামেন্ট আয়োজন হচ্ছে এগুলো সব জোয়ার কাতারে চলে গিয়েছে।

                                                           

এই জুয়ার মাধ্যমে আজকে মানুষদের মাঝে শত্রুতা তৈরি করছে। ওই যে দেখছেন আর্জেন্টিনা আর ইত্যাদি ইত্যাদি কোন কোন দেশ খেলার যারা সমর্থক রয়েছে এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের সাথে মারামারি করে রক্তপাত করে একজন আরেকজনকে হত্যা পর্যন্ত করে ফেলছে। শুধুমাত্র খেলাকে কেন্দ্র করে। এটাই তো ইবলিশ চেয়েছে যে একজন আরেকজনের রক্তপাত ঘটাক আর তারা উভয় জাহান্নামে চলে যাক। এটা ইবলিশ চেয়েছে। এই পন্থাগুলো ইবলিশ ব্যবহার করে থাকে। এই মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে থাকে। অনুরূপভাবে আলখতা বাপ বাপের মাধ্যমে ইবলিশ মানুষের অন্তরকে গাফেল করতে চায়।

                                                           

আল্লাহ তালা বলছেন যখন তাদের কাছে আমার আয়াতগুলো তেলাওয়াত করা হয় তখন তারা সে তখন বলে এটা তো পূর্ববর্তীদের কেসা কাহিনী যখন কোরআনের ঘটনাগুলি ইতিহাসগুলো তুলে ধরা হয় এবং তাদেরকে স্মরণ করতে বলা হয় তখন তারা বলে এটা তো পূর্ববর্তীদের কেচা কাহিনী আল্লাহ তালা বলছেন কাল্লা কখনোই নয় তাদের অর্জিত উপার্জিত ফসলের কারণে তাদের অন্তর মরিচা ধরে গিয়েছে জং ধরে গিয়েছে এজন্য তারা আয়াতগুলোকে গ্রহণ করবে না সম্মানিত উপস্থিতি অনুরূপভাবে ইবলিশ আল্লাহর জিকির থেকে যে মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে কি করে উদাসীন করে আল্লাহর জিকির থেকে দূরে সরিয়ে রাখে সেগুলোর আরো একটি হচ্ছে এত্তেবাউল হাওয়া প্রবৃত্তির অনুসরণ করেবাউ হাওয়া অনুরূপভাবে আলজাসুসু খারাপ সঙ্গ খারাপ সঙ্গর মাধ্যমে মানুষকে আল্লাহ তাআলার অন্তর আল্লাহ তাআালার জিকির থেকে উদাসীন করে দেয়।

                                                           

সম্মানিত উপস্থিতি এছাড়াও কাত বেশি হাসি হাসি তামাশাটা বিদ্রুপ এগুলোর মাধ্যমে মানুষের অন্তরকে আল্লাহর জিকির থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। আল্লাহ রাসূল তোমরা বেশি হাসি ঠাঠা করিও না। কেননা বেশি হাসি ঠাট্টা করা অন্তরকে মৃত্যু করে দেয়। অন্তরকে মেরে ফেলে। অন্তরকে মৃত্যু ঘটায়। অন্তর মরে যায়। আর অন্তর যখন মরে যাবে তখন আপনার অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সঠিক পথের দীক্ষা পাবে না। এজন্য আসুন পরিশেষে আমরা অনুরোধ করি আজকে সকল যুবক ভাইদের অনুরোধ করি বিশেষ করে তলাবুল আইলম যারা রয়েছি আমরা এলমুশ শারী যারা রয়েছি তলাবল ইলমিশার শরীয়তের জ্ঞান অন্স্যী যারা রয়েছি যারা দ্বীনকে ভালোবাসি দ্বীনের মাঝে অটুট থাকতে চাই তাদের প্রতি অনুরোধ রাখতে চাই যে আমরা আল্লাহ তাআলার জিকির থেকে যেন আমরা অন্তরকে কোন সময় উদাসীন না করে দিই।

                                                           

আমরা যদি অন্তরকে উদাসীন করি আমাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো তখন উদাসীন হয়ে পাপাচারে লিপ্ত হবে। আমরা সকল পাপগুলো আমরা করব। এজন্য আল্লাহ তাআালার জিকিরে বেশি বেশি নিজেদেরকে নিমজ্জিত রাখি এবং আল্লাহ তালাকে স্মরণ করি। আল্লাহ তালাকে সর্বাবস্থায় স্মরণ করি। আল্লাহ তালা যেমনটি বলেছেন রাসূ যেমনটি বলেছেন তোমার জিহভাটা যেন সর্বদায় আল্লাহর জিকিরে শিক্ত থাকে। মানে এক সেকেন্ডও যেন তোমার জিহ্বা আল্লাহর জিকির থেকে মাশগুলহীন ব্যস্ত না হয়ে অন্য কাজে ব্যস্ত না হয়ে যায়। এই নির্দেশ দিয়েছে। এজন্য আমরা বেশি বেশি আমরা জিকিরকে আল্লাহ তাআালার জিকিরে নিজেদের জিহ্বাকে নিজেদের কলবকে নিজেদের অন্তরকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে সে তৌফিক দান করুন।