লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: বিজাতীয় সংস্কৃতির কুপ্রভাব

বিজাতীয় সংস্কৃতির কুপ্রভাব



আলহামদুলিল্লাহ সকল প্রশংসা যাবতীয় গুণগান একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য যিনি আমাদেরকে পবিত্র জুমাবারের দিন আল্লাহর ঘরে আল্লাহর বিধান জুমার সালাত এবং খুতবা শোনার জন্য সালাত আদায়ের জন্য সময়মতো আল্লাহর মসজিদে উপস্থিত হওয়ার তৌফিক দিয়েছেন সে আল্লাহর প্রশংসা আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ >> দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী শেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর উপর আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহ সম্মানিত সমবেত মুসল্লিবৃন্দ আজকের জুমার সংক্ষিপ্ত খুতবার বিষয় বিজাতীয় সংস্কৃতির কুপ্রভাব আজকের জুমার সংক্ষিপ্ত খুতবার বিষয় বিজাতীয় সংস্কৃতির কুপ্রভাব। শুরুতেই আমরা জানবো বিজাতীয় কি জিনিস? বিজাতি বলতে মুসলিম জাতি ছাড়া যাদেরকে বোঝানো হয় যারা আছে সবাই বিজাতি। ইয়াহুদি, খ্রিস্টান, নাস্তিক, ব্লগার, হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ এককথায় মুসলিমদেরকে ছাড়া অন্য যত জাতি আছে এদেরকে বিজাতি বলা হয়েছে।

                                                           

এই বিজাতি, বিধর্মীদের সংস্কৃতি তাদের সংস্কৃতি কি? রীতি, নীতি, আচার, অনুষ্ঠান, উৎসব, খেলা, দোলা, খেল, তামাশা এই সবগুলোই তাদের সংস্কৃতি। তাহলে বিজাতীয় সংস্কৃতি অমুসলিমদের সংস্কৃতি অমুসলিমদের খেলতামাশা আনন্দ উৎসব হাসি তামাশা খেলা এগুলোর কি কি প্রভাব খারাপ প্রভাব আমাদের মুসলিম সমাজে আছে এটা হলো আজকের খুতবার বিষয় প্রিয় ভাইয়েরা বিজাতীয় সংস্কৃতির পূর্বভাব এই শিরোনামে খুতবা শুরুতে আমরা একটা হাদিস উপস্থাপন করব যেটা সহীহুল বুখারী ৩৪৫৬ নাম্বার হাদিস ৩ফ৫৬ হাদিস নাম্বার সহ বুখারী হাদিসের রাবি আবু সাঈদ খুদী রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি বলছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন লাতা অবশ্যই অবশ্যই তোমরা অনুসরণ করবা অনুকরণ করবা চলবা তাদের দিকে যাবা সানামানা তোমাদের পূর্ববর্তী ইয়াহুদি খ্রিস্টান অমুসলিম বিজাতি যারা আছে এদের সংস্কৃতির দিকে মুসলিম জাতি আল্লাহর নবীর উম্মত আমরা আল্লাহর নবী বলছেন সহীহুল বুখারীর ৩৪৫৬ নাম্বার হাদিস এই জাতি আমরা অবশ্যই অবশ্যই পূর্ববর্তী জাতিকে ফলো করব অনুসরণ করব আনুগত্য করব তাদের পথে চলবো তাদের সংস্কৃতি সভ্যতা তাদের কাছে যেটা ভদ্রতা তাদের আচার অনুষ্ঠান

                                                           

তাদের খেল তামাশা খেলাধুলা এগুলো আমরা গ্রহণ করব এটা আমাদের নবী সাড়েশ বছর আগে বলে গেছেন ইমাম বুখারী তার সহী বুখারীতে জায়গা দিয়েছেন এবার আল্লাহর নবী বলছেন একটা হ্যা তোমরা তাদের মত চলবা কেমন চলবাবিিন গজে বজে হাতে হাতে মানে বিগত বিগতে কদমে কদমে তারা যেমনি হাঁটবে তোমরা তেমনি হাঁটবে সেকেন্ডে সেকেন্ডে মুহূর্তে মুহূর্তে সর্বক্ষেত্রেই মুসলিম উম্মাহ আমরা নামধারী মুসলমান যারা রাত তিনটা বাজে খেলা দেখার জন্য সারারাত জেগে আছে তারা ৪০ মিনিটের খুতবা শোনার জন্য এখনো মসজিদে আসতে পারে নাই এই নামধারী মুসলমান যারা রাত তিন টা বাজে খেলা শুরু হবে গতকাল রাত তিন টায় মনে করেন রাত তিন টায় খেলা শুরু হবে টিসি মোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে সারা বাংলাদেশে রাস্তাঘাটে হাট বাজারে সব জায়গায় রাত তিনটায় শুরু হবে বাংলাদেশ টাইম বাংলাদেশ টাইম রাত তিনটায় খেলা শুরু হবে এই নামধারী মুসলমান আমরা সারারাত জেগে আছি কারণ মোবাইলে এলাম দিলাম যদি উঠতে না পারি যদি খেলাটা মিস হয়ে যাই তাহলে

                                                           

অমুসলিমদেরকে আমরা এতটাই পছন্দ যে তাদের খেল তামাশা তাদের খেলা দেখার জন্য সারারাত জেগে থাকি আর ৪৫ মিনিটের জুমার খুতবা শোনার জন্য দুই কাতার মুসল্লি হয় নাই এটাই নবী বলেছেন ৩৪৫৬ নাম্বার হাদিস তোমরা তাদেরকে এভাবে মানবে গজে গজে মানবে হাতে হাতে মানবে কদমে কদমে মানবে বিগত বিগতে তাদেরকে মানবে এবার দেখেন কি বলছে এই ইহুদিরা যদি কোন সাপের গর্ত সাপ গুই সাপ বিষাক্ত কোন সাপ মানে একটা গর্ত গাথা গভীর জায়গা একটা গর্তের মধ্যে যদি একটা সাপ আছে এই সাপের গর্তে যদি কোন ইহুদি ঢুকে লাদাখাল তোমরা মুসলমানরাও গিয়ে সেই গর্তে ঢুকে যাবে তোমরা ইয়াহুদি খ্রিস্টানদেরকে এতটাই মানবে যদি ইয়াহু এবং খ্রিস্টানরা সাপের গর্তের মধ্যে ঢুকে যায় তোমরা চিন্তাও করবা না সাপ কামড় দেবে আমি মরে যাব জীবন ধ্বংস হয়ে যাবে বাচ্চাকাচ্চা এতিম হবে আমি দুনিয়া থেকে চলে যাব এই চিন্তাই তোমার মধ্যে থাকবে না তুমিও গিয়ে ইহুদিদের অনুসরণে তুমিও গিয়ে সেই সাপের গর্তে প্রবেশ করবে দেখেন এবার আল্লাহর

                                                           

নবীর সাহাবীরা বলছে আল্লাহর নবী আলী ইয়াহুদ ও নাসারা আপনি কাদের কথা বলছেন এরা কি ইয়াহুদী এবং খ্রিস্টান মুসলিম জাতি আমরা যাদেরকে অনুসরণ করব আপনি যে বলতেছেন এরা কারা এরা কি ইয়াহুদি খ্রিস্টান? আল্লাহ নবী বলছে আরে এরা ইহুদি খ্রিস্টান না হলে আর কারা? হাদিসটা কি বুঝলেন আপনারা? হাদিস থেকে আমরা বুঝতে পারলাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম বলছে আমরা যারা মুসলমান আছি। এই মুসলিমরা ইহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে সবসময় মানবো, অনুসরণ করবো, আনুগত্য করবো, তাদের মত চলবো। চলতে চলতে যদি ইয়াহুদি খ্রিস্টানরা সাপের গর্তে ঢোকে আমরাও ঢুকে যাব। ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানরা যা করবে আমরাই তাই করবো। এটা হল আল্লাহর নবীর বক্তব্য।

                                                           

প্রিয় ভাইয়েরা এই হাদিসের সাথে বাস্তবতার ১০০% মিলে গেছে। প্রায় সর্বক্ষেত্রেই আমরা ইহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে মেনে চলছি। সর্বক্ষেত্রেই ইহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে আমরা প্রাধান্য দিচ্ছি। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়ে হাজী সাহেব এইবার হজ করে আসছে। এইবার হজ করে আসছি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে উনিও খেলা দেখে। আসরের নামাজ পড়ে আসছে। আসরের নামাজের ২০ মিনিট পরে খেলা শুরু হবে। আসরের নামাজ থেকে পড়ছে। পরে গিয়ে খেলার জন্য বসে আছে। তার মানে আমরা মুসলিম পরিচয় দিচ্ছি। আমরা মুসলমান। আমাদের নামাজ ঠিক আছে। নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত, দান, সাদকা সবই ঠিক আছে। আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু এরপরেও বিজাতীয় কুসংস্কৃতি আমাদের মধ্যে এতটাই প্রভাব সৃষ্টি করেছে আমরা ভাবছিই না যে এটা আমরা কোন পথে হাটছি।

                                                           

চলেন আমার ভাইয়েরা এই বিজাতীয় সংস্কৃতি এগুলো হারাম। বিজাতীয় সংস্কৃতি ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানদের যেগুলো আচার অনুষ্ঠান আছে এগুলো বিভিন্ন কারণে হারাম। এগুলো আল্লাহ হারাম করেছেন। কোরআনুল কারীম থেকে নয়টা দলিল আমরা কোরআনের নয়টা আয়াত। মোটামুটি কোরআনুল কারীম থেকে নয়টা দলিলের মাধ্যমে আজকের ফুটবল খেলা ক্রিকেট খেলা ক্র্যাম খেলা আরো যত খেলতামাশা আছে ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের বিভিন্ন গেমস খেলা যেগুলোর মধ্যে সময় নষ্ট হয় যেগুলোর মধ্যে হায়াত নষ্ট হয় যেগুলোর মধ্যে ব্রেইনের ক্ষতি হয় যেগুলোর মধ্যে জোয়া আছে যেগুলোর মধ্যে বাজি ধরা আছে যেগুলোর মধ্যে মারামারি আছে যেগুলোর মধ্যে ঈমান এবং আমলের নষ্ট হয় এরকম যত খেলা আছে ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের তৈরি যাদেরই তৈরি হোক এগুলো হারাম এগুলো হারাম এগুলো হান্ড্রেড পারসেন্ট হারাম মুসলমান এই সমস্ত খেলার সাথে কোন সম্পর্ক রাখতে পারে না যেমন দেখেন কোরআন কারীম থেকে আমরা অনেকগুলো দলিল থেকে নয়টা দলিল তিন নাম্বার সূরা সূরা আল ইমরান ২৮ নাম্বার আয়াত আল্লাহতালা বলছেন কাফন মুমিনরা কাফেরদেরকে বন্ধু বানাবে না মুমিনরা মুমিন বাদ দিয়ে অন্য কাউকে বন্ধু বানাবে না একই কথা আল্লাহতালা কোরআন কারীমের চার নাম্বার সূরা সূরা নিসা এখানে বলছে ঈমানদার তোমরা ঈমানদার তোমাদের বন্ধু ঈমানদার হবে।

                                                           

মুমিনই তোমার বন্ধু হবে। মুসলিম তোমার বন্ধু হবে। মুমিন ছাড়া মুসলিম ছাড়া ইয়াহুদি খ্রিস্টান কাউকে তোমরা বন্ধু বানাতে পারো না। তাদের সাথে তোমাদের কোন সম্পর্ক নাই। আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন যদি আমরা তাদের সাথে সম্পর্ক করি অর্থাৎ যদি আমরা তাদের মত চলি তাদের কৃষ্টি-কালচার তাদের সংস্কৃতিকে আমরা মেনে নেই তাহলে কি হবে? আল্লাহ বলছেন ভয়াবহতা সম্পর্কে কোরআন কারীম তিন নাম্বার সূরা ১০০ নাম্বার আয়াত ইয়া আইুহাল্লাজনাল ঈমানদার তোমরা যদি আনুগত্য করোনা কিতাব ইয়াহু এবং খ্রিস্টানদের একটা দল ইয়াহু অথবা খ্রিস্টানদেরকে যদি তোমরা মেনে নাও কাফি তাহলে তোমরা ঈমান আনার পরেও তারা তোমাদেরকে কাফের বানায়া ছাড়বে। ভাষাগুলো ভালো করে বুঝেন। আল্লাহ কি বলছেন? তিন নাম্বার সূরা ১০০ নাম্বার আয়াত।

                                                           

ঈমানদাররা তোমরা যদি ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের কোন কিছু মানো। ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের পথে চল। তাদের সংস্কৃতিকে মেনে নাও। তারা তোমাদেরকে ফিরাইয়া দিবে। বাদামানকুম ঈমান আনার পরেও কাফেরিনা কুফরির দিকে এখান থেকে আল্লাহ সতর্ক করলেন ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানদের কোন কিছু মেনে চলা যাবে না তাদেরকে ফলো করার সুযোগ নেই আরেকটা আয়াত এখানে আল্লাহ বলছেন তিন নাম্বার সূরা সূরা আল ইমরান তিন নাম্বার সূরা সূরাতুল আল ইমরান ১৫০ নাম্বার আয়াতলানালনা ঈমানদাররা তোমরা যদি কাফেরদের কথা শোন তোমরা যদি কাফেরদের পথে চল তাহলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। দেখেন প্রথম আয়াতে আল্লাহ বললেন তোমরা যদি কাফের ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের পথে চলো তাদেরকে মানো তাহলে তোমরা কাফের হয়ে যাবে।

                                                           

দ্বিতীয় আয়াতে আল্লাহ বললেন তোমরা যদি কাফেরদেরকে ফলো করো তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। তিন নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বললেন কোন মুমিন কোন কাফেরকে বন্ধু বানাবে না। চার নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বললেন মুমিনরা তোমরা কাফেরদেরকে বন্ধু বানাইও না। চারটা আয়াত। এই চারটা আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় কোন মুসলিম আমি আপনি কোন মুসলমান কোন মুসলিমের সন্তান ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে মানতে পারে না ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের পথে চলতে পারে না চলেন আমার ভাইয়েরা পাচ নাম্বার সূরা সূরাতুন মায়েদা ৫০ নাম্বার আয়াত এখানে আল্লাহ বলছেন আমানু ঈমানদার তোমরা ইহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু বানায় না আমরা যারা খেলতামাশায় ব্যস্ত আছি আমরা যারা রাত জেগে খেলে খেলা দেখেছি মসজিদে এখনো আসি নাই অথবা রাত জেগে খেলা দেখেছি মসজিদে এসে এখন ঘুমাচ্ছি অথবা রাত জেগে বিভিন্ন কাজ করেছি মসজিদের মধ্যে ঢুকে ১৫ মিনিট হয় নাই ঘুমানো শুরু করে দিয়েছে এদেরকে আল্লাহ বলছেন তোমরা ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু বানায় না তারাই তাদের বন্ধু তোমাদের মধ্য থেকে যারা ইহুদি এবং

                                                           

খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু বানাবা তোমরাও ইহুদি খ্রিস্টান হয়ে যাবে নাউজুবিল্লাহ আমার ভাই আমি কোরআন থেকে প্রায় আট থেকেনয়টা এটা দলিল বললাম যেমন দুই নাম্বার সূরা সূরা আল বাকারা ১২০ নাম্বার আয়াত আল্লাহ বলছে ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের দাড়ির কাছে যাওয়া যাবে না তিন নাম্বার সূরা সূরা আল ইমরান ২৮ নাম্বার আয়াত ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের দাড়ির কাছে যাওয়া যাবে না তিন নাম্বার সূরা ১০০ নাম্বার আয়াত ইয়াহুদি খ্রিস্টানদেরকে ফলো করলে তোমরা কাফের হয়ে যাবা তিন নাম্বার সূরা ১৫১ ৫০ ৫১ নাম্বার আয়াত ইয়াহুদি খ্রিস্টানদেরকে ফলো করলে তোমাদের ইহকাল পরকাল শেষ পাঁচ নাম্বার সূরা ৫০ নাম্বার আয়াত ইয়াহুদি খ্রিস্টানদেরকে মানলে তোমরাও ইহুদি খ্রিস্টান হয়ে যাবে। পাচ নাম্বার সূরা ৫৭ নাম্বার আয়াত।

                                                           

ইয়াহুদি খ্রিস্টানদেরকে ফলো করো না। কারণ তারা তোমাদের দ্বীন নিয়ে খেলতামাশা করে। পাচ নাম্বার সূরা ৮২ নাম্বার আয়াত। ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানরা মুসলমানদের জন্য বিশেষ করে ইয়াহুদিরা পৃথিবীতে মুসলমানদের সবচাইতে বড় দুশমন। এরপরে সূরা মুমতাহিনা এখানে আল্লাহ তালা বলছেন এবং খ্রিস্টান আমাদের আমার দুশমন তোমাদের দুশমন আল্লাহ বলছে এরা আমারও শত্রু তোমাদের শত্রু এরা আমার দুশমন তোমাদের দুশমন এদেরকে তোমরা বন্ধু বানাও না। তাহলে আমার প্রিয় ভাইয়েরা কোরআন থেকে নয়টা দলিল দিলাম যেখানে সূর্যের মত স্পষ্ট হয় কোন মুসলমান যে নিজেকে মুসলমান দাবি করে যার বাবা মুসলমান যার মা মুসলমান অথবা মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে অথবা মুসলিম অধ্যষিত এরিয়ায় থাকে অথবা মুসলিমদের গ্রামে থাকে অথবা যেভাবেই হোক মুসলমান পরিচয় দেয় তাদের জন্য কোন অবস্থাতেই জায়েজ নাই ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে মানা আলো অনুগত্য করা অনুসরণ করা তাদের পথে চলা তাদের সংস্কৃতিকে মানা তাদের মত হাঁটা তাদের মত চুল কাটা তাদের খেলা দেখা তাদের পোশাক পড়া তাদের স্টাইলে কথা বলা তাদের মত ঘুমানো তাদের মত খাওয়া তাদের মত পড়া এক কথায় ইহুদি এমন খ্রিস্টানরা যা করে মুসলমান সেটা করতে পারে না হারাম হারাম ১০০% হারাম বিভিন্ন কারণে হারাম কোরআন থেকে আমরা নয়টা দলিল দিলাম হাদিস থেকে একটা দলিল দিলাম বক্তব্য মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেন।

                                                           

কেউ ঘুমাবেন না। ঘুমানো এটা রোগ মনে করি। যদি এরকম রোগী কেউ থাকেন ঢাকা মেডিকেল যাবেন ডাক্তার দেখাবেন। মসজিদের মধ্যে ৪০ মিনিট আধা ঘন্টা আপনার মাজা ব্যথা হবে কেন? বক্তব্য শুরু করার পরে আপনার চোখে ঘুম আসবে কেন? এটা কয়েকটা কারণ হতে পারে। আপনি হারাম খান। আপনার শরীরের মধ্যে হারাম রক্ত আছে। এজন্য কোরআন সুন্নাহর কথা ঢুকলেই আপনার রক্ত জমে যায়। এটা হতে পারে। হারাম খান হারাম রক্ত আছে আমি জানি আমার কথার লোড অনেকে নিতে পারবেন না নিতে পারেন আর না পারেন কথা এমনেই বলতে হবে কারণ হৃদয়ের মধ্যে রক্তখরণ হয় লক্ষ লক্ষ মানুষ আমার আমি আমার ফেসবুকে দিয়েছি হাজার হাজার মানুষ লাখ লাখ মানুষ রাত তিনটা বাজে টিসিম ঢাকার বিভিন্ন জায়গাতে সারা বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলা দেখার জন্য রাত জেগে থাকে চোখের মধ্যে ঘুম নাই কারো মাথা ব্যথা নাই কারো মাথা ব্যথা নাই কারো আগামীকাল চাকরি দোকানের টেনশন নাই খেলা দেখতে হবে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলা এরা নাকি মুসলমান আমার লজ্জা লাগে শরম লাগে এই সমস্ত নামধারী মুসলমানরা কিভাবে মুসলমান হতে পারে যারা ৪০ বছর বয়স হয়েছে এখনো ৪০ দিন ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়ে নাই এরকম মুসলমানের বাচ্চা অনেক আছে ৪০ বছর বয়স হয়েছে ৪০ বছরের ৪০ দিন ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়ে নাই।

                                                           

এ প্রতিবছর যখনই খেলার সময় আসে সারারাত জেগে এই ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা যারা সুযোগ পেলে আপনার মাথার মধ্যে পেশাব করে দিবে। ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা যারা সুযোগ পেলেই আপনার মাথার মধ্যে টয়লেট করে দিবে। দেখতেই পাচ্ছেন ওই ইহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে আপনার দোলা ভাই বানাইছে। নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক। আমার ভাই মারাক্রান্ত হৃদয় কথাগুলো বলতে হচ্ছে। এটা অমুসলিমদের একটা বিরাট বড় খারাপ জিনিস। ভালো করে খেয়াল করেন। ১৯৬৩ সাল আজ থেকে প্রায় ১৪৯ বছর আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে ইংরেজরা জন্ম দিয়েছে এই ফুটবল খেলা। ১৯৬৩ ১৮৬৩। ১৮৬৩ সালে আজ থেকে প্রায় ১৫০ বছর আগে এই ইংল্যান্ডের মাটিতে মাটিতে ইংরেজরা এই ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা এরা ফুটবল খেলা জন্ম দিয়েছে আর ওই ফুটবল খেলা ১শ বছর আগের ফুটবল খেলা এখন এতটাই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে সাড়েশ বছর আগে মোহাম্মদ সাল্লামের নিয়ে আসার দ্বীন ধর্ম এটার তেমন ভেলু নাই কথা বোঝেন নাই আপনারা কেউ কথা বলবেন না।

                                                           

ভালো করে খেয়াল করেন। আল্লাহর নবী যেই দিন নিয়ে আসছে এটার বয়স কত? প্রায় সড়েশ বছর। দ্বীন যত যায় জিনিসের প্রসিদ্ধতা তত বেশি অর্জন হয়। দিন যত যাবে জিনিসটাকে তত মানুষ চিনবে। আমাদের ত্রিমোহিনী পশ্চিমপাড়া আহলে হাদিস মসজিদ। এটা ১০ বছর আগে যতটা পরিচিত ছিল না ১০ বছর পরে অনেক বেশি পরিচিত হয়েছে আরো ৫০ বছর পরে আরো বেশি পরিচিত হবে এটাই ঠিক কম হবে না তো আল্লাহর নবী যে দ্বীন নিয়ে আসছে আল্লাহর নবীজি কোরআন নিয়ে আসছে আল্লাহর নবীজি হাদিস নিয়ে আসছেন আল্লাহর নবী যে সংস্কৃতি সভ্যতা নিয়ে আসছে সাড়েশ বছর আগের নিয়ে আসা সংস্কৃতি ইসলাম ১৪৫০ বছর আগের নিয়ে আসা এই দ্বীন আর মাত্র ১শ বছর আগে নিয়ে আসা ইংল্যান্ডে খ্রিস্টানদের তৈরি ইহুদিদের তৈরি ইংরেজদের তৈরি এই ফুটবল খেলা এখন ইসলামের চাইতে অনেক জনপ্রিয় হয়ে গেছে এই ফুটবল খেলা নামাজের চাইতে অনেক জনপ্রিয় হয়ে গেছে রোজার চাইতে অনেক ইবাদতের চাইতে মুসলমানদের কাছে অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে নাউজুবিল্লাহ

                                                           

আমি বোঝাতে পারি নাই সশ বছর আগে মুহাম্মদ সলাম যে দন নিয়ে আসছে এটা কি পরিমাণ জনপ্রিয় হওয়া দরকার ছিল ১৫০ বছর আগের ফুটবল খেলা যদি দেখার জন্য রাত তিনটা পর্যন্ত আপনি বসে থাকেন তা সড়েশ বছর আগে নিয়ে আসা এই দিনের জন্য এই নামাজের জন্য আপনাকে আরো বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার ছিল কিন্তু মুসলমান দাবি করছি আল্লাহ আমাদেরকে হেদায়েত দান করুক আল্লাহুম্মা আমিন আমি ও বিষয়ে একটু পরে যাচ্ছি কারণ জুমার খুতবার শুরুতে যদি মুসল্লি ওভাবে আসে তাহলে কথা বলা যায় মুসল্লি না থাকলে কথা বলা যায় না গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো ছুটে যায় আমার ভাই তাহলে আমরা জানলাম বিজাতীয় সংস্কৃতি কি এক দুই নাম্বার বিজাতীয় সংস্কৃতি হারাম কোরআন থেকে আমি নয়টা দলিল দিয়েছি তিন নাম্বার বিজাতীয় সংস্কৃতি কেউ মানলে সে জাহান্নামে যাবেন নাম্বার সূরা সূরা আল্লাহ জামদের দিকে তোমরা যাইও না তাহলে জাহান্নামের আগুন তোমাদেরকে পাকড়াও করবে নাউজুবিল্লাহ এবার দেখেন বিজাতীয় সংস্কৃতি তো অনেক দূরের কথা।

                                                           

ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানদের নিয়ম নীতি তো অনেক দূরের কথা। আরে ইসলামের যে নিয়মগুলো আছে ইসলামের বিধান ইবাদত বন্দেগী ইবাদত বন্দেগীর সাথেও যদি ইয়াহু খ্রিস্টানদের কিছু মিলে যায় আল্লাহর নবী মুহূর্তের মধ্যে লাথি মেরে ছেড়ে দিয়েছেন। বুঝেননি মনে হয়? যেমন সিয়াম আমরা রাখি। ইহুদিরাও সিয়াম রাখি। আমরাও ইফতার করি। ইহুদিরাও ইফতার করে। আমরাও সাহারি খাই। ইহুদিরাও সাহারি খাই। আমরাও সিয়াম রাখি। আশুরায় মহররম। ইহুদিরাও আশুরা মহররমের সিয়াম রাখে। সিয়াম তো ইবাদত আমরা করি। কিন্তু আল্লাহর নবী এই কষেত্রে ইহুদি খ্রিস্টানদের সাথে মিল রাখেন নাই। কেমনে দেখবেন দেখেন তো? প্রিয় ভাইয়েরা সহ মুসলিম ১১৩৪ নাম্বার হাদিস রাসলনুল্লাহ মহার রমজান মাসের পরে সবচাইতে দামি সিয়াম রোজা হলো মহররম মাসের সিয়াম।

                                                           

মহররম মাসের দুইটা সিয়াম এক বছরের পাপ মাফ হয়। তো আল্লাহর নবী মক্কা থেকে মদিনায় গিয়ে দেখলেন ইয়াহুদিরা সিয়াম রাখছে। ইহুদিরা তোমরা কিসের সিয়াম রাখছো? বলছে এইদিনে আল্লাহতালা মুসা আলাইহিস সালাম আমাদের নবীকে ফেরাউনের কবল থেকে নাজাত দিয়েছে। এইজন্য আমরা সিয়াম রাখছি। তখন আল্লাহর নবী বলেন আরে তোমরা ইয়াহুদি হয়ে যদি সিয়াম রাখতে পারো মুসাকে ভালোবেসে মুসা তো আমার ভাই আমিও নবী উনিও নবী আমার ভাই তোমরা যদি সিয়াম রাখতে পার আমিও রাখতে পারিশন সাহাবা কেরাম তোমরা সিয়াম রাখ তাহলে ইহুদিরাও ১০ তারিখ সিয়াম রাখে মুসলমানরা ১০ তারিখ সিয়াম রাখে নবী বললেন শোন আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি সিয়াম ওরাও রাখে আমরাও রাখ ওরাও একটা আমরাও একটা জিনা ওদের সাথে মিল রাখা যাবে না আগামী বছর যদি বেঁচে থাকি তাহলে আমি দুইটা রাখবো ৯ ১০ বা ১০ ১১ এই দেখেন সিয়ামের ক্ষেত্রেই নবী ইয়াহুদদের সাথে মিল রাখে নাই >> সিয়ামের ক্ষেত্রে আল্লাহর নবীর রোজা ইবাদত এই ক্ষেত্রে আল্লাহর নবী

                                                           

ইহুদদের সাথে মিল রাখে নাই ফুটবল খেলা ক্রিকেট খেলা কিসের নেইমার কিসের বেশি এদের সাথে আপনি মিল রেখে চলেন সিয়ামের ক্ষেত্রে আল্লাহর নবী মিল রাখে নাই আপনি কিসের ফুটবল খেলায় দৌড়াচ্ছেন ভালো খেল করতে আমার ভাই সিয়ামের পরে কি ইফতার করতে হবে সাহারি খাইতে হবে সহী বুখারী ১৯২৩ নাম্বার হাদিস না২৩ হাদিস নাম্বার আল্লাহর নবী বলছে তোমরা সাহারি খাও কারণ ইয়াহুদিরা সাহারি খায় না ইহুদিরা সাহারি না খেয়ে সিয়াম রাখে তোমরা সাহারি খাও এদের বিরোধিতা কর এরপরে যদি দেখেন সহী বুখারী ১৯৫৩ নাম্বার হাদিস সহী মুসলিম৮ নাম্বার হাদিস এবং আবু দাউদের ২৩৫৩ নাম্বার হাদিস তিনটা হাদিস আল্লাহর নবী বলছেন তোমরা যতদিন তাড়াতাড়ি ইফতার করবা ততদিন তোমরা মঙ্গলের পথে থাকবা কারণ কি ইয়াহুদি খ্রিস্টানরা দেরি করে ইফতার করে তোমরা দেরি করিও না ইফতার করা ইবাদত সিয়াম রাখছেন আল্লাহর জন্য ইফতার করবেন আল্লাহর জন্য ইফতার করা ইবাদত কিন্তু ইয়াহুদিরা দেরিতে করে তোমরা দেরিতে না তোমরা তাড়াতাড়ি করে টাইম মত করো এখানেও ইহুদিদের

                                                           

সাথে বিরোধিতা সুবহানাল্লাহ >> শুধু কি তাই ভালো খোল করেন আমি কয়েকটা পয়েন্ট বলব দাড়ি রাখার ব্যাপারে সহীহ বুখারী হাদিস নাম্বার ৫৯২ আল্লাহর নবী বলছে খালিফুল মুশরিকিন মুশরিকদের বিরোধিতা করো ওরা ক্লিন করে তোমরা ছেড়ে দাও ওরা স্টাইলে কাটে তোমরা ছেড়ে দাও ওরা এখানে একটু কাটে এখানে একটু ছাড়ে তোমরা ছেড়ে দাও কিন্তু আমরা কি করছি আমার ভাই এখানে তিনটা কথা মনে রাখবেন দাড়ি রাখা ওয়াজিব দাড়ি কাটা হারাম কবিরা গুনাহ যারা মুসলমান যুবক যারা আছেন আমার সামনে যারা অনলাইনে শুনছেন দাড়ি কাটা হারাম যারা দাড়ি কাটে হারাম কাজ করেছে যারা ইয়াহুদি খ্রিস্টাইনদের স্টাইলে কাটে তারা আরেকটা হারাম কাজ করেছে যারা দাড়ি কাটছে হারাম কাজ করছে নেইমার স্টাইলে মেসির স্টাইলে বা অন্য কোন তারকার স্টাইলে কাটছে এখানে একটু এখানে একটু কাটছে তারা আরেকটা হারাম কাজ করছে আর যারা বলে যে এভাবে কাটলে তো সুন্দর দেখা যায় একদম পুরাপুরি রাখলে জঙ্গল দেখা যায় এমনে রাখলে ভালো দেখা যায় তাহলে বেঈমান হয়ে গেছে।

                                                           

কথা তিনটা। এক দাড়ি রাখা ফরজ ওয়াজিব রাখতেই হবে বাধ্য। দুই দাড়ি কাটা হারাম। তিন যারা কাটে নেইমার মেসি বা বিভিন্ন স্টাইলে কাটে তারা দুইটা হারাম কাজ করে। তিন যারা বিভিন্ন স্টাইলে কাটে আর বলে এটাই ঠিক আছে। এটাই ভালো লাগে। ইসলাম যে বলছে পুরোপুরি রাখতে এর চাইতে এটাই ভালো লাগে। এটা বল বেঈমান হয়ে গেছে। কাফের হয়ে গেছে। ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছে। দলিল ২৬ নাম্বার পারছয় নাম্বার পৃষ্ঠ। মোহাম্মদ আল্লাহর নবী যে দ্বীন নিয়ে আসছে নবীর আদর্শের উপর অন্য কারো আদর্শকে প্রাধান্য দেওয়া তাহলে আমার ভাই দাড়ির ব্যাপারে গেল এবার নবী বলছেন সহী বুখারী ৫৯ ৫৯৯২ নাম্বার হাদিস যে মুচ ছোট করতে হবে আমরা মুছ ছোট করি না মুছ এত বড় করি যে আমাদের মুচগুলো আমাদের মুখের ভিতর ঢুকে যায় এটা অন্যায় তাহলে দাড়ির ক্ষেত্রে আল্লাহর নবী ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের সাথে বিরোধিতা করতে বলেছেন।

                                                           

মুছের কষেত্রে করতে বলেছেন। রোজা রাখার ব্যাপারে করতে বলেছেন, ইফতারির ব্যাপারে বলেছেন, সাহারির ব্যাপারে বলেছেন। আরো যদি আসেন কেউ বলতে পারেন তিন সময়ে নামাজ পড়া নিষিদ্ধ। কেন জানেন? তিন সময়ে এক ফজরের পরে সূর্য উঠা পর্যন্ত নামাজ পড়া নিষিদ্ধ। আসরের পরে নিষিদ্ধ। ঠিক দুপুরের সময় নিষিদ্ধ। এই তিনটা সময়ে নামাজ পড়া যায় না। নিষেধ কেন? এই তিন সময় ইহুদি খ্রিস্টানরা ইবাদত করে। সূর্য যখন উঠে সূর্য যখন ডুবে তখন তারা ইবাদত করে। আরে ইবাদত তো আমি আল্লাহর জন্যই করব। এরপরেও এই ক্ষেত্রে আল্লাহর নবী ইহুদি খ্রিস্টানদের সাথে মিল রাখেন নাই। এই সময় আমাদের ইবাদতকে নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ। >> বিষয়গুলো ভালো করে খেয়াল করতে হবে আমার ভাই।

                                                           

তাহলে এখানে দেখেন এখানে বোঝা গেল স্পষ্ট সূর্যের মত বোঝা গেল। সূর্যের মত স্পষ্ট হয়ে গেল। মুসলমান কোন ক্ষেত্রে ইহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে ফলো করতে পারে না। এবার আরো কয়েকটা বিষয় বলি। ভাষার ক্ষেত্রে ভাষা। যেমন আমরা বলি গুড মর্নিং। গুড ইভিনিং গুড মর্নিং মানে সকালের কল্যাণ গুড ইভিনিং মানে সন্ধ্যার কল্যাণ সকালের কোন কল্যাণ নাই সন্ধ্যার কোন কল্যাণ নাই কোরআনে কারীমের তিন নাম্বার সূরা তিন নাম্বার সূরা সূরা আল ইমরান ২৭ ২৬ ২৭ নাম্বার আয়াত বিয়াদিকাল খাইর সকল কল্যাণ আল্লাহর হাতে সকালের কল্যাণ নাই বিকালের কল্যাণ নাই পৃথিবীর কারো হাতে কল্যাণ নাই কল্যাণ আল্লাহর হাতে ইহুদি খ্রিস্টান আপনাকে শিখা দিছে গুড মর্নিং গুড ইভিনিং আপনি শিখছেন বাচ্চারে শিখাইছেন ইংলিশ মিডিয়ামে শিখাইছেন।

                                                           

এখন যদি কেউ মনে করে যে গুড ইভিনিং গুড মর্নিং এটা অনেক সুন্দর ইসলামের চাইতে সুন্দর তাহলে বেঈমান হয়ে যাবে। >> ভালো করে খেয়াল করতে হবে। এরপর আমার ভাই আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ বলতে হয় সালাম না দিয়ে হাই হ্যালো বলা এটা মুসলমানদের কথা নয়। আল্লাহ বলছে আলবা সালাম কির আগে সালাম দিলে অহংকার থেকে মুক্ত হয়। আসসালামু কবলাল কালাম যদিও হাদিস নিয়ে কথা আছে কথা বলার আগে সালাম দিতে হবে কিন্তু আমরা ধরেই যদি হাই হ্যালো বলি এটাও তাদের অনুসরণ এরপর যখন বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছেন আপনার বাচ্চা আপনাকে টাটা বলছে বাই বাই বলছে এই টাটা বাই বাই এটা ইসলামের সৌন্দর্যতা নয় ইসলামের সৌন্দর্যতা হল আল্লাহর নবীর আদর্শ হল কি বলা যে আসলাদিনা বাবা আমি তোমাকে দ্বীন ধর্ম তাওহীদ আকিদার উপর তোমাকে বিদায় দিলাম আল্লাহ তোমাকে হেফাজত করুক।

                                                           

এটা বলতে হবে। আপনি বললেন যে আল্লাহ রাসূলের জিম্মায় আল্লাহ রাসূলের জিম্মায় ছেড়ে দিলাম। আরে রাসূলের কিসের জিম্মা? রাসূ তো আপনাকে সাহায্য করতে পারে না। বলতে হবে আল্লাহর তত্ত্বাবধানে তোমাকে ছেড়ে দিলাম। এগুলো অনেকটাই আমাদের অন্যদিক থেকে আসছে। পোশাকের ক্ষেত্রে যদি আসেন সময় খুবই কম। জুমার খুতবার সময় অল্প। পোশাকের ক্ষেত্রে আমরা ইহুদি খ্রিস্টানদেরকে ফলো করছি। কিভাবে? আমার ভাই আজকের যুবকরা প্যান্ট। আজ থেকে ২০ ৩০ বছর আগে আপনার ছেলেকে ১০ টা পিটনি দিয়ে ২০টা ২০ টা বাড়ি দিয়ে আপনার সন্তানের গায়ের মধ্যে ১০টা বেদ ভেঙ্গে পিটিয়ে ওরে যদি বলতেন একটা ছিড়া প্যান্ট পড়ে তুমি বাহিরে যাও ছিড়া প্যান্ট পড়ে আপনার সন্তান বাহিরে যেত না এখন বসন্তরা যমুনা ফিউচার পার্কে গিয়ে ৪০০০ ৫০০০ টাকা দিয়ে যে প্যান্টটা কিনা ওই প্যান্টার এদিক থেকে ছিড়া নতুন প্যান্টটাই ছেড়া আর এই প্যান্টটাই এটাই নাকি সংস্কৃতি এটাই নাকি সৌন্দর্য এটাই সহী বুখারী ৩৪৫৬ নাম্বার হাদিস ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা সাপের গর্তে ঢুকলে তোমরাও ঢুকবা ইহুদি

                                                           

এবং খ্রিস্টানরা টয়লেট খাইলে তোমরা টয়লেট খাবা ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা পেশাব খাইলে তোমরা পেশাব খাইবা ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা লেংটা হয়ে ঘুরলে তোমরা ল্যাংটা হয়ে ঘোরাকে পছন্দ করবা না হলে ২০ বছর আগে আপনার ছেলে ছিড়া কাপড় পরে বের হয় না এখন ছিড়া কাপড় নতুন হিসাবে মার্কেট থেকে কিনে নিয়ে আসে এর চেয়ে বড় গাধা আর কি আছে এটাই হলো ইয়াহুদিয়া এবং খ্রিস্টানদের অনুসরণ। আমার ভাই এই ইয়াহুদিয়া এবং খ্রিস্টানদের অনুসরণে এই ঈদের দুইদিন পরে চট্টগ্রাম প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম। চট্টগ্রাম সাতকানিয়া থেকে প্রোগ্রাম করে একটা ওলিমা অনুষ্ঠানে গেলাম। এক ভদ্রলোক আফসোস করে বলছে আমি বললাম যে আপনার সন্তান দাড়ি এমনে কাটছে কেন? বয়স কত বল? ১৬ বছর।

                                                           

১৭ বছর। ১৬ বছরের ছেলে দাড়িভাবে কেটেছে। তো আমাকে বলছে ঈদের আগের দিন দাড়ি চুল আর হাতের নোখ কাটছে ৪০০০ টাকা ভিন >> তার মানে জোরাইন যাত্রাবাড়ি কি একটা একটা কি জানি আছে এখানে বিভিন্ন জায়গাতে কি জানি এরকম আছে ভিআইপি জায়গা ওখানে গেলে দাড়িগুলো সাইজ করে কেটে দেয় মাথার চুল কেটে দেয় আর নোখগুলো কেটে দেয় বিল নেই ৪০০০ টাকা অথচ এই ৪০০০ টাকা গ্রামের বহু মানুষ আছে যাদের এক মাসের খোরাকি এক মাসের খাবার আর দাড়ি কেটে নিউ নেইমার বেশি স্টাইলে এই কুকুরদের স্টাইলে দাড়ি কেটে চুল কেটে নোখ কেটে আপনার সন্তান ৪০০০ টাকা দিয়ে আসছে হারাম কবিরা গুনা এটাই ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের অনুসরণ আমার ভাই বক্তব্য লম্বা করার সুযোগ নেই আজকের যে প্রসঙ্গ আমি কোরআন সুন্নাহ থেকে অনেকগুলো দলিল দিলাম আপনাদের সামনে ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানদেরকে অনুসরণ করার কোন সুযোগ নেই কিন্তু ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হয় আমরা মুসলমান আমার সামনে যারা বসে আছেন আপনারাও মুসলমান কথা শক্ত শক্ত

                                                           

হবে আমল করার চেষ্টা করতে হবে শক্ত কথা কেন বলছি বারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে এই আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের দুই গ্রুপে মারামারি লেগে ৫০ জন আহত হয়েছে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের পতাকা গাছের উপর বাধতে গিয়ে আপনার সন্তান মারা গেছে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের মোটরসাইকেল সোডাউন দিতেন দিতে গিয়ে গতকাল খুলনায় একজন মারা গেছে এই বগুড়া গাইবান্ধার বোকা গাধা হ্যা সে বলছে বাবার সম্পদ বিক্রি করে ৬ কিলোমিটার লম্বা আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের পতাকা তৈরি করেছি এর চাইতে বড় গাধা গন্ধ নির্ভূত পৃথিবীতে আর কে থাকতে পারে এই আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলার পতাকা আমি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে চাই আমি কি হিন্দু আমি কি খ্রিস্টান আমি কি ইহু আমি কি নাস্তিক আমার সামনে কি হিন্দু বসে আছেন আপনারা খ্রিস্টান বসে আছেন আপনারা সবাই মুসলমান আমার সামনে হিন্দু নাই খ্রিস্টান নাই, নাস্তিক নাই, ব্লগার নাই।

                                                           

সবাই মুসলমানের বাচ্চা। যদি তাই হয়, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলের পতাকা আমার টাকা দিয়ে আমি কিনবো কেন? আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলের পতাকা আমার বাড়ির আকাশ আমার বাড়ির ছাদের উপর উড়বে কেন? আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলের খেলা দেখার জন্য আমি আমার ঘরের মধ্যে টেলিভিশন খেলবো কেন? আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলের খেলা দেখার জন্য আমি বাজি ধরবো কেন? আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলের খেলা দেখার জন্য আমি জোয়া খেলবো কেন? আর্জেন্টিনা ব্রাজিল পতাকা বাবার সম্পদ বিক্রি করে আমি কিনবো কেন আর্জেন্টিনা ব্রাজিল কারা জানেন না ইহুদি খ্রিস্টানদেরকে চেনেন না এরা ফিলিস্তিন ধ্বংস করেছে এরা গাজা ধ্বংস করেছে এরা আরব আমিরাত কাতার কাতার লেবানন জর্ডান সহকারে মুসলমানদেরকে তসনস করে দিচ্ছে যে ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা আপনাদেরকে ধ্বংস করে দিচ্ছে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলার সময় পত্রিকায় রিপোর্ট হচ্ছে অনলাইনে সংবাদ প্রচার হচ্ছে।

                                                           

এই খেলা চলা অবস্থায় সবচাইতে বেশি কন্ডম বিক্রি হচ্ছে। নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক। এই বিশ্বকাপ ফিট ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিশ্বকাপ পেশাখানা তৈরি হয়েছে। রাস্তাঘাটে বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে ইংল্যান্ডের মাটিতে এরকম ওপেন জেনা চলছে। আমার ভাই আপনি কাদেরকে ভালোবেসে আপনি রাতের বেলা জেগে থেকে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলা দেখেন। একবারও চিন্তা করেন নাই। কোরআন থেকে নয়টা দলিল দিয়েছি। আমারও মনে করিয়ে দিচ্ছি তিন নাম্বার সূরা ২৮ নাম্বার আয়াত দুই নাম্বার সূরা ১২০ নাম্বার আয়াত তিন নাম্বার সূরা ১০০ নাম্বার আয়াত পাঁচ নাম্বার সূরা ৫১ নাম্বার আয়াত পাঁচ নাম্বার সূরা ৮২ নাম্বার আয়াত পাঁচ নাম্বার সূরা ৫৭ নাম্বার আয়াত তিন নাম্বার সূরা ১৫১ নাম্বার আয়াত এবার সূরা মুতাহিদার এক নাম্বার আয়াত এই আয়াতগুলো পড়বেন আজকের পরে যারা মুসলমান দাবি করেন যারা মুসলমান দাবি করেন অন্তরের মধ্যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসা রাখা দরকার কিন্তু আপনাদের অবস্থা দেখে এমন মনে হয় প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে একদম চৌকিদার পর্যন্ত শিক্ষিত অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত হুজুর আরো যারা আছে সর্বস্তরে বহু জায়গায় বহু মানুষের মধ্যে এই ফুটবল খেলার প্রতি আসক্ত আছে বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলা ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের খেলা রাত জেগে খেলা দেখা এগুলো হারাম আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলা দেখা হারাম এই খেলার মধ্যে জোয়াবাজি করা হারাম আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের পতাকা কেনা হারাম।

                                                           

আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের পতাকা আপনার বাড়িতে উঠবে এটা হারাম। আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলা রাত জেগে দেখা এটা হারাম। কোন মুসলমান মুসলমানের সন্তান আহলে হাদিস তো আরো অনেক দূরের কথা দাড়ির কাছে যেতে পারে না। এই সমস্ত খেলার কারণ মুসলমান অল্প সময় নিয়ে পৃথিবীর আসছে। ইহুদি খ্রিস্টানদের এই নোংরামি দেখে আমি আপনি আমার সময় নষ্ট করতে পারি না। হৃদয়ে রক্তখরণ হচ্ছে। এইজন্য আজকে বক্তব্য শক্ত করে দিলাম। যারা আমার সামনে আছেন আজকে তওবা করবেন এখন তওবা করবেন আর যদি কেউ বলেন না আমার হাসর নাশর মেসির সাথে হবে আমার হাসর নাশর রোনালদোর সাথে হবে আমার হাসর নাশর নেইমারের সাথে হবে এইরকম কেউ যদি মনে করেন তাহলে আপনাকে নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নাই টেনশন নাই চিন্তা নাই তবে যদি কেউ মনে করেন হাশর নাশর মুসলমানদের সাথে হোক তাহলে এই সমস্ত খেলাকে বর্জন করতে হবে হয়তো বলবেন খেলার ফতোয়া আপনার আর কি ভালো করে মনে রাখবেন ফুটবল খেলা হারাম নয় আপনি খেলতে পারেন আপনি খেলান

                                                           

আপনার সম্পূর্ণ টাউজার থাকবে প্যান্ট থাকবে টাকনর নিচে নয় ভালো টাউজার ভালো প্যান্ট পড়ে ভালো গেঞ্জি পড়ে আপনি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য কিভাবে হে আল্লাহ আমি আধা ঘন্টা ফুটবল খেলবো কেন যাতে আপনার রহমতে আমি সুস্থ থাকতে পারি সালাত পড়তে পারি ইনকাম করতে পারি দান করতে পারি পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারি এবং এই ফুটবল খেললে আমার হার্ট ঠিক থাকবে আমার শরীর ঠিক থাকবে যদি কখনো জিহাদের প্রয়োজন হয় আমি এই ফুটবল খেলার প্রশিক্ষণ নিয়ে যাতে কয়েক কিলোমিটার দৌড়াইয়া ইহুদি এবং খ্রিস্টানকে আমি হত্যা করতে পারি এইজন্য ফুটবল খেলতেছে আল্লাহ তোমাকে খুশি করার জন্য তাহলে এই ফুটবল খেলাতে আপনার নেকি আছে এই ফুটবল খেলাতে নেকি হবে শুধু নিয়তের পরিবর্তন কোন হার জিত থাকবে না সময় নষ্ট করা যাবে না না নামাজ নষ্ট করা যাবে না আধা ঘন্টা ৪০ মিনিট এক মিনিট খেলবেন কেন আপনার শরীর সুস্থ থাকবে কারণ কি জিহাদ চাদের ময়দানে দৌড়ানোর প্রয়োজন হয় আপনি দৌড়াতে না পারলে তাহলে আপনাকে

                                                           

আপনি আর যুদ্ধ কি করবেন পিছন দিক থেকে আপনাকে ধাওয়া করলে আধা কিলোমিটার দৌড়া আপনি শেষ আপনাকে মারার জন্য কোন কিছু লাগবে না রাইফেল লাগবে না পিস্তল লাগবে না খালি দৌড়ান দিবে এক দৌড়েই আপনার হার্টবিট বেড়ে যাবে আপনি ওখানে শেষ হয়ে যাবেন ফারামের মুরগির মত আমরা হয়ে গেছি এজন্য যদি সুস্থতার জন্য কেউ খেলে তাহলে এটা জায়েজ কিন্তু হাফ প্যান্ট পড়ে শর্ট প্যান্ট পড়ে জাহিঙ্গা পড়ে নাউজুবিল্লাহ নোংরা পোশাক পড়ে এরপরে হারজিত মেনে ইহুদি খ্রিস্টানদের খেলা দেখা এরকম খেলা খেলা সবই হারাম। আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দান করুক। আল্লাহুম্মা আমিন। >> আমার ভাই ছোট্ট আরেকটি বিষয় একটি প্রশ্ন এসেছে আমাদের কাছে এরকম যারা মসজিদে ইমামতি করে আযান দেয় অথবা খুতবা দেয়।

                                                           

এক কথায় মসজিদে যারা খেদমত করে টাকা নেয়। এদের টাকা নিলে কি পাপ হবে? অথবা টাকা নিলে কি নেকিগুলো পাবে না? উত্তর হচ্ছে আমার ভাই মসজিদের যে কোন খেদমত ইমামতি মুয়াজ্জিন জুমার খুতবা যেটাই হোক যদি সেই নিয়তটা আল্লাহর জন্য যে আল্লাহ আপনার জন্য আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য আযান দিচ্ছি আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য সালাত পড়াচ্ছি খুতবা দিচ্ছি এখানে আমার কোন দাবি দেওয়া নাই আমার কোন কিছু নেই আমি আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য নিয়ত যদি আল্লাহ সন্তুষ্টি হয় তাহলে এতে অবশ্যই নেকি হবে তিরমিজী ২০৪ নাম্বার হাদিস আল্লাহ নবী বলছেন সাত বছর আযান দিলে সে জাহান্নাম থেকে মুক্ত হয়ে জান্নাতের সার্টিফিকেট পেয়ে যায়।

                                                           

সুবহানাল্লাহ। যদি আল্লাহর জন্য হয় তাহলে আপনি অবশ্যই নেকিও পাবেন এবং কমিটি আপনাকে যে হাদিয়ে দিবে সেটাও পাবেন। আর নিয়ত যদি হয় চাকরির জন্য নিয়ত যদি দুনিয়ার জন্য হয় তাহলে নেকিটা আপনি পাবেন না। শুধু টাকাই পাবেন। এ প্রশ্নের উত্তর। আমার ভাই আমরা লম্বা করছি না। আজকের জুমার খুতবা আপনাদেরকে এটাই দাওয়াত দিচ্ছি। আল্লাহর জন্য ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের যে সংস্কৃতি আছে তাদের খেল তামাশা আছে আল্লাহর জন্য এগুলো বর্জন করেন একটু চিন্তা করেন আপনার বয়স ৬০ বছর ৭০ বছর হয়ে গেছে এখনো পর্যন্ত সূরা ফাতেহা আপনি শুদ্ধ করে পড়তে পারেন না এখনো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কালিমা তাইয়েবা এটার কি কি শর্ত আছে আপনি জানেন না পাঁচটা সূরা শুদ্ধ করে পড়তে পারেন না নামাজ শুদ্ধ করে পড়তে পারেন না কিন্তু আপনার এই মূল্যবান সময় আপনি খেলতামাশায় নষ্ট করছেন এটা কখনো মুসলিমদের জন্য হতে পারে না।

                                                           

বাংলাদেশ এখন পাগল হয়ে গেছে। ইহুদিরা পাগল হবে হোক, খ্রিস্টানরা পাগল হবে হোক। বাংলাদেশ এখন পাগল হয়ে গেছে। একজন আমাকে বলছে সৌদি আরবতে খেলছে। কাতার কুয়েত ওরাওতে খেলে বা এটাকে পছন্দ করে। আমি তখন বলেছিলাম আমার মনের মধ্যে আসছিল শেখ আব্দুর রাজ্জাকের বক্তব্য এরকম একপশে যদি জিব্রাইল খেলায় আরেক পাশে মিকাইল। মানে এই পাশে মনে করেন আর্জেন্টিনার পক্ষ জিব্রাইল খেলছে আর ব্রাজিলের পক্ষে মিকাইল খেলছে আর খেলাটা কাবাঘরের ভিতরে হচ্ছে তাও হারাম এটা উনি এভাবে বলতে চাচ্ছে আমি বলছি যদিও এটা ফেরেশতাদের জন্য যায় না একপক্ষে যদি ডক্টর আব্দুর রহমান সুদাইস মক্কার ইমাম খেলায় আরেক পক্ষে যদি আব্দুর রহমান হুজাইফী মদিনার ইমাম খেলায় আর খেলা যদি হারাম শরীফের ভিতরেও হয় এই খেলা হারাম কারো দলিল নাই কোন দলিল কোরআন দলিল কোরআন সুন্নাহ হারাম তো হারাম কারণ হ্যা যদি খেলা ওই জন্য হয় যেটা বলছিলাম শর্ত সাপেক্ষে কিন্তু খেলতামাশা যে স্টাইলে হচ্ছে প্রথম শুরুটাই হারাম হার জিত আছে এবং উলঙ্গ অর্ধ

                                                           

উলঙ্গ হয়ে খেলা হচ্ছে এজন্য এগুলো হারাম আমার ভাই উপস্থিত যারা আছেন আজকে আপনারা তওবা করবেন আল্লাহর জন্য যে না আর্জেন্টিনা ব্রাজিল বলতে আমরা কিছু বুঝি না আমরা মুসলিম ইসলাম প্র্যাকটিস করব এগুলো কোন বিনোদন নয় এগুলো কোন আরামের জিনিস নয় এগুলো হারাম এগুলো গুলো করে আমরা জাহান্নামে যেতে চাই না। আল্লাহ তৌফিক দান করুক আমিন।