লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: পাপমুক্ত জীবন

পাপমুক্ত জীবন



আল্লাহতালা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। একটা পরীক্ষার হলে তিনি আমাদেরকে আসলে ছেড়ে দিয়েছেন। ফলে শুধুমাত্র পাপিত জীবন যাপন করা এটা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। আমাদের পেছনে প্রকাশ্য শত্রু হিসেবে রয়েছে শয়তান। শয়তান নিয়ে আমাদের অনেক পড়াশোনা প্রয়োজন। তার মধ্যে বুদ্ধিমান তার কি কি প্রকল্প আছে? তার কি কি প্রয়োগ আছে? তার পলিসি এবং স্ট্রাটেজি গুলো কি? আমার মনে হয় কোন খুতবা আমি দিয়েছি বাট শুনে থাকবেন কিন্তু এভাবে আমাদের রীতিমত গবেষণা দরকার আপনি যশ শত্রু তার ব্যাপারে যদি আপনি রাজি থাকেন তাহলে পাপ মুক্ত জীবনযাপন আপনার জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়বে কারণ শয়তান প্রতিনিয়ত আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চলেছে আমরা ভুলে থাকি আমরা অবশ্য আমরা দায়িত্ব নেই কিন্তু সন্তান নেয় না এবং তার নেয় না একজন মমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পাপ থেকে বন্ধ রাখা যাকে অনেক অসম্ভব কিন্তু আপনিও পাপের ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য নিয়ে আমাদের শুরুতে সে বলেছে সে মানুষের সম্পর্কে জানবে

                                                           

কোন সুযোগ মিস হবে সে মিস করবে না সে আল্লাহ কাছে কসম খেয়ে বলেছিল তাকে মূল দাগি দিয়ে সে আল্লাহর কাছে এই ভুম দিয়েছিল সে মানব জাতিকে নির্ধারণ করে নেই আর সে হল অদৃশ্য শত্রু যাকে আমরা সরাসরি দেখি না আমাদের কাছে তার এক্সেসটা অনেক বেশি শয়তানের কাছে আমাদের এক্সেসটা সরাসরি নাই কিন্তু আমাদের ভিতরে শয়তানের এক্সেস প্রত্যেকটা জায়গা আমাদের ভিতরে শয়তানের এক্সেস প্রত্যেকটা জায়গায় জায়গা আছে আমাদের শয়তানের এক্সেস আছে আমাদের শয়তানের এক্সেস আছে আমাদের এবং আমাদের চিন্তা চেতনা মরণ শয়তানের এক্সেস আছে যার ফলে একজন মানুষ সে শয়তানের ষড়যন্ত্রের শিকার হয় যখন কোন সংক্রামক রোগ দেখা দেয় রোগ সংক্রামক নিয়ে এটা নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক বক্তব্য যেটা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে যায় খুব সিম্পলি আমরা সেটাকে বুঝি আর সংক্রমণের ক্ষমতা কে দিয়েছে আল্লাহ দিয়েছে অতএব শব্দ নিয়ে আপনি শৈল্পিকতা করতে পারেন কিন্তু বাস্তবতা তো অস্বীকার করতে পারেন না।

                                                           

আপনি যদি সাবধান না হন আপনি কি আক্রান্ত হবেন না? আক্রান্ত হবেন। এজন্য সাবধানতা ইসলাম আমাদের লাইফ লাইফস্টাইলের মধ্যে ইন্টিগ্রেট করে দিয়েছে। আপনি সাবধান থাকবেন। আপনি যে কোন খাবার খেতে পারেন না। আপনাকে সাবধান থাকতে হবে। কারণ অনেক খাবার আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর ক্ষতিকর কিনা আর এই ক্ষতির উপকরণ কে সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ আপনি তো অস্বীকার করতে পারেন না খাবার আল্লাহ নেয়ামত এর মধ্যে কোন ক্ষতি নাই এ কথা কি বলা যাবে বলা যাবে অতএব প্রত্যেকটা জায়গায় আল্লাহ সুবহালা কিছু আসবাব সৃষ্টি করেছেন তার কিছু প্রভাব সৃষ্টি করেছেন এবং সেই প্রভাব থেকে মুক্তির উপায়ও বলে দিয়েছেন যেহেতু সুবহানাতা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করে দিয়েছেন অতএব কারণ এর প্রভাবটা খারাপ এটা মানুষকে নানানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে তার ব্যক্তি জীবনকে তার চিন্তার জীবনকে তার ফিজিক্যাল হেলথ তার মেন্টাল হেলথ তার রিলেশন তার সংসার তার পরিবার তার সমাজ তার রাষ্ট্র তার প্রশাসন তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সবকছুকে আক্রান্ত করে পাপ সবকছুতে আক্রান্ত আল্লাহ

                                                           

রাসূ সলা পক্ষ থেকে ব্যাপকভাবে নির্দেশনা এসেছে যেন পাপকে আমরা সর্বতভাবে বর্জন করি দেখেন সরাব রাস তোমাদের কাছে জানিয়ে এসেছেন যে মহান আদর্শ যে মহান প্রোগ্রাম আল্লাহ নিস তোমরা গ্রহণ কর সাধ্য অনুযায়ী গ্রহণ করা হচ্ছে কিন্তু নিষেধ করেছেন তোমরা বর্জন করর্বে না এটা সর্ব বর্জন করার জন্য কোন ইনিশিয়েটি নিতে হয় না বিরত থাকা হল বর্জন আপনি ওদিকে যাবেনই না। পাপ কাজ করার জন্য আগাতে হয়। তো শরিয়া আমাদেরকে যে নির্দেশনা দিয়েছে তার মানে হচ্ছে আপনি পাপ কাজে আগাবেন না। পাক কাজ করবেন না। পাপ কাজের সাথে সম্পৃক্ত হবেন না। এর জন্য কোন ডিফিকাল্ট লাগে না। শুধু সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

                                                           

আর নিজেকে মানসিকভাবে তৈরি করতে হয়। যেটাকে আমরা মাইন্ড সেটিং বলি। আমাদের মধ্যে একটা ওটা সবসময় পাপ করের প্রতি আমাদেরকে আগ্রহ করে আমাদের তরকার যদি না দিতে আল্লাহ আমাদের তিন ধরনের দিয়েছেন এবং আল্লাহ আমাদেরকে দেখেন রক্ষা করার জন্য অনেক কিছু হিউম্যান ইন্টেলেক্ট বুদ্ধি বৃত্তি যে বুদ্ধি সেটা কি জ্ঞান আর নির্দেশ হচ্ছে জ্ঞানের আলোকে সবকছুকে পরিচালনা করবেন আপনার আকলকে আপনার বুধিকে আপনার চিন্তাভাবনা আপনার প্রোগ্রামকে আপনার খাবার দাবার আপনার আচরণকে আপনার রাষ্ট্র আপনার প্রশাসন আপনার সবকিছুকে কিসের সর্বক্ষেত্রে তারা আল্লাহ তার রাসূল সাল্লাল্লাহু লামের নির্দেশ মেনে চলবে। মেনে চলাটা তাদের জন্য সহজ হবে। যদি এলেমটাকে তারা ধারণ করে। কিন্তু এলেমটাকে মিস যদি আলমকে বন্ধ করে রাখে তাহলে তাদের বিপর্যয় কেউ থামাতে পারবে না।

                                                           

এলেমটা আল্লাহ দিয়েছেন এটা শপি রাখার জন্য নয়। এটা কোন বাক্সের ভিতরে বন্দি করে এটা বইয়ের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখার জন্য নয়। দিয়েছেন মানুষ যেন এ এলেমটাকে অর্জন করে এবং এই এলেমটাকে প্র্যাকটিসে পরিণত করে যাই হোক এবং এটা ভাবতেই হয় তা না হলে তো প্রতিষ্ঠান সুন্দর চলবে না সমাজ সুন্দর হবে না প্রশাসন সুন্দর মত চলবে না কিন্তু আমরা যারা কত কত বিজ্ঞানী আমাদের না কত কত গবেষক কিন্তু এই জিনিসগুলো আমরা মিস করছি যে ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদেরকে পথ দেখাবে আমরা সেটা দেখতাম কিন্তু আমরা দেখছি দনকে দিন অধপতন প্লাস অধপতন প্লাস অধপতন প্রত্যেকটা জায়গায় আমাদের অধপতন আমাদেরকে এই বুঝটা দিচ্ছে যে না পাপ নিয়ে আমাদের কোন মাথা ব্যথা নাই যাই হোক আমি আপনাদের সামনে কিছু পাপ মুক্তির বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

                                                           

কিন্তু এটাই শেষ না। আরো অনেক আলোচনা আছে। আর অনেক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আছে যেটা আজকে অল্প সময়ের মধ্যে আমি শেষ করতে পারবো না। আমি আহবান করব যেগুলো নিয়ে আপনি আপনার জীবন নিয়ে ভাবুন। কারণ আপনাকে তো আগামীকাল হিসাব দিতে হবে। হবে না। আল্লাহ সুবহানাতালা তিনিতো আল কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন আগামীকালের জন্য দেখেন আল্লাহ কিন্তু বারবার বলছে তুমি রিসার্চ করো গবেষণা কর সিরিয়াসলি আগামীকাল মানে আখেরাত আখেরাতের জন্য কি পেশ করেছেন বলেন তো আমাদের মধ্যে কয়জন বৈজ্ঞানিকভাবে এসেস করে দেখেছে তার কি পরিণতি হতে যাচ্ছে এই জিনিসগুলো আমরা সমস্তই জীবনের তথাকথিত উন্নয়নের জন্য সামাজিক উন্নয়ন বৈষয়িক উন্নয়ন্যা তারপর অনেক ধরনের উন্নয়নের জন্য কিন্তু নিজের উন্নয়নের জন্য সত্যিকার অর্থে আমরা কোন খাতাও ওপেন করি নাই কোন ফাইল ওপেন করি নাই এটা করতে হবে এটা করতে হবে আমরা যেই বিষয়গুলো আজকে আপনাদেরকে বলব এর বাইরে আরো অনেকগুলো বিষয় আছে এখানে আমরা দেখি যে কোরআন যেটা বলছিলাম যে বারবার আমাদেরকে আসলে পথ দেখেছে

                                                           

গবেষণা গবেষণা করতে বলেছে কারণ এই পথগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য গবেষণা লাগবে যেমন সব কথা বলেছে সব তিন ভাগে ভাগ করেছেন সব আলা আপনি যে এইযে করতে এসছেন দেখেন আপনাকে কষ্ট করতে হচ্ছে সালাতের জন্য করতে আজকের জুমা মাদ্রাসার জন্য আপনাকে প্ল্যান প্রোগ্রাম এবং শারীরিক কিছু শ্রম দিতে হয়েছে হেটে এসেছেন আপনি অনেকেই অথবা অনেকে বাসেও এসেছেন যেভাবে হোক তাই না এবং এই যে একটা দীর্ঘ সময় বসে থাকা আল্লাহর ইবাদত করা আল্লাহকে আল্লাহ সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করা এটা হল সব এভাবে সকল ইবাদতের জন্য সবর না থাকলে কেউ এবাদত করতে পারে না দ্বিতীয় হচ্ছে স কষ্ট জীবনটা মানেই কষ্ট এখানে বেদনা থাকবে কষ্ট থাকবে চ্যালেঞ্জ থাকবে আরো নানা ধরনের শত্রুতা থাকবে অনেকের পক্ষ থেকে আপনার বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র থাকবে সবকিছুকে ফেস করতে হবে এটা কষ্টগুলো হল কষ্ট এই কষ্টের মধ্যে আপনি সবর করবেন আল্লাহর উপর দখল রাখবেন ঈমান রাখবেন ঈমান হারাবেন না আল্লাহ রোগটা কেন দিলা আর কাউরে দেখলা না

                                                           

এরকম কিছু বলে দেখ বিপদটা কেন আমার কাছে বারবার আসে আর কোন লোক নাই তাদের আসতে পারে না আসলে সবাই আসে আপনি জানেন না সবার জীবনেই দুঃখ বেদনা কষ্ট এটাই তো জীবন আর ঈমান হচ্ছে সবর ঈমান হচ্ছে সবর সবর যদি আপনার না থাকে তাহলে আপনার দেখবেন আপনি ঈমানহারা হয়ে যাবেন আপনি আল্লাহ আপনাকে পরীক্ষা করছেন আপনি সবর করছেন কিনা আর আপনি কি করলেন? আপনি আল্লাহর উপর ক্ষিপ্ত হলেন ঈমান থাকতে বলেন। তৃতীয় হচ্ছে আসবর আনিল মাসিয়া। পাপ থেকে সবর করা। পাপ থেকে নিজেকে বিযুক্ত করার মধ্য দিয়ে। পাপ মুক্ত জীবন যাপনের মধ্য দিয়ে আপনি সবর করলেন। আমাদের সামনে কত মানুষ কত পাপ কাজ করে মজা লড়ছে।

                                                           

আপনারও তো মন চায়। কিন্তু আপনি নিজেকে বিযুক্ত রাখলেন। নিয়ন্ত্রণ করলেন আপনার নাফসকে। আপনার মন চাচ্ছে খারাপের সাথে সম্পৃক্ত হতে। নিজেকে সফরকারী হিসাবে সার্টিফিকেট দিয়েছেন। অনেক নবীকে তিনি সবরকারী হিসেবে এখানে উল্লেখ করেছেন। কারণ নবীরা নবুতের যে দায়িত্ব পালন করে সবটা বলি যেমন আইব আলা সালাম সম্পর্কে আল্লাহ সরাম্বতে বলছেন আমরা তাকে পেয়েছি সবরকারী রূপে তিনি কত উত্তম বান্দা তিনি কতই না উত্তম বান্দা তিনি আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী তারপরে ইউসুফ আলা সালাম সম্পর্কে বলছেন এটা বক্তব্যযে ব্যক্তি করে এবং সবর করে আল্লাহ এই ধরনের সৎকর্মশীলদের প্রতিদানকে নষ্ট করেন না সম্পর্কে আল্লাহ বলছেন তুমি সবর করম তুমি সবর কর যেমন সবর করেছে যেমন ইব্রাহিম আলা সালাম সালাম মুসা রাসদের মধ্যে যারা প্রথম তারা সবর করেছেন মহাম্মদ তুমিও সবর কর এরপরে আল্লাহ বলছেন তুমি সবর কর আল্লাহ ছাড়া তোমার সবর করা সম্ভব হবে না।

                                                           

আল্লাহ সাহায্য ছাড়া সবর করা সম্ভব হবে না। যাই হোক তাহলে এইযে সব এই ফোকাসটা দিলাম যে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনার কি পয়েন্ট হচ্ছে সবর। আরেকজন ঘুষ খায় আপনি খাবেন না। আরেকজন সুদ খায় আপনি খাবেন না। আরেকজন মিথ্যা কথা বলে প্রমোশন নিয়েছে আপনি নেবেন না। আরেকজন দুনিয়ার স্বার্থ আদায় করেছে ছলে কৌশলে আপনি সেটা করবেন না। ইউ হ বেটার চয়েস। সেটা কি? আখেরাত আখেরাতে আপনার আসলে বেটার চয়েস বলাটা ভুল। বেস্ট চয়েস। অথবা এর বিপরীত হচছে কঠিন অবস্থা মানে যদি হতো এমন যে আমি জান্নাত পেলাম না ওকে না পেলাম কিন্তু জান্নাত না পেলে কি বলেন তো জাহান্নাম অতএব জিনিসটা আসলে দুনিয়ার সমীকরণে আমাদের এটাকে বিচার করাটা ঠিক হবে না আমাদের বুদ্ধিমান মুসলিমদের একমাত্র চয়েস হচ্ছে আখেরাত এবং জান্নাত ফলে তার জন্য আমাদেরকে সবর এখতিয়ার করতে হবে।

                                                           

এটা কি পয়েন্ট? এখন কোন পদ্ধতিগুলো আমরা অবলম্বন করব আমি এখানে আটদটার মত পদ্ধতি আপনাদের সাথে শেয়ার করি। এর মধ্যে ম্যাক্সিমাম চলে আসবেন। আরো বিভিন্ন ওলামায়ে কেরাম আরো অনেকগুলো চয়েস তারা নিয়ে এসছেন। হয়তো কোন না কোনভাবে আমাদের এগুলোর সাথে সেগুলো মিলে যাবে। কারণ আল কোরআন এবং সুন্নাহর দলিল তো অনেক। এবং সেগুলোকে একেকজন একেকভাবে উপস্থাপন করেন। প্রথম যে বিষয়টা আমাদের পাপমুক্ত জীবনের জন্য খুবই খুবই জরুরি সেটি হচ্ছে পাপগুলোকে চিহ্নিত করা। কিভাবে চিহ্নিত করবেন বলেন তো? এলমহির মাধ্যমে এলেমের মাধ্যমে। তাহলে আমাদের এলেম অর্জন করাটা জরুরি। পাপ কোনগুলো এবং পাপের মন্দ পরিণতিটা কি? আখেরাতের পরিণতিটা কি? এগুলো জানার মধ্য দিয়ে পাপ থেকে আপনার দূরে সরাটা সহজ হবে।

                                                           

যেমন সুদ সুদের দুনিয়ার পরিণতি অর্থনৈতিক মন্দাসহ জুলুম অর্থনৈতিক জুলুম ইত্যাদি আরো অনেক কিছু গবেষণা করলে আপনার কাছে হাজারো কারণ বের হয়ে আসবে। আর আখিরাতে যারা সুদখোর তাদের শাস্তির সে মেরাজের হাদিসে পেয়েছেন না? পেয়েছেন আপনি কি সেই লোকদের মত শাস্তির মধ্যে সম্পৃক্ত হতে চান? যদি না চান তাহলে তো এ থেকে আপনাকে উত্তরণ লাগবে। যেই লোকেরা ধরেন সুদের এই ভয়াবহ বুঝতে পেরেছে তারা সুদের সকল সমস্র ত্যাগ করেছে। যারা এখনো ভয়াবহ বুঝতে পারে নাই তারা মনে করে যে সমস্যা কি? তাই না? এবং তারা এটাকে এখনো নরমালাইজ পজিশনে ধরে রেখেছে। আর যারা সুদের পলিসি গুলো করে তারা দেখবেন যে অবশ্যই তাদের কাছে সুদের ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিগুলো এনালাইসিস গুলো তাদের কাছে নাই।

                                                           

যদি থাকতো সে এবং সাথে সাথে সুদের জায়গাটা পরিত্যাগ কর যারা ঘুষ খাচ্ছেন আল্লাহ রাস দেয় অন্যায় কাজ সম্পাদনের জন্যে অন্যায় অন্যের অধিকার লন্ঠন করার জন্য যে ঘুষ দেয় আর যে ঘুষ নেয় তার উভয় কোথায় জাহান্নামে এটা একদিকে জাগতিক দিক থেকে অন্যদিকে ইসলামের ভয়াবহ কবিরা গুনা মনে রাখবেন আল্লাহ রাস যতগুলো পাপের ক্ষেত্রে বলেছেন তারা জাহান্নাম এগুলো বড় ধরনের কবিরা গুনা >> >> এবং এগুলো শুধু কবিরাগুলো না এগুলো মানুষের জন্য মাল্টিপল ভাবে ক্ষতিকর মাল্টিপল ভাবে ক্ষতিকর ঘুষের সংস্কৃতি একটা দেশকে ধ্বংস করে দেয় না বলেন তো একটা প্রশাসনকে একটা প্রতিষ্ঠানকে একটা জনপদকে ধ্বংস করে দেয় হয়ে গেছে হয়ে গেছে কিনা বলেন রাস্তায় ট্রাফিক যদি ঘুষ খায় দেখেন ট্রাফিক সিস্টেম ধ্বংস হয়ে যায় হয় কিনা বলতে হবে সব কথা মিমারের জন্য রেখে দিয়েন না আপনাদেরকে কথা বলতে হবে কত কথাই তো বলেন আসল কথাগুলো বলে যাই হোক তাহলে এই বিষয়গুলো মানে সম্পর্কে এলেম অর্জন করতে হবে এটা এক নাম্বার

                                                           

দ্বিতীয় হচ্ছে আমাদের স্রষ্টার রব ইলাহ হচ্ছেন আল্লাহ তার জন্য আমরা ইবাদত করি তাহলে কি আমাদের একটু লজ্জা থাকা উচিত না আল্লাহর ভুবনে আল্লাহর শ্রেষ্ঠ জগতে আল্লাহর নেয়ামত ভোগ করে আল্লাহর শ্রেষ্ঠ দেহ দিয়ে আপনি পাপ করবেন কিভাবে একটু কি লজ্জা করে না লজ্জা একটা সংস্কৃতি মনে রাখবেন কালচার ইউরোপ আমেরিকাতে লজ্জার কালচারটা ভিন্ন ওরা উলঙ্গ চলাফেরা করলে তাদের লজ্জা হয় না। মেয়েরা স্বল্পনা হলে তাদের লজ্জা হয় না। যৌন বিকৃতিতে তাদের লজ্জা নাই। সমকামিতাতে তাদের লজ্জা নাই। অতএব লজ্জা হল একটা কালচার। মুসলিম সমাজে। অবাকনতার কোন সুযোগ নেই। পর্দাহীনতার কোন সুযোগ নেই। মুসলিম সমাজের কালচার গড়ে উঠেছে পাপগুলোকে বর্জন করার মধ্য দিয়ে অতএব প্রকাশ্যে কোন পাপ করা এ লজ্জার কারণ হওয়া উচিত ছিল কিন্তু যেটা বললাম লজ্জা একটা কালচার এই কালচারটাকে আপনি ট্রান্সফর্ম করে ফেলেছেন ফেলেছেন এখন প্রকাশ্যে ধুমপানে কারো লজ্জা নেই ধর্ষণ কারো লজ্জা নেই শিক্ষক হয়ে তারছাত্র হাত দিলে তার লজ্জা নাই।

                                                           

এভাবে লজ্জাহীনতার একটা কালচার কিন্তু তৈরি হয়ে গেছে। ফলে আপনি প্রকাশ্যে লজ্জা পাচ্ছেন না। আল্লাহকে তো দেখেনই নাই। আপনার লজ্জা কিভাবে হবে? তাই না? দেখেন মানুষ অবলীলায় পাপ করছে। তার ভুলেও মনে আসে না। আহারে আল্লাহর সামনে আমি কি কথা বলব? আল্লাহ তো আমাকে দেখছেন এই যে ভয় পাবে আমি লিপ্ত হলাম। পৃথিবীর আর কেউ যদি না দেখে কে দেখছেন? >> আল্লাহ দেখছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আপনার এতটুকু লজ্জাবোধ কেন নেই? লজ্জা কোথায় গেল? আসলে বললাম না কালচারাল ট্রান্সফরমেশন হয়ে গেছে। আমাদের সবাই একটা লজ্জাহীনতার সংস্কৃতিকে এডপ্ট করে ফেলেছে। ফলে এখন আর তার লজ্জা হয় না। ঘুষ খেতে লজ্জা হয় না।

                                                           

এখন তো আরো ভয়ঙ্করভাবে ঘুষ খাওয়া হয় না রাস্তায় প্রকাশ্যে ঘুষ প্রশাসনিক ঘুষ সব খায় বড় বড় পাপগুলো এখন সহজ হয়ে গেছে না মানুষকে লজ্জা পায় না মানুষের রব আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালাকে লজ্জা পায় অতএব লজ্জার এই কালচারটাকে আবার রিভাইভ করতে হবে এটা দ্বিতীয় কারণ তৃতীয় হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদেরকে যে নেয়ামত দিয়েছে এগুলোকে একটু সামনে নিয়ে আসা। আল্লাহ যে এহসানটা করেছেন এগুলোকে একটু হিসাবে নিয়ে আসা। এই হিসাবটা তো আমরা করি না। আল্লাহ আপনাকে টাকা দিয়েছেন, পয়সা দিয়েছেন, যোগ্যতা দিয়েছেন, ক্ষমতা দিয়েছেন। আপনি ভাবছেন এগুলো অটোমেটিক। আল্লাহ যে আপনাকে পরীক্ষার জন্য এগুলো দিয়েছেন এ অনুভূতিটা আমাদের অধিকাংশেরই নাই।

                                                           

আপনি অনেক কষ্ট করে টাকা অর্জন করে শত শত কোটি টাকার মালিক হলেন। কিন্তু মনে রাখবেন এটা একটা পরীক্ষা আপনার ক্ষমতা আপনার প্রভাব আপনার প্রতিপত্তি আপনার সম্পদ আপনার দুনিয়ার সবকছু কি পরীক্ষা এ অনুভূতিটা লাগবে তখন আপনি ভাববেন এই পরীক্ষায় তো আমাকে জিততে হবে এ পরীক্ষা আমাকে বাস করতে হবে পরীক্ষার পাশের একটাই পথ সেটি হচ্ছে আল্লাহ রাসূল সাল্লাম নির্দেশনা মোতাবেক এগুলোকে ব্যবহার করা প্রত্যেকটা জিনিসকে আপনি সেভাবেই ব্যবহার করবেন। আচ্ছা তাহলে এই বিষয়টা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার এই চিন্তা চেতনা এটা খুব জরুরি এবং এর আলোকেই আপনার জীবনে আল্লাহ পক্ষ থেকে আরো নেয়ামত আসতে পারে অথবা নেয়ামত পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

                                                           

মানুষ যখন নিজের সবকিছু পাল্টে দেয় তখন আল্লাহও পাল্টে দেন। আপনি যদি নেয়ামতকে পাল্টে দেন আল্লাহও নেয়ামতকে পাল্টে দিবেন। আপনি সুখ শান্তির নেয়ামত। আপনার সমাজে সততার যে প্রতিষ্ঠা ছিল ইসলামের যে চমৎকার কালচার ছিল সেটাকে আপনি পাল্টে দিয়েছেন। ফলে ঘুষের সংস্কৃতি করাপশনের সংস্কৃতি সর্বত্র ব্যাপক হয়ে গেছে। আপনি পাল্টে দিয়েছেন আল্লাহও আপাতত এটাকে অনুমতি দিয়েছেন সৃষ্টিগতভাবে অনুমতি দিয়েছেন শরীয়া ভাবে না কারণ তাহলে তো পরীক্ষা হবে না আল্লাহ যদি আপনি কোন ঠিক করে দিতেন তাহলে কি পরীক্ষা হতো পরীক্ষা হবে না এজন্য আমাদেরকে মনে রাখতে হবে আমি যদি আবারো আমার সঠিক কালচারে ফিরে আসতে চাই আল্লাহ সেটাও সহজ করে দিবেন আপনি যদি আরো কোরআন শুনে যেতে চান সেটাও আল্লাহ সহজ করে দিবেন তখন আপনার জন্য আরো ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে এবং তখন তখন শয়তান হয়ে পড়বে আপনার দোশর।

                                                           

চতুর্থ যে বিষয়টি আমাদেরকে পাপ মুক্ত করতে পারে সেটি হচ্ছে খাফুল্লাহিয়াতু আল্লাহর ভয়। আপনার অন্তরে কি আল্লাহর ভয় আছে? আল্লাহর ভয়ের উপর কোন ট্রেনিং কি আপনি নিয়েছেন? অনেকে আবার বলে কত ট্রেনিং শুনলাম। আল্লাহর ভয়ে ট্রেনিং তো পাইও নাই নেও নাই। লাগবে কিনা এটাও সন্দেহ নাকি? সবকিছুর দেখেন এখন মানসিক ট্রেনিংটা দেওয়া হয় যারা মানসিক রোগী দেখবেন তাদের নানা ধরনের বলে না কি বলে সাইকোথেরাপি না সাইকোথেরাপি বলে কাউন্সেলিং আলাদা আমি থেরাপির কথা বলছি এটা একটা ট্রিটমেন্ট এটা একটা ট্রেনিং কিন্তু আপনাকে নানাভাবে মেন্টালি আপনাকে একটু বেটার পজিশনে নিয়ে আসার চেষ্টা করা আমাদের এই যে আল্লাহর ভয় এটা কিন্তু একটা মেন্টাল ইবাদত জানেন তো মানসিক ইবাদত আমাদের মানসিক ইবাদত গুলো সম্পর্কে আমরাওয়ার্ড আছে কিনা আপনি একটু নিজেকে এসেস করে রাখেন আপনার ঈমান কতটুকু আছে ঈমানের মূল জায়গাটা কিন্তু অন্তর আর সেটা বিকশিত হয় আমাদের ঘোষণার মধ্য দিয়ে আর আমাদের আমলের মধ্য দিয়ে ঈমানের তিনটা রকম কিন্তু প্রথমটাই কি বিলজেনা অন্তরে

                                                           

বিশ্বাস এটা দিয়ে ঈমানের স্বরূপ তারপরে সেটা মুখে স্বীকৃতি এবং আমলের রূপান্তর তাহলে অন্তরের যে ইবাদত গুলো ঠিক আছে কিনা তাক ঠিক আছে কিনা ঠিক আছে কিনা খাসিয়া ঠিক আছে কিনা অন্তরের ইবাদতের ক্ষেত্রে আমাদের ঘাটতি হলে মনে রাখবেন আমাদের প্রকাশ্য ইবাদতের ক্ষেত্রেও চরম ঘাটতি হবে পঞ্চম যে বিষয়টা সেটি হচ্ছে মহাব্বাতুল্লাহ আল্লাহকে প্রচন্ড রকম ভালোবাসা আপনি একজন ভাই তার স্ত্রীকে ভালোবাসেন স্ত্রী তার স্বামীকে ভালোবাসে এ ভালোবাসাটা হচ্ছে ন্যাচারাল আর আল্লাহর প্রতি আমাদের ভালোবাসা বিকজ আল্লাহ আমাদের লর্ড আমাদের স্রষ্টা তিনি সাস্টেনার এই যে ভালোবাসাটা আল্লাহ আপনাকে এত নেয়ামত দিয়ে তিনি তো তৈরি করেছেন তিনি তো সুন্দর নাক দিয়েছেন চোখ দিয়েছেন ফলে এই ভালোবাসাটার আরেকটা দাবি চলে আসে সেটা হচ্ছে আল্লাহর প্রতি সম্মান প্রদর্শন আপনার স্রষ্টা আপনার ইলাহ আপনার রব তার ইচ্ছা করে সম্পৃক্ত হন নাই জীবনের আমি একটা পাপ বর্জন করব নাকি সেটি হচ্ছে আপনার নাফসের তরবিয়াত নাফসের তবিয়াত এডুকেট ইউরসেলফ আপনার মধ্যে যে নাফসটা আছে তাকে একটা

                                                           

ইসলামী তরবিয়াত দিতে হবে নাফসের মর্যাদা বুঝতে হবে নাফসের তাকওয়াটাবলিশ করতে হবে নাফসকে সে যে খারাপ নির্দেশ দেয় সেটাতে ভালো প্র্যাকটিসের মধ্য দিয়ে সৎ সংসর্গের মধ্য দিয়ে সৎ মানুষের কথা শোনার মধ্য দিয়ে আলেম সহচর্য থেকে ওকে ব্যাপকভাবে গবেষণা করা এবং সেই জ্ঞান অর্জন করে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যাতে প্রত্যেকেই পাপকে ঘৃণা করে পাপ মুক্ত হয় নিজেও পাপমুক্ত হয় এবং এর মধ্যে একটা হচ্ছে যেমন মুখ কালো হয়ে যায় পাপী লোকদের দেখবেন যে চেহারা সূরাত যে কোনভাবেই হোক এটা ভালো লোকরা বেশি ভালো বুঝতে পারবে সৎ লোকরা বুঝতে পারবে পাপের কারণে পাপী লোকদের চেহারার কি অবস্থা হয় তারপর তার অন্তর কলুষ যুক্ত হয়ে যায় এবং কালো হয়ে যায় হাদিসে এসছে প্রত্যেকটা পাপ একটা করে কালো ফোটা তৈরি করে অনেক পাপ হতে হতে একসময় পুরো অন্তরটা কালো হয়ে যায় এবং তখন করে দেওয়া হয় আল্লাহ খতম মেরে দেন করে দেওয়া হয় পাপের কারণে তার জীবনটা সংকীর্ণ হয় তার মধ্যে ভয়ভীতি

                                                           

কাজ করে কারণ তার বিরুদ্ধে পাপটা প্রকাশ হয়ে যায় কিনা এই ভয়ভীতি তার মধ্যে কাজ তাই না প্রকাশ মাধ্যমে প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত হয়ে যায় কিনা যদিও আজকের প্রচার মাধ্যমে অনেক মিথ্যা জিনিসও নানা ধরনের টেনশন ভোগ করে এবং পাপের কারণে তার রিজিক কমে যায় পাপের কারণে আল্লাহ তার থেকে বিমুখ হন আল্লাহ তার উপর থেকে পরিণাম ফলতো এটা সম্পর্কে আপনি যত সচেতন হবেন অষ্টম যে বিষয়টা সেটা হচ্ছে আপনার আসার পরিধিকে একটু কমিয়ে নিয়ে আসা হব সোজা পথে তো হওয়া যাচ্ছে না তাহলে বাকা পথে বুঝতে পারছেন এভাবেই মানুষ আস্তে আস্তে করাপশনের সাথে যুক্ত হয় কারণ তার আসার পরিধি অনেক বড় নির্দেশ করে আপনি দুনিয়ার কোন ধরনের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন না এবং সেটা আপনার জন্য অনুমোদিতও নয়ন নয় নাম্বার যেটা সেটি হচ্ছে খেলে দেখবেন যে ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের চ্যালেঞ্জ গুলো চলে আসে আপনি বাঁচবেন ৬০ ৭০ বছর ৫০০ কোটি টাকা দিয়ে বাড়ি বানায় ফেললেন।

                                                           

অথচ আপনার ভাই বোনেরা লক্ষ লক্ষ জনতা না খেয়ে আছে। তাদের কষ্টের কথা আপনি ভুলে গেলেন। তারা চিকিৎসা পাচ্ছে না। আমি খুব অবাক হচ্ছি এই বাংলাদেশে। ফ্রি চিকিৎসা বলতে কিছু নাই। সরকারি হসপিটাল গুলোতে ঘুষ দেওয়া লাগে। ওখানে রোগী কেনাবেচা হয়। আর অন্য হসপিটাল গুলোর কথা তো ভিন্নই। আল্লাহু আকবার। করাপশনটা এস্টাবলিশ হয়ে যাচ্ছে এদেশে। আপনারা কি এখনো জাগবেন না? প্রিয় ভাইয়েরা, বোনেরা এখনো কি জাগবেন না? সুবহানাল্লাহ। কিছু কাজ করেন। তাদের জন্য এসোসিয়েশন করে। আল্লাহর কাজের জন্য এসোসিয়েশন হতে পারে না। এই দেশের লক্ষ লক্ষ জনতার চিকিৎসা পায় না। একটাও কিন্তু আমরা চিকিৎসা দেখি না। যা হয়তো একটা ক্ষুদ্র দুইটা থাকতে পারে।

                                                           

কিন্তু আমাদের চোখে পড়ে না। রুকিয়া সেন্টার। ব্যবসা হচ্ছে। একটা রুকিয়া সেন্টার দেখলাম না। ফ্রি অফ কস্ট। এটা তো নবী। মুসলমানদের মধ্যে কি এমন লোকজন নাই রাস খুব কম কোন বড় ধরনের ইনভেস্টমেন্ট লাগে না সেটাকে আল্লাহর ওয়াস্তে মানুষের কাছে তার খেদমা হিসেবে সার্ভিস হিসেবে দেবে সুবহানাল্লাহ এর কারণটা কি জানেন আমরা সবাই বুঝি সবার অনেক টাকা দরকার দুনিয়াদারি দরকার দরকার আল্লাহর ওস্তে কাজ করার মত চিন্তা চেতনা লালন করার সময় কারো নাই এটা থেকে উঠে আসতে হবে কালচার আশায় বোবা আখেরাতের জন্য দুনিয়ায় আল্লাহর বিধান গুলোকে কার্যকর করে সর্বশেষ যেটি বলব সেটি হচ্ছে অন্তরের মধ্যে ঈমানের বৃক্ষটাকে ভালো করে রোপণ করে ঈমান আমাদের আলো এই ঈমান যত দুর্বল হবে আলো তত নিভু নিভু হবে এবং আমরা দুনিয়ার কাজের জন্য অযোগ্য হয়ে যাব এবং সেটাই হচ্ছে ঈমানটাকে জাগান সাথী ঈমানের যোগ্যতাটাকে বহন করেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাত্র ২৩ বছরে যে জেনারেশন গড়ে তুলেছেন ও দেখান তো এই দেশে এখন বা মুসলিম দেশে একজন ওমর ইবন খাত্তাবকে দেখান একজন আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু কে দেখা।

                                                           

একজন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে দেখা। একজন আব্দুল্লাহ ইবনে তাদের প্রতিভু দেখা। নাই। সে আয়োজনটা নাই। অতএব আসুন আমরা একটু প্রস্তুতি গ্রহণ করি। পাপমুক্ত চিন্তাটা আমরা নিজেদের মনে করেন সকল পর্যায়ে সকলকে পাপমুক্ত জীবনের এই লেসনটা নিতে হবে। কারণ বলেছে আর আজকের যুগের বিপর্যয় অতীতের যেন যুগের বিপর্যয়ের চাইতে অনেক উপস্থিতি প্রিয় মুসল্ উপস্থিতি প্রিয় মুসল্ অংশ একসাথে আল্লাহর কাছে চলে যেতে পারে অতএব আমরা আখেরাতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করি সজীব মুসলিমিন গাফুর রাহিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন মুত্তাকিন মুহাম্মাদি ওয়ালাহ সুবহানাহুলা সম্মানিত উপস্থিতি আমরা পাপ মুক্তির জন্য প্রথমেই যে কথাটা বলেছিলাম সেখানে একটু ফিরে যাই সেটি হচ্ছে প্রয়োজনীয় এলেম অর্জন করা এলেম অর্জনের আসলেই কোন বিকল্প নেই নিজেকে আমাদের জেনারেশনকে দেশবাসীকে এডুকেট করা এডুকেট করা আজকে দেখেন এই আধুনিক যুগে আধুনিক শিক্ষা এতভাবে ফুলে ফেলে উঠছে সেই যুগে এসে মানুষ আল্লাহ এবং আপনাকে এলেমের পথে অগ্রসর হতে শুরু করতে হবে।

                                                           

আপনি একটু দেখেন কোথায় কি প্রতিষ্ঠান আছে। এই আসিওতো এলেমের জন্য একটা চমৎকার মারকাজ হিসেবে কাজ করছে। এর পাশাপাশি আমরা তাইবা একাডেমি নিয়ে কাজ করছি। সেখানে ডিপ্লোমা ইসলামিক স্টাডিজ আছে। একজন মুসলিমের জরুরি যে জ্ঞানগুলো নিয়ে আমরা ১৬টা সাবজেক্টে সেটা আমরা করে দিয়েছি যাতে করে যে কেউ অন্তত বেসিক নলেজটা আগে নেক তারপরে অন্যান্য নলেজ এই মাসে তাই একাডেমির ভর্তি চলছে আমি খুব সংক্ষেপে বলে দিলাম বাকি হয়তো আমাদের ইমাম সাহেবের কাছে আপনি জানতে পারবেন আমরা এখানে এবং আমাদের কুলিয়াতুল কোরআনে আমরা সবার জন্য মাদ্রাসার শিক্ষিত এবং জেনারেলদের জন্য এরাবি কোর্স চালু করেছি এবং ভবিষ্যতে আমরা আরো শারিয়া ভিত্তিক একদিনের যে দাওয়া এই মসজিদ সিদ্দিক এবং সবখানে মিলে আমরা সে দাওগুলো দিব আর আপনাদের পক্ষ থেকে ডিমান্ড আসা দরকার খুব কম লোকই আমাদেরকে এসে বলে যে আমাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করেন জ্ঞানের কিছু ব্যবস্থা করেন জ্ঞানের নিটা এখনো মানুষের মধ্যে জাগ্রত হয় নাই আপনাদের মধ্যে সে নিটা জাগ্রত হওয়া দরকার

                                                           

দুনিয়ার সবকিছু প্রয়োজন আছে প্রয়োজন নাই কোরআন সুন্নাহ জ্ঞান সেটা কতটুকু অর্জন করেছেন কোরআন তেলা করতে পেরেছেন অর্থ জানতে পেরেছেন এটা খুবই ইম্পর্টেন্ট মনে রাখবেন এটা হচ্ছে ইসলামের সবচেয়ে ছাড়া একজন মুসলিম মুসলিম থাকতে পারে না তার মধ্যে কোরআনের জ্ঞানটাও অন্তর্ভুক্ত কোরআনের তেলাওয়াতটা অন্তর্ভুক্ত কারণ পাচ ওয়াক্ত সলা আপনি কোরআন তেলাওয়াত করেন না আপনার সূরাতুল ফাতেহা তেলায়াত ঠিক আছে আপনি যে আরো অন্যান্য সূরাগুলো তেলাওয়াত করেন এগুলোকে শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করেন লাহানে জালি হয় কিনা লাহে জালি হলে তো আপনার মানে মারাত্মক ভুল তাহলে তো নামাজও বাতিল আবার লাহে জালির কারণ আপনি গুনাগারও হবেন এ বিষয়গুলো আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি পাপমুক্ত জীবন যাপনের জন্য শুধু স্বপ্ন দেখলে হবে না শুধু সবাদ আল্লাহর করলেও হবে না আপনাকে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে এবং সেই প্রস্তুতিটা হচ্ছে জ্ঞান অর্জন এবং এই জ্ঞানের ভিত্তিতে ট্রেনিং আমরা যেই সময় অবস্থান করছি সারা বিশ্বে আমাদের মুসলিমরা নির্যাতিত হচ্ছে।

                                                           

আসুন আমরা প্রথমত এই নির্যাতিতদের পক্ষে আমাদের সমর্থন ব্যক্ত করি। পৃথিবীর সকল মজলুমকে যেন আল্লাহ রক্ষা করেন। >> জুলুমের বিরুদ্ধে আমরা আমাদের বক্তব্য পেশ করছি। সকল জুলুম যেন নিপা যায়। সকল জালিমকে আল্লাহ যেন নিবৃত করেন >> এবং তাদেরকে হেদায়েত করেন অথবা ধ্বংস করে দেন। >> আমাদের মধ্যে অনেকে অসুস্থ আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদেরকে সুস্থ করে দেন। >> যারা বিপদগ্রস্ত আছেন আল্লাহ যেন তাদেরকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। সমস্যাগ্রস্তদেরকে সমস্যা যারা মারা গিয়েছেন আমাদের আপনজন, আমাদের বাবা মা আল্লাহ যেন তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। ইতিমধ্যে আমারও নিজের দুজন আত্মীয় মারা গিয়েছেন। এই এক সপ্তাহের মধ্যেই তাদের সহ সকল মৃত মুসলিমের জন্য আমরা দোয়া করছি।

                                                           

আল্লাহ যেন তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। >> একজন ভাই আইসিইউতে ভর্তি আছেন অসুস্থ। সে ভাইয়ের জন্য আমরা দোয়া করছি। আল্লাহ যেন দ্রুত তাকে সুস্থ করে দেন। প্রিয় উপস্থিতি আসুন আমরা আসলে নিজেদেরকে গঠন করি। নিজেদেরকে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হিসেবে তৈরি করার চেষ্টা করি। আল্লাহর সার্বিক নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করি। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করেন।