প্রশংসা মাত্র আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার যিনি এক ও একক যার কোন শরী নেই যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মানুষরূপে আমাদেরকে একত্বের শিক্ষা দিয়েছেন আমাদের হেদায়েতের লক্ষ্যে তার পক্ষ থেকে কিতাব নাযিল করেছেন এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূলের যুগে আমাদেরকে পৃথিবীতে তার উম্মাহ করেছেন। আমরা তার প্রশংসায় শুকরিয়া জ্ঞাপন করি। আলহামদুলিল্লাহ। সালাতুওস সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যার মাধ্যমে আমরা মর্যাদা পেয়েছি। যাকে আমাদের মাঝে হেদায়েত স্বরূপ প্রেরণ করা হয়েছে যার উপরে সালাত এবং সালাম পাঠকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে ১০ বার সালাত এবং সালাম প্রাপ্ত হয়ে থাকে। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ আল্লাহুম্মা বারিক আলাই। আজকের এ খুতবা এমন একটি সময়ে উপস্থিত হয়েছে যেই সময়গুলো মর্যাদার দিক থেকে সবথেকে শ্রেষ্ঠ।
বিগত খুতবায় হয়তো আপনারা আমরা এগুলো জেনেছি যে বর্তমান যে মাস এই জিলহাজ্ মাস এটা হচ্ছে হজের মাস এটা হচ্ছে হারাম মাস এবং এই হারাম মাসের যেই দিনগুলোতে আমরা অতিবাহিত করতেছি এটা হলো পৃথিবীর মাঝে সবথেকে শ্রেষ্ঠ দিনগুলোর এই ১০ দিন যে সম্পর্কে আপনারা হয়তো বিস্তারিত জেনেছেন যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মানুষ নেকি নেকির দিক থেকে যেই দিনগুলোতে নেকির কাজ করে থাকে ওই কাজগুলো যদি এই ১০ দিনের কোন একদিনে কেউ করে তাহলে সেটা আল্লাহর কাছে আজর সওয়াবের দিক থেকে সম্মানের দিক থেকে বেশি প্রাপ্ত হবে বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম বলেছেন যে কোন দিনের সৎ কাজ এত গুরুত্বের সাথে বলার কারণে সাহাবায়ে কেরামরা পর্যন্ত জিহাদকে তুলে ধরেছেন লাল জিহাদ সাবিলিল্লাহ জিহাদ সাবিলিল্লাহ জিহাদ করেও অত নেকি পাওয়া যাবে না এই ১০ দিনের নফল ইবাদতে যত নেকি আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা আমাদের জন্য নির্ধারণ করে রেখেছেন।
সুবহানাল্লাহ। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার কাছে আমরা এর তৌফিক কামনা করি। আল্লাহ যেন আমাদেরকে এই ১০ দিন তার ইবাদতের সাথে তার আনুগত্যের সাথে পাপ থেকে বেঁচে থেকে তার সন্তুষ্টির কাজ করার জন্য আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান করেন। আমিন। জিলহজ্ মাসের এই ১০ দিন আমরা বিচারক বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে এই ১০ দিনের মাঝে আরো দুই দিন রয়েছে যে এই ১০ দিন থেকেও খাস। তার একটি হল ইয়াওমে আরাফা নয়ে জিলহাজ্ এবং তার থেকে শ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে ইয়াউমুন্ নাহার কুরবানর দিন বা যেটাকে আমরা ঈদুল আযহা বলি কুরবানী ঈদের দিন। এই দুইটি দিন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার নিকট সবথেকে বেশি মর্যাদাপূর্ণ দিন। এই সম্পর্কে কোরআন এবং হাদিসে যথেষ্ট কথা রয়েছে।
আমরা সংক্ষিপ্তভাবে আপনাদের কাছে একটু তুলে ধরি যে আরাফার দিন এবং আরাফার ময়দান এই দুইটি আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে আরাফার ময়দানকে এবং আরাফার দিবসকে গুরুত্বের সাথে পেশ করেছেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা থেকে একটি হাদিস ইমাম মুসলিম রাহিমাহুল্লাহ তার কিতাবুল হজে উল্লেখ করেছেন যে ইন্না রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মামিনমিন আকমিল্লাহ আরাফা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা যেই দিনগুলোতে তারা বান্দাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি ঘোষণা করে থাকেন এমন যতগুলো দিন রয়েছে আরাফার দিনের মত এমন কোন দিন নাই যে আল্লাহর পক্ষ থেকে অধিকাংশ মানুষকে মুক্ত করা হয়ে তার মানে যত মানুষকে আরাফার দিনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা মুক্তি ঘোষণা করে দেন পৃথিবীর অন্য কোন দিনে এত মানুষ মুক্তি প্রাপ্ত হয় না।
ভাষাটা কি? মানে জাহান্নাম থেকে মুক্তি ঘোষণা যেই দিনগুলোতে করা হয় আরাফার দিনের মত করা হয় না। তার মানে উল্লেখযোগ্য আমরা জানি যে রমজান মাসের প্রত্যেকটা দিন এবং প্রত্যেকটা রাত ছিল এমন যে প্রত্যেকদিনে আল্লাহ অসংখ্য মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত ঘোষণা করতেন। তার মানে রমজানের প্রতিদিন এটা করা হইতো। কিন্তু যত মানুষকে মুক্ত করা হয় আরাফার দিনে সেটা অন্য কোন দিনে করা হয় না। এবং এই দিনে ওই আরাফার স্থানে যারা উপস্থিত হবে তাদের মর্যাদা হল আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহার এই বর্ণনাতে রয়েছে যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ সুবহানাহুতালা আরাফা ময়দানের নিকটবর্তী হন তিনি তিনি তার নৈকট্য দান করেন আরাফার ওই দিবসকে এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা ওই বান্দাদের সম্পর্কে ফেরেশতাদের কাছে প্রশংসায় তুলে ধরেন এবং তাদের গুণগান পেশ করেন যে মাদালা তোমরা বল দেখি এই যে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এই যে লোকগুলো এখানে এসে বসেছে মূলত যারা হজে যায় তারা সবাই মোটামুটি সামর্থ্যবান কারণ সামর্থ্যবান ছাড়া হজ ফরজ
হয় না পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী লোকগুলো সচ্ছল লোকগুলো সেখানে মাত্র সেলাইবিহীন কাপড় মাথা উন্মুক্ত করে পা উন্মুক্ত করে তারা সেখানে আরাফার ময়দানে উপস্থিত হয় জড় হয় এ রুদ্রের মধ্যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা তাদেরকে পেশ করে দিয়ে ফেরেশতাদেরকে জিজ্ঞেস করে এদের উদ্দেশ্যটা কি এরা এখানে কেন সবকিছু ছেড়ে দিয়ে কারণ এর পেছনে মূল কারণ হলো ফেরেশতারা বলেছিল যে আপনি এমন এক সৃষ্টি সৃষ্টি করতে যাচ্ছেন যারা এই জমিনের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং রক্ত ঝরাবে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা এটা ভালো করেই জানে যে ফেরেশতাদের কথা তো সত্য তবে এই কিছু লোক এরা হচ্ছে মুখ্য যারা ফাসাদকারী হবে না যারা রক্ত ঝরাবে না বরং তারা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার বন্দেগীতে লিপ্ত যেমন এই যে আমরা যারা এখানে মসজিদে উপস্থিত হয়েছেন নিশ্চয়ই এখানে কোন ফাসাদকারী নাই নিশ্চয়ই এখানে কোন খুনি বা হত্যাকারী নাই এটা আমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি প্রত্যেকটা মসজিদে যারা উপস্থিত হয় অন্তত তাদের উচিত তারা এই সমস্ত বড় জুলুম থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবে।
দুর্নীতি থেকে, চুরি থেকে, রাহাজানি থেকে, রক্ত ঝরানো থেকে, এই জমিনের মধ্যে ফেতনা ফাসাদ থেকে অন্তত এটা মুসল্লিদের উচিত বিরত থাকা। যদি সালাত পড়ার পরেও সেই ব্যক্তি সুদখোর হয়, সেই ব্যক্তি দুর্নীতিবাজ হয়, সেই ব্যক্তি যদি হত্যাকারী হয়, তাহলে এটা নামাজীদের জন্য মানায় না। অন্তত নামাজীদের উচিত ছিল এই সমস্ত বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকা। কারণ তারাই প্রতিনিয়ত আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সামনে অঙ্গীকার করে। ইয়াকা নাবুদুইয়াসন। আল্লাহ আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই আনুগত্য করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য চাই। তাহলে এটা আমরা প্রতিদিন অঙ্গীকার করতেছি তাহলে আমাদের সভা পায় না অন্যদের মত ফাসাদকারী হওয়া আলালি হাল আল মুহিম আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা ওই আরাববাসীদের সম্পর্কে এই সম্মান প্রদর্শন করেছেন যে আল্লাহ ফেরেশতাদের সামনে তাদের মর্যাদা তুলে ধরেন যে মাদাহা উলাই তার মানে এখানে যারা এসেছে নিছক আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার কাছে মুক্তির জন্য এসেছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এসেছে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার আনুগত্য প্রদর্শন করার জন্য এসেছে।
এইভাবে তাদেরকে সম্মান দেখানো হয়েছে। ইমাম মুসলিম রাহিমাহুল্লাহ তিনি তার কিতাবুল হাজের মধ্যে ৩১৭৯ ৮০ এই হাদিসগুলোতে আপনি পেয়ে যাবেন। এই দিনটির আমল রয়েছে। বিশেষ করে যারা আরাফার ময়দানে উপস্থিত হবেন এটা তাদের উপর ফরজ। না হলে তো হজই কবুল হবে না। কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা কোরআনে ঘোষিত করেছেন যে হজে যারা যাবে তাদেরকে আরাফার ময়দানে যেতেই হবে। এবং সেখানে গিয়ে তারা কি করবে? আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার গুণগান গাইবে। তারা সেখানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার তাসবি পাঠ করবে। তারা তাকবীর পাঠ করবে এবং তারা তালবিয়া পাঠ করবে। এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আরাফার দোয়া হলো সবথেকে উত্তম দোয়া। ইমাম তিরমিজী রাহিমাহুল্লাহ তিনি তার কিতাবে একটা হাদিস এনেছেন।
দোয়ার অধ্যায় আপনি পেয়ে যাবেন। সম্ভবত হাদিস ৩৫৮৫ তে রয়েছে। ৩৫৮৫ দোয়ার অধ্যায়। আরাফার দিনের দোয়া সেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটা হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে যে কলা রাসূলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আমার পূর্বে প্রত্যেক নবীরা করেছেন সেটা হচ্ছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহুলাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদ আলা কুল্লিশন কাদির দেখেন এই দোয়াতে কিছু চাওয়া হয়নি কিন্তু এটাকে দোয়া বলা হয়েছে আপনি কিছুই চাননি আল্লাহর কাছে শুধু আল্লাহর প্রশংসা করবেন কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন এটা হচ্ছে উত্তম দোয়া তার মানে এর বদলায় আপনাকে চাইতে হবে না আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা এর বিনিময়ে যা দেয়ার তিনি দিবেন। যেমন ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি যখন মাছের পেটে ছিলেন তখন তিনি কিন্তু আল্লাহকে বলে নাই যে আল্লাহ আমাকে নাজাত দেন।
তিনি শুধু আল্লাহর প্রশংসা করে ছেড়ে দিয়েছেন। সুবহানাক লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাক ইন্নি আল্লাহ আমি জুলুম করেছি আর তুমি পবিত্র। তুমি ছাড়া সত্য কোন ইলাহ নাই। তারপর রেজাল্ট আমাদের সামনে। তো এইজন্য এই দোয়াকে সবথেকে শ্রেষ্ঠ দোয়া বা উত্তম দোয়া বলা হয়েছে। এটা আরাফার ময়দানে যারা আছেন আপনাদের আত্মীয়-স্বজন যারা হজে গেছেন আমাদের বক্তব্যের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। তারা যেন সবথেকে বেশি এই দোয়াটি পড়ে এবং আমরাও আমাদের অঞ্চল থেকে আমরা আরাফার দিনে সবথেকে বেশি এই দোয়াটাই করবো। আল্লাহ যেন আমাদেরকে তৌফিক দান করেন। দ্বিতীয় আমল হচ্ছে যারা হজের ময়দানে পৌঁছে গেছেন তারা তো সবথেকে উত্তম ইবাদতে লিপ্ত।
আর আমরা যারা সেখানে পৌঁছিনি পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছি। আমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলা হয়েছে আমরা যেন সিয়াম পালন করি। সেই দিনের সিয়াম সম্পর্কে সে হাদিস আমাদের প্রত্যেকেরই জানা। ইমাম মুসলিম সে হাদিস কোট করেছেন। আব রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা একটা ভাষা অপর বর্ণনা রয়েছে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আরাফা দিনের সিয়ামের ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তারপর তিনি বলেন প্রত্যাশা রাখি আরাফার দিনের একটি সিয়ামের মাধ্যমে আল্লাহ ওই সায়েম ব্যক্তির পূর্বের এবং পরের দুই বছরের গুনাহকে মাফ করে দিবেন। আল্লাহ যেন আমাদেরকে তৌফিক দান করেন। আমিন। ইমাম মুসলিম রাহমা্লাহ তার সিয়ামের অধ্যায়ে ২৬৬৩ এবং ২৬৬৪ তে এ হাদিসটি কোট করেছেন।
অতএব যার পক্ষে সম্ভব অবশ্যই সে এই আরাফার সিয়াম পালন করবে। এই ক্ষেত্রে এই একটি সিয়ামই যথেষ্ট। কারণ এখানে এককভাবে ওই মুহরমের মত দুইটা সিয়ামের কথা বলা হয়নি যে ইহুদিদের খেলাফ করতে গিয়ে দুইটা রাখতে হবে না বিষয়টা এমন না। ওটা ছিল মুহাররমের সিয়াম। ইহুদিরা যেহেতু একটা রাখে এজন্য আমরা দুইটা রাখব। কিন্তু আরাফার দিনের সিয়াম তার ইহুদিরা রাখে না। এজন্য এখানে একজন ব্যক্তির শুধু আরাফার দিনের সিয়াম রাখাটাই যথেষ্ট। তাহলে তার দুই বছরের গুনাহকে মাফ করে দেয়া হবে। উপরন্ত যারা সিয়াম আছেন রেখেছেন কয়েকটা আবার রাখবেন আট তারিখও রাখবেন। তাহলে নিঃসন্দেহে এটা উত্তম কাজ। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন যে কোন সৎকর্ম এই ১০ দিনের মধ্যে কেউ করবে তাহলে তার মর্যাদা সবথেকে বেশি সে প্রাপ্ত হবে।
এখন এই কথাগুলো আমরা জানি যেটা সবথেকে কমন প্রশ্ন অধিকাংশ মানুষ যেটা নিয়ে বিতর্ক করে যেটা নিয়ে নেট দুনিয়া ঘেটে ফেলবে সেটা হচ্ছে আরাফার সিয়াম কবে? আমরা কবে আরাফার সিয়াম রাখবো? এটা নিয়ে বড় দ্বন্দ রয়েছে। এই ক্ষেত্রে আমরা ছোটরা তেমন কোন কথা বলতে রাজি না। এক্ষেত্রে আমাদের বড়দের উক্তিটাই শুধু আপনাদেরকে পেশ করবো। সেটা হচ্ছে যেহেতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াওমে আরাফা শব্দ বলেছেন এইজন্য যেইদিন আরাফাতে উপস্থিত হয়ে যাবে সেটাই হচ্ছে আরাফার দিন। এক্ষেত্রে তারিখ ধার্তব্য নয়। এমনটাই বলেছেন বিজ্ঞ আলেমরা। আর আমরা তার খেলাফ যেতে পারতেছি না। তবে এর খেলাফ বাংলাদেশে থেকে যারা ফতোয়া দেয় আমরা তাদেরটাও চরম ভুল বলতেছি না।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আমাদের উভয়কে আজরও সওয়াব দান করুন। আমরা এতটাই প্রত্যাশা রাখি কারণ নফল ইবাদত। আর এখতেলাফের ব্যাপারে সাধারণ জনগণের উপর থেকে আল্লাহ সুবহানাহুতালা অবশ্যই কলম উঠিয়ে নিবেন। কারণ তারা তাদের বিজ্ঞরা এই বিষয়ে ইখতেলাফ ঘটতেছে। এজন্য জনসাধারণের ক্ষেত্রে কোন দোষ নাই। যদিও চাঁদ দেখার উপরে ভিত্তি করে আরাফার নির্ণয় হয়। এই কেয়াস করলে তার তাদেরটাও ভুল না। তবে আমরা ওই শব্দের দিকে ফোকাস করতেছি। যেহেতু আমরা আমাদের সালাফী আলেমদের মতাদর্শ অনুযায়ী চলি। তাদের ব্যাখ্যাগুলাকে বেশি প্রাধান্য দেই। অতএব আমাদের সালাফে আলেমগণ যারা বিজ্ঞ সালাফরা রয়েছেন তারা বলতেছেন এটা হচ্ছে এক্সেপশনাল। এজন্য শুধু আরাফার দিনটা সৌদি আরবের একটা স্থানের সাথে খাস।
এজন্য ওই দিন যে দিন এটাই হবে পুরা বিশ্বের জন্য আরাফা। আমরা এর বেশি খেলাফ যেতে পারতেছি না। তো এ বছর এই মে মাসের ২৬ তারিখে আরাফা ঘোষণা হয়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করব ২৬ তারিখেই সিয়াম রাখতে। তবে যারা ২৭ তারিখ রাখবে আমরা তাদেরকে ভুল বলি না। কারণ এ অধিকার আমাদের নাই। আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান করুক। এই দিনে আমাদের জন্য আরেকটি কাজ হলো ফজরের সালাতের পর থেকে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর তাকবীর পাঠ করা। এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে স্পষ্ট কোন হাদিস বর্ণিত হয়নি। তবে বিশিষ্ট সাহাবায়ে কেরামদের মাঝে যেমন আলী আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুম আজমাইন তাদের কাছ থেকে কিছু আসার পাওয়া যায়।
কানা আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর আলন আনাহ সালাত ফজ আরাফা তারা আরাফার দিনের ফজরের নামাজের পরে তাকবীর পাঠ করতেন ইলা সালাতল আস আইম তাশরিক তাশরিকের শেষ দিনের আসর সালাত পর্যন্ত মানে ১৩ জিলহাজের আসর সালাত পর্যন্ত তারা এ নামাজের পরে তাকবীর পাঠ করতেন এটা মুসান্নাফ ইবনে আবিশবা তিনি তার কিতাবের মধ্যে ৫৬৩৩ এবং ৫৬৩১ এবং ৩৩ এ উল্লেখ করেছেন এবং তাদের তাকবীরগুলো কেমন হতো তারা তিনবার বলতেন আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওলিল্লাহিলহামদ যদিও আমাদের দেশে আমরা দুইবার বলি ইবনে মুসান্নাফ ইবনে আবশবাতে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু থেকে দুইবারের উক্তি আছে সেজন্য তারা এটাকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছে তবে এর পাশাপাশি হাদিসগুলো এসে সেখানে তিনবারের কথা রয়েছে যেমনটা এই বর্ণনাতে রয়েছে আলী আব্দুল ইবনে ওমর তারা তিনবার করে বলতেন এবং মুসান্নাফ ইবনে আবিবাতে আরেকটি উক্ত করেছেন আল হাসান হাসবা তিনিও তিনবার করে পাঠ করতেন যে আল্লাহু আকবার সালাতন তিনি তিনবার বলতেন তার মানে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওলিল্লাহিলহামদ এটা মানে সুন্নতে সাহাবা বলা চলে।
তবে এই জিনিসটাকে আমাদের দেশে মাইকে ঘোষণা করা হয় এবং এমনভাবে তালকিন করা হয় মনে হচ্ছে যে কোন ফরজ বিধান যে নামাজের পরে যদি কারো ছুটে যায় মনে হচছে মহাপাপ হয়ে যাবে এমনভাবে তারা মাইকে বলে এবং মাইকে বলতে থাকে মহিলাদেরকে যে যারা ঘরে আছেন তারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে এভাবে তাকবীর পাঠ করবেন। মূলত এটা সুন্নাহ হিসেবে নেওয়া যেতে পারে। যদিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত নয়। তবে সাহাবায়ে কেরাম থেকে যেহেতু প্রমাণিত তাহলে এটা একটা আমল। কিন্তু এটাকে এত বেশি গুরুত্ব দেওয়া যাবে না যে ভয় ধরিয়ে দেয়। এমনভাবে তারা ব্যক্ত করে এটা মোটেও উচিত নয়।
তাহলে আমরা এই তাকবীরগুলো পাঠ করব। এটা হচ্ছে সালাতের সাথে খাস। আর এমনিতে সারাদিন অবশ্যই আমাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার জিকিরে কাটাতে হবে। কারণ এই হজের দিনগুলোতে জিকিরের মর্যাদা এমন আপনি সূরা বাকারা পড়েন তাতে দেখেন ওখানে জিকিরকে আল্লাহ সুবহানাহুতালা সবচাইতে বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। যেমন একটা আয়াতে এটা বলেছেন তোমরা হজ পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর তার মানে এই মিনার তিনদিন এই আইয়ামে তাশরিক আল্লাহ বলেছেন তোমরা আল্লাহকে অধিক মাত্রায় স্মরণ কর। অধিক মাত্রায়। এখানে আর কারো স্মরণ চলবে না। এভাবে জিকিরকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
এমনকি রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করা হয়েছে আইুল হাজ আফদা কোন ব্যক্তির হজ সবচাইতে উত্তম তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আলহাজ্জু এ শব্দ দুইটা বলেছেন আজ আজ হল বলা হয়েছে যে যেই ব্যক্তি অধিক মাত্রায় তাকবীর পাঠ করে তার মানে এই হজের পুরো সময়টা সে সেলফি ঘুরে ঘাড়ে আর ওই বিভিন্ন জায়গা প্রদর্শন করে শুধু দেশে আত্মীয়স্বজনের কাছে ছবি পাঠিয়ে সময় নষ্ট করে না বরং যেসব সবথেকে বেশি তাকবীর পাঠ করে। আর অসাধ্য হচ্ছে নাহারাল বদন। যেই ব্যক্তি হজে গিয়ে উট কুরবানি করতে পারে তাহলে তার হজটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তার মানে ওই বকরি গরুর চেয়ে উটের কদর বেশি করা হয়েছে এখানে।
মানে তাহলে যার উট কুরবানি করবে মানে আল্লাহ ওই হজের জন্য হাদি পেশ করবে। তাহলে অবশ্যই তার খরচ বেশি। এজন্য তার নেকিও বেশি হবে। এজন্য ওই ব্যক্তির হজ হচ্ছে সবথেকে উত্তম। যেই ব্যক্তি বড় পশু কুরবানি করতে পারে বিশেষ করে উটের কথা আছে এবং যারা অধিক মাত্রায় তালবিয়া পাঠ করে বা তাকবীর পাঠ করে আপনি আমি জানি যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনের একটাই হজ প্রথম হজ জীবনের শেষ হজ তিনি একা কয়টা উট কুরবানী করেছেন ১০০ তার অর্থায়ন তিনি ১০০ উট কুরবানি করেছেন পৃথিবীর কোন বাদশাও হয়তো আজ পর্যন্ত এটা করে দেখাইতে পারেনি তাহলে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু এটাই বলেছেন যেই ব্যক্তি অধিক মাত্রায় তালবিয়া জিকির পাঠ করে এবং আল্লাহর জন্যে উট নাহর করে তাহলে তার হজটা হচ্ছে বেশি।
আমি হাদিসটাকে এনেছি শুধু ওই জন্য যে আপনাকে বুঝানোর জন্য যে জিকিরের মান কত দেওয়া হয়েছে যে যা হজে গিয়ে যার জিকির বেশি তার হজকে উত্তম বলা হয়েছে। আর আমাদেরকে বলা হয়েছে এই যে হজের দিনগুলোতে এখন আইয়ামে তাশরিক পর্যন্ত অতিরিক্ত আমল দেখেন কিছুই নাই। এখানে আমাদেরকে জিকিরকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এবং এই ক্ষেত্রে যেই বাক্যগুলো প্রাধান্য পাবে একটু আগেই বললাম লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহুলা এটা দ্বিতীয়ত হচ্ছে আপনি বলবেন সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ আপনি এটাকে জোড়া দিতে পারেন কারণ চারটার সাথে একটা বাক্য অতিরিক্ত রয়েছে এই চারটা বাক্যর মান কি রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি যদি কোনদিন আমার জবান দিয়ে চারটা বাক্যচার করার তৌফিক পেয়ে যাই।
রাসূল বলেছেন খাইরুললি আইতা আলাইহিমস ওই সমস্ত সম্পত্তির চেয়ে আমার কাছে বেশি মূল্যবান প্রিয় যার উপরে সূর্য উদিত হয়। তার মানে সারা সকালবেলা যখন সূর্যটা ওঠে কোন সম্পদের উপরে ওঠে? পুরা পৃথিবীর উপরে উঠে ওঠে না যত সম্পদের উপরে সূর্যের আলো পড়ে তার মানে রাসূল বলেছেন এগুলো যদি অন্য কেউ নিয়ে নেয় আর আমি যদি সকালবেলা সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার এই চারটা বাক্য উচ্চারণ করার তৌফিক পেয়ে যাই তিনি বলছেন আহাব্বুইলাহ এটা আমার কাছে বেশি প্রিয় অবশ্যই বাক্যগুলোর মান অনেক বেশি তাহলে আমরা এখানে তিন চারটা আমল পেয়ে গেলাম একটা হচ্ছে দোয়া করবেন বেশি বেশি দ্বিতীয়ত হচ্ছে যারা সিয়াম পালন করার সিয়াম পালন করবেন আর সারাটা দিন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার জিকিরে কাটাতে পারলে এটা সবচাইতে বেশি ফায়দাবান হবে।
তৃতীয় আসেন সময় যেহেতু দ্রুত চলে যাবে আমাদের এরপরের দিনটা হচ্ছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দিন সেটা হচ্ছে ইয়ামুন্ নাহার। আর আমাদের কাছে সেটা হচ্ছে কুরবানির দিন বা ঈদের দিন। সেটা হচ্ছে ১০ই জিলহাজ্। এই ১০ জিলহাজ্জ মানে দেখেন একটার উপর একটাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আপনি যদি ৩৬৫ দিনকে সিরিয়াল করেন তাহলে এক নাম্বারে পৌঁছে যাবে এই ১০ জিলহাজ্ মানে ইয়ামুন্ নাহার। কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার কাছে সবথেকে শ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে এটি। এই মর্মে কোরআনে একটু ইঙ্গিত করা হয়েছে। যেমন সূরা আল ফাজরের মধ্যে ১০ রাত বলতে ১০ই জিলহজ মাসের ১০ দিনের শপথ নেওয়া হয়েছে। তারপরের আয়াতটাই হল এটা। সেটা হচ্ছে জোর এবং বেজোরের শপথ।
এই জোর এবং বেজোর বলতে কি বুঝায়? এই মর্মে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমা থেকে একটা উক্তি হল আল আত হচ্ছে আরাফা জোরা হল ইম আজ মানে কুরবানর দিনকে বলা হয়েছে যেন ১০ তারিখে জোর না বেজো। ১০ তারিখ হচ্ছে জোর আর তারিখ হচ্ছে। তাহলে তাদের এই উক্তি মতে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা সূরা আল ফজরের মধ্যে জোর এবং বেজোর বলে ১০ তারিখ এবং নয় তারিখের শপথ গ্রহণ করেছেন। নয় আগে আসে না ১০ আগে আসে? এটা আল্লাহ যখন শপথ নিয়েছেন তখন কোন শব্দটা আগে বলেছেন? জোড়াটাকে আগে বলেছেন। তার মানে নয় এর চেয়ে ১০ এর মর্যাদা বেশি। তাই এগুলো হচ্ছে সূক্ষ বিষয় যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা নয় এবং ১০ তারিখের সম্মান দেখিয়ে শপথ নিয়েছেন।
আর আল্লাহ ওটার মর্যাদা আগে তুলে ধরেন যেটার মর্যাদা সবথেকে বেশি। তাহলে ১০ তারিখের মর্যাদা নয় তারিখের চেয়ে বেশি। কেন আমাদেরকে ১০ তারিখের মর্যাদা জানতে হবে? আজকে পৃথিবীর মুসলিম তার ঐতিহ্য ভুলে গেছেন এবং মুসলিম মুসলিমকে সম্মান করেন না। আজকে অধিকাংশ মুসলিম আমরা একে অপরকে সম্মান করি না। একে অপরের সম্পদকে হালাল মনে করি। মানে দুর্নীতি করে চুরি বাটপারি করে মিথ্যা বলে অন্যকে ঠকিয়ে এটা আমাদের নিজেদের সম্পদ গড়া এটা আমাদের জন্য একটা হালাল রূপ নিয়েছে আর অন্যের বদনাম করা এটা আমাদের কাছে এখন ডাল ভাত কিন্তু আপনি জেনে নেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার বিধানে একজন মুসলিমের মানসম্মান তার রক্ত তার ইজ্জত এটাকে এমনভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে পবিত্র ঘোষণা করা হয়েছে যেই পবিত্রতা রয়েছে এই ১০ই জিলহজের যেই পবিত্রতা রয়েছে কাবা ঘরের যেই পবিত্রতা রয়েছে জিলহজ মাসের আপনি ভুলে গেছেন হয়তো সে হাদিস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বিদায় হজের খুতবাতেই বলেছিলেন আশা আল্লাহ রাস রাসূ জিজ্ঞাসা করেছিলেন এটা কোন মাস কোন শহর কোন দিন তখন তার জবাবে সাহাবা কেরাম বলেছেন আল্লাহ তার রাসূ ভালো জানেন তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আলাইমু নাহার এটা কি কুরবানর দিন না তার মানে কুরবানর দিনের খুতবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম মিনার ময়দানে এই বক্তব্য দিয়েছিলেন।
হয়তো বড় জামারাতে পাথর মারার পরে দিয়েছিলেন অথবা তাওয়াফে ইফাদা যেটা সেটা হজের বড় তাওয়াফ করে মিনাতে এসে হয়তো বক্তব্য দিয়েছিলেন তখন তিনি এটা বলেছিলেন বিদাজের খুতবায় এক কথা এটা বলা হয়েছিল যে আলাইমু নাহার আলাইজিল আলাইসা এটা কি মক্কা নগরী বলদা শহর নয় বলছে নামবায়া রাসূল্লাহ এটা বলার পেছনে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে যখন বলে দেওয়া এটা কি মসজিদ না যখন ধরেন এখানে কথা বলতেছেন কেউ ময়লা ফেলতেছেন তখন আমরা গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে তাকে কি বলি অন্যায় এটা আগে বলি না আগে তার স্থানটার স্মরণ করিয়ে দিই এটা কি মসজিদ না তাহলে তোমরা এমন কেন করতেছো এটা কি তোমার বাপ মা না আমরা যখন উল্লেখ করে দিই কারণ মানুষ জানে তার বাপ মার মর্যাদা কি আল্লাহর ঘরের মর্যাদা কি এটা কি কোরআন না যখন বাচ্চারা ডিস্টার্ব করে আমরা কি বলি যে এটা কি আল্লাহর কালাম কোরআন না তার মানে আগে এটা উল্লেখ করা হয় কেন যাতে করে এর মর্যাদাটা তার স্মরণে চলে আসে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরা পৃথিবীর মানুষের কাছে এই তিনটা জিনিসের মর্যাদাকে আগে তুলে ধরেছেন যাতে তার সজাগ হয়। তারপরে বলেছেন আলাইকুম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একটা মুসলিমের রক্ত আরেক মুসলিমের উপরে। একটা মুসলিমের সম্পদ এবং মানসম্মান আরেকটা মুসলিমের উপরে। রকম হারাম যেমন হারাম সম্মানিত হচ্ছে এই কুরবানর দিন যেমন সম্মানিত হচ্ছে এই মক্কা নগরী যেমন সম্মানিত হচ্ছে এই হারাম মাস তার মানে হারাম মাসে অস্ত্র ধরা যায় না জায়েজ মানে আপনি জিহাদ করবেন আপনি হকের পথে আছেন কিন্তু হারাম মাস রয়ে গেছে আপনি অস্ত্র ধরতে পারবেন না তার মানে আপনাকে অস্ত্র নামিয়ে ফেলতে হবে তহলে একটা মুসলিম যখন আপনার সামনে আপনি হক পথে আছেন তারপরেও তার বিরুদ্ধে আপনাকে অস্ত্র ধরতে তাকে আঘাত করতে তার রক্ত রক্ত ঝরাতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে।
কারণ এটা মুসলিম। বর্ডার মানে বর্ডার চলে আসছে। মুসলিম মানে বর্ডার। একটা লোক মানে দ্বন্দ লেগে গেছে। যখনই সে দেখলেন তার পরিচয় মুসলিম। তার মানে এটা আমাদের রেড সিগনাল। এটা বর্ডার। এটা ক্রস করা যাবে না। কিন্তু আমরা বরং আমাদের অস্ত্র আমাদের হাত, আমাদের জবান সবচাইতে বেশি মুসলিমদের বিপরীত বিপরীতেই আমরা ব্যবহার করে থাকি। আমরা কয়জন কাফেরের কাফেরের সাথে দ্বন্দ করি? আমরা অধিকাংশ দ্বন্দ্বগুলো সব মুসলিমদের সাথে। আমরা কয়জন কাফেরের চুরি বাটপারি করে খাই? আমরা যা খাই সব মুসলিমদের সম্পদ। তার মানে আমাদের সবকিছু মুসলিমদের সাথে। তো এটাকে মাথায় রাইখেন। কারণ এই জিলহাজ্ মাসের এবং ইয়ামুন্ নাহারের মর্যাদা যে ব্যক্তি বুঝবে সেই ব্যক্তি মুসলিমের মান সম্মান রক্তের মান বুঝবে।
কিন্তু আমাদের নেতারাও বোঝে না। আমাদের জনসাধারণও বোঝে না যে একজন মুসলিমের রক্তের মান কি। বাংলার জমিনে কত কি ঘটে যাচ্ছে। একটা মানুষ নোংরামি করে ওইটাকে বড় করে দেখা হচ্ছে। কিন্তু ও যে একটা প্রাণকে হত্যা করেছে একতো কি করেছে রেপ করেছে আবার তাকে হত কোনটার বেশি একটা লোক জেনা করেছে এটা যদি সে বিবাহিত না হয় আর হত্যা করেছে অবিবাহিত হোক আর অবিবাহিত হোক হত্যার বদলে হত্যা আর যদি কোন বিবাহিত পুরুষ যে না করে তাহলে হত্যা তখন গিয়ে সমান হবে কিন্তু হত্যা হচ্ছে সবথেকে মারাত্মক পাপ একটা লোক যখন প্রমাণ হয়ে যাবে এ কাউকে হত্যা করেছে প্রমাণ যখন হয়ে যাবে আর বিচারের কোনরকম দেরি করা যাবে না প্রমাণ হওয়া পর্যন্ত শুধু অপেক্ষা করতে হবে প্রমাণ হয়ে গেলে আর একমাত্র তার অপেক্ষা করার অপশন নাই তাকে হত্যা করে দিতে হবে এটা হচ্ছে ইসলামের নীতি আর এটা যদি কোন রাষ্ট্রে না করা হয় তাহলে সেই রাষ্ট্রে হত্যার প্রবণতা বেড়ে যাবে
জেনার প্রবণতা বেড়ে যাবে ধর্ষণ বেড়ে যাবে দুঃখ লাগে আমাদের সমাজের মানুষদের মেন্টালিটি বিচার তখন কেন যেন মাঝে মাঝে মনে হয় আমাদের দেশের রাষ্ট্র প্রধানের মেয়েদের সাথে যদি এমনটা করা হইতো যদি আমাদের দেশের নেতা বড় বড় ব্রিগেডিয়ারের মেয়েদের সাথে যদি এমনটা করা হইতো আপনি দেখতে পাইতেন বাংলার জমিনটা বিচারটা কেমন হয় আজকে জনসাধারণের মানুষের সাথে যখন হচ্ছে না এইযে ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে যখন এমন করা হয় আমাদেরও তো ছোট মেয়ে আছে না আমরা তখন অনেক কষ্ট পাই আমাদের কোন ভাষা থাকে না এবং তখন শুধু আল্লাহর কাছে একটু আশ্রয় চাই যে আল্লাহ আমাদের সাথে আমাদের সন্তানদের সাথে যেমনটা করা না হয় আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কারণ এই দেশের পরিস্থিতিটা যখন তখন হয়ে যেতে পারে।
যখন কথা এ পর্যন্ত চলে আসছে আমরা তো আপনাদেরকে বড় কিছু দিতে পারবো না। তবে এতটুকু রিকোয়েস্ট করব কারণ প্রত্যেকের হাতে এন্ড্রয়েড সেট রয়েছে। প্রত্যেকে নিজের সন্তানদেরকে বেশি ভালোবাসেন। প্রত্যেকের সন্তান নিজের চোখে অনেক সুন্দর। অন্যের সন্তানের চেয়ে এজন্যই তো আপনি আপনার সন্তানকে সাজিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। আপনি অমুকে ছবি পাঠান। ছবি ফ্রেম করে রেখে দেন। এটা বাপ মার উচিত। তার মেয়েদের সৌন্দর্যতাকে সে ছোট হোক আর বড় হোক সেটাকে প্রদর্শনীতে না নিয়ে আসে। আপনি কি জানেন এই যে ছোট্ট একটা মেয়ে কি জন্য নাম ওরমিস। ওর যখন মিডিয়াতে যে ছবিগুলো পোস্ট করা হয় আপনি দেখবেন যেটাতে ওর মাসুমিয়াত ওই ছবি পোস্ট করা হয় না।
যেটা ম্যাচের ভাব দেখা যায় ডিজাইন হওয়া বা সুন্দর লাগা ওই ছবিটাকে পেশ করা হচ্ছে। একটা দর্শকের কাছে তো আরো অন্যভাবে পেশ করা হচ্ছে। লালাইত করে পেশ করা হচ্ছে। অথচ ওর বয়স মাত্র নয়। ওতো বাচ্চা মানে ম্যাচিউরড হয় নাই। ওর তো ওই ছবিগুলো দেওয়া উচিত ছিল। বা দেওয়াই দরকার কি ছিল? কিন্তু ওর এমন মৌসুমে ছবি পেশ করা হয় যেটা অন্যের আরো চাহিদা জেগে যায়। আমরা এটা ফিল করি। আমাদের বাচ্চা নয় নয় বছর। ওকে একটা একটা বাপ মার নজর কি জানেন? একটা বাপ মার নজর ১৮ বছরের মেয়েও বাপ মার কাছে ও নাবালক। নাবালিকা। ওর হচ্ছে আকলই হয়নি।
আমরা কি বলি আমাদের আকলই হয় নাই কিন্তু আমাদের এই মেয়ে নয় বছরের মেয়েটা অন্যের কাছে কিন্তু মেয়ে যুক্ত অন্যরা কিন্তু ওরা দুর্বল দেখতে পায় না বাচ্চা দেখতে পায় না ও দেখতে পায় সৌন্দর্যতা ও দেখতে পায় কুচি ও দেখতে পায় অনেক কিছু লালসার দৃষ্টিতে দেখে এইজন্য আমরা আপনাদেরকে বলি আমরা শেখদেরকেও আপনার বড় কোন ডাক্তার বা আত্মীয়স্বজন যেই হোক অনেক সময় আপনার বাসায় যখন যায় বা যাব আপনার মেয়েদেরকে কখনো সামনে নিয়ে আসবেন না যাদের সাত আট নয় বছর হয়ে গেছে বলবে না তোমার আঙ্কেল আসছে বা শেখ আসছে সালাম করে দে দরকারই নেই এইভাবে যখন অনেক পুরুষের সাথে ওকে ইন্ট্রোডিউস করে দেওয়া হয় তখন আস্তে আস্তে লজ্জাটা ভাঙতে থাকে কিন্তু কে কোন দৃষ্টিতে আপনি দেখতেছে আপনার দিকে সেটা তো আপনি বুঝতে পারবেন না এজন্য আপনার ড্রাইভার আঙ্কেল প্রতিবেশী দারোয়ান হুজুর সবার সামনে এভাবে উন্মুক্তভাবে পেশ করবেন না ওকে সুরক্ষার ব্যবস্থা আপনাকে করতে হবে এইভাবে মানে প্রতিবেশী পাশের বাসায় রেখে দিয়ে আপনি চলে যাবে মার্কেটে বা অমুক তমুক হসপিটালে না এটা মোটেও অকাম্য নয়।
এটাতে সবচাইতে বড় ইফেক্ট পড়ে। ক্রাইমগুলো এভাবে হচ্ছে। এজন্য নিজের পরিবারকে সেভ করার দায়িত্ব আপনাদেরকে নিতে হবে। এজন্য আমরা বলব ওই বিয়ে শাদীর অনুষ্ঠানে আপনার মেয়েকে শাড়ি পড়িয়ে আপনি ওইভাবে প্রদর্শনীতে পাঠাইয়েন না। এটা মোটেও কাম্য নয়। কারণ ওই সময় তাদের লোকটা ভিন্ন হয়। এটা যে কোন ব্যক্তির প্রভাব পড়তে পারে। যে কোন পুরুষের এবং ক্রাইম গুলো এমন হয়। আর যারা দুষ্ট তাদের আর মা বোন কি? অনেকে বলে না ওযে মহিলাগুলাই বলে যে আমরা আমাদের মত পোশাক পড়ি তাহলে তাদের কি না এটাতে বড় প্রভাব পড়ে পুরুষদের। কারণ মহিলাদের পোশাক আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা সেখানে আকর্ষণ রেখেছেন। অবশ্যই সেটা প্রভাব পড়ে।
এজন্য আমাদের উচিত আমাদের ঘরগুলোকে মেয়েদেরকে শালীন পোশাক পড়ানো এবং ভদ্রতার সাথে আপনি আচরণ শিক্ষা দেন। তারপরে এরপরেও যদি ক্রাইম হয় এই ধরনের ঘটনা ঘটে ওর বিচার একটাই যেমনটা সবাই দাবি করতেছে যে একে পিটিয়ে মেরে ফেলা হোক। আর যখন ও নিজে হত্যার সাথে জড়িয়েছে এখানে তো দাবি করবে কেন? এটা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। খুনিকে হত্যা করে দেও। এটা নৈতিক দায়িত্ব তার। আমরা সর্বোচ্চ বিচার কামনা করি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এই জুলুম থেকে আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমিন। তো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এই দিনগুলোর সাথে আমাদের রক্তের একটা খুব গাড়ো সম্পর্ক রেখেছেন। অবশ্যই মুসলিমদের মান সম্মানকে রক্ষা করে চলতে হবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই ইমেম নাহার এই কুরবানর দিনের মর্যাদা সম্পর্কে ব্যক্ত করেছেন। যেটা ইমাম আবু দাউদ রাহিমাহুল্লাহ তিনি তার কিতাবুল মানাসিকার মধ্যে একটা হাদিস এনেছেন ১৭৬৫ তে। আপনি পেয়ে যাবেন আব্দুল্লাহ ইবনে আনব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবারাকাতালা ইমু নাহমা নিঃসন্দেহে আল্লাহর কাছে মহান দিনগুলোর মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে কুরবানর দিন এবং তারপরের দুই দিন মানে ১১ এবং ১২ কারণ ১১ এবং ১২ তারিখ হচ্ছে আইয়ামে তাশরিক আমরা অধিকাংশ মানুষ ঈদের বাহানায় ঈদের নামে আমরা রং তামামসা করে কাটাই কিন্তু আপনি লক্ষ্য করে দেখেন এই দুই দিন মিনার ময়দান একদম স্তব্ধ থাকে সেখানে শুধুমাত্র জিকির আসার জন্য। এইজন্য আল্লাহর কাছে এই দুইটা দিন অত্যন্ত প্রিয়।
এজন্য আমরা দেখবেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে অতিরিক্ত যে তাকবীর যে তালবিয়া বা তাকবীর পাঠ করার যে বিধান এটা কি ইঙ্গিত করে আল্লাহকে স্মরণ করার জন্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত বাংলার জমিনে আমরা সৌভাগ্যবান এক হিসেবে মুসলিম রাষ্ট্র বা মুসলিম দেশ হিসেবে। অপরদিকে আমাদের দুর্ভাগ্য হচ্ছে আমাদের নেতাগুলা ব্যবসায়ীগুলা এরা হচ্ছে ফুজ্জার হয়ে উঠবে কেয়ামতের মাঠে যে আপনি হাটগুলার দৃশ্য দেখেন যেখানে আল্লাহর জিকির হওয়ার কথা সেখানে তারা সারা ২৪ ঘন্টা গান বাজনা ঠাট্টা মশকারি টিটকারি টিকটক আর পালা গান অমুক তমুক বাজিয়ে জারি গান এগুলো নিয়ে ওই মাঠকে গরম করে রেখেছে তারা টাকা কামানোর জন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার নাম একবার উচ্চারণ করে তারা বিভিন্ন ছবির গান এই হাটগুলোতে বাজিয়ে রাখে।
অথচ তারা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে এই পশুগুলোকে আল্লাহর জন্য কুরবানী করা হবে। কিন্তু তারা ব্যক্তিরা এই হাট যারা ডাকে যারা ব্যবসায়ীরা তারা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার জন্য তেমন কিছুই করে না। বরং এখানেও তারা ফায়দা নেয়ার জন্য এই হাটের ব্যবস্থা করে থাকে। অথচ এটা জিকিরের সময়। আল্লাহকে স্মরণ করার সময়। এই পশুগুলোকে খেলতামসার জন্য তো আল্লাহ সুবহানাহুতালা সৃষ্টি করে নাই। এটা তো ওই যে হিন্দুদের পাঠার বলি না যে ওদের গান বাজনার মাধ্যমে এগুলাকে উৎসর্গ করা হবে। বরং এখানে আল্লাহর নামের সাথে এগুলাকে জবাই করা হবে। কিন্তু মানুষের অন্তর কাঁপে না। যদি আজকে ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের মত আমাদেরকে বলা হইতো আমাদের সন্তানদেরকে কুরবানী করতে আর হাটে বাজারে যদি আমাদের সন্তানদেরকে বিক্রি করা হইতো তাহলে মুসলিম জাতি বর্তমান এতটা অধঃপতনে পৌঁছে গেছে।
ঠিকই সে তার সন্তানকে এই মিউজিক গানবাজনার মাধ্যমে বিক্রি করতো। তার মোটেও অনুতপ্ত হতো না মনে হচ্ছে। মোটেও হতো না। কিন্তু ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের কলিজা ফেটে গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের ফাটেন কারণ আমরা তো আল্লাহ সুবহানাহুও তাালার সন্তুষ্টির জন্য তো কিছুই করি না বরং আমরা যা করি সব পেটের জন্য এজন্য সতর্ক সাবধান হন আমাদের নেতাদের উচিত এদেরকে রোখে দেওয়া সেখানে নেশা সিগারেট গান বাজনা সব চলতেছে সেখানে নামাজ নাই জিকির নাই যারা গরুর ব্যবসায়ী গরুর হাটে যারা বসে কয়জন লোক সালাত পড়তে পারে আপনি মনে করেন তারা সারাক্ষণ এগুলো নিয়ে আছে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুতাালার জিকিরকে ভুলে গেছে অথচ নামাজ তার উপরে ফরজ আল্লাহ সুবহা সুবহানাহু তায়ালা এদেরকে হেদায়েত দান করুন।
আমিন। তো কুরবানির দিন সবথেকে মর্যাদাপূর্ণ দিন। এই দিনের মর্যাদাকে রক্ষা করে চলার চেষ্টা করেন। এই দিনের আরেকটা বড় পরিচয় হচ্ছে এটা হলো আমাদের জন্য ঈদের দিন। ঈদ মানে কি? আমি প্রত্যেকটা বিষয়ে ছোট ছোট করে টাচ দিচ্ছি। ঈদ মানে হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দুই রাকাত নামাজকে ঈদ বলে ঘোষণা করেছেন। ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লাহ তিনি তার ঈদাইনের কিতাবের মধ্যে পর্ব করেছেন। যার ঈদের সালাত ছুটে যাবে তার জন্য উচিত এক্সট্রাভাবে নিজের নিজে নিজেই দুই রাকাত সালাত পড়ে নেওয়া। তার দুই রাকাত সালাত ছেড়ে দেওয়া উচিত না। কারণ হলা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম আহ ইসলাম। এই দুই রাকাত নামাজই হল মুসলিমদের বলতে দুই রাকাত নামাজকে বোঝানো হয়েছে।
এজন্য এটাই যদি ছুটে যায় তার মানে আপনার ঈদ শেষ। এজন্য প্রত্যেকটা মুসলিমকে এই দুই রাকাত সালাতের মাধ্যমে ঈদ মানে আনন্দ উদযাপন করতে হবে। এটাই আমাদের আনন্দ। অপরদিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আরেকটা শব্দ হল তিনি বলেছেন এটা হচ্ছে খাওয়া এবং পান করার দিন। এই দিন। এটি আমাদের আনন্দ। নিজে খাবেন, অন্যকে খাওয়াবেন। নিজে পান করবেন। অন্যকে পান করবেন। ল্লাহ আজজাল আর এটা হচ্ছে আল্লাহকে অধিক মাত্রায় স্মরণ করার দিন। কিন্তু আজকে আমরা দেখেন খাওয়া-দাওয়া ঠিকই নিয়েছি। কিন্তু যে আল্লাহকে অধিক মাত্রায় স্মরণ করা এই শব্দটা শুধু নেইনি। মানে আমরা খাদ্য নিয়েছি, পানিও নিয়েছি, আনন্দফুর্তি নিয়েছি। কিন্তু আল্লাহর স্মরণটাকে নেইনি।
বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ঈদ মূলত আল্লাহকে স্মরণ করার দিন। এটা ইমাম আবু দাউদ কোড করেছেন। ২৮১৩ তে আপনি পেয়ে যাবেন। ঈদের দিনের কিছু কাজ যেটা আজকের খুতবার পরেই ঈদ চলে আসবে আগামী খুতবার আগেই। এজন্য আপনাদেরকে সেটা জানতে হবে। অত লম্বা চোড়া কিছু বলবো না। যেমন আমাদের সমাজের কিছু বাতিলপন্থী আছে যারা নেটে অনেক প্রচার করে। মহিলাদেরকে অনেক আমল শিক্ষা দেয়। তাদের জন্য বলতেছি ঈদের রাতের বিশেষ কোন আমল নাই। চার রাতের দিন তারা ওযে গোসল করে কয় রাকাত নামাজ যেন পড়ে বা কি যেন পড়ে এই সম্পর্কে সহিহ কোন বর্ণিত হাদিস নাই। মানে ঈদের রাতের বিশেষ কোন ফজিলত বর্ণিত সহি বর্ণনাতে আসে নাই।
অতএব এই ধরনের কেউ কিছু বললে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না। ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে আমরা একে অপরকে কি কিছু করতে পারি? বলতে পারি এ সম্পর্কে যেটা আমরা পেয়েছি সেটা হচ্ছে একটা শব্দ। তাকাব্বাল্লাহুমিনাকুম। এই যে শব্দটার বহুল প্রচলন আমাদের সমাজে আমরা করে থাকি এই সম্পর্কে কি আছে? এই সম্পর্কে স্পষ্ট কথা হচ্ছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সম্পর্কযুক্ত কোন সহিহ হাদিস পাওয়া যায় না। মানে এটা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত নয়। তবে পরবর্তীতে আদহাম। মাওলা ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ।
ওমর ইবন আব্দুল আজিজ যাকে প্রখ্যাত তাবি মানে যাকে পঞ্চম খলিফা হিসেবেও ঘোষণা করা হয়েছে এত নিষ্ঠাবান তাবি তিনি ছিলেন তার আজাদকৃত মাওলা তিনি বলতেছেন আব্দুল আজিজ আমরা দুই ঈদের সময় তিনি যে বাদশাও ছিলেন তাকে আমরা ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে বলতাম তাকাব্বাল্লাহুমিনা আমিরল মুমিনিন হে আমিরল মুমিনন আপনার আমাদের আল্লাহ এই সব কাজগুলো কবুল জবাবে আলাইনা তিনি আমাদের জবাব দিতেন তিনিও বলতেন তাকাব্বাল্লাহুমিনা আলাইনা তিনি আমাদের উপরে অসন্তুষ্ট হতেন না মানে এটা যে আমরা সুন্নতের খেলাফ বা ইসলামের বহির্ভূত কোন কাজ করে ফেলতেছি এই সম্পর্কে কোন অনীহা পেশ করেননি বরং তিনিও জবাব দিতেন হাদিস আর একটা বর্ণনা এমন এসেছে মারফন মানে যেটা রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললামের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে তিনি বলছেন কারা এটা অপছন্দ করতেন এটা রাসের হাদিস না আর এটা এই মর্মে কোন সহীহ কিছু বর্ণিত হয় নাই এ কথাগুলো আপনি সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক ৬২৯৬ তে পেয়ে যাবেন তবে আহমদ ইবনে হাম্বল রাহমাহুল্লাহ থেকে দুইটি উক্তি পাওয়া
যায় আল মুগনি ইবনে কোদামা ইবনে কোদামা রাহমাুল্লাহর কিতাব আল মুগনিতে আপনি সেটা পেয়ে যাবেন ১৪৪০ এ তাতে আছে ইমাম আহমদ রাহমাহুল্লাহ তিনি বলেন কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে দোয়া এভাবে বলে এতে কোন মানে বাধা নাই লাবাস কোন সমস্যা নাই যদি কেউ বলে এটা তার একটা উক্তি এবং তার থেকে আরেকটা উক্তি পাওয়া যায় যেহেতু তিনি বিজ্ঞ তিনি বলতেছেন লাতাহ তবে এটা যেন কেউ শুরু না করে তার মানে এটা আমি আর আপনাকে উৎসাহিত করা হয়নি।
মানে আমি আর আপনি ওই ফেসবুকে স্ট্যাটাসে সকালবেলা বিকালবেলা নিজে থেকে শুরু করবো না দেখা হইছে আর বলবেন তাকাব্বাল্লাহ মিন্না মানে এটা আমি আর আপনি শুরু করব না তবে আপনাকে আমাকে যদি কেউ বলে তাহলে জবাবে আপনি বলতে পারেন কিন্তু আপনি আর আমি এটাকে প্রচলন ঘটাবো না যে এটা বলতে হয় বা এটা সুন্নাহ বা এটা মনে নিয়ম না এটা নিয়ম না যদি কেউ আপনাকে বলে তাহলে আপনি উত্তর দিবেন এটা তিনি উল্লেখ করেছেন। আর ঈদের দিনে আমাদের সমাজে যেটা করা হয় ঈদের সালাতের পরে সালাম ফিরানোর পরে দাঁড়িয়ে আবার কোলাকুলি করে এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার।
এটা ইসলামের জায়েজ নাজায়েজ সাথে সাথে যায় না। এটা হচ্ছে আমাদের দেশে চলে আসতেছে। কোত থেকে আসলো এটার কোন হদিস নাই। মানে এটা আবেগ দিয়ে মানুষ করে। এটাকে যদি আপনি সুন্নাহর দিকে নিয়ে যান তাহলে মোয়ানাকা করা। করা মানে কাধের সাথে কাদ। ডান কাধের সাথে ডান কাতটা জড়া দিবেন। কিন্তু আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষ ফোলাফুলি করে তাও আবার বাম দিক থেকে। দেখবেন যে আগে বাম কাত মিলায় তারপর ডান কাত মিলায় আবার এরকম তিনবার শুরুই করে বাম দিক থেকে কেন যেন তারা ডানপন্থী হইতেই চায় না তো শুরু করবেন ডানদিক থেকে শুধু একবারে কে করবে যার সাথে আজকে প্রথম সাক্ষাৎ হইল সে করবে যেমন আমরা মাঝে মাঝে করে থাকি কিন্তু ঈদের দিন একই ঘর থেকে বের হলেন বাপ বাপ ভাই চাচা ভাতিজা কিন্তু ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কোলাকুলি করেন ঈদের দিন ঈদের সালাতের পরে কোলাকুলি করে না এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার তো এই ব্যাপারে কোন দিক নির্দেশনা নাই এটা আপনারা ছেড়ে দেওয়াটাই বেটার হবে।
সালাম বিনিময় করা যেতে পারে। আচ্ছা ঈদের ঈদের সালাত এবং ঈদের সালাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পুরুষেরা তো যাবেনি। এই ক্ষেত্রে আমাদের মেসেজ থাকবে আমাদের নারীদের জন্য। অবশ্যই আপনারা ঈদের সালাতে উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করবেন। নাপাক অবস্থায় হলেও আপনি উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করবেন। এটা সম্পর্কে পরিণত আছে। নাপাক অবস্থায় কি করবেন? নামাজ তো পড়বেন না কিন্তু ঈদগাহে যাবেন। যদি যেখানে খুতবা শোনার মত ব্যবস্থা থাকে পাশে যদি আলাদা কোন কক্ষ থাকে তারা আলাদা কক্ষে বসবে খুতবা শুনবে তাকবীর শুনবে কিন্তু নামাজ পড়বে না। দোয়া শুনবে দোয়া করবে বসে বসে। এটার জন্য আসবে। আর ঈদগাহ হলে একবারে প্যান্ডেলের পেছনে তাদের জন্য জায়গা করে দেওয়া হবে আলাদা।
তারা সেখানে এসে বসবে। যারা হায়েজ অবস্থায় নিফাস অবস্থায় আছেন। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে পর্যন্ত ঈদগাহের মাঠে আসতেই শুধু বলে নাই তাদেরকে নিয়ে আসতে বলেছে এই মরমে বহু কথা আছে ইমাম বুখারী রাহমা্লাহ তিনি পর্ব করেছেন এটাকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন বাবলা জিলবা ঈদের দিনে যদি বাইরে বের হওয়ার মত কারো পর্দা করার জিলবাব না থাকে তাহলে সে কি করবে এই পর্বে এনেছেন যে সে অন্যের কাছ থেকে ধার করে হলেও একটা ওই দিনের জন্য যাতে ঈদগাহ উপস্থিত হতে পারে সে ধার করে নিয়ে আসবে ইমাম বুখারী রাহমা্লাহ তার ইদ ১৩ নাম্বার অধ্যায়ের ২০ নাম্বার পর্বে আপনি এটা পেয়ে যাবেন এবং এই ক্ষেত্রে তিনি হাদিস কোট করেছেন যে একজন মহিলা বললেন ইয়া রাসল্লাহলা আমাদের কারো যদি জিলবাব না থাকে এজন্য যদি আমরা ঘর থেকে না বের হই এটা কি আমাদের কোন অপরাধ হবে মানে এটা কোন বড় ধরনের ত্রুটি তখন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন জিলবাবিহ বরং তোমার
উচিত অন্যের কাছ থেকে ধার করে হলেও তুমি এটা নিয়ে আসো এতটা গুরুত্বের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশ করেছেন ইমাম বুখারী রাহমা্লাহ ৯২৭ নাম্বার হাদিস আপনিটা পেয়ে যান এবং তিনি আরেকটা অধ্যায় কায়েম করেছেন ১৫ নাম্বার পর্বেলা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ করেছেন যে মহিলারা এবং কে হায়েজওলা মহিলারা পর্যন্ত ঈদগাহের ময়দানে আসবে। এর হিকমা কি? কেন তাদেরকে এতটা গুরুত্বের সাথে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মুসলিমিন। যাতে করে তারা কল্যাণের মধ্যে অংশ নিতে পারে এবং মুসলিমদের দোয়াতে অংশ নিতে পারে। তার মানে ঈদের সালাত হচ্ছে মুসলিমদের জন্য কল্যাণ। ঈদের সালাত হচ্ছে দোয়া করার জায়গা।
এজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তারা তাতে অংশ নেবে। এবং আরেকটা হাদিস আমরা পাই যে ঈদের দিনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদের কাছ থেকে দান নিয়েছিলেন। তার মানে মহিলারা সেইদিন দান করবে। এটা একটা বড় কল্যাণকর এবং এটা ঈদগাহের এবং মুসলিম মুসলিমদের মসজিদের বড় কল্যাণ হয়। কারণ মহিলারাও দান করতে পারে। আর এটা একটা তাদের খাত। এইজন্য তাদেরকে সেখানে নিয়ে আসতে হবে। এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আরেকটা শব্দ হচ্ছে ৯৭১ এ তারা আমাদের সাথে তাকবীর পাঠ করতে পারবেনাদহ এবং তারা আমাদের দোয়ার সাথে অংশ নিতে পারবে আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম চেয়েছেন এই দিনের পবিত্রতা এবং বরকত যেন তারা প্রাপ্ত হয় এজন্য তাদেরকে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে এই মর্মে ইমাম বুখারী রাহমাহুল্লাহ হাদিস ব্যক্ত করেছেন।
তো এজন্য আমরা আমাদের মহিলাদেরকে বলব অবশ্যই আপনি ঈদের ময়দানে আসার চেষ্টা করবেন বা মসজিদে যদি ব্যবস্থা থাকে অবশ্যই মহিলারা সেখানে আসবেন। এমনকি যেমনটা বলা হয়েছে যদি অপবিত্র অবস্থায়ও হয় তাহলে আপনি মুসল্লা থেকে দূরে আলাদা বসবেন। তারপর আপনাকে আসার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উৎসাহিত করেছেন। তারপরে আমাদের মূল কাজ হচ্ছে কুরবানি। কুরবানি সম্পর্কে আমরা অত ডিটেলস কিছু বলবো না। যেহেতু আপনারা এই সম্পর্কে যথেষ্ট কিছু জানেন। শুধু এতটা বলব বাড়াবাড়ি নয়। কুরবানি হচ্ছে সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। এটা কারো উপরে ফরজ করা হয়নি। অধিকাংশ মানুষগুলো মাযহাবী বক্তা যারা বা অধিকাংশ মানুষগুলোকে তারা এর ভিত্তিতে যে ফতোয়া দিয়ে থাকে যে অনেক মানুষকে পেরেশান করে ফেলেছে যে যার কতটুকু স্বর্ণ হলে কুরবানি তাকে করতে হবে।
কুরবানির সাথে স্বর্ণের কি সম্পর্ক? কোরবানির সাথে নিসাবের কি সম্পর্ক? কুরবানর সাথে কোন সম্পর্ক নাই। যে দিবে তার নেকি। যে দিবে না তার নেকি নেই। কিন্তু তার কোন পাপ হবে। এর কোন গ্যারান্টি নেই। কেউ বলতে পারবে না যে তার কোন পাপ হবে। তাহলে যেই জিনিস না করলে কোন পাপ নাই। এটা তো ফরজ না আপনার উপরে। বরং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন? এবং তোমাদের মধ্যে যেই ব্যক্তি কুরবানি করতে ইচ্ছুক। তার মানে ইচ্ছা কি ফরজ হয়? ইচ্ছা হচ্ছে সুন্না বা নফল।
অতিরিক্ত আপনি সামর্থ্যবান হলে যতটা পারেন আপনি আল্লাহর জন্য কুরবানী করবেন তাহলে আপনি নেকি পাবেন কুরবানি করবেন না নেকি পাবেন না সোজা হিসাব কিন্তু এটাকে ফরজ ওইভাবে বলা হয়নি তারপরও এই মর্মে এটা সাহাবায়ে কেরামদের যুগ থেকে অনেকের দ্বিধা ছিল তারা জানতে চেয়েছিলেন যে কুরবানি কি আমাদের উপরে ওয়াজিব ফরজ কিছু এ সম্পর্কে আব্দুল ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুমাকে প্রশ্ন করা হয়েছে এবং তিনি জবাবে বলেছেন হিয়া সুন্নাতুন মারুফাতুন এটা হচ্ছে প্রসিদ্ধ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ এটা ইমাম বুখারী রাহমাহুল্লাহ তার কিতাবুল আদাহী ৭৩ নাম্বার পর্ব করেছেন। এক নাম্বারই আপনি এই পর্বটা পেয়ে যাবেন। এবং ইমাম তিরমিজী রাহমা্লাহ তিনি ১৫০৬তে একটা উল্লেখ করেছেন যে আজ এর উপরে আমল করেছেন বিজ্ঞরা নিঃসন্দেহে কুরবানি ওয়াজিব নয়।
এটার উপরে বিজ্ঞ বিজ্ঞরা আমল করেছেন ওয়ালাকিন্নাহা সুন্নাতুন মিন সুনানি রাসূলিল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বরং এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত গুলোর মধ্য থেকে একটি সুন্নাহ এ ভাষাটা আপনি পেয়ে যাবেন ইমাম তিরমিজী রাহমা্লাহ ১৫০৬ নাম্বারে উল্লেখ করেছেন। ওখানে আরো কিছু কথা আছে দেখে নিবেন। আর কুরবানি দেয়াকে যারা ওয়াজিব বলেছেন তারা একটা আসারের ভিত্তিতে বলেছেন। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু তিনি বলেন কলা রাসূুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ব্যক্তি সামর্থ্যবান অথচ কুরবানি করল না তাহলে তারা যেন ঈদগাহ না আসে এই যে ধমক এখন এই ধমকটা কি রাসূ সাল্লাল্লাহু সলামের পক্ষ থেকে না সাহাবায়ে কেরামদের পক্ষ থেকে এটা নিয়ে একটু মতানৈক্য রয়েছে এবং বলা হয়েছে যে এই হাদিসের বর্ণনায় আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়াশ তিনি হচ্ছেন দুর্বল রাবি।
তাকে ইমাম আবু দাউদ এবং ইমাম তিরমিজী ইমাম নাসাই তাকে দুর্বল বলেছেন এই আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়াশকে। এজন্য এটাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের হাদিস হিসেবে গণ্য করা যাচ্ছে না। তবে এটা আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু পর্যন্ত বলা হচ্ছে যে সহি এটা নেওয়া যেতে পারে। তো যদি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুর উক্তি হয়ে থাকে তাহলে এটা হবে একটা ধমক। যে ওই ব্যক্তিদেরকে ধমক দেওয়া হয়েছে যাদের সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তারা কুরবানী করলো না। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম পেঁয়াজ রসুন হালাল হওয়া সত্ত্বেও ধমক দিয়েছেন। যারা এই কাঁচা দুইটা জিনিস খাবে তারা যেন আমাদের মসজিদে না আসে। কিন্তু ওগুলো কি হারাম ঘোষণা করা হয়েছে? কোন ফিকার কিতাবে আছে? পেঁয়াজ রসুন খাওয়া কি হারাম? না।
কিন্তু অপছন্দনীয়। ওটা কাঁচা অবস্থায় খেয়ে মসজিদে আসতে রাস নিষেধ করেছেন ঠিক ওইটা ধম। যে যেই ব্যক্তি কুরবানি করলো না সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সে যেন আমাদের সীমানায় না আসে। এইভাবে ধমক দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এটা ওয়াজিব বা ফরজ সাব্যস্ত হয় না। আর স্পষ্ট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এমন কোন বর্ণনা নাই। বরং তিনি ইচ্ছা শব্দটাকে ব্যক্ত করেছেন। আমরা এদিকে যাবো না। তবে এর গুরুত্ব সম্পর্কে এতটা বলতে পারি। আপনি ভুলে যেয়েন না। আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য একজন তিনি তার সন্তানকে জবাহ করে দিতে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলেন। এবং আরেকজন আল্লাহর বান্দা তিনি নিজেই কুরবানি হয়ে যেতে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলেন কে সে ইসমাইল আলাইহিস সালাম তিনি শুয়ে গিয়েছিলেন বলছেন যে আপনি করেন যে আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন আপনাকে যে আদেশ করা হয়েছে আপনি করেন ইনশা আল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্য ধারণকারীদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন।
আমি দ্বিমত করবো না। নিজেই শুয়ে গেছে যে সে কুরবানি হয়ে যাবে। আর আজকে আমাদের কাছে টাকার মূল্য এত বেশি বেড়ে গেছে যে আমরা ইবাদতের ক্ষেত্রে শুধু এগুলা বনি। অথচ আপনি জানেন আপনার হাতের সেট মোবাইল সেটটা এটা ৫০ ৬০ ৭০ এক লাখ টাকা দামে। আমি আশ্চর্য হয়ে গেছি। মানে কথার প্রেক্ষিতে কথা আসে। এই যে সেটটা গত একদিন আগে আমাদের একদিন ভাই দিয়েছেন ভিডিও রেকর্ড করার জন্য। এটার দাম ১ লাখ ২০। আমি হাতে নিয়ে দেখি সুবহানাল্লাহ। এটার কি কাজ আমাদের? এটার জন্যে মানুষ নাকি কিডনি বিক্রি করে দেয়। এটার জন্যে হামতাম এত কিছু এটার জন্যে চুরিদারি কেন? কি কাজ আপনার? এটা দিন।
একদিন দুইদিন ভালো লাগবে তারপরে শেষ। অথচ আপনার হাতের সেট ২০ ৫০ ৩০ হাজার টাকা দামের। অথচ একটা খাসির দাম মাত্র ২০ হাজার টাকা। আর আপনি সেটা আল্লাহর জন্য বছরে একবার সেটা আপনি দিতে পারেন না। অথচ আপনি দুই তিন বছরে কয়েকটা সেট চেঞ্জ করে ফেলতেছেন না। আপনার অন্তরকে আগে সজাগ করেন। আল্লাহ সুবহানাতালা বলেছেন যেই ব্যক্তিকে তার অন্তরের কারপণ্য থেকে মুক্ত করা হয়েছে এই ব্যক্তি হচ্ছে সফল কাম। আর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম যার ঘরে চুলা জ্বলত না তিনিও প্রতিবছর দুইটা করে বকরি জব করত। আর যখন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা তাকে বিজয়ী দান করেছেন তিনি একাই ১০০ উট কুরবানি করে দেখিয়েছে।
এটাকে বলা হয় সচ্ছলতা। এটা হচ্ছে অন্তর উন্মুক্ত হওয়া। কিন্তু আমাদের কেন অন্তর মরে যাচ্ছে? যেখানে হিন্দুরা আজকে গরু জন্ম করতে নিষেধ করে দেওয়া হচ্ছে। আর আপনি মুসলিম আল্লাহর জন্য কুরবানি করবেন। অথচ আপনি কত তালবাহানা করতেছেন? না। ইবাদতের সিজন চলে আসবে। আপনি কি মনে আছে? আপনি অনেক ভালো ভালো কাজ করেছেন কিন্তু ভুলে গেছেন। ঠিক এরকম করে নেন। আপনার ব্যাকাপটা হয়ে যাবে। টাকার যে ঘাটতিটা দেখবেন যে মিশে গেছে। ঘাটতি মনে হবে না। কিন্তু এই কুরবানির নেকি কি জীবনে আর ফেরত পাবেন? পাবেন না। এজন্য এটাকে খেলতাম সারা বিষয় না। হাসি ঠাট্টা তামাশার বিষয় না। অবশ্যই এটার মধ্যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা কল্যাণ রেখেছেন।
আর যারা কুরবানি করবেন তাদের জন্য নসিহ শুধু একটাই। কুরবানি যদি আল্লাহর জন্য হয় তাহলে সেটা আল্লাহ যেভাবে সন্তুষ্ট হবে আপনি সেই কাজটা করে দেখেন। আর আল্লাহ সুবহানাহুতালা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন তোমাদের পশুর রক্ত গোসত কিছুই কিন্তু বান্দা আমার কাছে পৌঁছে না। পৌছবে শুধু তোমার অন্তরের ভিতরের যে চিন্তাটা আছে সেটা। আল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন। এজন্য আমি মনে করি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে পারলেন কি পারলেন না এটা বুঝতে পারবেন। যদি আপনার কুরবানর পশুর ভিত্তিতে আপনার এলাকার ফকির এবং আত্মীয়স্বজনরা যদি খুশি হয়ে যায় আপনার প্রশংসা যদি করে এমন কিছু কাজ যদি করে দেখাইতে পারেন তো ধরে নেন হয়তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা সন্তুষ্ট হবেন।
কারণ আত্মীয়স্বজন যার বিহে সন্তুষ্ট হয় না তার উপর আল্লাহ কিভাবে সন্তুষ্ট হবেন। এজন্য এটাকে রক্ষা করে চলার চেষ্টা করবেন। আর যেহেতু অধিকাংশ মানুষ এই কয়েকদিনের মধ্যেই পশু কিনবেন। পশু কিনার জন্য আপনি হালাল টাকাকে প্রাধান্য দিবেন এবং উত্তম পশুটাকে প্রাধান্য দিবেন। উত্তম পশুটা কেমন হইতে হয় এই সম্পর্কে কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুতালা যে বলেছেন নিশ্চয়ই যেই ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শন গুলোকে মূল্যায়ন করে এটা হল তার অন্তরের ভয়। আল্লাহর তাকওয়ার যা আছে এটার প্রমাণ। এই আয়াতের তাফসীরে আব্দুল ইবনে আব্বাস বলতেছেন এটা যখন পশুর ক্ষেত্রে ফিট করা হবে তাহলে অর্থ হবে আলস আইসতেসমান তার মানে এটা হবে চর্বিওয়ালা মোটাতাজা এবং বড় তার মানে আপনি আপনার সামর্থ্যর মধ্যে চর্বিওয়ালা হিষ্টপুষ্ট বড় মোটাতাজা দেখে আপনি পশু কিনবেন শুধু বড় দেখবেন না যে লাখ টাকায় এই গরুটা পাওয়া গেলে এটা বেশি মাংস হবে কিন্তু দেখতে ভালো দেখা যায় না।
পেট বেড়ে গেছে, হাড্ডি বেড়িয়ে গেছে। না এই ধরনের পশু আপনি কুরবানী করার জন্য নিবেন না। চুজ করবেন সবচাইতে সুন্দর এবং মোটা তাজা। এখানে গোস্তটা মুখ্য না। মুখ্য হচ্ছে সৌন্দর্যতা। মানে নিখুত। যেটাতে রোগ মুক্ত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্টই বলে দিয়েছেন যে এই এই ত্রুটি মুক্ত হইতে হবে পশু। এটা সবসময় সবাইকে সজাগ করে দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরে আমাদের মুসলিম অসাধ কিছু ব্যবসায়ী আছে। সে যেই গরুর দাঁতে নাই। আশ্চর্য হয়ে গেলাম নেট।
এই নেট দুনিয়া আমাদেরকে যা দেখালো অথচ আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা সেটা সাত আকাশের উপর থেকে দেখতেছেন কি মনে করেন আমরা জানতাম যে মানুষের দাত ক্যাপিং করা হয় এখন দেখি পশুর দাত ক্যাপিং করা হয় বঝেন এক দেড় বছরের গরু সামনে দুইটা আলগা দাত নাকি বস দেয় ব্যবসায়ী কোন পর্যন্ত পৌছে গেছে না আল্লাহ এদেরকে হেদায়েত দান করুন হাসবিল্লাহতো কিভাবে আপনি পশুর নির্ণয় করবেন তারা বল আমরা পশুকে মোটাতাজা করতাম বিলমাদিনা মদিনাতে আমরা পশুকে মোটাতাজা করতাম কুরবানর পশুগুলোকে বিশেষ করে আ রাদিয়াল্লাহু তিনি বলেন আমি তো ত্রুটিমুক্ত পশু দেখতামই উপরন্ত আমি কোনটাকে প্রাধান্য দিতাম এমনকি আমি চোখ এবং কানকে খুব গুরুত্বের সাথে বেছে নিতাম কান কাটা ফাটা ছোট এগুলো আমি কুরবানি করতাম না যেটা কুরবানর জন্য শর্ত না কিন্তু সৌন্দর্যতার ক্ষেত্রে তিনি কানকে পর্যন্ত লক্ষ রাখতেন আলী রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু থেকে এমনটা উক্তি পাওয়া যায় যেটা ইবনে মাজা তিনি ৩১৩৪ এবং তিরমিজীতে হাদিসটি ১৪৯৮ তে উল্লেখ করেছেন এবং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম বলেছেন
কুরবানির জন্য যথেষ্ট হবে না আরেকটা শব্দ হচ্ছে লাতা জায়েজ হবে না চার ত্রুটি থাকলে চারটার কোন একটা সেটা কি একটা হল চোখে দেখেন আলা চোখে দেখে না বা ট্যাগা বা কানা মানে দেখতেই পাচ্ছেন আপনি স্পষ্ট প্রমাণ হয়ে গেছে যেটা চোখে দেখতে পায় না এমন পশু কুরবানি করবেন না অলমারিদ এমন অসুস্থ যেটা ফেনা বেরিয়ে যাচ্ছে মাত্রা অতিরিক্ত জ্বর বা মরে যাবে পেট ফুলে গেছে এই ধরনের পশুকে আপনি কুরবানী হিসেবে পেশ করতে পারেন না চতুর্থ তৃতীয় হচ্ছে আরজা যেটার পা খোরা মানে হাটতে পারে না একটা হচ্ছে ব্যথা পেয়ে ব্যথা পাইছে সেটা ভিন্ন জিনিস কিন্তু পাটাই নষ্ট হাটতে পারে না এমন পশু আপনি কুরবানি করবেন না আরেকটা হচ্ছে যেটা সেটা হচ্ছে তিরমিজিতে ১৪৭ তে পেয়ে যাবেন।
তো যতগুলো কথা বলেছি আল্লাহ তুমি আমাকে এবং আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে মেনে চলার তৌফিক দান কর। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আসসালাতু আসসালামু আলা আশরাফিল আম্বিয়া। মুরসালিন নাবিনা মুহাম্মাদিন ওয়ালা আলিহি ওয়া সাহবিহি আজবাদ যারা শেষে এসেছেন আমরা তাদের জন্য এতটুকু রিপিট করি সেটা হচ্ছে এটা এখন সবচাইতে শ্রেষ্ঠ দিনগুলো চলতেছে যতদূর সম্ভব ভালো কাজগুলো করার চেষ্টা করতে হবে আর ২৬ তারিখ হচ্ছে ইওমে আরাফা আমাদেরকে সেই দিনের সিয়াম রাখতে হবে যদি কোন কারণে আপনি ২৬ তারিখ রাখতে না পারেন আমাদের দেশে যেহেতু ২৭ তারিখও রাখবে আপনি অন্তত সেই দিনটা রাখবেন মানে রাখবেন একটা রাখেন নেকি আল্লাহ সুবহানা তালার পক্ষ থেকে তবে চেষ্টা করবেন যেইদিন আরাফার ময়দানে মানুষ উপস্থিত হয়েছে সেইদিন যেন মিস না হয় আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান করুন এবং আমরা যথাসম্ভব ঈদের সালাত দ্রুত পড়ার চেষ্টা করব মূলত সময়টা হচ্ছে ইশরাকের সময় যখনই সূর্য উঠে যাবে এটাই হচ্ছে সঠিক ওয়াক্ত দ্রুত সালাত পড়ে নিতে হবে তারপরে আপনি কুরবানী করবেন বিসমিল্লাহ বলে চাইলে নিজের পশু নিজে জবা করবেন যারা পারবেন এটাই এটাই সুন্নাহ আর গোশত খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন বাধা দেওয়া হয় নাই আপনি যদি মনে করেন আপনি অভাবী পুরা গরু খেয়ে ফেললে ইসলাম আপনাকে আর কোন ধিক্কার দেবে না।
তবে আপনাকে ইনসাফের উপরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন তোমরা তা থেকে খাও এবং অন্যকে খাওয়াও এবং তিনটা শব্দ বলেছেন তোমরা খাও এবং অত্যন্ত দোস্ত গরীবদেরকে তোমরা খাওয়াও। যেহেতু এটা আল্লাহর জন্যই করবেন। আমি মনে করি একটা যুক্তি শোনেন তো এইযে আপনারা যারা সামর্থ্যবান গরুর গোসত কত টাকা করে? ৮০০ টাকা ভালোটা ৮০০ ৮২০ তাই না কোরবানির গরুর গোসত হিসাব করছেন কত টাকা পড়ে কমপক্ষে ১২০০ টাকা পড়বে না ১২০০ টাকা পড়বে এরকম পাগল মানুষ আছে যে গোসত খাওয়ার জন্য যদি কুরবানি দিতে হয় তাহলে আমি ১২০০ টাকা পড়ে যায় এই গরু কেন আমি তো ৮০০ টাকা দিয়ে ফ্রিজ ভরে ফেলতে পারি তাহলে আপনি ও টাকা কেজি পড়ে যাচ্ছে সেটার দিকে লোভ কেন ওটা তো আপনি নেকির জন্য করেছেন আর গোসত খেতে হলে আপনি ৮০০ টাকা কেজি কিনে পুরাফ্রিজ রাখেন আপনার ফায়দা আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দান করুন