লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কারা

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কারা



সম্মানিত মুসলিয়ান কেরাম আমি আমার নিজেকে এবং আপনাদের সবাইকে আল্লাহ তাকওয়া অবলম্বন অনুরোধ জানাচ্ছি যেই তাকওয়া অবলম্বন করার অর্থই হচ্ছে জান্নাতে যাওয়ার পথে চলা আর যারা তাকওয়া অবলম্বন করবে না জান্নাতের পথে যেতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার মধ্যে তাকওয়া বিরোধী কিছু থাকবে ততক্ষণ আপনি জান্নাতে যাওয়ার সৌভাগ ভাগ্যশালী ব্যক্তি হতে পারবেন না। তাকওয়া যথা তাকওয়া বিরোধী জিনিসগুলো জাহান্নামে রেখে তারপর জান্নাতে যেতে হবে। এজন্য দুনিয়াতে তাকওয়া তাকওয়ার মধ্যে থাকতে পারলে আখেরাতে আপনি জাহান্নামে যাবেন না।



তাকওয়ার অনুসারী হচ্ছে মুমিন এবং মসক। যারা মুত্তাকী তারা মুমিন এবং মরসেন। এর বাইরে যারা নিচে আছে তারা মুসলিম। যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তাালার দয়া না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তারা হাশরের দিন পার পাবে না। সুতরাং তাকওয়ার অধিকারী আমাদেরকে হতেই হবে। তাক অধিকারী হার অর্থ হচ্ছে আপনার বিলুম অর্থ আপনার জ্ঞানটা হতে হবে উপকারী জ্ঞান। আল্লাহ এবং রাসূ সাল্লাল্লাহু আলা যে জ্ঞান অর্জন করতে বলেছেন সেটা অর্জন করবেন। ওয়াল আমলুস সালেহ অর্থাৎ আমল আপনার কাজ কি হবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রদর্শিত পথে অন্য কোন পথে হবে না। অর্থাৎ আকিদা অনুসারী আপনাকে মেনে চলতে হবে। আপনাকে পরিপূর্ণ আকিদা মেনে চলতে হবে। বিশুদ্ধ আকিদার অধিকারী হতে হবে। সুতরাং আকিদা বিভ্রান্ত যারা আছে তাদের থেকে বাঁচতে হবে। তেমনিভাবে শরীয়া মানতে হবে। আমলটাও আপনার বিশুদ্ধ হতে হবে।



কোন ব্যক্তি যদি কোন আকিদা বরবাদ করে ফেলে অথবা নিজেকে বেদাতি লিপ্ত করে ফেলে সেই ব্যক্তি কখনো আল্লাহ এবং রাসূলের পথে চলেনি সেই ব্যক্তি যতটুকু অন্যায় করেছে অতটুকু সে অবিভ্রান্ত হয়ে চলেছে। এ অবিভ্রান্তির নমুনা হচ্ছে যখন কেউ এর বিপরীতে গিয়ে এটাকে প্রশ্রয় দেয় তখন সে মনে করতে হবে সে বিভ্রান্তিতে লিপ্ত হয়ে গেছে। সে একটা ফেরকা হয়ে গেছে। যখন সে ভুল করে তাকে স্মরণ করে দিলে ফিরে আসে তখন বুঝতে হবে সে ভুলের মধ্যে আছে সে ভুল করতে পারে কিন্তু যখন তাকে জানানোর পরে যখন সে এটার উপরে বাড়াবাড়ি করে এটাকে সে নিজে প্রমোট করে এটার উপরে চলার চেষ্টা করে বুঝতে হবে সে বিভ্রান্ত হয়ে গেছে সে সঠিক পথের উপর আর নেই সঠিক পথের উপর যদি থাকতে হয় অবশ্যই আপনাকে রাসূলুল্লাহ যেটা বলেছেন যে তোমাদেরকে অবশ্যই তোমাদের রাসূল ওসিয়ত করতেন যেটা সেটার উপরে যে আমরা যেন তার পথে থাকি এবং তার সাহাবীদের পথে থাকি এই পথে থাকতে হবে। আমরা যেন বেদাত থেকে দূরে থাকি। কারণ বেদাত জাহান্নামে নিয়ে যাবে। এটা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন আর বেদাত আকিদাগত হয়, আমলগত হয়, উভয় রকমের বেদাত হয়। আকিদা বিশ্বাস বেদাত হয়।



এজন্য আমাদেরকে থাকতে হবে সুন্নাতল জামাতে। আস সুন্নাহ ওয়াল জামা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত। কিন্তু আহলে সুন্নাহ জামা কারা? আজ আহলে সুন্নাহ জামা বহু ফেরকা বেরিয়েছে। প্রত্যেকেই দাবি করে তারা আহলে সুন্নাল জামাত। সবচেয়ে কঠিন বেদাতি নিজেকে দাবি করে ahamle সুন্নাহ বলে। এমনকি কবর পূজারী মাজার পূজারী নিজেকে আহলে সুন্নাহ দাবি করে। কিন্তু আহলে সুন্নাহ আসলে কারা? এই বিষয়টা নিয়ে আজকে আমি আলোকপাত করতে চাচ্ছি।



প্রথমত আসস সুন্নাহ শব্দের অর্থ কি? সুন্নাহ শব্দটির ৩টি অর্থ হয়। ১ নম্বর হচ্ছে এমন পথ বা এমন পদ্ধতি যে পদ্ধতি উত্তম বা খারাপ কোন একটা পথ বা পদ্ধতিকে সুন্নাহ বলা হয়। এজন্য আল্লাহতালা কোরআনে কারীমে আয়াত অর্থ এভাবে করা হয় আল্লাহ চান তোমাদেরকে তোমাদের কাছে প্রকাশ করে দিতে এবং তোমাদেরকে হেদায়েত দিতে তোমাদের পুর সুন্নতের প্রতি অর্থাৎ তরিকার প্রতি যে তরি তরিকা ঈমানদাররা চলে গেছে পথ আবার এক তরিকার তরিকা অর্থ খারাপ হইতে সুন্না অর্থ যেমন রাসূুল্লাহ বলেছেন ইসলামে যে ব্যক্তি সুন্দর কোন রীতি প্রবর্তন করবে তার সওয়াব হতে থাকবে যত মানুষের উপর আমল করবে অনুরূপভাবে ইসলামে যে কেউ খারাপ কোন রীতি নীতি প্রবর্তন করবে তার গুনাহ হতে থাকবে যত মানুষ তার যত মানুষটার গুনা গুনা করবে সেটা করবে তত মানুষের গুনাহ তার মধ্যে থাকবে কিন্তু এই সুন্নাহ অর্থ নতুন করে প্রবর্তন নয় কোন সুন্নাহ বাদ পড়ে গেছে আমল করেনি আমল করার নাম হচ্ছে সুন্নাহ যেটা আমরা সুন্নাত হাসানা আবার কেউ না এটাকে বেদাত মনে করে বেদাতে হাসানা মনে করে বসে এটার অর্থ হচ্ছে এটার একটা কারণ আছে একবার রাসূুল্লাহ এ হাদিসটার একটা কারণ হচ্ছে একবার রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কাছে কিছু দূর দূরান্ত থেকে সাহাবীরা আসলেন যাদের গায়ে চামড়া তাদের গায়ে তাদের গায়ে এই বাঘের চামড়া পড়া ছিল অর্থাৎ পশুর চামড়া পড়া ছিল অভাবে। মানে তাদের সতর ঢাকার মত টাকাও তার পয়সা তাদের কাছে ছিল না। অপরও ছিল না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন সাদাকা করার জন্য আহ্বান জানালেন। সাহাবায়ে কেরামের অভাব খুব বেশি ছিল। তারা সদকা করতে কোত থেকে দিবে দেয়ার মত কিছু ছিল না। একজন দুই হাতে মিলিয়ে এক ফারক এনে তখন দিলেন যে এটা আমি দান করলাম। তার দেখাদেখি সবাই দান করল। একটা হয়ে গেল। এজন্য রাসূলা হাসানা এমন একটি সুন্না যেটা ছিল কিন্তু মানুষ আমল করছে না একজন দেখিয়ে দেয়ার কারণ অনেকেই সেটা করতে শুরু করেছে যেমন অনেকে একটা মসজিদ বানিয়েছে যত মানুষ এখানে সুন্নাহ উপর প্রতিষ্ঠিত মসজিদে পড়বে তত মানুষের সব হবে এটা হচ্ছে সুন্নাতুন হাসানা সুন্না হাসানা অর্থ বেদাতে হাসানা এটা সুন্নাহর একটা অর্থ আমরা বললাম সেটা হচ্ছে কি সুন্নাহর অর্থ হচ্ছে পথ বা পদ্ধতি যারা ভালো মন্দ অর্থ হতে যেটা আমরা বলেছি



আরেকটা অর্থ হচ্ছে সুন্নাহ কোন কিছু বর্ণনা করাক এজন্য অর্থ করেছেন ইমাম সত অর্থ করেছেন তিনি বর্ণনা করেছেন বর্ণনা করেছেন অর্থাৎ সুন্নাত আল্লাহ বর্ণনা দেয়া একটা সুন্না সুন্নাহ আরেক অর্থ হচ্ছে স্থায়ী কোন নীতিনীতি স্থায়ী কোন রীতিনীতি এর উপরে কোরআনে কারীম আয়াত সূরা ইসরাইল ৭৭ নম্বর আল্লাহ বলছেন সুন্নাতা আপনার আগে যে সমস্ত রাসূলদেরকে আমরা পাঠিয়েছি তাদের একই নীতি ছিল তারাও তাওহীদ দিয়ে শুরু করতেন তাদের দাওয়াত তারাও তাদেরও পথে মানুষ বাধা সৃষ্টি করত এটা আল্লাহর স্থায়ী নীতি এটার অর্থ সুন্নাহ ৩টি অর্থ আমরা পেয়েছি একটি হচ্ছে পথ ও পদ্ধতি আরেকটি হচ্ছে বর্ণনা করা আরেকটি হচ্ছে স্থায়ী নীতির রীতি এই ৩টি অর্থ হচ্ছে এর আভিধানিক অর্থ



সুন্নাহর পরিভাষিক অর্থ হচ্ছে যার উপরে মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম ছিলেন এলেম হোক আমল হোক আদেশ হোক মোট কথা রাসূুল্লাহ যা নিয়ে এসেছেন এটাই হচ্ছে সুন্নাহ সেটা কথা হইতে পারে কাজ হইতে পারে অনুমোদন হইতে পারে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হইতে পারে অথবা তার শারীরিক বৈশিষ্ট্য হইতে পারে অথবা তার কোন দিকনির্দেশনা হইতে পারে অথবা তার কোন চিন্তা চেতনা যেটা বুঝতে পারে সাহাবা কেরাম সেটা হইতে পারে এ সবই হচ্ছে সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত এজন্য ইবনে তাইমিয়া বলেন সুন্নাহ হচ্ছে শরীয়া অর্থাৎ রাসূ যা প্রবর্তন করেছেন তাই সুন্না এজন্য তিনি বলছেন আল্লাহ রাসূ যা থেকে প্রবর্তন করেছেন সেটাই হচ্ছে সুন্নাহ। সুতরাং যারা বেদাত প্রবর্তন করে রাসূলের সুন্নাহর উপর তারা নেই।



সুন্নাহর আরেকটি অর্থ যেটা আমরা এখানে অর্থ নিচ্ছি সেটা হচ্ছে দ্বিতীয় অর্থটা সেটাই হচ্ছে উদ্দেশ্য এখানে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা বললে এযেখানে সুন্নাহ বলতে যেটা উদ্দেশ্যটা হচ্ছে আকিদা সহ সাত কিতাব সুন্নাহ কোরআন এবং সুন্নাহ দ্বারা যে বিশুদ্ধ আকিদা সাব্যস্ত হয়েছে এটার উপর থাকা হচ্ছে সুন্নাহ অর্থাৎ দন ইসলামের মূলনীতি যেগুলো সেগুলোর উপরে টিকিয়ে থাকা হচ্ছে সুন্নাহ সেটা হচ্ছে সুন্নাহ। বেদাতিদের বিপরীতে বাতিলের বিপরীতে মানুষ যে আটকয়ে থাকে রাসূলের সুন্নাহর উপর আকিদার উপরে বিশুদ্ধ সেটাকে সুন্নাহ বলে সুন্নাহ বলে সলফে সালেহীন বুঝতেন। এজন্য সলফে সালে এখানে সুন্নাহ এবং হাদিসের মধ্যে এই জায়গায় পার্থক্য করতেন। মৌলিক অর্থাৎ সুন্নাহ এবং হাদিসের মধ্যে আসলে মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। এখানে পার্থক্য করতে এটা বুঝানোর জন্য যে কেউ আকিদা আকিদাতে খুবই শক্তিশালী ছিলেন। কেউ হাদিসের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ছিলেন। হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে এটা বুঝানোর জন্য তারা বলতেন ইবনে জামান আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী বলেছেন যে মানুষ বিভিন্ন রকম আছে। তাদের মধ্যে কেউ আছে সুন্নাহর ইমাম। হাদিসের ইমাম। কেউ আছে ইমাম হাদিসের ইমাম। তখন তারপর তিনি বললেন যে ব্যক্তি সুন্নাহ ও হাদিসের ইমাম। তিনি হচ্ছেন সুফিয়ান আত তা রহমতুল্লাহ আলাই। একদিকে তিনি আকিদা বিশুদ্ধ জানেন। আরেকদিকে তিনি হাদিস সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন। এইজন্য তিনি বলছেন যে তিনি সুন্নাহ হাদিসের ইমাম। এখানে মৌলিক পার্থক্য এখানে এসেছে আকিদার কারণে। অর্থাৎ সুন্নাহর উপর ইমাম বললে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তি আকিদার ইমাম।



এজন্য এজন্য আপনি জানেন যে আকিদার কিতাবের মধ্যে আকিদার কিতাবগুলো যে সমস্ত নামে লিখিত হয়েছে এর মধ্যে একটা হচ্ছে ঈমান একটা হচ্ছে সুন্নাহ একটা হচ্ছে ঈমান একটা হচ্ছে সুন্নাহ একটা হচ্ছে শারিয়া কার শরীয়ার বাইরে গেলে বেদাত হয়ে যায় এজন্য একটা হচ্ছে ঈমান একটা হচ্ছে সুন্নাহ একটা হচ্ছে শারিয়া আর একটা হচ্ছে আলফেখুল আকবার এটা এই নামেও লেখা হয়েছে আবার লেখা হয়েছে আকিদা নামেও লেখা হয়েছে এই নামগুলো সবই গ্রহণযোগ্য নাম কারণ সবগুলো উদ্দেশ্য হচ্ছে ইসলামের মৌলিক নীতিমালা যার বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ কারো নেই সুতরাং সুন্নাহ আহলে সুন্নাহ বলতে যার আকিদা বিশুদ্ধ আছে তাকেই বুঝাবে। এর বাইরে কেউ যদি কোন নিজেকে দাবি করে বা কেউ ওদিকে যাওয়ার জন্য বলে যে তারা অমুক আহলে সুন্নাহ তাহলে এটা কোন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি নয়। কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত আকিদা বিশুদ্ধ না হবে সেদিকে সম্পৃক্ত হওয়ার অধিকার তাদের নেই।



তাহলে বুঝতে পারলাম যে সুন্নাহ হচ্ছে বেদআতের বিপরীতে। সুন্নাহ হচ্ছে বেদআতের বিপরীতে। অনেক সময় দীর্ঘ সময় আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না যে তিনি কি পরবর্তী দেখা যায় যে তিনি যতই সুন্নাতের কথা বলুক নিজেই বেদাতে পরিণত হয়ে গেছেন। এইজন্য সুন্নাহকে ভালো করতে হবে। সুন্নাহ শব্দটির অর্থ বুঝতে হবে। সুন্নাহ আহলে সুন্নাহ। সুন্নাহ কারা তা বুঝতে হবে। সুন্নাহ কি জিনিস তা আমাদেরকে জানতে হবে।



দ্বিতীয় শব্দ হচ্ছে আল জামা। জামা শব্দের অর্থ হচ্ছে যারা একত্রিত হয়েছে যেমন আপনারা এখানে জামা জামাতু মিনান্নাস কিছু মানুষ যে একত্রিত হয়েছে এটার নাম হচ্ছে জামা এই জামা এটা হচ্ছে আভিধানিক অর্থ পারিভাষিক অর্থ হচ্ছে একটা ব্যাপক জনগোষ্ঠী আরেক অর্থ হচ্ছে যে সমস্ত আলেম ইমামরা যারা নাজাত প্রাপ্ত দলের পথে এবং পন্থায় চলেছে তারাই হচ্ছে জামা আরেকটি ব্যাখ্যা করা হয় যে সাহাবায়ে কেরাম আরেকটি ব্যাখ্যা করা হয় যারা কের সাথে মিলে চলে শাসকের বিরুদ্ধে বের হয় না এই সবগুলি অর্থই গ্রহণযোগ্য এই শব্দ সবগুলি অর্থকে যদি আমরা একসাথ করি তাহলে আমাদের সামনে আসে দুইটা জিনিস যে জামা কারা ১ নম্বর হচ্ছে যারা হকের উপরে প্রতিষ্ঠিত আছে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ করে এবং তারা বেদাতকে পরিত্যাগ করে।



এইজন্য এর উপরে হবে ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহুর বক্তব্য যা ইমাম লালাক রহমতুল্লাহ আলাই তার কিতাব সুন্না জামা নিয়ে এসেছেন তিনি বলেছেন আল জামাতলা জামাত হচ্ছে সেটাই যেটা আল্লাহর আনুগত্যের উপর আনুগত্যের সাথে মিলে গেছে যদিও তুমি তুমি একা হও যদিও তুমি একা হও তবুও তুমি জামা যা আল্লাহর আনুগত্যের সাথে মিলে গেছে ইমাম লালেকা এই বর্ণনাটা নিয়ে এসেছেন বিশুদ্ধ সনদে ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু থেকে সুতরাং কম অনুসারী নিয়ে আফসোস করার কিছু নেই এটা হবেই হবে যুগ যুগ ধরে আলেমরা এটাই বলেছেন যে অনুসারী কম হতে পারে কিন্তু তারা হকের উপর রয়েছে নিজেকে কখনো এজন্য হতাশায় ভোগবেন বেশি মানুষের চিন্তা করার দরকার নেই। বরং আপনি হকের হকের আলো হকের দাওয়াত দেয়ার চিন্তা আপনার বেশি করা উচিত।



দুইটা মিলে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত। আমরা আহলে সুন্নাহ ব্যাখ্যা করছি। জামাত ব্যাখ্যা করেছি। দুইটা মিলে একটা পরিভাষা হয়ে গেছে। এখন যদি কেউ বলে আহলে সুন্নাহ জামাত তাকে কাকে বুঝতে হবে? এই জিনিসটা আমাদেরকে জানতে হবে। ১ নম্বর হচ্ছে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত হচ্ছে ওই সমস্ত লোকেরা যারা রাসূলের সুন্নতকে আঁকড়ে থাকে এবং সাহাবাদের সাহাবাদের পথকে আঁকড়ে থাকে এবং সাহাবাদের সুন্দর অনুসারী সাহাবাদের সুন্দর অনুসারী তাবেঈ কারণ তাবেঈদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য আছে গ্রহণযোগ্য আছে কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম সবাই গ্রহণযোগ্য তাহলে আহলে সুন্নাহ জামাত হচ্ছে যারা রাসূলের সুন্নাতকে অনুসরণ করে ওয়াল জামা এবং সাহাবায়ে কেরামকে অনুসরণ করে এবং তাদের সুন্দর অনুসারী তাবেঈরা ইমামরা পরবর্ত যারা আসছে কেয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ আসবে সবাই যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরামের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে কথায় কাজে আকিদা বিশ্বাসে চিন্তা চেতনায় মানহাজে সর্বদিক থেকে যারা এই দুটি পথকে আঁকড়ে ধরবে তারাই হচ্ছে আহলে সুন্নাতি ওয়াল জামাত আকিদাতে বিশ্বাসে কথায় কাজে কেয়ামত পর্যন্ত তারা এই পথে যারাই থাকবে তারাই আহলে সুন্নাতল জামাত।



এর থেকে বিচ্যুতির বিভিন্ন মাত্রা আছে। কেউ মাত বিচ্যুত হতে হতে একসময় দ্বীন থেকে বেরিয়ে যায়। আবার কেউ বিচ্যুত হতে হতে ৭২ ফেরকায় চলে যায়। এজন্য আমাদেরকে অবশ্যই জানতে হবে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা কারা? সুতরাং আমরা দেখতে পাচ্ছি দুইটা জিনিস এখানে দরকার। সুন্নতও দরকার জামা দরকার। আপনি যখন কাউকে বলবেন আহলে সুন্নাহ ও জামা আপনি প্রমাণ করে দিবেন যে তিনি সুন্নতের পূর্ণ পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ করে চল। আর যখন আপনি বলবেন জামা তখন আপনি প্রমাণ করে দিবেন সাহাবায়ে কেরামের মানহাজের বাইরে সে যায়নি। সাহাবায়ে কেরামের নীতিনীতির বাইরে সে যায়নি। সুতরাং আপনি রাসূলের সুন্নত অনুসরণ করেন। সাহাবাদের নীতি অনুসরণ করেন। এটাই হচ্ছে আহলে সুন্নাতি ওয়াল জামাত। সাহাবাতু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম এই পথে চলেছেন। তাদের পথে চলেছেন। এহসানের সাথে উত্তম পথের সাথে চলেছেন। তাবেজ এবং আইম্মা মুসতাহিদিন আবু হানিফা মালেক শাফি আহমদ এরা এই পথের পথিক। অনুরূপভাবে বুখারী মুসলিম আবু দাউদ তিরমিজি নাসা ইবনে মাজা সহ আমাদের সোনালী পূর্বপুরুষরা আমাদের পূর্বপুরুষরা যাদেরকে আমরা এক নামে চিনি এবং সবাই চিনে এবং যারা কোন চোরাগতে যায়নি যাদের জন্য আমাদের ভিন্ন কোন ভিন্ন কোন মত নিতে হয় না সেই মানুষদের যদি অনুসরণ করতে পারবেন পারেন আপনি হবেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর বাইরে আপনি নিজের পক্ষ থেকে যেকোনো নামে দেন না কেন আহলে সুন্নাহ নাম দিলে হবে যদি আপনি আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের অনুসরণ না করে থাকেন



বলতে পারে আহলে সুন্নাহ জামাত নাম কেন দিব? দিবেন এইজন্য আল্লাহ এবং তার রাসূল এই নামে আপনাকে পরিচিত করে দিয়েছেন। আর দ্বিতীয় হচ্ছে সাহাবায়ে কেরাম এই নামটি ব্যবহার করেছেন প্রচুর পরিমাণে। তৃতীয় হচ্ছে তাবেরা ব্যবহার করেছেন। চতুর্থ হচ্ছে ইমামরা ব্যবহার করেছেন। পঞ্চম হচ্ছে ইমামদের কিতাবের মধ্যে আহলে সুন্নাহ জামা প্রচুর পরিমাণে তারা উল্লেখ করেছেন। অন্য কোন নাম তারা উল্লেখ করেননি।



এজন্য প্রথমে আসি যেতারা আহ সুন্নাহ কিভাবে হল? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম বলেছেন আলাইকুম সুন্নাতি তোমরা আমার সুন্নতকে আক ধর এজন্য যারা রাসূের সুন্নতকে আক ধরবে তারা হচ্ছে আহ সুন্নাহ আহ সুন্নাহ রাসূের আদেশকে আক ধরবে আকিদা বিশ্বাসে এবং মানহাজে তারা সবদিক থেকে রাসূের পথের বাহিরে চলে না তারাই হচ্ছে আহলুস সুন্নাতি ওয়াল জামা আহলু সুন্নাহ রাসূুল্লাহ সুন্নাহ শব্দটি ব্যবহার করেছেন বলেছেন আমার সুন্নাহ আমার সাহাবীদের সুন্না আমার আদর্শ আমার সাহাবীদের আদর্শ আকিদা আমলের সর্বদিক থেকে যে ব্যক্তি রাসূলের আদর্শ অনুসরণ করে সেই ব্যক্তি হচ্ছে আহলে সুন্নাহ সাহাবায়ে কেরামের যারা আদর্শ তাদেরকে আহলে সুন্নাহ বলবেন



জামা কেন বলবেন জামা এই জন্য বলবেন জামা এজন্য বলবেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি একদিন বলেছেন যে আমার উম্মত বনি বনি অনে ৭২ ফকা বিভক্ত হয়েছে আমার উম্মত ৭৩ তারপর বলেছেন একটি ব্যতিত প্রত্যেকটি জাহান্নামে যাবে জাহান্নামে যাবে এটা রসূের নির্দেশ এখানে আপনার দরদ দেখ লাভ নাই রসূ সেটা বলেছেন রসূ আমাদের চেয়েও বেশি দরদ বা উম্মতের প্রতি তিনি বেশি দরদী। এজন্য তিনি তার তার একটা দোয়া রেখে দিয়েছেন হাশরের দিন উম্মতকে পার করার জন্য। তারা উম্মতের মধ্যে যারা কবিরা গুনাগার তাদেরকে তিনি সেদিন সুপারিশ করবেন। তারপরেও এত দরদ হওয়ার পর তিনি বলেছেন যে কুহাফিনার এরা জাহান্নামে যাবে। রাসূলের এই কথাটি আমাদেরকে এদিকে এদিক নির্দেশ করে যে কারো কারো দিকে তাকিয়ে তার দয়ার দয়ার প্রতি কিছু করা যাবে না। তার মানহাজ যদি নষ্ট হয় তার আকিদা যদি নষ্ট হয় তাকে আমরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ভিতরে নিতে পারি না। এইটা কোন ব্যক্তি বিশেষ বা অনেক গুষ্টি দেখে অনেকেই করে দেখে এটাকে পাঠ করার কোন সুযোগ নেই। কারণ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত অত্যন্ত শরীফ নাম সুন্দর নাম। এটার ভিতরে সবাই প্রবেশ করতে পারে না।



আপনারা জানেন ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহমা্লাহর সময় তিনি এবং আর বাকি দুইজন ব্যতীত সারা মুসলিম বিশ্বের সবাই মেনে নিয়েছিল কোরআন সৃষ্ট কিন্তু এই তিনজন ছিলেন একা। এই তিনজন সারা বিশ্বের তুলনায় একেবারে এই কয়েকজন হাতে গুনা তিনজন। তারপরেও হক ছিল তিনজনের হাতে। হক ছিল তিনজনের কাছে যে তিনজন এই মত থেকে ফিরেন নাই। বেশি মানুষ দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। সফে স এটাই বলতেন লা তুমি বেশি সলে দেখা এদের পথ অনুসরণ করে তোমার ধোকাগ্রস্ত হও না বরং তিল্লার মধ্যে তোমার হক থাকতে পারে কমের মধ্যে এটা তোমাকে বুঝতে হবে কমের মধ্যে হক থাকতে পারে এবং এই কম আল্লাহ নিজে বলেছেন আমার বান্দাদের মধ্যে শোকর গুজার বান্দা খুব কমই হয়ে থাকে এজন্য আহলে সুন্নাহ জামা এই নামটি এই জামা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা এই নামটি আপনি আমি নিজে নির্ধারণ করতে পারবো না। যার উপর রসূল চলেছেন, সাহাবায়ে কেরাম চলেছেন এই পথের বাইরে যারা চলবে তারা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা হতে পারবে না।



এই হাদিসের মধ্যে যেয়ে বলেছেন একটি ব্যতীত বাকি সবগুলি জাহান্নামে যাবে। জাহান্নামে যাওয়ার দুইটা দিক আছে। একদিক হলো চিরস্থায়ী জাহান্নামী হওয়া। আরেকদিক হল জাহান্নামে যাওয়ার জন্য ওয়ারিদ বা ধমকি প্রাপ্ত হওয়া। এদের মধ্যে কেউ আছে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে গেছে। যেমন যেমন কাদিয়ানী ফেরকার লোকেরা। যেমন বরারা যেমন বাহাইরা যেমন দুরুজরা যেমন আলামিন নামক ফেরকা মুসা এই জাতীয় ফেরকাগুলো য আগাখানিরা এগুলো ইসলাম থেকে বেরিয়ে গেছে একেবারে স্থায়ীভাবে হয়ে গেছে ইসলামের সাথে এদের এদের কোন সম্পর্ক নেই আরেকটি গুষ্টি আছে যেটা ৭২ ফেরকা এরা জাহান্নামে যাওয়ার জন্য ধুমকি প্রাপ্ত জাহান্নামে যাবে আল্লাহ যদি রহমত না করে তারা জাহান্নামে যাবে আল্লাহ কাউকে বিশেষ কারণে মাফ করে দিতে পারে সেটা আলাদা কথা কিন্তু তারা ফেরকাতুন নাজিয়া নাজাত প্রাপ্ত অন্তর্ভুক্ত নয় তারা আহলে সুন্নাত জামাতের অন্তর্ভুক্ত নয়।



কারণ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু বলেছেন এ হাদিসের মধ্যে সাহাবা কেরাম জিজ্ঞাসা করেন ইয়া রাসূল্লাহ ওরা কারা? ওরা কারা যারা এককা যারা জাহান্নামে যাওয়ার জন্য আপনার পথে আছে। রসূ বলেছেন আজকের দিনে আমি যার উপর আছি আমার সাহাবীরা যেটার উপর আছে এটাই হচ্ছে সেই পথ। যেই পথে চললে একটি ফেতনা একটি গুষ্টির অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে। আস সুন্নাত জামাতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে। আরেকটি হাদিসে রাসূুল্লাহ তিরমিজ বর্ণনায় জামা রাসূ বলছেন তারাই হচ্ছে আল জামা অর্থাৎ সাহাবায়ে কেরামের মত পথে এক পথে থাকবে ঐক্য মতের উপর তারা থাকছে ভিন্ন মতে যায়নি ভিন্ন মতে একত্রিত হল অনেক বেশি হল সেটা গ্রহণযোগ্য নয় বেদাতিরা সাধারণত বলে যে সিওয়াদুল আজমকে অনুসরণ করতে রাসূল বলেছেন বেশিরভাগ লোককে অনুসরণ করতে বলেছেন এটা সত্য নয় এহা সত্য নয় কারণ বেশিরভাগ রাসূলের জামাত বলতে বুঝেছেন সাহাবায়ে কেরামকে যারা হকের উপরে প্রতিষ্ঠিত ছিল এই নয় যে মানুষ বাতিলের উপরে একসাথ হলে বেশি মানুষের তার অনুসরণ করতে হবে এটা কোনদিনই গ্রহণযোগ্য নয় এই গণতান্ত্রিক নীতি ইসলামে নেই এটা মানুষের তৈরি থিওরি যে বেশি মানুষের পথে আমি চলব না দ্বীনের ব্যাপারে হক একজনের কাছেও থাকতে পারে



রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যুর পরে আবু বকর যখন খলিফা হলেন তিনি বললেন যে ওসামার রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওসামা ওসামা বাহিনীকে ওসসামার যে বাহিনীকে তিনি যুদ্ধের জন্য পাঠিয়েছেন আমি তাদেরকে সেই যুদ্ধের জন্য পাঠাবো সাহাবায়ে কেরামের প্রায় সবাই বিরোধিতা করলেন এখন সময় না এখন সময় নাম আবু বকর বললেন যে না রাসূ যেটা পাঠিয়েছেন পিছিয়ে নিব না আবার সেই সুস্থ পাঠালেন এবং পরবর্তীতে ওমর বললেন যে আমরা বুঝতে পারলাম হকের জন্য আল্লাহ অবৈধ হৃদয়কে উন্মোচিত করে দিয়েছেন সুতরাং বেশিরভাগ মানুষের মতেই নয় হক আলাদা আর বেশিরভাগ মত আলাদা হতে পারে পরবর্তীদের মাঝে। কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম যেটা একমত হবে যে অবশ্যই হকের উপর আছে বিশ্বাস করতে হবে। সাহাবায়ে কেরাম যদি মতভেদ করে সেখানে আপনি দলিল ভিত্তিক পথে চলবেন। সাহাবায়ে কেরাম আকিদা মানহাজের ভিত্তিতে কোন মতভেদে পড়েননি। কোন সাহাবীকে আপনি খারেজি পাবেন না। কোন সাহাবীকে আপনি রাফিজি পাবেন না। কোন সাহাবীকে আপনি জাবারী বাদে পাবেন না। কোন সাহাবীকে আপনি কাদারী পাবেন না। কোন সাহাবীকে আপনি এই জাতীয় ফেরকা আকিদাগত কোন ফেরকার ভিতরে তাদেরকে কেউ পাবেন না। এর অর্থ হচ্ছে সাহাবায়ে কেরামকে যথাযথ অনুসরণ করা হচ্ছে জামা অনুসরণ। রাসূল যেটা বলেছেন সাহাবায়ে কেরাম জামা তাদের অনুসরণ করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছেন।



এই নামটি প্রসিদ্ধ হওয়ার কারণ কি? সুন্নত তরজমা অনেকে বলতে পারে। আমি দেখেছি অনেকেই বলে এই নামটিও দেয়া যাবে না। এদের জ্ঞানের অভাব তারা হাদিস পড়েনি। তারা দ্বীন পড়েনি। এজন্য তারা এগুলি বলে থাকে। অথবা তারা তথাকথিত বেশি মানুষকে একসাথ তারা চিন্তায় বিভর আছে। তারা চিন্তা করে না। ভালো কি মন্দ চিন্তা তারা করে না। এই পথে তারা চলে। মনে রাখবেন বেদাতের মধ্যে ঐক্য হয়ে কোন লাভ নেই। আপনাকে সুন্নাহর উপর ঐক্য করতে হবে।



এই পথটি কখন এই সুন্না জামা কখন বেরিয়েছে পরবর্তী নামটা প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে। আমরা দেখেছিলা প্রথম রাসূ বলে দিয়েছেন সুন্না। আর রসূ বলেছেন জামা। এজন্য আমরা সুন্নাত জামা বলি। কিন্তু এটা প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে। কেন এটা প্রসিদ্ধ হল এটা আমাদেরকে জানতে হবে। ১ নম্বর হচ্ছে প্রথম ইসলামে যে সমস্যাটি তৈরি হয়েছে তা হচ্ছে রাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে বেরিয়ে যাওয়া বেরিয়ে পড়া এটা কখন বেরিয়েছে আপনারা জানেন ওসমান ইবনে আফ রাদি বাগিরা বেরিয়েছে তারপরে আলী রাদিয়াল্লাহ বিরুদ্ধে খারেজরা বেরিয়েছে এই হচ্ছে মুসলিমদের মধ্যে ফেতনার সূত্রপাত এরপরে বেরিয়েছে রাফিজরাফরা অর্থাৎ পক্ষ নিয়ে আরেক গোষ্ঠী বেরিয়ে গেল তখন এরপরে তখন ছিল প্রথম ছিল শিয়া পরে তারা রাফেজী হয়ে গেল।



এই জন্য ইমাম মুসলিম বলেন ইবনে সিরিন মোহাম্মদ ইবনে সিরিন রহমাতুল্লাহ আলাইহি থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন যে আমরা আগে এস্নাত সম্পর্কে এত জিজ্ঞাসা করতাম না। অর্থাৎ এই হাদিস কে বর্ণনা করেছে কে নিয়ে টেনশন করতাম না। কারণ সবাই তখন ভালো মানুষ ছিল। তারপর যখন রাফেজিরা বেরিয়ে গেল তিনি বলেন যে যখন ফেতনা বেরিয়ে গেল বিভিন্ন ফেতনা তখন আমরা তাদেরকে বললাম তোমাদের কার থেকে শুনছো কার থেকে শুনছো সেটা বল তুমি বললেই হব না রাসুল্লাহ আগে কার থেকে শুনছো সেটা আমাকে বল আমাদেরকে বল তখন সুন্নতের অনুসারী যদি হয় আহল সুন্নাহ যদি হয় তার হাদিসটি আমরা নিতাম আর আহলুল বেদা হলে তার হাদিসটি আমরা পরিত্যাগ করতাম।



মোহাম্মদ ইবনে সিরিন রহমতুল্লাহ আলাইহি তাবেঈ তার তার মা আমাদের মাদের কাছে উম্মাহাতুল মুমিনীনের কাছে সারাদিন থাকতেন। কখনো কখনো তার সন্তানকে তাদের কাছে দিতেন। তারা দুগধ পান করাতেন। এরকম একজন ব্যক্তিত্ব হচ্ছে মোহাম্মদ ইবনে সিরিন রাহমাুল্লাহ। এই মোহাম্মদ ইবনে সিরিন মায়ের ঘরে পালিত। মায়েদের ঘরে অর্থাৎ আমাদের উম্মাহাতুল মুমিনীন রাস স্ত্রীদের ঘরে পালিত সেই ব্যক্তি আমাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছেন যে এটা আহলে সুন্নাহ হাদিস নেয়া হবে আহলুল বেদা হাদিস নেয়া হবে না আহলে সুন্নাহর হাদিস নেয়া হবে অর্থাৎ আহলে সুন্নাহ হচ্ছে গ্রহণযোগ্য এবং বলেছেন যদি আহলে বেদা হয় তাদের থেকে আমরা হাদিস নিতাম না তখন থেকে সেটা প্রচলিত হয়েছে অর্থাৎ সেটা একেবারে তাবেঈনদের যুগ থেকে সাহাবীদের যুগ থেকে সেটা প্রচলিত হয়ে আসছে এটার প্রচলনের কারণ হচ্ছে এটাই বেদাতি যখন প্রসার লাভ করেছে তখন আহলে সুন্নাহ নিজেদেরকে নিজেদের নামকে ধরে রেখেছে ভিন্ন নাম নয় যে নাম রাসূল তাদেরকে দিয়েছেন সেই নামটি তারা আকড়ে ধরেছে এবং তাদের ভিন্ন কোন পথ ও মতে তারা চলেনি



এরপরে বেরিয়েছে কাদারীদের বেদাত এরপরে বেরিয়েছে জাবারীদের এরপরে বেরিয়েছে জাহামিদের এরপরে খালকুল কোরআনের বেদাত বেরিয়েছে এভাবে বেদাত যখন তত বের হয় ততই বেদাতিরা দূরে সরে যায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সংখ্যা কমে গেলেও তারা দূর-দূরান্ত থেকে একে অপরকে ভালোবাসে পৃথিবীর পাচ্ছে যদি কোন আহলে সুন্নাহ থাকে পাশ্চাত্যে যদি আরেকটি আহাদ সুন্নাহ থাকে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা রাখে এজন্য যে তাদের মানহাজ এক তাদের আকিদা এক তাদের চিন্তা চেতনা এক যত কিছু হোক তারা এই ভালোবাসার কারণে ঐক্য তৈরি করে এর বাইরে বেদাতের কারণে তারা ঐক্য তৈরি করে তাদের দুনিয়ার কোন উদ্দেশ্য তাদের নেই তারা দুনিয়ার কোন ব্যক্তি কেন্দ্রিক নয় তারা রাসুল কেন্দ্রিক এবং রসূলের সাহাবা কেন্দ্রিক এই দুটি নীতি যারা অবলম্বন করতে পারেনি তারা কখনো আহলে সুন্নাহর নাম নেওয়ার অধিকার রাখেনা



বলতে পারে এ নামটির আসল দেখান এই নামটির আসল আমরা দেখাচ্ছি মুস্তাকিম মুস্তাকিম আমাদেরকে দিন আল্লাহতালা প্রতিদিন প্রতিদিন সলাতের মধ্যে আমরা বলি কোনটা আল্লাহ বলে দিয়েছেন অর্থাৎ শহীদ পর্যন্ত পর্যন্ত নেককার লোকদের বাইরে আর কারো পথ কখনো সিরাতে মুস্তাকিম না। আপনি যখন সিরাতে মুস্তাকিমের পথ চাচ্ছেন অর্থ হচ্ছে আপনি চার শ্রেণীর পথ চাচ্ছেন। সিদ্দিন শোহাদা এদের মধ্যে আহ বেদা কখনো প্রবেশ করবে না। বেদাতের মধ্যে ঢুকবে না। এই তাফসীর আমি করি ইমাম সৃতি করে দিয়েছেন তারাই তিনি এটা উল্লেখ করে দিয়েছেন তাছাড়া আপনাকে অনুসরণ করতে হবে সিরাতে মুস্তাকিমের। আপনাকে অনুসরণ করতে হবে সুন্না রাসূের সুন্নাতের। কারণ আল্লাহ তালা নির্দেশ দিয়েছেন কোরআনে কারীমে ৩০ আয়াতে বলেছেন যে আতিউল্লাহ রাসুলা তোমরা এতাত কর আল্লাহ এবং তার রাসূলের অর্থাৎ সুন্নতের অনুসরণ আপনাকে পক্ষ করতে হবে এখানে বলে রাখা দরকার অনেকে হয়তো বলবেন যে আপনি সুন্নাতের কোরআনের কথা বলেননি কেন কোরআন এবং সুন্নাহ এখানে একই অর্থে অর্থাৎ রসূলের আদর্শ অনুসরণ করার কথা বলা হচ্ছে অর্থাৎ যেটার মধ্যে আকিদাও মানা যে এক সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ সালাম যে পথে ছিল কোরআনের পথে তিনি দাওয়াত দিয়েছেন এজন্য আলাদা উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই আর যে কারণে আলাদা উল্লেখ করতে হয় সুন্নাহ এটা হচ্ছে এটা কোরআন মানার ব্যাপারে অনেকেই বিরোধিতা সরাসরি করে না কিন্তু সুন্নাত দিয়ে পার্থক্য হয়ে যায় যখনই বলেন যে এটা হাদিস তখনই একটা গুষ্টি বলে কোরআন মানি হাদিস মানি না অথবা কেউ বলবে হাদিস আবার শুদ্ধ হলে কি করে আবার কেউ বলবে হাদিসে এই আছে সেই আছে যার অন্তরে হাদিস সংক্রান্ত বক্ততা আছে সেই ব্যক্তি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না সেই ব্যক্তি পথভ্রষ্ট সুন্না দিয়ে পার্থক্য করা হয়।



ইমাম মালেক রহমতুল্লাহ এজন্য বলতেন আসুন্না সুন্না হচ্ছে নুহের কৃষ্টি। যে ব্যক্তি নূহের কৃষ্টিতে উঠবে নাজাত পাবে আর নুহের কৃষ্টিতে না উঠলে ডুবে মরবে। ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহ বক্তব্য আমাদেরকে জানতে হবে। অর্থাৎ এই জন্য সুন্নাহ দিয়েই পার্থক্য করা হবে। যে বেদাতে আছে না, ভালোতে আছে না, মন্দে আছে পার্থক্য হয়ে যাবে সুন্নাহ দিয়ে। এজন্য সুন্নাহটাকে স্পেশাল রাসূ উল্লেখ করেছেন আলাইকুম সুন্নাতি এজন্য সুন্নাতের অনুসরণ করতে হয়



আরেকটি হাদিসে রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন আমি তোমাদেরকে পাঁচটি কালেমার কথা বলব এর মধ্যে এক নম্বর হচ্ছে আল জামা এর মধ্যে একটি হচ্ছে আল জামা অর্থাৎ যে সাহাবায়ে কেরামের নীতি নীতির বাইরে তোমরা যাবে না যে কেউ এর বাইরে যাবে এরপর মারা যাবে সে তো জাহিলিয়াতে মৃত্যুবরণ করল কারণ এই জামা দুইটা অর্থ হইতে পারে একটা হল সাহাবাদের নীতি আরেকটা হচ্ছে কোন শাসক যিনি সত্যিকারের দ্বীনি শাসক ইসলামকে ভালোবাসে ইসলামের পক্ষের শাসক তার অনুসরণ যারা করবে তারা যদি তার বিরুদ্ধে চলে যায় কেউ যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে যাবে সে ব্যক্তি জাহিলিয়াতের মৃত্যুবরণ করবে রাসূ সেটা বলেছেন এর বাইরে আহলে সুন্নাতল জামাতের আলাদা কোন নাম নেই তারা এই নামেই শুধুমাত্র চলে আহলে সুন্নাহ জামাত এই নামের পরিচিতিমূলক আরো কিছু বিশেষণ তারা বলে কিন্তু ব্যক্তি কেন্দ্রিক অথবা কোন গুষ্টিকেন্দ্রিক অথবা কোন কোন একটি নির্দিষ্ট আকিদা বিশ্বাস কেন্দ্রিক তারা কোন নাম নেয় না। আহলে সুন্নাতও ভিন্নভাবে নাম নিতে পারে না। আমরা দেখতে পাচ্ছি কোরআনেও কোরআনে কারীমেও আল্লাহ তাআলা আমরা দেখতে পাচ্ছি কোরআনে কারীম আল্লাহ তাআলা সুন্নাতের আলজা সুন্না আস সুন্নাতকে সুন্নাত জামাতের লোকদের অনুসরণ করতে বলেছেন।