লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: জিলহাজ্জ মাসের করণীয় ও বর্জনীয়

জিলহাজ্জ মাসের করণীয় ও বর্জনীয়



আলহামদুলিল্লাহ। শুরুতে আল্লাহ তাআালার প্রশংসা জ্ঞাপন করছি যিনি আমাদেরকে ফরজ সালাত আদায় করার লক্ষ্যে মসজিদে এসে বসার তৌফিক দিয়েছেন এবং দ্বীনি কথা শোনার তৌফিক দিয়েছেন আমরা সেই মহান রাব্বুল আলামীনের প্রশংসা জ্ঞাপন করি। আলহামদুলিল্লাহ। >> দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক। শেষ নবী সাইয়েদুল মুরসালিন খাতামুন নাবিন যিনি আমাদেরকে পথ দেখিয়ে দিয়েছেন কোনটা সঠিক পথ এবং কোনটা ভুল পথ এবং আমাদের ইহকালীন এবং পরকালীন কল্যাণ কামনা করেছেন সেই মহামানবের প্রতি দরুদ পাঠ করে আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাই আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহ সম্মানিত উপস্থিতি আমরা সবাই অবগত আছি যে আমাদের মাঝে এখন হজের যে মাস সে মাস চলছে জুলকদ মাস এবং ইসলামে যে চারটা হারাম মাস সম্মানিত মাস তার মধ্যে অন্যতম একটা মাস হচ্ছে আমাদের মাঝে চলমান জুলকদা দা মাস তাজকে জুলকদা মাসের বারবি ক্যালেন্ডারের ২৭ তারিখ পরশিদিন অর্থাৎ রবিবার অথবা সোমবার এই মাস শেষ হবে এরপরের মাস আসবে জুলহজ মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাস এবং খুবই সম্মানিত মাসটা আমরা আজকে আলোচনা করার এবং শোনার চেষ্টা করব জুলহজ মাস আমাদের করণীয় এবং বর্জনীয় সম্পর্কে ইনশাআল্লাহমা تৌফিক ইল্লা বিল্লাহ আলাইহি তাওয়াকালহ



সম্মানিত উপস্থিতি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা আমাদেরকে বা মানবজাতিকে সৃষ্টি সৃষ্টি করেছেন খুব ভালোবেসে এবং যখন তিনি মানব জাতিকে সৃষ্টি করেন তখন ফেরেশতাদের সামনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন যে এরা হবে সম্মানিত জাতি। এদেরকে বিশেষ এক উদ্দেশ্যে আমরা বা আমি সৃষ্টি করছি এবং সেই সম্মানের বহির্প্রকাশ স্বরূপ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা সকল বা ফেরেশতাদেরকে আদেশ করলেন তোমরা আদমকে সাজদা কর। এটা মূলত এবাদতমূলক সাজদা ছিল। এটা মূলত সম্মান সাজদা। যেহেতু আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে খুব ভালোবেসে সৃষ্টি করেছেন। এজন্য আল্লাহ তাআলা চান যে মাখলুক বা মানুষ তারা সঠিক পথে চলুক সঠিক পথে থাকুক এবং মৃত্যুর পরে তারা চিরস্থায়ী জান্নাতে তাদের জায়গা দখল করে নিকট আল্লাহ তাআলা চান। এবং যাতে তারা বিভ্রান্ত না হয় বিচ্যুত না হয় এজন্য আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বা তাদের মাঝে যখন প্রয়োজন পড়েছে তখনই তাদের মাঝে নবী এবং রাসূল পাঠিয়েছেন যাতে করে তাদেরকে বিভ্রান্তির পথ থেকে বাঁচানো যায়।



কিন্তু মানুষের মাঝে যে দুর্বলতা রয়েছে বা যে একটা অভ্যাস রয়েছে সেটা হচ্ছে অন্যায়ের প্রতি আকর্ষণ। পাপের প্রতি তাদের ভালোলাগা কাজ করা। যেটা মানুষ এবং জীন ছাড়া অন্য কারো মাঝে আল্লাহ তালা এই শক্তি দেননি। তো যেহেতু আল্লাহ তাআলা মানুষের মাঝে এই শক্তি দিয়েছেন, অন্যায় করার সক্ষমতা দিয়েছেন। তো আল্লাহ তাআলা এটা চান যে বান্দা তুমি ভুল করবে। তোমার মাঝে আমি এ যোগ্যতা দিয়েছি। তো ভুল করা আসলে এটা বড় কোন বিষয় না। ভুল করাটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু তোমরা ভুল পথ থেকে ফিরে আসো। রাসূল সাললাম বলছেন কুল্ল বানি আদম খাত্তা প্রত্যেক আদম সন্তান প্রচুর পরিমাণে ভুল করে তাদের অন্যায় তাদের পাপের পরিমাণ খুব বেশি খাত খাইরুল খাত্তাবি তবে ভুলকারীদের মাঝে তারাই ভালো যারা ভুল করার পরে নিজের ভুল বুঝতে পারে আল্লাহর কাছে কাছে ফিরে আসে এবং আল্লাহ তাআলা এটা চান যে বান্দা ভুল করুক পাপ করুক। এজন্য আল্লাহ তাআলা একটা আয়াতে বলেছেন যদি তোমরা ভুল না করতে পাপ না করতে তাহলে আমরা এমন আরেকটা জাতি সৃষ্টি করতাম যারা পাপ করতো এবং আমার কাছে ফিরে আসতো। মানে আল্লাহর কাছে খুব প্রিয় যে বান্দা আমার কাছে ফিরে আসতো। এটা আল্লাহ তালা খুব চান। খুব পছন্দ করেন। তাকে খুব ভালোবাসে। যে বান্দা অন্যায় করার পর আল্লাহর কাছে তার নিজের ভুলটা প্রকাশ হয়।



তো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেহেতু মানুষ ভুল করবে। অন্যায় করবে, জাহান্নামের পথে যাবে। এখন এদেরকে ফিরিয়ে আনতে হবে। এদের পাপমোচনের কিছু বিশেষ পদ্ধতি দিতে হবে। এদের পাপমোচনের কিছু সময় দিতে হবে। কিছু তাদেরকে অফার দিতে হবে। যে অফারের সময় যে বিশেষ মুহূর্তে তারা তাদের সকল পাপ যাতে ক্ষমা করে নিতে পারে। এ আল্লাহ রাব্বুল আলামন ব্যবস্থা দিয়েছেন তাদেরকে ভালোবেসে। যে বান্দারা তোমরা পাপ কাজ করো। ঠিক আছে। কিন্তু আমি তোমাকে সুযোগ দিচ্ছি। সুযোগটা কাজে লাগাও। আমি তোমাকে বিশেষ কিছু মুহূর্ত দিচ্ছি। এই মুহূর্তগুলো তুমি কাজে লাগিয়ে তোমার পূর্বের সকল দেনা পাওনা সব মুছে ফেল। অন্যায়গুলো সব মুছে ফেল। তেজন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অনেকগুলো মৌসুম দিয়েছেন সৃজন দিয়েছেন যে মৌসুমে মূলত আল্লাহ রাব্বুল আলামন বিশেষভাবে বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন তাদের পাশে বিশেষ অবস্থা তৈরি করে দেন সুযোগ দিয়ে দেন যাতে করে এই সুযোগ লাগিয়ে বান্দা তার পূর্বের সকল পাপগুলো ক্ষমা করে নিয়ে যাতে করে পবিত্র জীবন তারা করতে পারে যেমন এইতো গত মাসের আগের আগের মাসে আমাদের রমাজান মাস গেল। বিশেষ মাস। আল্লাহ তাআালার ক্ষমার মাস, রহমতের মাস, মাগফেরাতের মাস, আত্মশুদ্ধির মাস। যাতে করে তারা নিজের আত্মশুদ্ধি করতে পারে। এরপরে এই রমাদান মাস যেতে না যেতেই মধ্যখানে এক মাস পরে আরেকটা বিশেষ সুযোগ আল্লাহ দিয়ে দেন। জুল হজ মাস। এটাও মূলত বান্দার প্রতি আল্লাহর মহাব্বত ভালোবাসার বহির্প্রকাশ স্বরূপ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই জুলহজ মাসকেও দিয়ে দিয়েছে যাতে করে এই জুলহজ মাস পাওয়ার এই একটা মাস শাউয়াল মাস এবং দুই মাস শাউয়াল মাস এবং জুলকদা মাস এই দুই মাসে যারা অন্যায় করেছে যাতে করে এই দুই মাসের অন্যায়টা আবার অন্যায় থেকে ফিরে এসে আবার যেন আল্লাহর পথে যেতে পারি এজন্য আল্লাহ আবার কি দিলেন জুলহজ মাস দিয়েছে এবং এই দিনগুলো অত্যন্ত সম্মানিত দিন।



আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলছেন যে ওয়ালা ফজরের শপথ এবং ১০ দিন বা রাতের শপথ। তো মুফাসসিরগণ বলেছেন বেশিরভাগ মুফাসসির বলেছেন এখানে যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ১০ দিন বা রাতের শপথ করেছেন এই ১০ দিন বলতে উদ্দেশ্য হচ্ছে জুলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন এটা হচ্ছে জুলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন যেই ১০ দিন আল্লাহ তালা শপথ করেছে আর আল্লাহ তালা এমন জিনিসে শপথ করে থাকেন এমন জিনিসে কসম করে থাকেন। যেই জিনিসটা অত্যন্ত বেশি সম্মানিত। অত্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই দিনগুলোর শপথ করে থাকেন। এই একটা আয়াত থেকে এই জুলহজ মাসের প্রথম দশকের প্রথম ১০ দিনের ফজিলত প্রমাণ। এরপরে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের ভাষ্যমতে তার বর্ণনা অনুযায়ী বছরের সবথেকে শ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে জুলহজ মাসের প্রথম দশ রমাজানের থেকেও কি শ্রেষ্ঠ এমনকি লাইলাতুল কদর এর দিনটা এই দিনের থেকে কি এই ১০ দিন বেশি উত্তম যেমন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম একটা হাদিসে বলেছেন যেমা এমন কোন দিন নেই যেই দিনগুলো বেশি উত্তম। যেই দিনগুলো বেশি উত্তম এই ১০ দিনের তুলনা। তো সাহাবায়ে কেরাম প্রশ্ন করলেন যে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম। তো এই দিনগুলো কোনগুলো? বা তারা প্রশ্ন করতেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এবং অন্য আরেকটা বর্ণনা আছে যে এই দিনগুলোতে যে আমল করা হয় এ আমলগুলো অন্যান্য সকল দিনের আমলের তুলনায় শ্রেষ্ঠ মানে বাকি যার ৩৪৫ দিন থাকে আরবিকালের এ বাকি ৩৪৫ দিন যে আমলগুলো করা হয় এই আমলগুলোর থেকে সবথেকে শ্রেষ্ঠ আমল হচ্ছে এই জুলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল। আপনি অন্যান্য দিন যে সুন্নাত পড়েন এই সুন্নাতে যতটা নেকি হয় এই ১০ দিনের সুন্নাত পড়লে তার থেকে বেশি নেকি হয়। অন্যান্য দিনে আপনি দান সাদকা করলে যে নেকি হয় এই ১০ দিনে দান সদকা করলে তার তুলনায় বেশি নেকি। তো এজন্য তিনি বলছে যে এই দিনে সবথেকে আল্লাহর কাছে উত্তম দিন এবং এই দিনগুলোর আমল আল্লাহ তাালার কাছে খুবই উত্তম যেমন রাসূলেছেন অর্থাৎ দুনিয়ার ভিতরে যতদিন আছে এই দিনগুলোর ভিতরে সবথেকে উত্তম দিন হচ্ছে এইদিন পৃথিবীতে যতদিন আছে পৃথিবীতে যতদিন বলতে মানে ৩৪৫ দিন বাৎসরিক এই ৩৪৫ দিনের মধ্যে সবথেকে উত্তম হচ্ছে এই ১০।



তো এমনকি আলেমগণ বলেছেন যে আমরা সবাই জানি যে লাইলাতুল কদর সবথেকে উত্তম রাত। এটা হাজার মাসের থেকে উত্তম রাত। তাহলে এই দুই দুইটার ভিতরে কি মানে সামঞ্জস্যতা কি? তা আলেমগণ বলেছেন যে লাইলাতুল কদরের রাতটা হাজার মাসে থেকে সবথেকে বেশি সম্মানিত রাত মানে রাতটা শুধুমাত্র মাগরিব থেকে নিয়ে ফজর পর্যন্ত যেহেতু আরবি ক্যালেন্ডারে রাত হচ্ছে মাগরিব থেকে ফজর পর্যন্ত অতএব এই লাইলাতুল কদরের মাগরিব থেকে ফজর পর্যন্ত এই অংশটুকু সবথেকে উত্তম বছরের সবথেকে শ্রেষ্ঠ রাত আর দিনের মধ্যে এই দিন যে ফজর থেকে নিয়ে সুবে সাদেক থেকে নিয়ে মাগরিব পর্যন্ত এই দিনের ভিতরে সবথেকে উত্তম দিন হচ্ছে জুলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন বুঝেন নাই লাইলাতুল কদর রাতটা উত্তম শুধু দিনটা উত্তম না আর এখানে কি দিনটা উত্তম অন্যান্য সকল দিনের থেকে দিনটা উত্তম এরপরে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত রাসূ সাল্লাল্লাহু সলাম বলছেন যেমা আইয়ামিল্লাহ অর্থাৎ এমন কোন দিন নেই যেই দিনের সৎ আমল আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় এই ১০ দিনের আমলের তুলনায়। মানে এই ১০ দিনে যে আমলটা করা হয় এ আমলটা আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। অন্যান্য দিনে ওই একই আমল করেন। কিন্তু এটা যতটা প্রিয় হয় এই দ্বীনের আমলটা আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়। একটা ছোট আমল এটাও কি আল্লাহ তাালার কাছে অধিক প্রিয়? খুবই একদম نগণ্য আমল। এটা আল্লাহ তাালার কাছে খুবই প্রিয় আমল। আর আমরা একাধিক দিন বলেছি যে আল্লাহর কাছে কোন একটা প্রিয় হয়ে গেলে আমল পছন্দনীয় হয়ে গেলে মাকবুল হয়ে গেলে সে আমলটাই জান্নাতে যাওয়ার জন্য কি হয়ে যায়? যথেষ্ট। তো রাসূ সলেছেন যে এই দিনের আমলগুলো আল্লাহর কাছে সবথেকে বেশি প্রিয়।



সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন সাহাবাম জিজ্ঞেস করলেন আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ কি বেশি প্রিয় না এদিনের আমলগুলোর তুলনায়। আমরা সবাই জানি জিহাদ কি? সবথেকে উত্তম আমলগুলোর মধ্যে একটা অন্যতম আমল। তো যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন সবথেকে প্রিয় আমল এ দিনগুলো তখন সাহাবায়ে কেরাম প্রশ্ন করে বুঝলেন তলে জিহাদের তুলনায় কি বেশি প্রিয় আমলগুলো এ আমলগুলো বেশি প্রিয় তখন রাসহাল্লা এমনকি আল্লাহর রাস্তায় যদি জিহাদ করে এ জিহাদটা বেশি প্রিয় নয় এই দিনগুলোর আমলের তুলনায় যেকন আমলে একদম নগণ্য আমগণ্য আমলটা কি হয় তাহলে আল্লাহর কাছে জিহাদের তুলনায় বেশি প্রিয় আপনি অন্যান্য দিনে জিহাদ করলেন শহীদ হয়ে গেলেন মানে শহীদটা ভিন্ন বিষয় আপনি জিহাদ করতেলেন খুব কষ্ট করে জিহাদ করতে গিয়ে যতটা ওই জিহাদটা আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় আপনি এই ১০ দিন আপনি একটা টাকা দান করে এটা কি হয়ে যায় আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় হয়ে যায় আপনি দুই রাকাত সুন্নাত পড়েন বেশি কি হয়ে যায় প্রিয় হয়ে যায় আপনি একটা মানুষকে উপকার করেন সাহায্য করলেন মাথায় একটা বোঝ উঠিয়ে দিলেন ধরেন নিচ থেকে উপর উপরে উঠায়ে দিলেন তার মাথায় সাহায্য চাই এই আমলটা আল্লাহর কাছে কি হয়ে যায় বেশি প্রিয় হয়ে আপনি সুবহানাল্লাহ পাঠ করলে এটা কি হয়ে যায় অন্যান্য দিনে জিহাদের তুলনায় আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় রাসহাল্লা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাটাও বেশি প্রিয় না এই দিনগুলোর আমলের তুলনায় তবে বললেন তবে সেই ব্যক্তির আমলটা বেশি প্রিয় হয় যে নিজের সকল সম্পদ এবং নাফস নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় বেরিয়ে গেল মানে সব সম্পদ নিয়ে বের হল এবং নিজের জীবনটা নিয়েও বেরলাম এবং কোন কিছু নিয়ে ফেরত আসতে পারল না মারা গেল সকল সম্পদ আল্লাহ রাস্তাকে ওই জিহাদে দিয়ে দিয়েছে এবং নিজের নাফসটাকে আল্লাহর রাস্তায় বিলীন করে দিয়েছি। তবে এই আমলটা কি হতে পারে? বেশি প্রিয় হতে পারে এই দিনগুলোর আমলের তুলনায়। কারণ একটাই আম একটাই আমল কি বেশি প্রিয়? অন্যান্যদের একটাই আমল বেশি প্রিয় যে কি করে? সকল কিছু নিয়ে গিয়ে শাহাদাত বরণ করে। এই আমলটা আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় হয়। এর বাইর অন্যান্য সকল আমলের তুলনায় এই ১০ দিনের একটা নগণ্য আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়। তাহলে এটা আমাদের এই দিনগুলো আমাদের কি লাগাতে হবে? কাজে লাগাতে। আমি বড় কিছু আমল করতে না পারলেও ছোট ছোট আমলগুলো কমপক্ষে আমাদের বাড়াতে হবে। আমি অনেক বেশি দান খয়রাত না করতে পারলে কিছু দান খয়রাত করতে হবে। অনেক বেশি সুন্নাত পড়তে না পারলেও কিছু আমার সুন্নাতের পরিমাণ বাড়াতে হবে। অন্যের অনেক বেশি উপকার করতে না পারলেও আমার কিছু উপকারের পরিমাণ বাড়াতে হবে।



তো এইযে এত ফজিলতপূর্ণ দিন এ ফজিলতপূর্ণ দিনের কারণ কি? এটার অন্যতম একটা বেশ কিছু কারণের মধ্যে যে ইবনে আসকলানী বলছেন যে এই দিনগুলো আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় হওয়ার কারণ হচ্ছে যে এই দিনগুলোতে যত ধরনের এবাদতের সমরোহ ঘটেছে অন্যান্য দিনে এত ধরনের আমল থাকে না। যেমন এই দিনে সালাত আছে। অন্যান্য দিনের তুলনায় কি আছে? এখানেও সালাত আছে। এখানে রোজার ব্যবস্থা আছে। যেটা আমরা আলোচনা করব। এরপরে এখানে হজ্ আছে। এই মাসে কুরবানি আছে। এই মাসে দান আছে। এ ধরনের বিভিন্ন আমল মূলত কি ঘটেছে? এ দিনগুলোতে ঘটেছে যার ফলে এই দিনগুলোর মর্যাদা আল্লাহর কাছে বেশি বেড়ে গেছে এবং এর আরেকটা কারণ হচ্ছে যে আল্লাহ তালা যেন আমরা শুরুতে বলি আল্লাহ তালা মানুষকে খুব ভালোবাসে তো যেহেতু এই মাসে কিছু মানুষ হজ করার تৌফিক পাই হয়তো কত শতাংশ মানুষ এক দুই শতাংশ হয়তো হতে পারে কম এই যে কিছু মানুষ হজ করার তৌফিক পাচ্ছে। আল্লাহর একটা বিশেষ রহমত সে পাচ্ছে। আর বাকি মানুষগুলো তখন তাদের দিকে তাকিয়ে থেকে আফসোস করে যে আমাদেরকে আজকে সামর্থনে আমরা হজ করতে যেতে পেলাম না। মানে একটা ভিতরে যারা ভালো মানুষ যাদের আমলের প্রতি আগ্রহ আছে নেকির প্রতি আগ্রহ আছে তখন তারা বলে যে তারা তো হজ করে একটা বিশাল নেকি অর্জন করে ফেলেছে। কিন্তু আমাদের আমাদের তো কিছু করণীয় এখানে থাকলো না। তখন এই সমস্ত বান্দার যারা নিরাশ হচ্ছে আল্লাহর রহমত থেকে। আল্লাহ তা বলছে না তোমাদের নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ যারা হজে গিয়েছে তারা যে নিকট অর্জন করে তোমাদের জন্য আমরা কি এমন একটা অবস্থা করে দিলাম ব্যবস্থা করে দিলাম যে তোমরা এই দিনগুলোতে কিছু আমল করো সে আমলগুলো কি হবে? আমার কাছে অধিক বেশি প্রিয় হয়ে যায়। যাতে করে অতএব এটা এই রহমত তোমরাও পাও হাজিরা তারাও গ্রহণ করুক তোমরা কি করো? তোমরাও এবং ইবনে রজব হাম্বা রাহমা্লাহ বলেছেন যে আল্লাহ তাআলা একজন বান্দাকে ভালোবাসেন আল্লাহর কাছে একজন বান্দা প্রিয় এটার প্রমাণ হচ্ছে যে যেই দিনগুলো বেশি ফজিলতপূর্ণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ এই দিনগুলোতে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক পাওয়া আর যেই বান্দাকে আল্লাহতালা ভালোবাসেন না। আল্লাহ তাালার প্রিয় না। এটার প্রমাণ হচ্ছে এটার একটা জানার মাধ্যম হচ্ছে যে ফজিলতপূর্ণ দিনগুলোকে সাধারণ দিনের মত কাটিয়ে দাও। অতএব যদি এই দিনগুলোতে আমার আমলের পরিমাণ বৃদ্ধি না পাই। এই দিনগুলোতে যদি আমি বিশেষভাবে এবাদতের প্রতি মনোযোগী না হই তবে জানতে হবে যে আল্লাহর সাথে আমার মহাব্বতটা আল্লাহর সাথে আমার বন্ধুত্বটা কি নাই শক্তিশালী না কারণ যে আল্লাহ তালা এই সুযোগগুলো দিচ্ছেন নিজের পাপগুলোকে মোচন করা নিজের নেকির পরিমাণ বৃদ্ধি করা এখন যদি এই দিনগুলোতে আল্লাহ তালা আপনাকে নেকির পরিমাণ বৃদ্ধি না করার তৌফিক দান করেন বা নিজের ভিতরে যদি ওই পাপগুলো ক্ষমা করার তৌফিক না দান করেন তার মানে হচ্ছে আল্লাহ তালা চান না যে আপনি ফজিলত দিন ফজিলতপূর্ণ দিনগুলোকে কাজে লাগান কার আপনার সাথে আল্লাহ কি নেই মহব্বত অতএব আল্লাহ তাালার সাথে মহাব্বত যাচাই বাছাই করার আরেকটা মাধ্যম হচ্ছে যে আমি এই বিশেষ দিনগুলোতে কোন আমলের পরিধি বৃদ্ধি করতে পেরেছি কিনা এটা যাচাই করা আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করেন। আমিন।







সম্মানিত উপস্থিতি এই দিনের বেশ কিছু আমল আছে বা হাদিস থেকে আমরা অনেকগুলো আমলের প্রমাণ পাই এই দিনগুলোতে। তার মধ্যে এই দিনের একটা বিশেষ আমল হলো এই মানে প্রথম দশকের একটা আমল হলো যে বেশি বেশি বা রোজা রাখা। একটা না নবম দিন এক থেকে নিয়েন নয় তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা এটা হল এই দিনগুলোর বিশেষ একটা আমল দশম তারিখে ঈদ এ দিনে রোজা রাখা নিষেধ যেমন রাস হাদিসে বলা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসূ সলাম একটানা এক থেকে নয় তারিখ পর্যন্ত জিলহজ মাসে সিয়াম পালন করতেন এটা তার আমল ছিল। তো এজন্য আমাদের এই মাসের একটা অন্যতম আমল হচ্ছে যে এক তারিখ থেকে নিয়েন তারিখ পর্যন্ত সিয়াম পালন করা। যদি কারো পক্ষে সম্ভব হয়। আর যদি কারো পক্ষে সম্ভব না হয় তবে আমি যেই দিন পারি এই এক থেকে নিয়েনয় তারিখের ভিতরে যে কয়দিন পারি সেই কয়দিন সিয়াম পালন করা। আপনার পক্ষে নয় দিন সম্ভব না। দুইদিন আপনি কি করেন? দুইদিন সিয়াম পালন করেন। একদিন অসম্ভব একদিন পালন করেন। পাঁচ দিন সম্ভব পাঁচ দিন পালন করা। অতএব আমাদের অন্যতম আমল হচ্ছে যে আমার এই নয়টা দিনের ভিতরে আমার সিয়ামের পরিমাণ কি রাখা? বাড়িয়ে রাখা বা সিয়াম বৃদ্ধি করা। সিয়াম রাখার চেষ্টা করা। এবং সিয়ামের ফজিলত আমরা আপনারা জেনেছেন রমজান মাসে জেনে তার একটা হাদিস বলে দিয়ে রাসূল সলাম বলছেন যে মান সমাল্লাহ কেউ যদি একটা দিন আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করার নিয়তে সিয়াম পালন করে আল্লাহ তালা একটা সিয়ামের কারণে তাকে ৭০ বছরের রাস্তার দূরত্ব সমান জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। মানে সহজ কথা সে জাহান্নাম থেকে কি পেয়ে যায়? মুক্তি পেয়ে যায়। এটার সহজ কথা হল যে কেউ যদি একটা দিন আল্লাহর জন্য সিয়াম পালন করে তবে সে জাহান্নাম থেকে কি পেয়ে যায়? মুক্তি পেয়ে যায়। যদি এখানে আল্লাহ তালাকে সন্তুষ্ট করার নিয়তে সিয়াম পালন করে। আর আমরা বললাম যেহেতু এই দিনের আমলগুলো আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। অতএব এই দিনের সিয়ামগুলো আল্লাহ তাআালার কাছে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। তাহলে আমরা কি করব? চেষ্টা করব এই নয়টা দিনে সিয়াম বেশি বেশি পালন করা।




যদি কারো পক্ষে সম্ভব না হয় তবে কমপক্ষে আরাফার দিনে সিয়াম পালন করা। রাসূ সরা আরাফার দিনের সিয়াম্লাহ আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে কেউ যদি আরাফার দিনে সিয়াম পালন করে পূর্বের এক বছরের গুনা আল্লাহ তালা মাফ করে দিবে আমি পূর্বের আমরা আল্লাহতালা অনেক মহব্বত করে এক বছর আমি কত পাপ করেছি আল্লাহতা বলেন তোমার এত পাপয়ে গেছে এত ঘাবলানোর কিছু নেই আমার রহমত থেকে নিরাশ হওয়ার কিছু নেই একটা দিন সিয়াম পালন কর আমি কি করব তোমার পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে তাহলে আমার কমপক্ষে আরাফার দিনের কি করব সিয়াম পালন করব তাহলে এই দিন আবার কি হবে এই দিনের কারণ আমার পূর্বের এক বছরের গুনাহ মাফ হবে এবং আরেকটা যাদের মানে আমরা মনে বলেছিলাম সম্ভব জানিনা এখানে বলতেই পারি যে একটা এবাদতের একটা ফিকের পরিভাষা তাদাকুল বলতে বুঝায় যে একাধিক এবাদতকে একটা এবাদতের ভিতরে প্রবেশ করানো। এটাকে বলা হয় ফিকের পরিভাষায় বলা হয় তাদাখুল বলে। যেমন সোমবারের সিয়াম পালন করে এবং বৃহস্পতিবারের সিয়াম পালন করা। যেহেতু আমাদের এই এক সপ্তাহের ভিতরে এক থেকে নয় তারিখের ভিতরে কি একটা সপ্তাহ থাকবেই। তাহলে আপনি এই দিনে কি করতে পারবেন? আপনি সিয়াম পালন করেন কমপক্ষে সোমবার এবং বৃহস্পতিবার তাহলে এখানে আপনি নিয়ত করেন সাপ্তাহিক সিয়াম এবং সাথে সাথে জুলহজ মাসের সিয়াম এবং এর সাথে আরেকটা নিয়ত যুক্ত মাসিক সিয়াম তিনটা তাহলে আপনার এক সিয়ামে কি হচ্ছে তিনটা সিয়াম এই নেকি আপনি পাচ্ছেন তাহলে কি আপনি সোমবার সিয়াম পালন করবেন নিয়ত প্রথমে এটা হল কি সাপ্তাহিক সিয়াম এরপর আপনি নিয়ত জুলহজ মাসের ওই নয় দিনের একটা সিয়াম এবং সাথে আপনি আরো আরেকটা নিয়ত যুক্ত করেন এটা হচ্ছে কি মাসিক সিয়াম তলে এখানে আপনার তিনটা সিয়াম একসাথে হয়েছে এবং আপনি তিনটার ফজিলত পাচ্ছেন তহলে আমরা যদি কমপক্ষে আমরা তাইলে কি এক যেহেতু সপ্তাহ একটা পড়বে কমপক্ষে আমরা সোমবার করি এবং বৃহস্পতিবার করি এবং সাথে আবার কি করি ও আরাফার দিন জানিনা কিবারে পড়বে যেবারই পড়ুক না কেন সোমবার পড়লে তো আরো ভালো হলো একসাথে কয়েকটা সিয়াম হয়ে গেছে ধরেন তাহলে আপনি এভাবে কি করেন সিয়ামের নিয়ত করে



এরপরে এই দিনগুলো আরেকটা বিশেষ আমল হলো যে বেশি বেশি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার এবং আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা তাহলে আপনি এই দিনগুলো আপনি বেশি বেশি কি করবেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এরপর আল্লাহু আকবার এবং পড়বেন আলহামদুলিল্লাহ যেমন রস রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যেলাহ আল্লাহ তাালার কাছে শ্রেষ্ঠ কোন দিন নেই এবং অধিক প্রিয় কোন আমল নেই এই দিনগুলোর তুলনা অতএব তোমরা বেশি বেশি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করতা এবং তোরা বেশি বেশি আল্লাহ আবার পাঠ করতা এবং বেশি বেশি তোমরা আলহামদুলিল্লাহ পাঠ কর তাহলে আমাদের এটা কি এগুলো আলাদা আমাদের সময় দেওয়া লাগে না আমাদের শুধুমাত্র মানসিক পরিবর্তন হলেই হয় আমি হাটছি রাস্তায় কি বলি আলহামদুলিল্লাহ পড়ি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করে আল্লাহু আকবার পড়ি তাহলে এই দোয়াগুলো পাঠ করলে এগেতো যখন আপনি দোয়াগুলো পাঠ করেন ওই সময় আপনার কি পাপের দিকে কি নজর খুব কম যায় যে আপনার ভিতরে এখন কি আল্লাহর জিকির চলছে তাহলে আপনি সাথে সাথে পাপ রাস্তায় চলছেন রাস্তায় জনিত যে পাপগুলো হয় আপনার পাপগুলো কি আসবে কমে আসবে এবং সাথে সাথে আপনার এইযে আল্লাহ রাসূলের আদেশ যে তোমরা বেশি বেশি কি করো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করো আল্লাহু আকবার পাঠ কর আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করো সুবহানাল্লাহ আরো যে জিকিরগুলো আছে এই দিনে তোমরা বেশি বেশি জিকিরগুলো রাসূ সলাম করতে বলেছেন অতএব আমাদের আরেকটা আমল হচ্ছে যে এই দিনগুলোতে বেশি বেশি জিকির করা যেকোন জিকির বিশেষ করে যেটা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বললাম আল্লাহু আকবার এবং আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা এবং এখানে আরেকটা বিষয় হচ্ছে যে এই জিকির গুলোকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে মানে আপনার হচ্ছে এক তারিখ থেকে নিয়েন তারিখ পর্যন্ত আরাফার দিন পর্যন্ত এবং আরাফার দিন থেকে নাইয়ামে তাশরিক মানে ওই জুলহজ মাসের ১৩ তারিখ পর্যন্ত দুইটা মিয়া দেখেনতো এক থেকে নিয়ে নয় পর্যন্ত এখানে যেকোন জিকির বিশেষ করে এই জিকিরগুলো আছে বা যেকোন সময় এটা জিকির করতে করা যায় এবং ৯য় তারিখ আরাফার দিন সেই দিন থেকে নিয়ে ১৩ তারিখ পর্যন্ত এই দিনগুলোতে বিশেষ করে ফরজ সালাতের পরে জিকির করা এটা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত তাহলে এই প্রথম নয় দিন কি করা যেকোন জিকির যেকোন তাসবি তাহলীল করেন আর অন্যান্য দিনে আপনার বিশেষ করে ওই নয় আরাফার দিনে সেইদিন থেকে নিয়ে ১৩ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত মাগরিব পর্যন্ত বিশেষ করে সালাতের পরে কি করা জিকির আজকার করা আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়তে এটার গুরুত্ব বিশেষভাবে বেশি ছিল তো যেমন এই আমলটার প্রতি সাহাবাদের বিশেষ গুরুত্ব ছিল এই দিনগুলোতে এই জিকিরের প্রতি তাদের বিশেষ গুরুত্ব ছিল যেমন হাদিসে এসেছে কান ইবনে আবু হইরা আবু হুরায়রা এবং ইবনে ওমার তারা এই দিনগুলোতেই এই ১০ দিনে তারা বাজারে চলে যেতে এই ১০ দিনে তারা কোথায় যেতেন বাজারে যেতেন। এরপরে বলছে তারা দুইজন বাজারে গিয়ে তাকবীর দিতেন। আল্লাহু আকবার বলতেন। এবং তাদের দেখাদেখি তাদের তাকবールの দেখাদেখি অন্যান্য মানুষেরা কি করতেন? তাকবীর দিতেন। তারা নিজেেরা আমল করছেন এবং অন্যকে আমল করার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মানে এবং অন্যদেরকে যে এই যে আমরা সবাই জানি যে আমার কথাই যদি কেউ আমল করে তাহলে আমিও কি পাই? সেই সমপরিমাণ নেকি পাই। এইযে আমি ধরেন খুতবা দিলাম। এ আমল এ খুতবা যদি কেউ উদ্বুদ্ধ হয়ে যদি একটু আমল বাড়াই তাহলে আমার এ ভাগে কি আসবে আমলের একটা অংশ আসবে তা আপনি দাওয়াত দেন আপনি মানুষকে বলেন আপনার সাথে একজন আছে আপনি বলেন ভাই দুবার আল্লাহু আকবার পাঠ কর এইযে আপনি দুইবার আপনার কথা পাঠ করল তাহলে আপনি কি হলেন ওই যে শ্রেষ্ঠ আমলগুলো আপনার আমলনামায় চলে আস



এবং সাহাবায়ে কেরাম আল্লাহর রহমতগুলো পাওয়ার জন্য তারা বিশেষভাবে কি চেষ্টা করতেন যেমন কিছু মানে আলেম বা আগের যারা তাবে ছিলেন সাহাবী ছিলেন তাদের ব্যাপারে পাওয়া যায় বা একটা বর্ণনায় পাওয়া যায় যে বিশেষ করে আনাস রাদিয়াল্লাহ ব্যাপারে পাওয়া যায় যে তিনি যখন শুনেছিলেন যে মুসাফা করার মানে নেকি হচ্ছে এটার ফজিলত হচ্ছে যে যখন কেউ মুসাফা করে তখন একজন আরেকজনের থেকে হাত সরিয়ে নেওয়ার আগে তাদের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। এটা হল মুসাফা করার ফজিলত। তো যাতে করে এই ফজিলতটা তারা তিনি পান এজন্য তিনি কি যেখানে মানুষজন বেশি থাকতো সেখানে তিনি যেতেন এবং হাতটাকে তিনি একটু কি নরম করতেন। তেল তেল মালিশ করে তিনি কি করতেন? নরম করতেন যাতে করে এই মুসাফা করার মাধ্যমে তাদের আমলগুলো কি বা এই নেকিটা বা পাপটা যাতে মুছে যায়। এজন্য তারা চেষ্টা করতে এবং এমন কথা পাওয়া যায় যে একজন ব্যক্তি নদীর ওই পাড়ে আপনার মানে হাসি দিয়েছে এবং সে এই পাার থেকে শুনছে হাসি হাসি হাসি শুনেছে এবং যখন সে শুনেছে আলহামদুলিল্লাহ তখন সে ওই জবাব দেওয়ার জন্য গেছে যাতে করে সেও কি পায় জবাব পায় সেম আল্লাহ বলবে এরপরে কি আল্লাহতালা রহমত তালাশ একজন আরেকজনের আল্লাহ রহমত চাওয়া পরস্পরের প্রতি রহমত চাওয়া রহমত পাওয়ার জন্য তারা এই জবাব দিতে চলে যাতে করে সেই ভাইয়ের তিনি কি পান দোয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে সে দোয়ার কারণে যাতে করে তার উপর আল্লাহর রহমত নেমে আসে। এজন্য তারা কি? নৌকা নিয়ে তারা কি ওইখানে গিয়ে তারা আবার জবাব দেন। এতটা তাদের ভিতর আমলের প্রতি কি ছিল? প্রতিযোগিতা ছিল। আল্লাহর রহমত পাওয়ার জন্য তাদের এতটা ব্যাকুলতা ছিল। এজন্য এইযে এখানে বলছে ইবনে ওমর এবং আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহ। তারা দুইজন বাজারে চলে যেতেন। বাজারে গিয়ে তারা অন্য কোন উদ্দেশ্যে ছিল না। শুধুমাত্র তারা তাকবীর পাঠ করবেন এবং তাদের তাকবীর শুনে অন্যান্যরাও তাকবীর পাঠ করবে। এই একটাই উদ্দেশ্যে তারা কোথায় চলে যেতেন? বাজারে চলে যেতেন। এভাবে এভাবে তারা মূলত নেকি পাওয়ার আমল বৃদ্ধি করার প্রতি তারা এভাবে গুরুত্ব দিতেন বা তাদের বিশেষ মনোযোগ ছিল।



এরপরে এ মাসের আরেকটা আমল হচ্ছে যে যারা কুরবানি প্রদান করতে ইচ্ছুক তারা চাঁদ উঠার আগেই নখ চুল বা শরীরে যেগুলো কি কাটার দরকার সেগুলো কেনে ফেল বিশেষ করে আমরা বললাম যে কাল অথবা পরশু আজকে যেহেতু ২৭ তারিখে ২৮ ২৯ তাহলে আমাদের কি যারা কুরবানি করতে ইচ্ছুক তাদের আগামীকাল এবং পরশুর ভিতর আমাদের যে সমস্ত শরীর যা কিছু পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার দরকার সেগুলো আমাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ফেলতে হবে। যেমন রাসূ স বলেছেন যখন দশম দিন দশম যখন প্রবেশ করবে এবং যখন তোমাদেরকে কুরবানি করতে চাইবে সে যেন তার চুল না কাটে। এবং শরীরের কোন অংশ যেন কর্তন না করে। চুল বা যে কোোন অংশ যেন কর্তন না করে। তো এজন্য কুরবানি করা পর্যন্ত এগুলো কি করবে না? সে নড়ি দাড়িতো কোন সময় কাটা যায় না। মার যে সমস্ত জিনিসগুলো কি করত? বন্ধ জুবা বলছেন যখন এই দশম দিন প্রবেশ করত এই ১০টা দিন যখন প্রবেশ করত অর্থাৎ জুলহাজ প্রবেশ করত তিনি এতটা বেশি আমল করতেন মনে হ তার কি পুরা শক্তি ব্যয় করে চারজন শক্তি তাহলে আমাদের কি করতে হবে এই দিনগুলোতে আমাদের এতটা শক্তি ব্যয় করতে হবে যেন মনে হবে আমাদের এর বাইরে আর অন্য কোন কি আমলের ক্ষমতা আমাদের সময় মোটামুটি শেষ দিকে এরপর আমরা আরেকটা বলব যে বিশেষ করে আরাফার দিন আরাফার দিনটা আল্লাহর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এই দিন আল্লাহ তালা অসংখ্য মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দেন আরাফার দিন আল্লাহ তালা কি করেন অসংখ্য মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দেন এবং এই দিনের জিকির আজকে আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয় এবং এই দিনটা আল্লাহকে সবথেকে সবথেকে বেশি মানে এইযে ১০টা দিন বললাম সবথেকে উত্তম এই উত্তম ১০ দিনের ভিতরে আরো উত্তম দিন হচ্ছে কোনটা আরাফার দিন এই দিনটা আল্লাহ কাছে খুবই প্রিয় এবং এই দিনে আল্লাহ তালা দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন এবং বান্দাদের নিয়ে গর্ব করেন বলে এটা আমার বান্দা এইযে যখন আমরা আগেই বললাম যে আল্লাহ তালা যখন মানুষ সৃষ্টি করলেন তখন ফেরেশতার আপত্তি জানিয়েছিল কিন্তু আল্লাহ তালা বলেছেন যে না এরা আমার কি বিশেষ সৃষ্টি এদের সাথে আমার বিশেষ মহাব্বত আছে। এদের সাথে আমার বিশেষ ভালোবাসা আছে। অতএব এর সাথে এই সৃষ্টির ব্যাপারে তোমরা আপত্তি তুলতে যেও না। তো এজন্য আল্লাহ তালা বিভিন্ন সময়ে বান্দাদের নিয়ে কি করে? মানুষকে নিয়ে ফেরেশতাদের সামনে গর্ব করেন। যে দেখ তোমরা তো নিষেধ করেছিলে আমার অমুক বান্দাকে দেখো যে তারা কি করছে? আমল করছে। নেকির কাজ করছে। তওবা করছে। আমার কাছে ফিরে এসেছে। তাদের ভিতর খারাপ আমল করার বা খারাপ কিছু করার মানে শক্তি দেওয়ার পরে তারা সেই শক্তিকে খারাপে না ব্যয় করে আমার কাছে ফিরে এসেছে আর তোমাদের তো সে শক্তি দেওয়া হয় নাই তোমাদের সাথে এদের কি হবে না কোনদিন তুলনা হবে না তো আল্লাহ তালা যেহেতু মানুষকে খুব ভালোবাসেন মহব্বত করেন এবং এই মহব্বত টিকিয়ে রাখা আমাদের দায়িত্ব এজন্য আল্লাহ তালা খুব ছোট্ট আমলে মানুষের প্রতি কি অনেক বেশি খুশি হয়ে যায়। তো আল্লাহ তাআলা এই দিনে আরাফার দিনে তিনি দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন এবং বান্দাদের নিয়ে গর্ব করেন এবং অসংখ্য মানুষকে সেইদিন আল্লাহ তালা জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন। এজন্য আমাদের বিশেষ করে আরাফার দিনটা আমাদের খুব গুরুত্ব দিয়ে আমল বাড়াতে হবে। সিয়ামের সাথে অন্যান্য আমল বাড়াতে হবে। জিকি বাড়াতে হবে। আমাদের তওবা বাড়াতে হবে। আল্লাহর কাছেগফার বাড়াতে হবে। যেহেতু আল্লাহ তালা নিচে চলে আসেন নেমে আসেন তারপরে আল্লাহ তালা বলেন যে তুমি বান্দা একবার আমার কাছে ফিরে আসো তওবা করো আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিচ্ছি একবার ক্ষমা চাও আমার কাছে আমি তোমার কাছে এসেছি তুমি আমার কাছে কি চাও ক্ষমা চাও আমি তোমাকে ক্ষমা করতে প্রস্তুত তো এইদিন বিশেষ করে আরো আমরা জানি যে সিয়াম অবস্থায় যদি দোয়া করা হয় এই দোয়াটা আরো বেশি আল্লাহর কাছে কি সহজে কবুল হয়ে যায় এজন্য আমরা বিশেষ আরাফার দিনটা আমাদের যেন সাধারণ দিন হিসেবে গ্রহণ না করে এটা আমার বিশেষ অনুরোধ থাকবে আপনাদের প্রতি এ দিনটা আমরা বিশেষ দিন হিসেবে গ্রহণ করি এবং এটার প্রতি আমাদের আমল বাড়াই জিকির আজকে আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করুন আমিন