লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: কুরবানী ও তার মাসআলা

কুরবানী ও তার মাসআলা



ইন্নালহামদলিল্লাহ নাহমাদুহুবিল্লাহিনাল্লাহলা ও আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহ আনা মুহাম্মাদান আবদুহ রাসুল আইহনাজ্লাহ ইন্নাল্লাহা আলাইকুম রাকিবা ইয়া আইুহাল্লাজনাত্লাহ্লাহ্লাহলাহসলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানলাম সম্মানিত মুসল্লি কেরাম আমি আমার নিজেকে আপনাদেরকে আল্লাহ তাকওয়া অবলম্বন করো জানাচ্ছি। যেই তাকওয়া অবলম্বন করার নির্দেশনা আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম আমাদেরকে দিয়েছেন। এই তাকওয়ার দাবি হচ্ছে আল্লাহ তাআলা যেখানে সন্তুষ্টি আছে তা খুঁজে নেয়া। আর তাকওয়ার দাবি হচ্ছে আল্লাহর অসন্তুষ্টি যেখানে আছে সেখান থেকে দূরে থাকা। আল্লাহ তাআলা কোরআনে কারীমে এবং রাসূল তার হাদিসে আমাদেরকে যে সমস্ত নির্দেশনা দিয়েছেন সেগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খুপে মেনে চলা ঈমানদারের দায়িত্ব। আর যেগুলো থেকে নিষেধ করেছেন সেগুলো বর্জন করা ঈমানদারের দায়িত্ব। ঈমানদার প্রতিটি কথাও কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি খুঁজে আর প্রতিটি কথাও কাজে চিন্তা করে কোথায় না আল্লাহর নাফরমানিতে পড়ে যাই।



এজন্য আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন সব কাজ আমরা করি যেগুলিতে অনেকেই এমন সব কথা বলি যেগুলিতে অনেকেই খেয়াল রাখি না। এটা কি আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধান হচ্ছে কিনা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন, মানুষ কখনো কখনো এমন কোন কথা বলে সে মনে করে না খুব বড় কিছু বলেছে কিন্তু আল্লাহর কাছে এটা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় যে এটার কারণে সে সে আল্লাহর কাছে খুব প্রিয় পাত্র হয়ে যায় জান্নাতে যাওয়ার জন্য তার যোগ্য ব্যক্তি হয়ে যায় আবার কখনো কখনো এমন সব কথা বলে এমন কোন কথা বলে যা মনে করে নাই যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বলেছে বা ক্ষতিকর কিছু বলেছে কিন্তু যার কারণে জাহান্নামে ৭০ ভিতরে পড়ে তত বছর দূরত্বের ভিতরে পড়ে যায় জাহান্নামে সাফা এর অর্থ হচ্ছে আমাদের প্রতিটি কাজ ও প্রতিটি কর্ম যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয় সে চিন্তা সবসময় করতে হবে প্রতিটি মানুষের সেটা দায়িত্ব যেখানে আছি সেখানেই এই দায়িত্ব পালন করতে হবে নিজের জন্য অপরের জন্য যখনই কথা বলব চিন্তা করব যে আমি আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধান করার জন্য তা করছি কিনা আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধানের জন্য হলে সেটা এবাদত হবে আর যদি এমন সব কথা হয় যেগুলি আল্লাহর শরীয় বিরোধী দ্বীন বিরোধী সেগুলি তার জন্য বিপদের কারণ হবে বেশিরভাগ মানুষ দুনিয়ার বুকে এমন সব কথা বলে এমন সব কাজ করে যেগুলির চিন্তা সে করে না যেগুলি তার জন্য লেখা হচ্ছে অথচ প্রতিটি মানুষে যখন কথা বলে প্রতিটি মানুষ যখন কোন কাজ করে ফেরেশতা অতন্দর পরে ফেরেশতা সেটা লিখে রাখছে তাদের হাত থেকে কিছুই বাদ যাচ্ছে না। এমনকি আল্লাহ তালা বলছেন তোমরা যা করো তা তারা জানতে পারে। এজন্য আপনার চারপাশে ফেরেশতারা রয়েছে। আপনার সামনে পিছনে ফেরেশতা রয়েছে। অন্তত আপনি এটা বুঝা উচিত যে আপনি যা ইচ্ছা তা করতে পারেন না।



অনেকেই অনেক নেক আমল শুনেছে করে। কিন্তু সেগুলি নেক আমল কিনা সেগুলো শুদ্ধ হয়েছে কিনা সেগুলো খোঁজখবর রাখে না। একটা মৌসুম আসছে আমাদের সামনে। মৌসুমটা হচ্ছে হজের মৌসুম। খুব কাছে সেটা হজের মৌসুম শুরু হয়। জিলহজের ১ তারিখ থেকে সেটার কর্মকাণ্ড শুরু হয়। জিলহজের ১ তারিখ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত এমনকি ১৩ তারিখ পর্যন্ত আপনাকে তাকবীর দিতে হয়। আল্লাহু আকবার। আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আল্লাহু আকবার। আল্লাহু আকবার। এটাই হচ্ছে নিয়ম। আর ৯ তারিখ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত সেটা হচ্ছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মানে বেশি বেশি সুন্নাহ মুয়াক্কাদা সেটা বেশি বেশি বলতে হয়। কিন্তু এমনিতে ১ তারিখ থেকে আছে। তারপর আরো কিছু কাজ আছে। আরো কিছু কাজ আছে। তার মধ্যে আছে বেশি বেশি করে তাসবি পাঠ করা। বেশি বেশি করে তাকবীর দেয়া, বেশি বেশি করে তাহলিল পাঠ করা। রাসূুল্লাহ আমাদেরকে জানিয়েছেন অর্থাৎ এই দিনগুলোতে আপনি বেশি বেশি এবাদত করুন। আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন ইমাম বলেছেন বলতে ১০ দিন বুঝানো হয়েছে জিলহজের এটা একটি মত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন এই ১০ দিনে এমন সময় এবাদত করা হয় যেগুলো নিজের জান দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করার ব্যতীত অন্য কোন আমলের চেয়ে বেশি উত্তম অন্য কোন দিন আমলের চেয়ে বেশি উত্তম হয় না এই সময়গুলোতে বেশি করে এবাদত করতে হয় সেই দিনগুলো এবাদতের মধ্যে একটি এবাদত হচ্ছে কোরবানি।



যে কোরবানি নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি কোরবানি শব্দটি আমরা খুবই প্রসিদ্ধ শব্দ হিসেবে জানি কোরবানি কোরবানি অর্থ হল কোন কিছু উৎসর্গ করা উৎসর্গ করা অর্থাৎ আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করেন আপনি আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন কোরআনে কারীমে রব্বিক আপনার রবের জন্য সালাত আদায় করুন এবং কোরবানি করুন নাহার করুন নাহার উঠে করা হয় আর জবাই করা হয় ছাগল এবং গরুকে নাহার অর্থ হচ্ছে তিন পা বেধে এক পা বেঁধে রাখা তিন পা দাড় করে রাখা যাতে করে সে পড়ে যায় যখনই তাকে আঘাত করা হবে তার হাতে যে ছুরি থাকে তা দিয়ে এখানে আঘাত করা হয় দাঁড়ানো অবস্থায় এটা বলা হয় নাহার উটকে শুয়ে জবে করতে হয় না উটকে দাঁড়ানো অবস্থায় নাহার করতে হয় এটা সুন্নাত রস আদর্শ তো যখন এখানে আঘাত করা রক্ত পড়তে আর তখন সে পড়ে যায়। এক পাতার বাধা আছে সে আর হাটতে পারে না। এজন্য এটাকে বলা হয় নাহার। এটা উটের জন্য বলা হয়েছে নাহর। কিন্তু গরু এবং ছাগল ইত্যাদি না সেটা হচ্ছে জবাই। জবাই নিয়ম। রাসূুল্লাহ যেভাবে করছেন সেভাবে করতে হয় সেটা আমরা শিখব ইনশল্লাহ।



আল্লাহ তালা বলছেন শব্দ হচ্ছে রব্বিকা অর্থাৎ আল্লাহর জন্য। আল্লাহর জন্য আপনাকে কাজটি করতে হবে। পরিবারে কি বলবে না কোরবানি না দিলে খেতে পারবে না ছেলে পুলে কি বলবে মানুষে কি বলবে ওটার জন্য নয় একমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য আল্লাহর নির্দেশকে প্রতিপালন করার জন্য তা আদায় করতে হয় এটা প্রমাণ করে যে আপনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি আল্লাহ আপনাকে সম্পদ দিয়েছেন সেজন্য আপনি সেটা করছেন। আর দ্বিতীয়ত আপনি করবেন এইজন্য আল্লাহর নিদর্শনগুলো সম্মান জানাতে আল্লাহর নিদর্শনকে সম্মান জানাতে অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা বলেছেন কোরআনে কারীমেলা উটগুলোকে উট বলেছেন অর্থ হল এর সাথে জীবন যেগুলো দিয়ে কোরবানি সবগুলোর অধীন মিনশল্লা আল্লাহ নিদর্শন নিদর্শন কি হিসাবে জবাই হিসেবে আল্লাহ নিদর্শন হবে এই জবাই করবে সবাই একই সময়ে একই কয়েকটি দিনের মধ্যে প্রত্যেকে জবাই করবে আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ এবং আল্লাহর দ্বীনকে বুলন্দ করে আল্লাহ তার নিদর্শনকে সবার কাছে তুলে ধরার জন্য তারা এই কোরবানী করবে। আল্লাহ তালা বলছেন এটা এইজন্য যে যারা আল্লাহর নিদর্শনকে সম্মান করবে সেটা তার অন্তরে তাকওয়ার বলে প্রমাণ পাওয়া যাবে। সুতরাং দুনিয়ার কোন উদ্দেশ্য হতে পারবে না। যারা সালাত আদায় করে না তাদের কোরবানি কবুল হবে না। যারা সালাত আদায় করে না তাদের কোরবানি দেয়ার কোন মানে হয় না। সালাত হচ্ছে ফরিদা। সালাত হচ্ছে ঈমান। যদি সালাত না পড়ে তার কোরবানি দেয়ার কোন দরকার নেই। এটা অবশ্যই আপনি তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিবেন। এজন্য আল্লাহর নিদর্শনকে যে ব্যক্তি সালাতকে সম্মান দিতে পারে নাই সেই ব্যক্তি কোরবানি দিয়ে কি সম্মান দিবে? সালাতকে সম্মান সালাতকে আগে সম্মান দেখাতে হবে।



দ্বিতীয়ত এই কোরবানির উদ্দেশ্য হচ্ছে তাকওয়া। গোসত নয়। আল্লাহ তালা বলেছেন কোরআনে কারীমেলা আল্লাহতালা তোমাদের গোসত পান না। তোমাদের রক্ত পান না। তোমাদের তাকওয়া তিনি শুধুমাত্র তোমাদের তাকওয়াটা পান। অর্থাৎ তোমরা আল্লাহকে ভয় করেছ। এটা আল্লাহ দেখেন। এটা আল্লাহ বুঝেন। আল্লাহ এটা নিয়েই তোমাদের পুরস্কৃত করবেন। সূরা হাজের ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ সেটা বলেছেন। চতুর্থ যে কারণে আমরা এই সুন্নতটা পালন করি তা হচ্ছে সুন্নতে ইব্রাহিম আলাইহি সালাতু সালাম। ইব্রাহিম আলাইহি সালাতু সালাম সুন্নতকে জীবিত করানোর জন্য। আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন আমরা ইস্মাইলকে ফিদিয়ে দিয়েছি। মহান এক জবিহা দিয়ে জবে দিয়ে আল্লাহ তালা সেটার মাধ্যমে আমাদের কে এই সুন্নতের উপর রেখে দিয়েছেন সে সুন্নতটা আমরা প্রতিপালন করে থাকি রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন আলা ইব্রাহিম তোমাদের পিতার ও হিসেবে তোমরা সেটা আদায় করে থাকো সূরা সত নম্বর আল্লাহ বড় ইব্রাহিম করেছেন সেটাই আমরা প্রতিবছর স্মরণ করে থাকি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম বলেছেন মানজলা যা সামর্থ্য আছে তারপরও কোরবানি করলো না। সেই ব্যক্তি যেন আমাদের মুসল্লার কাছেও না। সে ইবনে মাজ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আহমদ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং এর সনদ হাসান।



ষষ্ঠ হাদিস হচ্ছে রাসূলুল্লাহ সাললা বলেছেন রাসূুল্লাহ সালাতা আদায় করেছেন নিজে হাদিসটি হচ্ছে দহা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম বেকাবশনে আমলাইনে আকরাইনি রাসূুল্লাহ সলা কুরবানি করেছেন দুটি ছাগল দিয়ে আমলাহাইনে দেখতে অত্যন্ত সুন্দর আত্রইনে এবং যেগুলো সিং ছিল আমলাহাই আরো অর্থ আছে সেটা অর্থ হচ্ছে যে সেটা তার নিচের ভাগ সাদা উপরের অংশ কালো গোসত সাদা চোখের পাশে তার সাদা ছিল এটাকে আম মালিক ধরা হয় ছাগলের মধ্যে রাসূুল্লাহ এরকম সুন্দর জিনিস দিয়ে তিনি দুটি ছাগল দিয়ে কোরবানি দিয়েছেন অন্য বর্ণনা আসছে মাজুনি অর্থাৎ হাসি করা দুটি ছাগল দিয়ে কোরবানি দিয়েছে।



সপ্তম যে হাদিসটি আমরা দেখি সেটা হচ্ছে রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন যখন যখন প্রথম ১০ দিনে ঢুকে জিলহজের তোমাদের কেউ কোরবানি করতে চায় সে যেন তার তার শরীরের কোন চুল না কাটে এবং কোন চামড়ার অংশ না তুলে ফেলে। মুসলিম হাদিস মুসলিম বর্ণনা করেছেন আরেক হাদিসে এসে রাসূুল্লাহ বলেছেন আলা কুল্লে আহলেবা প্রতিটি পরিবারের উপরে কোরবানী রয়েছে হাদিসটি শাখুল আল বানানী সহী বলেছেন সহ জামে সহ জামে তাই উল্লেখ করেছেন সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আমরা বুঝতে পারলাম যে কোরবানী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আদর্শ কোরবানী ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওস সালামের যুগ থেকে চলে আসছে এই কোরবানি বা যেটাকে ওদহিয়া মূলত আরবি শব্দ আমরা কোরবানি বলি আমরা আল্লাহর নৈকট্যের জন্য দেই এজন্য কোরবানি শব্দ ব্যবহার করি কারণ কোরবানি শব্দ কোরবা থেকে আল্লাহর কাছে নৈকট্য অর্জন যেটা দেয়া হয় সুতরাং আমরা এদেশে যা দেই আমরা বলি এটাকে কোরবানি আর যারা হাজিরা দেয় এটাকে বলে হাদি হাজিরা দেয় হাদি আর আমরা দেই কোরবানি হাজীরা হাদি দেয় দুইটার হুকুম একই কাছাকাছি অর্থাৎ হাদি দিতে হয় শুধু হারাম এলাকায়। হাদি দিতে হয় শুধু হারাম এলাকায়। অর্থাৎ মক্কা, মিনা, মুজদালেফা এর বাইরে আর কোথাও জবাই করলে সেটা গ্রহণযোগ্য হয় না। কিন্তু কোরবানি সারা বিশ্বের সর্বত্র আপনি কোরবানি দিতে পারবেন। হাদিদের জন্য যে হাদি সেটা শুধুমাত্র তারা মক্কা, মিনা এবং মুজদালিফায় দিতে পারবে। আরাফায় দিলেও গ্রহণযোগ্য হবে না। আর হাজির হাদি আসে তামাত্ত এবং কেরান হাজির উপরে যে মুফরেদ হাজী শুধু হজ করেছে তার উপর হাদি আসে না। তারপর হাদি দিতে হয় না তার। কিন্তু কোরবানিটা সবার জন্য যার সামর্থ্য আছে তার উপরেই সেটার সেটার বিধান রয়েছে।



কোরবানির বিধান কি? আসলে জমহুর বলেন যে এটা সুন্নাহ। সুন্নাহ অর্থ হচ্ছে আপনি করলে সওয়াব পাবেন না করলে আপনি গুনাহ হবে না আপনার কোন গুনাহ হবে না এবং এটা অধিকাংশ সাহাবী তাহাবিদের মত অধিকাংশ সাহাবী তাবিদের মত এটাও এটা ফকিদের বেশিরভাগ ফকির মত এটা যে এটি সুন্নাহ তবে মুয়াক্কদা তাকিদ দেয়া হয়েছে এরকম সুন্নাহ কারণ রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন যখন ১০ দিনে তোমরা প্রবেশ কর প্রবেশ করবে অর্থাৎ প্রথম ১০ দিনে তখন যখন প্রবেশ করবে জিলহজের তখন তোমাদের কেউ যদি কোন কোরবানি করতে চায় তাহলে বোঝা গেল যে কোরবানী করাটা বাধ্যতামূলক নয়। তো এই হিসেবে শব্দ এটা থেকেই আলেমরা নিয়েছেন যে এটা সুন্নাহ মুয়াক্কা ফরজ ওয়াজিব না। ইমাম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাই বলেছেন যে এটা ওয়াজিব। মালেকও এই মতের পক্ষে গিয়েছেন। ইবনে তাইমিয়া রহমাতুল্লাহ আলাই এই মতটিকে সমর্থন করেছেন। কারণ হাদিসে কিছু শব্দ আছে যা দ্বারা দেখা যায় যে এটার প্রতি রাসূুল্লাহ গুরুত্ব দিয়েছেন। সুতরাং এটাকে কোনভাবেই কোনভাবে ইগনোর করার চিন্তা করবেন না। সামর্থ্য থাকলে দিবেন। কারণ যাতে করে আপনি কোন ওয়াদের ভিতরে না পড়েন সেই চিন্তা করবেন। তবে ঋণ করে কোরবানি করার কোন দরকার নেই। যাদের ঋণ আছে তারা কোরবানি করবে ঋণ পরিশোধ করবেন আগে আর যদি কোন কোরবানি করতে হয় অনুমতি নিতে হবে যে ঋণ দিয়েছেন তার থেকে যে আমি কি কোরবানি করব কিনা কারণ ঋণ ঋণের ভয়াবহতা অনেক বেশি ঋণ আদায় করা ফরজ কোন সন্দেহ নাই এর জন্য শাস্তি হবে কোরবানির জন্য আপনার তো শাস্তি হবে না সুতরাং আপনি সেটার জন্য কোরবানির ব্যাপারে কোরবানির চেয়েও ঋণের গুরুত্ব বেশি দিতে হবে অনেকে সালাত আদায় করে অনেকে ইসলামের অন্য কোন রোপণ মেনে চলে না। শরীয়ও মানে না। আল্লাহর বিধান মানে না। এবং আল্লাহর বিধানের ব্যাপারে তাদের কথা বলতে কোন দিদা হয় না। যা মুখে আসে তাই বলে দিচ্ছে বিভিন্নভাবে। অথচ কোরবানির সময় আসলে কোরবানি করার জন্য ব্যস্ত হয়ে যায়। এরা আসলে শরীয়ত বুঝে নাই। টিন মানেনি। এরা নিজের মন মত চলে অভ্যস্ত। এরা শরীয়তের মনে করে না। তারা শুধুমাত্র গোশতের চিন্তা করে। আর যারা গোস্তের চিন্তা করে সেই ব্যক্তি তো কোরবানি তার দ্বারা কোরবানি হয়নি গোসত খাওয়া হয়ে যাবে।



কোরবানি বা কোরবানি কার উপরে কার উপরে সেটা দিতে হয় এক নম্বর মত হচ্ছে এটা প্রথম মত হচ্ছে এটা যে যার সামর্থ্য আছে সামর্থ্য বলতে বুঝায় সামর্থ্য বলতে শাফিয়াদের নিকট এবং হানাবেলাদের নিকট তার নিজের এবং পরিবারের চলার মত টাকার বাইরে যেই টাকা হবে এটা দিয়ে যদি কোন একটি ছাগল বা একটি গরু বা ছাগলের মধ্যে একটা অংশে আপনি শত অংশের এক অংশ কিনতে পারেন তাহলে সেটাতেই আপনি অংশীদার হতে পারবেন এটি আপনার জন্য কোরবানি তার তার কোরবানি দিতে হবে মানে তার জন্য কোরবানি রয়েছে আরেকটি মত হচ্ছে নেসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী হতে হবে এই মত ইমাম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাই কোন সন্দেহ নাই এই মতটি অত্যন্ত বেশি বেশি বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে কারণ নেসাব পরিমাণ সম্পদ সবার উপর আসে না অনেক সময় মানুষের হাতে অর্থ থাকে রাসূুল্লাহ পরিমাণে শর্ত দেননি তিনি বলছেন মান যার সামর্থ্য আছে সামর্থ্য বলতে বুঝায় নিজের এবং পরিবারের যখন আপনার প্রয়োজন পূরণের পরে অর্থ থাকে সেটা দিয়ে আপনি কোরবানি দিতে পারবেন কোন সমস্যা নেই।



অনেকে প্রশ্ন করেন যে কোরবানির টাকা দিয়ে দেয়া উত্তম নাকি কোরবানি করা উত্তম নিঃসন্দেহে এটা একটা নীতি হিসেবে নিবেন। যেই জিনিসের আলাদা হুকুম আছে আলাদা দেয়া উত্তম। অর্থাৎ আপনি জানি যে কোরবানি করলে এই সময় আলাদা কিছু লাভ আছে। মানুষের একটা মানুষকে দিলে মানুষ গোসত খেতে পারবে এবং একটা ছাড়ায়ের জীবিত হবে। আল্লাহর নিদর্শনটা পুনর্জীবিত হবে। মানুষের কামনে মানুষের কাছে সেটার বিনিয়বিধান জানা যাবে। তো সেখানে অবশ্যই উত্তম হচ্ছে কোরবানি করা, সদকা করার চেয়ে কারণ সদকা তো সারা বছর আপনি করতে পারবেন। কিন্তু কোরবানি তো সময় নির্ধারিত। আর কোরবানির সাথে অনেকগুলো বিধান জড়িত। যেখানে বিধান প্রতিপালিত সেটা উত্তম সেটা যারা যা সারা বছর করে তা থেকে। এজন্য অনেকেই বলে যে হজ করার চেয়ে হজ করার চেয়ে এই টাকা দান করা উচিত। তারাও ভুল করছে। কারণ হজ হচ্ছে বছরে একবার দাম তো সারা বছরে করতে পারে। হ্যাঁ। কখনো যদি কোন কোথাও বড় ধরনের অসুবিধা হয় মানুষের ভিতরে খাবারের অসুবিধা হয় খাবার পাওয়া যায় না। তখন সেটা নফল হজের চেয়ে ব্যক্তির উচিত তখন বেশি করে দান করা মানুষ ব্যক্তি একক। তখন একক উপকারের চেয়ে ব্যাপক জন জনগণের উপকারের দিকে সে তাকাবে। কিন্তু যাদের এইটা উদ্দেশ্য যারা সারা বছরই দান করে হজও করবে তারা আসলে ভালো কাজ উভয়টাই করবে। সব রকমের নিজের জন্য করবে সবার জন্য করবে এটা সবচেয়ে উত্তম তবে কোরবানির মধ্যে অবশ্যই কোরবানির মধ্যে উত্তম হচ্ছে কোরবানি করা তার টাকা সদকা করা নয় তার টাকা সদকা করা নয় যারা অনেক একটা বিরাট গোষ্ঠী আছে যারা এই কোরবানির সময় আসলেই দেখবেন যে আলোচনা তুলছে যে এতগুলি প্রাণী হত্যা হয়ে যাচ্ছে এরা যেন আর কোনদিন ছাগলও খায় না গরুও খায় না এ সুদ দোষটা শুধুমাত্র আমাদের কোরবানি হয়ে গেল এরা হচ্ছে বিভ্রান্ত। এরা বিভ্রান্ত। এরা আল্লাহর শরীয়তের প্রতি নিজেকে বিনয় করতে তুলে তুলে ধরতে পারে নাই। আল্লাহ রাসূলকে তাদের আদর্শ হিসেবে মেনে নিতে পারে নাই। এবং কোরআন এবং সুন্নাহর প্রতি তাদের কোন ভালোবাসা নেই। তারা শুধুমাত্র নিজের বিবেক নিয়ে চলছে। এরা বেশিরভাগ এরা বেশিরভাগ পথভ্রষ্ট ছাড়া কিছুই নয়। এদেরকে প্রতিহত করুন।



এজন্য কোরবানী করা এখন গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। যখনই যেখানে দেখবেন সুন্নতের অবমাননা হচ্ছে। সুন্নাত নিয়ে উচ্চবাচ্য করেছে সেখানে সুন্নত তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা করা এটা আহলে সুন্নাতল জামাতের লোকদের দাবি এবং সেটা করতে হয়। ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল এজন্য বলতেন কোন এলাকার মানুষ যদি কোন তাদের মধ্যে জানা না থাকে যে এই বাচ্চাদেরকে খতনা করানোর বিষয়টা জানা না থাকে সেটা জানানোর জন্য হলো লোক ডেকে বলতে হবে যে আমাদের অমুককে আজকে খতনা করাবো তোমরা জেনে নাও। অর্থাৎ ঘোষণা দিয়ে খতনা করা যাবে। কেন? যাতে করে সুন্নতটা প্রচার প্রসার লাভ করে। এজন্য তিনি সে এই খতনার জন্য দাওয়াত দেওয়া অনুমোদন করেছেন এজন্য যাতে করে এটা খতনা সুন্নত সবাই বুঝতে পারে। কারণ এমন একটা সময় আসতে পারে মানুষ সেটাকে সেটাকে আর কাজ সেটার ব্যাপারে গুরুত্ব দিবে না। এজন্য সুন্নাহ যেখানে সুন্নাহ যেখানে বাদ পড়ে যাওয়া আশঙ্কা হয়ে যায় সেখানে সুন্নাহকে উজ্জীবিত করার দায়িত্বের ভিতরে পড়ে যায়। এজন্য কুরবানি করবেন সময় সামর্থ্য থাকলে কোরবানি করবেন এবং নিয়ত পরিশুদ্ধরা কোরবানি করবেন টাকা সদকার যে কথা বলা হয় সেটা এ সম্বন্ধে সারা বছরে সেটা করা যাবে।



মুসাফির এবং হাজী তিনি কি কোরবানি করবেন কিনা শাফ হানাবেল এবং জাহেরিয়াদের মতে যদি সম্পদ থাকে যদি তার সম্পদ থাকে দেশে তাহলে তিনি কোরবানি করবেন একদিকে তারা সুন্নত বলেছেন ওয়াজিব বলেন না আর যদি তারা সুন্নতকে তারা উজ্জীবিত করতে চেয়েছেন, জীবিত করতে চেয়েছেন। এজন্য তারা বলেছেন যে সুন্নত তিনি সেটা সুন্নত। এই সুন্নত তিনি সফরে থাকলেও তার দেশে টাকা থাকলে তাকে ওসিয়ত করে যাবেন যাতে করে এই সুন্নতটা আদায় করা হয় এবং কোরবানি দেয়া হয়। এটা সুন্নত হিসেবে তারা বলেছেন। ইমাম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাই বলেছেন শুধুমাত্র মুকিমের উপরেই শুধু কোরবানি যিনি মুসাফির বা হাজী আছেন তার উপরে কোরবানি নাই। তিনি ইচ্ছা করলে দিতে পারেন না দিলেও সুন্নত হিসেবে হবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম তিনি সফরে থাকার পরে আবার তিনি কোরবানি করেছেন এমনটা তিনি দেখা যায় না। কিন্তু হাদিসে দেখা যাচ্ছে তিনি করেছেন। এটা আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ মত হল আমরা দেখতে পাই যে রাসূুল্লাহ সাল্লাম সফরেও কোরবানি করেছেন। তাহলে বোঝা গেল যে কোরবানি সফরেও করা আপনার সুন্নত। তো ওয়াজিব যদি আমরা না বলি।



কোরবানির শর্ত হচ্ছে গৃহপালিত যৌতু দিয়ে হতে হবে। অর্থাৎ কোরআনে বর্ণিত ৮ শ্রেণী। ৮ শ্রেণী মানে চারটা ডবল অর্থাৎ সেটা ছাগল পুরুষ নারী পুরুষ নারী না মানে মেয়ে এবং কি বলে নরমাদি ছাগল ভেড়া ওট গরু। ছাগল ভেড়া ওট গরু এর মধ্যে গরুর ভিতরে মহিষ ঢুকবে। কারণ মহিষ গরুর অন্তর্ভুক্ত। মহিষ গরুর অন্তর্ভুক্ত। এর বয়স হচ্ছে যে উটের উটের জন্য ৫ বছর হতে হবে। আর গরুর জন্য ২ বছর হতে হবে। ছাগলের জন্য ১ বছর হতে হবে। শুধু ভেড়ার ব্যাপারে ৬ মাস পার হতে হবে। ৬ মাস পার হইছে। সকম ৬ মাসের ভিতরে থাকতে হবে না। ৬ মাস পার হতে হবে। ঠিক অনুরূপভাবে ছাগলও ১ বছর পার হতে হবে। একদিন হলে বেশি হতে হবে। অনুরূপভাবে গরুও ২ বছর পূর্ণ হতে হবে। একদিন হলে বেশি হতে হবে। অনুরূপভাবে উটের ব্যাপারও ৫ বছর পূর্ণ হতে হবে। এগুলি হচ্ছে এই বয়স এর নিচে। এখন যেগুলো অনেকগুলো গরুকে মোটা তাজা করে দেয়া। দেখা যায় বিশাল দেখা যাচ্ছে। বয়সের খেয়াল করেন না। আপনারা মনে রাখবেন যে আপনাদের কোরবানি পাবেন। ২ বছর পূর্ণ হতেই হবে। ২ বছর পূর্ণ হতেই হবে।



সাধারণত ২ বছর হলে দাঁত পড়ে যায়। অনেকে বলে দাঁতের বিষয় আছে কিনা দাত সাধারণত পড়ে যায়। কোন কারণে যদি না পড়েও তাহলে সেটা দিয়ে কোরবানি হয়ে যাবে। কিন্তু মুসনা বলছে রাসূ মুসনা বলা হয় সিল যার উঠছে নতুন দাত উঠছে তার গজাইছে। এবং মুস আরেক অর্থ হচ্ছে যেটা দ্বিতীয় বছরে পড়েছে গরুর জন্য। আর ছাগলের জন্য দ্বিতীয় বছরে পড়েছে ১ ফত দ্বিতীয় বছরে পড়েছে গরুর জন্য ২ ভারি তৃতীয় বছরে পড়েছে আর উটের জন্য ৫ ভারি ষষ্ঠের মধ্যে পড়েছে এটা হল মুসিনা আর যা এটাও যা অর্থাৎ ধন যেটা যেটা ভেড়া এটা সাধারণত ১ বছরের নিয়ম কিন্তু ৬ বছরও ৬ মাসেও সেটাকে ৬ মাস হলেও তাকে কোরবানি দেয়া যায় আমাদের সাধারণত ভেড়া খুব কম পাওয়া যায় এজন্য আমরা হিসাব করব ১ বছর হিসাব করব অনেকে ছাগল কিনে ৬ মাসের ছাগল দিয়ে কোরবান চিন্তা করেন সেটা হবে না। মোটা তাজা হলেও কাজ হবে না। আপনাকে ছাগলের ক্ষেত্রে অবশ্যই ১ বছর হতে হবে।



তিন নম্বর যেটা শর্ততা হচ্ছে সেটা যাবতীয় দোষ ত্রুটি মুক্ত হতে হবে। দোষ ত্রুটি রাসূ নির্ধারণ করে দিয়েছেন কারণ দোষ ত্রুটি হিসাব করলে বহু রকমের দোষ পাওয়া যায়। রাসূুল্লাহ নির্ধারণ করে দিয়েছেন বর্ণিত হাদিস এসছে রাসূ বলেছেন আর ৪টি ৪ রকমের রোগ যদি হয় ৪টা বিষয় থাকলে সেটা কোরবানির জন্য যথেষ্ট হবে না আল আরাবা যেটার চোখ কানা সেটা যে বুঝা যায় স্পষ্ট যে চোখটা নাই সেটা কিন্তু সাদা হয়ে গেলে চোখ সাদা হয়ে গেছে এরকম কিছু দিয়ে বন্ধ করা যাবে না অর্থাৎ সে দেখতে পাচ্ছে হাটতেছে চলতেছে ঘাস খাচ্ছে তাহলে এটা দোষনীয় না কিন্তু বুঝা যাচ্ছে একটা চোখ তার নাই সেটা দিয়ে কোরবানি করা যাবে না ওমারি এটা যদি কোরবানি দুই চোখ যার নাই তার মোটেই কোরবানি করা যাবে না মানে আমি অর্ধেক বলেছি এজন্য আর এমন রোগ রোগী ছাগল বা প্রাণী যেটার রোগ স্পষ্ট যেটা রোগ স্পষ্ট দেখলে বোঝা যাচ্ছে এটা রোগী অনেক সময় বাজারে নেয়া হয় সেখানে মরে যায় সেটা হাপাইতে হাপাইতে মরে যায় অনেক সময় এমনভাবে তাদেরকে পুশ করা হয় দেখতে মোটা হয়ে যায় কিন্তু শরীরে তাদের রোগ থাকে সেগুলো যদি কোন প্রমাণিত হয় যে এটা রোগী সেটা দিয়ে কোরবানি করা যাবে না কারণ এটা মানুষের ভিতরে সে রোগকে আবার ছড়িয়েও দিতে পারে।



তিন নম্বর হচ্ছে আলজবা এবং ল্যাংড়া প্রাণী ল্যাংড়া প্রাণী বা ভাঙ্গা প্রাণী যেটা হাটতে পারে না যেটা হাটে হাটলে বোঝা যাচ্ছে যে স্পষ্ট সে হাটতে পারছে না অল্প অল্প লাফিয়ে লাফিয়ে হাটছে সেটা আর যেটা একটু খুরিয়ে হাটছে ঠিক হয়ে যাবে কোন কারণে গাড়িতে আনার সময় নেয়ার সময় একটু ব্যথা পেয়েছে এটা দিয়ে কোরবানি নিষিদ্ধ না এটাতে কোন সমস্যা হবে না আলবাস যার চলা স্পষ্ট যে সে লেংড়ামি করে হাটছে এরপর অর্থাৎ এমন শুকনা যেটা সাধারণত আমাদের গ্রাম দেশে অনেকে কি করে এমন সব গরুগুলিকে কোরবানি দেয় যেগুলি আর সেগুলি আর চলে না অনেক সময় দেখা যায় যে এগুলি দিয়ে হাল চাষ করতে পারে না। এগুলি হাটাহাটি করে না। শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। হাডিসার হয়ে গেছে। সেটা দিয়ে তারা কোরবানি দিয়ে থাকে। রাসূুল্লাহ (স) এটা দিয়ে কোরবানি করতে নিষেধ করেছেন।



কিন্তু যদি কোন কারো সিং ভাঙ্গা থাকে তাহলে সিংের আলেমরা কেউ কেউ বলেছেন যে ৩ ভাগের ২ অংশ যদি ভাঙ্গা হয় দেখতে হবে আগের পরশিং সাধারণত একই রকম হয়। ওটার সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে। যদি কোন ৩ ভাগের ২ অংশ ভাঙ্গা হয় তাহলে সেটা বাদ দিবে। মূলতশিং ভাঙ্গা কোন সমস্যা নেই। যদি গোড়া থেকে না উঠে যায়। গোড়া থেকে না উঠা যায়। গোড়া থেকে না উঠলে কোন সমস্যা নেই। আর চোখে সাধারণত আমরা বলেছি যে চোখ যদি গোড়া হয় অর্থাৎ সে এক চোখ নষ্ট আর এটা যদি হয় তাহলে হবে না। কিন্তু যদি চোখে কম দেখে সেটা দিয়ে কোরবানি হতে পারবে। কোন সমস্যা নেই। কান কাটা হলে কোরবানি হতে পারবে কিনা? কান কাটা নিয়ে অনেকেই অস্ট্রিয়ান যদি কোন কেউ দেখেন ছাগলগুলো তারা কান কেটে ফেলে। এবং এটা নিষিদ্ধ যে করে ফেলল কেউ এটা দিয়ে কোরবানি হবে কিনা অথবা কানের মধ্যে দাগ দেয় একটু অংশ কেটে নিয়ে দাগ দিয়ে দেয় এটা কোরবানি হবে কিনা এটা কোরবানি কোন সমস্যা নেই কিন্তু গোড়া থেকে যদি কাটা হয় সেটা যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বুঝা যায় তার শরীরের তার মাংসের ক্ষতি হয়েছে বা শরীরের ক্ষতি হয়েছে সেটা শুধুমাত্র নিষিদ্ধ হবে না হলে কান কাটার কোন কোরবানির কোন অসুবিধা হবে না অনেকে আছে নাক কাটা দিয়ে কোরবানি নিয়ে নিষিদ্ধ মনে করছেন না নাক কাটা দিয়ে কোরবানি কোন সমস্যা হবে না জিহ্বা দাঁত এগুলি যদি কোন ভাঙ্গা হয় কোন কারণে সেগুলো দিয়ে কোরবানি হবে কোন সমস্যা নেই ততক্ষণ পর্যন্ত সেটা দোষী দোষী দোষী বলে বিবেচিত না হচ্ছে।



একটি প্রাণীতে কয়জন শরীক হতে পারবেন একটি ছাগলে একটি ছাগল একটা ব্যক্তির জন্য হবে এটা সবার মতেই আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাই বলেছেন অন্য বলেছেন প্রশ্ন হচ্ছে একটি ছাগল কি এক পরিবার থেকে হবে কিনা? এখানে প্রশ্ন কিন্তু এরকম না যে সবাই নাম দিবেন এটা না। একজন ব্যক্তি তিনি যখন তিনি কোরবানি করবেন তখন তিনি এটাতে শরিক করবেন। অর্থ কিন্তু একজনেই দিবেন। এই নয় যে তিনজনে ভাগ করে পরিবারের সবাই মিলে টাকা দিয়ে একটা দিবেন। এটা হবে না। যিনি পরিবারের কর্তা তিনি একটি কোরবানি দিবেন। একটা ছাগল দিয়ে কোরবানি দিবেন। পরিবারের কর্তা তিনি এর মধ্যে অন্যদেরকে সওয়াবে শরিক করবেন। রাসূ যেভাবে বলেছেন আমার থেকে আমার পরে আলে মোহাম্মদ থেকে এভাবে বলেছেন রাসূল নিজে দিয়েছেন সেইভাবে আপনারা দিবেন কিন্তু পরিবার কাকে বলে পরিবার বলে যা একজন যার ভরণপোষণ যার ভরণপোষণের দায়িত্ব পরিবারের কর্তার উপর রয়েছে অধীন এরা সবাই পরিবার অন্তর্ভুক্ত আর যিনি ভিন্ন বিয়ে শাদী করেছেন ভিন্নতা পরিবার পরিবার হয়ে গেছে তিনি একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত নন ইসলামে এজন্য ৫১ ভর্তি পরিবারে কোন সিস্টেম নাই। এজন্য যিনি কোরবানি দিবেন এরকম যেন না হয় যে বাবা দিয়ে দিছেন ছেলে আর দিচ্ছেন না সেরকম যেন না হয়। ছেলের সামর্থ্য থাকলে ছেলে দিবেন। বাবার সামর্থ্য থাকলে বাবা দিবেন। এটাই হচ্ছে নিয়ম। আর ছেলে বাবা দিবেন তার পরিবারের সবাইকে সে অংশীদার করতে পারবেন সওয়াবের ভিতরে। কিন্তু আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ মতে না তিনি শুধুমাত্র নিজের থেকে দিবেন। অন্য কাউকে দিতে হলে অন্যের জন্য আবার টাকা দিতে হবে। তিনি এটা নির্ধারণ করেছেন। অর্থাৎ এটাই আমাদের দেশে প্রচলন বেশি। একজন একজন একজন নিজের থেকেই দিবেন। এটা তারা মনে করে থাকে।



কিন্তু আরবরা মনে করে যেটা আমরা দেখেছি রাসূল সাল্লাম হাদিস থেকেও বেশি প্রমাণিত একজন তার পরিবারের সবাইকে এর মধ্যে শরিক করতে পারবেন। কিন্তু টাকা তিনি একজনেই দিবেন। [কাশি] এবং তাদেরকে শরিক করবেন যারা তার পরিবার। যারা তার পরিবার যারা আলাদা হয়ে যায়নি। অর্থাৎ যাদের ভরণপোষণ তার দায়িত্বের ভিতরে পড়ে। আর যারা তাদের ভরণপোষণ তার দায়িত্বের ভিতরে পড়ে না তারা এর অন্তর্ভুক্ত হবেন না। এর অন্তর্ভুক্ত হবেন না। অর্থাৎ তারা তাদের যদি সামর্থ্য থাকে তারা আলাদা কোরবানি দিবেন। এটা সবারই মত। আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাই শুধু বলেছেন যে না যদি কেউ তার ছেলে থেকে দিতে হয় তাহলে ছেলের জন্য আলাদা টাকা ব্যবস্থা কিন্তু আরেকটা ভাগ দিতে হবে। কিন্তু জমহুর ওলামাদের নিকট একজন মানুষ তার পরিবার সবাইকে এর মধ্যে শরিক করতে পারবে না।



এই হচ্ছে ছাগলের ক্ষেত্রে। কিন্তু উট এবং গরুর ক্ষেত্রে বা মহিষের ক্ষেত্রে ৭জন দিতে পারবে। একটাতে ৭জন দিতে পারবে। একটাতে ৭জন দিতে পারবে। অর্থাৎ ৭জন একটা গরুতে একটা মহিষে এবং একটা উটের মধ্যে শরিক হইতে পারবে। শরিক হইতে পারবে। তো এইটা অন্য কোথাও শরিক হওয়া যায় না। শুধু উটে এবং মহিষে এবং গরুতে শুধুমাত্র শরিক হওয়া যায়। ছাগলে শরিক হওয়া যায় না। ছাগলে শরিক হওয়া যায় না। আমাদের দেশে অনেক সময় দেখা যায় যে কেউ কেউ বিদেশ থেকে কোন কোন সময় দেখা যায় যে ইয়া পাঠিয়ে দিয়েছে কোরবানি করার জন্য। অথবা টাকা দিছে কোরবানি কিনার জন্য। কার নামে কোরবানি করছি। কার জন্য কোরবানি করছে? এটা এভাবে তো কোরবানি হয় না। কোরবানি করতে হলে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি হতে হবে। ব্যক্তি নাই। এখন বলে গরীবদের জন্য কোরবানি করতেছে। কে করতেছে টাকা কে দিচ্ছে? এই সিস্টেমে কোরবানি চলে না। কোরবানি খয়রাতি হয় না। কোরবানি খয়রাত হয় না। এই জিনিসটা ভুল। যারা অনেকে করে থাকেন তারা এটা শরীয়া বিরোধী কাজ করে থাকেন। জানা উচিত আমাদের।



কোরবানি যদি কোন অংশীদারের ভিত্তিতে দেয়া হয়। অনেকে বলে অংশীদারের মধ্যে কেউ যদি কোন ছাগ গোশত খাওয়ার ইচ্ছা করে অথবা আত্মসম্মান বজায় রাখার ইচ্ছা করে আল্লাহর নৈকট্য না থাকে তার কোরবানি হবে না এটা ইমাম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাইর মত যে যদি কোন কেউ যদি মনে করে যে এই কোরবানির ভিতরে একজন ৭জনের মধ্যে একজন মনে করল যে এটা গোস্ত খাওয়ার জন্য অথবা তার লজ্জা শরম বাঁচানোর জন্য মনে করছে সে কোরবানি দিছে তাইলে কারো কোরবানি করে কিন্তু অন্যেরা বলে থাকেন না যদি কেউ যদি কোন তার অংশের ভিতরে গতে নিয়ত করে সেটা ওই ব্যক্তির সমস্যা হবে কিন্তু যেই ব্যক্তি নিয়তে আল নেক নিয়তে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য কোরবানি দিয়েছে তার কোরবানিতে কোন অসুবিধা হবে না তারপরেও এই সমস্যা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য আপনাদের জানা উচিত আগে বলা উচিত তাদেরকে সাথে নেয়া উচিত যাদের নিয়ত পরিশুদ্ধ আছে বলে আপনি জানতে পারবেন।



ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহ আলাই এর মতে কোরবানিতে অংশীদার করা যায় না। এককভাবে দিতে হয়। যদিও সেটা ছাগল হোক বা উট হোক বা গরু হোক এই মতটির পক্ষে তিনি কোন দলিল দেননি। এই মতটি আসলে মারিজ বা অগ্রহণযোগ্য এবং বিশুদ্ধ দলিল হচ্ছে যে অবশ্যই কোরবানিতে শরিক হওয়া যায়। এর দলিল জাবের বর্ণিত হাদিস নাহমা রাসূল্লাহ সাল্লাল্লাহুবিয়া আলুনা মুসলিম রাসুল্লাহ সলা এর সাথে আমরা হুদাইবিয়ার বছর ৭জন এক উটে শরিক হয়েছি আর ৭জন এক গরুতে শরিক ছিলাম মুসলিম হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আমাদের দেশে অনেকেই বলে থাকেন যে এটা সফরে ছিল এই সফরটাকে বলা এটা ওস এই ওসতারদি বলে এটাকে ওসফতারদিকে যারা উসুল করছে তারা বুঝবেন এমন একটা ওয়াস গুণ নেয়া যে গুণটা নেয়ার মত না এই গুণ না উনি ছিলেন সফরে তাই বলে হাজারের মধ্যে বিপরীতটা করবেন এমন না কারণ সাহাবায়ে কেরাম থেকে বর্ণিত আছে এদের মধ্যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহাতে শুরু করে বেশ অনেক সাহাবী থেকে বর্ণিত আছে তারা বলেছেন যে হজর অবস্থাতে তারা তারা জবাই করতেন একটি গরু জবাবে করতেন ৭জন থেকে তাহলে বোঝা গেল সাহাবায়ে কেরাম সেটা প্রতিপালন করতেন। সুতরাং এর বিপরীতটি নেয়া যাবে না। সেটাই গ্রহণ করতে হবে। সাহাবায়ে কেরাম হদার অর্থাৎ একামত অবস্থায় নিবাসেও সেটা করতেন। শুধু সফরে সেটা করেছেন তা নয়। সুতরাং এর বিপরীতটি বিশুদ্ধ নয়।



কোন কোরবানিটা বেশি উত্তম? প্রথমে একদলের মত হচ্ছে আগে উট তারপরে গরু তারপর ছাগল। সিরিয়াল দিক থেকে এটাই মত হচ্ছে শাফিয়া হনাবেলা জহেরিয়া এবং মালিকিয়াদেরই মত মালেকিয়াদের কারো কারোই মত দ্বিতীয় মত হচ্ছে আবু হানিফ রহমাতুল্লাহ আলাই মত তিনি বলেন যেটাতে গোস্ত বেশি এবং গোস্ত বেশি সুন্দর হবে সেইটা বেশি উত্তম অর্থাৎ ছাগল না গরু উট না যেটা বেশি বেশি পাওয়া যায় গোসত সেটা তার মতে যে উত্তম জিনিস দিতে হবে রাসূ উত্তম জিনিস দিয়েছেন দেখতে মালিশ ছিল অত্যন্ত দেখতে চোখে চোখ চিত্তাকর্ষক ছিল এমন ছাগল দি তিনি কোরবানি দিয়েছেন। তো তিনি বলতে চাচ্ছেন এটা যেহেতু চিত্তাকর্ষক জিনিসটা যেটা দেখতে উপাদী সেটা হতে হবে। মালিকদের নিকট এককভাবে যেটা দেয়া হবে সেটাই কারণ তারা আগে থেকে বলেছে একজন শুধু একটাতে শরিক হইতে পারে। এইজন্য তারা বলেন যে এর মধ্যে ছাগল এককভাবে দেয়ার পরে কোন মতভেদ নাই। সুতরাং আগে ছাগল একা দিতে পারলে তারপর উট তারপর গরু তারপর উট। এইটা মালিকদের মত। তবে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে এটা। যে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে এটা যার মাধ্যমে যেটার মাধ্যমে এই যে শারিরা ইসলামের নিদর্শনটা এটা বেশি বেশি প্রকাশ পেয়ে যাবে সেটা করা উচিত আর সেটা করা বেশিরভাগ দেখা যায় গরু বা উটের মাধ্যমে বেশি অনেকেই শরিক হয় অনেকে সেখানে হয়তো তার জীবনে হয়তো কারো সাথে দেখা হতো না সেখানে দেখা হয় পরিচয় হয় মানুষের মাঝে সম্প্রীতি বাড়ে এইজন্য গরু দিয়ে বেশি উত্তম বলে আমি মনে করছি কারণ এর মাধ্যমে এই এটা এই মুসলিমদের যে এই নিদর্শনটা সেটা সব জায়গায় প্রচার প্রসার লাভ করে। প্রশ্ন হচ্ছে কোরবানির সাথে আকিকা করা যাবে কিনা? হানাফীদের মতে করা যাবে। মালেকি এবং শাফীরা বলে করা যাবে না। এবার আরো মত আছে। তবে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে যে সেটা করা যাবে না। হানাফীদের দলিল হচ্ছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম কোন হাদিসে এটাকে আকিকাকেও নাসিকা বলেছেন। অর্থাৎ সেটাকেও কোরবানি নাম দিয়েছেন। বলেছেন বলতে কোরবানি বুঝায়। তিনি বলছেন নাম যেহেতু মিলে গেছে তারা বলেন যে সেহেতু দেয়া যাবে। কিন্তু আসলে এটা বিভিন্ন ভাবার বিষয় রয়েছে। কারণ আকিকা আসে আকিকা আসে জানের উপরে আর কোরবানি আসে মালের উপরে আর আকিকা সপ্তম দিন নির্ধারিত আর কোরবানি সেটা শুধুমাত্র বছরে একসময় হয় এবং যদিও এক সাত কয়েক জায়গাতে হয় সেটা হচ্ছে কি আকিকার জন্য বছর পূর্ণ হতে হয় ছাগল আকিকার জন্য যদি গরু দেয় কেউ উট দেয় যদি সুন্নত না তাহলে সেটাও কোরবানির বয়স পার হতে হয় সবারই তো সেই এবং সেই দোষ একই রকম দেখতে হয় কিন্তু মানে দোষ ত্রুটি মুক্ত হতে হয় একই রকমের তারপরেও যেহেতু দুইটা ভিন্ন জিনিস সেহেতু দুইটাকে একসাথ করা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললামের সুন্নতের মধ্যে পাওয়া যায় না এজন্য আমরা আকিকা এবং কোরবানিকে কখনো একসাথে না করি।



যিনি কোরবানি করবেন তার উপর কি করণীয় ১ নম্বর করণীয় হচ্ছে তিনি তার চুল কাটবেন না এটার এটার মাসলা কি? এটা কি ওয়াজিব না ফর না সুন্নত? আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাইর মতে এটা মুস্তাহাব জিনিস। অর্থাৎ এটাকে তিনি সুন্নাহ মনে করেন নাই। কিন্তু রাসূল হাদিস হচ্ছে কেউ যেন তার চুল থেকে না নেয়। কঠিনভাবে নিষেধ করেছেন। এর অর্থ হচ্ছে এটা নিতে পারবে না। এটা হচ্ছে বিশত মত। চুল থেকে নিবে না এবং চামড়া থেকেও কিছু ফসাবেন। অনেকে আছে বসে বসে চামড়া ছিড়ে সেটাও করবেন না। অর্থাৎ আপনি এই কোরবানির আগ পর্যন্ত সেটা করতে পারবেন না। আপনাকে যিনি কোরবানি দিবেন তিনি তার পরিবারের কারো উপর না। এবং যিনি ওকিল হবেন তার পক্ষ থেকে একজন দিবেন তিনি তারও সমস্যা নাই। যিনি কোরবানি দিবেন তার উপরে এই এই নির্দেশনা যে তিনি তিনি ইয়া করবেন না অর্থাৎ তিনি চুল ছাটো খাটো করবেন না নোখ কাটবেন না শরীরের কোন চামড়া কোথাও তুলে ফেলবেন না বসে বসে যেটা উঠে যায় পড়ে যায় এটাতে সমস্যা নেই ইচ্ছাকৃত যেটা করবেন না সেটা বলা হচ্ছে আকিকা কোরবানির সময় কখন কোরবানির সময় হচ্ছে জিলহজের ১০ তারিখ সূর্য উঠার পরে যখন চাষের সময় হবে তখন অর্থাৎ চাষের সালাত আমরা যখন পড়ি তখন থেকে সেটা শুরু হবে এটা আউয়াল ওয়াক্ত প্রথম ওয়াক্ত আর শেষ ওয়াক্ত হবে আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ নিকট ১২ তারিখ ১২ তারিখ সূর্য ডুবার আগ পর্যন্ত বিশুদ্ধ মতে ১৩ তারিখ সূর্য ডুবার আগ পর্যন্ত আইয়াম তাসের শেষদিন পর্যন্ত সেটা মিল প্রলম্বিত।



এজন্য কোরবানি এগুলিতে করতে পারবেন কেউ যদি কোন এগুলিতে কোরবানি না করতে পারে তার কি বিধান তিনি কি সদকা করবেন অথবা কয়েকটা কাজ ১ নম্বর হচ্ছে একজন মানুষ কোরবানি কিনেছেন সেটা হারিয়ে গেছে অথবা মরে গেছে তার কি বিধান আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ তাকে ওরকম একটা কিনে আবার দিতে হবে অন্যদের মতে তার নিয়ত পার হয়ে গেছে তার নিয়তের কারণে সে সেটা আর দিতে হবে না সেটা তার জন্য আর দেয়া লাগবে না কারণ নিয়তের কারণে সে সব পেয়ে যাবে হারিয়ে গেছে কিনতে পারবে সামর্থ্য যদি থাকলেও কারণ সে তো নিয়ত একটার সাথে সম্পৃক্ত করে ফেলেছে। কিন্তু আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ তাকে এরকম একটা আবার কিনে কোরবানি দিতে হবে। কারণ তিনি তো ওয়াজিব মনে করেন এইজন্য যদি কেউ কোরবানি করার সময় পার হয়ে গেছে কোন কারণে। কোন কারণে সে দিতে পারে তখন কি করবে? অধিকাংশের নিকট তিনি কোরবানি করবেন এবং এটাকে সদকা করবেন অর্থাৎ সেটাকে সদকা করে দিবেন সেটা খাবেন না এভাবে বিভিন্ন বর্ণনা সর্বসারিন থেকে এসেছে।



কিভাবে কোরবানির গোস্ত ভাগ করবেন কোরবানির গোস্ত ভাগের ব্যাপারে সুন্নাহ হচ্ছে ৩ ভাগ করা সুন্নাহ এটা ফরজ ওয়াজিব না ১ ভাগ আপনি নিজের পরিবারের জন্য রাখবেন ১ ভাগ হাদিয়া দিবেন ১ ভাগ সদকা করবেন ৩ ১ভাগ সদকা করবেন ১ ভাগ হাদিয়া দিবেন এবং ১ভাগ নিজের পরিবারের জন্য রাখবেন। এটা হচ্ছে সুন্নাহ। এইটা যদি কেউ পালন করেন ভালো। কিন্তু আমাদের অনেক জায়গাতে সমাজে ১ ভাগ রেখেই দেয় সদকা করার জন্য। এটা নিয়ম নয়। কারণ অনেকে তার পরিবারের লোক বেশি হিসাব তার পরিবারের দরকার থাকতে পারে। আপনি যদি কোন সদকার জন্য আগে রেখে দেন। জোর করে এটা তো জোর করার বিষয় না। এটা সুন্নত প্রতিফলনের বিষয়। সুন্নত কেউ পড়তে পারলে করবে সেটাকে বাধ্য করতে পারেন না। এজন্য ৩ ভাগ করে ১ ভাগ যারা সমাজে রেখে দেয় এটা সঠিক কাজ নয়। এই সিস্টেম পরিবর্তন করা দরকার। এই সিস্টেম পরিবর্তন করা দরকার। অনেকেই আমাদের কাছে অভিযোগ দেয় যে আমার তো ছোট একটা ছাগল কোরবানি করেছি। ৩ ভাগ ১ ভাগ দিয়ে দিলে আমার পরিবার হয় না। এটা এইজন্যই বলেছি যে আসলেই তাদের মনের ভিতরে সেটা সন্তুষ্টি থাকে না দেয়ার ব্যাপারে। আর এর পরে আবার কি করে? উনারা ভাগ করে করে প্রতি বাড়িতে বাড়িতে আবার দেয়। এটা কোন সিস্টেম আপনি চালু করলেন? শরীয়তে সিস্টেম চালু করে নাই। রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম প্রথম প্রথম বলতেন তোমরা খাও ওয়ালা কোনরকম তোমরা জমা করে রেখো না। পরে যখন মুসলমানদের মধ্যে মুসলিমদের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আলহামদুলিল্লাহ সামর্থ্য বাড়িয়ে দিলেন রসূ বললেন যে তোমরা খাও এবং তোমরা জমা করো মানুষকে দান করো হাদিয়া দাও। তার তিনি বললেন অর্থাৎ জমা করে রাখা জায়েজ। অনেকে জমা করে রাখতে পারবে না বলে এটাকে ভাগ করে মনে করে সেটাকে ভাগ করে দেয়। আবার অনেকে আছে সদকা মুঠেই করে না। পুরোটাই সে ফ্রিজে ঢুকায়ে ফেলে। এটাও তো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আদর্শ বিরোধী কাজ। রাসূুল্লাহ সাল্লাম এদিন প্রত্যেককে তাকে গরীবদেরকে দেয়ার ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন। দেয়ার ব্যাপারে চিন্তা করবেন। যারা কেউ দেয় অনেকে নিতে চায় না। এটা অহংকার অহংকার করবেন না। হাদিয়া দিলে নিতে হবে। হবে কারণ হাদিয়া দিয়েছে হাদিয়াও দেয়া যায় আবার সদাকা দিলে এটাও বুঝা যায় গরীবদের সদাকা দিতে পারে ধনীদের দিলে হাদিয়া দেয়া দিতে পারে গরীবদের সদাকা দিতে পারে সুতরাং নেয়ার ব্যাপারে আপনি সেটাকে মানে উষ্ণ প্রকাশ করবেন না বা নিব কেন আমি কি কম আমার কি কম আছে নাকি এটা বলবেন না হাদিয়া দিলে নিবেন এটাই হচ্ছে নিয়ম হজের মধ্যেও দেখবেন আপনাকে অনেক সময় দেয়া হয় আপনি ফেলে দিবেন না কারণ এটা তারা মনে করে না যে শুধু সদাকা দিচ্ছে তারা হাদিয়া হিসেবেও দেয় এজন্য এগুলিকে কোনভাবেই মনে করবেন না যে আমি সদকা নিব কেন? সদকা হাদিও নিতে পারে। ধনীরা হাদিয়া তো নিতে পারে। অর্থাৎ তারা দেখছে হাজী হিসেবে অথবা এইদিন একে অপরকে হাদিয়া দিলে মহব্বত বাড়বে। রাসূুল্লাহ সাল্লাম বলছেন হাদিয়া দাও। তোমাদের মধ্যে মহব্বত বেড়ে যাবে।



মনে রাখবেন কিছু জিনিস আছে জবের সময় দরকার। ১ নম্বর হচ্ছে নিয়তটা পরিশুদ্ধ করবেন। তবে নাম ধরে ধরে অমুকের অমুকের নাম, অমুকের নাম কার কি নাম? কয়জনের নাম? অর্থাৎ আপনি শোয়ায়ে রেখে নির্ধারণ করবেন। আগে থেকে নির্ধারণ করবেন। গরু কিনা অর্থই নির্ধারণ করা নয়। গরু কিনছেন। এরপর নির্ধারণ করবেন কে দিবেন কোন সমস্যা নেই। কে দিবেন নির্ধারণ করবেন। ততক্ষণ পর্যন্ত না বলছেন ততক্ষণ পর্যন্ত কমপ্লিট হয়নি। মনে মনে থাকলে হবে না। মুখে উচ্চারণ করে ফেলেন যে এটা আমি আমার পক্ষ থেকে দিচ্ছি তখন থেকে সেটা কোরবানি বলে নির্ধারিত হবে। গরু কিনলেই সেটা কোরবানি নির্ধারিত হয়ে যায় নাই। এটা মনে রাখবেন। দ্বিতীয় কাজ হবে সেটা হচ্ছে যে যেটা দিয়ে জবে করবে সে ধারা ধারালো ধারাল করে নিবে। বেশি করে সেটাকে বেশি এমনভাবে ধার নিবেন যে সেটা সহজে কাটা হয়। রাসূুল্লাহ সলে তোমাদেরকেও তার ছুরিটাকে যেন ধারালো করে নেয়। এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম তিনি বলেছেন যে আল্লাহতালা সবার উপরে এহসান রেখেছেন অর্থাৎ ভালো কোন যে কোোন কাজকে উত্তম করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন সেজন্য রাসূ যেভাবে করেছেন সেভাবে করবেন রাসূ ছাগলের তার ইয়াতে পা রেখেছেন রেখে হাত দিয়ে ধরে তারপর তিনি এখানে পা রেখে তারপর জবাই করে দিয়েছেন সেভাবে আপনি করবেন যদি সেভাবে রাখতে পারেন জবাই করার ক্ষেত্রে কেবলামুখি করতে পারলে ভালো কেবলামুখি না করতে পারলে কোন সমস্যা নেই জবা হয়ে যাবে এটা একটা সুন্নত। আর শুয়ে গরু ছাগল গরু ছাগল এবং মহিষ এগুলিকে শুইয়ে জবাবে করবেন করবেন। আর উটকে দাঁড়ানো অবস্থায় জবাবে করবে। এটা সুন্নত। এটা সুন্নত। একট এক প্রাণীর সামনে আরেক প্রাণীকে জবাবে করবেন না। কারণ সে ভীত হতে পারে এবং তার রক্ত শুকিয়ে যেতে পারে ভয়ে। সেটা করবেন না। এবং তাদেরকে ভয় দেখানো আপনার নিয়ম বিরুদ্ধে রাসূল সেটা করেননি। সেটা থেকে দূর থাকতে বলেছে। এহসান হয় নাই সেটা। সেটা আমাদের খেয়াল রাখবেন। সুতরাং আমরা বুঝতে পারছি যে শরীয়ত কিছু নিয়মনীতি দিয়েছে সেভাবে আমরা কোরবানির কাজটা করব। আর চামড়ার ব্যাপারটা অবশ্যই চামড়া সদকা করে দিবেন। দান করে দিবেন। চামড়া দান করে দিবেন। চামড়া বিক্রি কাউকে দান করতে পারবেন। যে কোন মানুষকে দান করতে পারবেন। কিন্তু নিজে ব্যবহার করতে নিজে নিতে পারবেন না। এজন্য হাদিসে নিষেধ আসছে নিজে নেয়ার ব্যাপারে। আর যদি কোন সেটা বিক্রি করেন নেয়ার চিন্তা করে হাদিসে কঠিন তার বুধিয়া হবে না বলছে নিজে নেয়ার চিন্তা না করে যদি আপনি উকিল হয়ে গরীবের জন্য বিক্রি করে তাকে টাকা দিয়ে দেন তখন শুধুমাত্র সেটা বৈধ হতে পারে।



প্রশ্ন হতে পারে মৃত মানুষ থেকে কোরবানি করবেন কিনা মৃত মানুষ থেকে কোরবানী করবেন কিনা দুটি মত আছে দুটি মত এক মত যা করা যাবে না এই মতটি বেশি প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে আহলে হাদিসদের মাঝে দ্বিতীয় মত হচ্ছে করা যাবে এটা বেশি বিশুদ্ধ করা যাবে। তবে উত্তম হচ্ছে যার জন্য যার পক্ষ থেকে কোরবানি করছেন তার থেকে আপনি সেটা সদাকা করবেন। অর্থাৎ এই যেই বস্তুগুলি পাবেন এগুলিকে দান করে দিবেন যাতে করে তার সদকা পরিপূর্ণ হয়। তার সদকা পরিপূর্ণ। কারণ করা যাবে এজন্য এটা আর্থিক এবাদত। আর আর্থিক এবাদত অন্যদের থেকে করা যায়। এটাই আমাদের লাজনাতু দায়েমা অর্থাৎ যেটা কমিটি যেটা স্থায়ী কমিটি ফতোয়ার সৌদি আরবের তারা সেই সিদ্ধান্ত দিয়েছে যেটা করা যাবে তবে মনে রাখবেন যে যদি কোন ওসিয়ত করে যায় প্রতিবছর কোরবানির জন্য ওসিয়ত ৩ ভাগের ১ অংশ তার সম্পদ থেকে ৩ ভাগ ১ অংশ সম্পদ থেকে তার জন্য ওসিয়ত প্রতিপালন করা কোরবানিটা করা সবার নিকটে বৈধতা রয়েছে এবং সেটা করতে হবে সেটা অবশ্যই কোনভাবে ছাড়া যাবে না যদি ওসিয়ত করে যায় যে আমার সম্পদ থেকে প্রতিবছর আমার জন্য কোরবানি করতে হবে। এটা একজন মানুষের ওসিয়ত। যেহেতু তার সম্পদ অনেক রেখে গেছে। যদি এরকম রেখে যায় তাহলে হবে। আর যদি সম্পদ রেখে না যায় ওসিয়ত দিতে সে বাধ্য নয়। কারণ ওসিয়ত যেটা সম্পদ তার নাই এ ওসিয়ত করতে পারে না। সন্তান ইচ্ছা করলে তার পক্ষ থেকে প্রতিপালন করবে। ইচ্ছা করলে প্রতিপালন করবে না। আর সম্পদ রেখে গেলে সে ওসিয়ত তাকে প্রতিপালন করতে পারে। প্রতিপালন করবে।



ইলহামদলিল্লাহ নাহমাদুহুবিল্লাহ আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওহদাহু লা শারিকালাহ আনা মুহাম্মাদান আবদুহুস আম্মাবাদ সম্মানিত মুসলিম কোরবানির মাসলা আলোচনা করছিলাম কোরবানি আল্লাহর জন্য যেন হয় সেটা আপনি অবশ্যই খেয়াল করবেন যদি আপনার সামর্থ্য না থাকে সেটা আপনি সেটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না আল্লাহ তালা সামর্থ্য দেয় নাই সামর্থ্য হলে দিবেন আর যদি সামর্থ্য থাকে সেটা কেউ ছেড়ে দিবেন না কারণ এটার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলাকে আপনি ভালোবাসেন আল্লাহর নৈকট্য আপনি ভালো চান সেটা প্রমাণিত হবে আর যে কেউ আল্লাহর নৈকট্য চাইবে আল্লাহ তালাও আল্লাহ তালা তাকে ভালোবাসবেন এবং তার জন্য পুরস্কার নির্ধারণ করবেন কোরবানির উপর উপরে যে সমস্ত কোরবানির উপরে যে সমস্ত হাদিস আমি বলেছি এগুলো সহি হাদিস। এর বাইরে কোরবানির ফজিলতের উপরে কোন সহি হাদিস নাই। অর্থাৎ যে সমস্ত বর্ণনায় এসেছে যে প্রতিটা লোমের কারণে সওয়াব হয় অথবা প্রতিটি লোম ককুফের কারণে সওয়াব হয় অথবা রক্ত পড়ার আগে হয়ে যায়। এগুলি হাদিসগুলি সহি নয়। এজন্য সেগুলি আমি উল্লেখ করলাম না। বরং কোরবানি নিজেই নিজেই একটা বড় ধরনের ফজিলতের কাজ অতিরিক্ত ফজিলত দরকার নেই। মানুষ সাধারণত সম্পদ দিতে চায় না। অনেক কিছু দিতে চায়, সম্পদ ধরে রাখতে চায়। কিন্তু যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভালোবাসে সে ব্যক্তি কোরবানি নিবে। সে গোস্ত খাবে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু আল্লাহকে ভালোবেসে কোরবানি দিবে। অনেকে আছেন নাম ডাকের জন্য দিচ্ছে। ভয়াবহ বিষয়। বাজারে সবচেয়ে বড়টা নিয়ে আসে কি জন্য? যে আমি এত টাকা দিয়ে কোরবানি দিয়েছি, এত লাখ টাকা দিয়ে দিয়েছি। এগুলি শুধুমাত্র নাম ডাকের জন্য হচ্ছে। কোন সন্দেহ নাই। আপনি দিবেন সুন্দরটা। বড়টা দিতে হবে জরুরি না সুন্দর দেখছে আপনি বুঝতে পারছেন যে এটা কি হ্যাঁ আপনার সম্পদ আছে তাহলে মানুষকে বলবেন না কে কিনেছে অনেকেই এগুলি যারা করে তারা বড় ছবি তুলে রাখে প্রচার করে বিভিন্ন মিডিয়াতে দিয়ে দিচ্ছে এগুলি সবই হচ্ছে রিয়া রিয়ার জন্য কোরবানি করবেন না আল্লাহকে খুশি করার জন্য কোরবানি আমাদের করা উচিত আল্লাহ আমাদের বোঝার তৌফিক দান করুন আলাশ মহাম্দ আব্দুল্লাহ কিতা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহ আল্লাহুম্মা মুহাম্মাদ মহাম্দহ মুহাম্মাদিলা মহাম্মাদি আল্লাহ রাশিদিন আল্লাহ আল্লাহ আমাদের সবাইকে আপনি ক্ষমা করে দিন আল্লাহ আপনার সাথে তৌফিক দান করুন আল্লাহ আপনার অর্জন করার তৌফিক দান করুন আল্লাহ আপনার দনের আমাদেরকে দান করুন আল্লাহ আপনার শরীয় জ্ঞান আমাদেরকে দান আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে দ্বীনের উপর বড় করুন। আল্লাহ আমাদের আমাদের কাজে কর্মে এখলাস দান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে সমস্ত বিপদ আপদ থেকে উদ্ধার করুন। আল্লাহ আমরা যে বিপদে আছি বিপদ থেকে উদ্ধার করুন। আল্লাহ মুসলিমদেরকে আপনি নিরাপত্তা বের করে নিয়ে আসুন। আল্লাহ যারা আমাদের মুসলিম দেশের সমস্যা লাগাতে চায় তাদের থেকে আপনি আমাদেরকে হেফাজত করুন। আল্লাহ যারা যত রকমের ফেতনাবাজ আছে কাফের এবং তাদের তাদের মত মুনাফেক টাইপের যে সমস্ত যারা মুসলিম দেশে সমস্যা তৈরি করতেছে তাদের তাদেরকে ধ্বংস করুন আমাদেরকে হেফাজত দিয়ে আমাদের মুসলিমদেরকে আপনি হেফাজত করুন আল্লাহ আমাদেরকে আপনি হেফাজত করুন আমাদের যারা কবরে তাদেরকে ক্ষমা করে দিন আর যারা জীবিত অসুস্থ তাদের সুস্থ দান করুন আল্লাহ আমাদেরকে আপনি কবুল করুন আমাদের আমলগুলি কবুল করুন আল্লাহ্লাহ।